Friday, June 5, 2026







Love At 1st Sight Season 3 Part : 58

Love At 1st Sight
~~~Season 3~~~

Part : 58

writer-Jubaida Sobti

রাহুল : [ হুট করে চেচিয়ে বলে উঠলো ] বাবা!

[ হতভম্ব সবাই,পথচলা থেমে গিয়ে চমকে উঠলো রাহুলের বাবা, আজ কতটা বছর পর এই কন্ঠের বাবা ডাকটি শুনতে পেলো, তাড়াতাড়ি মাথা মুড়িয়ে পেছন ফিরে তাকালো, রাহুল স্নেহার দিক একবার তাকিয়ে আবার ধীরেধীরে এগিয়ে গেলো তার বাবারদিক, এতোটা বছর পর আজ চোখাচোখি ও মুখোমুখি হচ্ছে, নির্দিধায় কি বলবে তার বাবাকে, কতো কিছুতে বাবাকে ইগনোর করে চলে গিয়েছিলো, কতোবার দাদীকে এইধরনের কথা গুলো বলতে শুনে ফেলেছিলো,

– হি ইজ অ্যা ইররেসপন্সিবল পার্সন, ফেইক ফাদার, দাদী! হি নেভার ডিজার্বড মি এন্ড মাই মাদার!

– অলসো্ হি নেভার ডিজার্ব অ্যা ফ্যামিলি!

পুরনো এসব কথাগুলিই এই মুহূর্তে রাহুলের মাথায় ঘুরঘুর করে বেড়াচ্ছে, চোখ বাবার সাথে মেলালেও আবার নার্ভাস বোধ হোওয়ায় কিছু কিছু মুহুর্তের জন্য সরিয়ে নিচ্ছে, বাবার সামনে নিজেকে খুবই ছোট মনে হচ্ছে আজ, নিস্থব্দতায় কাটছে চারদিক, এইভাবে চুপ হয়ে দাড় করিয়েও তো রাখতে পারবে না, নিজেকে কন্ট্রোল করে নিস্থব্দতা ভেংগেই আমতা আমতা করে বলে উঠলো ]

রাহুল : জ্বি, এ..একচুলি! আ… [ বলেই দীর্ঘশ্বাস নিয়ে আবার স্নেহা, এবং দাদীর দিক তাকালো, গুলিয়ে যাচ্ছে রাহুলের সবকিছু, কি বলবে? কি বলাটা দরকার? এটাও মাথায় আসছে না, তাই আবার মাথায় হাত দিয়ে চুলকাতে চুলকাতে ভেবে নিলো সরি বলবে,তার মিসবিহেভিয়ারের জন্য ]

রাহুল : আ..আম, কল্ড ইউ কক..কজ!

– এ..এক একচুলি! আম সরি! [ জলচোখে মুচকি একটি হাসি দিয়ে কাছে টেনে জড়িয়ে নিলো তার বাবা, মুহূর্তেই রাহুলের চোখ দুটিও ঝলমল হয়ে উঠলো,আবেগ গুলোও বোধহয় বাবার বুকে ঠাই পেয়ে বিলিয়ে পড়লো, তাই বাবার পিঠে হাত মেলে শক্ত করে আগলে জড়িয়ে ধরে ফুফিয়ে কেদে উঠলো রাহুল ও ]

রাহুল : [ কাদো কন্ঠে ] আম সরি! বাবা! আই হার্ট ইউ!

বাবা : ডোন্ট সে্ সরি মাই চাইল্ড! আই ডিজার্বড ইট! [ দূর থেকে চেয়ে আছে বাকিরা, দাদীর চোখ থেকে গড়িয়ে পানি পড়ছে বাবা-পূত্রের মিলনে,স্নেহার চোখটাও ঝলমল করছে খুশিতে, পুরনো ভালোবাসা ফিরে পাওয়ার আনন্দটা বুঝি এমনই, যা আবেগ দিয়ে প্রকাশ করা যায়, মুখের ভাষা দিয়ে নয়,

রাহুলের বাবা দুহাতে রাহুলের মুখ তুলে গাল বেয়ে পড়া পানিগুলো মুছে দিলো ]

বাবা : কিপ স্মাইল অলোয়েজ! ওকে? [ মাথা নাড়ালো রাহুল ]

বাবা : [ হেসে ] এতো বছরের এটিটিউড আজ হঠাৎ কেটে গেলো!

– বুঝার আর বাকি নেই হ্যান্ডসাম! বিয়ের পরেই যখন কেটেছে বউ এর চাপ পড়েছে জড়োসড়ো!

রাহুল : [ চোখ নামিয়ে হেসে ] ইয়াহ! বাবা শি প্রেশারাইজড টু মি!

