Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সীহৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী পর্ব-০৫

হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী পর্ব-০৫

#হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী
#পর্বঃ৫
#পাপড়ি জাহান

আয়মানের মন্ত্রালয় থেকে জরুলি কল আসায় গতকাল একপ্রাকার হন্তদন্ত হয়ে মন্ত্রালয় গিয়েছে।যার সবটায় মেহের দেখেছে।আর ভেতরে ভেতরে বড্ড বিরক্ত হয়েছে। আয়মান মেহেরের বিরক্তি টের পেয়েছে।কিন্তু জরুলি কাজ থাকায় কিছু বলতে পারেনি।

সকালে সূর্যের আলোটা খুব তীর্যকভাবে জানালা দিয়ে মেহেরের রুমে ডুকেছে।কালকের রাতে পিরিয়ড হওয়ার কারনে মেহের শেষ রাতে ঘুমিয়েছে।আস্তে আস্তে মেহের চোখ খুলে ঘরির দিকে তাকাল।দেখল ঘরির কাটায় দশটা বাজে।তাই ধড়ফড়িয়ে উঠে বসল।

কোন রকম মুখ ধুয়ে হন্তদন্ত হয়ে রুম থেকে বের হলো।ওর কোনদিকে খেয়াল নেই।চোখ ঢলতে ঢলতে রান্নাঘরে গেল।দেখল ওদের বাসার কাজের মহিলা চিকেন স্যান্ডউইচ + কফি + ফলের সালাদ+প্যানকেক + মধু + দুধ + অমলেট + জুস + গ্রিলড চিকেন + চকোলেট মাফিন খাবারগুলো রান্না করে একে একে প্লেটে সাজিয়ে রাখছে।যা দেখে মেহের ভ্রুকুচকে তাকিয়ে রইল।মনে মনে ভাবতে লাগল।এসব বড়লোকি খাবার আমাদের বাসায় আবার কে খেতে চাইল।

কাজের মহিলা পিছনে ফিরে দেখল মেহের দাড়িয়ে আছে।তাই তিনি বললেন আফা মনি ঘুম কেমন হইলো।কিছু লাগবোনি…

নাহ কিছু লাগবেনা তবে তুমি এত খাবার কার জন্য রান্না করলে।

আফামনি মেহমান আইছে।তাই হেরলইগ্গা রানছি।হেতে আবার এসব ছাড়া খায়না।

তাই নাকি তা কে সে মেহমান।বলদেখি শুনি।

আফামনি পিছনে চাইয়া দেহেন মেহমান আপনের দিকে তাকাইয়া আছে।

মেহের পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখল।আয়মান সোফায় বসে ওদের দিকে তাকিয়ে আছে।যা দেখে মেহের চোখ ঢলে আবার তাকাল যে আসলেই সত্যি দেখছে কিনা।ওমনি ওদের দুজনের চোখাচোখি হয়ে গেল।মেহেরের বুকটা হঠাৎ মোচর দিয়ে উঠল আয়মানের কপাল ও হাতে বেন্ডেস করা দেখে।ওর আর বুঝতে বাকি রইলনা।যে গতকাল ধাক্কা মারার কারনেই এসব হয়েছে।

আয়মান মেহেরের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।কারন মেহেরের পরনে একটা টপস আর প্লাজু ।

হঠাৎ মেহের আয়মানের চোখ অনুসরন করে নিজের দিকে তাকিয়ে দেখল যে আয়মান ঘোরলাগা দৃষ্টিতে ওর তাকিয়ে আছে।ব্যাপারটা আসলে কি হয়েছে বুঝতে পেরে মেহের একদৌড়ে রুমে ছুটে গেল।

যা দেখে আয়মান বাকা হেসে নিজের বাম পাশের কপালটা স্লাইড করতে লাগল।মেহের বাবা যেন কিছু বুঝতেনা পারে তাই রাজনীতীর বিষয় নিয়ে গল্প করতে লাগল।

আয়নার সামনে দাড়িয়ে মেহের রাগে ফুসতে লাগল।যা দেখে মেহেরের ফ্রেন্ড কলি দরজার সামনে দাড়িয়ে মুখ টিপে হাসতে লাগল ।

মেহের তেড়ে গিয়ে বলল এই তুই হাসছিস কেন হ্যা আর কখন আসলি আমি টেরও পেলাম না।

কলি হাসতে হাসতে বলল আমি তো সেই সকাল আটটায় এসেছি।তুই ঘুমিয়েছিলি তাই ডাকেনি।

মেহের গালফুলিয়ে দ্রুত আলমারি থেকে থ্রীপীছ বের করে বাথরুমে গেল চেন্জ করতে।

রুমে আসতেই কাজের মহিলা বলল আফামনি এই ফলের জুস আপনেরে নিয়া জাইতে কইছে খালুজান।

কোথায় নিয়ে যেতে বলেছে..

