Friday, June 5, 2026







মেঘবৃক্ষ পর্ব-০৩

#মেঘবৃক্ষ
#পর্ব_৩
#মুন্নি_আক্তার_প্রিয়া
________________
সকালের কুসুমরাঙা মিষ্টি রোদের আলো এসে বিছানার ওপর পড়েছে। সেই সাথে কিছুটা ছুঁয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে প্রীতিকেও। চোখে-মুখে রোদ লাগায় প্রীতি বন্ধ চোখ দুটো আরো কুঁচকে ফেলল। বিরক্ত হয়ে তাকাল জানালার দিকে। গতকাল রাতে ইলেক্ট্রিসিটির সমস্যা হচ্ছিল বলে জানালার থাই লাগানো হয়নি। পর্দাগুলোও আধখোলা অবস্থায় ছিল। এরপর যে কখন ঘুমিয়ে পড়েছে টেরও পায়নি। পর্দা টেনে দিতে গিয়ে একটু ওয়াশরুমে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করল। ঘুমটাও ঠিক কেটে গেল তখনই। ফ্রেশ হয়ে ফোন হাতে নিয়ে দেখল মাত্র সাড়ে আটটা বাজে। আজ ক্লাস টেস্ট ছিল। কিছুই পড়েনি। তাই পরীক্ষা দেওয়ারও ইচ্ছে নেই। তার আসলে পড়াশোনা করারই কোনো ইচ্ছে নেই। শুধুমাত্র মায়ের জন্য পড়তে হচ্ছে। পড়াশোনা, জীবন এসবের প্রতি প্রীতির এখন বড্ড অনিহা। তবে মাঝে মাঝে ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়েও অনেক কিছুই করতে হয়।

ফোনটা রেখে ঘুমানোর প্রস্তুতি নেবে তখন রিংটোন বেজে উঠল। স্ক্রিনে রিজভীর নাম ভেসে উঠেছে। ফোন রিসিভ করল প্রীতি,

“বলুন।”

ওপাশ থেকে রিজভীর বিরক্তিমাখা চাপা কণ্ঠস্বর ভেসে এলো,

“ঘুমাচ্ছিলে?”

“উঁহু! ঘুম ভেঙে গেছে।”

“দেখা করো আজ।”

“কেন? গতকালই তো দেখা করলাম।”

“রুমে না। কোনো রেস্টুরেন্ট।”

“কী দরকার?”

“দেখা হলেই বলব। সময় আর ঠিকানা একটু পর মেসেজ করে দিচ্ছি।”

“আচ্ছা।”

