Friday, June 5, 2026







সোনার কানের দুল পর্ব-০১

#সোনার_কানের_দুল
#প্রথম_পর্ব
#অনিন্দিতা_মুখার্জি_সাহা

কলমে অনিন্দিতা

“শুভ, তোমার দেরি আছে? মা ফোন করেছে।”
বাথরুমের বাইরে দাঁড়িয়ে ডাকল দিয়া।
“এই তো বেরোচ্ছি।”বলতে বলতেই স্নান সেরে বেরোল শুভ।এই সময় খুব তাড়াহুড়োতে থাকে শুভ।অফিসে যাওয়ার সময় এটা । তাড়াহুড়োর মধ্যেই তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে হেসে জিজ্ঞেস করল, “কে গো, তোমার মা না আমার মা?”

প্রশ্নটা শুনেই ভ্রু কুঁচকে গেল দিয়ার।বোকার মতো সব প্রশ্ন- “তোমার মা নিচতলা থেকে ফোন করবে?”
রাগী গলায় কথাটা বলেই হাতের মোবাইলটা শুভর হাতে ধরিয়ে দিল সে।

শুভ ফোনটা কানে তুলে বলল,- “বলো, ভালো তো সবাই?”ওপাশ থেকে রীনা দেবীর গলা ভেসে এল।
“হুমম আছি,তোমরা ভালো তো?”শুভ লাউড স্পিকারে রেখে জামা কাপড় পরতে পরতেই বললো – “হুম, ভালো আছি। এই তো অফিস বেরোবো বলে তৈরী হচ্ছি।”

“পরশু কিন্তু তাড়াতাড়ি চলে এসো। তোমার মাকে বলে দিয়েছি তোমাদের তাড়াতাড়ি পাঠিয়ে দিতে।”রিনা দেবী শুভর তাড়া দেখে আর কথা না বাড়িয়ে আসল কথাটা বললো।

“পরশু?” – একটু অবাক হতেই ইশারা করে দিয়া করে বললো জামাইষষ্ঠী। শুভ এমন করে হাসলো যেন লজ্জা পেল! বিয়ের প্রথম বছরের জামাইষষ্ঠী নিয়ে উত্তেজনা কম নাকী ওর। কলিগদের, দাদাদের মুখে এই দিনটার সম্পর্কে অনেক শুনেছে এবার সাধ নেওয়ার পালা শুভর।

রীনাদেবী বললেন ” ওই দিন তো জামাইষষ্ঠী ”
শুভ উদার হয়ে বললো -” আসব, আসব।”
রীনাদেবী জামাইয়ের উদারতায় মুগ্ধ বেশ গেল। গলায় দরদ এনে বললেন – “বেশি দেরি কোরো না কিন্তু।”শুভ হেসে বললো “না না সকাল সকালই বেরিয়ে পড়ব। দশটার মধ্যে ঢুকবো!”

শুভর কথায় খুব খুশী রীনাদেবী। বললেন ” রাখি এখন?সাবধানে অফিস যাও ” শুভও হেসে বললো
“ভালো থেকো তোমরা ” বলেই ফোন রেখে দিলো।

দিয়া চোখ সরু করে শুভর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। পুরো কথোপকথন টা শুনলো। ওখানে একবারও “মা” বলে ডাকল না ছেলেটা!
কলেজে পড়ার সময় অন্তত “কাকিমা” বলত। এখন সেটুকুও বলে না। যেন সম্বোধন করাটাই ওর কাছে অপ্রয়োজনীয়।

“কী গো, অমন করে কী দেখছ?”
দিয়ার দৃষ্টি টের পেয়ে হেসে জিজ্ঞেস করল শুভ।
“না, ভাবছিলাম মা কী এত বলছিল?”
“কী আবার! জামাইষষ্ঠীতে যেতে বলল।”
শুভর মুখে হাসি ফুটে উঠতেই দিয়ার ভেতরে আবার খচখচ করে উঠল।
হুমম! হাসিটা দেখ! যেই খাওয়ার নিমন্ত্রণ, অমনি সব দাঁত বেরিয়ে পড়েছে। পেটুক একটা! ওদিকে ‘মা’ ডাকতে যত আপত্তি!

তবে মুখে কিছু বললো না। ওর মা কে শুভ মা না ডাকলেও কিছু যায় আসে না। আর সেটা শেখাতে ইচ্ছেও করেনা দিয়ার। মনে হয় এইসব ডাক মন থেকে আসতে হয়! মন না চাইলে ডাকাও উচিত না।দিয়া যে এই যে ঘটা করে মা ডাকে সেটা কি আদৌ মন থেকে? ও যদি মা না ডাকতো শুভর ভালো লাগতো! ধুর এই টপিকটা নিয়ে আলোচনা করতেই ভাল লাগে না!তাই এড়িয়ে গিয়ে বললো
“শোনো, মা-বাবাকে ষষ্ঠীতে কী দেব?”

