Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প""সোনার কানের দুলসোনার কানের দুল পর্ব-০২ এবং শেষ পর্ব

সোনার কানের দুল পর্ব-০২ এবং শেষ পর্ব

#সোনার_কানের_দুল
#শেষ_পর্ব
#অনিন্দিতা_মুখার্জী_সাহা
কলমে অনিন্দিতা

পরের দিন সকাল থেকেই মুখটা গোমড়া করে ঘুরছিল দিয়া। বাইরে থেকে দেখলে মনে হচ্ছে সবকিছু ঠিকঠাক আছে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে এক অদ্ভুত অস্বস্তি তাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল।

একটাই চিন্তা বারবার মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল—মাকে কীভাবে একটা দুল দেওয়া যায়! এটা এখন খানিকটা জেদে পরিণত হয়েছে যেন! সবটাই কি জেদ?

দিয়া ছোটবেলা থেকেই দেখেছে, জামাইষষ্ঠীতে দিদিরা নিজেদের সামর্থ্য মতো মায়ের জন্য কত কী নিয়ে আসে। কেউ শাড়ি, কেউ গয়না, কেউ আবার দামি কোনো জিনিস। দিদিরা তো ওর কেউ চাকরি করে না! জামাইবাবুরা তো নিজেরাই সব চাহিদা মিটিয়েছে দিদিদের। আর শুভ? শুভ হয়তো ওর কোনো অভাব রাখেনি! না চাইতেই সব দিয়েছে, কিন্তু মা! মায়ের জন্য কিছু চাইতে ইচ্ছে করছে না দিয়ার! আর এই বাড়িটাও এমন জায়গায় বেরিয়েছে যে কিছু নিয়ে আসবে! তার আগেই হাজার উত্তর দিতে হবে! আগে বুঝলে ঠিক কিছু একটা ব্যবস্থা করত!

নিজেকে কেমন যেন হেরে যাওয়া মানুষ মনে হচ্ছিল।
ওর মা পেল, আমার মা পেল না—এই ভাবনাটাই বারবার হারিয়ে দিচ্ছে দিয়াকে। অথচ মা কতবার বলেছে, “এত ইগো নিয়ে সংসার করতে নেই রে।”

দুপুরে খাওয়া শেষ করে টেবিলেই শুষ্ক হাতে বসেছিল দিয়া। এমন সময় শুভ্রা দেবী একটা ডিজাইনার ব্লাউজ হাতে নিয়ে ঘরে ঢুকলেন।
—”দেখ তো কেমন হয়েছে? কাল যে শাড়িটা কিনেছিলাম, তার সঙ্গে মানাবে তো?”
দিয়া অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।
সুন্দর, কিন্তু খুব জমকালো একটা ব্লাউজ! এই বয়সে এসব কি সত্যিই মানাবে ওনাকে? দিয়া ব্লাউজটার দিকে তাকিয়ে ভাবলেও মুখে কিছু বলল না। শুধু মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল, বুঝিয়ে দিল ব্লাউজটা খুব সুন্দর। দিয়ার সম্মতি পেয়ে বোধহয় খুশি হলেন শুভ্রা দেবী।

দিয়াও খাওয়ার পরের কাজগুলো সেরে নিজের ঘরে চলে এল। কিন্তু ঘরে ঢুকেই আবার অবাক। খাটের ওপর সুন্দর করে ভাঁজ করে রাখা সেই শাড়িগুলো, যেগুলো গতকাল শাড়ি বৌদির থেকে নিয়েছিলেন শুভ্রা দেবী। একটা নিজের জন্য, একটা দিয়ার মায়ের জন্য। দিয়ার মায়েরটা দিয়ে গেছে ঠিক আছে, কিন্তু ওনারটা এই ঘরে কেন! শাড়িটার ওপর হাত বোলাচ্ছে। জরিগুলো কি ঠান্ডা! বেশ সুন্দর শাড়িটা। কিন্তু এটা কি ওনাকে মানাবে?

