Friday, June 5, 2026







Love At 1st Sight Season 3 Part – 48

Love At 1st Sight
~~~Season 3~~~

Part – 48

writer-Jubaida Sobti

হাসতে লাগলো রাহুল,স্নেহা ও মুচকি হেসে কেটে দিলো ফোন,

ভেতরের রুমে এসে খাটে বসে তার নাটকীয় ফ্রেন্ডগুলোর কান্ড দেখতে লাগলো, রাহুলের মায়ের দিয়ে যাওয়া হলুদের জিনিষপত্র গুলোর প্যাকিং খুলছে তারা,অবাক হচ্ছে সাথে আনন্দ ও নিচ্ছে… স্নেহার ও ভালোই লাগছে এসব দেখতে সাথে রাহুলের আসার অপেক্ষা করতে…

বেশিক্ষণ লাগলো না রাহুলের আসতে,বিশ-পচিশ মিনিটের মধ্যেই চলে এলো,দু-তিনবার নাগাতার গাড়ীর হর্ণ বাজতেই স্নেহার আর বোঝার বাকি রইলো না কে আসলো..

উঠে তাড়াতাড়ি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত তখনি,

শায়লা : স্নেহা! কোথায় যাচ্ছিস?

স্নেহা : রাহুল এসেছে ওর কাছে..

জারিফা : অহ মাই গড রাহুল! কেনো? কোনো রেগেমেগে আসলো না তো?

স্নেহা : আরে না আমিই বলেছি আসতে,[ এক্সাইটেড হয়ে ] আমি চাচ্ছিলাম ওকে এসব সামনাসামনিই বলবো..[ বলেই দৌড়ে বেড়িয়ে যাচ্ছে তখনি, ]

স্নেহার মা : আরে স্নেহা? আবার কোথায় যাচ্ছিস?

স্নেহা : এসে বলবো মা, আসি! [ বলেই বেড়িয়ে গেলো ]

স্নেহার মা : [ চেচিয়ে ] আরে কিন্তু কোথায় যাচ্ছিস সেটা তো বল?

মার্জান : ডোন্ট ওয়ারি আন্টি, নিচেই যাচ্ছে রাহুল এসেছে ওর সাথে দেখা করতে! তাই..

জারিফা : [ স্নেহার মা কে টেনে বসিয়ে ] আরে আন্টি আপনি কই যাচ্ছেন? এইদিকে বসুন দেখুন কতো শপিং করা হয়েছে আমাদের জন্য! আমার তো মনে হচ্ছে সব সপ্নই দেখছি.. [ হাসতে লাগলো স্নেহার মা ]

______________এইদিকে_________________

স্নেহা গেইট থেকে বেড়িয়ে রাহুলের গাড়ীর দিক এগিয়ে সামনের দরজা খুলতেই দেখে রাহুল নেই…

রাহুল : [ পেছনের সিটের গ্লাস নামিয়ে ] আম হেয়ার স্নেহা! [ বলেই চোখ টিপ মারলো, মুচকি হেসে স্নেহা ও পেছনের দরজা খুলে এগিয়ে বসলো ]

রাহুল : কি ব্যাপার অনেক খুশি খুশি লাগছে! আমি তো ভেবেছিলাম তুমি লজ্জা পাবা!

স্নেহা : লজ্জা কেনো পাবো? আপনার সাথে ফাষ্ট টাইম নাকি? বাই দ্যা ওয়ে ভালোই করেছেন পেছনে বসে!

রাহুল : [ এক্সাইটেড হয়ে ] তাই ? না? আমি ও এটাই ভেবে পেছনে বসেছি! করতে সুবিধা হবে!

স্নেহা : [ অবাক হয়ে ] হোয়াট?

রাহুল : [ হুট করেই স্নেহার একদম কাছে এসে ] কিস্!

স্নেহা : রাহুলল! [ বলেই ধাক্ষা দিয়ে সরিয়ে ] আমি কথা বলার জন্য বলেছি! মানে পেছনে বসে কথা বলতে সুবিধা হবে ওটা বুঝিয়েছি!

রাহুল : [ মুখ গোমড়া করে ] আচ্ছা!

স্নেহা : হুম!

