Thursday, June 18, 2026







নীল ধ্রুবতারা পর্ব-০৭

#নীল_ধ্রুবতারা [৭]
#সানজিদা_খানম_স্বর্ণা

মাহতাব মসজিদ থেকে ফেরার আগেই আমি চা বসালাম। আজ অনেক দিন পরে মাহতাবের জন্য তার প্রিয় আদা দিয়ে লিকার চা বানালাম। পিরিচের এক পাশে দিলাম দুটো নোনতা বিস্কুট। স্বাস্থ্যসচেতন স্বামী আমার। নিজের রাজকীয় ভুঁড়ি নিয়ে বড্ড বিপাকে পড়েছেন বেশ। এমনিতে ভদ্রলোকের শরীরে মেদ নেই। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ধরে পেটের দিকটা সামান্য উঁচু হয়ে উঠেছে। বোঝা যায় না। তবে আমি তাকে এই সমস্যাটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিই। তখন তার মন্তব্য থাকে—
“ভুঁড়ি হচ্ছে রাজা-বাদশাহদের প্রতীক। সিক্স প্যাক থাকে প্রহরীদের। রাজা-বাদশাহদের সিক্স প্যাক থাকে না, বোকা।”

আমি অবাক হয়ে তার যুক্তির বাহার দেখি। অতঃপর শরীর দুলিয়ে হেসে ফেলি। আমার হাসি দেখে সে গম্ভীর হয়। বলে,
“এমন করে হাসছ কেন?”
“কেন, হাসলে কী সমস্যা?”
“অনেক সমস্যা।”
“আমি তো তাহলে আরও বেশি করে হাসব।”

বলেই আমি আরও খিলখিল করে হাসি। উনি চোখ-মুখ কঠিন করে বলেন,
“ইস! কী বিশ্রী হাসি তোমার। দেখলেই প্রেমে পড়ে যেতে ইচ্ছে করে।”
আমি সলজ্জ হেসে বলি,
“বহু আগেই তো পড়েছ।”
ভদ্রলোক আমার কাছাকাছি এগিয়ে এসে মুচকি হেসে বলেন,
“রোজ নতুন করে আবার প্রেমে পড়ছি।”
“তাহলে বলতে হয়, তোমার চরিত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এটা খুবই খারাপ লক্ষণ। বুঝলে?”
“বুঝলাম।”

আমার দেওয়া অপবাদ মাথা পেতে নেন ভদ্রলোক। তার মহানুভবতায় মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না। মেনে নিয়ে আরও একটু কাছে এগিয়ে আসেন। চোখে চোখ রেখে গাঢ় স্বরে বলেন,
“নবনী, তুমি বড্ড জ্বালাও আমায়।”
“বেশ করি।”
“আমি তোমার একমাত্র স্বামী। আমাকে এভাবে জ্বালাতন করা কি ঠিক?”
আমার আর জবাব দেওয়ার পরিস্থিতি থাকে না। হাসি কেবল। অতঃপর গভীর চুম্বনের আবেশে বুজে আসে চোখ। মানুষটা আমাকে যত্ন করে টেনে নেয় কাছে। আলতো আদর আর দুষ্টুমিতে সুন্দর হয়ে ওঠে আমাদের প্রতিটি মুহূর্ত।

চা বানিয়ে মানুষটার অপেক্ষা করতে করতে সুখস্মৃতি কল্পনা করতে থাকি আমি। যখন অনুভব করি অনেক বেলা হয়েছে, তখন সচকিত হয়ে আশেপাশে তাকাই। ফোন হাতে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে সময় দেখি। একি! বেলা তো অনেক হলো! মাহতাব কোথায়? মাহতাবের অফিস টাইম শুরু হয়েছে আরও ঘণ্টাখানেক আগে। নামাজ পড়তে মসজিদে গিয়ে আর বাসায় এল না সে? কিন্তু কেন? রাতের ঝগড়াঝাটির কারণে? আমি চিন্তায় অস্থির হয়ে একের পর এক কল দিতে থাকলাম তার নম্বরে। কিন্তু সে ধরল না। আমি হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারে ক্রমাগত মেসেজ করলাম তাকে। সে সিন করে রেখে দিল।
এক প্রহর অপেক্ষায় কাটানোর পর মাহতাবের কল এল দুপুরে। রিসিভ করতেই গম্ভীর গলায় বলল,
“কল দিয়েছিলে?”
“হুঁ।”
“কেন?”
“কেন মানে কী? আমি তোমায় কল দিতে পারি না?”
“পারো, অবশ্যই পারো। কিন্তু তোমার যা মেজাজ! তাই…”

