Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সীহৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী পর্ব-১৩

হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী পর্ব-১৩

#হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী
#পর্বঃ১৩
#পাপড়ি জাহান

মেহেরের দীর্ঘ একটা রাত কাটল স্বামীর ভালোবাসায়।সকালের আলো চোখে পড়তেই চারপাশে তাকাল।গাড় গুরিয়ে দেখল আয়মান ওকে শক্ত করে জরিয়ে ধরে শুয়ে আছে।ও হাত বাড়িয়ে আয়মানের চুলগুলো নেড়ে চেরে দেখল। কপালে শব্দ করে একটা চুমু খেল।তারপর মেহের উঠে বসার চেষ্টা করল কিন্তু উঠতে পারল না। কারন মেহের যত উঠতে চাইছে আয়মান তত মেহেরকে আর কাছে টেনে নিচ্ছে।মেহের বিরক্ত হয়ে বলল ;

এই আপনি না ঘুমিয়েছিলেন?

আয়মান মিটমিট করে হেসে বলল
কে বলল?

মেহের রেগে গিয়ে বলল

ঠকবাজ লোক একটা…. না ঘুমিয়ে এতক্ষন নাটক করেছেন।

আয়মান মেহেরের গালে চুমু খেয়ে বলল
নাটক না করলে তো তোমার ভালোবাসা পেতাম না মেহের জান।

মেহের লজ্জা পেয়ে আয়মানের দিকে তাকাল।রাতের কথা ভাবতেই ওর গাল দুটো লজ্জায় লাল হয়ে গেল।কাল রাতে আয়মান কত যে পাগলামি করেছে।তার হিসেব নেই।কে বলবে দেশের তথ্যমন্ত্রী এত পাগল।তাও একটা মেয়ের জন্য।এত ভালোবাসা যে মেহেরের ভাগ্যে ছিল মেহের বিশ্বাসই করতে পারছেনা।আচ্ছা আয়মান ওকে এত ভালোবাসে কেন।কি আছে ওর ভিতর যে মানুষটা এত পাগল ওর জন্য।মেহের আবারও নরেচরে উঠল।

আয়মান তা দেখে ঘুম জরানো কন্ঠে বলল;
কাল সারা রাত ঘুমায়নি।তাই প্লিজ এখন একটু ঘুমাতে দেও সোনা বউ।

মেহের আয়মানের এমন ঘুম জরানো কন্ঠ শুনে অস্থির হয়ে গেল।ওর নেশা লেগে গেল আয়মানের মিষ্টি কন্ঠের উপর।এত সুন্দ কন্ঠ কিভাবে হয় মানুষের মেহের ভেবে পেলনা।এইদিকে আয়মান মুচকি মুচকি হাসছে কালকের রাতের কথা ভেবে।কতটায় না সুখময় ছিল কালকের রাতটা।একদম পার্ফেক্ট একটা রাত ছিল কাল।হ্রদয় গভীর থেকে আয়মান মেহেরকে কালকের রাতে আপন করে নিয়ে ছিল।ভাবতেই মুখ উঠিয়ে মেহেরের দিকে তাকাল।দেখল মেহের জানালার দিকে তাকিয়ে কিছু একটা ভাবছে।

আয়মানঃ কি ভাবছ গো বউ।নিশ্চয়ই কালকের রাতের কথা?

মেহের চমকে উঠে তাকিয়ে বলল
অসভ্য বেয়াদব লোক লজ্জা নেই আপনার।

আয়মানঃনাহ নেই কারন আমি মেয়ে না বরং পুরুষ।আর বেশি লজ্জাশীল হলে জীবনেও বাবা হওয়া হবেনা।আর….বাকিটুকু বলার আগেই

মেহের আয়মানের ঠোটে আঙ্গুল দিয়ে বলল চুপ করুন নেতাসাহেন একদম কথা বলবেন না।

আয়মান তা দেখে হো হো করে হেসে উঠল।

তোমার লজ্জা কবে কমবে গো বউ বল না?নাকি আবার…

মেহের আয়মানকে এবার কিল ঘুষি দিতে লাগল।আর আয়মান খিল খিল করে হাসতে লাগল।মেহের মুগ্ধ নয়নে তা দেখল।লোকটাকে হাসলে এত সুন্দর লাগে কেন?