আয়মান স্যারের হোমনে ( সামনে),হে হেই সকাল থেইকা বইসা আছে আপনার লগে দেহা হরবে তাই…..

কিন্তু….আর বাকিটুকু শেষ করার আগেই মেহের বাবা রাগি গলায় বললেন মেহের আয়মান তোমার স্বামী তাই তোমাকে যেন ওর সাথে কোন বেয়াদবী করতে না দেখি।কথাটা মনে রেখ।

মেহের একপ্রাকার বাধ্য হয়ে আয়মানের সামনে জুসের ট্রেটা নিয়ে গেল।গ্লাসগুলো ঠাস করে টেবিলে রেখে রেগে মেগে হাটা শুরু করল।ওমনি আয়মান হেচকা টান দিয়ে মেহেরকে নিজের বুকে ফেলল।একহাত দিয়ে মেহেরের কোমর জরিয়ে ধরল।অন্যহাত দিয়ে মেহের ডানহাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিল।জোরে ফু দিয়ে কপালে লেপটে থাকা চুলগুলো কপাল থেকে সরিয়ে দিল।

আয়মানের করা হঠাৎ এমন আক্রমনে মেহেরের শরীর দিয়ে ঘাম ছুটে গেল।থরথর করে কাপতে লাগল।যা দেখে আয়মান বাকা হেসে বলল কি হলো মেহেরজান এমন কাপছ কেন?

মেহের হালকা ঢোক গিলে কিছু বলতে যাবে তার আগেই দেখল।আয়মান ওর ঠোটের দিকে মাতালের মতো তাকিয়ে আছে।নেশয় ভরা কন্ঠে বলল তোমার ঠোটগুলো এত সু্ন্দর কেন মেহের।আমার না ওদের দেখলে খুব হিংসা হয়।মন চাই ওদের কেটে ফেলি।বলেই আয়মান ঠোটগুলো যেই ছুতে যাবে তার আগেই দেখল মেহেরের বাবা মেহেরের নাম ধরে ডাকতে ডাকতে সিড়ি বেয়ে নিচে নামছে।

তারাক গতিতে মেহেরকে ছেড়ে দিয়ে আয়মান চুপচাপ গিয়ে সোফায় বসল।যেন কিছুই হয়নি।

মেহের হা হয়ে তাকিয়ে রইল।

মেহেরের বাবা নিচে নেমে বললেন মেহের রেডি হয়ে নেও।আজকে তোমাকে নিয়ে আয়মান শপিং করতে যাবে।

মেহের কিছু না বলে রেডি হয়ে আয়মানের সাথে বের হলো।

আনজারার সামনে গাড়ি থামতেই মেহেরকে আয়মান বলল তুমি কি আমার সাথে আসার কারনে বিরক্ত মেহের…

মেহের চমকে উঠল।
আচ্ছা হঠাৎ উনি এমন কথা বলছেন কেন?কোন কারনে উনি কি আমায় ভুল বুঝছেন।

আয়মান একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বলল কিছু জিজ্ঞাসা করেছি মেহের তো উওর না দিয়ে চুপ করে বসে আছো কেন?