টাই বাঁধতে বাঁধতে শুভ বলল,”সে কাল দেখা যাবে।”

“কাল দেখা যাবে মানে? প্রথম জামাইষষ্ঠী। ভুলভাল কিছু দিলে হবে না কিন্তু। দিদিভাইরা প্রত্যেকবার নিজের মায়েদের কত সুন্দর সুন্দর গিফট দেয়।”শুভর এড়িয়ে যাওয়া উত্তর দেখে বেশ বিরক্ত দিয়া।

“আচ্ছা হবে, হবে।”কথাটা বলে নিচে নেমে গেল শুভ।
দিয়ার বিয়ে হয়েছে মাত্র দশ মাস।এই দশ মাসেই সে বুঝে গেছে, প্রেমের সময়ের মানুষ আর বিয়ের পরের মানুষ একই শরীরে থেকেও কত আলাদা হতে পারে।
প্রেমের সময় শুভর সবকিছুই যেন দিয়াকে ঘিরে ছিল। এখনো ভালোবাসে, যত্ন করে, খেয়াল রাখে— কিন্তু তার পাশাপাশি আরও অনেক দায়িত্ব এসে গেছে। আর সেই দায়িত্বগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় জায়গাটা জুড়ে আছে শুভর পরিবার।

তিন মাস আগে শুভর মায়ের জন্মদিন ছিল।
সেদিন কী সুন্দর করে নিজের মাকে নিয়ে গিয়ে সোনার কানের দুল কিনে এনে দিয়েছিল শুভ!
অফিসে যাওয়ার আগেই বেরিয়ে পড়েছিল দুজনে, এরকমই সকাল ছিল, অর্ডার দিয়ে অফিস গেছিলো শুভ আর শুভ্রাদেবী মানে শুভর মা বাড়ি চলে এসেছিলো।দিয়াকেও বলেছিল যাওয়ার জন্য , কিন্তু সেদিন বন্ধুদের সঙ্গে আগে থেকে বেরোনোর প্ল্যান থাকায় যেতে পারেনি ও ।

সন্ধেবেলা যখন ছেলে এসে মায়ের হাতে প্যাকেট টা দিল, শুভ্রা দেবী যখন প্যাকেট খুলে দুলটা দেখালেন, তখন মুখের সেই উজ্জ্বল হাসিটা এখনও চোখে ভাসে দিয়ার।বেশ ভালো লেগেছিলো দিয়ার। ডিজাইন টা ও বেশ সুন্দর।

সেদিন থেকেই হয়তো মনের কোথাও একটা ছোট্ট ইচ্ছে জন্মেছিল।আমিও যদি মাকে এমন কিছু দিতে পারতাম!খুব দূর হওয়ার জন্য চাকরিটা তো বিয়ের পর ছেড়ে দিতে হয়েছে।নিজের কোনো উপার্জন নেই।
এই একটা কথাই বারবার এসে খোঁচা মারে দিয়ার বুকে ।

কিছু টাকা জমানো আছে অবশ্য। দোকানটায় যাবে কি একবার! ওরা তো ডেলিভারিও তাড়াতাড়ি দেয়।কিন্তু কেন যাবে ও! জামাইষষ্ঠীর দায়িত্ব তো জামাইয়ের। এইটুকু সেন্স কি থাকবে না এই বাড়ির লোকেদের।

“দিয়া, খাওয়া হয়ে গেছে। বেরোলাম।”
নিচ থেকে শুভর ডাক শুনে চমকাল।
“আসছি, দাঁড়াও!”
হন্তদন্ত হয়ে নিচে নেমে এল দিয়া।
শুভ আর মোহন বাবু মানে দিয়ার শ্বশুর মশাই একসাথেই অফিস যায়। ওরা বেরিয়ে যেতেই বাড়িটা আবার নিরিবিলি হয়ে গেল।

আজ সকালের জন্য আলুর পরোটা বানিয়েছে দিয়া।রান্নাঘরে ওর কাজ বলতে মূলত সকালের জলখাবার। দুপুর-রাতের রান্না এখনও শুভ্রা দেবীই করেন।প্লেটে সস ঢালতে ঢালতে দিয়া ডাকল,
“মা, আগে এসে খেয়ে যাও।”

ডাকটা নিজের কানে যেতেই কেমন যেন লাগল।
কী সহজে সে অন্যের মাকে “মা” বলে ডাকে ও !
আর শুভ?ভুল করেছে প্রথমেই এই আদিখ্যেতা টা না করলেই পারতো! শুরু যখন করে দিয়েছে আর কিছু করার নেই।

সামনের চেয়ার টেনে বসতে বসতে শুভ্রা দেবী জিজ্ঞেস করলেন,”কী ভাবছিস এত?”
দিয়া একটু ইতস্তত করে বলল,
“ভাবছিলাম, ষষ্ঠীতে মা-বাবাকে কী দেব?”