– এক্সুলি! ও আমার লাইফে না আসলে হয়তো! লাইফ কিভাবে ফিল করে বাচতে হয় সেটাই জানতাম না! আমার মিষ্টেক গুলো রিয়েলাইজ করতে পারতাম না কখনো!

বাবা : শি ইজ এঞ্জেল ফর ইয়র লাইফ!

রাহুল : [ মাথা নাড়িয়ে হেসে ] ইয়াহ! রাইট! [ রাহুলের বাবা ও হেসে রাহুলের কাধে হাত রেখে হেটে নিয়ে গেলো স্নেহার দিক, এইবার তো স্নেহা নিজেই নার্ভাস ফিল করছে, তারদিকই কেনো আসলো ]

বাবা : স্নেহা! ইউ বোথ মেড ফর ইচ আদার! এন্ড ইউ এঞ্জেল নট অনলি ফর রাহুল! ইউ এঞ্জেল ফর মাই হাউজ! ফর মাই ফ্যামিলি! [ বলেই স্নেহার মাথায় হাত বুলিয়ে ] নাও আই শুড বি গো! ফর মিটিং, সি্ ইউ লেটার! ওকে? [ স্নেহা মাথা নাড়ালো, রাহুলের বাবা রাহুলের মাথায় ও হাত বুলিয়ে দিয়ে আনন্দিত মনটা নিয়ে অফিসের পথে রওনা দিলো, স্নেহা তাকিয়ে আছে রাহুলের দিক, রাহুল তাকালো না কারোর দিক, সোজা উপরের রুমের দিক চলে গেলো ]

দাদী : এতো বছরের খুশি সব! যেনো আজই চারদিক বিলিয়ে পড়ছে!

লিনিসা ফুফি : আমাদের স্নেহা অনেক ভাগ্যশালী! আমার তো মনে হচ্ছে ও একটা খুশির ভান্ডার!

– যদি আমারও একটা ছেলে থাকতো না! তাহলে আমিও আজ স্নেহার মতোই মিষ্টি একটা বউ আনতে পারতাম!

নাফিসা ফুফি : মিষ্টি বউ হলেও কিন্তু শুধু চলে না,আই মিন ফ্যামিলি ক্লাস ও থাকতে হয়!

লিনিসা ফুফি : আরে! ফ্যামিলি ক্লাস দিয়ে কি করবো? বউটা মিষ্টি হলেই তো হলো! বিয়ে কি ফ্যামিলির সাথে করাতাম নাকি?

– রুপ নয় গুণ দেখে করাতাম! আর আমাদের স্নেহার তো রুপ,গুণ দুটোই আছে! তাই সে একটু বেশিই মিষ্টি!

নেহাল : [ চেচিয়ে ] খাম্মী!

লিনিসা ফুফি : হ্যা বল?

নেহাল : ডোন্ট ওয়ারি না! জাষ্ট ইন কেজ্ সাপোস্ আম ইয়র সন! সো আমার জন্যই ভাবীর মতো সুইট’স একটি উমমম হুমমম!

গীতালি : নেহাল ভাইয়া! আপনে না, বিয়ার চিন্তা এহন বাদ দিয়া, আগে শালী ভাবীর না ভাইয়ের অয় এইডা শিইখা নেন! তারপরে স্নেহাভাবীর মতো বউয়ের চিন্তা কইরেন!

– নাইলে আবার যদি বউরে শ্বাশুড়ী আর শ্বাশুড়ীরে বউ ডাইকা বসেন! হায় আল্লাহ! আল্লাহয় না করুক! [ বলেই গালে তওবা খেতে লাগলো, বাকিরা কিটকিটিয়ে হেসে উঠলো ]

নেহাল : ওহহহ নো গীতালি! সব সময় আমার ডিফেক্ট খুজে বেড়াও কেনো?

গীতালি : পাফিক্ট কথা কইলে কয় ডিফিট করি! আই এম আন্ডাসট্যান ইউ মাইক মি ক্রাজি! বাই [ বলেই কিচেনের দিক চলে যায় ]

নেহাল : [ চেচিয়ে ] গীতালিইইই মাইক মি ক্রাজি না, মেক মি ক্রেজিইইইই!

গীতালি : [ চেচিয়ে ] অয় অয়! এতো ইংলিশ শিখান লাগদো না! [ সবাই হেসে উঠলো আবারো, হঠাৎ তখনিই ]

নেহাল : [ হাত নাড়িয়ে চেচিয়ে ] হেইইইই! ব্রোস্! [ বলতে সবাই মেইন ডোরের দিক তাকাতেই দেখে আসিফ আর রিদোয়ান এসেছে ]

মার্জান : [ আসিফের চোখাচোখি হতেই তাড়াতাড়ি চোখ সরিয়ে নিয়ে মনে মনে ] নরমাল মার্জান নরমাল! এমন রিয়েক্ট কর যাতে ও বুঝতে না পারে যে, ওকে দেখলেই তোর কিছু আসে যায় না,

– আচ্ছা আমি তো ওকে ভয় পায় না! তাহলে ওকে দেখলেই ইদানিং বুকটা কাপে কেনো? [ এসব ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ ফিল করলো পাশে কেউ এসে বসেছে, মাথা ঘুরিয়ে তাকাতেই দেখে আসিফ! চোখাচোখি হতেই মুচকি একটি হেসে চোখ টিপ মারলো আসিফ ]

মার্জান : [ মনে মনে ] আজিব তো এতো গুলো সিট থাকতে এইদিকেই এসে বসতে হলো নাকি!

