Friday, June 5, 2026







Love At 1st Sight Season 3 Part – 47

Love At 1st Sight
~~~Season 3~~~

Part – 47

writer-Jubaida Sobti

স্নেহা : আমি সপ্ন দেখছি? নাকি সত্যি সত্যিই দেখছি ?

মার্জান : স্নেহা সপ্ন না সত্যিই দেখছিস! [ বলেই স্নেহাকে সামনেরদিক ধাক্ষা দিলো, স্নেহা তাতে ও শক্ত হয়ে হা করে তাকিয়ে আছে ]

স্নেহার মা : [ পিছিয়ে এসে মার্জানের দিক তাকিয়ে ধীরো ভাবেই বলতে লাগলো ] এরা কারা?

জারিফা : আরে আন্টি এরা আপনার মেয়ের হবু শ্বশুর আর শ্বাশুরী! আই মিন রাহুলের বাবা-মা!

স্নেহার মা : কিন্তু আমিতো শুনলাম ওরা একসাথে থাকে না তাহলে…

মার্জান : ব্যাস! আন্টি আপনি ও এখনো ঐ সামিরের কথায় পড়ে আছেন! আগে বাড়ুন, আর ওদের আপ্যায়ন করুন! যান যান! [ বলেই এগিয়ে দিলো ]

স্নেহার মা : হ্যাঁ! হ্যাঁ! [ বলেই সোফা ঠিক করে দিয়ে ] আরে আসুন আসুন ভেতরে..এইখানে বসুন! [ রাহুলের বাবা-মা দুজনই ভেতরে এগিয়ে এসে দাড়ালো ]

রাহুলের মা : কেমন আছো স্নেহা ?

স্নেহা : আ..আন্টি..আং..আংকেল! আ..আপনারা একসাথে…মা..মানে…

রাহুলের বাবা : স্নেহা! শকড হয়ে আছো কেনো?

রাহুলের মা : [ চোখ থেকে সানগ্লাস খুলে ] নিশ্চয় স্নেহার কারো একজনের চেহেরা মোটেও পছন্দ হয়নি!

– [ মুচকি হেসে ] তুমি আমার সাথে এসো [ বলেই স্নেহার হাত ধরে নিয়ে এগুচ্ছিলো, হঠাৎ আবার পেছন ফিরে এসিস্ট্যান্ট এর দিক তাকিয়ে ] জিনিষপত্রগুলো এইখানে একপাশ করে রেখে দাও [ বলেই স্নেহাকে নিয়ে সোফায় বসে পড়লো ]
_______________________________________

জারিফা : [ ফিসফিসিয়ে ] আরে গাইস্ কি স্টাইল ছিলো সানগ্লাস খোলার, আমি ছেলে হলে তো এতোক্ষণে লাইন মারা শুরু করে দিতাম,

শায়লা : তুই চুপ করবি! সিরিয়াসলি ম্যাটার চলছে আর তুই আছিস তোর নাটক নিয়ে!
_______________________________________
রাহুলের মা : তোমার ফ্রেন্ডসদের দেখছিনা? ওরা কোথায়?

জারিফা : [ পর্দার আড়াল থেকে চেচিয়ে ] হ্যালো আন্টি! উই আর হেয়ার!

রাহুলের মা : ঐখানে কি করছো এইখানে এসে বসো!

মার্জান : নো নো আন্টি! ইটস্ ওকে, আমরা এইখানেই ঠিক আছি! [ হঠাৎ স্নেহার বাবা ও এসে ঢুকলো, স্নেহার মা ইশারায় বুঝিয়ে দিলো এরা রাহুলের বাবা-মা, সাথেসাথেই কোলাকুলি আর হ্যান্ডশেক করে রাহুলের বাবার পাশেই বসলো স্নেহার বাবা ]

রাহুলের মা : হঠাৎ করে আপনাদের না জানিয়ে এভাবে চলে আসার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি!

স্নেহার মা : না না এতে কোনো সমস্যা নেই!

