#হৃদয়ের গভীরে যে তোমারই নাম প্রিয়সী
#পর্বঃ১২
#পাপড়ি জাহান
বাসর রাত প্রত্যেক মেয়ের জীবনে এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতির রাত। এটি শুধু শারীরিক নয়, বরং মানসিক, আবেগিক ও সামাজিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এই রাত জীবনের একটি বিশেষ অধ্যায় হিসেবে স্বপ্ন, আশা ও নতুন জীবনের শুরু বয়ে আনে।প্রতিটি মেয়ে এই রাতে নতুন দায়িত্ব, স্বপ্ন আর ভালোবাসার সংমিশ্রণ অনুভব করে। ঘরের আলোকিত পরিবেশ, ফুলের সুবাস, সাজানো বিছানা—সবকিছু এক সঙ্গে তার জীবনে এক নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে প্রবেশ করে।লাল গোলাপ ও বেলিফুলের সজ্জিত একটি খাটে মেহের বসে আছে।কিছুক্ষণ আগে নিরা তাকে আয়মানের রুমে বসিয়ে দিয়ে গেছে।প্রচন্ড লজ্জার কারনে বার বার ওর পুরো শরীর কেপে কেপে উঠছে। তীব্র এসির বাতাসের ভিতরও ওর শরীর ঘেমে টেমে একাকার হয়ে গেছে।জোরে জোরে ও শ্বাস টানতে লাগল।আয়মানের দাদী বাসর রাতের সকল নিয়ম- কানুন মেহরকে বুঝিয়ে দিয়েছেন।মেহের একবার আয়নার সামনে গিয়ে নিজেকে ঠিক করতে লাগল।ও চায় না আয়মানের কাছে অপরিপাটি অবস্থায় যেতে।যদিও সবকিছু ঠিকঠাক ছিল তবুও মেহের নিজের উওেজনা সামলাতে না পেরে নিজেকে পরিপাটি করতে লাগল।
ঘরির দিকে তাকিয়ে দেখল রাত ১২ টা বাজে তাই মেহের আবারও গিয়ে খাটে বসল।আয়মান হন্তদন্ত হয়ে বাসর ঘরে ডুকল।দরজাটা ঠাস করে বন্ধ করে দিল।
মেহের কিছুটা চমকে উঠল।আয়মান ধীরে ধীরে মেহেরের পাশে এসে বসল।মেহের তা দেখে বিছানার চাদর খামছে ধরল।আয়মান মেহেরের দিকে তাকিয়ে বাকা হাসল।তারপর সালাম দিল।
আসসালামু আলাইকুম বিবিজান….
মেহের কাপতে কাপতে বলল
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
আয়মান এবার বলল তোমার ঘোমটা খুলে কি তোমায় দেখতে পারি?
মেহের মাথা নাড়িয়ে বুঝাল হ্যা দেখতে পারেন।
আয়মান আর একমূহর্তো দেরি না করে মেহেরের ঘোমটা তুলে দিল।মেহের মাথা নিচু করে নিজের শাড়ির আচলে আঙ্গুল পেচাচ্ছে।আয়মান মেহেরের মুখটা উপরে তুলে নেশা ভরা কন্ঠে বলল মাশআল্লাহ আমার মেহেরজানকে বিশন সুন্দর লাগছে।মনে হচ্ছে আমার ঘরে আসমান থেকে হুর নেমে এসেছে।যে তার রুপ দিয়ে আমায় পাগল করে দিচ্ছে।
মেহের আয়মানের এমন কথা শুনে লজ্জায় মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া ধরলে আয়মান মেহেরকে সামলে নিল।ওর মুখ বরারবর মেহেরকে নিজের কোলে বসিয়ে মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে রইল।হঠাৎ বলল আমাকে কেমন লাগছে বলবে না মেহের?