মেহের কাছুমাছু হয়ে কিছু বলতে যাবে তার আগেই দেখল।একদল লোক গাড়ির দরজার সামনে দারিয়ে সেলুট করে বলল স্যার আশেপাশে কোন সাংবাদিক নেই।তাই নিদ্ধিদায় শপিং করতে পারেন।

আয়মান হাতের ইশারা করে চলে যেতে বললো।তারপর মুখের মাস্ক ও মাথায় কেপ দিয়ে মেহের নিয়ে আন্জারার ভিতরে গেল।

মেহের কোমরটা আয়মান একাহাত দিয়ে ধরে রেখেছে।যার কারনে মেহের লজ্জা পেয়ে হাশপাস করতে লাগল।কিন্তু সেদিকে বিন্দুমাত্র খেয়াল নেই আয়মানের সেতো একনাগারে হেটে চলেছে আনজারার শাড়ির স্টলের দিকে।

হঠাৎ রিমি এসে বলল আয়মান তোকে না এই নীল সুটে দারুন মানিয়েছে।একেবারে সিনেমার হিরোদের মতো।

মেহের রিমির এমন কথা শুনে রাগি দৃষ্টিতে ওরদিকে তাকিয়ে রইল।

আয়মান দাতে দাত চেপে বলল সেটা তোর না দেখলেও চলবে।আমার বউ আমার দিকে তাকালেই আমি খুশি।

নিরা দৌড় দিয়ে এসে মেহেরকে জরিয়ে ধরল।লাফাতে লাফাতে বলল ভাবি মনি তুমি এত দেরিতে আসলে কেন।

মেহেরকে কিছু বলতে না দিয়ে আয়মান বলল এসব কথা রাখ। ভিতরে গিয়ে কেনা কাটা কর।আমি মেহেরকে নিয়ে আসছি।ওকে…

আয়মান মেহের দিকে তাকিয়ে বলল ভিতরে চল মেহের..

মেহের ধীরপায়ে আয়মানের পিছু পিছু হাটা শুরু করল।শাড়ি স্টলে ঢুকতেই রিমি বলল দেখ না আয়মান এই শাড়িটা সুন্দর না। বল না আমায় এই শাড়িটাতে কেমন মানাবে…

আয়মান সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে একের পর একেক শাড়ি দেখতে লাগল।অনজারার শাড়িগুলো বারবারই একটু দামি।

মেহের এত দামী শাড়ি নিতে চাইনা।কিন্তু একথা আয়মানকে কিভাবে বলবে ভেবে পেলনা।

হঠাৎ আয়মানের চোখ আটকে গেল একটা বিশ লাখ টাকার শাড়ির দিকে।

শাড়িটা ছিল একেবারে রাজকীয়—গভীর লাল রঙের ওপর সূক্ষ্ম সোনার কাজ যা প্রতিটি সূচককে আর মোহনীয় করে তুলছিল।আয়মান মেহেরকে একবার শাড়িটায় কল্পনা,করে শারিটা নিয়ে নিল
—-++++

জুয়েলারি দোকানে মেহের চুপটি করে বসে আছে।
আর নিরা একের পর একেক গহনা মেহেরের গলায় পরাচ্ছে।আয়মান সামনে বসে বার বার না না করছে।আর ইশারা করছে অন্যটা দেখানোর জন্য।নিরা দেখাতে দেখাতে বিরক্ত হয়ে গেল।কিন্তু আয়মান ইন্সট্রাকশন করতে করতে বিরক্ত হলো না।সে ফুল মুডে একের পর একেক গহনা দেখতে লাগল।হঠাৎ মেহের কাছে এসে মেহের গলায় একটা গহনা পরিয়ে বলল অসম্ভব সুন্দর লাগছে মেহের জান। একেবারে পরির মত….

মেহের প্রচন্ড লজ্জা পেয়ে আয়মানের হাতটা নিজের গলা থেকে সরানোর চেষ্টা করল।কিন্ত আয়মান নিলজ্জের মত ঘোর লাগা দৃষ্টিতে আয়নার দিকে তাকিয়ে রইল।একেবারে মারাত্নক চাহনি যা মেহেরকে শেষ করার জন্য যথেষ্ট।

আয়মান মেহেরের কানে হাত দিতেই মেহের প্রচন্ডভাবে কাপতে লাগল।কানের দুল কানে পরিয়ে আবারও তাকিয়ে রইল।ঠোট কামরে আয়মান হাসতে লাগল।মেহের এবার আয়মানের হাসির দিকে তাকিয়ে মুগ্ধ হলো।

এত সুন্দর কেন তুমি মেহের জান আমার তো মন চাচ্ছে।এখনই তুলে নিয়ে গিয়ে ( )… পুরো কথাটা সম্পূন না করেই আয়মান সামনের দিকে হাটা শুরু করল।কারন আর কিছুক্ষণ থাকলে হয়ত মেহের ঠাস করে জ্ঞান হারাত।

আয়মান কম করে হলেও ২০ সেট সোনার নেকলেস নিল।সব মিলিয়ে বিল আসল ৭৭ লাক্ষ টাকা।

মেহের শুকনে ঢোক গিলে সেদিকে তাকিয়ে রইল।
এত বড় এত ভারী তার উপর এত দামী গহনা আমি বিয়ের দিন কিভাবে পরব।যদি পা উল্টে পরে যায় তখন কি হবে..

