Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সীহৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী পর্ব-০৯

হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী পর্ব-০৯

#হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী
#পর্বঃ৯
#পাপড়ি জাহান

র্মেহের রুমে ঢুকে দরজাটা আস্তে করে বন্ধ করল ।
ওর বুকের ভেতরটা প্রচণ্ডভাবে কাঁপছিল।
ধীরে ধীরে বিছানার দিকে এগিয়ে গিয়ে বালিশটা বুকের কাছে টেনে নিল ।
একটাও শব্দ না করে মুখ গুঁজে দিল তাতে।

বালিশ ভিজে যাচ্ছিল গরম অশ্রুতে।
প্রতিটা কান্না যেন মেহেরের বুকের গভীর থেকে বেরিয়ে আসছিল,যেন ওখানেই জমে ছিল সব কষ্ট, সব অপমান, সব না বলা কথা।

মেহের কাঁপা কণ্ঠে ফিসফিস করে বলল,
— “আমি কি এতটাই খারাপ নেতা সাহেব?

চোখের সামনে তখনও ভেসে উঠছিল আয়মানের রাগে ভরা মুখ,আর সেই ভয়ানক কথা —
“আর কখনো ডিভোর্সের কথা বললে, মাটিতে পুতে ফেলব।”

মেহের হঠাৎ কান দু’টো চেপে ধরল, যেন শব্দটা আর না শুনতে হয়।
— “থামুন… প্লিজ থামুন…”
কিন্তু শব্দটা থামল না —

দরজায় বারবার কেউ নক করছে।তাই মেহের চোখ মুছে উঠে দারাল।দরজা খুলতেই কেউ ওকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরল।মেহের ভয় পেয়ে বলল কে??

আয়মান বলল আমি মেহের তাই সাইলেন্ট থাক।

মেহের আবারও হেচকি তুলে কেদে উঠল।
Please forgive me. I will never do this again.

মেহেরকে এমন অসহায়ভাবে কাঁদতে দেখে আয়মান আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না।
সে মেহেরকে টান দিয়ে নিজের বুকে জড়িয়ে ধরল।
মাথায় হাত বুলিয়ে গভীর কণ্ঠে বলল—
— “কান্না বন্ধ করো, মেহের… আমি তোমার উপর একটুও রাগ করিনি। শুধু কষ্ট পেয়েছিলাম, তবে এখন আর কষ্ট নেই।”

মেহের মাথা তুলে তাকাল, চোখে এখনো অশ্রু ঝিলমিল করছে—
— “সত্যি?”

আয়মান মৃদু হেসে বলল—
— “হুম, তিন সত্যি… তবে এরপর থেকে এমন কিছু করবে না, যাতে আমি কষ্ট পাই। বুঝেছ?”

মেহের চুপচাপ মাথা নাড়ল, “হুম…”

আয়মান আলতো করে মেহেরের হাত নিজের হাতে নিল।
যেখানে লালচে দাগ ছিল, সেখানে ধীরে ধীরে মলম লাগিয়ে দিল।
আয়মানের হাতের প্রতিটা ছোঁয়াতে মেহেরের বুকের ভিতরের সব ভয় যেন মুছে যাচ্ছিল।

আয়মান কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল মেহেরের মুখের দিকে।তারপর হালকা হাসি দিয়ে বলল—
— “অনেক সুন্দর লাগছে তোমায়, মেহের…” 💞

মেহের লজজা পেয়ে মুখ নামিয়ে ফেলল, কিন্তু আয়মানের নেশাক্ত দৃষ্টি থামল না।
সে ধীরে ধীরে বলল —
— “তুমি জানো, তুমি যখন কাঁদো, তখন মনে হয় পুরো পৃথিবীটা ধূসর হয়েগেছে।
আর তুমি যখন হাসো, তখন মনে হয় সূর্যটা শুধু তোমার জন্যই ওঠেছে।” ☀️

মেহের মৃদু কাঁপা গলায় বলল —
— “এত কথা কেন বলছেন?”