রাহুল : কিন্তু তুমি কিস্ দেওয়ার কথা ছিলো তো…

স্নেহা : মজা করবেননা রাহুল! সিরিয়াসলি…আপনি কথাটা শুনুন…

রাহুল : [ আবারো স্নেহার কাছে এসে ] বাট! আমি বলেছিলাম কিস্ দিতে হবে সো্… [ বলেই তেডি স্মাইল দিয়ে স্নেহার ঠোটের দিক তাকিয়ে রইলো ]

স্নেহা : [ রাহুলের ঠোটের দিক তাকিয়ে ] কিক…কিন্তু রাহুল কেউ দে..দেখলে..

রাহুল : ব্লাক গ্লাস স্নেহা! কেউই দেখবে না…

স্নেহা : পুপ..পুলিশ আসলে…

রাহুল : পুলিশ কেনো আসবে স্নেহা!

স্নেহা : আপ..আপনি বলেছিলেন..পুলিশ ধরেছিলো কক…কয়েকবার ব্লাক গ্লা..গ্লাসের জন্য…

রাহুল : [ চেচিয়ে ] হোয়াট? [ চমকে উঠলো স্নেহা ] আর ইউ ক্রেজি? [ হেসে ] কামঅন স্নেহা! ওটার সাথে এটার কি সম্পর্ক?

স্নেহা : নাতো কি আপ..আপনিই তো বলেছিলেন ঐ দিন!

রাহুল : সামনের গ্লাস ব্লাক লাগালে! তখন পুলিশ ধরবে পেছনের না!

স্নেহা : আ..আচ্ছা?

রাহুল : [ স্নেহার নাকে নাক ঘষে ] বাহানা কম বানাও স্নেহা! এর আগেও গাড়ীতে করেছি ইউ রিমেম্বার? [ মাথা নাড়ালো স্নেহা ]

রাহুল : সো্ ভয়ের কি আছে… [ বলেই স্নেহার হাতে হাত মুঠি বেধে ধরে ধীরেধীরে স্নেহার ঠোটের দিক এগুতেই দেখে স্নেহা কপাল কুচকে চোখ বটে কুড়েমুড়ে এক হয়ে গেছে ]

রাহুল : [ মুচকি হেসে ] কামঅন স্নেহা এতো ঘাবড়াচ্ছো কেনো? [ স্নেহা চমকে গিয়ে তাড়াতাড়ি চোখ খুলে তাকালো, রাহুল ও অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে স্নেহার দিক, কেমন যেনো স্নেহার এই ভীতু মায়াবী চাহনিতে বারবার ডুবদিতে মন চাই রাহুলের ]

রাহুল : [ হেসে সিটে হেলান দিয়ে বসে ] আচ্ছা বলো কি বলতে ডেকেছিলে? [ স্নেহা চুপ করে রইলো, ওড়নার আচলের কোণা হাতের আংগুলে প্যাচাচ্ছে আর খুলছে ]

রাহুল : [ আবারো উঠে বসে স্নেহার সাইড ফিরে ] কি হলো বলো? [ তাকিয়ে রইলো স্নেহা রাহুলের দিক, দুজনের চোখই যেনো কথা বলে যাচ্ছে, ধীরেধীরে স্নেহা মুখ এগিয়ে রাহুলের গালে আলতো করে একটি চুমু খেলো ] [ Rahul give a tedi smile ]

[ সরে এসে পলক তুলে রাহুলের চোখেচোখ মিলালো স্নেহা, দুজনেই অজান্তে ব্লাশিং হতে চলছে, স্নেহার মাথা টেনে কপালে চুমু খেলো রাহুল, আলতো করে নাকের উপর ও একটি চুমু খেলো, মুখের উপর ফু দিতেই চোখ নামিয়ে ফেললো স্নেহা..

গলার চুল গুলো ও ফু দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছে রাহুল…শুরশুরি লাগায় মুখ এপাশ-ওপাশ ফিরিয়ে নিচ্ছে স্নেহা, সাথে মুচকি হাসছে আর ব্লাশিং হচ্ছে রাহুলের কান্ডে, রাহুল কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে তেডি স্মাইল দিয়ে হেলান দিয়ে বসে পড়লো, দু-জনেই চুপ করে রইলো কিছুক্ষণ, নিরবতা ভেংগে স্নেহাই বলে উঠলো ]

স্নেহা : রাহুল!

রাহুল : হুম!