আয়মান পাশে এসে দাড়িয়ে বলল গহনা গুলো পছন্দ হয়েছে মেহের।

হুম ভিষন পছন্দ হয়েছে……
.
রিমি দৌড়ে এসে বলল আয়মান এই গহনাটা পরলে আমায় কেমন লাগবে…. বলনা

আয়মান দাতে দাত চেপে না তাকিয়ে বলল খুব সুন্দর লাগবে…

রিমি খুশিতে গদ গদ হয়ে গহনা প্যাক করে নিল।

আয়মান পেমেন্ট শেষ করে মেহেরের জন্য জুস আনতে ফ্রিজের কাছে চলে গেল।

মেহের সামনে দারিয়ে এসব দেখে নিজের হাত দুটো মুষ্টি বদ্ধ করে ফেলল।রাগে ওর হলুদ ফর্সা মুখটা আর হলুদ বর্ন ধারন করেছে।না চাইতেও ওর বুকটা কেপে উঠল।ওর যদি এখন ক্ষমতা থাকত তাহলে রিমির হাত থেকে গহনা কেড়ে নিয়ে বলতো।

ডায়নি তুই কেন আমার হাজবেন্ডের পছন্দ করা গহনা পরবি বল আমায়।

কিন্তু তাতো করার সম্ভবনা। কারন সামাজিকতা বলেও একটা কথা আছে।

মেহের একবার চোখ তুলে আয়মানের দিকে তাকাল।দেখল আয়মান ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।তাই মেহের রেগেমেগে আন্জারা থেকে নেমে গাড়িতে গিয়ে বসল।ঠোট উল্টে কান্না করতে লাগল।কিছুক্ষণ পর হেচকি তুলে কাদতে লাগল।
আচ্ছা আয়মান তো তার তাহলে কেন ও অন্য কাউকে গহনা পছন্দ করে দিবে কেন…

——-++(+++++++++
সবার শপিং শেষ হলে একে একে সবাই গাড়ির কাছে এসে জর হলো।আয়মান সবাইকে চলে যেতে বললো।তারপর মেহেরকে নিয়ে একটা নদীর পারে গেল।

গাড়ি থামিয়ে মেহেরকে বলল কাদছিলে কেন মেহের…

মেহের কোন রকম কান্না চেপে বলল এমনি….

এমনিতো কেউ কাদেনা মেহের কোন কি সমস্যা হয়েছে মেহের। কেউ কি কিছু বলেছে তোমায়।

না না আমার আবার কি সমস্যা থাকবে….

আমার তো মনে হল তুমি কোন কিছু দেখে মন খারাপ করেছ।বলেই মেহেরের হাতে হিরের দুটি মোটা চুরি পরিয়ে দিল।মেহের হতভম্ব হয়ে সেদিকে তাকিয়ে রইল।

আয়মান মেহের হাত দুটো সোজা করে দেখতে লাগল।ফর্সা হাত দুটোয় হিরের চুড়িগুলো চক চক করছে।

আয়মান সেদিকে তাকিয়ে নেশাভরা কন্ঠে বলল এইচুড়িগুলো তোমার পছন্দ হয়েছে।কিন্তু তুমি নিলে না কেন।শোন আমার যতটাকা পায়সা আছে সব তোমরই তাই কখনো লজ্জা বোধ করবেনা..