ফোন রাখার পর প্রীতি কিছুক্ষণ বসে রইল। রিজভীর সাথে প্রীতির পরিচয় খুব বেশিদিনের নয়। পরিচয়টাও খুব অদ্ভুতভাবেই হয়েছিল। ট্রেনে। মামার বাড়ি থেকে আসার সময় দুজনের সিট ছিল পাশাপাশি। স্টেশনে প্রীতির ফোনটা চুরি হয়ে যায়। ভয়ে এত কাঁদছিল তখন ও! রিজভী বিব্রত ভঙ্গিতে প্রীতিকে সান্ত্বনা দিচ্ছিল। কান্না কিছুটা কমে এলে রিজভীর ফোন দিয়েই বাড়িতে যোগাযোগ করেছিল। এবং কিছুটা অদৃশ্য দায়বদ্ধতা থেকেই রিজভী সেদিন প্রীতিকে বাড়ি অবধি পৌঁছে দিয়েছিল। এরপর অনেকদিন কেটে গিয়েছিল। হঠাৎ করেই প্রীতির একদিন রিজভীর কথা মনে পড়ে। লোকটাকে ঠিকমতো ধন্যবাদও জানানো হয়নি। ফোন চুরি হয়েছিল বিধায় তারিখটা খুব ভালো করেই মনে ছিল প্রীতির। তাই মায়ের ফোনে সেই তারিখটা খুঁজে খুঁজে রিজভীকে কল করেছিল। প্রথমে বেশ নার্ভাস থাকলেও কীভাবে যেন সাহস জুগিয়ে দেখা করার কথা বলে ফেলেছিল প্রীতি নিজেই। রিজভীও রাজি হয়ে গিয়েছিল। এরপর কফিশপের সেই কফির আড্ডা থেকেই দুজনের নিয়মিত কথা হতে থাকে। দেখাও করত দুজনে ঘনঘন। প্রীতির ভীষণ ভালো লেগে যায় রিজভীকে। সে তখনো জানতো না, রিজভী যে বিবাহিত। সে বুঝতে পারত, রিজভীও প্রীতিকে পছন্দ করে। অবশ্য পছন্দ না করারও তো কোনো কারণ নেই। কেননা প্রীতি দেখতে যথেষ্ট সুন্দরী, স্মার্ট। যেকোনো ছেলেরই ভালো লাগবে। কিন্তু তবুও মনের ভেতর একটা ভয় ছিল। সেই ভয় থেকেই প্রীতি রিজভীর থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চাইত। কিন্তু ততদিনে রিজভী নিজেও প্রীতির জন্য পাগল হয়ে গেছে। ঝুমবৃষ্টির একদিনে প্রীতিকে ডেকে রিজভী নিজের মনের কথাগুলো বলে দেয়। প্রথমে প্রীতি নির্বাক থাকলেও পরক্ষণে নিজের মনে দানা বেঁধে থাকা ভয়ের কথা মনে করে সত্যিটা বলে দেয়।

এসএসসির পর প্রীতির গ্রামে এক ছেলের সাথে বিয়ে হয়। সুন্দরী বলে খুব ছোটো থেকেই বিয়ের প্রস্তাব আসতো। এক পর্যায়ে গিয়ে বাবা-মা প্রীতিকে গ্রামের এক প্রভাবশালী ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে দেন। বিয়ের পর সব কিছু খুব সুন্দরমতোই চলছিল। স্বামী, সংসার, পড়াশোনা সব বেশ মানিয়ে-গুছিয়ে চলার চেষ্টা করছিল প্রীতি। সে যখন ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে ওঠে তখন বাচ্চা নেওয়ার চেষ্টা করেও কোনো লাভ হচ্ছিল না। পরীক্ষা করার পর জানতে পারে সমস্যা আসলে প্রীতির। সে কখনো মা হতে পারবে না। শ্বশুরবাড়ির সকলের চোখের বিষ হয়ে ওঠে তখন প্রীতি। এমনকি স্বামীও তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে থাকে। হঠাৎ করেই যেন প্রীতির জীবনে কালবৈশাখী ঝড় নেমে এসেছিল। স্বামী প্রীতিকে ডিভোর্স দিবে জানায়। এত সৌন্দর্যও স্বামীকে ধরে রাখতে পারেনি। সত্যি সত্যিই প্রীতিকে ডিভোর্স দিয়ে অন্য আরেকটা বিয়ে করে সেই ছেলে। তারা প্রভাবশালী বলে প্রীতিরা কিছু করতেও পারে না। এই ঝড় কেড়ে নেয় প্রীতির বাবাকেও। ডিভোর্সের তিন মাস পর প্রীতির বাবাও মা’রা যায়। মা পারভীন বেগম তখন প্রীতিকে নিয়ে অথৈ সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন। প্রীতির বড়ো মামা তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। ঢাকায় নিজেদের পুরনো হাফ বিল্ডিং বাড়িটা ওদের থাকতে দিয়ে দেয়। মাসে মাসে খরচও দেয়। গ্রাম থেকে ছোটো মামা ফসলাদি পাঠায়। পাশাপাশি পারভীন বেগম সেলাইয়ের কাজ করেন। একটা ছোটো টেইলার্সের দোকান আছে তার। প্রীতির পড়াশোনা বন্ধ ছিল দুই বছর। মামাদের এবং মায়ের জন্য প্রীতি আবারও কলেজে ভর্তি হয়েছিল। মূলত এসব কিছুর জন্যই প্রীতির পড়াশোনা ও জীবনের প্রতি কোনো আগ্রহ নেই। কিন্তু রিজভী এসে যেন আবার নতুন করে প্রীতিকে বাঁচতে শিখিয়েছে। সব জেনেও সে প্রীতিকে মেনে নিয়েছে। কথা দিয়েছে তার বাচ্চা লাগবে না। শুধু প্রীতিকে পেলেই সে খুশি।