মেহের আস্তে চোখ তুলে আয়মানে দিকে তাকাল।কিন্তু বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকতে পারলোনা।কারন আয়মান নেশা খোরের মত তাকিয়ে ছিল।মনে হচ্ছিল মেহের তার নেশা যার মাঝে আজ সে ডুবতে চাই।নিজেকে কোনমতে সামলিয়ে আয়মান বলল;
একগ্লাস পানি খাওয়াবে মেহের।
মেহের অবাক হয়ে একগ্লাস পানি দিল।আয়মান ঢক ঢক করে খেল।তবুও ওর অস্থিরতা কমছেনা।
আলমাড়ি থেকে একটা শাড়ি বের করে বলল মেহের যাও গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এই শাড়িটা পরে এসো।
আয়মানের কথায় মেহের নিজের গহনা খুলতে লাগল।আয়মান হঠাৎ করে বলল;
ওয়েট
মেহের চোখ পাকিয়ে বলল;
কি?
আয়মান মেহেরকে আয়নার সামনে বসিয়ে গহনাগুলো একে একে খুলে দিতে লাগল।আয়মানের এমন স্পর্সে মেহের কাল বৈশাখীর ঝড়ের মত শ্বাস টানতে লাগল।
আয়মান তা দেখে মজা করে মেহেরের কপালে চুমু খেল।মেহেরের তো এবার জান জায় অবস্থা।কোন মতে নিজেকে সামলালো।
কিছুখন পর মেহের ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে বের হল।ওর চুল থেকে টপ টপ করে পানি পরছে।আয়মান ধীর পায়ে এগিয়ে যেতে লাগল।মেহের পেছাতে পেছাতে দেয়ালের সাথে গিয়ে লাগল।আয়মান মেহেরের কাছে এসে যেই না ওকে স্পর্স করতে যাবে তার আগেই মেহের চিৎকার করে বলল ;
আমি ওযু করে এসেছি।প্লিজ আমায় স্পর্স করবেননা।
আয়মান মেহেরের এমন বাচ্চামো দেখে হো হো করে হেসে দিল।
তোমাকে ছুতে না মেহের। তোমার চুলগুলো মুছে দেওয়া জন্য এগিয়ে এসেছিলাম।তবে তুমি তো খুব ফাস্ট বলেই চোখ টিপ দিয়ে বলল হবে নাকি বাসর আজ…
মেহের আয়মানের বুকে মুখ লুকিয়ে বলল ;
ধ্যাত চুপ করুনতো।
আয়মান হেসে বলল ;
চল এবার নামাজ পরি।
মেহের গিয়ে দেখল আয়মান দুটো জায়নামাজ বিছিয়ে রেখেছে।ব্যাগ থেকে নামাজের হিজাব পরে মেহের নামাজে দারাল।আয়মানও দারাল নামাজে।দুজন মিলে তাদের নতুন জীবনের জন্য দোয়া করল।
নামাজ শেষ করে আয়মান মেহেরকে নিয়ে বারান্দায় গেল।আয়মান গালে হাত রেখে মেহরকে দেখছে।আর মেহের লজ্জায় শেষ হয়ে যাচ্ছে।হঠাৎ আয়মান মেহেরের কপালে হাত রেখে দোয়া পরল।
মেহের মুগ্ধ নয়নে আয়মানকে দেখতে লাগল।আচ্ছা লোকটা তো এত সুন্দর কেন? তার উপর এত ভালো কেন?
দোয়া পরা শেষ হলে আয়মান নিজের পকেট থেকে হিরের একজোড়া নুপুর বের করে মেহেরের পায়ে পড়িয়ে দিল।তারপর হিরের একটা আংটি বের করে মেহেরের আঙ্গুলে পরিয়ে দিল।অনামিকা আঙ্গুল শব্দ করে একটা চুমু খেয়ে বলল ;
কিহ ম্যাম পছন্দ হয়েছে গিফট?