স্নেহা : আপনার বাবা আর মা এসেছিলো কিছুক্ষণ আগে!

রাহুল : [ হেসে ] আমাকে মজা করতে নিষেধ করে এখন নিজেই মজা করছো!

স্নেহা : মজা করছি না সিরিয়াসলি রাহুল! [ এক্সাইটেড হয়ে ] এই নেকলেসটা দেখেন আমাকে আগে পড়তে দেখেছেন এটা? [ রাহুল স্নেহার গলার দিক তাকালো ]

স্নেহা : আপনার মা পড়িয়ে দিয়েছে দেখেন! আমি তো ওদের দেখে ফাষ্টে পুরাই অবাক,

– আপনার মতো আমিও নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারছিলাম না, নাও আই এম সো্ সো্ হ্যাপি! [ রাহুল অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে স্নেহার দিক ]

স্নেহা : কি হলো বিশ্বাস হচ্ছে না? ঠিকাছে তাহলে আপনার দাদী থেকেই ফোন করে জিজ্ঞেস করেনিন! আচ্ছা আচ্ছা না হয় আপনার মায়ের কাছ থেকেই জিজ্ঞেস করেনিন!

রাহুল : লিসেন্ট! এটা কিভাবে সম্ভব?

স্নেহা : সম্ভব রাহুল! আপনার ফ্রেন্ডস আমার ফ্রেন্ডস আর দাদী মিলেই ওদের একসাথে আনার প্লানটা করেছে দারুণ না? সব বরাবরই হয়েছে!

– রাহুল! আমরা চেষ্টা করলেই ওদের আবার এক করতে পারবো!

রাহুল : কিন্তু স্নেহা!…

স্নেহা : কোনো কিন্তু না রাহুল! আমরা যেমনটা চেয়েছিলাম তেমনটাই তো হচ্ছে তাই না? আপনার প্যারেন্টস আমার প্যারেন্টস এর সাথে কথা বলে গিয়েছে..সবাই কতো খুশি!

– আপনার মা তো এটাও বলে গিয়েছে যে বিয়ে আজ হচ্ছে না কাল হচ্ছে! আজ রাতে ওনি গায়ে হলুদের জন্য হল বুকিং করে রেখেছে! আই মিন আজ রাতে আমাদের গায়ে-হলুদ হবে!

রাহুল : হোয়াট? আর তুমি মেনে নিয়েছো?

স্নেহা : হ্যাঁ! কেনো কি হয়েছে?

রাহুল : আর আমি যেটা ফিক্সড করেছি ওটার কোনো ভেলু নেই তাই না? স্নেহা! তুমি পাগল হয়ে গিয়েছো? ওরা বললো আজ বিয়ে হবে না তুমি ও সেটা মেনে নিয়েছো! কি হয়ে গেছে তোমার?

স্নেহা : রাহুল! ওরা সবাই অনেক খুশি! আমরা যে ডিশিসনটা নিয়েছি এটাই শুধু আমরা আমরাই থাকতাম, এখন আমাদের দু-পরিবার আত্মীয়স্বজন সকলেই থাকবে…

– আপনার বাবা-মায়ের ওতো কতো আশাছিলো আপনার বিয়ে নিয়ে তাই না?

রাহুল : তারমানে তুমি বলতে চাচ্ছো আজকে বিয়ে করবে না!

স্নেহা : বিয়ে আজ হোক আর কাল হোক তাতে কি এসে যায় রাহুল?

রাহুল : [ দাত কিলিয়ে ] তোমার কিছু না হতে পারে স্নেহা! কিন্তু আমার অনেক কিছু এসে যায়,

– ভালোবাসি তোমাকে স্নেহা! নিজের থেকে দূরে রাখতে ভয় হয়! তোমাকে হারানোর অস্থিরতা কাজ করে প্রতিটা সেকেন্ড, প্রতিটা মিনিট, প্রতিটা ঘন্টা, প্রতিটা মুহুর্ত!

স্নেহা : [ রাহুলের হাতের উপর হাত রেখে ] রাহুল! আই নো আপনি আমাকে অনেক ভালোবাসেন! কিন্তু…একবার ওদের কথা ও ভাবুন! আর একটা দিনই তো… এরপর তো আপনার স্নেহা আপনার কাছেই থাকবে তারপর আপনার আর ভয় পেতেও হবে না.. [ রাহুল স্নেহার হাত সরিয়ে দরজা খুলে বেড়িয়ে সামনের সিটে গিয়ে বসে পড়ে ]

স্নেহা : [ অবাক হয়ে তাকিয়ে ] আরে রাহুল! আপনি রেগে যাচ্ছেন কেনো?