“কী আর দিবি! একটা শাড়ি দিবি। বাবুকে বলেছি শাড়ির বৌদিকে ডেকে পাঠাতে। সামনের মোড়ে ওর বরের দোকান। যাওয়ার সময় বলে দিলেই বৌদি চলে আসবে শাড়ি নিয়ে।ওর কাছ থেকেই নিয়ে নেব।”

মুহূর্তের মধ্যে দিয়ার মনটা খারাপ হয়ে গেল।
নিজের মায়ের জন্য সোনার দুল।আর দিয়ার মায়ের জন্য শাড়ি।তুলনাটা না চাইলেও বারবার মাথার ভেতর ঘুরপাক খেতে লাগল।

শুভ্রা দেবী যেন তার মনের অবস্থাটা বুঝতে পারলেন।
“আরও ভালো কিছু দেওয়া যেত। কিন্তু এ বছর অনেক খরচ হয়ে গেছে রে। তোদের বিয়ে, গোয়া হানিমুন, আবার সামনে বিবাহবার্ষিকী। বাবুর ওপর একসঙ্গে এত চাপ দেওয়া ঠিক হবে না।”
দিয়া কিছু বলল না।খেয়ে প্লেট গুলো ধুয়ে নিজের ঘরে দোতালায় চলে এসেছে।

সবসময় শুধু খরচ, খরচ আর খরচ!এটা যে এই ক মাসে কত বার শুনেছে! অসহ্য লাগছে দিয়ার।
সারাদিন সেই কথাটাই মাথার মধ্যে ঘুরতে থাকল।
আজ শুভ ফিরলেই বলবে— সে আবার চাকরি করতে চায়।
যদিও কারণটা নিজেই পরিষ্কার বুঝতে পারছে না।
শুভ কখনও তাকে কোনো কিছুর জন্য বঞ্চিত করেনি।বরং প্রয়োজনের চেয়েও বেশি দিয়েছে।
শুভ অফিস ট্যুরে গেলে শুভ্রা দেবী পর্যন্ত হাতে টাকা গুঁজে দেন।তাহলে এই অস্থিরতা কেন?
হয়তো কারণটা টাকার নয়।
হয়তো কারণটা নিজের মানুষকে নিজের উপার্জনে কিছু দেওয়ার আনন্দ।আজ ওর টাকা থাকলে দিদিভাই দের সামনে মায়ের মুখটা উঁচু থাকত।

এমন সময় নিচ থেকে ডাক এল শুভ্রা দেবীর —
“দিয়া, নিচে আয়। শাড়ির কাকিমা এসেছে।”
ইচ্ছে করছে না তাও দিয়া নিচে নেমে দেখল সত্যিই যেন ছোট্ট একটা দোকান বসে গেছে।
একের পর এক শাড়ি খুলে দেখানো হচ্ছে।
কিন্তু আজ কোনো কিছুই ভালো লাগছে না তার।
সবকিছুতেই যেন খুঁত চোখে পড়ছে।

শেষ পর্যন্ত শুভ্রা দেবী দুটো শাড়ি বেছে নিলেন।
একটা নিজের জন্য আর একটা রীনা দেবীর জন্য।
দিয়াকেও একটা নিতে বললেন।
কিন্তু রাগের মাথায় ও না করে দিল।
তবে নিজের জন্য যে শাড়িটা শুভ্রা দেবী বেছে নিলেন, সেটা কিন্তু দিয়ার খুব পছন্দ হয়েছিল।

গাঢ় রঙের ওপর মার্জিত কাজ, সঙ্গে অসাধারণ রুচিশীল নকশা।একবার বলতে গিয়েও থেমে গেল।
তার আগেই শুভ্রা দেবী শাড়িটা আলাদা করে ভাঁজ করে রাখলেন।দিয়া চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল।
মনের ভেতরে তখনও একটা কথাই cholche- সোনার কানের দুল।

শেষ পর্ব

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