আয়মান হেসে তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল —
— “কারণ আমার হৃদয় এখন তোমাকেই নিয়ে ব্যস্ত।
তোমার চোখের দিকে তাকালেই আমি সব ভুলে যাই। অফিস, কাজ, রাগ — কিছুতেই মনে বসে না।”

মেহের চুপ করে আয়মানের চোখের দিকে তাকিয়ে রইল।
আয়মান আরও কাছে এসে ফিসফিস করে বলল —
— “তুমি জানো, আমি রাগ করি শুধু তখনই, যখন তোমাকে হারানোর ভয় পাই।
তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্তও ভাবতে পারি না, মেহেরজান।” 💔

মেহেরের চোখে আবারও জল এসে গেল, আয়মান আঙুল দিয়ে মুছে দিল।
— “এই অশ্রু আমি দেখতে চাই না।
আমি চাই তোমার মুখে সবসময় শুধু হাসি থাকুক।

মেহের ফিসফিস করে বলল —
— “আর যদি আমি আবার ভুল করি?”

আয়মান মৃদু হেসে মেহেরকে জরিয়ে ধরে উত্তর দিল —
— “তাহলে আবার এমনই করে তোমায় জড়িয়ে ধরব…
কারণ তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা রাগের চেয়েও বড়, মেহের।” ❤️

মেহের হালকা হেসে, একটু অভিমান মেশানো স্বরে বলল—
— “আমি নিচে যখন নেমেছিলান আপনি তো একটুও তাকাননি …!”

আয়মান ভ্রু তুলে মৃদু হেসে বলল,
— “কে বলেছে তাকাইনি?”

মেহের অবাক হয়ে বলল,
— “কিহ তাকিয়েছিলেন কখন?”

আয়মান ধীরে তার দিকে এক পা এগিয়ে এসে নিচু কণ্ঠে বলল,

যখন তুমি হল রুমে বসেছিলে তখন।কারন হলরুমে সিসি ক্যামেরা আছে।আমি তোমায় ওই রুপে দেখে পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম।তোমাকে আজ পরীর মত লাগছে।আমি শুধু এটায় ভাবছি এত সুন্দর মানুষ কিভাবে হয়।

মেহের লজ্জায় চোখ নামিয়ে ফেলল।
আয়মান ধীরে তার মুখটা তুলে বলল—
— “তোমার গাল লাল হয়ে গেলে মনে হয়, পৃথিবীর সব গোলাপ একসাথে ফুটে উঠেছে।

মেহের হালকা গলায় বলল—
— ধ্যাত চুপ করুন তো?”

আয়মান হো হো করে হেসে উঠল।
মেহের অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল তার দিকে।
মনের ভেতর শুধু একটাই ভাবনা ঘুরতে লাগল—
“কীভাবে একজন মানুষ আমাকে এতটা ভালোবাসতে পারে?
এমনভাবে, এত গভীরভাবে, যেন আমার একটুখানি দুঃখও তার হৃদয়ে বেদনা হয়ে পৌঁছে যায়,
আমার হাসি তার পৃথিবীকে আলোকিত করে, আর আমার চোখের জলও তাকে স্পর্শ করে।” 💖
-‘
আয়মান মৃদু হেসে বলল—
— “চল, নিচে সবাই অপেক্ষা করছে।”

আয়মান সিরি বেয়ে নিচে নেমে ধীরে ধীরে স্টেজে উঠল।চোখে এক অদ্ভুত শান্তি আর মুখে হাসি।
মেহের একটু অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল,
কিছু বুঝে ওঠার আগেই আয়মান তার সামনে এসে হাঁটু গেড়ে বসল।

তা দেখে অনুষ্ঠানের সবাই উওেজনায় ফেটে পরল।
আয়মান পকেট থেকে একটা ছোট্ট রিং বের করে নেশাভরা কণ্ঠে বলল —
“Will you marry me, Meher?” 💍

মুহূর্তের মধ্যে পুরো জায়গাটা মেহেরের হৃদস্পন্দনের আওয়াজে ভরে গেল।
মেহেরের চোখে জল এসে গেল, ঠোঁটে মৃদু এক হাসি।
কণ্ঠ কাঁপতে কাঁপতে বলল —
““Yes… I agree.” ❤️

এরপরই হলরুমে তুমুল হাততালি পড়ে গেল।
বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী সবাই চিৎকার করে উঠল —
“Wooow!” “Congratulations!” “Finally!”