—”কী রে, ব্লাউজটা নিচে ফেলে এলি?”
শুভ্রা দেবী দিয়ার ঘরে ঢুকে এলেন। হাতে সেই ব্লাউজটা!
দিয়া নিচু গলায় বলল,
—”ওটা তো তোমার।”
গলায় জমে থাকা অভিমান কখনও কখনও এতটাই নরম হয়ে যায় যে রাগ করতেও ইচ্ছে করে না। দিয়ার গলায় তখন ঠিক সেইরকমই একটা সুর।
শুভ্রা দেবী হেসে বললেন,
—”ওই শাড়ি আর এই ব্লাউজ আমাকে মানাবে? খেপেছিস নাকি? প্রথমবার জামাইষষ্ঠী যাচ্ছিস, তুইই পরবি এগুলো।”
শুভ্রা দেবীর বলা কথায় কেমন যেন রাগ গলতে শুরু করল দিয়ার। আর সেরকমই শীতল স্বরে দিয়া বলল,
—”আমার তো অনেক শাড়ি আছে।”
—”তাতে কী হয়েছে? কাল দোকানে তুই এই শাড়িটা বারবার দেখছিলি। তাই নিয়ে নিলাম। তখন বলিনি, তুই আবার না করবি! আজ ব্লাউজের দিদিকে শাড়ির ছবি দিয়ে পাঠালাম! উনি এটা পাঠিয়ে দিলেন। ব্লাউজটা পরে দেখ তো ঠিকঠাক হয়েছে কিনা।”

একটু থেমে আবার বললেন,
—”বাড়িটা এত ভেতরে যে কিছুই হাতের কাছে নেই। সল্টলেকে না করেছিলাম বাড়ি কিনতে! নাও বোঝো! এই শাড়ি বৌদি! ব্লাউজ দিদি! এরাই ভরসা!”
হাসতে হাসতে বললেন শুভ্রা দেবী।
—”আমি যাই, একটু শুয়ে নিই। বিকেল হয়ে যাচ্ছে।”
কথাগুলো বলে চলে গেলেন।
দিয়া বিছানার ধারে বসে রইল। কেমন যেন মনটা ভারী লাগছে। মায়ের কানের দুলটার কথা কেমন যেন থিতিয়ে গেল। এখনও বুকের ভেতরটা মোচড় দিচ্ছে, খারাপ লাগছে। সেটার কারণ অবশ্য মা নয়! শাশুড়ি। শাশুড়ি মানুষটা হয়তো ততটাও খারাপ নন, যতটা সে ভেবেছিল।
তবু মন খারাপ কাটল না। তাই মোবাইলটা হাতে নিয়ে শাড়ির ছবি তুলে শিল্পাকে পাঠিয়ে দিল।
গতকাল কতক্ষণ ধরে দুজনে মেসেজে শাশুড়িদের নিন্দে করেছে! শিল্পা নিজের শাশুড়ির নামে বলেছে, আর তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে সেও বলেছে কত কী।
মাঝে মাঝে শাশুড়ির নিন্দেটা সত্যিই ভাইরাসের মতো। একজন শুরু করলে আরেকজন অজান্তেই তাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এখন দুটো ভালো কথা বললে যদি প্রায়শ্চিত্ত হয়!
পরের দিন ভোর হতেই তৈরি হয়ে বেরিয়ে পড়ল শুভ আর দিয়া।

পিছনে গাড়ি ভর্তি করে তুলে দিয়েছে আম, লিচু, কাঁঠাল, মিষ্টির ট্রে। কী সুন্দর করে সাজানো সব। দিয়া এই কদিনে বুঝে গেছে, এই বাড়িতে দেখানো ব্যাপারটা বেশ আছে। ট্রে করে করে এমন তত্ত্ব সাজিয়েছে যেন বিয়ের তত্ত্ব। একটায় শুধু আম, একটায় শুধু লিচু, একটা ট্রে জুড়ে কাঁঠাল, তারপর আছে তিন রকমের মিষ্টি। মায়ের আলতা, সিঁদুর! কিন্তু শাড়িটা! ওটা দেখতে পাচ্ছে না দিয়া!