তার গলার স্বর বড্ড অচেনা লাগে আমার। কঠিন গলায় জানতে চাই—
“তাই কী?”
“অবাক হলাম কল দিয়েছ দেখে।”
“তুমি আমার সাথে এমন রূঢ়ভাবে কথা বলছ কেন?”

আমার অপ্রস্তুত ভঙ্গিমায় করা প্রশ্ন শুনে সে বোধহয় অবাক হলো। বিস্মিত কণ্ঠে ভেসে এল—
“আমি রূঢ়ভাবে কথা বলছি?”
আমি কঠিন গলায় বললাম,
“হ্যাঁ, বলছ। বাই দ্য ওয়ে, এখন কোথায় তুমি?”
“অফিসে।”
“অফিসে! অফিসে মানেটা কী? তুমি তো সকালে নামাজে গিয়েছিলে, সেখান থেকে অফিসে গেলে কী করে?”
“যেভাবেই আসি। সেটা জেনে তুমি কী করবে? গতকাল রাতেই তো বলেছ, আমাকে তোমার সহ্য হয় না।”

নিজের এহেন কথায় অপরাধবোধ হলো আমার। রাগের মাথায় ভালোবাসার মানুষকে এত বড় কথাটা বলা উচিত হয়নি। বড্ড ভুল হয়ে গেল। আমি তাকে সরি বলতে যাব, তখনই সে বলল,
“অসহ্য আমিটা তোমার আশেপাশে না ঘেঁষার চেষ্টা করছি। তোমাকে কষ্ট দেওয়ার কোনো ইচ্ছে আমার নেই। তুমি ভালো না বাসলে কী হবে? আমি তো বাসি।”

আমি তখন সশব্দে কেঁদে উঠলাম। আমার প্রিয় পুরুষ এত কঠিন করে আমার সাথে কথা বলতে পারে? কী আশ্চর্য! এমন অপরিচিতের ভঙ্গিতে মাহতাব কখনো আমার সাথে কথা বলেনি। আমার হেঁচকি তুলে কান্নার শব্দে মাহতাব অস্থির হয়ে উঠল। এতক্ষণ ধরে বহু কষ্টে যেই কঠিন খোলস গায়ে জড়িয়ে রেখেছিল, সেটা খুলে গেল দমকা হাওয়ায়। ব্যস্ত হয়ে শুধাল,
“এই নবনী, কাঁদছ কেন? কী হয়েছে তোমার?”
আমি জবাব দিলাম না। কেনই বা দেব? যেই মানুষটা আমাকে কিঞ্চিৎ পরিমাণ আঘাত দিয়ে কথা বলে না, সেই মানুষটা আমাকে কঠিন কথা বলেছে ভেবেই— আমার অভিমানী মন নিশ্চুপ রইল। মাহতাব অপরাধীর স্বরে বলল,
“আচ্ছা, সরি। আমার ভুল হয়েছে। প্লিজ নবনী, কেঁদো না। তুমি কাঁদলে আমার কষ্ট হয়। সেটা তুমি জানো না?”

