Thursday, June 4, 2026







বাড়িগল্প বিভাগকষ্টের গল্পভালোবাসি তোকে ( ছোট পর্ব )

ভালোবাসি তোকে ( ছোট পর্ব )

ভালোবাসি তোকে
কলমে– শ্রেষ্ঠা ওরফে মেঘ

আজ ওকে নিজের মনের কথাটা বলেই দিই কি বলিস মিহির?!
মিহির কলেজের ক্যান্টিনে বসে এক হাতে স্যান্ডউইচ একহাতে বার্গার নিয়ে গাপুসগুপুস করে খাচ্ছিল । আদিত্য এমন কথা শুনে তার চোয়াল ঝুলে যায় সঙ্গে মুখের খাবারটাও গলা অব্দি গিয়ার পৌঁছাতে পারেনা। সে কিছুক্ষণ তার উল্টোদিকে বসে থাকা আদিত্যর দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকালো এরপর নিজের মুখের খাবারটা শেষ করে আদিত্যকে বলল–
এই নিয়ে কতবার তুই এই কথাটা আমার কানের পাশে নিয়ে গেলি তাই একটু বলতে পারবি বাবা আদিত্য?
আদিত্য একটা বিরক্তির”চ” সূচক শব্দ করে নেয় তারপর সেখানেই বসে ক্যান্টিনের আশেপাশে তাকিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কাঙ্খিত কাউকে একটা খুঁজলো কিন্ত পেলোন। তাই আবার নিজেকে সিরিয়াস করে নিয়ে মিহিরের দিকে তাকিয়ে আবার নিজের কথায় ফিরে এসে সে বলল —
ভালোবাসায় বয়সটা ম্যাটার করে না ভাই। তাইলে সেই জায়গায় আমার ওকে ভালোবাসাটা কি খুব অপরাধ হয়েছে?
মিহির নিজের স্যান্ডউইচ আর বার্গারটা খেতে খেতে আদিত্যর সব কতটুকু শুনলো , এমন কি বুঝলোও কিন্তু আদিত্যের করা এই প্রশ্নের সে কোন উত্তর দেয়নি । তবে সে আরো একটা জিনিস খুব ভালোমত বুঝলো আর তা হলো আদিত্যর সেই কাঙ্খিত মানুষটার প্রতি তার এক বাক্স বন্দি ভালোবাসা।
এই জন্যই তো আদিত্য এখনও বোঝেনা যে কেন তার বন্ধু এক কথা সবথেকে ভালো বন্ধু মেহের এই এক বছর ধরে আগের পেরিয়ে একটা কথায় বারবার বিরক্ত হয়।
অবশ্য বুঝবেই বা কি করে আদিত্যর যে সেই প্রথম কলেজে ওঠার পর থেকেই মন মস্তিষ্ক দেহ প্রাণ বিদায় শক্তা জুড়েই একটা মানুষই মাথায় বারবার ঘুরে বেড়ায় আনাচে কানাচে সব জায়গায় যে সেই একটা মানুষকে এসে খুঁজে বেড়ায় আর বারবার তার এই মস্তিষ্কে খালি একটাই নাম হানা দেয় আর সেটা হলো মিহিকা, মিহিকা আর মিহিকা।

এই মিহিকাকে আদিত্য যেদিন প্রথম কলেজে দেখেছিল সেই দিন থেকেই নিজের মনের মধ্যে এই মেয়েটাকে নিয়ে হাজার স্বপ্ন গড়ে তুলতে থাকে, এই বেপরোয়া ছন্নছাড়া পুরুষটি।
*********

