Thursday, June 4, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"প্রেমের হাতেখড়িপ্রেমের হাতেখড়ি পর্ব-৪৩ এবং শেষ পর্ব

প্রেমের হাতেখড়ি পর্ব-৪৩ এবং শেষ পর্ব

#প্রেমের_হাতেখড়ি
#পর্বঃ_৪৩(অন্তিম পাতা)
#ফাতেমা_জান্নাত

রিফাত ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না করে চলছে।তার পাশের তরুণী তার কাঁধে হাত দিয়ে শান্ত হতে বলে।তার পাশে দাঁড়ানো রিপ্তি নামের তরুণী টি অন্য কেউ নয়।তারই স্ত্রী। তাদের বিয়ে তিন বছর হয়েছে দুই মাস আগেই।গত তিন বছরে রিফাত কখনো রিপ্তি এর কাছে প্রণয় জান্নাত এর ভালোবাসার প্রেমের হাতেখড়ি এর গল্পটা শুনাইনি। আজ কে রিপ্তি অনেক অনুরোধ করার পর রিফাত প্রথম থেকে সব কিছু রিপ্তি কে বলে।আজকের এই দিন টি তে জান্নাত প্রণয় তাদের মাঝে বিদায় নিয়েছে।তাদের মেয়ে এসে ছিলো দুনিয়া তে।জান্নাত প্রণয় মা’রা গেছে আজ আট বছর হয়ে গেছে।আট বছর আগে তারা মা’রা যাওয়ার দুই দিন পরেই প্রণয় দের দলের আজাদ সাহেব কে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়।কারণ সূত্র হিসেবে ধরা পড়েছে লামিয়া সুলতানা কে মে’রে ফেলার সময় আজাদ সাহেব -ই লামিয়া সুলতানা কে পিছন থেকে হাত আর মাথা টেনে ধরেছিলো। এবং কি প্রণয় এর নির্বাচন এর অনেক কথা আজাদ সাহেব রাফসান মির্জার কাছে লিক করতো।পার্টি অফিস এর অনেক গোপনীয় কথা আজাদ সাহেব রাফসান মির্জা কে বলতো।শুধু মাত্র টাকার লোভ করেই তিনি রাফসান মির্জার সাথে হাত মিলিয়ে ছিলো। আর এই সব কিছু জানা গেছে রাফসান মির্জা কে পর পর দশ দিন রিমান্ড দেওয়ার পর তিনি আজাদ সাহেব এর নাম বলেছে।আদালত আজাদ সাহেব এর যাবত জীবন কারাদণ্ড ধার্য করেছে।আর রাফসান মির্জার এক বছর হাজত বাস এবং মৃ’ত্যু দণ্ড দিয়েছে।

কিছুক্ষণ পরেই জান্নাত প্রণয় এর কবর এর কাছে এসে দাঁড়ায় প্রান্তিক, জুরাইন,রিফাত সজীব,সুজন।পাচঁ জনে এসে জান্নাত এর প্রণয় এর কবর জিয়ারত করে।তাদের থেকে অনেকটা দূরে ইশি,লাবণ্য, রিপ্তি,আর আট বছর এর প্রাপ্তি দাঁড়িয়ে আছে।জান্নাত প্রণয় এর মেয়ে প্রাপ্তি। মেয়ে টা কে এই আট বছরে লালন পালন করেছে প্রান্তিক, ইশি, জুরাইন। ‘প্রাপ্তি ‘ বলতে পা’গল তারা।মেয়ে টা যে তাদের- ই ভাই বোনের শেষ সম্বল। চোখে হারায় মেয়ে টা কে তারা।

কবর জিয়ারত করেই প্রান্তিক এসে প্রাপ্তি কে নিজের কোলে তুলে নেয়।দুই গালে আদর করে দেয়।প্রাপ্তির চোখে ছল ছল করছে।কিন্তু ঠোঁটে হাসি ফুটিয়ে রেখেছে।প্রাপ্তি প্রান্তিক এর গালে ও একটা আদর দিয়ে বলে,

—চাচ্চু আম্মু -বাবার সাথে কথা বলা শেষ?