কেউ সিটি বাজাল, কেউ ফুল ছুড়ে দিল স্টেজের দিকে।বাতাসে ভেসে বেড়াতে লাগল করতালির শব্দ আর হাসির ঢেউ।

আয়মান উঠে দাঁড়িয়ে মেহেরের হাতে রিং পরিয়ে দিল,
তারপর আলতো করে বলল —
— “এবার থেকে শুধু তুমি, আমি, আর আমাদের গল্প… চলবে” 💞

মেহের তা শুনে আয়মানের চোখে চোখ রাখল।

++++++++++—-+++++++++++

রাত ১ টাঃ

নীরা রায়ানকে নিজের রুমে নিয়ে গিয়ে ধীরে ধীরে বিছানায় শুইয়ে দিল।কিছুক্ষণপর রোদের সামনে এসে দাঁড়াল।আবারও রায়ানের কথা ভেবে নিলজ্জের মত বলল
রোদ আমি আপনাকে ভালোবাসি তবুও কেন আমার ভালোবাসা বার বার ফিরিয়ে দিচ্ছেন।আমি তো শুধু আপনার পাশে থাকতে চাই।”

রোদ চুপ করে তাকিয়ে রইল তার চোখে।
কিছুক্ষণ পর নিঃশব্দে বলল—

— “নীরা… ভালোবাসা সবসময় সুখ বয়ে আনে না।
তুমি ভাবছ আমি পাথর হয়ে গেছি, কিন্তু আসলে আমি এখনো রক্তমাংসে গড়া একজন মানুষ।
বিয়ের পর আর আমায় ভালোবাসবে না তুমি, বিশ্বাস করো।একদিন রায়ানও তোমার কাছে বোঝা হয়ে যাবে,কারণ সমাজ কখনও সৎ মাকে ভালোভাবে দেখে না।আর আমি চাই না রায়ানের চোখে ‘ মাম্মা’ শব্দটা ঘৃণার মানে নিয়ে আসুক।”

নীরার ঠোঁট কাঁপল, চোখ ভিজে গেল।
সে মৃদু গলায় বলল—
— “কিন্তু রোদ, আমি রায়ানকে ভালোবাসি… আমি ওকে নিজের সন্তানের মত দেখি।

রোদ মুখ ফিরিয়ে নিল।
“আমি জানি নীরা, তুমি মিথ্যে বলছ না… তোমার ভালোবাসা আমি বুঝি।
কিন্তু ভালোবাসা যতই সত্য হোক না কেন, সমাজের কণ্ঠ আরও নিষ্ঠুর।
জানো নীরা, ‘সৎ মা’ — এই দুটি শব্দ কতটা নির্মম, তা কেবল যারা শুনেছে, তারাই বোঝে।
এই সমাজ কাউকে ভালোভাবে বাঁচতে দেয় না।
তুমি যতই রায়ানকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসো না কেন, একদিন না একদিন কেউ না কেউ ওর কানে বিষ ঢেলে দেবেই… বলবে,তুমি ওর সৎ মা।’রায়ান হয়ত সেদিন তোমায় ঘৃনা করবে।আর আমি সেই দিনটা দেখতে পারব না।”

নীরা কাঁপা গলায় কাদতে কাদতে বলল—
“রোদ… ভালোবাসা কি সমাজের অনুমতি চায়?

তুমি বলছ সমাজ নিষ্ঠুর, কিন্তু আমি তো রায়ানের মায়ের জায়গা নিতে আসিনি…
আমি শুধু ওর জীবনে ভালোবাসা দিতে চাই।
যখন রায়ান উচ্চস্বরে মাম্মা বলে কাঁদে, তখন না আমার বুকটা ফেটে যায়…
যখন ও আমার বুকে মুখ লুকিয়ে হাসে, তখন না না চাইতেও আমার মন ভরে যায়—
এ কি অভিনয় রোদ? এই সম্পর্কের কি কোনো নামের প্রয়োজন আছে?

হয়ত একদিন সমাজ বলবে আমি ওর ‘সৎ মা’…
কিন্তু আমিতো জানি, আমি ওকে মায়ের মতোই ভালোবেসেছি।আর যদি কোনোদিন রায়ান আমায় ভুল বোঝে,
তাহলে হয়ত আমি কষ্ট পাব, কিন্তু তার মানে এই না যে আমি ওকে দুরে ঢেলে দিব।রোদ, সমাজের কথা ভাবতে ভাবতে যদি আমরা ভালোবাসা ত্যাগ করি,
তাহলে ভালোবাসার মানে কি থাকে বলো?
আমি তোমার পাশে আছি, রোদ…
তুমি শুধু আমাকে বিশ্বাস করে”দয়া করে রোদের মা হতে দেও।

রোদ নিচু কণ্ঠে বলল—
“নীরা… একটা কথা বলব, কষ্ট পেও না।”

নীরা নিঃশব্দে মাথা নেড়ে বলল—
“বলো রোদ…”