রাহুল : [ সানগ্লাস চোখে লাগিয়ে গাড়ী স্টার্ট দিয়ে ] বাসায় যাও স্নেহা!

স্নেহা : [ পা তুলে পেছন থেকে সামনের সিটে এগিয়ে এসে বসে ] যাবো না!

রাহুল : জেদ করো না স্নেহা! বাসায় যাও!

স্নেহা : আর আপনি কি করছেন? [ জোড়ে একটি শ্বাস ফেলে ] দেখেন রাহুল! এখন তো সবই ঠিকঠাক! আমার পরিবার খুশি,আপনার পরিবার খুশি, ইনফ্যাক্ট আমি ও অনেক খুশি এসবে, আর কি চাই!

রাহুল : ব্যাস স্নেহা! বাসায় যাও আমার বেরুতে হবে,পরে কথা বলবো!

স্নেহা : [ নাক ফুলিয়ে ] আপনার ভেতরের এই এটিটিউডের কারণে কারো খুশিই আপনার চোখে দেখছেন না! প্রবলেম আপনার বাবাই এটা খুলে বললে প্রবলেম কি? [ জানালার উপর হাত রেখে বাইরের দিক তাকিয়ে রইলো রাহুল ]

– আপনি ঐ দিক ফিরে আছেন কেনো? আমি এইদিকে, এইদিক থেকে কথা বলছি! এইদিকে তাকান!

রাহুল : আচ্ছা বাবা হয়েছে! তোমরা আজ গায়ে-হলুদ করো! বিয়ে যখন কাল, আমি কালই আসবো বিয়ে করতে!

স্নেহা : [ অবাক হয়ে ] আরে এটা কেমন কথা?বিয়ে কি শুধু আমার নাকি? যে গায়ে হলুদ আমার একার হবে!

– দেখেন এখন থেকে আপনার কথায় চলবে না, আমার কথায় হবে, সো্ আপনার আজ ও আসতে হবে কাল ও আসতে হবে!

রাহুল : দেখা যাবে!

স্নেহা : [ বিরক্তি হয়ে ] আপনি? [ বলেই গাড়ীর চাবিটা মুচড়া-মুচড়ি করে টেনে খুলে ছুড়ে মারলো রাহুলের গায়ে ]

রাহুল : আরেহ? [ বলতেই রাহুলের চোখ থেকে সানগ্লাসটা টেনে নিয়ে নাক ফুলিয়ে দরজা খুলে বেড়িয়ে, ধুপ করেই আবার দরজা লাগিয়ে দিয়ে চলে গেলো,

তাকিয়ে আছে রাহুল গ্লাস দিয়ে স্নেহার চলে যাওয়া, অপেক্ষায় আছে স্নেহা কখন ফিরে তাকাবে, তাকালোই না স্নেহা! ঢুকে গেলো গেইটের ভেতর, মনেমনে ভাবতে লাগলো রাহুল, আজিব একবার তাকালো ও না, বলেই চাবি লাগিয়ে গাড়ী স্টার্ট দিতেই দেখে গেইট থেকে মাথা বের করে আবার উকি দিচ্ছে স্নেহা, হনহনিয়ে এগিয়ে আসছে এইদিকটায়, রাহুল অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে ]

স্নেহা : [ জানালা দিয়ে সানগ্লাসটা ছুড়ে মেরে ] আমি আপনাকে বাই বলতে আসিনি! আপনার সানগ্লাসটা দিতে এসেছি! [ বলেই চলে যাচ্ছে, মনে মনে হাসতে লাগলো রাহুল গেইটের সামনে গিয়ে আবারো একবার ফিরে তাকিয়ে ঢুকে পড়লো স্নেহা, রাহুল ও তেডি স্মাইল দিয়ে সানগ্লাসটা চোখে লাগিয়ে গাড়ী টান দিয়ে চলে গেলো ]

________________সন্ধ্যায়_________________

মার্জান : মাশাল্লাহ! স্নেহা! বললাম না তোকে আজ এইড্রেসে টিয়াপাখি লাগবে! [ মুচকি হাসলো স্নেহা ]

শায়লা : হোয়াট স্নেহা! সব ঠিকাছে তো? রাহুলের সাথে মিট করে আসার পর থেকে দেখছি মুখ গোমড়া করে রেখেছিস!