আয়মান হঠাৎ করে বলল ভালোবাসি বউজান।আর আমি অনেক স্যরি যে বিয়ের পর থেকে কতই না তোমায় কষ্ট দিলাম।

মেহেরঃ স্যরি আপনি কেন বলছেন স্যরিতো আমার বলা উচিত।কারন কতই না বেয়াদবী করেছি আপনার সাথে ।Sorry Netasaheb, I’m so sorry.

আয়মান হেসে মেহরকে বুকে আগলে গিল।ঘরির দিকে তাকিয়ে দ্রুত মেহরকে কোলে তুলে নিল।মেহের চমকে উঠে বলল এই কি করছেন?

আয়মানঃ আমরা আজ একসাথে গোসল করব।

মেহেরঃ নাহ….

হ্যা বলেই আয়মান জোর করে মেহরকে নিয়ে ওয়াশরুমে গিয়ে গোসল করল।মেহেরতো লজ্জায় শেষ হয়ে যাচ্ছে।তা দেখে আয়মান আর দুষ্টামী করতে লাগল।


—————

দুজনে ফজরের নামাজ পরল।মেহেরের খুব পেট ব্যাথা করছে তাই আয়মানের বুকে গুটিশুটি মেরে শুয়ে রইল।আয়মান ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে মাঝে মাঝে কপালে চুমুও খাচ্ছে।যার কারনে কিছুটা হলেও মেহের শান্তুি পেল।ও হাত বাড়িয়ে আয়মানের দাড়িগুলো নিয়ে খেলছে।কখনো আবার আয়মানের ঠোটের মাঝখানের কালো তিলটা ছুয়ে দেখছে।আয়মান তাকিয়ে ভাবল আমি যদি এমন করে আমার বউজানকে ছুতাম তাহলে নিগার্ধ এতক্ষনে আমার প্রানপ্রিয় বউ অজ্ঞান হয়ে যেত।

মেহরজান দুষ্টমী বাদ দিয়ে ঘুমাওতো।

মেহের মুখ গোমরা করে বলল ঘুমাব না।

আয়মানঃ কেন?