আমি জানি। খুব জানি। কিন্তু তার এই আহ্লাদি ধরনের কথাবার্তা আমার সহ্য হলো না। এই বিষয়ে বললাম না কিছুই। বরং কাঁদো কাঁদো কণ্ঠস্বর যথাসম্ভব কঠিন করে বললাম,
“তুমি এক্ষুনি বাসায় এসো। এক্ষুনি মানে এক্ষুনি।”
“আচ্ছা, দেখছি।”

বলেই মাহতাব কল কেটে দিল। আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম তার ফেরার। সারাদিন অপেক্ষার পরেও সে এল না। সন্ধ্যার সময় বিষণ্ণ মনে বিছানায় শুয়ে রইলাম আমি। ঘরের লাইট বন্ধ। অন্ধকার ভীষণ ভালো লাগে আমার। মন চায় আজন্মকাল ধরে আঁধারের সাথে সম্পর্ক করে মুখ ফিরিয়ে নিই আলোর থেকে। আমার জীবনে এমনিতেও তো কোনো আলো নেই। এই নিদারুণ অন্ধকারে বসে একটা বিষয় খেয়াল করেছি— মা হতে পারব না এই সংবাদটা শোনার পর থেকে যখন খুব একা থাকি, তখনই আমার গাঢ় মন খারাপ হয়। কোনো মানুষের সাথে থাকলে মন খারাপ কিছুটা কমে। তবে সেই মানুষটা আমার ঘরের ভদ্রলোক নয়। তাকে দেখলেই কেন যেন ঝগড়া করতে ইচ্ছে করে আমার। আজ সেই ইচ্ছে হলো না।

ভরসন্ধ্যায় অন্ধকারে শুয়ে থেকে আমার মনে হলো— আজ বহুদিন ভদ্রলোক আমাকে ভালোবাসেন না, আদর করেন না। আমি বহুদিন তার বুকে মাথা রেখে ঘুমাই না। মাত্র একদিনের দূরত্ব যেন সহস্র বছর মনে হলো আমার।

ভদ্রলোক বাসায় ফিরলেন মাগরিবের পর। ঘরে এসে লাইট জ্বালালেন। আমার অন্ধকারে সয়ে আসা চোখজোড়া হঠাৎ আলোর ঝলক সহ্য করতে পারল না। তীব্র গতিতে চোখ-মুখ খিঁচে নিলাম আমি। ভদ্রলোক গায়ের শার্ট খুলতে খুলতে বললেন,
“সন্ধ্যাবেলায় ঘর অন্ধকার করে শুয়ে আছ কেন? শরীর খারাপ নাকি?”

আমি টের পেলাম ওর গলার স্বরে প্রচুর ক্লান্তি মিশে আছে। তাকিয়ে দেখলাম চোখ-মুখ উদভ্রান্ত, চুল এলোমেলো, তাকানোর ভঙ্গি ক্লান্তিময়। ভদ্রলোক এগিয়ে এসে আমার কপালে হাত রাখলেন। আমি সেই হাত সরিয়ে দিয়ে উঠে বসলাম। আমার দৃষ্টিতে প্রশ্ন। সে কৈফিয়ত দেওয়ার ভঙ্গিতে বলল,
“বিশ্বাস করো, খুব চেষ্টা করেছিলাম চলে আসার। বসকে বারবার ছুটির কথা বলেছি, দেয়নি। আসলে আজ প্রচুর কাজের চাপ ছিল।”

আমি করুণ চোখে তার দিকে তাকালাম। তার মুখটা শুকনা। ঘামে ভেজা দেহটা নিয়ে ইতোমধ্যে সে বিছানায় টানটান হয়ে শুয়ে পড়েছে। মাথার উপর ফুল স্পিডে ফ্যান ঘুরছে। সে সেদিকে তাকিয়ে থেকে বলল,
“কিছু রান্না করেছ নবনী? আসলে খুব খিদে পেয়েছে।”

একটু থেমে আমার দিকে তাকিয়ে আবার বলল, “আসলে প্রচুর টায়ার্ড লাগছে। না হলে আমিই রান্না করতাম। আর যেহেতু আজ আমি সকালে না খেয়েই বেরিয়ে গেছি— ভাবলাম তুমি হয়তো রান্না করেছ। না করলেও সমস্যা নেই, আমি হোটেল থেকে নিয়ে আসব।”
আমি শীতল গলায় বললাম,
“তার প্রয়োজন নেই। আমি রান্না করেছি।”
মাহতাব চকচকে চোখে উঠে বসল। বলল,
“মেনু কী?”