রাহুলের মা : আসলে আপনারা ও হয়তো জানেন ব্যাপারটা যে রাহুল আর স্নেহা,দুজন দুজনকে পছন্দ করে,এবং তারা চাইছে তাদের বাকি জীবনটা একসাথেই কাটিয়ে দিবে, সো্ আমিও তাদের সাথে একমত হয়ে বলতে চাচ্ছি যে ওদের ভালোবাসার রাস্তায় যেনো আমাদের মাঝ থেকে কেউ কাটা হয়ে না দাড়ায়,

– স্নেহাকে পাওয়ার পর আমার রাহুলের লাইফটাই বদলে গেছে, সে তার গম্ভীর দুনিয়া থেকে বেড়িয়ে এসেছে, আবার নতুন করে হাসতে শিখেছে, রাহুল অনেক খুশি স্নেহাকে পেয়ে, আর আমার মনে হয় না ওর জন্য স্নেহার চেয়ে বেটার লাইফ পার্টনার আর কেউ হতে পারে বলে,

– ছেলে তো আমার আছে, তবে একটা মেয়েরই কমতি ছিলো, আশা করি আপনারা চাইলে আমার সেই কমতিটাও স্নেহাকে দিয়ে পূরণ হয়ে যাবে,

রাহুলের বাবা : [ স্নেহার বাবার দিক তাকিয়ে ] কি বলেন ব্রাদার? শুনলাম আপনি নাকি রাহুলের জন্য একদমই রাজি না?

স্নেহার বাবা : [ মুচকি হেসে ] রাজি তো ছিলাম না, তবে গতকাল সন্ধ্যায় আমাকে যে ঠ্রেড দিয়ে গিয়েছিলো তখনি আমি বুঝে গিয়েছিলাম কিছু তো আছে এই ছেলের মধ্যে,

– হয়তো যেমনটা খুজছিলাম স্নেহার জন্য তেমনটা ও নিজেই খুজে নিয়েছে,

– তাই ডিশিসন নিয়েছিলাম আমার মেয়ে যেহেতু ওকেই চাইছে তাই কথাবার্তা বলে রাজি হয়েই যাবো,

– রাতে যখন বাসায় এসেছে রাহুল, ঐসময় ওর ভাবসাব দেখে মনে হচ্ছিলো আমি যদি এখন কিছু বলি তাহলে ও আমাকেই রিপিট জবাব দিবে আমার চেয়েও বেশি ভালোবাসে ও স্নেহাকে, আর আমি চাইছিলাম ও এমন একজন যে আমার চেয়ে বেশি আমার মেয়েকে ভালোবাসবে,

– আর তারপর কি করেছে? স্নেহাকে বিয়ে করলে আমি ওর শ্বশুর হবো তো তাই না?

– আমার সামনেই সে কি কান্ড, হ্যা আমি জানি ও স্নেহাকে অনেক ভালোবাসে তাই বলে আমার সামনেই…[ সবাই মিটিমিটি হাসতে লাগলো ]

– আচ্ছা রেসপেক্ট নামের একটা জিনিস আছে তো তাই না? আমাকে দেখলেই এমনভাব করে যেনো আমাকে ও চিনেই না, আমি স্নেহার কিছুই হই না, না কোনো সালাম, না হাই-হ্যালো কিছুই করে না খালি বলে সাইড প্লিজ, [ হঠাৎ কিটকিটিয়ে হেসে দিলো জারিফা, সবাই পাশফিরে তাকানোর আগেই জারিফার মুখ চেপে ধরে ভেতরে ঢুকিয়ে নিলো মার্জান ]

রাহুলের বাবা : ভাই! আপনার সাথে হাই-হ্যালো কি করবে? আমি তো ওর বাবা তাই না? আমার সাথেই কখনো হাই-হ্যালো করেনি! কথা বলতে হলে আমার এসিস্ট্যান্ট মুরাদের দিক তাকিয়ে বলবে, মুরাদ ভাই বলে দাও এমন করতে হবে, বলে দাও ওমন করতে হবে, [ হেসে উঠলো স্নেহার বাবা, সাথে বাকিরাও ]

স্নেহার বাবা : রাহুলের প্রতি আমার সব ধারণাই ভুল ছিলো ওকে দেখার পর বুঝলাম ওর চেয়ে বেশি খুশি স্নেহাকে আর কেউই রাখতে পারবে না, হ্যা তবে একটু চঞ্চলতা বেশি,

রাহুলের মা : [ হেসে ] একটু না অনেক বেশি!তবে যাকে একবার ভালোবাসবে তারজন্য মনপ্রাণ উজাড় করে দিবে,

স্নেহার বাবা : হ্যা! তাতো দেখলামই গতকাল রাতে, আরো কতো কি উজাড় করতে পারে, [ স্নেহার মা ও হাসতে লাগলো ] আসলে আপনাদের দু-জনের প্রতি ও আমাদের অনেক ভুল ধারণা ছিলো, [ চুপ করে রইলো রাহুলের বাবা-মা ] কিন্তু এখন সব ক্লিয়ার হয়ে গেছে,

রাহুলের বাবা : আচ্ছা এসব বাদ দেন, এবার বলুন স্নেহা আমাদের মেয়ে হচ্ছে তো?

স্নেহার বাবা : কথাটা তো আমারই বলার দরকার! আপনাদের মতো এতোবড় পরিবারে আমার স্নেহাকে নিতে চাইবেন এটা আমাদের ভাগ্যের ব্যাপার!