হঠাৎ আয়মানের চোখ গেল মেহের ডান হাতের তালুর একটা তিলের দিকে।আয়মান আর একমূহর্ত দেরি না করে সেখানে একটা চুমু খেল।

আয়মানের ঠোটের গরম স্পর্স পেয়ে মেহের শরীরে অদ্ভুত শিহরন বয়ে গেল।ওর হাত মাত্রারিক্তভাবে কাপতে লাগল।একসময় আয়মানের গায়ে ঢলে পরল।আয়মান বুকের মাঝে আগলে নিল।

কুল ডাউন মাইওয়াইফ। আমি তোমার হাজবেন্ড পরপুরুষ না।তাই এত হাইপার হয়োনা।….

মেহের কোন কথা না বলে আয়মানের বুকের স্পন্দন গুনতে লাগল।

প্রায় ১ ঘন্টা পর…

আয়মান মেহেরের মাথায় হাত বুলিয়ে বলল

এখন কেমন লাগছে মেহের…

আয়মানের গলার আওয়াজ শুনে মেহের চট করে চোখ খুলে নিজেকে আয়মানের বুকে দেখে চট করে সরে আসার চেষ্টা করল।কিন্তু আয়মান ছারলোনা।উল্টো ওর চুলের ভাজে মুখ লুকাল।

মেহের তাল সামলাতে না পেরে বলল পানি খাব আমি….

আয়মান ঠোট কামরে হেসে বলল নাহ পানি খেতে হবে না থাক না এভাবে।আমার মনে হচ্ছে না তোমার খারাপ লাগছে।

আয়মানের এমন লাগামহীন কথায় মেহের অবস্থা আর খারাপ হতে লাগল।ওর গাল দুটো টমেটোর মত লাল হয়ে গেছে।আয়মান তা দেখে বলল তোমার টমেটোর মত গাল দুটো যদি আমি টেস্ট করে দেখি তাহলে কি তুমি রাগ করবে।টমেটোগুলো না দেখতে বড্ড মিষ্টি লাগছে মেহেরজান।

মেহের এবার কাপা কন্ঠে বলল নেতাসাহেব আপনি এমন নিলজ্জের মত কেন কথা বলছেন???

আয়মান মেহেরের ঠোট দুটো স্লাইড করতে করতে বলল আমি তোমার কাছে পৃথীবীর শ্রেষ্ঠ নিলজ্জ
ব্যাক্তি হয়ে থাকতে চাই মেহের।কারন তোমার কাছে নিলজ্জ না হলে আমার বংশধর আসবে কিভাবে..
মেহের থতমত খেয়ে ভাবল….
কি সাংঘাতিক কথা।হায় আল্লাহ এমন নিলজ্জ লাগামহীন লুচু আমার কপালে কেন জুটালে আল্লাহ।কি অপরাধ করেছি আমি।….

আয়মান তাকিয়ে দেখল মেহের ওর বুক থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।তার কারনে আয়মান জোরে ধমক দিয়ে বলল এই তুমি এমন করছ কেন মেহের।তোমার আচারন দেখে মনে হচ্ছে আমি তোমার হাজবেন্ড না বয়ফ্রেন্ড?

আয়মানের একধমকে মেহের চুপটি করে আয়মানের বুকে মুখ গুজে বসে রইল।
হঠাৎ বুক থেকে উঠিয়ে আয়মান মেহেরের গালে হাত রেখে বলল শোন মেহের তুমি আমার জীবনের একমাত্র নারী যাকে আমি এত গভীরভাবে স্পর্স করেছি।তোমার দিকে আমার যে টান তা আমি অন্যকার মাঝে পায়নি।আমার আর রিমির মাঝে কিছুই নেই।সেদিন রিমি জোর করে আমায় জরিয়ে ধরেছিল।আমি ছারাতে যাব তার আগেই তুমি এসে পরেছো।
রিমি আমার জাস্ট ফ্রেন্ড মাত্র।তাই উল্টাপাল্টা কিছু ভাবতে যেওনা মেহের…..সেদিন তুমি যে আমায় ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছো সে জন্য কিন্তু আমি তোমায় আজও ক্ষমা করেনি …

মেহের ভুল বুঝতে পেরে চমকে উঠে কাদো কাদো গলায় বলল কি করলে আমায় ক্ষমা করবেন বলুন।আমি তাই করার চেষ্টা করব……

আয়মান নিজের হাসি আটকে রেখে বলল

তুমি পারবে না তাই বলে লাভ নেই

আরে বলেই দেখুননা আমি পারব।

সিউর তুমি

হান্ডেড % সিউর আমি….

