Friday, June 5, 2026







Love At 1st Sight Season 3 Part – 53

Love At 1st Sight
~~~Season 3~~~

Part – 53

writer-Jubaida Sobti

শায়লা ক্যামেরার সামনে এসেই দাত দেখানো একটা হাসি দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়লো, নেহাল হঠাৎ ভয় পেয়ে চমকে উঠে ক্যামেরা হাত থেকে ফেলে দিতেই যাচ্ছিলো আবার তাড়াহুড়ো করে ধরে ফেলে মুচকি হেসে তাকিয়ে রইলো,

জারিফা : [ দৌড়ে এসে হাপিয়ে উঠে ] এই রাশুর বাচ্চাটা আজ একদিনেই আমায় শুকিয়ে ছাড়বে [ বলেই নেহালের দিক চোখ পড়তে ] হ্যালো মিষ্টার অষ্ট্রেলিয়া, আপনার ভাবী তো ঢুকেই যাচ্ছে, আপনার এন্ট্রি ভিডিও করা শেষ? [ কথাটি শুনতেই নেহালের হঠাৎ মনে পড়লো আরে সে তো রাহুলকে কথা দিয়েছে, ভাবীর এন্ট্রি ভিডিও সেন্ড করে রাখবে হোয়াটস্ অ্যাপ এ]

নেহাল : নো নোহ..!

জারিফা : সো্ লেটস্ গো! [ বলেই হাটা ধরলো ]

চারদিক সাজানো হচ্ছে, স্নেহা এবং তার ফ্রেন্ডসরা কনফিউজড হয়ে পড়েছে কোনদিক যাবে,

নেহাল : [ দৌড়ে এসে ] ওয়েট ওয়েট লেডিস! কনফিউজড হোওয়ার কিছু নেই! কাম উইথ মি, কাম উইথ মি, [ বলেই ক্যামেরা ধরে ভিডিও করতে করতে শিরি দিয়ে উঠতে লাগলো, স্নেহা এবং তার ফ্রেন্ডসরা ও হেসে হেসে উঠে পড়লো নেহালের সাথে, নেহাল গিয়ে বড় একটি রুমের দরজা খুলে এগিয়ে আসতে ইশারা করলো, রুমে ঢুকতেই যাবে হঠাৎ তখনি থমকে দাঁড়িয়ে যায় স্নেহা, সাথে তার ফ্রেন্ডসরা ও, রুম থেকে এক ঝাক মেয়ের দল ]

– ইয়েএএএ ব্রাইড ইজ কামিং [ বলেই চেচিয়ে ছুটে এলো তাদের দিক, হরেক রকমের চুলের কালার দেখেই স্নেহা বুঝে গেলো নিশ্চয় এরাই হবে রাহুলের বিদেশী কাজিন গুলো, এদের মাঝে মধ্যবয়সী দু-জন মহিলা ও রয়েছে হয়তো রাহুলের খালা-ফুফুরা কেউ হবে ]

রাহুলের মা : [ এগিয়ে এসে ] রিলেক্স গার্লস রিলেক্স!

– স্নেহা! এসো আমার সাথে [ স্নেহার ফ্রেন্ডসদের উদ্দেশ্যে করে ] আরে তোমরা আবার দাঁড়িয়ে আছো কেনো এসো এসো ভেতরে এসো [ বলেই সবার মাঝ থেকে স্নেহাকে কাধে ধরে ভেতরে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ] দেখো স্নেহা তোমাকে দেখার অপেক্ষায় এরা কখন থেকে এক্সাইটেড হয়ে বসে আছে, [ স্নেহা মাথা ঘুরিয়ে সবার দিক একবার তাকাতেই, একত্রে সবাই হ্যালোওও বলে চেচিয়ে উঠলো, স্নেহা ও মুচকি হেসে মাথা নাড়ালো ]

রাহুলের মা : নেহালের সাথে তো তোমার নিচে পরিচয় হয়েছে নিশ্চয়!

নেহাল : [ চেচিয়ে ক্যামেরা ধরে রেখে ] ইয়া..ইয়াহ! মামী আমার সাথেই এট ফাষ্ট ইন্ট্রোডাক হয়েছে, ভাবীর সাথেও এবং ভাবীর শালীদের সাথে ও!

রাহুলের মা : [ হেসে ] ভাবীর শালী না পাগল, রাহুলের শালী!

নেহাল : [ জিহবায় কামড় খেয়ে ] উহ! সরি,রাহুলের শালী! [ বাকিরা হেসে উঠলো ]

রাহুলের মা : এসো স্নেহা! তোমায় পরিচয় করিয়েদি বাকিদের সাথে, ইনি হচ্ছেন রাহুলের বড় ফুফি,নেহালের মা, রাহুল নাফিসা ফুফি বলেই ডাকে সো্ তুমি ও তাই বলে ডাকতে পারবে!