আমি ভর্ৎসনা করে বললাম,
“গরিবের আবার মেনু!”
“কে বলেছে আমরা গরিব? নিজেদের সুস্থ-স্বাভাবিক হাত-পা আছে। সেটা কাজে লাগিয়ে যা রোজগার করছি সেটাই আমাদের রিজিক। আলহামদুলিল্লাহ। সব সময় শুকরিয়া আদায় করবে, বুঝলে?”

আমি মাথা ঝাঁকালাম। সে হেসে আমার এলোমেলো খোলা চুল আরও এলোমেলো করে দিল। অতঃপর আমার কাঁঁধে মাথা রেখে বলল,
“এবার বলো কী রান্না করেছ?”
“করলা ভাজি আর কচুর লতি দিয়ে চিংড়ি মাছ রান্না করেছি।”
“বাহ! আমি তাহলে চট করে গোসল সেরে আসছি। একসাথে খাব।”

আমি মাথা মৃদু ঝাঁকিয়ে সম্মতি দিলাম। বিছানা থেকে নামার আগে মাহতাব তীব্রভাবে শুষে নিল আমার চুলের ঘ্রাণ। অতঃপর প্রশ্ন করল,
“শ্যাম্পু করেছ নাকি?”
“হুঁ।”
“ভালো।”
ভালো যে, আমি তো তা ভালো করেই বুঝি। মানুষটা আমাকে পরিপাটি দেখতে খুব পছন্দ করে। তোয়ালে আর লুঙ্গি হাতে নিতে নিতে বলল,
“শোনো, তেল নিয়ো চুলে। দিন দিন আমার বউটা কেমন অগোছালো হয়ে যাচ্ছে। এসব দেখতে আমার ভালো লাগে না। রাতের খাওয়ার পর আমি তেল দিয়ে দেব তোমার চুলে।”

বলেই মাহতাব বাথরুমে ঢুকে গেল। আমি অল্প হাসলাম সেদিকে তাকিয়ে। বিয়ের পর থেকেই সে আমার চুলে তেল দিয়ে দেয়। প্রথম প্রথম অনেক তেল চুলে ঢেলে দিয়ে একটা বিশ্রী কাণ্ড ঘটাত। পরদিন শ্যাম্পু না করলে তেল চুইয়ে চুইয়ে পড়ত কপাল দিয়ে, কানের পাশ ঘেঁষে। একদিন ঠাট্টা করে পাশের রুমের ভাবী বলেছিল,
“বোতলের সব তেল এক দিনেই কি নিয়ে নিয়েছেন নাকি?”

আমি কিছু বলিনি। হেসেছি কেবল। কী আর বলব? বলব— আমার স্বামী শখ করে রাতে তেল দিয়ে আমার গোসল করান! বলা যায় এসব? না বললেও তার এসব যত্ন লোকের চোখে পড়ে। আশেপাশের লোকেরা তার নাম দিয়েছে ‘বউসোহাগি’ পুরুষ। তা আমার ভদ্রলোক বউসোহাগিই বটে। অতিরিক্ত সোহাগ করেন বলেই তো যত্ন করে এলোমেলো করে বিনুনি গেঁথে দেয় আমার চুলে। আবার আফসোস করে বলে,
“তুমি যে কী নবনী! চুলগুলো দিন দিন সব ঝরে যাচ্ছে। একটুও যত্ন নাও না।”
আমি তখন গম্ভীর হয়ে বলি—
“ঝরে গেলেই বরং ভালো। মাথায় চুলও থাকবে না, আর এত ঝামেলাও থাকবে না। টাকলু হয়ে ঘুরে বেড়াব। লোকে তোমাকে বলবে— ওই যে টাকলু বেডির জামাই যাচ্ছে। ভাবতেই ভীষণ এক্সাইটেড লাগছে।”
“আলু লাগছে। যত সব বাজে কথা।”
“কেন বাজে কথা কেন হতে যাবে? নাকি আমি টাকলু হলে তোমার আর আমাকে ভালো লাগবে না?”