আসিফ : [ মনে মনে হেসে ] মিস্ এংড়ি বার্ড আপনার মনে এখন কি ভাবছেন তা আমি ভালো করেই জানি, তবে আদারসাইড বসলে আপনাকে কাছ থেকে দেখতাম কিভাবে!

রোহানী : [ আসিফ এবং রিদোয়ানের দিক তাকিয়ে ] আচ্ছা! রিসি্পসনের সবকিছুর দায়িত্ব না গতকাল রাতে পন্ডিতি করে তোমরা নিয়েছিলে? কোথায় গেলো তোমাদের দায়িত্ব?

রিদোয়ান : তোদের না,এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে না বুঝেছিস? দায়িত্ব যখন আমরা নিয়েছি, পার্টি হবে এন্ড আমাদের মতোই হবে ধামাকা!

– [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ] গুড মর্নিং স্নেহাআআআ! ওপস! সরি এখন তো ভাবী! হিহি! বাই দ্যা ওয়ে ভাবী! আপনার ওনাকে দেখতে পাচ্ছিনা যে, [ চোখ টিপ মেরে ] একরাতেই টায়ার্ড হয়ে গেছে নাকি!

জারিফা : [ রিদোয়ানকে চিমটিয়ে ] শিসসস! ধীরে বলেন না! দাদী আর ফুফিরা আছে ঐদিক দেখছেন না?

রিদোয়ান : [ চেচিয়ে ] আরে জারিফা! ধীরে বলার কি আছে, ওরাও যেমনকি করেনি? এসব না করলে তুমি, আমি কি দুনিয়ায় আসতে পারতাম নাকি? ডোন্ট ওয়ারি সামনে আমরাও করবো আমাদের ও বাচ্চা-কাচ্চা…

জারিফা : [ রিদোয়ানের মুখ চেপে ধরে ] ছিইইই! স্টপ ইটটটট! [ বাকিরা কিটকিটিয়ে হেসে উঠলো রিদোয়ান আর জারিফার কান্ড দেখে স্নেহা ও হেসে আবার উপরের দিক তাকাতে লাগলো ]

আলিসা : ভাবীইইই! এইভাবে বারবার উপরের দিক লুক না দিয়ে,মন যেদিকে যেতে চাচ্ছে ঐদিকেই চলে যানননন!

আসিফ : বাই দ্যা! ওয়ে রাহুল কোথায়?

নেহাল : ব্রোস্! তোদের ফোন দিয়েছিলাম কবে! আর তোরা এসেছিস এখন! কি গ্রেট এন্ড লাভিং মোমেন্ট দেখা মিস্ করে দিলি!

রিদোয়ান : কিরকম গ্রেট লাভিং? [ নেহাল এক্সাইটেড হয়ে বলতে লাগলো কিছুক্ষণ আগেই ঘটে যাওয়া রাহুল আর তার বাবার কথা গুলো ]

মার্জান : [ স্নেহার দিক এগিয়ে এসে ] স্নেহা! রাহুল কিছু না বলেই চলে গেছে, আই থিংক নাও হি ইজ ইন ইমোশন! ইউ শুড বি গো দেয়ার! ওর পাশে এখন কাউকে প্রয়োজন! তুই যা আমরা ওদের সাথেই আছি!

স্নেহা : আচ্ছা! [ বলেই মাথা নাড়িয়ে উপরের দিক চলে গেলো, রুমের কাছাকাছি আসতেই এক্সাইটমেন্টে তাড়াতাড়ি হেটে গিয়ে দরজা খুললো স্নেহা,রাহুল পকেটে হাত রেখে জানালার দিক দাঁড়িয়ে বাহিরে তাকিয়ে আছে, স্নেহা মুচকি একটি হাসি দিয়ে দৌড়ে গিয়ে পেছন থেকে রাহুলের বাহুর দু-দিক হাত রেখে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো, রাহুল পকেট থেকে হাত উঠিয়ে, স্নেহার মুঠি বেধে জ্যাকেট ধরে রাখা হাতগুলোর উপর হাত রাখলো ]

স্নেহা : আপনি জানেন না রাহুল! আমার কতোটা খুশি লাগছে!