স্নেহা : [ মাথা নাড়িয়ে ] জ্বি! [ বলেই সালাম করলো স্নেহা,মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো রাহুলের ফুফি ]

রাহুলের মা : আর ইনি হচ্ছেন লিনিসা,রাহুলের ছোট ফুফি, [ স্নেহা পা ধরে সালাম করার আগেই রাহুলের ছোট ফুফি জড়িয়ে ধরলো স্নেহাকে, স্নেহা ও হেসে জড়িয়ে ধরলো ]

লিনিসা ফুফি : সো্ সুইট ডিয়ার! আল্লাহ ব্লেস্ ইউ!

স্নেহা : [ ধীরো ভাবেই বলে উঠলো ] থেংক ইউ!

রাহুলের মা : আর এগুলো হচ্ছে সব রাহুলের কাজিন, ওর নাম সাইফা, জাফসিন, রোহানী, লুমিসা, ইয়ানা, আলিসা, সুজানা, নেন্সি [ এক এক করেই রাহুলের মা রাহুলের কাজিনদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো স্নেহাকে, কেউ হ্যালো কিউটি, কেউ হাই ভাবী, কেউ হ্যালো ডিয়ার, বলে বলেই হাত নাড়িয়ে ইন্ট্রোডাক হতে লাগলো, স্নেহার ও ভালোই লাগছিলো সবার সাথে পরিচয় হতে, কারণ তাদের মাঝে কোনো এটিটিউডই দেখতে পাচ্ছে না, তাদের বিহেইভিয়ারে স্নেহার মনে হচ্ছিলো যেনো কতো আগে থেকেই তাদের সাথে পরিচয় ]

রাহুলের মা : আর গার্লস্ এরা হচ্ছে স্নেহার ফ্রেন্ডস! জারিফা,মার্জান,শায়লা! [ স্নেহা ও মুচকি হেসে তার ফ্রেন্ডসদের দিক ফিরে তাকালো, সাথে সাথেই শকড হয়ে চোখ উঠলো কপালে, জারিফা আর শায়লা, রাহুলের ছোট ফুফির সাথে হেসে হেসে কি কি যেনো গল্প করে ফেলছে, যেনো তিনি তাদের বাল্যকালের সাথী, দৃশ্যটি দেখেই হেসে উঠলো স্নেহা, তার ফ্রেন্ডস বলে কথা, এরা আবার চুপ থাকবে? তা হতেই পারেনা, যেখানেই যাবে হৈ হুল্লোড় করতেই থাকবে, পাশ ফিরতেই চোখ পড়লো নেহালের দিক, সবার মুখের সামনে গিয়ে গিয়ে ক্যামেরা ধরে ভিডিও তুলছে ]

রাহুলের মা : [ নেহালের মাথায় বাড়ি দিয়ে ] হয়েছে! ভিডিও অনেক করেছিস বাকি গুলো ইভিনিং এ করেনিস এবার চল আমাদের বেরুতে হবে,

নেহাল : ইয়া..ইয়াহ! শিয়র শিয়র! কাম [ ক্যামেরা বটে ] বাই গাইস্! সি্ ইউ সুন ভাবী! [ বলেই বেড়িয়ে যায় ]

রাহুলের মা : [ বাকি সবাইকে উদ্দেশ্য করে ] আর গার্লস তোমরা কিছুক্ষণ রেষ্ট নিয়েই তৈরী হওয়া স্টার্ট করে দাও! ইভিনিং হতেও আর বেশীক্ষণ নেই কিন্তু! [ স্নেহার দিক এগিয়ে এসে ] স্নেহা! কিছু প্রয়োজন হলে ওদের বলবা,একদম লজ্জা পাবা না, দরকার পড়লে আমায় ফোন করে বলবা,

– আর আমি সারভেন্ট দিয়ে এইখানে সব কিছুই ঠিকঠাক করে রেখেছি, সবার নাম ও লিখা আছে প্যাকেটে! সো্ তৈরী হয়ে নিও কেমন?

জারিফা : [ এগিয়ে এসে ] ডোন্ট ওয়ারি আন্টি! ব্রাইডের চিন্তা করতে হবে না,আপনি বিনা টেনশনে যান! এইদিকের সব আমরা হ্যান্ডেল করে নিবো! আপনি তো জাষ্ট গ্রুমকে তৈরী করে নিয়ে আসুন!