রাজশাহীর একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র আদরের মেয়ে মিহিকা মুন্সি, বড্ড দূরান্ত ভট্ট চঞ্চল তবে সে দুরন্ত চঞ্চল হলে তার কিন্তু বড়ই দয়ার শরীর অন্যের দুঃখ কষ্ট দেখলে নিজেরো প্রচুর পরিমাণে কান্না পায় তার। সব সময় মানুষকে সাহায্য করতে এগিয়ে থাকে সেটা যেচে পড়ে হোক বা কেউ নিজে থেকে সাহায্য চাইলেই হোক।
এই যেমন ধরুন আজ দুপুর বেলার কথা –মিহিকা ওর প্রাণপ্রিয় বন্ধু তৃষার বাড়িতে গিয়েছিল বেশ কিছু নোটস নিতে। কিন্তু মেয়েটাকে যে বড্ড চঞ্চল সে তো এক জায়গায় অনেকক্ষণধরে বসে থাকতেই পারে না । তাই জন্য একটু ফুরফুরে মেজাজ পাওয়ার আশায় তৃষার বাড়ির পাশেই তাদেরই একটা বেশ পুরনো আম গাছ দেখতে পেয়ে লাফিয়ে ওঠে সে আর সঙ্গে সঙ্গে তৃষার কানে কানে ফুসুর ফুসুর করে একটা বিরাট বড় আইডিয়া দেয়। আরে বিরাট বড় আইডিয়া শুনে তৃষার চোখ পুরো গুল হয়ে যায় সেই মিহিকার দিকে তাকিয়ে বলে– ভাই তুই কি পাগল হয়ে গেছিস এইসব আইডিয়া তুই এই ভদ্রপুর আমাকে দিচ্ছিস?, মা জানতে পারলে আমাকে শেষ করে ফেলবে একেবারে।
মিহিকা ভেংচি কেটে তৃষাকে বলল—- চুপ কর তো আন্টি কিছু বলবে না। আর আমি সব সামলে নেব তুই শুধু আমার সাথে সাথে থাক তাইলে একটু আমি মনোবল পাবো আর কিছুই না।
এরপরে সে তৃষাকে নিয়ে চুপি চুপি ওদের ছাদে গিয়ে সেখানে রোদে শুকাতে দেওয়া অনেক আচারের বয়াম দেখতে পেয়ে সেখান থেকে একটা আচারের শিশি নিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল। তৃষাতো মিহিকা দৌড়ানো দেখে ভয়ে ভয়ে নিজে পারলে প্রাণ হাতে নিয়ে দৌড়াচ্ছে মিহিকার পেছনে পেছনে না জানি কখন কি হয়ে যায় এই মেয়ের চঞ্চলতার জন্য।

এখন মিহিকার গন্তব্য তৃষার বাড়ির পাশের আম গাছের ডালে উঠে আচার খাওয়া ।
তাই সে কোন ভাবনা চিন্তা না করেই গাছটার কান্ড বেয়ে বেয়ে উঠে আম গাছের ডালের ওপর একেবারেই পেত্নী স্টাইল নিয়ে বসে পড়ে পা দুটোকে নিচের দিকে ঝুলিয়ে।
গাছে বসে মিহিকা কিছুটা খিলখিল করে হাসতে হাসতে নীচের কে তাকিয়ে দেখে তৃষা মুখ উঁচু করে হাতে একটা আমের আচারের শিশি নিয়ে মিহিকাকা দেখছে আর এদিকে তুই সত্য একেবারে নাজিয়াল অবস্থা মুখে তার স্পষ্ট ভয় আর বিরক্তির ছাপ দেখা যাচ্ছে, এখন তার বারবার মনে হচ্ছে কি কুক্ষণে যে মেকার ওই বিরাট বুদ্ধি সে শুনতে গেল এটাই তার মাথাতে আসছে না।
মিহিকা তৃষার ভাবনাছেদ ঘটিয়ে উপর থেকে হাক পিড়তে থাকে আর বলতে থাকে ওরে আমার আমের আচারটা দিয়ে যা। আম গাছে বসে আমের আচার খাওয়ার মজাটাই আলাদা এই অনুভূতি বলে বোঝানোর মত না। পারলে তুইও চলে আয় দুজন মিলে একই ডালে বসে বসে আমের আচার খাব।
*********

