Thursday, June 4, 2026







নিষ্ঠুর নিয়তি পর্ব-০৩

#নিষ্ঠুর_নিয়তি
পর্ব – ৩
Kzal Mithun

আমি আস্তে করে আমার হাসব্যান্ডের হাতটা আমার কোমর থেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলাম । পেটে ক্ষিদা , মন মেজাজ ভালো নেই আমার । রাত দুপুরে উনার এসব ন্যাকামি একদম ভালো লাগছে না আমার । উনি যে আমাকে ভালোবেসে কাছে টানছে না ,সেটা আমি বেশ বুঝতে পারছি । বিয়ে বাড়িতে সুন্দরি সুন্দরি মহিলাদের দেখে উনার মাথা গরম হয়ে আছে ।

বিরক্ত হয়ে বললাম – প্লিজ ছাড়ো আমাকে । ভালো লাগছে না এসব ! তুমি জানো আমি অসুস্থ ! তারপরও তুমি ….! আমার কথা শেষ না হতেই আমার হাসব্যান্ড আমার কোমর ছেড়ে দিলো । মুখে অসম্ভব রকমের বিরক্তির ভাব নিয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো । ধ্যুর ! অহস্য ! সরে যাও আমার কাছ থেকে । এই অসুস্থতার নাটক আর কতদিন করবা বলোতো ..? বা..লের এক প্যানপ্যানি আর ভালো লাগে না । সারাদিন খেটুখুটে বাসায় আসি , আর উনি আমাকে রাতের বেলায় পা ভাঙার নাটক দেখান ! আর জাস্ট নিতে পারছি না । বিরক্ত লাগছে আমার ! দাঁত মুখ খিচিয়ে চেচিয়ে উঠলো সে ।

রাত দুপুরে হাসব্যান্ডের এমন অসভ্য আচরনে আমি একদম ফ্রিজ হয়ে গেলাম । ছি ! ছি ! ছেলে মেয়ে বড় হয়েছে । দুজনেই ওরা প্রাপ্ত বয়স্ক । ওরা মনে হয় এখনও ঘুমায়নি । পাশের রুমেটাই আমার ছেলের । ওদের বাবার চিৎকার কথা শুনে জানি কি ভাবছে ওরা ! ইস্ ! কি লজ্জা ! কি লজ্জা ! মনে হচ্ছে আমি মাটির নিচে লুকাতে পারলে বাচঁতাম ।

চাপা কন্ঠে বললাম – প্লিজ চুপ করো । পাশের রুমে ছেলে আছে । রাত দুপুরে তোমার চিৎকার শুনলে কি ভাববে বলতো ?

লেকচার মেরো না । সারাক্ষন শুধু জ্ঞান দিতে থাকে । বিরক্তিকর ! যাও , পাশের রুমে গিয়ে ঘুমাও । বলেই উনি পাশ ফিরে অন্যদিকে মুখ করে শুয়ে পড়লো ।

হাসব্যান্ডের এতো অপমান সত্তেও ঘর থেকে বের হতে পারলাম না শুধু লজ্জায় । ছেলে মেয়ের সামনে মুখ দেখাবো কেমন করে ? যদি জিজ্ঞেস করে – ওদের বাবা কেনো আমাকে রাত দুপুরে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে ? নিজের সন্মান বাঁচাতে শক্ত পাথর হয়ে বসে থাকলাম উনার পাশেই ।

সারারাত এক ফোটা চোখের পাতা এক করতে পারিনি । পাশে শুয়ে থাকা মানুষটা গভির ঘুমে আচ্ছন্ন ; অথচ তার প্রতিটা নিশ্বাস যেনো আমার কানের কাছে তপ্ত সীসার মতো বিঁধছিলো । যে মানুষটা সারা সন্ধ্যা অন্য নারীদের সাথে পান , মিষ্টি খেয়ে আনন্দ ফুর্তি করেছে ; সে মানুষটা একবারও ভাবিনি যে তার অসুস্থ স্ত্রী ঘরে না খেয়ে বসে আছে । আমার শরীরের পঙ্গুত্বের চেয়ে আমার মনের পঙ্গুত্ব এখন আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছে ।