– আপনি আমার লাইফে আসার পর থেকে সবই স্বর্গীয় মনে হচ্ছে আমার, জানেন! মাঝে মাঝে রাতে ঘুমানোর আগে এমন মনে হতো, যেনো! এইসবটায় সপ্ন! আপনাকে পাওয়াটাও সপ্ন!

– [ কাদো কন্ঠে ] এতোটা ভালোবাসেন কেনো আমায়? [ রাহুল মুচকি হেসে স্নেহার হাত ছুটিয়ে পেছন ফিরে তাকালো,দু-হাতে স্নেহার মুখ উঠিয়ে ধরলে দেখে স্নেহার চোখে জলে টলমল করছে ]

রাহুল : স্নেহা! তোমাকে ছাড়া আমার জীবন আদুড়ে ছিলো! মন খুলে হাসা তো আমি ভুলেই গিয়েছিলাম, নিঃস্বংগ ছিলাম আমি! তুমি আমার লাইফে আসার পরই আমার একাতীত্ব জীবনটি খুশিতে ভরে দিয়েছো! তাই তোমাকে আমি যতোই ভালোবাসবো আমার জন্য ততোই কম পড়বে! [ বলেই স্নেহার চোখ মুছে দিয়ে কপালে একটি চুমু খেয়ে বুকে টেনে জড়িয়ে ধরলো, স্নেহাও রাহুলের বুকে মাথা রেখে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ফুফিয়ে ফুফিয়ে কাদতে লাগলো ]

রাহুল : [ স্নেহার মাথায় হাত বুলিয়ে চুলে বিলি কাটতে কাটতে ] কামঅন স্নেহা! হোয়াই আর ইউ ক্রায়িং?

স্নেহা : [ কাদো কন্ঠে ] আ..আপনি এতোগুলো ভালোবাসেন তাই!

রাহুল : এতো বোকা কেনো তুমি হ্যা? [ মৃদু হেসে ] বিটউইন আই লাইক ইট! [ বলেই আবার দু-হাতে স্নেহার মুখ তুলে ধরে ] আচ্ছা আর কাদতে হবে না! তোমার সাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তো! [ চোখের পানি মুছে দিয়ে ] অলরেডি কাজল লেপ্টে ফেলেছো ইডিয়ট! [ হঠাৎ দেখে স্নেহা রাহুলের বুকের দিক টি-শার্টে হাত দিয়ে ঘষে কি যেনো মুছতে লাগলো, রাহুল অবাক হয়ে তাকালে দেখে টি-শার্টে স্নেহার লিপস্টিক লেগে গেছে ]

স্নেহা : স..সরি! আ..আমি..

রাহুল : [ হেসে ] দ্যাটস্ ওকে স্নেহা! এটা নিয়েও চেহারায় টেনশন ছাপ নিয়ে আসতে হয়?

– আচ্ছা চলো আমি আবার সাজিয়ে দি [ বলেই স্নেহার হাত ধরে টেনে নিয়ে গিয়ে ড্রেসিং এর সামনে দাড় করালো ]

রাহুল : এক সেকেন্ড! [ বলেই ড্রেসিং এর উপর থেকে স্নেহার কসমেটিকস গুলো ঘাটতে লাগলো ]

স্নেহা : কিক..কি খুজছেন?

রাহুল : খুজছি ওয়েট!

– হ্যাঁ পেয়েছি! [ বলেই কাজলটা হাতে নিয়ে স্নেহার চোখের নিচে লাগিয়ে দিতে লাগলো,হেসে উঠলো স্নেহা ]

রাহুল : [ স্নেহার দু-চোখে কাজল লাগিয়ে দিয়ে ] এক সেকেন্ড স্নেহা! আরেকটা জিনিষ বাকি আছে! [ স্নেহা মাথা নাড়ালো, রাহুল লিপস্টিকটা এগিয়ে নিয়ে স্নেহার ঠোটে লাগিয়ে দিতে লাগলো, স্নেহা তাকিয়ে আছে রাহুলের চোখের দিক, আর রাহুল তাকিয়ে ভাবছে স্নেহার কাপা কাপা গোলাপী ঠোটের দিক, একটা ঠোট এতোটা আকর্ষীত কিভাবে হতে পারে? কিভাবে হতে পারে এতোটা মলিন, কিভাবে পারে তাকে বারবার তৃষ্ণার্থ করে দিতে এই ঠোট!
ধীরেধীরে লিপস্টিকটা স্নেহার ঠোট থেকে সরিয়ে নিলো রাহুল! হার্টবিট বাড়ছে স্নেহার কারণ রাহুলের ঠোট এগুচ্ছিলো তার ঠোটের দিক, পরক্ষণে রাহুলের ঠোটের আলতো স্পর্শ পেতেই ]

স্নেহা : [ চোখ কুচকে বন্ধ করে ] রার..রাহুল! দর..দরজা খোলা!