আদিত্য আর মিহির কলেজ থেকে ফিরেছে প্রায় দু’ঘণ্টা হয়ে গেছে দুজনেই বড্ড ক্লান্ত হয়ে বিছানায় শরীর এলিয়ে দিয়েছিল।
প্রায় বেশ ঘন্টা খানেক বিশ্রাম নেওয়ার পরে আদিত্যর ঘুম ভাঙ্গে, ঘুম থেকে উঠে বসে সে বুঝতে পারে এখন প্রায় রাতের দিক তাই সে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে খেয়াল করে রাত নয়টা বাজতে যায়। আদিত্যর পাশেই মিহির এখনও অঘোরে ঘুমোচ্ছে। আসলে আদিত্য আর মিহির একই মেসে থাকে। দু’জনেই ঢাকার ছেলে বলে একটাই ঘর ভাগ করে নিয়েছে।
আদিত্য একবার মিহিরের দিকে তাকিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিল—সে এখনও ঘুমোচ্ছে। তারপর বিছানা থেকে নেমে নিজের ফোনটা হাতে নিল। সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে ঢুকে পড়ল।
‘আমার বিড়ালছানার মা’—এই নাম দিয়ে সেভ করা একটা ইনবক্স খুলল সে।
কিছু একটা লিখল। বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল সেই লেখার দিকে। তারপর হঠাৎ করেই Delete for everyone করে দিল।
ঠিক তখনই ওপার দিক থেকে ভেসে এল বেশ কয়েকটা কান্নার ইমোজি।
দু’বছর ধরে ঠিক এভাবেই চলছে।
এই একই অ্যাকাউন্টে দায়িত্বসহকারে কিছু একটা লিখে সঙ্গে সঙ্গেই মুছে ফেলা—আর তার মুহূর্তের মধ্যেই ওপার দিক থেকে চলে আসা সেই চেনা প্রশ্ন,— কি হয়েছে, বল?
কিন্তু আদিত্য কখনও কিছু বলত না। শুধু মেসেজটা seen করত। মুখে থাকত হালকা ভয়, ঠোঁটে অদ্ভুত এক কাঁপুনি, অথচ বাহ্যিকভাবে সে নিজেকে স্থির রাখার চেষ্টা করত।
কিন্তু এবার ব্যাপারটা উল্টো হলো।
ওপাশ থেকে যখন কান্নার ইমোজিগুলো এল, আদিত্যই প্রথম প্রশ্ন ছুড়ে দিল—কি হয়েছে? কাঁদছিস কেন?
উত্তর এলো— জানিস, আজ মা আমাকে খুব মেরেছে, চেলাকাঠ দিয়ে। খুব কষ্ট পেয়েছি আমি। আমার তো একটাই বন্ধু তৃষা, ওকেও ওর মা খুব বকেছে। এই দুঃখের কথা আর কাকে বলব বল? ওকে তো বলতে পারব না, যেহেতু ও নিজেই মার খেয়েছে। তাই তুই মেসেজ দিলি বলে তোকে বললাম। তুই তো আমার বন্ধু।
মেসেজটা পড়ে আদিত্য বুঝে গেল—মেয়েটা, মানে মিহিকা, আবার কোনো বাচ্চামি করেছে, আর সেই কারণেই মার খেয়েছে।
তবু আদিত্যর মনটা একটা জায়গায় এসে খারাপ হয়ে গেল।
মিহিকা কেন পুরো কথাটার মাঝে তাকে “বন্ধু” বলে সম্বোধন করল?
আদিত্য তো কখনও মিহিকাকে বন্ধু বলে মনেই করেনি।
তাহলে এই শব্দটাই নিশ্চয়ই তার গায়ে কাটা হয়ে বিঁধল ?
এইসব ভাবতে ভাবতেই আদিত্য একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাল।
এইবার সে আর কাউকে জিজ্ঞেস করবে না, কোনো পরামর্শ নেবে না। সে যা করবে, নিজের মন থেকেই করবে। তার কাছে এই মুহূর্তে সেটাই ঠিক।
আদিত্য মিহিকাকে একটা ছোট্ট smile emoji পাঠাল।
তার সঙ্গে লিখল— শোন, তুই একটু তোর বাড়ির ছাদে গিয়ে দাঁড়া। আমি আসছি।
এই বলেই সে অফলাইন হয়ে গেল।
ওদিকে মিহিকা তখন কান্নায় একেবারে নাজেহাল। আদিত্যর পুরো মেসেজটা সে ঠিক করে বুঝতেই পারল না। চোখ ভরা জলের জন্য সবকিছু ঝাপসা লাগছিল।
সে শুধু এটুকুই দেখতে পেল—আদিত্য তাকে ছাদে যেতে বলছে।