রাহুলের বাবা : আরে এসব কি বলছেন! স্নেহার মতো কাউকে নিজের মেয়ে হিসেবে পাওয়া এটা আমাদের সৌভাগ্য!

স্নেহার বাবা : [ হেসে ] রাহুল! কাল বলে গেলো আজই নাকি বিয়ে করছে, আমাদের তো দাওয়াত ও দিলো না, তাই আমিও আর কিছু বললাম না ভেবে রাখলাম বিনা দাওয়াতেই চলে যাবো!

রাহুলের মা : [ হেসে ] ভেবে রাখার আর দরকার নেই, এখন তো আমরা সবাই রাজি, সো্ তাই এখন আর ওদের কথায় চলবে না, আমরা যা বলি তাই হবে,

– বিয়ে আজ হচ্ছে না, [ অবাক হয়ে তাকালো স্নেহা, জারিফা, মার্জান, শায়লা ]

রাহুলের মা : [ মুচকি হেসে ] কাল হবে বরং আরো ধুমধাম করে, [ স্নেহার ফ্রেন্ডসরা এক্সাইটেড হয়ে তালি দিয়ে উঠলো ]

রাহুলের মা : [ মুখ গোমড়া করে ] আমার একমাত্র ছেলের বিয়ে বলে কথা, কতো তৈরী সৈরী বাকি, আজকের মধ্যেই যদি বিয়ে হয় এতো কিছু আ্যরেঞ্জ করবো কিভাবে?

জারিফা : আরে আন্টি কতোদিন ধরে অপেক্ষা করছি এই বিয়ের, তারমানে আজ ও কেন্সেল, আমিতো ভেবেছি আজ রাতে সেজেগুজে রাহুল আর স্নেহার জন্য একটা ডান্স দিবো,

রাহুলের মা : আরে মন খারাপ করছো কেনো ডান্স ও হবে অবশ্যই, তাও আজ রাতেই!

জারিফা : [ কনফিউজড হয়ে ] কিক..কিভাবে?

রাহুলের মা : বিয়ের আগেরদিন কি হয়?

মার্জান : [এক্সাইটেড হয়ে ] গায়ে হলুদ!

রাহুলের মা : হ্যা! গায়ে হলুদ! আমি আসার সময় এসিস্ট্যান্টকে বলে কার্বন-হল বুক করে ফেলেছি, রাতে আপনারা আপনাদের রিলেটিভসদের সবাইকে সাথে নিয়ে চলে আসবেন, লেইট করবেন না কিন্তু বাকিদের ও এক্ষুণি বলেদেন নাহয় লেইট হয়েই যাবে,

রাহুলের বাবা : আর হ্যা! এসব অনেক তাড়াতাড়ি হচ্ছে বলে সব অ্যারেঞ্জমেন্ট কিভাবে করবেন এটা নিয়ে মোটেও চিন্তা করবেন না,স্নেহা যেহেতু এখন আমাদের তাই ওর সব কিছুর দায়িত্ব ও আমাদের!

জারিফা : [ এক্সাইটেড হয়ে ] ওয়াও! আন্টি তারমানে রাহুল আর স্নেহার বিয়ের সব প্রোগ্রাম হবে! ইয়েসস্!

[ রাহুলের মা হেসে ব্যাগ থেকে বক্স বের করে, একটি গোল্ড নেকলেস পড়িয়ে দেই স্নেহার গলায় ]

মার্জান : [ ফিসফিসিয়ে ] মাশাল্লাহ! কি না লাগছে আমাদের স্নেহাকে,

রাহুলের মা : [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ] এদিকে এসো, [ বলেই শপিং করে আনা জিনিষপত্রগুলোর পাশে নিয়ে গিয়ে দাড় করিয়ে ] এগুলো আমিই পছন্দ করে কিনেছি, সো্ সব কিছু পড়ে তৈরী হয়ে থাকবা! আমি গাড়ী পাঠিয়ে দিবো চলে আসবা, [ স্নেহার ফ্রেন্ডসদের দিক তাকিয়ে ] আর তোমরা শুনো ওর সাজে যেনো কোনো কমতি না হয়, নাহলে রাহুলকে বলে তোমাদের গেইট ধরার টাকা কমিয়ে দিবো,

মার্জান : [ এগিয়ে এসে ] আরে না না আন্টি! এমন ভাবে সাজাবো ওকে, হলে পা রাখতেই দেখবেন সবাই পাচমিনিটের জন্য সেন্সলেস হয়ে গেছে, আর এই রঙের ড্রেসে তো ওকে পুরো টিয়াপাখি লাগবে!