ওটা আর কোথায় যাবে! শুভর ব্যাগেই হবে! গাড়িতে বসে জানলার বাইরে তাকিয়ে এই আড়ম্বরের কথাই ভাবছিল দিয়া।শাশুড়ির ওপর আর তেমন রাগ নেই। কিন্তু শুভকে দেখলেই আবার মায়ের দুলটার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। কিন্তু এটাও সত্যি, যা আয়োজন করে পাঠিয়েছে ওরা, দিয়ার কাছে ওই ছোট্ট দুলটা চোখেই পড়ত না কারও!
তবু নিজেকে বুঝিয়েছে—একদিন টাকা জমিয়ে নিজেই কিনে দেবে দিয়া। ফিরে এসে এখানেই চাকরি খুঁজবে! সল্টলেকের বুকে অ্যাকাউন্টসের একটা চাকরি ঠিক পাবে দিয়া।
এই ভাবনাটাই আপাতত সান্ত্বনা। আর এটাই মানুষ। উপায় না থাকলে অন্য উপায়ের পথ ঠিক বের করে। নাহলে পরিস্থিতি সামলাতে পারবে না!

শুভর গাড়ি দিয়ার বাড়ি পৌঁছতেই হইহই পড়ে গেল যেন। সব দিদিরা, জেম্মা, বম্মা সবাই ছুটে এল। সবাই দিয়াকে ভালোবাসে অবশ্যই, কিন্তু কিছু আবার দেখতেও এসেছে! বুঝতে এসেছে দিয়ার সুখটা।
দিয়াদের বিশাল যৌথ পরিবার। পাঁচ ভাই, তাদের পরিবার, ছেলে-মেয়ে—সব মিলিয়ে যেন একটা ছোটখাটো উৎসব হচ্ছে। জেঠুদের পাঁচ মেয়ের মধ্যে দিয়া সবচেয়ে ছোট। সেই কারণেই সবার আদরের।
বাড়ি এসেই দিয়া এক ঘর থেকে আরেক ঘরে ছুটে বেড়াচ্ছিল।

জেঠুদের ঘরে ঢোকার একমাত্র কারণ, একবার দেখে আসা দিদিরা, জেম্মা, বম্মাদের জন্য কী উপহার এনেছে! আনন্দটা যেন কেমন প্রতিযোগিতার মোড়কে আটকে পড়েছে।
কেউ দামি শাড়ি, কেউ সোনার চুড়ি, কেউ আবার নতুন কোনো ইলেকট্রনিক জিনিস।
মা সবাইকে কী বলবে? দিয়া কী দিল?

ভাবতেই বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল।
আর ওদিকে শুভ দিব্যি নিশ্চিন্তে বসে আম খাচ্ছে!
এখানে আসার পর একবারও “মা” বলে ডাকেনি।
অসহ্য!

দুপুরে খেতে বসেছে সবাই। দিয়া, শুভ আর দিয়ার বাবা একসঙ্গে। দিয়া গুনে গুনে দেখল, শুভর সামনে ঠিক বারোটা বাটি। শুভর মুখের হাসি আর ধরে না। খেতে খেতে বলল,
—”মা, আরেকটু মুড়িঘণ্ট দাও তো!”
দিয়ার খেতে খেতে থেমে গেল। মনে মনে বলল,
“বাহ! কী সুবিধাবাদী ছেলে! খাওয়ার সময় মা ডাকতে একটুও বাধে না!”