প্রীতির সাথে কথা হওয়ার পর থেকেই মেঘার সাথে সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করেছিল রিজভীর। রিজভী তখনো বুঝতে পারছিল না সে কী করবে। একদিকে সে প্রীতির প্রেমে মগ্ন হয়ে গেছে, অন্যদিকে মেঘার প্রতি তার অনিহা তৈরি হয়েছে। প্রীতির সঙ্গে সে প্রথম রাত কাটানোর পরই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় যে, সে প্রীতিকেই বিয়ে করবে এবং মেঘাকে ডিভোর্স দেবে। কিন্তু এর আগে প্রীতিকে সত্যিটা বলতে হবে। সত্যি জানার পর প্রীতির কী রিয়াকশন হবে এটা ভেবেই ভয় পাচ্ছিল রিজভী। একদিন সাহস করে দুজনে ইন্টিমেটের পর রিজভী সত্যিটা বলে দেয় এবং ক্ষমাও চায় এতদিন সত্যিটা লুকানোর পর। প্রীতি সেদিন রাগ করে চলে যায়। রিজভীর কোনো কথাই শোনে না। কিন্তু পরক্ষণে ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখে, রিজভীকে তার প্রয়োজন। হোক সে বিবাহিত কিন্তু টাকা তো আছে। ভালো জব করে, দেখতে হ্যান্ডসাম। এবং প্রীতি মা হতে পারবে না জেনেও সব মেনে নিয়েছে, বিয়ে করতে চাচ্ছে। তাহলে আর কী লাগবে? প্রীতি তখন ফোন করে জানায়, সে রিজভীকে বিয়ে করবে কিন্তু একটা শর্তে। মেঘাকে আগে ডিভোর্স দিতে হবে। প্রীতি না বললেও রিজভী মেঘাকে ডিভোর্স দিত। তাই শর্ত শুনে মনে মনে হেসেছিল সেদিন রিজভী।

মেঘাকে ডিভোর্সের কথা বলার পর মেঘা শুধু অবাক হয়ে তাকিয়েই ছিল। এরপর কান্না করে অনেক আকুতি-মিনতি করেছিল। বারবার চাচ্ছিল সংসারটা বাঁচাতে। কিন্তু রিজভী ওর সিদ্ধান্তে অটল ছিল। সে ডিভোর্স দেবেই। তখনই একদিন প্রীতি ওকে একটা বুদ্ধি দেয়। বুদ্ধি না বলে কুবুদ্ধি বলাটাই হয়তো বেশি মানানসই হবে। প্রীতি জানায়, মেঘাকে এখনই ডিভোর্স না দিতে। আগে একটা বাচ্চা নিতে বলে। বাচ্চা হলে তখন যেন মেঘাকে ডিভোর্স দেয়। আইডিয়াটা পছন্দ হয় রিজভীর। এক ঢিলে দুই পাখি মা’রা হবে। বাচ্চাও রিজভীর থাকবে, আবার প্রীতিও ওর হবে। দারুণ! ঠিক এজন্যই ডিভোর্স না দিয়ে ভালোবাসার অভিনয় করেছিল সে মেঘার সাথে।

***

প্রীতি বসে আছে সেই কফিশপে, যেখানে দুজনে প্রথম একসাথে দেখা করেছিল। রিজভী মেসেজ দিয়ে এখানেই আসতে বলেছে। রিজভী এলো মিনিট পাঁচেক পর।
এসেই দপ করে চেয়ারে বসল। টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে জিজ্ঞেস করল,

“কখন এসেছ?”