রাহুলের মা : [ হেসে ] পাগলী! [ বলেই জারিফার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে, রাহুলের ফুফিদের নিয়ে বেড়িয়ে যায়,

তারপরই শুরু হলো সবার একত্রে বসে আড্ডা দেওয়া, পার্সোনাল ইন্ট্রোডাক হোওয়া, স্নেহাকে যেনো রাহুলের কাজিনরা সাজিয়ে রাখা পুতুলই পেয়েছে,কতোক্ষণ এই এসে জড়িয়ে রাখছে তো কতোক্ষণ ও এসে জড়িয়ে রাখছে, তবে ভালোই লাগছিলো এসব স্নেহার ]

___________ বিকেল ৫ বেজে ৩০মিনিট..

সূর্য ডুবতে চলছে,

রেসোর্টের চারদিকের সাজিয়ে রাখা লাইটিং গুলো মিটমিট করে জ্বলছে, সাদা পর্দার আড়ালের ঝারবাতি গুলো ও জ্বলে উঠা শুরু করছে, গেষ্টদের জন্য চেয়ার টেবিল, ফুলদানি,খাবারদাবার এর সব আয়োজন ও কমপ্লিট!

জানালার পাশে রাখা টেবিলের উপর বেজে চলছে স্নেহার ফোনটা, তবে তা এখন থেকে নয়,সে কবে থেকেই! স্ক্রিনে মিষ্টার তেডি স্মাইল নামটাই ভেসে উঠছে বারবার, মনটা স্নেহার ছটফট করছে ফোন রিসিভ করার জন্য,কিন্তু কি করার তার এই ফাজিল ফ্রেন্ড গুলোর কান্ডে ঐ দিকে রাহুলের ছটফট করতে হচ্ছে, আর এইদিকে স্নেহার!

জারিফা : [ মোবাইল হাতে নিয়ে কিটকিটিয়ে হেসে ] কেটে গেছে!

মার্জান : আরে জারিফা! আর কতোক্ষণ ওয়েট করাবি বেচারাকে! দিয়ে দে নাহয় একটু কথা বলেনিক!

জারিফা : আরে দেখছিস না! ব্রাইডকে সাজাচ্ছে! ওর সাজের ডিষ্টার্ব হবে তো [ বলতেই আবারো বেজে উঠলো ফোন ]

জারিফা : আর এমনিতেই আজ সারারাত ধরেই তো অনেক কথা হবে! [ চোখ টিপ মেরে ] এখন না হয় একটু ছটফট করুক!

রোহানী : [ রাহুলের কাজিন ] আমার তো মনে হচ্ছে আমাদের ব্রাইডের ও মনটা ছটফট করছে অনেক [ স্নেহার গলায় নেকলেস পড়িয়ে দিতে দিতে ] তাই না ভাবী!

জারিফা : উহহ! তাই নাকি স্নেহা? আচ্ছা ওকে ওয়েট একমিনিট! [ বলেই ফোনটা রিসিভ করে ] হ্যালো জিজু!

রাহুল : থেংক গড! ফোনটা রিসিভ হয়েছে! স্নেহা কোথায় বলোতো?

জারিফা : ডুবে গেছে!

রাহুল : হোয়াট?

জারিফা : না মানে কাপড় আর অর্নামেন্টস এর ওজনে ও কাপড়ের মাঝেই ডুবে গেছে! হিহি,তাই হয়তো হেটে এসে ফোনটাও রিসিভ করতে পারছিলো না…

– আ..আচ্ছা আপনি বলুন না কিক..কিছু বলবেন ওকে?

রাহুল : ফোনটা দাও ওর কানে! [ জারিফা ফোন দিতেই যাচ্ছিলো স্নেহার কানে তখনিই ]

শায়লা : [ ফিসফিসিয়ে ] লিসেন্ট! লাউড করে দে!

জাফসিন : ওয়াও! দ্যাটস আ গ্রেট আইডিয়া! [ বলতেই জারিফা মাথা নাড়িয়ে ফোন স্পিকার লাউডে রেখে স্নেহার মুখের সামনে এনে ধরলো ]

স্নেহা : হ্যালো!

রাহুল : [ চেচিয়ে ] হোয়াটস্ রোং উইথ ইউ স্নেহা! কখন থেকে করছি আমি ফোন?

জারিফা : [ ফিসফিসিয়ে ] অওও! স্নেহা আমার জিজু বেচারাটাকে এতোক্ষণ ওয়েট করাচ্ছিলি কেনো বলতো! [ বাকিরা হেসে উঠলো মুখে চেপে ]

রাহুল : আরে কি হলো আবার চুপ হয়ে আছো কেনো?

স্নেহা : শু..শুনছি আমি বলেন কিক..কি বলবেন?

রাহুল : আমি তোমার ড্রেস দেখিনি!

স্নেহা : হ্যা! তো?