শায়লা : আরে সবাইকে সেন্সলেস করতে হবে না শুধু রাহুলকে করতে পারলেই হবে,

রাহুলের মা : [ হেসে ] আচ্ছা! হ্যা তোমাদের ড্রেস গুলো ও দেখেনিও, আর সাথে তোমরা ও এমনভাবে সেজে এসো যাতে বাকি ছেলেদের তোমরাই সেন্সলেস করে দিতে পারো!

মার্জান : [ অবাক হয়ে ] আমাদের জন্য ও শপিং?

রাহুলের মা : হুমম! আরে রাহুলের শালী বলে কথা! তাই না স্নেহা? [ মুচকি হাসলো স্নেহা, বিশ্বাসই হচ্ছে না এসব তার ]

জারিফা : বাই দ্যা ওয়ে আন্টি, বাকিদের সেন্সলেস আমাদের করা লাগবে না আপনার এন্ট্রিতেই অর্ধেক ছেলে ফিদা হয়ে যাবে, একটু আগেই না কিভাবে সো্য়েগ দিয়ে চশমা খুললেন! আমি তো অলরেডিই ফিদা! ব্যাস আরেকবার সো্য়েগটা যদি দেখিয়ে দিতেন আন্টি! [ রাহুলের মা হেসে চশমায় ফু মেরে চোখে পড়ে নিলো ]

জারিফা : ওয়াহহ আন্টি ওয়াহহ!

রাহুলের মা : [ হেসে ] আচ্ছা এখন আসি! রাতে দেখা হচ্ছে!

স্নেহার মা : আরে এভাবে খালি মুখে?

রাহুলের মা : খুশিতেই পেট ভরে গেছে আর কি লাগে! আজ আসি অন্য একদিন নিশ্চয় খাবো!

[ তাকিয়ে রইলো স্নেহা, রাহুলের বাবা-মা সবাই হাসিখুশি ভাবে বিদায় নিয়ে বেড়িয়ে গেলো, স্নেহা দৌড়ে গেলো বারান্দায়, স্নেহার ফ্রেন্ডসরা ও পেছন পেছন এগিয়ে এলো ]

স্নেহা : [ এক্সাইটেড হয়ে ] গাইস্ আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না রাহুলের বাবা-মা একসাথেই..ইটস্ আন-বিলিভেবল!

শায়লা : আরে তোর চোখে পানি কেনো? তোর তো খুশি হওয়ার কথা!

স্নেহা : খুশি আমি অনেক অনেক খুশি! [ বলে নিচে তাকাতেই দেখে তিনটি গাড়ীর মধ্যে একটাই রাহুলের মা উঠেছে, আরেকটাই আলাদাভাবে রাহুলের বাবা, আরেকটা গাড়ী খালিই যাচ্ছে, অবাক হলো স্নেহা! এরাতো মিল হয়ে গেলো তাহলে আলাদা আলাদা যাচ্ছে কেনো, মার্জান বুঝতে পেরে স্নেহাকে টেনে ভেতরের রুমে নিয়ে চলে গেলো, হঠাৎ স্নেহার বাবা ও রুমে ঢুকলো ]

স্নেহার বাবা : [ স্নেহার চোখে পানি দেখে ] আরে স্নেহা! আবার কাদছিস কেনো? এখন তো সব ঠিক হয়েগেছে,

জারিফা : খুশিতে কান্না করছে আংকেল!

স্নেহার বাবা : [ মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ] না জেনে অনেক কষ্ট দিয়েছি তোকে, অনেক কঠোর কথা ও বলে ফেলেছি, যদি সম্ভব হয় মাফ করেদিস!

স্নেহা : আরে বাবা,তুমি কেনো মাফ চাইছো? আমি রাগ করিনি, ব্যাস একটু অভিমান করেছিলাম, কিন্তু এখন সেটাও চলে গেছে,
– [ মুচকি হেসে ] আর তুমি অন্তত অভিনয় না করলে পারতে,

স্নেহার বাবা : আরে তুই ওতো বললি না যে বাবা আমরা আজ বিয়ে করতে যাচ্ছি, তুমিও এসো দোয়া দিতে, তাই আমি ও ভাবলাম তোদের না বলে আমিও গিয়ে সারপ্রাইজ দিবো, [ জড়িয়ে ধরলো স্নেহা তার বাবাকে ]

জারিফা : আরে আংকেল, স্নেহাকে আজই সব কান্না করিয়ে নিবেন নাকি? কালকের জন্য ওতো কিছুটা বাচিয়ে রাখতে দিন!

শায়লা : আংকেল! সবাইকে ইনভাইট করা ওতো বাকি রয়েগেছে তাই না?