রাহুল : হোয়াট? [ বলেই অবাক হয়ে তাকালো স্নেহার চোখের দিক ]

স্নেহা : দদ..দরজা খোলা! যয..যদি কেউ আসে.. [ কোমোড়ে হাত রেখে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে হেসে উঠলো রাহুল,স্নেহা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো ]

রাহুল : জানো স্নেহা! তোমাকে না বড় একটি নোবেল দেওয়া দরকার! রোমান্টিক মোমেন্ট বিগড়ে দেওয়ার প্রধান শিফটেন হিসেবে! [ স্নেহা মুখ ভেংগিয়ে মন খারাপ করে অন্যপাশ তাকিয়ে ফেললো ]

রাহুল : আরে রাগছো কেনো? আমি তো..

স্নেহা : মজা করছিলেন?

রাহুল : [ হেসে ] হ্যা!

স্নেহা : মোটেও না মিথ্যে বলছেন আপনি! সিরিয়াসলিই বলেছেন! আ..আমি আমি কি ইচ্ছে করেই এমন করি নাকি? ওটা তো হঠাৎ, মানে! কেমন জানি! আ..আপনি কাছে আসলেই লাগে নিশ্বাসটা এক্ষুণি বন্ধ হয়ে যাবে, তখন মনে হয় যেনো… [ বলেই রাহুলের দিক তাকাতেই দেখে রাহুল তেডি স্মাইল দিয়ে তাকিয়ে আছে ]

রাহুল : যেনো…?

স্নেহা : যেনো কিছু না! আপনি আবারো মজা নিচ্ছেন আমার কথায়!

রাহুল : আরেহ! মোটেও না স্নেহা! [ পাশ থেকে গিটারটা উঠিয়ে নিয়ে ] আচ্ছা চলো তোমাকে আজ গিটার বাজানো শিখাবো!

স্নেহা : লাগবে না! আমি জানি গিটার বাজাতে! ঐদিন বাজিয়েছিলাম না ভার্সেটিতে!

রাহুল : হ্যা! বাজিয়েছো, তাই তো বলছি চলো আজ একদম ফুলফিল বাজানো শিখিয়ে দেবো,

স্নেহা : ফুলফিল? তারমানে ঐদিন আমি যা বাজিয়েছি তা ঠিক হয়নি?

রাহুল : হ্যা! হয়েছিলো তবে টার্নিং পয়েন্ট গুলোতে টোন হাইলাইট করতে জানোনি! সো্ ইটস্ সিম্পল এসো শিখিয়েদি!

স্নেহা : না লা..লাগবে না আমার শিখতে হবে না [ বলেই চলে যাচ্ছিলো ]

রাহুল : [ পেছন থেকে হাত ধরে নিজের কাছে টেনে নিয়ে ] আরেহ! কই যাও! আমি যেতে দিলেই তো যেতে পারবা!

স্নেহা : ছাড়ুন রাহুল! প্লিজ! নিচে ওরা ওয়েট করছে!

রাহুল : করুক! [ হেসে স্নেহার পেটে শুরশুরি দিয়ে ] আচ্ছা! আজ একটু অভিমান বেশী হচ্ছে না! হুমম উমম?

স্নেহা : আরেহহ! রাহুল প্লিজ!

রাহুল : কিভাবে অভিমান ভাংগতে হয় স্নেহা! আমার জানা আছে কিন্তু! [ বলেই হাত দিয়ে স্নেহার কোমোড়ে স্লাইড করতেই ]

স্নেহা : রাহুল! পাগল নাকি কি করছেন আপনি? বব..বললাম না দরজা খোলা!

রাহুল : সো্ হোয়াট?

স্নেহা : উফফ! [ বলেই রাহুলের হাত ছুটিয়ে চলে যাচ্ছিলো তখনিই ]

রাহুল : [ আবারো স্নেহাকে একটানে কাছে এগিয়ে নিয়ে ] ভাগছো কেনো স্নেহা! লেটস্ স্টার্ট আমরা কিন্তু আবারো টাইটানিক পোজে আছি! [ স্নেহা দীর্ঘ একটি শ্বাস ফেলে চুপ হয়ে রইলো ]

রাহুল : [ হেসে ] হাপিয়ে গেলে এইটুকুতেই! এখনো তো কিছু করলামই না ভালো করে [ স্নেহা হাত পেছন করে রাহুলের পেটে একটি চিমটি দিলো, রাহুল ও হেসে একহাতে স্নেহাকে ধরে রেখে আরেকহাতে গিটার বেল্টটা লুজ করে স্নেহাকে সহ ঢুকিয়ে নিলো গিটার বেল্টে, গিটারটা স্নেহার সামনে রেখে স্নেহাকে নিজের কাছে টেনে নিয়ে ড্রেসিং এর পাশের দেওয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ায় ]

স্নেহা : কিক..কি করছেন আপনি এসব? এভাবে কেউ গিটার বাজায় নাকি?