খাওয়া শেষে সুযোগ পেয়ে শুভর কানের কাছে ফিসফিস করে বলল,
—”যাকে রোজ ‘তোমার মা’ বলো, আজ তাকে কী সুন্দর মা বলে ডাকলে।”
শুভ হেসে ফেলে বলল,
—”রোজ যদি জামাইষষ্ঠীর খাওয়া হতো, তাহলে রোজই ডাকতাম!”

দিয়া রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে সেজো জেঠিমার ঘরে চলে গেল। খবর পেয়েছে ন-দি এসেছে। ওরা একটু দেরি করেই ঢুকেছে। খাওয়াদাওয়ার পর্ব চলছিল বলে দিয়া যায়নি এতক্ষণ। ন-দির অবস্থাও বেশ ভালো! ওর গিফটটাই দেখতে হবে!
ঘরে গিয়ে কত রকম গল্প করছে দিয়া, কিন্তু কী উপহার দিয়েছে ন-দি, সেটাই জানতে পারছে না।
—”মা, এসিটা চালিয়ে দাও না! খুব গরম! খেয়ে উঠে যেন আরও লাগছে!”

ন-দি বলতেই দিয়া দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে দেখল এসি।
—”জেঠিমা, এসি কবে কিনলে?”
দিয়া বোকার মতো প্রশ্নটা করেই ফেলল।
মনিকা দেবী হেসে বললেন,
—”গত মাসে। ন-দি জামাইষষ্ঠীতে দিয়েছে।”
শুনেই দিয়ার বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। কান্না পাচ্ছে। খুব রাগ হচ্ছে শুভর ওপরে। কিছুতেই যাবে না ঘরে। গেলেই বাবা-মায়ের সামনে ঝগড়া শুরু হয়ে যাবে, আর সেটা কিছুতেই চায় না দিয়া।
তাই ন-দির পাশেই শুয়ে পড়ল। মনে মনে অনেক রকম পরিকল্পনা! চাকরি করবে! স্যালারি পাবে! গয়নার দোকানে যাবে! না না, ইলেকট্রনিক্সের দোকানে যাবে! একটা এসি কিনে দেবে! এতে আরাম বেশি।
ভাবতে ভাবতে মনটা একটু ঠিক হলো যেন দিয়ার। উঠেই নিজের ঘরে ঢুকতেই দেখল, বাবা-মা আর শুভ বসে গল্প করতে করতে চা খাচ্ছে।
দিয়া ঢুকেই বলল,
—”চলো, বাড়ি যাব।”
শুভ অবাক।
—”সে কী! রাতের খাওয়া খেয়ে যাব না?”
রীনা দেবীও অবাক হয়ে বললেন,
—”কী হয়েছে তোর? এসে থেকে তো ঠিকমতো বসলিও না।”
বাবা পাশে বসতে ডাকলেন।
ঠিক তখনই শুভ বলল,
—”মা, বাবাকে গিফটটা দেবে না?”
আবার সেই গিফট!
দিয়ার মাথা গরম হয়ে উঠল।

শুভ কী বুঝবে এইসব লোকলৌকিকতা! থাকে তো ধ্যাদ্ধারে গোবিন্দপুরে। তাও একা একা। যৌথ পরিবারের প্রতিযোগিতা, তুলনা, হিসাব—এসব তো সে কখনও দেখেনি।
মা আজ হেরে গেল—ভাবতে ভাবতেই চোখ দুটো ভিজে গেল দিয়ার। তাড়াতাড়ি চোখ নাচিয়ে জলটা ঢুকিয়ে নিল।

