Thursday, June 4, 2026







নিষ্ঠুর নিয়তি পর্ব-০৫

#নিষ্ঠুর_নিয়তি
পর্ব – ৫
Kzal Mithun

আমি তোমাকে একান্তে কাছে পেতে চাই শায়লা ।একদম নিজের করে কাছে পেতে চাই । সেই ভারসিটি লাইফের মতো । তোমার মনে আছে শায়লা ? ভাবি যখন সিয়াম আর সারাকে স্কুলে দিতে যেতো , তখন তুমি কলেজ ফাঁকি দিয়ে বাসায় চলে আসতে ! আমিও তখন ভারসিটির ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ভাইয়ার বাসায় চলে আসতাম ! তারপর তো …….উফ্ ! কয়েক ঘন্টা ধরে ইচ্ছে মতো তোমাকে অন্তরঙ্গ ভাবে কাছে পেতাম । তুমি কিন্তু সেই সাহসি ছিলে । বাপরে …! কোনো ডর – ভয় ছিলো না তোমার ! কতবার ভাবির কাছে ধরা পড়তে পড়তে বেচে গেছি বলো তো ? তুমি কি দারুভাবে ম্যানেজ করে ফেলতে সে সময় !

জানো ? আমার খুব ইচছে হচ্ছে আবার সেই দিনগুলোতে ফিরে যাই । বিশ্বাস করো শায়লা ! এতো বছর পর তোমাকে কাছে পেয়ে , আমি যেনো কেমন ছেলেমানুষ হয়ে গেছি ! আমার আর তর সইছে না ! প্লিজ তুমি না করো না । বলেই শায়লার হাত দুটো নিজের হাতের মধ্যে শক্ত করে চেপে ধরলো নাজমার হাসব্যান্ড , মাহবুব ।

শায়লা , নাজমার বড় জায়ের ছোট বোন । দুই সন্তানের মা , ডিভোর্সি । মহিলা দেখতে শুনতে খুব একটা ভালো না । তবে বেশ স্মার্ট, সেই কলেজ লাইফ থেকেই । মহিলা এখনও তার ফিটনেস ধরে রেখেছে । মাহবুবের হাতদুটো নিজের গালের সাথে চেপে ধরে মিষ্টি হেসে শায়লা বললো – এতো অধৈর্য হচ্ছো কেনো তুমি ? সব হবে । আগে সিয়ামের বিয়ের অনুষ্ঠানগুলো শেষ হোক , পরে আমরা অবশ্যই একান্তে সময় কাটাবো । সেই পুরানো প্রেম নতুন করে ঝালাই করবো আবার ।কি বলো ? বলেই মুখে বাম হাত চাপা দিয়ে খিক খিক করে চাপা হাসি দিলো শায়লা । পরক্ষনেই শায়লা মুখে অভিমানের ভাব এনে আদুরে গলায় বললো – কিন্তু ! তোমার বউ যদি জেনে যায় ? তখন কি হবে ? তুমি তো তখন আমাকে আর চিনবেই না ।

ঠোঁট উল্টে মাহবুব বললো – আরে ধ্যুর ! ওর কথা বাদ দাও তো । ও জানলেই কি আর না জানলেই কি ? আমি কি ওকে ডরাই নাকি ? শালা গাউয়া ক্ষ্যাত একটা । দিন দিন তো ভুটকি হচ্ছে , চেহারার কোনো যত্ন নেই । ওকে দেখলে এখন আমার জাস্ট বিরক্ত লাগে ।

আচ্ছা ! সিয়ামের বিয়েতে তোমার বউ আসছে না কেনো ? কাল হলুদে এলো না । আজকে বিয়ের প্রোগরামেও দেখছি না । কি ব্যপার বলো তো ? তোমাদের কি ঝামেলা চলতেছে নাকি ?