ওকে তাহলে আমার গালে একটা কিস কর……

মেহের হকচকিয়ে উঠে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইল।

আয়মান নেকামো করে বলল ওকে বুঝছি তুমি পারবেনা।তবে তোমার জন্য দুঃখ হচ্ছে।শেষমেষ আমার অসন্তুষ্টি নিয়ে জাহান্নামী হয়ে যাও কিনা..

মেহের জাহান্নামের কথা শুনে নিরুপায় হয়ে আয়মানের গালের কাছে নিজের ঠোট নিল।দেখল আয়মান দাত কেলিয়ে হাসছে।

মেহের তা দেখে বলল আপনি চোখ বন্ধ করুন..

ওকে বলেই আয়মান চোখ বন্ধ করল….

মেহের ইতস্ত করে আয়মানের গালে চিমটি কেটে দৌড়ে পালালো।

তা দেখে আয়মান রাগে ফোস ফোস করতে করতে
মেহেরের পিছনে দৌড়াতে লাগল।একসময় মেহের পুকুর পারে এসে আয়মানের গায়ে পানি ছিটিয়ে দিল।আর খিল খিল করে হাসতে লাগল।

আয়মানও মেহেরের খুশি দেখে নিজেও হাসতে লাগল।

হঠাৎ আয়মানের ফোনে কল আসল।ফোন কলে একজন বলল স্যার একটা সমস্যা হইয়া গেছে গ্যা।আমাগো দলের ছেলেপেলেগো বিপক্ষদলের লোকেরা অনেক পিডাইছে। আপনি দ্রুত হাসপাতালে আহেন।

আয়মানের মুখটা রাগের কারনে লাল হয়ে উঠল।এত বড় কলিজা ওদের কিভাবে হল যে আমার দলের লেকদের মারল।তুই সব কয়টাকে বেধে আন আমি আসতেছি।

আয়মান মেহেরকে কোন রকম বুঝিয়ে ওদের বাড়ির সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে গেল।

সেদিকে তাকিয়ে মেহের হাটুগেরে জোরে চিৎকার করে কাদতে কাদতে বলল আপনার এই রাজনীতীই একদিন আপনার আর আমার সব সম্পর্ক তচনছ করে দিবে ।যেমন আগুন কাঠকে
ছাই করে দেয়।
–+++(+++++++++++++++++++

আয়মান নিজের ব্যাক্তিগত অফিসে বসে পায়ের উপর পা তুলে টিভির দিকে তাকিয়ে রাগে ফুসছে।

আশেপাশের নেতাকর্মীরা ভয়ে থর থর করে কাপছে কারন তাদের নেতা যে রেগে গেছে..
নিশ্চয়ই ভয়ংকর কিছু ঘটবে….

আয়মানঃ আমি ১ ঘন্টার ভিতর সবকটাকে আমার সামনে চাই….নাহলে তোদের সব কটাকে মেরে মাটিতে পুতে ফেলব……

—-++++++++++++++++++++++++++
রোদ সকালে ঢাকা মেডিকেলে বসে রুগি দেখছে।হঠাৎ নিরা রুমে ডুকল।রোদ চমকে উঠল।আশেপাশে অনেক লোক থাকায় কিছু বলতে পারলোনা।তবুও কিছুটা রাগ নিয়ে বলল তুমি এখানে কেন নিরা।তাও এই ভারদুপুরে….

নিরা অসুস্থতার ঢং করে বলল আমি অসুস্থ গোমরা মুখো ডাক্তার….

রোদ ভ্রুকুচকে বলল কি হয়েছে তোমার…

বলব না….

– না বললে বুঝব কিভাবে তোমার কি রোগ হয়েছে?

নিরা চোখ নামিয়ে বলল:
– আপনি সত্যিই জানেন না আমার কি হয়েছে…

রোদ ক্ষুব্ধ হয়ে বলল:
– এই বেয়াদব মেয়ে! আমি কিভাবে জানব তোমার কি রোগ হয়েছে? আমি কি তোমার সাথে থাকি, হ্যা?