“দশ মিনিট হবে। আপনার দেরি হলো কেন?”

“অফিস থেকে ছুটি নিয়ে আসতে ঝামেলা হলো।”

“ওহ। হঠাৎ এত জরুরী তলব?”

“বিরাট কাহিনি হয়ে গেছে।”

“কী হয়েছে?”

“মেঘা তো সব জেনে গেছে।”

প্রীতি বিস্মিত হয়ে বলল,

“সব জেনে গেছে মানে? কীভাবে জেনেছে?”

“গতকাল আমাদের একসাথে দেখেছে ইন্টিমেট অবস্থায়!”

প্রীতি মাথায় হাত দিয়ে বলল,

“ওহ মাই গড! এখন কী হবে?”

“আরে তুমি এত ঘাবড়াচ্ছ কেন? কিছুই হবে না। একদিন না একদিন তো এমনিও জানতো।”

“আপনি এত নিশ্চিন্তে আছেন কীভাবে? এখন যদি সে সবাইকে সব বলে দেয়?”

“বলুক।”

“যদি বাচ্চা নেওয়ার পর এবরশন করায়?”

“উঁহু! মেঘা এমন মেয়েই না। ও একটা প্রাণ নষ্ট করবে না কখনোই।”

“যদি বাচ্চা আপনাকে না দেয়?”

“বললেই হলো? বাচ্চা কীভাবে নেব সেটা আমার বিষয়। আমি বুঝে নেব। তুমি চিন্তা কোরো না।”

“আচ্ছা সব না হয় বুঝলাম। কিন্তু এখন যদি সে কনসিভ করতে রাজি না হয়? কী করবেন তাহলে? জোর করে ইন্টিমেট হবেন?”

রিজভী এই পর্যায়ে হেসে ফেলল। হাসতে হাসতে বলল,

“মেঘা কনসিভ করেছে।”

প্রীতি মুখে হাত রেখে অবাক হয়ে বলল,

“হোয়াট! সত্যিই?”

“হ্যাঁ। অবশ্য মেঘা এখনো বলেনি আমাকে। ওর বেস্টফ্রেন্ডের থেকে জেনেছি।”

একই সাথে ভালো এবং খারাপ দুটো খবরই জেনে প্রীতি কী রিয়াকশন দেবে বুঝতে পারছে না ঠিক। রিজভী প্রীতির হাত ধরে বলল,

“তুমি কোনো চিন্তা কোরো না। আমি সব সামলে নেব। তুমি শুধু আমার পাশে থেকো।”

প্রীতিও শক্ত করে তখন রিজভীর হাত ধরল। রিজভী বলল,

“চলো কোথাও থেকে ঘুরে আসি। সময় আছে তো হাতে?”

প্রীতি হেসে বলল,

“আছে।”
_________

মেঘা রুমের দরজা বন্ধ করে বসে আছে। মাত্র একদিনেই তার চোখ-মুখের বেহাল অবস্থা। সারাদিনে কিছু খায়ওনি। সে কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছে না। রিজভীর এই সত্যিটা এখনো কাউকে বলেনি। কীভাবে বলবে? আর কী-ই বা বলবে? যেই মানুষটাকে নিয়ে মেঘা এতদিন গর্ব করত সেই মানুষটার এমন বি’কৃত’ রূপের কথা কী করে বলবে? মেঘা ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল।

রিজভী এলো তখন বাসায়। দরজায় নক করার অনেকক্ষণ পর মেঘা দরজা খুলে দিল। গালে চোখের পানি লেগে চিটচিটে হয়ে আছে। রিজভী রাগ দেখাতে গিয়েও দমে গেল। জিজ্ঞেস করল,

“এত কাঁদার কী আছে?”