হুম ভিষন পছন্দ হয়েছে নেতা সাহেব।বলেই মেহের উঠে গিয়ে ট্রলি ব্যাগ থেকে একটা প্যাকেট বের করে আনল।আয়মান সেদিকে অবাক নয়নে তাকিয়ে রইল।
মেহের পেকেট থেকে একে একে ৬ টা হাতের কাছে সাদা ধবধবে পান্জাবি ;সাথে ৩ টা রুমাল ;২ টা জায়নামাজ; সাথে একটা তজবি; কয়েকটা দামি ব্রান্ডের শার্ট সাথে ৪ টা ঘরি;২ টা পারফিউম ; বের করল।
এগুলো সব আপনার জন্য আমি নিজ হাতে বানিয়েছি+ কিনেছি নেতাসাহেব।বলুতো দেখি পছন্দ হয়েছে কিনা।
আয়মান খুশিতে মেহেরকে জরিয়ে ধরে বলল অসম্ভব রকমের পছন্দ হয়েছে মেহেরজান।যা বলে বুঝাতে পারব না।
মেহেরও আয়মানকে জরিয়ে ধরল।আয়মান মেহেরের কপালে চুমু খেয়ে পকেট থেকে একটা খাম বের করল।
এটা তোমার মেহের….
এতে কি আছে নেতাসাহেব?
তোমার মোহরনার টাকা আছে মেহরজান।
কত টাকা?
বেশি না মাত্র ৩০ লাক্ষ। যেটা কাবিন নামায় লেখা ছিল সেটায় তোমাকে দিয়েছি।
কিন্তু এতটাকা দিয়ে আমি কি করব?
আমি কি জানি।
আপনার কাছে রাখুন দরকার হলে চেয়ে নিব
নাহ আমার রানি এটা আমার কাছে রাখা যাবে না।
কেন কারন আল্লাহ অনুমতী দেয়নি।এটা তোমার হক মেহেরজান।তাই তোমার কাছে রাখ।
মেহের মুখ গোমরা করে বলল ওকে। তারপর ট্রলি ব্যাগে রাখল।আয়মান সেদিকে তাকিয়ে হাসল।
আয়মান মেহেরকে কোলে তুলে নিয়ে ছাদে উঠল।মেঝেতে একটা মাদুর পেতে সেখানে মেহরকে বসাল।আর ও ধপ করে মেহেরের কোলে শুয়ে পরল।
আয়মান মেহের হাত নিজের বুকের মাঝে নিয়ে চোখ বন্ধ করে রইল।
তুমি আমার অচেনা ভোরের শুভ্রপরি মেহের।আমি তোমাকে অনেক কাঠখোর করে পেয়েছি।তাই প্লিজ কখনো আমাকে ছেড়ে যেওনা।বলতে আয়মানের চোখ থেকে পানি পরল।
মেহের অবাক চোখে তাকিয়ে বলল,
— “নেতা সাহেব… আপনি কাঁদছেন?”
আয়মান মৃদু হেসে চোখের কোণে জমে থাকা অশ্রু মুছে বলল,
— “হয়তো…”
মেহের আরও অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল,
— “কিন্তু কেন?”
আয়মান দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বলল,
— “মা-বাবার কথা মনে পড়ছে, মেহের। তারা আজ বেঁচে থাকলে কতটা খুশি হতেন, তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না। খুব অল্প বয়সে ওনাদের হারিয়েছি। মা… নিরাকে জন্ম দিতে গিয়েই মারা গেলেন। আর বাবা… মায়ের শোকে আস্তে আস্তে ধুকে ধুকে শেষ হয়ে গেলেন।”
মেহেরের বুকটা হঠাৎ কেপে উঠল।
আচ্ছা রোদ ভাইও কি এমন করে মারা যাবে? নাহ নাহ কি ভাবছি এসব আমি।আমাকে খুব দ্রুত রোদ ভাইকে বিয়ে করাতে হবে যাতে সুহানা ভাবিকে ভুলতে পারে।
আয়মান তাকিয়ে বলল,
— “কি ভাবছ মেহের?”
মেহের তাড়াতাড়ি নিজেকে সামলে নিয়ে মৃদু হাসল,
— “তেমন কিছু না, নেতা সাহেব…”
আয়মানও হেসে বলল,
— “ওহ আচ্ছা।”
তারপর কিছুক্ষণ নীরবতা। বাতাসে কেমন একটা ভারি আবহ ছড়িয়ে পড়ল।
আয়মান আস্তে বলল,
— “মেহের…”
মেহের তাকাল তার দিকে,
— “হুম?”