স্নেহার বাবা : আরে হ্যা! আমিতো ভুলেই গেলাম!

শায়লা : আপনিই যদি ভুলে যান তাহলে কিভাবে হবে আংকেল?

স্নেহার বাবা : আচ্ছা আমি আসি তোরা কথা বল! [ চলে গেলো স্নেহার বাবা ]

মার্জান : [ স্নেহাকে টেনে খাটে বসিয়ে ] আরে স্নেহা, আবার কি ভাবছিস?

স্নেহা : তোরা আগে থেকেই জানতি রাহুলের বাবা-মা আসবে তাই না? কিন্তু কিভাবে?

মার্জান : সব বলছি স্নেহা! রিলেক্স!

জারিফা : [ হেসে ] ফ্লাশবেক!

মার্জান : তুই আর রাহুল বেরুনোর পরপর আমরাও বেড়িয়ে পড়েছিলাম..

স্নেহা : কোথায়?

মার্জান : আ..আমি, শায়লা, আর ঐ যে ইডিয়ট একটা আছেনা,

শায়লা : আসিফ!

মার্জান : হ্যা! হ্যা যেটাই ওর নাম, [ জারিফা আর শায়লা হাসতে লাগলো ] তোরা আবার হাসছিস কেনো? শয়তানদের নাম মুখে না আনায় ভালো, আর আজকের এই শুভ দিনে তো মোটেও না,

শায়লা : আচ্ছা? তাহলে আজ তো ওর গাড়ী করেই ঘুরে এলি,

মার্জান : এক্সকিউজ মি! তোর জন্য! তোর জন্যই আমার ওর গাড়ীতে উঠতে হয়েছে, আমিতো চেয়েছিলাম, জারিফা আর রিদোয়ানের সাথে উঠতে কিন্তু তুই…

শায়লা : আরে লাভ আছে দেখেই তো [ আড়চোখে তাকালো মার্জান ] না না..মানে তুই,জারিফা, তোরা দুজনই একসাথে চলে গেলে আমি অতো কিছু বুঝতাম নাকি?তখন উল্টোপালটা কিছু যদি বলে ফেলতাম

মার্জান : [ একলাফেই ঝাপিয়ে ধরলো শায়লাকে ] কথা ঘুরাবিনা, বল কি লাভ আছে? নাহলে তো জানিষ আমি ক্লাস ফাইভে ক্যারাটিতে মেডেল পেয়েছি,

শায়লা : আরে ছাড়, ব্যাথা পাচ্ছি!

মার্জান : না বললে ছাড়ছি না,

শায়লা : আচ্ছা ছাড় বলছি, [ ছেড়ে দিলো মার্জান ] আস..আসলে..ও বলেছে যদি তোকে ওর গাড়ীতে বসাতে পারি, [ এক্সাইটেড হয়ে ] তাহলে রাহুলের গেইট ধরার সময় তোদের দিবে পঁচিশ পার্সেন্ট করে, আর বাকি পঞ্চাশ পার্সেন্ট ফুল আমাকে ওয়াও!

মার্জান : তুই আমার ফ্রেন্ড নাকি ওর, ঐ শয়তানটার ঘুষ খাচ্ছিস?

শায়লা : আরে তাতে প্রবলেম কি, যাই হোক ও বললো আমার ফিউচার জিজ…

মার্জান : থামলি কেনো বল? বলনা!

শায়লা : [ একলাফে খাট থেকে নেমে ] আমার ফিউচার জিজু হবে,

জারিফা : [ অবাক হয়ে ] ওয়াআওও!

মার্জান : দাড়া তুই! পালাচ্ছিস কোথায় [ বলেই দৌড়াতে লাগলো ]

স্নেহা : তোদের মারামারি হলে এবার বলবি ঘটনা কি?