রোদ বলল—
“আমি তোমাকে কখনোই বউ হিসেবে মানতে পারব না।
হয়তো কথাটা খুব কঠিন, কিন্তু মিথ্যে বলতে চাই না।
তুমি অনেক ভালো… কিন্তু আমি এখনো নিজের ভেতরের শূন্যতাকে পার করতে পারেনি।
আমি জানি, তোমারও কিছু চাওয়া আছে, কিছু স্বপ্ন আছে—
কিন্তু নীরা, হয়তো আমি তোমার সেই চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারব না।”

রোদের চোখে থেকে একফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল।
সে যোগ করল—
“তোমার প্রতি কোনো রাগ নেই, কোনো ঘৃণাও নেই…
কিন্তু আমার ভেতরটা যেন মৃত হয়ে গেছে।
আমি ভালোবাসতে জানি, কিন্তু ভালোবাসা দিতে আর জানি না।”

নীরার চোখ ভরে এল জলে।
সে বলল— “তুমি সবকিছু বুঝে ফেলো, কিন্তু একটা জিনিস বোঝ না রোদ—
ভালোবাসা কখনও নাম বা সম্পর্ক চায় না, শুধু পাশে থাকতে চায়।”

রোদ মৃদু হাসল, কিন্তু সেই হাসির ভেতরে চাপা ব্যথা—
— “আমার পাশে তো একসময় একজন ছিল, যাকে হারিয়ে আজও আমি বেঁচে আছি মরার মতো।
তুমি ভালো থেকো, নীরা… আমি কারও জীবন নষ্ট করতে চাই না।”

হঠাৎ নীরা ছুটে গিয়ে রোদকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।

“না রোদ… প্লিজ এভাবে বলো না।
আমি তোমায় ছাড়া বাঁচতে পারব না।
তুমি না থাকলে আমার পৃথিবীটাই থেমে যাবে রোদ।তুমি বলছ তুমি আমার চাহিদা পূরণ করতে পারবে না—
আমার কোনো চাহিদা নেই, রোদ!
আমি শুধু তোমাকে চাই… তোমার উপস্থিতি, তোমার নীরবতা, তোমার ছায়া সবকিছু চাই।

তুমি আমার জীবনের অংশ হয়ে গেছো, রোদ।
তুমি যদি চলে যাও, আমি সত্যিই শ্বাস নিতে ভুলে যাব।
আমি তোমার সাথে থাকতে চাই, যত কষ্টই আসুক, যতই সমাজের কথা হোক—
আমি শুধু তোমাকে চাই রোদ… শুধু তোমাকে।”

রোদ নিরাকে সরিয়ে দিয়ে হাটা শুরু করল।

নীরার চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ল।পিছন থেকে বলল
— “তাহলে আপনি কি সারাজীবন একা থাকবেন?”

রোদ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে পিছনে তাকিয়ে বলল—
— “হ্যাঁ, কারণ আমি এখনও সুহানাকে ভালোবাসি।
আর সেই ভালোবাসা আমার জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত থাকবে।”

নীরা চুপচাপ মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল।
বাইরে হালকা হাওয়ায় পর্দা দুলছে, আর কোথাও দূরে কোনো বাচ্চার হাসির শব্দ ভেসে আসছে —
যেন রায়ানের স্বপ্নের প্রতিধ্বনি।

#চলবে
ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

নোটঃ শিরক হয় যা যা বললে….

১) নতুন স্ত্রীকে স্বামীর বাড়িতে প্রথম পর্যায়ে আড়াই দিন অবস্থান করতে হবে মনে করা।
২) পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান হয় মনে করা।
৩) নতুন স্ত্রী কোন ভাল কাজ করলে শুভ লক্ষণ মনে করা।
৪) নতুন স্ত্রীকে প্রথম নরম স্থানে বসতে দিলে মেজাজ নরম থাকবে মনে করা।
৫) তিন রাস্তার মোড়ে বসতে নেই মনে করা।

৬) কাউকে ধর্মের ভাই-বোন, বাবা-মা ডাকলেই আপন হয়ে যায়, পর্দা লাগে না মনে করা।
৭) বাসর ঘরে স্ত্রী নিকট দেন মোহর মাপ চেয়ে নিলেই চলে, দিতে হয় না মনে কারা।
৮) খালি মুখে মেহমান ফেরত গেলে অমংগল হয়। কাউকে শুধু পানি দেয়া উচিত না মনে কারা।
৯) কুরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল বা লবন দিতে হয় মনে কারা।
১০) মুরগীর মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যু দেখবে না মনে করা।

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