রাহুল : হ্যা! তো মানে? আমি তোমার ড্রেস দেখিনি! আমি কিভাবে বুঝবো তোমার ড্রেসে কি কি কালার আছে?

– আ..আই মিন আম কনফিউজড! কি কালারের শেরোয়ানী পড়বো?এইখানে অনেক দেখাচ্ছে বাট,আমি ডিসাইড করতে পারছিনা!

– তাই তুমিই বলো না কি কালার পড়বো?

স্নেহা : আপনি আসিফ,রিদোয়ান ওদের কাউকেই বলুন.. ওরা আপনাকে..

রাহুল : বউ তুমি হচ্ছো ওরা না! [ বলতেই বাকিরা মুখ লুকিয়ে লুকিয়ে হেসে উঠলো, আর এইদিকে স্নেহার লজ্জায় জান বেড়িয়ে যাচ্ছে, আর না পেরে,চেয়ার থেকে উঠে, জারিফার হাত থেকে মোবাইলটা কেড়ে নিয়ে জানালার পাশে চলে যায় ]

স্নেহা : আগেই দেখা উচিৎ ছিলো তো তাই না?

রাহুল : আরে এভাবে বলছো কেনো? আমি রেসোর্টে যায়নি তাই আর দেখা হয়নি! কোথায় আদর করে বলবা সুইটহার্ট তুমি এই কালার শেরোয়ানীটা না, ঐ কালার শেরোয়ানীটা পড়বা, তা না বলে উল্টা চেচাচ্ছো..

স্নেহা : এক্সকিউজ মি! আমি কবে চেচালাম?

রাহুল : আচ্ছা যেটাই করেছো বাদ দাও, এবার বলো আমি কি কালার পড়বো?

স্নেহা : যেটা আপনার মন চাই সেটাই পড়ুন!

রাহুল : এখন আমি পাশে থাকলে না দেখতা তোমায় কি করতাম!

স্নেহা : [ হেসে ] আরে এই লেহেংগায় তো অনেক কালার কম্বিনেশন করা আমি কোন কালারের কথা বলবো, আপনি তো আমাকেই কনফিউজড করে দিচ্ছেন!

রাহুল : এক এক করে সব কালার বলে যাও!

স্নেহা : আচ্ছা?

রাহুল : লিসেন্ট স্নেহা! কথা আর পেচাবা না কিন্তু, ক্যারেক্টালি অ্যান্সার দাও!

স্নেহা : [ হেসে ] লোওয়ার পার্ট হোয়াইট কালার, আচলের ওড়না ব্লু কালার, আর ঘোমটার ওড়না রেড কালার,

রাহুল : হেইই! টপসে্র কালার বলতে ভুলে গেছো কিন্তু!

স্নেহা : [ জোড়ে একটি নিশ্বাস ছেড়ে ] ব্লু কালার!

রাহুল : বাহহ! স্নেহা আমি ইমেজিন করছি তোমায় কেমন লাগবে উফফ!

স্নেহা : আচ্ছা শুনেন!

রাহুল : ইয়েস্!

স্নেহা : আমি বলি আপনাকে কি কালার পড়বেন?

রাহুল : তোমরা মেয়েরা না আসলেই কথা পেচানো ছাড়া ডিরেক্টলি কথা বলতে পারো না,আমি তো ফাষ্ট থেকেই বললাম যে তুমিই বলো কি কালার পড়বো?

স্নেহা : তার মানে আপনি বোঝাতে চাচ্ছেন যে আমি পেচি? বুঝেছি আসলে ছেলেরা এমনিই হয়, নতুন নতুন প্রেম করার সময় ভেজা বেড়ালের মতো কথা আর যখন পেয়ে যায় তখন…

রাহুল : আরে আরে! আমি তেমনটা বোঝায়নি! রাগ করছো কেনো! ওকে আম সরি! প্লিজ এইবার সুইট করে বলে দাও..

স্নেহা : এইবার সুইট করে বলবো! মানে আগে সুইট ছিলাম না?

রাহুল : আরে না নাহ! তা হবে কেনো? তুমি তো আগেও সুইট,স্পাইসি,বিটার সবই ছিলে ইনফ্যাক্ট এখনো আছো!

স্নেহা : হোহ! আমি বিটার ও?

রাহুল : ওহ নো স্নেহা! রহোম করো একটু! মুখ পিছলে বেড়িয়ে গেছে হয়তো!

স্নেহা : [ হাসি চেপে ] রাখছি আমি বাই! এখন তো আপনার আমাকে এমনিতেও তিক্ত লাগবে!

রাহুল : লিসেন্ট স্নেহা! সরি তো বাবা..ভুল হয়েছে আর হবে না,

স্নেহা : বাই!

রাহুল : আই লাভ ইউ!