মার্জান : [ দীর্ঘ একটি নিশ্বাস ছেড়ে খাটে এসে বসে ] বলছি ওয়েট! [ শায়লার দিক তাকিয়ে ] কিন্তু তোকে পড়ে দেখে নিবো,

স্নেহা : হ্যাঁ বাবা পরে সব দেখেনিস এবার তো বল,

মার্জান : আমি, শায়লা, আর ঐ শয়তানটা, আমরা গিয়েছিলাম রাহুলের মায়ের কাছে, শয়তানটাকে নিতামই না, নিতে হয়েছে কারণ আমরা তো আর রাহুলের মায়ের বাসা চিনি না তাই! তারপর ওখানে গিয়ে বসলাম, [ হেসে ] আন্টি সামনে আসার পর হাই-হ্যালো বলে বসে রইলাম, কারণ আমি ওনাকে ভেবেছি, নিশ্চয় রাহুলের বড় কোনো কাজিন টাজিন হবে,পরে ঐ শয়তানটা যখন আন্টি বললো তখনিই বুঝলাম যে নাহ এটাই রাহুলের মা, ওনার সামনে তো আমাদের নিজেকে খালাম্মাই মনে হচ্ছিলো, ভেবেছি রাগি-টাগি হবে, কিন্তু কথা বলে বুঝলাম না একদম রসমালাইয়ের মতো মিষ্টি,

স্নেহা : কি কথা বললি, যে ওনারা একসাথে আসার জন্য রাজি হয়ে গেছে,

মার্জান : আরে আমরা তো প্লান করেছি আলাদায় আসুক সমস্যা নেই, কিন্তু এইখানে আসলেই হলো, একত্রে আনার ক্রেডিট টা আরেকজনের,

স্নেহা : কার ক্রেডিট?

মার্জান : আরে বলছি বলছি, এতো অস্থির হচ্ছিস কেনো? সিরিয়ালি বলি,

স্নেহা : আচ্ছা!

মার্জান : তারপর রাহুলের মাকে বললাম, আন্টি আপনি কি রাহুলকে হারিয়ে ফেলতে চান? ওনি বলবে কখনোই না এটা আমার জানাই ছিলো,

– তারপর আমি বললাম রাহুল তো দেবদাস হয়ে গেছে আন্টি, ও কাল রাত থেকে ড্রিংক্স করছে তো করছে থামছেই না, আমাদের এটাও বলেদিয়েছে [ কাদোভাবে ] যদি ও স্নেহাকে না পায়, তাহলে সুইসাইড করবে, তখন আন্টির চোখগুলো রসগোল্লার মতোই হয়ে গেছে, ঐ চান্সে আমিও বললাম আপনি কি চান এটা ও করুক?

– আর ওনি বললো কখনোই না, কিন্তু স্নেহা আর ওর মাঝে তো সব ঠিকই চলছিলো হঠাৎ আবার কি হলো?

– তারপর আমি বললাম, না আন্টি নাহ, কিছুই ঠিক নেই, সব শেষ হয়ে যাচ্ছে, স্নেহার বাবা রাহুলকে বললো যেখানে তোমার বাবা-মা একসাথে সংসার করতে পারেনি সেইখানে তুমি আর আমার মেয়ের সাথে কি সংসার করবে, আমি তোমার সাথে স্নেহাকে বিয়ে দেবো না,

– তারপর আমি বললাম, আন্টি! রাহুল অনেক রিকোয়েষ্ট করলো কিন্তু স্নেহার বাবা মানলোই না, বরং স্নেহাকে আরো এটাও বলেদিয়েছে যদি ও রাহুলকে বিয়ে করে তাহলে চিরজীবনের জন্য ওর ঐ ঘরের দরজা বন্ধ থাকবে,

– তারপর আন্টি বললো এটা কেমন কথা ওরা দুজন-দুজনকে ভালোবাসে,

– তারপর আমি বললাম, কি করার আন্টি স্নেহা ও বাধ্য হয়ে তার বাবার কথা মেনে নিয়েছে, কিন্তু রাহুল বলছে সে স্নেহাকে ছাড়া…

স্নেহা : তারপর কি বলেছে বলনা?

মার্জান : তারপর আন্টি বলেছে, আমার রাহুল যা চাইনি তা সবকিছুই পেয়েছে, কিন্তু যেটা চাই সেটা থেকেই বঞ্চিত হয়েযায়, কিন্তু আমি বেচে থাকতে ওকে আর ওর চাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে দেবো না, আমিই বলবো স্নেহার বাবার সাথে কথা,

স্নেহা : কিন্তু রাহুলের বাবা?

মার্জান : সেটা জারিফা থেকেই শোন ও গিয়েছে,

জারিফা : আমিও আর কি তুই যেভাবে শিখিয়ে দিয়েছিস ঐভাবেই বললাম, রাহুল দেবদাস হয়ে গেছে, স্নেহাকে ছাড়া নাকি ও থাকতে পারবে না ব্লাহ ব্লাহ ব্লাহ, তারপর দাদী আর রিদোয়ান মিলেই কয়েকটা লাইন আরো বাড়িয়ে বলে দিয়েছে,

স্নেহা : [ অবাক হয়ে ] দাদী ও?

মার্জান : হ্যা! দাদী ও! দাদীকে রিদোয়ান আর ঐ শয়তান কি যেনো নাম ওর, যেটাই হবে, ওরা দুজন মিলে বুঝিয়ে দিয়েছে, তারপর দেখলাম দাদী তো আমাদের চেয়ে ডেরিং বেশী,

স্নেহা : মানে?