স্নেহা : [ হেসে ] আরে নাহ! তেমন কিছুই না সবই ঠিকাছে…ব্যাস একটু নার্ভাস লাগছে ওখানে সবার সামনে তাই…

জারিফা : আরে নার্ভাসের কি আছে! আমরা সবাই তো থাকবোই তুই একা নাকি?

মার্জান : আর বিশেষ করে রাহুল তো থাকবেই তোর পাশে! তাই না!

জারিফা : হ্যাঁ! রাহুল তো তোর পাশেই আঠার মতো লেগে থাকবে!

স্নেহা : [ মুচকি হেসে ] আচ্ছা! তোদের আর কি কি বাকি আছে পড়ে নে! আমি একটু রাহুলকে কল করে আসছি!

জারিফা : ওকে ওকে যাহ! বলে আয় যা বলার!

[ মোবাইল হাতে নিয়ে বারান্দায় এগিয়ে এলো স্নেহা, মনে অস্থিরতা কাজ করছে এক তো তার ফ্রেন্ডসদের মিথ্যে বললো রাহুল রাগ করেনি, আবার এটাও ভয় করছে রাহুল আসবে নাকি আসবে না, কি আজিব পাচ-ছয় ঘন্টা হয়ে গেলো অথচ একটা ফোন ও করলো না, তারউপর মোবাইলটা ও বন্ধ করে রেখেছে! ]

স্নেহা : [ মনে মনে ] হয়তো রেগে আছে, তাই কল দেইনি, না নাহ, এটাও তো হতে পারে যে রাগ করেনি আমি ব্যস্ত থাকবো মনে করে কল দেইনি!

– কিন্তু যাওয়ার সময় তো রেগেই গিয়েছিলো,উফফ এতোটা রাগার কি আছে, একটা কল তো করতে পারতো!

– আরে হ্যা! রাহুল তো আমার উপর বেশিক্ষণ রেগে থাকতে পারে না, তারমানে হয়তো ও বিজি, তাই কেউ ডিস্টার্ব না করার জন্য বন্ধ করে রেখেছে, হ্যা! এটাই হবে [ বলেই হেসে ভেতরে ঢুকে যাচ্ছিলো হঠাৎ আবার দাঁড়িয়ে গিয়ে ] কিন্তু যতো বিজিই থাকুক আমার সাথে কথা না বলে তো থাকতেই পারে না, তার মানে রেগেই আছে,

হঠাৎ,

জারিফা : [ এগিয়ে এসে ] স্নেহা! হয়েছে? গাড়ী বসে আছে কখন থেকে, তখন তোর চিকনিচ্যামেলি শ্বাশুরী বলবে নাজানি আমার ছেলের বউকে এরা কোন ভূত সাজাচ্ছে তাই এতো লেইট হচ্ছে!

স্নেহা : [ হেসে ] হ্যা..হ্যা! হয়েছে!

জারিফা : তাহলে চল! যাওয়া যাক! [ মাথা নাড়ালো স্নেহা, সবাই গিয়ে গাড়ীতে উঠে বসলো, গাড়ী রওনা দিলো ]

আধঘন্টার মধ্যেই হলে এসে পৌছালো,

জারিফা : আরে ওয়াহ কি সুন্দর সাজিয়েছে!

মার্জান : হ্যা! তাতো আমরাও দেখছি! এবার নামবি?

জারিফা : হ্যা! নামছিই তো! [ বলেই এক এক করে সবাই এসে নামতে শুরু করলো, স্নেহা নামতে যাবে ঐ সময় ]

রাহুলের বাবা : [ এগিয়ে এসে ] স্নেহা! এক মিনিট ওয়েট করো এখন নেমো না! [ বাকিরা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে, স্নেহা ও অবাক হলো ]

হঠাৎ

শায়লা : [ এক্সাইটেড হয়ে ] আরে ওয়াহ! পালকি? স্নেহা দেখ!

রাহুলের বাবা : এইদিকে রাখো! এইদিকে [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ] স্নেহা! এসো!