স্নেহা : [ মুচকি হেসে ] হোয়াইট কালার পড়বেন!

রাহুল : ওকে! থেংক ইউ!

স্নেহা : আর শুনেন! পাগড়ীটা ব্লু কালারের পড়বেন ওকে?

রাহুল : ওকে বেবী!

স্নেহা : আচ্ছা শুনেন!

রাহুল : হ্যা বলো?

স্নেহা : [ হেসে ] আমি অপেক্ষা করছি!

রাহুল : ওহো ডার্লিং আর বেশি অপেক্ষা করতে হবে না, আই এম কামিং!

স্নেহা : বাইই!

রাহুল : আচ্ছা রিপ্লাইটা করোনি তো! [ স্নেহা হেসে কেটে দিলো ফোন ]

_______ সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো! সবারই তৈরী হোওয়া শেষ,স্নেহার বাবা-মা এবং আরো অনেক গেষ্ট ও এসে পড়েছে নিচে!

স্নেহা বসে আছে রুমের সোফার মধ্যে আর ঘুরঘুর করে তাকাচ্ছে তার ফ্রেন্ডস এবং রাহুলের কাজিনদের কান্ড, কারো চুলের বাহার, কারো রঙ-বেরঙের কাপড়ের বাহার, কারো পার্ফিউমের স্মেল তো কারো চুড়ির ঝংকার, সব মিলিয়েই স্নেহার মনে হচ্ছিলো যেনো তারা সবাই মিলেই কোনো সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করতে যাচ্ছে,মনে মনেই হেসে উঠলো স্নেহা, না আসলে কোনো সুন্দরী প্রতিযোগিতায় নয়, সবই তো তার বিয়ের উপলক্ষে করা হচ্ছে,

রোহানী : লিসেন্ট! আমরা নিচে যাচ্ছি! [ হেসে ] এখন কিন্তু আমরা আবার গ্রুম সাইড হয়ে গেলাম! সো্ নিচে এসে আমাদের ভালো করে সার্ব করবা! ওকে?

জারিফা : হি-হি বহোদ খুব! উমহুম! অনেক ভালো জোকস্ ছিলো! এই জোকসে্র কারণে আপনাদের আরো এক্সট্রা খাতিরযত্ন নেওয়া হবে! [ জারিফার কথা শুনে রাহুলের কাজিনরা হাসতে হাসতেই এক এক করে বেড়িয়ে নিচে নেমে গেলো প্রোগ্রামে ]

আর এইদিকে স্নেহা রাহুল আসার অপেক্ষায় রুমেই বসে আছে তার ফ্রেন্ডসদের নিয়ে, শায়লা দাঁড়িয়ে আছে জানালার ধারে,জারিফা পার্ফিউম লাগাচ্ছে! মার্জান লিপিষ্টিক গ্লস করছে, মানে আয়নার সামনে থাকলে এদের সাজ কখনোই শেষ হবে না!

হঠাৎ,

শায়লা : [ জানালার ধার থেকে চোখ বন্ধ করে নাকে স্মেল নিতে নিতে স্নেহার পাশে এসে বসে ] বাহ! বাহ! খাবারের ঘ্রাণটা খিদে পাইয়ে দিচ্ছে!

মার্জান : তুই রুমে বসে খাবারের স্মেল নিলি কিভাবে?

শায়লা : উইন্ডোতে দাঁড়িয়ে দেখ কুয়াশার সাথে সাথে ভেসে আসছে! উমমম! কি টেষ্টি হবে!

জারিফা : [ শায়লার পাশে এসে বসে ] আরে! খাবারের স্মেল না, একবার আমার পার্ফিউমের স্মেল নিয়ে দেখ! কেমন স্মেলটা!

শায়লা : [ জারিফার শোল্ডারে নাক লাগিয়ে ] উমমম! বেলি ফুল! দেখ রিদোয়ান এই স্মেল পেলে কোনো ব্রেকিং নিউজ হয়ে যাবে না তো? আই মিন রাহুল স্নেহার জায়গায় কোনো তোদের না বাসর রাত হয়ে যায়!

জারিফা : হোয়াট ননসেন্স! [ বাকিরা হেসে উঠলো খিলখিল করে ]

খানিক্ষণ পরেই হঠাৎ, হৈ-হুল্লোড় ভাবে আওয়াজ ভেসে এলো! সাথে, ডাক-ঢোল, শানাইয়ের আওয়াজ! কারোই বুঝার বাকি রইলো না কে এসেছে!