মেহের হেসে বলল;
আপনি আমায় কবে থেকে ভালোবাসেন সেই গল্পটা বলুনতো।

আয়মানঃ সত্যিই তুমি শুনতে চাও

মেহের বলল হুম শুনবোতো।

আয়মান লম্বা দম ফেলে সবকিছু মনে করল।তারপর হঠাৎ করে বলতে শুরু করল।

১বছর আগেঃ

সেদিন আমি খুব রেগে ছিলাম।কারন রাজনীতীর মাঠে একটার পর একটা বদনাম হচ্ছিল আমার।বিপক্ষের দলের নেতা+ সাংবাদিকরা আমার পিছু ছারছিলনা।তাই আমার গোপন গুপ্তচরদের নিয়ে মিটিং করলাম গাড়িতে বসেই। কারন নির্বাচন অফিসে বসে করলে সবকথা পাচার হয়ে যেত।কিন্তু হঠাৎ করে বাহিরে তাকিয়ে দেখল।একটা মেয়ে বোরকা পড়ে রোদের মাঝে দাড়িয়ে আছে।গরমের কারনে মেয়েটা হাশপাশ করছে তবুও মুখের নিকাব খুলছেনা।এই দৃশ্য দেখে আমার হ্রদয়ে অদ্ভুত ভালো লাগা সৃষ্টি হল।ঢাকার মত শহরে এমন মেয়ে আছে আমার বিশ্বাসই হচ্ছিলনা।আমার সকল অস্থিরতা মূহর্তেই আনন্দে রুপ নিল।আমি গাড়ির কাচ নামিয়ে তাকিয়ে রইলাম।গাড়িতে থাকা গুপ্তচররা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল আমার দিকে।তাদের আমার এই রুপ বিশ্বাস হচ্ছিলনা।মন্ত্রী আয়মান সাদিক একটা গেয়ো মেয়ের দিকে তাকিয়ে আছে এটা তারা বিশ্বাসই করতে পারছিলনা।কারন আমি তখন প্রচন্ড মর্ডান চিন্তা ভাবনার ছিলাম।নামাজ কালাম ঠিকমতো পড়তাম।বড়জোর দাদীর চাপে পড়ে জুৃম্বার নামাজ পরতাম।সারাদিন নিজের কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকতাম।কখনো কখনো সিগারেট খেতাম।আর বিশেষ অনুষ্ঠানে ড্রিংকও করতাম।পার্টিতে যেতাম।আমার পুরো জীবনটা ছিল বেপরয়া।কিন্তু তোমাকে দেখার পর পুরো জীবনটা বদলাতে শুরু করল।আমি তোমার ব্যাপারে খোজ নিয়ে জানলাম।তুমি রাজনীতী অপছন্দ কর + দ্বীনদার ছেলে বিয়ে করতে চাও।বিশ্বাস করবে কিনা জানি না তবে আমি সেদিন খুব ডিপ্রেশনে পড়েগেছিলাম।তোমাকে ভুলতে আল্লাহর কাছে গিয়ে সেজদায় গিয়ে কাদতাম।কিন্তু একটুকুও ভুলতে পারেনি।বার বার তোমার চোখ দুটো মনে পরছিল।তোমার মুখ তখনও আমি দেখেনি।তোমার মুখ আমি সেদিনই দেখি যেদিন তোমার সার্টিফিকেটে সমস্যা হওয়ার কারনে শিক্ষামন্ত্রালয় এলে।আমার সেদিন শিক্ষামন্ত্রীর সাথে মিটিং ছিল নির্বাচনের বিষয় নিয়ে।একপর্যায় কথা কাটাকাটি হল আমি রাগি মুখে জানালা দিয়ে বাহিরে তাকালাম।দেখলাম তুমি পিওনের সাথে কিছু একটা নিয়ে কথা বলছ।মনে হল তুমি খুব বড় সমস্যায় আছো।আমি তোমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম।
তুমি পিওনের সাথে ভিতরে ডুকলে।আমি বাহিরে যেতে চেয়েছি কিন্তু নিজের মন্ত্রী পেশার কারনে যেতে পারেনি।উল্টো রুমে বসে সিসি ক্যামেরা অন করে তোমার কার্যকলাপ দেখতে লাগলাম।আর প্রথম বারের মত মুচকি মুচকি হাসতে লাগলাম।পাশে থাকা গার্ডরা হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইল।