ব্যস্ত হয়ে মাহবুব বললো – আরে নানা ! সেরকম কিছু না । নাজমার শরীরটা ভালো নেই । প্রায় দু , সপ্তাহ হলো – ফ্লোরের উপর পা পিছলে পড়ে গিয়ে ওর একটা পা মচকে গেছে । পায়ে প্লাস্টার করা । ঠোঁট কেটে সেলাই লেগেছে দুটো । বেচারি ঘর বন্দি হয়ে আছে বেশ কয়েকদিন হলো ।

বাব্বাহ্ ! বউয়ের প্রতি তো দেখি দরদ উথলে উঠছে ? ছাড়ো আমার হাত । যাও , তাহলে বউয়ের কাছে যাও ! বলেই শায়লা নিজের হাত দুটো ছাড়িয়ে নিতে গেলো । অস্থির হয়ে মাহবুব এবার আচমকা জড়িয়ে ধরলো শায়লাকে । প্লিজ শায়লা ! এভাবে বলো না । ভালো নেই আমি । বিশ্বাস করো , সংসার জীবনে আমি ভিষণ অসুখী । আমি তোমার কাছে একটু সুখ ভিক্ষা চাই । আমাকে ফিরিয়ে দিও না প্লিজ !

বর – কনে সহ সবাই যখন কমিউনিটি সেন্টারে চলে গেছে , তখন শায়লা আর মাহবুব , বড় ভাইয়ের বাসার ড্রইংরুমের এক কোনায় দাড়িয়ে এমন একান্ত আলাপে মগ্ন । ওরা ভাবছে কেউ দেখছে না । অথচ এক জোড়া চোখ আর কান , অনেকক্ষন ধরেই ওদেরকে ফলো করছে । নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছে না সে , মনে মনে ভাবছে – সংসার জীবনে মাহবুব অসুখী ? ও ভালো নেই ! এটা কিভাবে সম্ভব ? ওদেরকে দেখে তো কখনও মনে হয়নি যে ওরা অসুখী ? মাইশা আর আলিফের মতো ওদের ফুটফুটে দুটো সন্তান আছে । নাজমার মতো একজন শান্ত , ভদ্র , মার্জিত স্ত্রী থাকা সত্তেও একটা মানুষ অসুখী থাকে কেমন করে ? নাকি , মেয়ে মানুষ পটানোর এ এক নতুন কৌশল মাহবুবের । নাহ্ ! বিষয়টা তো তলিয়ে দেখতে হচ্ছে !

এই চলো ! দেরি হয়ে যাচ্ছে তো । সবাই আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে । তাড়া দিলো শায়লা । আর একটু থাকো না প্লিজ ! আরো একটু আবেগি হলো মাহবুব । ইস্! বুড়ো বয়সে ভিমরতি ! ছাড়ো শিগগির ! কেউ দেখে ফেললে কিন্তু বিপদ হবে । ওহ – হো ! যাওয়ার আগে আমাকে একটু বুথে যেতে হবে বুজছো ?

শায়লাকে ছেড়ে দিয়ে রানা নিজের চুল আর টাই ঠিক করতে করতে বললো – এটিএম বুথ ? কেনো ?

আরে সিয়ামকে বিয়ের গিফট দিতে হবে তো । ভাবছি ! ওদেরকে হানিমুনের টাকাটা আমি দিবো । পঞ্চাশ হাজার দিলেই তো হবে তাই না ? বলেই শায়লা নিজের হাত ব্যাগের ভিতর কি যেনো খুঁজতে লাগলো । ধ্যুর ছাই ! কোথায় যে রাখি একেকটা জিনিস ! ইদানিং কিছুই মনে থাকে না বুজছো ? কিছু না দিলে তো মান সন্মান থাকবে না আমার ।

কি পাচ্ছো না ? কোতুহলি হয়ে জিজ্ঞেস করলো রানা । আরে এটিএম কার্ড টা । মুখে দুশচিনতার ছাপ এনে বললো শায়লা । আরে এটা নিয়ে এতো ভেবো না । পরে পাওয়া যাবে । আমার কাছে কার্ড আছে । কতো লাগবে ? বলেই রানা শায়লার কাঁধে হাত দিয়ে বললো – চলো !