শায়লা : [ এক্সাইটেড হয়ে চেচিয়ে ] গাইস্ আমার মনে হয় রাহুল এসে গেছে! [ বলতেই শানাইয়ের আওয়াজ আরো নিকটে ভেসে এলো ]

জারিফা : আরে তো ওয়েট করছিস কেনো চল চল চল চলনা! তখন দেখা মিস্ হয়ে যাবে! [ বলেই এক দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে বেড়িয়ে গেলো,জারিফার পেছন পেছন শায়লা ও দৌড় দিলো ]

মার্জান : [ অবাক হয়ে ] আশ্চর্য ব্যাপার! এরা গ্রুম সাইড নাকি ব্রাইড সাইড?

[ স্নেহা ও আর কিছু বললো না মুচকি হেসে সোফা থেকে উঠে, দু-হাতে লেহেংগার দু-পাশ ধরে জানালার দিক এগিয়ে গেলো, মার্জান এর ও কি আর করার দৌড়ে এসে সে ও স্নেহার পাশে দাঁড়িয়ে পড়লো, পর্দা সরাতেই দেখতে পেলো রাহুল আর তার ফ্রেন্ডসদের কান্ডনামা, কান ফেটে যাওয়ার অবস্থা মিউজিকের আওয়াজে আর ঐদিকে বরের ঘোড়ার গাড়ী ভাংগার অবস্থা সবার উরাধুরা ডান্সে ]

_____গান চলছে~~

♪♪ হিরিয়ে সে্হরা বান্দকার মে তো আয়ারে ♪♪
♪♪ ডোলি বারাত ভি সাথ মে তোহ লায়ারে ♪♪

♪♪ আব তো না হতা হে এক রোজ্ ইন্তেজা্র ♪♪
♪♪ সনি আজ নেহি কাল হে তুজ কো তো ♪♪ ♪♪ বাস মেরি হনিরে ♪♪

♪♪ তেনু লে~কে মে জাভাংগা ♪♪
♪♪ দিল দে~কে মে জাভাংগা ♪♪

স্নেহা খেয়াল করছে রাহুলের জামার দিক যেমনটা বলেছে হোয়াইট শেরোয়ানী ব্লু পাগড়ী তেমনটাই পড়ে এসেছে মিষ্টার তেডি স্মাইল!

হঠাৎ একত্রে চমকে উঠলো স্নেহা এবং মার্জান, জারিফা আর শায়লা ও গিয়ে জয়েন হয়ে গেলো রাহুলের কাজিন আর ফ্রেন্ডসদের সাথে,ওহো শুধু রাহুলের কাজিন আর ফ্রেন্ডস কোথায়, ডান্সে রাহুলের সাথে সাথে রাহুলের বাবার ফ্রেন্ড, এবং আংকেলরা ও বাদ নেই, বাচ্চাদের মতোই নেচে যাচ্ছে, সবাই মেইন ডোরের সামনাসামনি আসতেই

মার্জান : [ স্নেহার হাত ধরে ] চল স্নেহা!

স্নেহা : মার্জান! আমার না অনেক লজ্জা লাগছে!

মার্জান : [ হেসে ] ওরে বাবা কিসের লজ্জা? অর্ধেকের বেশিই তো পরিচিত মানুষ! চল চল,

– [ চোখ টিপ মেরে ] তোর রাহুল দাঁড়িয়ে আছে তো… [ বলেই স্নেহার হাত ধরে নিয়ে শিরি দিয়ে নামাতে লাগলো, স্নেহাকে দেখতেই সবার একত্রে চিৎকার,রাহুল মুগ্ধকর অবস্থায় মুচকি হেসে তাকিয়ে আছে স্নেহার দিক,চোখ বলছে সর্গের পরি নেমে আসছে, আর হার্ট বলছে তার বিট ফিরে পাচ্ছে ]

নেহাল : [ স্পিকার নিয়ে ] লেডিস এন্ড জেন্টেলম্যান মে আই প্লিজ
হেভ ইউর এটেনশন এজ ওয়েলকাম দ্যা ব্রাইড এন্ড গ্রুম!

[ স্নেহা শিরি থেকে নামতেই রাহুল এগিয়ে আসছে স্নেহার কাছে, তখনিই বড় একটি রঙিন ফিতার বাধা পড়লো রাহুলের পথে,

পাশ মুড়তেই দেখলো শায়লা আর জারিফারই কান্ড,মুচকি হাসলো রাহুল ]

রিদোয়ান : হেই হোয়াট আর ইউ ডোয়িং হ্যাঁ?

জারিফা : কেনো চোখে দেখছেন না? কি করছি?

শায়লা : জিজু! আমাদের জিনিষ আমাদের দিয়ে দেন! তারপর আপনি আপনার স্নেহার কাছে চলে যান! এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই!