নিরা হঠাৎ মিষ্টি কণ্ঠে বলল:
– আপনি চাইলে আমাকে বিয়ে করে আমার সাথে থাকতে পারেন…

রোদ চমকে উঠে, কঠিন গলায় বলল:
– নিরা, বের হও এখনই চেম্বার থেকে! নাহলে তোমার খবর আছে।

নিরা কাদো কাদো গলায় বলল:
– প্লিজ আমায় বের করে দেবেন না… আমি সত্যিই অসুস্থ…
রোদ বলল:
– আমার কাছে তোমার প্রেম রোগের কোনো চিকিৎসা নেই। তাই দ্রুত চেম্বার থেকে বের হও।

নিরা বলল:
– আমি আপনাকে সত্যিই ভালোবাসি রোদ… প্লিজ আমায় বিয়ে করুন না।

রোদ নিজের রাগ চেপে রেখে বলল:
– নিরা, দ্রুত এসব পাগলামি বাদ দিয়ে বাড়ি যাও। আমি তোমার থেকে অনেক সিনিয়র, তাই তুমি এসব আবেগ বাদ দাও।

নিরা বলল:
– কতই আর সিনিয়র হবেন আপনি, হুম? আমি তো জানি আপনার বয়স ৩৫ আর আমার ১৮… তাহলে আমায় বিয়ে করলে সমস্যা কি বলুন

রোদ (রাগ আর ব্যথা মিশেয়ে) বলল:
– নিরা! তুমি এসব কী বলছ।তুমি কি জান আমি আজও আমার মৃত স্ত্রীকে ভালোবাসি। সে ছিল আমার জীবনের আলো। তার মৃত্যুর পর আমার পৃথিবী অন্ধকার হয়ে গেছে।তাই এসব আবেগি খেলা বাদ দেও।

নিরা হতভম্ব হয়ে বলল:
– রোদ… আমি জানতাম না আপনার জীবনে এমন ব্যথা আছে…

রোদ গভীর নিঃশ্বাস ফেলে বলল:
– তুমি এখনো ছোট নিরা।তোমার সামনে পুরো জীবন পড়ে আছে। আমার অতীত, আমার দায়, আমার ছেলে – এই সবের ভেতরে তোমাকে জড়িয়ে আমি আরেকটা ভুল করতে চাইনা….

নিরা (কাঁপা কণ্ঠে) বলল:
– আমায় যদি আপনি একটু ভালোবাসতেন রোদ… কেবল অল্পটুকু হলেও… তবে
আমি আপনাকে আরেকটা আলো দিতে পারতাম, আরেকটা ভরসা দিতে পারতাম।

রোদ (গভীর কণ্ঠে) বলল:
– ভালোবাসা মানে শুধু একসাথে থাকা নয়, নিরা। ভালোবাসা মানে দায়িত্ব, ত্যাগ আর সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া। তুমি এখনো তরুণী। তোমার জীবনে ভালোবাসা আসবে, কিন্তু সেটা আমাকে দিয়ে নয়।

নিরার চোখ থেকে টুপটাপ পানি পড়তে লাগল।
রোদ জানালার বাইরে তাকিয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে রইল।

– জানো নিরা আমার একটা ছোট ছেলে আছে। যে এখনও তার মাকে ভুলতে পারেনি। আমি ওর জীবনে কোনো সৎ মা এনে আরেকটা শোক, আরেকটা ঝড় আনতে চাই না। আমি চাই না ওর চোখে থেকে নতুন করে কোনো পানি পরুক।

নিরা আর কোন কথা না বলে কাদতে কাদতে রুম থেকে বেরিয়ে গেল।

রোদ ক্লান্ত হয়ে চেয়ারে ধপ করে বসে রইল মাথা চেপে ধরে সুহানার কথা ভাবতে লাগল।

ফ্লাসব্যাকঃ
রোদ তখন লন্ডনে ডাক্তারি প্রাক্টিস করছে। একের পর এক সার্জারি, ক্লাস, রিপোর্ট—জীবনটা ব্যস্ততায় ভরা।
একদিন হঠাৎ ফোন এল। স্ক্রিনে —সুহানার নাম বার বার ভেসে উঠল।রোদ দেখও না দেখার ভান করে সার্জারি করতে লাগল।মনে মনে ভাবল
“অপারেশন শেষ করেই কল ব্যাক করব।”
কিন্তু সেই কল আর ধরা হলো না…
গল্প লেখার কোন ইচ্ছায় ছিল না কিন্তু হঠাৎ করে কেন জেন লিখে ফেললাম।)