ফজরের আযান দিলে নিজের রুম থেকে বের হলাম । লাঠি নিলাম না হাতে শব্দ হবে বলে। দেয়াল ধরে আস্তে করে দরজা খুললাম । তারপর এক পায়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ডাইনিং এ আসলাম । কাল রাতে বাকি ওষুধগুলো না খাওয়াতে ব্যথা কমেনি । ঠোঁট ব্যথায় টন টন করছে । তবে পায়ের ব্যথাটা একটু কম মনে হলো । একটা চেয়ার টেনে বসলাম । বেড রুম থেকে এ পর্যন্ত আসতেই কেমন জানি হাপিয়ে গেলাম । এ কদিনে শরীরটা অনেক দুর্বল হয়ে গেছে । গলাটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে । এক গ্লাস পানি ঢেলে ঢক ঢক করে এক নিশ্বাসে খেলাম । মুহূর্তে ভুলে গেলাম ঠোঁটের ব্যথা । উফ্ ! শান্তি ! আলহামদু লিল্লাহ !

আমি উঠার পর পরই দেখলাম আমার ছেলে আলিফ উঠে এসেছে । ওকে দেখে চমকে উঠলাম ! আলিফের চোখ দুটো একদম রক্ত লাল হয়ে আছে । চুলগুলো এলোমেলো । মুখটা শুকনো । সারারাত ঘুমায় নি মনে হচ্ছে আমার ছেলেটা । বুকের ভিতরটা মোচড় দিয়ে উঠলো । হাত বাড়িয়ে ছেলেকে কাছে টেনে নিলাম । কি হয়েছে আব্বা ! মুখটা এমন শুকনো কেনো রে ? আমার মনে হচছে তুই কাল বিয়ে বাড়িতে পেট ভরে খাসনি ।

ছেলে আমার কথা শুনে আমার বুকে মুখ লুকালো । আমি ছেলেকে জড়িয়ে ধরলাম বুকের মধ্যে । কি যেনো একটা বলতে চায় ও আমাকে । কিন্তু এখনি কিছু শুনতে চাই না আমি । পেটে প্রচন্ড ক্ষুধা । রাতের ওষুধগুলোও খাওয়া হয়নি । সবার আগে কিছু খেয়ে ওষুধ খেতে হবে । ডোজ কমপ্লিট না করলে সহজে সুস্থ হবো না আমি । এখন যদি ছেলের মুখে নিজের আপন লোকজন সম্পর্কে নেগেটিভ কিছু শুনি , তাহলে আমার খাওয়ার মুডটাই নষ্ট হয়ে যাবে । মনের উপর এখন আর আমি চাপ বাড়াতে চাচ্ছি না । ছেলের পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে বললাম – আমাকে একটু চা করে খাওয়াবি আব্বা ? ভিষন ক্ষুধা পেয়েছে রে । তুই চা কর আমি নামাজটা পড়ে নিই ! আর হ্যা ! পারলে দুটো পরোটা ভাজিস আব্বা ! শুধু বিস্কিট চা খেয়ে পেট ভরবে না এখন ।

আমার ছেলে পরোটা ভেজেছে , দুইটা ডিম পোচ করেছে । ফ্রিজে মাংস ছিলো সেটাও গরম করেছে । মা ছেলে খেতে বসেছি । ছেলে বেশ আদর নিয়ে জিজ্ঞেস করলো – আম্মু ! খাইয়ে দেবো ? মাথা ঝাকিয়ে বললাম না ! চল , মা ছেলে মিলে দুজন একসাথে খাই ।

খাওয়া প্রায় শেষের দিকে । ওরা বাপ বেটি তখনও ঘুম থেকে উঠেনি । সকাল প্রায় ৯ টা বাজে । ফোন বাজলো আমার । ভাশুরের বউর ফোন । ভ্রু কুঁচকে মনে মনে বললাম – এতো সকালে এই মহিলা কেনো ফোন দিচ্ছে ? নিশ্চয় কোনো মতলব আছে । ছেলের দিকে তাকালাম । ছেলে ফোন ধরতে না করলো । বললো – আগে খাওয়া শেষ করো আম্মু ! উনার দরকার হলে আবার উনি ফোন করবে । তুমি জানোনা আম্মু , কাল হলুদের অনুষ্ঠানে বড় চাচি আর ছোট চাচি মিলেই আপুনিকে নাচতে পাঠিয়েছে । আমি বার বার আপুনিকে না করলাম কিন্তু শুনলো না । ছোট চাচি ইচ্ছে করেই ক্যামেরাম্যানকে দিয়ে আপুনিকে বাজে ভাবে ভিডিও করিয়েছে যাতে দেখতে বাজে দেখায় , আর উনার ভিউ ব্যবসা ভালো হয় । উনার ব্লগের ভিউ বাড়ানোর জন্য আমার বোনটাকে উনারা দুজন মিলে সবার সামনে হাসির পাত্র বানিয়েছে আম্মু ।