আসিফ : জিনিষ কি শুধু তোমাদের দু-জনকে দিলেই হবে? নাকি, বাকি আর কাউকে ও দিতে হবে? [ বলতেই মার্জানের চোখ পড়লো আসিফের দিক, সাথে সাথেই চোখ দু-টো বড় হয়ে গেলো, ওয়াসরুমে আসিফের হুট করে কিস দিয়ে দেওয়া সিনটাও ভেসে উঠলো চোখের সামনে, কি আজিব! বুকটাও দ্রুত কাপছে আসিফের কন্ঠে শুনে, মনে মনে ভাবতে লাগলো ]

– একি আমার ওকে দেখে লজ্জা লাগছে কেনো? [ বলেই ধীরে ধীরে স্নেহার পিছে গিয়ে লুকিয়ে পড়লো, মার্জানের কান্ড দেখে হেসে উঠলো আসিফ ]

রিদোয়ান : এই লিসেন্ট! কি এসব পুরানা জবানাই পড়ে আছো বলোতো? চলো চলো ভেতরে চলো [ বলেই ফিতাটা বটে নিতেই ছিলো তখনি ]

জারিফা : [ চেচিয়ে ] আইই! খবরদার! হাত লাগাবেন না বলে দিলাম!

নেহাল : [ চেচিয়ে ] আরে ভাবী আপনার শালীদের বলুন না আমাদের ভেতরে আসতে দিতে! [ কিটকিটিয়ে হেসে উঠলো সবাই ]

শায়লা : এক্সকিউজ মি! আমরা ভাবীর শালী না রাহুলের শালী!

নেহাল : উফফ! সরিইইই! রাহুলের শালী, মিস্টেক মিস্টেক!

রোহানী : আরে আমার তো এটার কথা মোটেও মনে ছিলো না, এমন জানলে তো আমি ব্রাইড সাইডেই থেকে যেতাম!

রাহুল : [ রিদোয়ানের কানে ফিসফিসিয়ে ] দোস্ত! কতো অপেক্ষার পর দিনটা আসলো, আর অপেক্ষা করাস না আমায়!

– দিয়ে দে না!

রিদোয়ান : আরে দোস্ত বিয়ের এতো তাড়া কিসের? সবুর করনা আরেকটু!

রাহুল : [ রিদোয়ানের কানে ] আচ্ছা যা,তোকে ডাবল এমাউন্ট দিবো!

রিদোয়ান : রিয়েলি দোস্ত? বাট আমার এমাউন্ট না! প্যাক চাই! চলবে তো!

রাহুল : [ দীর্ঘ একটি নিশ্বাস ফেলে ] ওখে!

রিদোয়ান : এই না হলো আমার দোস্ত! [ বলেই পকেট থেকে বের করে জারিফার হাতেই দিয়ে দিলো তাদের জিনিস ]

জারিফা : [ আর চোখে প্যাকেট চেক করে মনে মনে ] ওয়াও একদম নতুন নতুন নোট! মনে তো হচ্ছে সোজা ব্যাংক থেকে এইখানেই এসেছে!

রিদোয়ান : আরে কি হলো দিলাম তো এইবার তো অন্তত ঢুকতে দাও! [ জারিফা মাথা নাড়িয়ে রাহুলের হাতেই কাচিটা এগিয়ে দিলো, রাহুল ফিতা কেটে স্নেহার সামনে গিয়ে হাত বাড়ালো, স্নেহা ও রাহুলের হাতের উপর হাত এগিয়ে দিলো, দুজনেই একসাথে এগিয়ে গেলো স্টেজের দিক ]

মার্জান ও ঐদিকটা এগিয়ে যাওয়ার জন্য পা বাড়াবে তখনিই কেউ এসে হাত চেপে ধরে রাখলো! পাশ ফিরে তাকাতেই চমকে উঠলো!

আসিফ : [ হেসে সোজা তাকিয়ে থেকে ] একটা কিস্ করতেই এতো লজ্জা পাচ্ছো? ভাবছি যদি…আরেকটু কিছু বাড়িয়ে করতাম তাহলে?

মার্জান : হাত ছাড়ুন! [ বলেই হাত ছুটানোর চেষ্টা করতে লাগলো ]

আসিফ : দেখো ছুটাছুটি করো না! তখন চুড়ি ভেংগে হাতে ঢুকবে!

মার্জান : আরে মানুষ দেখছে তো! কি মনে করবে! ছাড়ুন! [ বলতেই আসিফ মার্জানকে আরো কাছে টেনে নিজের পাশেই লাগিয়ে দাড় করাই, ওড়নার আচলে, ধরে রাখা হাতটাও ঢেকে যায় ]

আসিফ : রিলেক্স হয়ে দাঁড়িয়ে থাকো, নড়াচড়া না করলে কেউই কিছু মনে করবে না!