আয়মান একটু থেমে, গভীর স্বরে বলল,
— “তুমি জানো মেহের, তোমাকে দেখলে আমার মনে হয় জীবনটা বুঝি এখনও সুন্দর… সব হারিয়েও আমি তোমার মাঝে শান্তি খুজে পায়।
তোমাকে নিয়ে বাচার অনেক ইচ্ছা আছে।তোমাকে দেখলে আমি বাচার জন্য শক্তি পায়।
মেহের স্তব্ধ হয়ে রইল। তার বুকের ভেতরটা কেমন জানি হালকা হয়ে গেল, চোখে একচিলতে জল আর ঠোঁটে নরম এক হাসি।
— “সত্যিই আমি আপনার জীবনে এতটা গুরুত্বপূর্ণ ?” —
আয়মান মৃদু হাসল, চোখে এক অদ্ভুত মায়া নিয়ে বলল,
— “হ্যাঁ,। তোমার মতো কাউকে পেলে মানুষ আবার বাঁচতে শেখে, আবার হাসতে শেখে।”
মেহের চোখ নামিয়ে নিল, গাল গরম হয়ে উঠল।
আয়মান কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। বাতাস থেমে গেল, চারপাশের নীরবতা যেন তাদের কথার অপেক্ষায়। তারপর গভীর স্বরে, কিন্তু কাঁপা কণ্ঠে বলল —
— “ভালোবাসি, মেহেরজান…” 💗
মেহের যেন এক মুহূর্তে জন্য থমকে গেল। চোখ পিটপিট করে তাকাল, যেন বুঝতে পারছে না — সত্যি শুনল তো?
আয়মানের চোখ তখনও তার চোখে আটকে আছে, নিঃশব্দে সব বলে দিচ্ছে।
মেহেরের বুকের ভেতরটা কাঁপছে, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে। ধীরে ধীরে বলল,
— “আয়মান… আপনি জানেন কি, এই একটা শব্দ শোনার জন্যই আমি কতদিন অপেক্ষা করেছি…”
আয়মান হালকা হাসল,
— “তাহলে আজ থেকে অপেক্ষা শেষ, মেহেরজান।”
মেহের আবারও লজ্জা পেয়ে চুপ করে রইল। চোখ নামিয়ে ফেলল, গাল দুটো হালকা গোলাপি হয়ে উঠল। আঙুলের ডগা দিয়ে চুলের একপাশ নাড়তে লাগল,।
আয়মান নরম স্বরে বলল,
— “চুপ কেন, মেহেরজান? কিছু বলবে না?”
মেহের আস্তে বলল,
— “কি বলব… যখন হৃদয়টাই থমকে যায়,তখন মুখে থেকে আর কোন শব্দ বের হয় না।”
আয়মান মৃদু হেসে মেহেরের হাতে চুমু খেয়ে বলল,
— “তাহলে আমি ধরেনিলাম তোমার নীরবতাকেই উত্তর হিসেবে।”
তারপর দু’জন ধীরে ধীরে গল্পে মেতে উঠল।
আয়মান মৃদু কণ্ঠে নিজের ছোটবেলার স্মৃতিগুলো শেয়ার করল। মেহেরও হেসে হেসে নিজের বেদনা, আনন্দ আর মিস করা মুহূর্তগুলো খুলে বলল।চাদের আলোর হালকা ছায়ায়, দু’জনের কথা যেন একে অপরের হৃদয়ে পৌঁছে যাচ্ছিল। সময় যেন থমকে গিয়েছিল। আকাশের তারা নিঃশব্দে ঝলমল করছিল, আর চাঁদ দু’জনের মুখে উজ্জল আলো ফেলছিল।হঠাৎ আয়মান নরম স্বরে বলল,
— “এভাবেই থাকতে চাই তোমায় নিয়ে, মেহেরজান। কোন অভিমান না, কোন দূরত্ব না — শুধু তুমি আর আমি।”
মেহের চোখ বন্ধ করে নিঃশব্দে মাথা নাড়ল।
তারপর বলল,
— “যদি এভাবেই থাকা যায়… তাহলে আমি আর কিছু চাই না।” 💞
———-