মনটা ছেঁড়াখোঁড়া, হাত পা আর বয়সেই বড় হলেও বুদ্ধিতে এখনও একটু কম—এই অবস্থায় মিহিকা ভাবল,
হয়তো ছাদে গেলে মনটা একটু ভালো হবে।
এই সামান্য আশাতেই, অল্প একটু আনন্দ নিয়ে, সে ধীরে ধীরে ছাদের দিকে উঠে গেল।
*******
ওপর দিকে আদিত্য একটা কালো হুডি আর কালো জিন্স পরে, সঙ্গে একটা স্টাইলিশ ব্ল্যাক হেলমেট চাপিয়ে বেরিয়ে গেল এক অজানা আনন্দের উদ্দেশ্যে। যাওয়ার সময় ঘরের দরজাটা বাইরে থেকে তালা মেরে দিল। মিহিরকে আলাদা করে ডাকার প্রয়োজন বোধ করল না সে।
রাজশাহীর একটা বিশাল রাস্তায় এসে ট্রাফিক জ্যামে আটকে গেল আদিত্য। চারপাশে মানুষের ভিড়, গাড়ির হর্ন, ধোঁয়া—সব মিলিয়ে এক অসহ্য কোলাহল। অথচ তার মনটা সেই ভিড়ের মাঝেও অদ্ভুতভাবে অস্থির। ঠিক যেন সমুদ্রের ঢেউ একটার পর একটা ধাক্কা দিয়ে উঠছে, থামার নামই নেই। আজ সে তার মনের চাপা কথাটা প্রকাশ করতে যাচ্ছে এই ভাবনাটাই তাকে ভয়ও দিচ্ছে, আবার অদ্ভুত রকম উত্তেজনাও জাগাচ্ছে।
বারবার মনে পড়ছে—মিহিকা যদি আদিত্যর কথা শুনে হঠাৎ একটা চড় মারে? যদি রেগে যায়? যদি সবকিছু ভুল বোঝে? সেই আশঙ্কাটুকু বুকের ভেতর কাঁটার মতো খচখচ করছে। তবুও সে জানে, আজ না বললে হয়তো আর কোনোদিনই বলা হবে না।
********
রাতের বেলায় মিহিকা চাঁদের আলোয় দোলনায় বসে হাওয়া খাচ্ছিল। ঠান্ডা বাতাসে বারবার নাক টানছে সে, কিন্তু শরীরের চেয়ে মনটাই বেশি কাঁপছে। দুপুরের ঘটনাগুলো বারবার মনে পড়ে যাচ্ছে—আর তাতেই চোখ ভিজে উঠছে, কান্না আটকে রাখতে পারছে না।
তবু নিজেকেই নিজে বোঝানোর চেষ্টা করে—সে তো কোনো ভুল করেনি। আসলেই তো করেনি। সেদিন যখন তৃষা অতিরিক্ত চেষ্টা করে গাছের কাণ্ড বেয়ে উঠে কোনোমতে মিহিকাকে আচারের শিশিটা দিতে গিয়েছিল, ঠিক তখনই হঠাৎ মিহিকার হাত স্লিপ করে যায়। ‘ঠাস’ করে শিশিটা নিচে পড়ে গিয়ে পুরো ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
এই কারণেই তো গাছ থেকে নামার পর মিহিকা আবার ঘটা করে ওই ঘটনাগুলো তৃষার মাকে গিয়ে বলেছিল। তার ওপর আবার বলেছিল,
— কাকিমা, আমি মা-কে বলে তোমায় আরেকটা আচারের শিশি পাঠিয়ে দেব।
বলবে না-ই বা কেন? মিহিকা যে এমনই। আমাদের মিহিকা রানির তো দয়ার শরীর. কারও কষ্ট, কারও ক্ষতি সে সহ্য করতে পারে না। সেই জায়গা থেকেই কথাটা বলেছিল সে।