প্রান্তিক হেসে দিয়ে প্রাপ্তি কে আরেকটু জড়িয়ে ধরে বলে,

—হ্যাঁ আম্মু বলেছি তো কথা।তোমার আম্মু আর বাবা বলেছে তোমাকে কান্না না করতে।তুমি কান্না করলে ওরা কষ্ট পায়।

প্রান্তিক এর কথা শুনে প্রাপ্তি দুই হাত দিয়ে নিজের চোখের পানি মুছে ফেলে হেসে দিয়ে বলে,

—আমি কান্না করছি না তো চাচ্চু। এই দেখো প্রাপ্তি হ্যাপি।

বলেই হেসে দেয়।প্রান্তিক এর কোল থেকে জুরাইন প্রাপ্তি কে নিজের কোলে নিয়ে বলে,

—আজকে আমরা ঘুরতে যাবো কেমন আম্মু?

—কখন যাবো মামা?

—এখনি।চলো।

বলেই জুরাইন প্রাপ্তি কে ঘুরতে চলে যায় নিজের বাইক নিয়ে।সময় এর পালা বদলে সেই এগারো বছরের জুরাইন ও এখন বড় হয়েছে।এগারো বছর সময়ে যখন জান্নাত আর প্রণয় মা’রা গিয়ে ছিলো। তখন থেকে-ই বয়স এর তুলনায় জুরাইন অধিক বেশি ম্যাচুরিটি এনে ছিলো নিজের মাঝে। মানুষ বলে না,”বয়স এর সাথে সাথে মানুষ ম্যাচুউর হয়”।আমি বলি কথা টা সম্পূর্ণ ভুল।কারণ বয়স বেদে নয় বরং স্থান, কাল আর সময় এর পরিবর্তন বেদে মানুষ ম্যাচুউর হয়।এগারো বছর বয়সে ক্লাস ফাইভে থাকা জুরাইন নামক চঞ্চল বালক টি এখন উনিশ বছর বয়সের অনার্সে পড়া একটা বুঝদার ছেলে।যে কিনা তার মৃ’ত বোনের মেয়ে কে সেই আট বছর আগ থেকে-ই সবার সাথে সাথে আগলে রেখেছে,খেলেছে,ঘুরতে নিয়ে গিয়েছে।পরিবারের সবার খেয়াল রাখতে শিখেছে। জান্নাত মা’রা যাওয়ার পর থেকেই জুনায়েদ আজমী অধিক বেশি ই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বড্ড আদরের ছিলো জান্নাত তার।মেয়ে দের যেমন বাপের প্রতি টান থাকে।বাবা দের ও মেয়ে দের প্রতি ছেলে দের তুলনায় একটু বেশিই টান থাকে তাই তো আজ আট বছরে ও তিনি মেয়ে হারানোর শোক থেকে বের হতে পারেনি।প্রাপ্তি কে দেখলেই জড়িয়ে ধরে কেঁদে দেয়।প্রাপ্তি জান্নাত এর মতোই সেই নাকের তিলটা নিয়ে এসেছে।এই তিল টার দিকে তাকালেই যেন জান্নাত এর প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে।আর প্রাপ্তির চোখ গুলো প্রণয় এর মতো।হাসি টা ও প্রণয় এর পেয়েছে।


প্রান্তিক এর পার্টি অফিস থেকে ফোন আসায় ইশি কে নিয়ে চলে আসে রিফাত,সজীব আর সুজন কে বলে।ইশি পাচঁ মাসের প্রেগন্যান্ট। এটাই তাদের প্রথম বাচ্চা। এত বছর প্রাপ্তি এর দিকে তাকিয়ে দুই জনের কেউ বাচ্চা নেওয়ার কথা মাথায় আনে নি।প্রাপ্তি কেই নিজে দের বাচ্চার মতো মানুষ করেছে।কিন্তু পারিপার্শ্বিক মানুষ এর নোনতা কথা দিন দিন যেন মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে।তাই না পেরে এবার সিদ্ধান্ত নেয় বাচ্চা নেওয়ার। সাথে এ ও সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাপ্তি কে নিজে দের মেয়ের মতোই আগের মতো করে ভালো বাসবে। কখনো প্রাপ্তি কে বাবা মা এর অভাব বুঝতে দিবে না।
প্রণয় মা’রা যাওয়ার পরে প্রান্তিক এমপি পদবী তে আসে।প্রণয় যে ভাবে মানুষ এর খেয়াল রাখতো প্রান্তিক ও তেমনি খেয়াল রাখে।কার কোথায় কি প্রয়োজন। মানুষ যেন প্রান্তিক এর মাঝে প্রণয় কে খুঁজে পায়।


