Friday, June 5, 2026







মাস্টার মশাই পর্ব-০৫

#মাস্টার_মশাই
#শারমিন_আহমেদ_নৈঋতা
#পর্ব_০৫
______________
৬.
মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল করে শহরের এক নামী কলেজে ভর্তি হয়েছে আলো। ছয় মাস হলো সে হোস্টেলে থাকে। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ— সব কিছুর সাথে মানিয়ে নিতে প্রথম প্রথম একটু সমস্যা হয়েছিল আলোর। তার কাছে এগুলো সব নতুন অভিজ্ঞতা। এরই ভেতর আরেক ঝামেলা এসে পড়ে জীবনে। দু’মাস আগে, হঠাৎই মাস্টারমশাই ফোন করেন। জানান তার পরিস্থিতি। খুবই খারাপ যাচ্ছে তার দিনকাল। আরও বলেন, স্কুলে বড় একটা সমস্যা হয়েছে। অন্য এক শিক্ষক ও এক ছাত্রীকে ঘিরে জটিল এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুলটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। স্কুল কবে খুলবে, কেউ জানে না। কী ঘটনা? তা আর খোলাসা করে বলেননি মাস্টার মশাই। আলো বড় হয়েছে। সে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছে সেটা। স্কুল বন্ধ করার আগে মাসিক বেতনও দেওয়া হয়নি। তাই। মাস্টার মশাইয়ের হাত এখন একেবারে ফাঁকা, বড্ড অসহায় কণ্ঠে তিনি জানালেন, এই মাসে টাকা পাঠাতে পারবেন না। যেভাবেই হোক, টাকার ব্যবস্থা করে, সামনের মাসে পাঠিয়ে দিবেন। এই মাসটা একটু কষ্ট করে চলার জন্য বলে ফোন রেখে দিলেন মাস্টার মশাই। আলো পড়ে গেল পাহাড়সম সমস্যায়। কলেজের ফি, কোচিং ফি দুটোই দিতে হবে শিগগিরই। পরের মাসে টাকা পাঠাবেন বলেও—টাকা পাঠাতে পারেননি মাস্টার মশাই। লজ্জায় গুটিয়ে নিয়েছেন নিজেকে। আলোর কাছে যা টাকা পয়সা ছিল, সেগুলো দিয়ে এতদিন চলেছে। কিন্তু এখন চলা খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে। একা শহরে থেকে পড়াশোনা ও নিজের খরচ সামলানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে তার জন্য। রাত গভীর হতে লাগল। আলোর মনের ভেতর ঝড় উঠল। বালিশে মুখ চেপে ডুকরে কেঁদে উঠল সে।

আলোর সঙ্গে একই রুমে আরেকটি মেয়ে থাকে। নাম তার রুবি। ওর বাড়ি রাজশাহীতে। গ্রামের বাড়িতে বাবা-মা আর দুজন ছোট বোন আছে ওর। আলোর সাথে রুবির তেমন বন্ধুত্ব পরায়ণ সম্পর্ক নয়—মাঝেমধ্যে গল্প করতো বসে বসে, সন্ধ্যার পর থেকে বাইরে ছিল রুবি। কিছুক্ষণ আগেই ফিরেছে। আলোকে কাঁদতে দেখে উঠে এলো সে। আলোর খাটের পাশে দাঁড়িয়ে, আলোকে ডেকে বলল, ‘কি হয়েছে? তুমি কাঁদছো কেন?’
হঠাৎ কারো সঙ্গ পেয়ে আরও শব্দ করে কাঁদল আলো। নিঃশব্দে আলোর কষ্ট ভাগ করে নেয় রুবি। আলোকে জড়িয়ে ধরে পিঠে আলতো করে হাত বুলিয়ে দেয়। আলো সংযত হয়। শব্দ করে নাক টানলো সে।

‘আমায় বলো কি হয়েছে?’ রুবি জিজ্ঞেস করল।
আলো সংকোচ ঝেড়ে ঘটনা তাকে জানালো। সব শুনে গম্ভীর হয়ে গেল রুবি। একটু পরেই সে বলল, ‘আমার কাছে একটা উপায় আছে। শোনো, ঢাকা শহরে টাকা ইনকাম করা খুবই সহজ। তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি তোমাকে কাল এক জায়গায় নিয়ে যাবো। সেখান থেকে তুমি যত ইচ্ছা তত ইনকাম করতে পারবা।’