রাহুল : হ্যা! আমি বাজাবো এখন থেকে! [ বলেই নিজ হাতে স্নেহার হাত দিয়ে গিটারের তারে বীট করাতে লাগলো ]

স্নেহা : [ গিটার থেকে হাত সরিয়ে নিয়ে ] রাহুল! আপনিই বাজান! আমি অন্যকোনো সময় শিখে নেবো!

রাহুল : যতো বাহানা দাও স্নেহা! আমি কিন্তু তোমাকে যেতে দিচ্ছিনা!

স্নেহা : [ রাহুলের গাল টেনে দিয়ে ] আমি কোথাও যাচ্ছিওনা!

রাহুল : আওও! স্নেহা! [ বলেই গিটার সরিয়ে নিচ্ছিলো তখনিই ]

স্নেহা : [ রাহুলের হাত থামিয়ে দিয়ে ] আরেহ! সরিয়ে নিচ্ছেন কেনো? আপনি বাজাবেন না ?

– আপনি বাজান প্লিজ! গান সহ হুমম?

রাহুল : সত্যি?

স্নেহা : [ মাথা নাড়িয়ে ] হুম সত্যি!

রাহুল : সত্যি তো?

স্নেহা : হ্যা! বাবা সত্যি!

রাহুল : কামঅন স্নেহা! আই টোল্ড ইউ না? আম নট ইয়র বাবা! ইয় কেন কল মি, বেইবি, জান, সুইটহার্ট..

স্নেহা : [ হাতের কুনি দিয়ে রাহুলের পেটে ঘুষি দিয়ে ] রাহুললল! আপনি গাইবেন? নাকি আমি যাবো?

রাহুল : আচ্ছা ওকে ওখেই! [ বলেই রাহুল গিটার? বাজাতে লাগলো, স্নেহা ও মনে মনে হাসলো রাহুলের কান্ডে ]

রাহুল : [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ]

♪ কা্জরা মুহাব্বাত ওয়ালা ♪
♪ আখি্ওমে এসা্ ডালা ♪
♪ কা্জরা মুহাব্বাত ওয়ালা ♪
♪ আখি্ওমে এসা্ ডালা ♪
♪ কা্জরেনে লেলি্ মেরী জান ♪
♪ হায় রে মে তে্রে কুরবান ♪

♪ দুনিয়া হে্ মেরে পিছে ♪
♪ লেকি্ন মে তে্রে পিছে ♪
♪ দুনিয়া হে্ মেরে পিছে ♪
♪ লেকিন মে তে্রে পিছে ♪
♪ আপনা বানা্লে মেরি জান ♪
♪ হায় রে মে তে্রে কুরবান ♪

রাহুল : [ নাক দিয়ে স্নেহার ঘাড়ে স্লাইড করে ] স্নেহা তোমার ঘাড়ে এতো খুশবো কেনো?

স্নেহা : এটা গানের লিরিক্স ছিলো? [ রাহুল হেসে দিলো স্নেহার দিক তাকিয়ে, স্নেহা ও ব্লাশিং হয়ে মুচকি হাসলো ]

স্নেহা : [ রাহুল তাকিয়ে আছে বুঝতে পেরে ] কান্টিনিউ দ্যা সং!

রাহুল : [ হেসে ]

♪ আয়ে হো কাহাসে্ গড়ি ♪
♪ আখো্মে পিয়ার লেকে্ ♪
♪ চা্রতি জাওয়ানিকি ইয়ে্ ♪
♪ বেলি্ বাহার লেকে্ ♪
♪ দিল্লি শেহে্র কা সা্রা ♪
♪ মীনা বাজা্র লেকে্ ♪
♪ দিল্লি শেহে্র কা সা্রা ♪
♪ মীনা বাজা্র লেকে্ ♪

♪ জুমকা বাড়েলী ওয়া্লা ♪
♪ কানোমে এসা্ ডালা ♪
♪ জুমকা বাড়েলী ওয়া্লা ♪
♪ কানোমে এসা্ ডালা ♪

♪ জুমকে নে লেলি্ মেরী জান ♪
♪ হায় রে মে তে্রে কুরবান ♪
♪ হায় রে মে তে্রে কুরবান ♪

[ গান শেষ করেই রাহুল গিটার সরিয়ে ড্রেসিং এর উপরে রাখলো, আর স্নেহা রাহুলের দিক ফিরে ব্লাশিং হয়ে হেসে বুকে মাথা রেখে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো, রাহুল ও মুচকি হেসে স্নেহাকে আগলে নিলো ]

স্নেহা : রাহুল!

রাহুল : হুম?

স্নেহা : আমাকে প্রতিদিন এভাবে গান শোনাবেন আপনি!