মেঘার ইচ্ছে করছিল একদলা থুথু রিজভীর মুখে ছিঁটিয়ে দিতে। রিজভী দরজা আটকে দিয়ে নিজেই বলল,

“মেঘা, এই সময়ে এত কাঁদলে হবে না। নিজের যত্ন নিতে হবে। ঠিকমতো খেতে হবে। মা বলল, তুমি নাকি সারাদিন কিছুই খাও নি। এটা তো ঠিক না। তুমি নিজের সাথে সাথে আমার বাচ্চাটাকেও কষ্ট দিচ্ছ।”

মেঘা অবাক হয়ে তাকালে রিজভী হেসে বলল,

“এত অবাক হচ্ছো কেন? তুমি না বললেও আমি কিন্তু সত্যিটা জানি। কেন গতকাল আমাকে বলোনি বলো তো? সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলে?”

মেঘা নির্বাক। রিজভী ফের বলল

“আচ্ছা বলো তোমার কী গিফ্ট চাই? আমার বাচ্চার মা হচ্ছো তুমি। যা চাইবে তা-ই দেবো।”

“তোমার সাথে কথা বলারও রুচি নেই আমার। আমি বাড়িতে চলে যাব কাল সকালেই।”

মেঘা বাইরে যেতে চাইলে রিজভী হাত টেনে ধরল।

“কোথায় যাচ্ছ?”

“মায়ের কাছে। মায়ের সাথে ঘুমাব আমি।”

“কেন? ডিভোর্সের আগ পর্যন্ত তুমি আমার কাছে, আমার সাথেই থাকবে। বাপের বাড়ি তো দূরে থাক, আমার মায়ের কাছেও তুমি রাত থাকতে পারবে না। আশা করছি, এখনো তুমি কাউকে কিছু জানাওনি। আর জানিয়েও লাভ নেই। বাচ্চা না পর্যন্ত তোমার মুক্তি নেই আমার থেকে।”

“আমার হাত ছাড়ুন।”

রিজভী মেঘাকে কাছে টেনে জড়িয়ে ধরল,

“এমন করছ কেন? একটু কাছে আসো।”

রিজভী মেঘাকে কোলে করে বিছানায় নিয়ে গেল। নিজের ভর মেঘার ওপর দেওয়ার পূর্বেই মেঘা এক ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দিল রিজভীকে। রিজভী উন্মাদের মতো হেসে উঠে বলল,

“কী আশ্চর্য! তোমার গায়ে এত শক্তি? মনে হয় আমাদের ছেলে বাবু হবে তাই না মেঘা?”

“আপনার ঐ পবিত্র মুখে আমার নাম নেবেন না। আর এই বাচ্চা আপনাকে আমি কখনোই দেবো না। ও আমার বাচ্চা। আপনার মতো চরত্রহীন কোনো বাবার দরকার হবে না ওর।”

“আরে বাহ্! মনের জোরও দেখি বেড়ে গিয়েছে তোমার।”

রিজভী উঠে আবার কাছে গেল মেঘার। পাশে বসে বলল,

“প্রীতির কাছে গেলে ও কিন্তু তোমার মতো করে না জানো? আমার আদর উপভোগ করে, আর নিজেও আদর করে। তুমি আমাকে আদর করো না কেন?”

মেঘার মনের জোর মুহূর্তেই দুর্বল হয়ে গেল। চোখের সামনে ভেসে উঠল রিজভী ও প্রীতির অন্তরঙ্গ মুহূর্ত। মাথাটা ছিঁড়ে যাচ্ছে যন্ত্রণায়। রিজভী মেঘাকে শারীরিক অত্যাচার না করলেও মানসিক অত্যাচার করছে দেদারসে।

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