মাহতাব হেসে ফেলত। বলত,
“যত রাজ্যের আজগুবি চিন্তা তোমার মাথায়, তাই না? পাগল তুমি!”
“না, সত্যি করে বলো তো, আমি টাকলু হলে আমাকে আর ভালোবাসবে না?”

মাহতাব হতাশ গলায় বলল,
“কেন বাসব না? অবশ্যই বাসব।”
“তবে একটা খুব চিন্তার বিষয় আছে।”
“কী বিষয়?”
“একই ঘরে, একই বিছানায় দুজন মানুষের একজন টাকলু, একজন চুলওয়ালা— বিষয়টি কেমন না? তার চেয়ে আমার সাথে সাথে তুমিও টাকলু হয়ে যাবে। এটাই বরং ভালো। আমি তোমাকে ডাকব— ওগো টাকলা মুরাদ, এদিকে শুনে যাও।”

মাহতাব কপাল কুঁচকে প্রশ্ন করল—
“এই টাকলা মুরাদ আবার কে?”
“কুখ্যাত অপরাধী। আওয়ামী লীগের লোক।”
“কী আশ্চর্য! তুমি আমাকে অপরাধীর সাথে কেন মেলাচ্ছ? আমি কি অপরাধী নাকি?”
“নাহ! কিন্তু তবুও আমি তোমাকে এই নামেই ডাকব। নাম যাই হোক, তুমি তো সত্যি সত্যি টাকলা মুরাদ হয়ে যাবে না।”

মাহতাব তখন হতাশ হয়ে আমার মুখের দিকে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে। আমি ভেবে পাই না আমার মতো অসহ্য এক নারীকে সে কেমন করে সহ্য করে! এসব যে অতিরিক্ত ন্যাকামি, সেটা আমি খুব ভালো করেই বুঝি। তবুও এসব আহ্লাদি ধরনের কথাবার্তা, ন্যাকামি করতে আমার বেশ লাগে। এসবে সম্পর্কে উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। ঝলমলে হয়ে ওঠে সংসার। সংসারের সুখ সুখ মুক্তোটা তো হাসি-ঠাট্টার মাঝেই লুকিয়ে আছে।

আজ কত দিন মাহতাবের সাথে হাসি-ঠাট্টা করি না আমি। গলা জড়িয়ে ধরে অযথা আহ্লাদে জর্জরিত করি না তাকে। আমার ইচ্ছে হলো আজ একটু আহ্লাদ করব মাহতাবের সাথে। মাহতাব বাথরুম থেকে বের হওয়ার আগেই কাবার্ড থেকে একটা টকটকে লাল রঙের শাড়ি বের করলাম আমি। কালো গায়ের রং আমার। কালো অঙ্গে এই লাল রঙের শাড়িটি বড্ড কটকটে লাগে। কিন্তু তবুও এটাই পরব আমি। দামি বসন। বিদেশ থেকে আমার এক আঙ্কেল শাড়িটি পাঠিয়েছে। দেখলেই বোঝা যায় খুব দামি বস্ত্র, খুব ভারী।

মাহতাব বেরোনোর আগেই আমি গুছিয়ে শাড়ি পরলাম। একটু কাজল লাগালাম চোখে। হালকা লিপস্টিক দিয়ে রাঙালাম ঠোঁট। আয়নায় দেখলাম সুন্দরই লাগছে আমাকে। ওই সুন্দর মেয়েটার দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম— মাহতাব এই মেয়েকে দেখে মুগ্ধ হবে তো? আমার এই চেহারায় মুগ্ধ হওয়ার মতো কিছু কি আছে?

—চলমান—

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