মনে মনে একটা পৈচাশিক আনন্দ নিলো শায়লা ।

___________

গাড়ির মধ্যে আনমনা হয়ে বসে আছে মাইশা । অনেককিছু মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে ওর । মনটাও ভালো নেই । মুখটা ভয়ানক গম্ভির করে আছে মাইশা । ভিতরে ভিতরে বেশ অস্থিরতা কাজ করছে ওর । কালকে ওর নাচের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকে অনেক , অনেক মেসেজ এসেছে ইনবক্সে । এখনও আসছে । কি সব বাজে বাজে কথা লিখছে ওকে মেসেজে ।কমেনটেও লিখে চলেছে সব খারাপ খারাপ কথা –

কেউ লিখেছে এক রাতের জন্য রেট কত ? কেউ লিখেছে – এসব নাচনেওয়ালিদের তো কেউ বিয়ে করবে না । কেউ লিখেছে – তোমার ব্যাক সাইড টা কিন্তু সেই … সুন্দর ! আহা ! খেলা হপপে বেবি…! কি সব বাজে বাজে ইমোজি সেন্ড করেছে । কেউ তো এমন কথাও লিখেছে – আরে খনিক ! তোরে বিয়া কইরা আমি চান্দা তুইল্যা ডিভোর্স দিমু ! আর যে ছেলের সাথে মাইশা নাচ করেছে , সে তো সেকেন্ডে সেকেন্ডে , মিনিটে মিনিটে , মেসেজ করেই চলেছে । বিরক্ত ধরিয়ে দিচ্ছে লোকটা !

ওফ্ আল্লাহ ! দুই কানে হাত দিলো মাইশা । বিড়বিড় করে বললো – আমি আর নিতে পারছি না । মানুষ এতো খারাপ হয় কি করে ? আমাকে না চিনে , না বুঝে – শুধুমাত্র একটা নাচ দেখেই ওরা আমার চরিত্র বিশ্লেষণে লেগে গেলো মানুষগুলো ? একবারও ওরা ভাবছে না , এতে একটা মেয়ের ভিতরে কতটা এফেক্ট করতে পারে ! হায়রে মানুষ !

কালাম ভাই – সামনের গলিতে একটু দাঁড়াবেন । একজনকে নিতে হবে । ড্রাইভারকে বললো মাইশার ছোট চাচি সুমি । ভাবনায় ছেদ পড়লো মাইশার । একটু অবাক হলো মাইশা – গাড়িতে তো যায়গা নেই । ড্রাইভারের পাশের সিটে বসেছে ছোট চাচচু ! পিছনে আমি , চাচি আর চাচাতো ভাই পিকলু । পিকলুর বয়স এগারো হলেও স্বাস্থ্য বেশ ভালো । আমরা তিনজনই তো পেছন সিটে চাপাচাপি করে বসেছি ।

সামনের গলিতে গাড়ি থামলো । রাস্তায় দাড়িয়ে আছে কালকের সেই ছেলেটা, যার সাথে মাইশা হলুদের অনুষ্ঠানে নাচ করেছিলো । আশ্চর্য ! ওকে কেনো এই গাড়িতেই নিতে হবে ? ভ্রূ কুঁচকালো মাইশা । তাহলে কি আম্মু ঠিকই বলেছে ? ছোট চাচির নিশ্চয় কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে আছে আমাকে নিয়ে । আম্মু বিয়ের অনুষ্ঠানে আসার আগে এটাও বলেছে – নিজের আত্মসম্মানে বাধে , এমন কোনো কাজ কখনও করবা না । এতে কিন্তু নিজেকে হ্যাংলা প্রমানিত করা হয় । তুমি এখন যথেষ্ট বড় হয়েছো । আশা করি আম্মুর কথার মানে , একদিন না একদিন তুমি ঠিকই বুঝতে পারবা । চোট চাচির দিকে তাকিয়ে একটু বিরক্তি নিয়ে মাইশা জিজ্ঞেস করলো – উনি কি তোমাদের আত্মীয় হয় নাকি ?

এক গাল ফেইক হাসি দিয়ে সুমি বললো – আরে হ্যা হ্যা ! রাফসান আমার খালাতো বোনের ছেলে । জানিস ! ও কানাডাতে পড়াশুনা করে । ওর কিন্তু গ্রাজুয়েশন শেষ । তাইতো দেশে এসেছে । ক’ দিন পর আবার কানাডা চলে যাবে ।

সুমি ভেবেছিলো রাফসানের পরিচয় পেয়ে মাইশা হেববি খুশি হয়ে যাবে । কিন্তু মাইশা ওর চাচিকে একদম পাত্তা দিলো না । বরং চাচির কথা শুনে একটা তাচ্ছিল্যের হাসি দিলো । বললো – তো ! রাফসানের বিজ্ঞাপনি প্রচার আমার সামনে করার মানে কি চাচি ?