অন্যদিকে সুহানা তখন বাসায় একা। পেট ভারী হয়ে গিয়েছে, হাটতে কষ্ট হয়।রান্নাঘরে পানি খেতে গিয়ে সুহানা পা পিচলে পরে যায়।ব্যথায় কাতর হয়ে ফিসফিস করে বলেল—
“রোদ… ফোনটা ধরো প্লিজ…”

কিন্তু ফোনটা বেজেই যাচ্ছিল, ধরার মতো সময় রোদের হাতে ছিল না।

কিছুক্ষণ পর প্রতিবেশীরা আওয়াজ পেয়ে অ্যাম্বুলেন্স করে সুহানাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।। সিজারের মাধ্যমে রায়ান জন্ম হয়—

রোদ সার্জারি শেষ করে বের হতেই একজন নার্স এসে তাকে জানায়—
“ড. রোদ স্যার… আমরা আপনার স্ত্রীকে … বাঁচাতে পারিনি। তবে আপনার ছেলেটা বেঁচে আছে।”

রোদ কিছুনা বলে হাটু গেড়ে মেঝেতে বসে হাউমাউ করে কাদতে লাগ।নার্সরা একটা বেডে করে ছোট্র একটা নবজাতক শিশু নিয়ে এলো আর পাশের বেডে করে সুহানার নিথর শরীর নিয়ে এল …

বর্তমানে
রোদ সুহানার ছবিটার দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বলল—
— “একটা ফোন ধরতে পারলেই হয়তো তোমাকে বাঁচাতে পারতাম, সুহানা… আমি ডাক্তার হয়েও নিজের স্ত্রীকে বাঁচাতে পারলাম না।”বলেই মুখ চেপে কাদতে লাগল।কারন ছেলেদের যে জোরে জোরে কাদতে নেই।

নোটঃ
আল্লাহ বলেন:>
“আর যারা তাদের প্রতিপালককে অস্বীকার করেছে, তাদের জন্য আছে জাহান্নামের শাস্তি।তারা যখনই তাতে নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তা থেকে ভয়ংকর গর্জন শোনা যাবে — যেন তা ক্রোধে ফেটে যাচ্ছে।”(সূরা আল-মুলক: ৬-৭) ★তাফসির:ভাবো একদিন সব মানুষকে আল্লাহর সামনে দাঁড় করানো হবে।যারা আল্লাহকে ভুলে গিয়েছিল, যারা নামাজ, রোজা, সৎকাজ, ন্যায়পরায়ণতা—সবকিছু এড়িয়ে গিয়েছিল, তাদের জন্য জাহান্নামের দরজা খুলে দেওয়া হবে।সেই আগুন কেবল আগুন নয়।
ওটা গর্জাবে, চিৎকার করবে, রাগে ফেটে যাবে।মনে করো, এমন আগুন যা শুধু দগ্ধ করবে না—ওটা যেন নিজেই বলছে:
“কেন তুমি আল্লাকে ভুলে গিয়েছিলে? কেন তার কথা মানোনি?”সেদিন আর পালানোর সুযোগ থাকবে না।কোনো সময় থাকবে না অনুশোচনা মেটানোর জন্য।শুধু থাকবে নিজের পাপ, নিজের অপরাধ, আর আগুনের ভয়ংকর আওয়াজ।
★এই আয়াত আমাদের শিক্ষা দেয়:
আজই ফিরে এসো। আজই আল্লাহর দিকে ফিরো।আজই নামাজে মাথা নত করো, আজই তাওবা করো।যেন সেই ভয়ংকর দিনের আগেই হৃদয় শান্ত থাকে,
আর আগুনের ভীতিকর গর্জন না শোনার সৌভাগ্য হয়।
★শেষে মনে রাখো:
> জীবন সংক্ষিপ্ত। প্রতিদিনের সুযোগগুলো ফিরে আসে না।
তাই এখনই আল্লাহর কাছে ফিরে যাও,এখনই ভালো কাজ শুরু করো,
যেন মৃত্যু বা কেয়ামতের ভয়ংকর দিন যখন আসে,তখন হৃদয় শান্ত থাকে, আর আল্লাহর দয়া তোমার পাশে থাকে।

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