মার্জান : মানে রাহুলের মা যখন রাজি হয়ে আমাদের সাথে রাহুলের বাসায় আসলো, দাদী বললো একসাথে বিয়ের জন্য শপিং করে রাখা জিনিষ গুলো ও নিয়ে যেতে,

– তারপর রাহুলের মা কি বললো জানিস?

শায়লা : আরে! ও কেমনি জানবে?

মার্জান : বললো এগুলো একটাও যাবে না স্নেহার বাসায়, আমার একমাত্র ছেলে, ওর বিয়ের শপিং আমি নিজ হাতেই নিজ চয়েসে করবো,

শায়লা : কিন্তু স্নেহা! সবচেয়ে মজার ব্যাপার তো তখনি হয়েছে যখন রাহুলের বাবা আর মা সামনাসামনি হয়েছে,

স্নেহা : [ এক্সাইটেড হয়ে ] কি হয়েছে বলনা!

মার্জান : আরে আংকেল তো ফিরে তাকালো হলেও আন্টির দিক, কিন্তু আন্টি কি না এটিটিউড, আড়চোখে ও তাকালো না, চোখে সানগ্লাস পড়ে মডার্ণ ওয়াক দিয়ে গাড়িতে চলে যাচ্ছিলো,

– কিন্তু তখনিই দাদী বলে উঠলো, আরে তোমরা আলাদা আলাদা গেলে তো স্নেহার বাবা-মা এমনিতেও বুঝে যাবে,একসাথে গেলে হয়তো ওরা বুঝবে যে ওদের ধারণাটা ভুল! তখন আবার রিজেক্ট করে দিলে কি হবে আমার রাহুলটার? কিছুই তো করতে পারলা না জীবনে ওর জন্য! আজ না হয় তোমরা এইটুকুটা করো!

শায়লা : বাহ! কি অভিনয় ছিলো দাদীর! মাশাল্লাহ, মাশাল্লাহ!

মার্জান : ইয়েস্! তখনি আন্টি থেমে গিয়ে কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললো,স্নেহার বাসায় একত্রে ঢুকলেই হলো, কিন্তু গাড়ী! আমি আমারটাই উঠবো, কারো হেল্প এর প্রয়োজন নেই!

– তারপর আমি দাদীকে বললাম, দাদী এইটুকুতেই চলবে! কিন্তু তাড়াতাড়ি করুন রাহুল আসার আগে,

স্নেহা : তারপর বল, কি হলো?

মার্জান : তারপর দাদী বললো, আচ্ছা ঠিকাছে কিন্তু বিয়ের জিনিষপত্র গুলো তো নিয়ে যাও,

– তারপর আন্টি বললো, যাওয়ার পথে আমিই শপিং করে নিবো,

– তারপর আর কি আন্টি শপিং করে আসতে আসতে, এর আগে আমরা বাসায় এসে হাজির!

স্নেহা : রাত থেকে মাথায় এসব পাকাচ্ছিলি? কিন্তু তোরা আমাকে এসব কিছুই জানাসনি কেনো?

জারিফা : তোকে জানালে কি হতো! তুই এটাই বলতি,

– না,নাহ এসব করা ঠিক হবে না, যদি উল্টোপালটা কিছু হয়ে যায়, আরো ব্লাহ ব্লাহ কতো কি, হুহ!

মার্জান : হ্যা! তারপর আমরা তোর গায়েহলুদ, বিয়ে, আলাদা আলাদা প্রোগ্রাম খাওয়াটাও মিস করে দিতাম, [ হেসে ] সাথে তোর চিকনিচ্যামেলি শ্বাশুরীটাকে ও!

জারিফা : ওমা আমারতো তো ফাষ্টে দেখে বিলিভই হচ্ছিলো না, সিল্কি কুচি শাড়ী, চোখে কালো সানগ্লাস, কুড়ানো-কাড়ানো লম্বা ফিগার, সব মিলিয়ে পুরা কাট্রিনা কাইফই মনে হচ্ছিলো!

– [ উঠে দাঁড়িয়ে ] স্নেহা তুই আর তোর শ্বাশুরি মিলে না বিয়ের পর এই গানটায় ডান্স করতে পারবি ♪ মাই নেইম ইজ, শিলা~শিলা কি জাওয়ানি, আম টু সেক্সি ফর ইউ, মে তেরে হাতে না আনি ♪ [ হাসতে লাগলো সবাই ]

স্নেহা : থেংক ইউ! গাইস্ এসব আমি কখনো এক্সপেক্ট করিনি!