এরই মধ্যে শুভ একটা প্যাকেট এনে দিয়ার বাবার হাতে দিল। প্রণাম করে বলল,
—”এটা আপনার জন্য।”
প্যাকেট খুলে দিয়ার বাবা অবাক।
ভেতরে সুন্দর বাঁধানো একটা গীতা।
একদিন কথার ছলে বলেছিলেন, বাড়িতে সব বই থাকলেও গীতা নেই।
সেই কথাটা মনে রেখেছিল শুভ।
দিয়ার বাবা খুশিতে বারবার প্রশংসা করতে লাগলেন একমাত্র জামাইয়ের। আর তাতে দিয়ার রাগ আরও বাড়তে লাগল।
এরপর শুভ আরেকটা প্যাকেট নিয়ে রীনা দেবীর সামনে গিয়ে দাঁড়াল।
—”এটা আপনার জন্য।”
রীনা দেবী বললেন,
—”পরে দেখব।”
দিয়া বিদ্রুপ করে বলল,
—”খুলেই দেখো। নিশ্চয়ই সব জামাইদের মধ্যে সেরা গিফট।”
—”ছি! এসব কী কথা?”—ধমক দিলেন রীনা দেবী।
শুভ মৃদু হেসে বলল,
—”খুলেই দেখো না।”

প্যাকেট খুলে বেরোল একটা সুন্দর শাড়ি।
আর নিচে একটা ছোট বাক্স।
বাক্সটা খুলতেই দিয়া থমকে গেল।
ভেতরে একজোড়া সোনার দুল।
ঠিক সেই ডিজাইন।
দিয়া তাকিয়ে রইল।
—”এ তো শাশুড়ি মায়ের দুলটা!”
দিয়া বলতেই শুভ হেসে বলল,

—”মায়ের জন্মদিনের দিনই নিয়েছিলাম দুটো। দুই মায়ের। তোমাকে সারপ্রাইজ দেব বলে কাউকে কিছু বলিনি।”
শুভ হাসতে হাসতে বলল।
ঘরটা নিঃশব্দ হয়ে গেল।
রীনা দেবীর চোখ ভিজে উঠল। কানের দুলের জন্য নয়! ‘দুই মা’ কথাটা শুনে।
কিন্তু মুখের হাসিটা লুকোতে পারলেন না।
দিয়া শুধু চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল।

দিয়া ধীরে ধীরে শুভর দিকে তাকাল। এতক্ষণ ধরে বুকের ভেতর যে অভিমান, রাগ আর অপূর্ণতার পাহাড় জমে ছিল, মুহূর্তের মধ্যে যেন তার অনেকটাই গলে গেল।
শুভ মুচকি হেসে বলল, —”মায়েরা তুলনা করার জন্য নয় দিয়া, ভালোবাসার জন্য। একজনকে দিয়ে আরেকজনকে বঞ্চিত করার কথা আমি ভাবতেই পারি না।”
দিয়ার চোখ দুটো আবার ভিজে উঠল। তবে এবার সেই জল কষ্টের নয়, স্বস্তির।

রীনা দেবী দুল দুটো হাতে নিয়ে অনেকক্ষণ চুপ করে বসে রইলেন। তারপর শুভর মাথায় হাত রেখে বললেন, —”সুখে থাকো বাবা।”
ঘরের ভেতর যেন এক অদ্ভুত উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ল। প্রতিযোগিতা, হিসাব, কে কত দিল—এসবের ওপরে উঠে সেই মুহূর্তে শুধু একটা সম্পর্কই বড় হয়ে উঠল—ভালোবাসার সম্পর্ক।

দিয়া মনে মনে হাসল। সত্যিই, উপহারের দাম নয়, তার পেছনের ভাবনাটাই সবচেয়ে মূল্যবান।
বাইরে তখন জামাইষষ্ঠীর কোলাহল, হাসি আর গল্পে ভরে উঠেছে বাড়ি। আর দিয়ার মনেও যেন দীর্ঘদিনের একটা অস্বস্তির অবসান হলো।

হয়তো এই কারণেই সংসার টিকে থাকে—কিছু অপ্রত্যাশিত যত্ন, কিছু না-বলা ভালোবাসা আর সময়মতো দেওয়া ছোট্ট ছোট্ট চমকে।

সমাপ্ত।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