সজীব এর বিয়ে হয়ে ছিলো পাচঁ বছর আগেই।কিন্তু আফসোস সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার স্ত্রী চির বিদায় নিয়েছে।তাই এখন নিজের ছেলে ইমতিয়াজ কে নিয়ে থাকে।কিন্তু প্রতি বছর এই দিনটা আসলে সব কাজ রেখে প্রণয় এর কবর এর কাছে আসবেই।রাজনীতি থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছে সে।রাজনীতি তে জড়িয়ে থাকলে তার প্রণয় ভাই এর কথা বেশি মনে পড়ে।তাই রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েছে।শহরের ছোট্ট একটা বাসায় ছেলে কে নিয়ে থাকে।সাথে একটা অফিসে ছোট খাটো কাজ করতো।কিন্তু প্রান্তিক অনুরোধ করে প্রণয় এর অফিসে -ই কাজ করতে বলেছে।তাই প্রান্তিক এর কথা না ফেলে প্রণয় এর অফিসেই কাজ করছে।


সুজন আর লাবণ্য এর কোনো সন্তান নেই।লাবণ্য আর কখনো ‘মা” হতে পারবে না বলে জানিয়েছে ডাক্তার। আর তার কারণ লাবণ্য কে গণ ধর্ষ’ণ করা হয়ে ছিলো।সেই সূত্রে লাবণ্যের মধ্যে কম্পলিকেশন দেখা দিয়েছে। সুজন এই নিয়ে লাবণ্য কে কিছু বলেনি কখনো। তার তো কোনো দোষ ছিলো না তাহলে বলবে কেন?তাছাড়া সে তো তার প্রণয় ভাই কে কথা দিয়ে ছিলো ভবিষ্যৎ এ ও কখনো লাবণ্য কে পুরনো কথা শুনিয়ে কষ্ট দিবে না।তাই মানুষ টা বেচেঁ নেয় তাতে কি হয়েছে? এর পরেও তার কথা পালন করে যাচ্ছে।এতিম খানা থেকে একটা ছোট্ট মেয়ে শিশু দত্তক নিয়েছিলো।যার বয়স এখন সাত বছর।বাচ্চা টি সুজন আর লাবণ্য কে ই মা বাবা বলে ডাকে।তাদের মেয়ের নাম রেখেছে সিনথিয়া।এই তো বেশ চলছে আলহামদুলিল্লাহ। আর কি লাগে?

🌸🌸

রাতের আকাশে যেন নিকষ কালো চাদর বিছিয়ে রেখেছে। আর সেই কালো আকাশ টা তে বাঁকা চাঁদের বুড়ি তাকিয়ে মিটি মিটি হাসছে।তাকে পাহারা দিচ্ছে হাজার হাজার তারা।প্রাপ্তি তার মা বার রুমের বেলকনি তে দাঁড়িয়ে রাতের আকাশ টা উপভোগ করছে।মা বাবার কথা তার প্রতিটা মুহূর্তে মনে পড়ে।কিন্তু তার মামা আর চাচ্চু বলে সে কান্না করলে তার মা বাবা কষ্ট পাবে।তাই তো কান্না করে না সে।কান্না দের দমিয়ে রাখে।

ঘরে ফিরে এসে সকালে তাড়াহুড়া তে বালিশ এর নিচে রেখে যাওয়া প্রেমের হাতেখড়ি নামের ডাইরি টা বের করে নেয়।ডাইরি টা তে শেষের অনেক গুলো পাতা খালি।অনেক গুলো কথা অসম্পূর্ণ। ডাইরি টা তার মায়ের -ই লেখা।মা ও চলে গিয়ে ছিলো ডাইরি ও অসম্পূর্ণ রয়ে গেলো।

প্রাপ্তি ডাইরি টা খুলবে আবার এমন সময় ইশি নিচ থেকে প্রাপ্তি কে ডাকতে ডাকতে উপরে আসছিলো। প্রাপ্তি তা দেখেই তাড়াতাড়ি ডাইরি টা ড্রেসিং টেবিল এর ডয়ারে রেখে দেয়।