রাহুল : উমম! আর আমায় প্রতিদিন এভাবে টাইট করে হাগ দিবে তুমি!

– আর সাথে একটা করে কিসসস! উমহুম! একটা না আনলিমিটেড ওকে?

স্নেহা : [ হেসে ] হুমম!

হঠাৎ,

জারিফা : [ দরজায় কড়া নেড়ে ] হ্যালো গাইস্ আর ইউ দেয়ার? [ বলেই ভেতরে ঢুকতেই রাহুল আর স্নেহার জড়িয়ে ধরে রাখা দেখে ] ইইইইই! রোমান্স চলছে বুঝি! তাই তো বলি দুজন উপরে এতো লেইট করছেন কেনো! [ জারিফার পেছন পেছন মার্জান,শায়লা এবং রাহুলের কাজিন গুলো ও ঢুকলো ]

_____এইদিকে স্নেহার আপ্রাণ চেষ্টা রাহুল থেকে সরিয়ে দাড়াতে, কিন্তু এতে রাহুল এক কদম ও পিছিয়ে নেই! সে জারিফার দিক তাকিয়ে হেসে হেসে আরো টাইট করে স্নেহাকে জড়িয়ে ধরে রাখলো,

স্নেহা : কি করছেন রাহুল! ছাড়েন প্লিইইজ!

রাহুল : নেভার!

রোহানী : অওওও! হাও রোমান্টিক গাইস্!

হঠাৎ,

গীতালি : [ রুমে ঢুকে ] রাহুল ভাইয়া আপনারে… [ বলেই ঢোগ গিলে হা করে তাকিয়ে রইলো ]

স্নেহা : রাহুল প্লিজ! ছাড়ুন! দেখেন এসব ঠিক হচ্ছেনা কিন্তু! [ বলেই রাহুলকে জোড়ে একটি চিমটি দিলে, রাহুল হেসে ছেড়ে দিলো ]

রাহুল : গীতালিইই তুই কি যেনো বলছিলি!

গীতালি : হো কিক..কি যেনো বলতে আ..আইসি্লাম! [ সবাই হেসে উঠলো গীতালির অবস্থা দেখে ]

গীতালি : স..সবাই রুমে আছে দেইখা আর নাক আর দেইনাই! ভাবছি সবার সামনে কি আর লঞ্চ…

রাহুল : [ হেসে ] দ্যাটস ওকে! গীতালি ইটস্ অ্যা কমোন ম্যাটার! [ স্নেহার দিক তাকিয়ে ] হ্যা! না স্নেহা? [ স্নেহা আড়চোখে তাকিয়ে আবার অন্যপাশ ফিরে গেলো, হাসতে লাগলো রাহুল ]

গীতালি : ও হ্যা! মনে পড়ছে! আপনারে নিচে ডাকতাসে্ রিদোয়ান ভাইয়া আর আসিফ ভাইয়া!

– টুমারো আপনের রাসি্পসন যে অইবো এসবের সাজানি নিয়া ডিজ… [ কনফিউজড হয়ে ] ডিজ.. কি যেনো..

রাহুল : [ হেসে ] ডিজকাস্!

গীতালি : [ চেচিয়ে ] হো! ডিজকাস্ করোন লাইগা!

রাহুল : ওকে! গাইস্, তোমরা কথা বলো! আই শুড বি গো!

– আর হ্যা! আমার বউয়ের খেয়াল রেখো কিন্তু! [ বলেই স্নেহার দিক তাকিয়ে চোখ টিপ মারলো, স্নেহা আড় চোখ তাকিয়ে আবার মুখ ফিরিয়ে নিলো, রাহুল ও হাসতে হাসতে রুম থেকে বেড়িয়ে নিচে চলে গেলো ]

আলিসা : ভাবীইইইই আমাদের আপনার লাভ স্টোরীর বাকি কাহাণীটুকু কিন্তু বলেন নি!

– [ স্নেহাকে টেনে নিয়ে খাটে বসিয়ে ] চলেন চলেন এইবার শুরু করেন! পুরো না শোনা পর্যন্ত কিন্তু আপনাকে ছাড়ছি না!

সন্ধ্যা, ৬ টা বেজে ২০ মিনিট,

জাফসিন : [ পেটে হাত বুলিয়ে ] গাইস্! আজ না লাঞ্চ একটু বেশি করে ফেলেছি! ছয়-টা ওভার হয়ে যাচ্ছে বাট আমার খাবার গুলো এখনো হজমই হয়নি!

আলিসা : জাফসিন! তুই না একটু বেশি কথা বলিস! এভাবে বসে থাকলে কি হজম হবে নাকি? এদিক ওদিক হাটতে থাক হজম হয়ে যাবে, তাও বকবক কম কর, দেখছিস না ইম্পর্টেন্ট কথা শুনছি!

– [ জারিফার দিক তাকিয়ে ] হ্যা! তারপর তারপর বলো!