সুমি একটু থতমত খেয়ে গেলো । নিজেকে সামলে নিয়ে বললো – একটু সরে বস না ! রাফসানকে একটু বসার যায়গা দে ।

চাচির কথায় গুরুত্ব না দিয়ে গাড়ি থেকে নেমে গেলো মাইশা । তারপর রাফসানকে বললো – আপনি উঠে বসেন । আরে তুই নামলি কেনো ? ব্যস্ত হয়ে বলে উঠলো মাইশার ছোট চাচা । তুই একটু সরে বসলেই তো হয় । গাড়ি থেকে নামার কি হলো ? খুব রাগ হলো মাইশার ওর ছোট চাচার উপর । নিজে পিছন সিটে এসে লোকটাকে ড্রাইভারের পাশের সিটটা দিলেই তো হতো । সেটা না করে উনি আমার পাশে এই বলদটাকে বসাতে চাইছে । তার মানে ছোট চাচচুও চাচির ফাঁদে পা দিয়েছে । বুঝিনা – পুরুষ মানুষগুলো বউয়ের কথা শুনে কেনো এমন ছাগল মার্কা আচরন করে ?

তোমরা চলে যাও চাচি ! আমি আমার মতো ঠিক পৌছে যাবো । বলেই মাইশা সামনের দিকে হাঁটতে শুরু করলো । মাইশার ছোট চাচা গাড়ি স্লো করে বললো – আরে তুই একা যেতে পারবি তো ? অযথা জিদ করিস না । হাত নেড়ে মাইশা বললো – আমি ইউনিভার্সিটিতে নিয়মিত একা যাতায়াত করি চাচচু ! সো আমাকে নিয়ে ভেবো না । আমি সময় মতো পৌছে যাবো দেখো ।

__________

আলিফ বিছানায় আধশোয়া অবস্থায় থাকলেও তার চোখ মুখের অবস্থা মোটেও স্বাভাবিক ছিলো না । আমাকে ঘরে ঢুকতে দেখেই সে তড়িঘড়ি করে তার হাতের মোবাইলটা বালিশের নিচে লুকানোর চেষ্টা করলো । আলিফের এই চোরের মতো ভঙ্গি দেখে আমার বুকের ভিতরটা ছ্যাৎ করে উঠলো । আমার ছেলেটা বরাবরই চাপা স্বভাবের । সহজে কিছু বলতে চায় না । আমি ওর বিছানার পাশে গিয়ে বসলাম । এক পা খোড়া বলে বসতে গিয়ে একটু টাল খেলাম , ও সাথে সাথে আমাকে ধরে ফেললো – আম্মু ! সাবধানে বসো । ব্যথা পাবা তো ।

আমি ওর মাথায় হাত রাখলাম । কি রে আব্বা ! রেডি হয়েও গেলি না কেনো ? তোর বোন আর তোর বাবা তো সেই কখন চলে গেছে ।আলিফ প্রথমে কোনো কথা বললো না । শুধু ওর লাল হয়ে যাওয়া চোখ দুটো দিয়ে আমার দিকে তাকালো । তারপর হঠাৎ করেই আমার বুকে কাল ভোরের মতো করে মুখ লুকালো ।

বুকের ভিতরটা হা হা করে উঠলো আমার । ছেলের পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে বললাম – কি হয়েছে আমার কলিজার টুকরাটার ? কি হয়েছে আব্বা ? বল আম্মুকে ! আমার কিন্তু খুব টেনশন হচ্ছে ।

আলিফ রক্ত লাল চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো – তোমাকে আমার অনেককিছু বলার আছে আম্মু ! কিন্তু তুমি তো অসুস্থ ! এসব কথা এখন সহ্য করতে পারবা না । আরো অসুস্থ হয়ে পড়বা তুমি …!

চলবে ……!

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