– আর এমনিতেও এভাবে দেখলে কি মনে করার কি আছে, হয়তো ভেবে নিবে আমরা গার্ল্ফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড অর হাজবেন্ড ওয়াইফ!

মার্জান : দেখেন আমি কিন্তু চিৎকার করবো এইবার!

আসিফ : ওকে করো!

মার্জান : [ বিরক্তি হয়ে ] আপনি!..উফফ!

আসিফ : [ হেসে ] গতকাল না বলে চলে গেছো! একটা বাই ও বললে না!

মার্জান : আপনাকে কেনো বাই বলবো?

আসিফ : হুমম! সেটাও ঠিক!

মার্জান : আহহ! ব্যাথা লাগছে আমার! প্লিজ ছাড়ুন! [ বলতেই আসিফ হাত লুজ করে ধরলো, অমনিই ঝাড়ি দিয়ে হাত ছুটিয়ে দৌড় দিলো মার্জান, আসিফ ও ব্লাশিং হয়ে হেসে উঠলো ]

এইদিকে, শায়লা মার্জানকে খোজার জন্য চারদিক উকি দিয়ে দিয়ে হেটে যাচ্ছিলো হঠাৎ কারো পিঠের ধাক্ষা খেয়ে থেমে গেলো,

নেহাল : [ ক্যামেরা হাতে ছবি তুলতে তুলতে ] সরি সরিইইইই!

শায়লা : ইটস্ ওকে!

নেহাল : ইটস্ ওকে? ওহ! ওয়াওও থেংক ইউউ! [ বলেই শায়লার মুখের সামনে ক্যামেরা ধরে ] স্মাইলল! [ বলতেই হঠাৎ আবার সকালের শায়লার দাত দেখানো ভয়ংকর হাসিটির কথা মনে পড়লো নেহালের, সাথে সাথেই ক্যামেরা সরিয়ে ] নো..নোহ নট স্মাইল! নট স্মাইল! [ শায়লা ও নেহালের নট স্মাইল বলার কারণ বুঝতে পেরে ভোর কুচকে মুচকি একটা হাসি দিলো, যে হাসি দেখে নেহাল এইবার আর ভয় পেলো না মুগ্ধ হয়ে হা করে তাকিয়ে রইলো, শায়লা হাসতে হাসতেই চলে গেলো ]

নেহাল : প্লিজ ডোন্ট স্টপ ইউর স্মাইল!

হঠাৎ,

আসিফ : [ নেহালের কাধে হাত রেখে ] আরে নিজে কার সাথে কথা বলছিস?

নেহাল : [ চমকে উঠে ] নো..নোহ! নাথিং!

এইদিকে,

শায়লা : [ মার্জানকে নাড়িয়ে ] কোথায় ছিলি?[ বলতেই চমকে উঠলো মার্জান ]

শায়লা : আরে! কি হলো এইভাবে ভয় পেয়ে আছিস কেনো?

মার্জান : [ হেসে ] কক..কই নাতো! আমি তো তোদেরই খুজছিলাম!

শায়লা : ঐ দিকে চল! [ চোখ মেরে ] স্নেহা আর রাহুলের কবুল বলাও তো শুনতে হবে তাই না!

– তোকে খোজার চক্রে পড়ে সব নাকি মিস্ করে দিচ্ছি কে জানে! চল তাড়াতাড়ি!

মার্জান : ওকে! চল! [ বলেই পেছন ফিরতেই দুজন শকড হয়ে গেলো, কিছুক্ষণের জন্য চোখ কে বিশ্বাস করাতে পারছিলো না আদৌ কি তারা যাকে দেখছে সেই এইখানে এসেছে ]

শায়লা : মার্জান! আমি যাকে দেখছি তুই ও কি তাকে দেখছিস?

মার্জান : [ নাক ফুলিয়ে ] তুই ও দেখছিস, তার মানে এই পেত্নী এইখানে সত্যি সত্যিই এসেছে [ বলেই হনহন করে এগিয়ে গেলো নেহার কাছে, নেহা ও মার্জানকে দেখে হাতে হাত বটে দাড়ালো ]

মার্জান : উফফ! মানে আল্লাহ কি তোকে এক ফুটাও লাজ-লজ্জা দেইনি? বিনা ইনভাইটেশনে এই নির্লজ্য চেহেরাটা নিয়ে আবার হাজির হয়ে গেলি!

– [ একটু হেসে ] বাই দ্যা ওয়ে এমনিতে এসে ভালোই করেছিস! একবার স্টেজের দিক ও তাকিয়ে দেখ! কি কিউট লাগছে জুটিটা তাই না?
[ নেহাকে পাশ মুড়িয়ে দিয়ে ] আরে দেখ না!

চলবে….

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