জারিফা : তারপর মেয়েটির চাওয়া না চাওয়াতেও তার হাজবেন্ড! ঝাপিয়ে পড়বে তারউপর! [ সবাই অবাক হয়ে তাকালো জারিফার দিক ]

মার্জান : [ আড়চোখে তাকিয়ে ] জারিফা! তোকে না এখন এক থাপ্পড়ে দাত সব ফেলে দিবো! তুই এতোকিছু কিভাবে জানিস বলতো?

জারিফা : [ মাথা স্নেহার পেছন নিয়ে মার্জানকে চোখ মেরে ] আরেহ! কিক..কিভাবে জানি মানে? শুনেছি! শুনেছি আরকি!

– [ মাথায় হাত রেখে আফসোস বোধ করে ] এমন দুঃখ ভরা কতো জনের কাহাণীই না শুনলাম, [ বলেই আবার আড়চোখে স্নেহার দিক তাকিয়ে দেখে স্নেহার চেহেরায় ভয়ের ছাপ ]

জারিফা : [ চেচিয়ে ] স্নেহা! তুই ভয় পাস না! নরমাল নরমাল! ওকে? [ স্নেহা মাথা নাড়ালো ]

___ এইদিকে,

নেহাল,রাহুল,আসিফ,রিদোয়ান তিনজনই উপরে উঠে রাহুলের রুমের দিক এগুচ্ছে,

নেহাল : [ রাহুলের কাধে হাত রেখে ] ব্রো! আমার না একটা জোস্ গেইম মাথায় আসছে,রুফ-টপে চল! গেইমটা খেলে দেখ আই সয়ার! অনেক এঞ্জয় হবে!

– দেন তুই আর ভাবী পাশাপাশি বসবি! আর আমাকে শুধু একটু শায়লার পাশে বসতে দিবি হিহি চলনা চলনা!

রাহুল : হুমম!

নেহাল : আরে হুম হুম মানে কি হ্যা বলনা!

রিদোয়ান : আচ্ছা তোর মাথা আওট হয়ে গেছে? বাচ্চাদের মতো গেইম গেইম করছিস কেনো বলতো? ডিরেক্ট লাইন মার! এতো গেইম টেইম খেলার মানে আছে নাকি?

নেহাল : ব্রো ইটস্ অ্যা কাপল গেইমস কাপল!

– অল লেডিস্ আর নট ইজি! ব্রো!

আসিফ : ইয়াহ! দ্যাটস রাইট! চল খেলবো! বাট ওয়ান কন্ডিশন!

নেহাল : ইয়েস্! ইয়েস্!

রিদোয়ান : [ হেসে ] আমি বলি! গেইমে মার্জানকে ওর পাশে চাই! রাইট দোস্ত ?

আসিফ : ইয়াহ দ্যাটস রাইট!

নেহাল : ইয়া..ইয়াহ! ডান ডান ব্রো ডান! লেটস্ গোওওও!

– আচ্ছা ওয়েট, লেডিসদের ও বলতে হবে তো রুফটপে আসতে! [ বলেই রাহুলের দিক তাকিয়ে ] হেইই রাহুল ওয়েটট, রাহুল রুমের দরজার সামনে আসতেই শুনতে পেলো ]

জারিফা : এসব হাজবেন্ডরা না হিংস্র পশুর মতোই হয়, হিংস্র পশুদের যখন ক্ষিধে লাগে এরা ছোট প্রাণীদের উপর অত্যাচার করে, আর হাজবেন্ডরা বেচারি বউদের উপর, স্নেহা! তুই আবার ভয় পাস না!

– এমনিতেও আর কদিনই বা এভাবে ভাগতে থাকবি? কোনো না কোনো সময় তো এমন হিংস্র পশুর হাতের শিকার হতেই হবে, [ আড়চোখে স্নেহার দিক তাকিয়ে ] সেটা আজ রাত ও হতে পারে!

আলিসা : ওহ নো! ম্যারেড লাইফ ইজ সো্ ডেঞ্জারর!

জারিফা : ইয়াহহ! ভেরী ডেঞ্জার!

রাহুল : [ রুমে ঢুকে ] ডেঞ্জার! তাই না? [ সবাই শকড হয়ে ফিরে তাকালো রাহুলের দিক ]

রাহুল : এমনিতে ও ভীতু! তারমধ্যে ওকে আরো ভয়…

– দাঁড়াও দেখাচ্ছি তোমায় ডেঞ্জার কিভাবে হয়!

জারিফা : নোওও স্নেহাআআআআ! প্লিজ সেভ মি! আমি তো মজা করছিলাম জিজু!
[ বাকিরা হাসতে লাগলো, রাহুল এগিয়ে আসলে জারিফা খাট থেকে একলাফে নেমে পড়ে ]

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