জারিফা : আংকেল! স্নেহা ভেতরে পালকি করে যাবে?

রাহুলের বাবা : হ্যা! পালকি করেই যাবে!

জারিফা : ওয়াও আংকেল! দারুণ তো আইডিয়াটা! আরে স্নেহা আয়..উঠনা!

[ স্নেহা মাথা নাড়িয়ে নেমে এসে পালকিতে উঠে বসলো, মনে মনে ভাবছে স্নেহা, কি আজব ব্যাপার যা কখনো কল্পনাও করেনি সেসবি হতে চলছে.. এখন তো ব্যাস একটাই চিন্তা শুধু রাহুলটা ও যেনো রাগ না করে এসে যায়, পালকি উঠিয়ে হলের ভেতর প্রবেশ করানো হচ্ছে, বাকিরা ও পেছন পেছন এগিয়ে আসছে, ওয়াকিং ওয়ের রেড কার্পেটের শুরুতেই পালকি এসে থামলো,

পালকি নিচে রাখতেই, ধীরেধীরে স্নেহা পর্দা সরিয়ে এক পা মাঠিতে রেখে মাথা বের করতেই চারদিকের ঝলমলে বাতি সব বন্ধ হয়ে যায়,

বেড়িয়ে উঠে দাড়ালো স্নেহা, দু-পাশ থেকে আগুনের ঝলক ভেসে এলো, লাইন ধরেই সারিসারি রাহুলের ফ্রেন্ডস সব ক্যান্ডেল লাইট হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, কি অদ্ভুত দেখতে লাগছে চারদিক হলুদ রঙের ছায়া হয়ে আছে, ফুলের মালা দিয়ে তো কখন থেকে সেজে বসে ছিলো স্নেহা, কিন্তু সুভাষ ছড়াচ্ছিলো না, এখনি বুঝি ফুলগুলিও সুভাষ ছড়িয়ে দিচ্ছে, চুড়ি আর পায়েলের ঝংকার গুলিও এখন কানে ভাসছে,

হঠাৎ সামনে কারো ছায়া দেখতে পেলো, এক মুহুর্ত ও লাগেনি স্নেহার সেই ছায়াটি কার চেনার জন্য,ঠোটের কোণে হাসি ফুটে উঠলো স্নেহার, উপর থেকে ছায়াটির উপর হলুদ বাতি জ্বলে উঠলো, বরাবরের মতোই চোখে সানগ্লাস লাগিয়ে হোয়াইট পাঞ্জাবি ব্লাক চুরিদারী প্যান্ট সাথে তেডি স্মাইল দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে রাহুল, স্নেহা থেকে যেনো সে চোখই সরাতে পারছিলো না, সাদা দেহের মাঝে সবুজ রঙ এর শাড়ীতে ডার্ক হয়ে আছে আজ স্নেহা, মাথায় লাগানো ফুটে থাকা সবুজ ফুল গুলোর মতো, লাল ঠোটের কোণে মুচকি হাসিটিও আজ অপরুপ লাগছে স্নেহার, আজ কারো নজর লাগুক না লাগুক রাহুলের নজর তো নিশ্চয় লাগবে স্নেহার,পাশ থেকে রিদোয়ান এসে রাহুলের হাতে স্পিকার ধরিয়ে দিলো,

স্নেহা : [ মনে মনে ] সব জায়গায় গান নিয়ে উপস্থিত থাকে আর নিজের বিয়েতে গান করবে না এটা কি হয় নাকি! তবে এতো ঢং করে এন্ট্রি নেওয়ারি যখন ছিলো তখনের ঢংটা না করলেই চলতো,শুধুশুধু সারাদিন টেনশনে ছিলাম! [ কানে মিউজিক টোন ভেসে আসলো সবার ]

জারিফা : [ এক্সাইটেড হয়ে ] আরে ওয়াহ! জিজু! হারিয়াপ গাওনা আর তো ওয়েট হচ্ছে না শোনার!

মার্জান : শিসস! চুপ করবি! শুনতে দে না!