মেজাজটা চট করে উঠে গেলো – তোর বাবা কি তখন ওখানে বসে ঘাস কাটছিলো ? সে দেখেনি যে তার মেয়েটাকে ওরা বোকা বানাচ্ছে ! বাবা তো তখন অন্য আন্টিদের সাথে মজা করতে ব্যস্ত ! বলেই ছেলে মাথা নিচু করে ফেললো । আহারে বাচ্চাটা আমার ! নিজের বোনের অপমান আর চোখের সামনে নিজের বাবার অসভ্য আচরন মেনে নিতে পারছে না । তাইতো কাল সারারাত আমার ছেলেটা ঘুমোতে পারিনি ।নিজেকে এ মুহুর্তে খুব অসহায় লাগলো । ঘর বন্দি হয়ে আছি দুই সপ্তাহও হয়নি । অথচ আসে পাশের আপন মানুষগুলো পিঠে ছুরি চালাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ! কিভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা যায় , সেই নেশায় এখন মত্ত এরা । বুক চিরে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেললাম । নাহ্ ! এভাবে শুয়ে বসে থাকলে হবে না । সুস্থ হতে হবে আমাকে ।

ছেলের রুমে ঘুমিয়েছিলাম আমি । বাসায় লোকজনের কোলাহলে ঘুম ভাঙলো আমার । ঘড়ির দিকে তাকালাম । বেলা এগারোটা বেজে গেছে । ছেলে আমাকে ওর রুমে দিয়ে দরজা আটকে দিয়েছিলো যাতে আমি না উঠি ।একটু ঘুমিয়ে অবশ্য ফ্রেশ লাগছে এখন । কিন্তু ! কারা এলো বাসায় ? তখনি মেয়ে দরজা খুললো । বিছানায় কেবল উঠে বসেছি আমি । আম্মু ! দাদা – দাদু আর ছোট চাচিরা এসেছে । শিগগির ওঠো ! আর কতো ঘুমাবা ?মেয়ের কথা শুনে ভিষণ অবাক হলাম আমি । নিজের কান দুটোকে বিশ্বাস হলো না আমার । মুখটা বিকৃত করে নাক মুখ কুঁচকে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলাম – কারা এসেছে ? মেয়ে গলা চেপে আবার বললো – আরে দাদা দাদীরা এসেছে সেই কখন ! তুমি ঘুমাচ্ছো বলে আলিফ তোমাকে ডাকতে নিষেধ করেছে । এতে কিন্তু দাদী খুব মাইনড করেছে । বাবাও ক্ষেপে আছে আলিফের উপর !

যতটুকু না সুস্থ লাগছিলো তার চেয়েও এখন বেশি অস্বস্তি লাগতে লাগলো উনাদের আসার কথা শুনে । বিয়ে বাড়ি রেখে আমার বাসায় এতো ভিড় করার কি মানে সেটা বুঝলাম না । দরজা খোলা দেখে ছোট দেবরের বউ ছেলের রুমে ঢুকলো । আরে ভাবি কি অবস্থা তোমার ? পা কি সত্যিই ভেঙেছে নাকি হুদাই ব্যান্ডেজ লাগাইছো … হা ..হা . হি .. হি বলেই সে অট্ট হাসিতে ফেটে পড়লো । মেজাজ ঠান্ডা রাখলাম । পাত্তা দিলাম না ওর কথায় । মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে এখন আমাকে ।

শশুর শাশুড়ির সাথে দেখা করার জন্য লাঠি ছাড়াই দেয়াল ধরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ড্রইংরুমে আসলাম । শাশুরির মুখটা বেশ গম্ভির হয়ে আছে দেখলাম । শশুর আব্বা আর আমার ছেলে ব্যস্ত হয়ে উঠলো – আহা ! তুমি কষ্ট করে উঠে আসতে গেলে কেনো ? ছেলে দৌড়ে এসে আমাকে ধরলো । আমার হাসব্যান্ড তার মুখটা বাংলা পাঁচের মতো করে সোফার এক কোনায় বসে আছে দেখলাম ।আমাকে দেখে বেশ ভারি গলায় বললো – দুপুরের খাওয়ার ব্যবস্থা করো তো জলদি । আম্মা – আব্বা ঐ বাসায় পোলাও বিরিয়ানি খেতে পারছে না । একটু মাছ তরকারি রান্না করো !