কিন্তু কে জানত, এই দয়ার জন্যই তাকে এমন মূল্য দিতে হবে? কে জানত, তার জন্যই তার নিজের বান্ধবীর সঙ্গে তাকেও মার খেতে হবে শুধু কথা নয়, অপমানও দুটোই গিলতে হবে?
*******
হঠাৎ করেই যেন কেউ পিছন থেকে দুই হাত দিয়ে মিহিকার চোখ ঢেকে দিল।
মিহিকা একটু ভয় পেয়ে সেই হাতের ওপর নিজের হাত রাখল—বোঝার চেষ্টা করল কে। কিন্তু ব্যর্থ হলো। ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল,
— কে?
ঠিক তখনই পিছন থেকে একটা পুরুষের ভারী গলার স্বর শোনা গেল।
সেই পুরুষটি একইভাবে বলতে শুরু করল—ভালোবাসি তোকে। খুব ভালোবাসি। প্লিজ ফিরিয়ে দিস না। আমি অনেক কষ্টে বাড়ির পাইপ বেয়ে উঠে ছাদে এসেছি, শুধু মাত্র তোকে আমার মনের কথাটা বলার জন্য। এই দুই বছর আমি ভেবেও বলতে পারিনি—যদি বাজে ভাবিস আমায়। প্লিজ… ভালোবাসি তোকে আমি। খুব খুব খুব ভালোবাসি। রাগ করিস না।
এরপর আদিত্য সামনে এসে মিহিকার সামনে হাঁটু গেড়ে বসল। হাতে প্রায় দু’জনখানা কাঁঠগোলাপ ধরে বলল—যতটা প্রকাশ করছি, তার থেকেও বেশি ভালোবাসি তোকে। তুই কি আমার ভালোবাসা গ্রহণ করতে পারবি? পারবি এই ছন্নছাড়া, বেপরোয়া মানুষটার নামের পাশে নিজের নাম বসাতে? তুই কি আমার বিড়াল চানার মা হতে পারবি?
মিহিকা দোলনায় বসেই মুখে হাত দিল—অবাক হয়ে। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে ওই কাঁঠগোলাপ ফুলগুলো হাতে নিয়ে বলল—
আমরা তো সমবয়সী? আর আমি? আমিতো বোকা। আমার তো বুদ্ধি কম। সবাই বলে আমি নাকি খালি হাতে-পায়ে বড়, কিন্তু এখনো ইম্যাচিউর।
আদিত্য উঠে দাঁড়িয়ে বলল—সমবয়সী তো কী হয়েছে? ভালোবাসাটা যদি দু’জনের দিক থেকেই সমান থাকে, তাহলে সমবয়সী সম্পর্কটাও সারা জীবনের সম্পর্কে পরিণত হয়। আর রইল বাকি ইম্যাচিউর—তাতে কী? তুই না হয় ইম্যাচিউর হয়েই এই আমার মতো মেচিওর, বেপরোয়া মানুষটাকে ভালোবেসে আগলে রাখলি। আর আমি এই ইম্যাচিউর ছোট্ট বিড়ালটাকে আমার ভালোবাসা দিয়ে মাতিয়ে রাখব।
মিহিকা শেষ কথাটা বুঝতে না পেরে বলল—বিড়াল কথা দিয়ে আসলো?
আদিত্য তখন মিহিকাকে নিজের বাহুবন্ধনে আবদ্ধ করে বলল— তুই আমার বিড়াল, বুঝলি।
মিহিকা বাচ্চাসুলভ মুখ করে বলল— হুম… খুব বুঝেছি।
আদিত্য একটা প্রাণখোলা হাসি দিয়ে মিহিকার কপালে ভালোবাসার পরশ এঁকে দিয়ে বলল—ভালোবাসি তোকে।

– সমাপ্ত

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