রাহুল : ♪♪ সুরাজ্ হুয়া্ মাধ্যাম ♪♪

♪♪ চাঁদে জ্বালনে লা্গা ♪♪

♪♪ আসে্মায়ে হায় ♪♪

♪♪ কিউ ভি্গালনে লা্গা ♪♪

[ মুচকি হাসলো স্নেহা, রাহুল ও একটু হেসে কিছুটা এগিয়ে এসে আবার থেমে গিয়ে ]

– ♪♪ মে ঠে্হরা রাহা যা্মি চালনে লাগি ♪♪

♪♪ ধা্রকায়ে দিল সা্সে্ থা্মনে লাগি ♪♪

♪♪ ওও কিয়া ইয়ে মেরা পে্হেলা পে্হেলা পি্য়ার হে ♪♪

[ স্নেহার কাছে এসে হাটু মাটিতে রেখে বসে ]

♪♪ সা্জনা~আ~ কিয়া ইয়ে মেরা পে্হেলা পে্হেলা পি্য়ার হে ♪♪

[ মাইকটা আসিফের হাতে ছুড়ে মেরে স্নেহার হাত ধরে একটি চুমু খেয়ে এগিয়ে, স্টেজের দিক নিয়ে যেতে লাগলো, সবাই একত্রে চিৎকার করে জোড়ে-সোরে তালি দিতে লাগলো, ক্যান্ডেল লাইট গুলো নিভাতেই চারদিক গ্রীন ঝলমলে ডোম লাইট গুলো ও জ্বলে উঠলো ]

মার্জান, জারিফা, শায়লা তিনজনই এক্সাইটেড হয়ে চারদিক ঘুরে ঘুরে দেখছে, হঠাৎ রাহুলের মা কে দেখে,

জারিফা : আরে ওয়াহ আন্টি! মাশাল্লাহ!

রাহুলের মা : মাশাল্লাহ! তোমাদের ও ওয়াও লাগছে! আর তোমাকে দেখে তো রিদোয়ান আজ হা করে তাকিয়ে থাকবে! [ জারিফা লজ্জা পেয়ে চুপ হয়ে যায় ]

মার্জান : আন্টি! আপনি কিভাবে..

রাহুলের মা : হুমম! আজই শুনেছি রাহুল থেকে সব, [ হাসতে লাগলো সবাই ]

রাহুলের মা : আচ্ছা তোমরা এঞ্জয় করো আমি আসি! ওকে!

মার্জান : ওকে আন্টি! [ চলে গেলো রাহুলের মা ]

শায়লা : [ চারদিক চোখ বুলিয়ে ] গাইস্ হল তো মনে হচ্ছে না যেনো লাগছে তাজমহল?

মার্জান : এই প্লেসটা দেখ নিশ্চয় ডান্সের জন্য বানিয়েছে…উফফ! ডান্স কবে করবো! আমার তো এক্ষুণি নাচতে মন চাইছে!

জারিফা : [ হেসে ] শুরু হয়ে যা! তোকে কে নিষেধ করছে নাকি? [ বলতেই হঠাৎ পাশ থেকে রিদোয়ান এসে হাত ধরে টেনে নিয়ে একপাশ নিয়ে গিয়ে দাড়করায়, শায়লা আর মার্জান হাসতে থাকে ]

রিদোয়ান : ওয়াও! হোয়াটে এ সেক্সি লুক!

জারিফা : আচ্ছা? থেংক ইউ! বাই! [ বলেই দৌড় দিচ্ছিলো ]

রিদোয়ান : [ টেনে ধরে ] বাই? তাই না?

জারিফা : দেখেন আসেপাশে সবাই দেখছে!

রিদোয়ান : সো্ হোয়াট? আমরা প্রেম করছি ওরাও একটু দেখুক!

________________এইদিকে_______________

মার্জান আর শায়লা সেল্ফি নিচ্ছিলো হঠাৎ,

মার্জান : আরে ওয়াহ! শায়লা তুই তো দারুণ শিস বাজাতে পারিস!

শায়লা : [ একটু কেসে ] শিস এপাশ থেকে নয় ওপাশ থেকে বেজেছে! [ বলতেই মার্জান পাশ ফিরে তাকিয়ে অবাক হলো ]

আসিফ : হুমম! থেংক্স ফর ইউর কমপ্লিমেন্ট!

মার্জান : এত্তোটাই বাজে ছিলো না! কি বলবো? মরা মানুষ শুনলে ও জেগে উঠে বলতো এক্সকিউজ মি প্লিজ আপনার শিস বাজানোটা বন্ধ করবেন! আমি মরেও আপনার শিস বাজানো শুনে শান্তি পাচ্ছি না!