ইশি এসে প্রাপ্তি কে নিয়ে যায় খাবার খাওয়ার জন্য।প্রাপ্তি একবার চোখ ভুলিয়ে পুরো রুমটা তে তাকায়।এই রুমটা তে তার মা বাবার হাজারো স্মৃতি লেগে আছে।তার কানে এসে যেন তার মা বাবার হাসি মজা করার প্রতিটা কথা এসে বা’রি খাচ্ছে।যেন পাশাপাশি দুটা বেলকনি থেকে তার মা বাবা কথা বলছে।বেলকনি তে বসে প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখছে তার মা বাবা।পাশের বেলকনি থেকে তার মা তার বাবা কে মি. ভালোবাসা বলে সম্বোধন করছে।এমন হাজার ও ভাবনা প্রাপ্তি এর মনে এসে বাসা বাধছে।এই আট বছরে তার মায়ের ডাইরি টা সম্পর্কে কিছুই জানতো না সে।গতকাল – ই মা বাবার রুমে ঘুমাতে এসেছিলো। বুঝ হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর তার মা বাবা মা’রা যাওয়ার আগের দিন রাত আর যেদিন মা’রা যায় সেই রাত এই দুই দিন রাতে মা বাবার রুমে ঘুমায় সে।তার মা বাবার সাথে কল্পনা তে কথা বলে এই দুটো রাতে।সেই সূত্রে ঘুমাতে এসেই কি মনে করে ড্রেসিং টেবিল এর ডয়ার খুলেছিলো।আর সেখানেই ডাইরি টা পায় আর সকালে ভোরে ভোরে পড়া শুরু করে।এবং জানতে পারে তার মা বাবা দুষ্টু মিষ্টি প্রেমের হাতেখড়ির গল্পটা।

ইশি প্রাপ্তি কে নিয়ে যায় নিচে।ডাইরি টা পড়ে থাকে ডয়ারে।থেকে যায় কিছু অসমাপ্ত লেখা।পাশে পাশে বেলকনির এক রাজনীতি বিদ আর এক সাধারণ খানিক চঞ্চল মেয়ের আত্মগোপনে রাখা ভালোবাসা থেকে বিয়ের গল্প।রাজনীতি বিদ দের সুখের সংসার করার স্বপ্ন দেখতে নেই।বিশেষ করে যারা অন্যায় এর পথে রুখে দাঁড়িয়ে মানুষ এর সেবার জন্য রাজনীতি করতে চায়।তাদের তো পুরোই নিষেধ। যার জল জ্যান্ত প্রমাণ হিসেবে থেকে যায় প্রণয় আর জান্নাত। কিন্তু প্রান্তিক কি আর তা মানে?সে ও চলছে পুরো উদ্যমে রাজনীতি এর পথে।

প্রাপ্তি ঘরে এসেই একটা অ্যালবাম নিয়ে তার মা বাবার ছবিটা দেখতে থাকে।ছবি টার মধ্যেই মা বাবার মুখে আদর দিয়ে বলে,

—আল্লাহ ওখানে তোমাদের ভালো রাখুক আম্মু -আব্বু দোয়া করি। তোমাদের প্রাপ্তি অনেক হ্যাপি আছে।তোমরা মন খারাপ করো না,কষ্ট পেয়ো না কেমন? প্রাপ্তি অনেক হ্যাপি থাকে।চাচ্চু, মামা,ছোট মা আমার অনেক খেয়াল রাখে।আমাকে আদর করে।আমাকে হ্যাপি রাখে।তোমাদের পার্শিয়া জেনিথ ও সব সময় আমাকে হ্যাপি রাখে আব্বু আম্মু।
প্রাপ্তি অনেক হ্যাপি আব্বু -আম্মু।

বলেই প্রাপ্তি অ্যালবাম টা জড়িয়ে ধরে কান্না করে দেয়।চাইলে ও যে সে কান্না আটকা তে পারেনি আজ।আজ মা – বাবার কথা বড্ড বেশি মনে পড়ছে তার।তার বাবা মা যে আল্লাহর কাছে চলে গেছে আর ফিরে আসার নয়।মা বাবার অভাব কেউ তাকে বুঝতে না দিলেও রাতের অন্ধকারে ঠিকই মা বাবার অভাব এসে তাকে ঝেকে ধরে।

✨সমাপ্ত 🖤

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