আমি স্ক্রিনে দেখলাম।তুমি একজন সচিবকে বার বার অনুরোধ করছ সার্টিফিকেট ঠিক করে দেওয়ার জন্য।আর সেও বার বার তোমাকে বলছে এই মারাত্নক বিষয় সে ঠিক করতে পারবেনা।আমাার সেদিন খুব রাগ লাগছিল আমি ফোন করে সচিবের সাথে রাগারাগি করি।ওমনি সচিন তোমার কাজটা করে দিল।তুমি খুশি হয়ে সচিবকে ধন্যবাদ দিলে যেটা আমার প্রাপ্য ছিল।তারপর তুমি অফিস থেকে বের হয়ে যাওয়া ধরলে।আমিও জানালা দিয়ে তাকালাম।দেখলাম তুমি গেট দিয়ে বের হয়ে রাস্তায় থাকা একটা মেয়ের হাত থেকে কিছু গোলাপ কিনলে।একপর্যায় নিকাব উঠিয়ে গোলাপটার ঘ্রান নিতে লাগলে। তখন তোমাকে যে কি পরিমান সুন্দর লাগছিল আমি বলে বুঝাতে পারব না।আমি নেশাভরা চোখে তাকিয়েছিলাম। জানো তোমার মুখ দেখে না আমার নিজেকে পাগল পাগল লাগছিল।তোমাকে একটু ছুতে ইচ্ছে করছিল।কিন্তু তা তো আর সম্ভব না।নির্বাচন সামনে তাই রাজনীতীর কাজে আমি ব্যাস্ত হয়ে পরলাম।এতটায় ব্যাস্ত ছিলাম যে তোমার আর খোজ নেওয়া হল না।দীর্ঘ কয়েক মাস পর আমি বিপুল ভোটে জয় লাভ করে আবারও তথ্যমন্ত্রী হলাম।সেদিন প্রচন্ড খুশি হয়ে দাদীকে জরিয়ে ধরেছিলাম।রাত ১২ টায় তোমার কথা বার বার মনে পরতে লাগল।তাই গাড়ি নিয়ে তোমার বাড়ির উদ্দেশ্য বের হয়ে পরলাম।বাড়ির সামনে এসে দেখলাম তোমাদের গেটে তালা লাগানো।আশেপাশে কাউকে খুজে পেলাম না।আমি সেদিন প্রচন্ড ভয় পেয়ে গেলাম। শরীর দিয়ে সেদিন ঘাম ছুটে গিয়েছিল।আমি অস্থিরভাবে পায়চারী করছিলাম।নিজেকে সেদিন বড্ড অসহায় মনে হয়েছিল।হাটু গেড়ে তোমার কথা ভেবে জোরে জোরে চিৎকার করে কাদতে লাগলাম।বাবা – মা মারা যাওয়ার পর আমি এই প্রথম আবারও তোমাকে না পেয়ে আকুতি ভরে কাদতে লাগলাম।দেশের তথ্যমন্ত্রী কাদছে তাও একটা মেয়ের জন্য ব্যাপারটা হাস্যকর না।আমি তোমাকে ঢাকার আনাচে কানাচে খুজতে লাগলাম।তোমার বাবার নাম বা তোমার পুরো নাম জানতাম না তাই তুমি যে লন্ডনে গিয়েছ তা বের করতে পারেনি। সম্ভবত তুমি রোদ ভাইয়ের কাছে গিয়েছিলে রায়ান কান্না করছে তাই।তুমি সেখানে টানা ৪ মাস থাকলে এদিকে আমি তোমার খোজ খবর না পেয়ে পাগলের মত আচারন শুরু করলাম।দাদী ও নিরা তা দেখে কষ্ট পেত।তাই দাদী আমাকে ও নিরাকে নিয়ে আমার মামাবাড়িতে গেল। আমার নানা বাড়িছিল জাপানে।আমি সেখানে গিয়েও কার সাথে তেমন কথা বললাম না।দাদী চিন্তায় পড়ে গেলেন আমার কি হয়েছে বার বার জিজ্ঞাসা করলেন। আমি লজ্জার কারনে বলতে পারলাম না।আমি জাপানে ২ মাস ছিলাম।আমার অবর্তমানের কাজগুো নেতাকর্মীরা করল।সবাই জেনে গেল আমি অসুস্থ তাই প্রাধানমন্ত্রী আপওি করেনি।টানা ২ মাস আমার মামাতো ভাইয়েরা আমাকে অনেকবার স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছে তবে আমি একটুও স্বভাবিক হলাম না।দেশে ফেরার ২০ দিন পর জানতে পারলাম দাদী আমার জন্য মেয়ে দেখছে।আমাকে বিয়ে করাবে।যাতে আমি স্বভাবিক হয়।ঘটক অনেক মেয়ে দেখাল তবে দাদীর পছন্দ হল না।তাই উপায় না পেয়ে ভার্সিটিতে গিয়ে মেয়ে দেখতে লাগলেন।তোমাকে দেখে দাদীর পছন্দ হল।দাদী আমাকে মিথ্যা বলে তোমাদের বাড়িতে নিয়ে গেল।আমি সেদিম রেগে আগুন হয়ে বসেছিলাম।হঠাৎ দেখলাম কনেকে নিয়ে আসা হয়েছে।আমি সেদিক একটুও তাকালাম না।কিন্তু দাদী কানে কানে ধমক দিলেন তাই একবার চোখ তুলে তাকালাম।আমি হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলাম।আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না যার জন্য আমি এতটা পাগলামি করলাম সেই কিনা পাত্রী হিসেবে বসে আছে।দাদী বিয়ে ঠিক করল।আমি কিছু না চেনার ভান করে মেনে নিলাম।তবে বিয়ের ১০ দিন আগে শুনলাম তুমি আমাকে বিয়ে করবে না তাই একপ্রাকার রাগ নিয়ে ভার্সিটিতে গিয়েছিলাম।আর তুমিও বোকার মত আমাকে বুড়ো বলে রাগ বহুগুন বাড়িয়ে দিলে।আমিও তোমার সাথে রাগারাগি করলাম।তুমি ভয় পেয়ে কাপতে ছিলে সবটায় আমি দেখছিলাম।কাবিনের দিন তুমি কবুল বলবে না বলে বেকে বসলে।আমি এসব শুনে রেগে গিয়ে বকে দিলাম।তুমিও ভয় পেয়ে কবুল বলে দিলে।
দাদী আমার পাগলামি দেখে অবাক হলেন।আমাকে বার বার জিজ্ঞাসা করলেন আমি তোমাকে আগে থেকে চিনি কিনা।তাই আমি দাদীর কোলে শুয়ে থেকে সব বললাম।দাদী শুনে খুশি হলেন।আর তুমি হয়ে গেলে তার সবচেয়ে প্রিয় নাতবউ।তোমার জন্য দাদী কেনাকাটা শুরু করলেন।শাড়ি লেহেঙ্গা গহনা সব কিনলেন।যা এখন দাদীর ঘরে আছে কাল হয়ত সার্ভেন্টরা দিয়ে যাবে।বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরও তোমার খোজ নেইনি তোমার প্রতি রাগের কারনে।আমি মানুষটা প্রচন্ড রাগি।তুমি আমার আসল রাগ দেখলে হয়ত আমায় ভালোই বাসতে না।আমি তোমার সামনে রাগ প্রকাশ করিনা তুমি ভয় পাবে বলে।যেটুকু প্রকাশ করেছি তাতেই তুমি যে ভয় পেয়েছো।ভাবতেই আমার হাসি পায়।সব কষ্ট দুঃখ শেষ করে অবশেষে তোমাকে বধুরুপে পেলাম।