আসিফ : [ হেসে ] তাইই! [ শায়লাও কিটকিটিয়ে হেসে উঠলো ]

মার্জান : জ্বি তাইই!

আসিফ : বাই দ্যা ওয়ে যতোটা সুন্দর লাগবে ভেবেছিলাম ততোটাও লাগছো না!

মার্জান : আচ্ছা? আপনি অন্তত আমার ব্যাপারে ভেবেছেন হলেও..বাট আফসোস আমি তো আপনার ব্যাপারে সেটাও ভাবিনি!

– আর হ্যা! আপনার ড্রেস লুকে মনে হচ্ছে ছোলা ছাড়া ডিমের কুসুম হুহ! [ বলেই মুখ ভেংগিয়ে শায়লার হাত ধরে টেনে নিয়ে চলে যায়, আসিফ হাসতে থাকে ]

____________অন্যদিকে স্টেজে____________

স্নেহা : [ ফিসফিসিয়ে ] বলেন না! তখন আমার সাথে এতো ঢং করলেন কেনো!

রাহুল : শাট-আপ স্নেহা!

স্নেহা : আমিতো শাট-আপই ছিলাম! আপনার কারণেই অর্ধেক বকবক করতে হয়েছে!

– এখন আবার আপনি চুপ করে আছেন কেনো? বলেন না, আপনি ইচ্ছে করেই তখন ঢং করেছিলেন তাই না! [ হাসি পাচ্ছিলো রাহুলের স্নেহার কান্ডে, পকেট থেকে চুইংগাম একটা বের করে প্যাকেট খুলে স্নেহার মুখে ঢুকিয়ে দিলো, শকড হয়ে গেছে স্নেহা ]

রাহুল : এবার চুপচাপ এটা চিবাতে থাকো,প্রশ্ন পরে করিও! [ with tedi smile ]

আড়চোখে তাকিয়ে মুখ ভেংগিয়ে অন্যপাশ ফিরে গেলো স্নেহা,

রাহুল : [ হেসে ] ক্যামেরায় উঠবে মুখ ভেংগানো, তখন সবাই বলবে বউটা ঝগড়াটে,

স্নেহা : বাস্তবে তো হতে পারলাম না অন্তত ক্যামেরায় হতে সমস্যা কি?

রাহুল : তবে আজ বাস্তবেই একটু বেশি ঝগড়া করছো!

স্নেহা : আপনার বিহেভিয়ারে ঝগড়া করতে হচ্ছে, হুহ! [ মুচকি হেসে চুপ করে রইলো রাহুল ]

স্নেহার নিজেকে সেলেব্রেটিই মনে হচ্ছে আজ, সবাই যেভাবে তাদের ছবি নিতে ব্যাস্ত! দূর দিক তাকাতেই স্নেহার রাহুলের বাবার দিক চোখ পড়লো, তার বাবার সাথেই কথা বলছে,আসেপাশে আরো কয়েকজনও আছে কিন্তু স্নেহা চিনে না, মাথায় বুদ্ধি এলো রাহুলকে নাচানোর,

স্নেহা : [ রাহুলকে চিমটিয়ে ] শুনেন!

রাহুল : আহ! মুখে বললেই তো হয় বাচ্চাদের মতো চিমটানো আর গাল টেনে দেওয়া ছাড়া কিছু জানো না?

স্নেহা : আচ্ছা ঐদিকে দেখেন আপনার বাবা, আমার বাবা, [ রাহুল হেসে অন্যপাশ ফিরে গেলো ]

– আরে দেখেন না, কি হ্যান্ডসাম লাগছে আপনার বাবাকে তাই না, ও হ্যা! আমার বাবাকে ও!

রাহুল : আমি শুরু করলে কিন্তু লজ্জায় কোথায় লুকাবা জায়গা খুজে পাবানা স্নেহা?

– ইউ নো রোমান্স করতে আমার টাইমিং আর ক্যারেক্ট প্লেস লাগে না,

স্নেহা : না..নাহ! ওকে! আ..আমি তো মজা করছিলাম! আপনার কিক..কিছু করতে হবে না [ বলেই জোড়ে একটি শ্বাস ফেলে সোজা তাকিয়ে রইলো, হাসতে লাগলো রাহুল ]

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