জারিফা : [ জড়িয়ে ধরে ] আরে স্নেহা! আমরা এসব করেছি যাতে, তোর বিয়েতে মন খারাপ না থাকে, হাসিখুশিতেই সব হয়, আর তুই কিনা কাদছিস!

স্নেহা : তোদের সাথে থেকে আমার বোন নেই এটা কখনোই ফিল হয়নি! আর আজ প্রুভ ও করেদিয়েছিস তোদের চেয়ে বেটার বোন, বেটার ফ্রেন্ড,আর কেউ হতেই পারবে না!

মার্জান : আরে আরে,দুলহান এখন থেকেই আমাদের ইমোশনাল করে দিচ্ছে,

শায়লা : বাই দ্যা! ওয়ে স্নেহা! এখন কাদলে রাতে ফেইস ফেকাসে দেখাবে, আর তোর চিকনিচ্যামেলি শ্বাশুরিই তো দেখলি কি বলে গেলো, সাজে যাতে কোনো কমতি না হয়, [ স্নেহা হেসে তিনজনকেই জড়িয়ে ধরলো ]

মার্জান : ব্যাস! স্নেহা! আমাদের শুধু এখন তোর মিষ্টার তেডি স্মাইলকেই নিয়ে ভয়, আমরা যে এসব মিথ্যে বলেছি…

স্নেহা : [ হেসে ] ওকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না, ঐ ওতো চাইছিলো যে ওর বাবা-মা একসাথে হয়ে যাক,

শায়লা : কিন্তু একসাথে হলো কই?

স্নেহা : আচ্ছা আমি আসছি! রাহুলকে কল দিয়ে [ বলেই ফোন হাতে নিয়ে রাহুলকে কল দিয় বারান্দায় চলে গেলো ]

রাহুল : [ রিসিভ করে ] কি ব্যাপার! সুইটহার্ট মিস্ করছিলে আমায়! আমি জানতাম তুমি আমার সাথে রেগে থাকতে পারবে না!

স্নেহা : মোটেও মিস্ করছিলাম না আপনাকে!

রাহুল : আচ্ছা! তুমি তো এতোদিন শান্ত,নরম মনের তুলতুলে ছিলা,আজ হঠাৎ এতো কুড়কুড়ে স্পাইসি্ হয়ে গেলা কিভাবে বলো তো?

স্নেহা : আচ্ছা! শুনেন আমি না আপনার সাথে দেখা করবো! তাও এক্ষুণি! আপনি যেখানেই হোন আমি অতো কিছু বুঝি না কোনো বাহানাও চলবে না, ব্যাস এক্ষুণিই আসবেন!

রাহুল : হোয়াট? কিক..কিন্তু মাত্রই তো তোমাদের ঐখান থেকে এলাম!

– আচ্ছা বুঝেছি! ঐ যে কিস্ দাওনি ওটা দেওয়ার জন্য? [ হেসে ] রিলেক্স স্নেহা! আজ রাতে না হয় দিয়ে দিবা!

স্নেহা : আপনার কাছে নিগেটিভ কথাগুলো ছাড়া আর কিছু মাথায় আসে না?

রাহুল : কামঅন স্নেহা! এটা রোমান্টিক মোমেন্টের রোমান্টিক কথা ছিলো,

– আর এমনিতেও নিগেটিভ এর আমি এখনো কিছু বলিনি, [ হেসে ] আচ্ছা বলবো নাকি? তুমি চাইলেই আমি বলতে পারি, আমার কোনো প্রবলেম নেই!

স্নেহা : আমি মজা করছি না!

রাহুল : আরে! তো আমি কবে বললাম আমি মজা করছি!

স্নেহা : আপনি আসবেন কি আসবেন না?

রাহুল : সিরিয়াসলি?

স্নেহা : আরে হ্যা! তো বাবা, সিরিয়াসলি!

রাহুল : আম নট ইউর বাবা! ইউ কেন কল মি সুইটহার্ট!

স্নেহা : রাখছি আমি ফোন!

রাহুল : [ হেসে ] আরে আরে! রেগে যাচ্ছো কেনো! আসছি! আমি,

– আজ আমাকে তুমি তোমার বাসায় যাওয়ার রাস্তাগুলোর মধ্যে গাড়ী দিয়ে জগিং করিয়ে নিচ্ছো!

স্নেহা : হ্যা! এগুলো যাতে আপনার বিয়ের পরেও মনে থাকে,

রাহুল : হ্যা তাতো থাকবেই! আচ্ছা শুনো আমি তো আসছিই, আমার কিসটা ও কিন্তু দিতে হবে বলেদিলাম!

স্নেহা : বাইই! [ হাসতে লাগলো রাহুল, স্নেহা ও মুচকি হেসে কেটে দিলো ফোন ]

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