আমি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলাম আমার হাসব্যান্ডের কথা শুনে । সে দেখছে যে আমি এখনও ঠিকমত দাঁড়াতে পারছি না , সে আমাকে হুকুম করছে মাছ তরকারি রান্না করতে !! কাল রাতের শোধ তুলছে বুঝতে পারলাম । শালা বাজে লোক একটা ! ইচ্ছে করছে মুখের উপরে ঠাস করে বলে দিই যে – পারবো না । তোমার আত্মীয়দের তুমি রান্না করে খাওয়াও । আমার কি দায় ঠেকেছে ? কিছুই বললাম না ।কারন আমার বাবা – মা আমাকে সামাজিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন ।

রান্নাঘরে টুলে বসে রান্না করছি । কাজের মেয়েটা আসেনি আজকে । ওরা যখনি বিপদ দেখে তখনই যেনো বেশি বেশি কাজে কামাই করে । গরমে ঘেমে নেয়ে একদম ভিজে গেছি আমি । ভিষন অস্থির লাগছে আমার । এরই মধ্যে ছোট বউ রান্না ঘরে ঢুকলো – হ্যালো বন্ধুরা ! কেমন আছেন সবাই …? এখন আমি আমার মেজো জায়ের রান্নাঘর থেকে সরাসরি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি । দেখেন আপনারা – এই অসুস্থ অবস্থায় , ভাঙা পা নিয়েও আমাদের প্রিয় মেজো ভাবি আমাদের জন্য ইলিশ মাছ রান্না করছে ।বলেই ছোট বউ ওর মোবাইল ক্যামেরা আমার পায়ের দিকে ধরলো । তারপর আবার শুরু করলো – শুধু ভাবির পা ভাঙেনি বনধুরা ! ভাবির ঠোঁট কেটেও দুটো সেলাই লেগেছে কিনতু ! এতো অসুস্থ হওয়া সত্তেও ভাবি আমাদের জন্য রান্না করছে । বন্ধুরা একেই বলে আদর্শ গৃহিনী ।

কথা বলতে বলতেই আমার ছোট জা এবার তার মোবাইল ক্যামেরা আমার মুখের দিকে ঘুরালো । আমি পিছন ফিরে বসে ছিলাম। আমাকে দেখা যাচ্ছে না বলে সে আমার মুখটা ধরে ক্যামেরার দিকে ঘুরিয়ে নিতে গেলো । ভয়ঙ্কর ভাবে রেগে গেলাম আমি । আমি বাচঁতেছি না আমার জ্বালায় , উনি আসছে আমার সাথে ইয়ারকি করতে । আমাকে সাহায্য করবে কি ! তা না ! ফাইজলামি শুরু করেছে আমার বাসায় এসে ।

রাগে মুখটা ঘুরিয়ে নিলাম আমি । খুব তেতো করে বললাম – এসব ন্যাকামি আমার একদম পছন্দ না । প্লিজ রান্নাঘর থেকে যাও । আরে আরে রাগ করছো কেনো ভাবি ? আমি আমার দর্শকদের সাথে তোমার পরিচয় করিয়ে দিতে চাচ্ছি । দেখো দেখো কতগুলো লাইক কমেনট এসেছে ! দেখবা তুমি কিছুক্ষনের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যাবা ! দেখলা না , আমাদের মাইশা কেমন একদিনেই ফেমাস হয়ে গেছে ..!

আমার মাইশার কথা বলাতে নিজেকে আর সামলাতে পারলাম না । রাগে আমার সারা শরীর কাঁপতে লাগলো । ইচ্ছে করছে ছোট জার গালে ঠাস করে একটা থাপ্পর লাগায় ! কিন্তু সেটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে । সেটা না করে ওর মোবাইল ধরা হাতটা আমার ডান হাত দিয়ে এক ঝটকায় সরিয়ে দিলাম । ছোট বউ ঠিক বুঝে উঠার আগেই ওর হাত থেকে মোবাইলটা পড়ে গেলো মেঝেতে …..!

চলবে …..!

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