আয়মান সবকিছু বলে একটু দম ফেললো।মেহের হাতটা নিজের হাতের মুঠেয় নিয়ে বলল আমি তোমাকে অসম্ভব রকমের ভালোবাসি মেহের।তাই কখনো আমায় ভুল বুঝোনা।তুমি আমার কাছে কতটা মূল্যবান বলে বুঝাতে পারবনা।তোমার চোখের পানি সহ্য হয়না মেহের তাই কখনো আমার সামনে কাদবে না ওকে।আমি তোমায় সারাজীবন আগলে রাখব ভালোবাসা দিয়ে।তুমি শুধু আমায় আগলে রেখ বিশ্বাস দিয়ে।তোমাকে আমার হ্রদয়ে গভীরে লুকিয়ে রাখতে ইচ্ছে করে।কারন হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী।

নোটঃ যা যা মনে করলে শিরক হয়……

৮১) কদম বুসি বা পায়ে ধরে সালামকে ইসলামী বিধান মনে করা।

৮২) মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা-কাটি বা জবেহ করা যাবে না মনে করা।

৮৩) পাতিলের মধ্যে খানা থাকা অবস্থায় তা খেলে পেট বড় হয়ে যাবে মনে করা।

৮৪) বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ দিতে হবে মনে করা

৮৫) ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে মনে করা।

৮৬) বিধবা নারীকে সাদা কাপড় পরিধান করতে হয় মনে করা।

৮৭) মানুষ মারা গেলে আকাশের তারা হয়ে যায় মনে করা
৮৮) পীরেরা কবরে জীবিত, তারা মুরিদদের বিপদে সাহায্য করে- বিশ্বাস করা।

৮৯) চোখে গোটা হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু ছোয়ালে সুস্থ হয়ে যায় মনে করা।

৯০) আশ্বিন মাসে নারী বিধবা হলে আর কোন দিন বিবাহ হবে না মনে করা

৯১) জবাইকৃত মুরগির পেটের ডিম, বাড়িতে তৈরি প্রথম পিঠা অবিবাহীত মেয়েরা খাওয়া ঠিক নয়।মনে করা
৯২) গর্ভবতী মহিলা সর্বদা লোহা, ম্যাচের কাঠি, রশুন সাথে রাখবে, নতুবা অমংগল হয়।মনে করা

৯৩) বাচ্চা বিছানায় পেশাপ করলে তাবিজ দিতে হয় মনে করা
৯৪) কেউ হঠাৎ ভয় পেলে বুকে থুথু দিতে হয়।

৯৫) যে ঘরে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় সে ঘর চল্লিশ দিন নাপাক থাকে

৯৬) পীরের নাম মনে করে গাড়ী চালালে বিপদ হয় না মনে করা।

৯৭) সকালে গাড়ী চালানো শুরুর পূর্বে ড্রাইভারকে গাড়ীর স্টেয়ারিং হুইলে চুমা করতে হয় মনে করা।

৯৮) বড় বিপদ থেকে ফিরে আসলে সোনা-রুপা ভেজান পানি দিয়ে গোসল করতে হয় মনে করা

৯৯/মাগরীবের আযান দিলে দোকান পাট বা বাড়িতে সন্ধ্যার বাতি’ জালাতে হয় মনে করা।

১০০/নিজের প্রথম উপার্জন হাতে পাওয়ার চুমো দিতে হয় মনে করা

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