রাত তখন অনেক গভীর। চারপাশে নীরবতা, শুধু জানালার পর্দা ছুঁয়ে হালকা বাতাস ঢুকছে ঘরে। বিয়ের সব কাজ শেষ করে ক্লান্ত শরীর নিয়ে নিরা এসে নিজের বিছানায় শুয়ে পড়ল। কিন্তু চোখে একফোঁটাও ঘুম নেই।
তার মাথায় শুধু একটা মুখ—রায়ান। ছোট্ট ছেলেটার নিষ্পাপ মুখ, তার “মাম্মা” বলে ডাক, সেই মিষ্টি হাসি—সবকিছু ঘুরে ফিরে নিরার কানে বাজছে।
হঠাৎ বুকের ভেতরটা ভারি হয়ে এল। নিরা মুখটা বালিশে লুকিয়ে কাদতে কাদতে বলল—
— “রায়ান… তুই জানিস না বাবা, আমি কতটা তোকে ভালোবাসি।”
তারপর থেমে থেমে কাঁপা গলায় বলল—
— “কিন্তু কিছু করার নেই রায়ান। তোর পাপ্পাকে ভালোবেসেছিলাম, অথচ সেটা ভুল ছিল। ইসলামে তো বিয়ের আগে কোনো পুরুষকে ভালোবাসা হারাম। আমি ভুল করেছি বাবা… তাই হয়তো আল্লাহও আমার স্বপ্নটা পূরণ হতে দিল না।”
একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল তার বুক থেকে।
চোখ বন্ধ করে নিরা আস্তে করে বলল—
— “রায়ান বাবা, আমার মনে হয় আর কখনও তোর মাম্মা হওয়ার স্বপ্নটা পূরণ হবে না…”
নিরা ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করল। ভেতরে একটা অপরাধবোধ, একটা অসমাপ্ত ভালোবাসা, আর এক মায়ের মতো টান—সব মিলে এক নিঃশব্দ কান্নায় ভেসে গেল রাতটা।যেখানে জানান দিচ্ছিল।ভালোবাসা কখনও কখনও শুধু অনুভবেই থেকে যায়, বাস্তবে নয়।
নোটঃ যা যা মনে করলে শিরক হয়……..🌹
৫৬) রাতের বেলা কাউকে চুন ধার দিলে চুন না বলে দই বলতে হয়।
৫৭) বিনা ওযুতে বড় পীর আবদুল কাদের জিলানীর নাম নিলে আড়াইটা পশম পড়ে যায় মনে করা।
৫৮) হাশরের দিন পীরগন মুরিদের জন্য সাফায়াত করবে মনে করা।
৫৯) নতুন স্ত্রীকে দুলা ভাই কোলে করে ঘরে আনতে হবে মনে করা।
৭১) রাতে বাঁশ কাটা যাবে না। রাতে গাছ থেকে ফল পাড়া উচিত না মনে করা।
৭২) মাথা নেড়া রাখা নেকির কাজ মনে করা।
৭৩) কোন বিশেষ পাখি দেখলে বা ডাকলে আত্মীয় আসবে মনে করা
৭৪) বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার সময় খালি কলস, কালো বিড়াল, ঝাড় দেখলে যাত্রা অশুভ মনে কারা।
৭৫) খাওয়ার পর যদি কেউ গা মোচড় দেয়, তবে খানা কুকুরের পেটে চলে যায় মনে কারা।
৭৬ ঘর থেকে বের হয়ে পিছন দিকে ফিরে
তাকানো বা ডাকা অশুভ মনে করা
৭৭) ভাই-বোন মিলে মুরগী জবেহ করা যাবে না মনে কারা।
৭৮) রাতের বেলা কাউকে সুই-সূতা দিতে নাই মনে করা।
৭৯) গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে সেলাই করতে নাই মনে করা।
৮০) খালি ঘরে সন্ধ্যার সময় বাতি দিতে হয়। না হলে ঘরে বিপদ আসে মনে করা।