আলো যেন অন্ধকারে এক টুকরো আলোর দেখা পেল। সে সরলমনে বলল, ‘সত্যি? আমাকে সেখানে নিয়ে যাবে? আমার টাকার খুব দরকার।’
‘টাকার খিদে সবারই থাকে। তুমি আর চিন্তা করো না। তোমাকে কালই আমার সাথে নিয়ে যাবো।’
আলো খুশিমনে আরেকবার জড়িয়ে ধরে রুবিকে। তারপর যে যার মতো ঘুমিয়ে গেল।

পরদিন। এখন বিকেলবেলা। কলেজ থেকে হোস্টেলে এসে একটু পর রুবির সঙ্গে বেরিয়ে গেল আলো। রাস্তায় নেমে একটা রিকশা ডাকে রুবি। তারপর দু’জনে ওটাতে চড়ে বসল। অন্য এক এলাকায় এলো ওরা। সেই এলাকার এক চিপা গলি দিয়ে ঢুকলো রিকশাটা। রাস্তার এক পাশে টং দোকান ও অন্য পাশে একটি দোতলা বাড়ি। বাড়ির সামনেই রিকশাটা থামালো চালক। রিকশা থেকে নামলো ওরা। রুবি ভাড়া মিটিয়ে দিতে—রিকশা ঘুরিয়ে চালক চলে গেল। আলো আশ্চর্য চোখে—চারদিকে চোখ বুলাচ্ছে। দুইতলার প্রতিটি ঘরের বারান্দায় দুজন করে মেয়ে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। ওরা একে অপরের সাথে কথা বলে হাসিঠাট্টা করছে। আলো ওদের দিক থেকে চোখ সরিয়ে রুবির দিকে তাকায়। তারপর জিজ্ঞেস করল, ‘এটা কোন জায়গা?’
‘এটাই আসল জায়গা।’ বলল রুবি। ‘এখানে একবার ঢুকলে শুধু টাকা আর টাকা। যত ইচ্ছা তত কামাও। কোনো বাধানিষেধ নাই।’
আলো ঠিক বুঝতে পারলো না রুবির কথার ইঙ্গিত। তবে সে যে খারাপ কিছুর দিকে ইঙ্গিত করেছে এটা ঠিকই ধরতে পেরেছে। আলো চোখ ছোটো ছোটো করে বলল, ‘এখানে এত টাকা আসে কোথা থেকে আর এই জায়গার নাম কী?
‘গণিকালয়। আমি রোজ আসি এখানে। চলো, ভেতরে যাই।’
আলোর দিকে এক হাত বাড়িয়ে দেয় রুবি। এক ঝটকায় রুবির হাত সরিয়ে দেয় আলো। ওর বুকের ভেতর ধুক করে উঠে। দুমড়ে মুচড়ে গেল সে। দুই চোখ রাগে লাল হয়ে গেল। চোয়াল শক্ত হলো— চোখে জল এলো সঙ্গে সঙ্গে। আলো হিসহিসিয়ে বলল, ‘তুমি আমাকে এমন নোংরা জায়গায় নিয়ে এলে কোন সাহসে? ছিঃ, আমার ভাবতেও ঘৃণা হচ্ছে, তুমি আমাকে ঠকালে। এইভাবে বিশ্বাস ভাঙলে আমার। তোমার প্রতি যে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস তা এখন একেবারে চুকে গেল। তোমাকে ঘৃণা করি আমি। তোমার চেহারাও আর দেখতে চাই না।’
আলো কেঁদে ফেলল। দুই হাতে চোখের জল মুছতে মুছতে পেছন ঘুরে দৌঁড় দেয়। রুবি যেভাবে ছিল সেভাবেই দাঁড়িয়ে রইল। কয়েক সেকেন্ড পর সে বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেল। যেন কিছুই হয়নি। এইসব দৃশ্য, টং দোকানে বসে বসে দেখছিল আদনান। এক হাতে চায়ের কাপ ও অন্য হাতে একটা টোস্ট বিস্কুট, গরম গরম চায়ে একটু একটু চুবিয়ে খাচ্ছে সে। আর পায়ের উপর পা তুলে ওদের দুজনকে দেখছিল— কথাগুলো ও কানে এসেছে সবই। পতিতালয়ে আরেকজন নতুন পতিতা এসেছে দেখে নাক ছিটকিয়ে ছিল প্রথমে। পরক্ষণে যখন দেখল আলো পাশের মেয়েটির সাথে রাগারাগি করে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল। পতিতালয়ের ভেতরে ঢুকলো না তখন সে ভারী অবাক হলো। চায়ের কাপ ও বিস্কুট রেখে তাড়াতাড়ি ওঠে দাঁড়াল। দশ টাকা বিল দিয়ে দৌঁড় দেয় সে। একটু যেতেই আলোকে পেয়ে গেল। রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে মেয়েটা। কাঁদতে কাঁদতে ফর্সা মুখটাকে লাল করে ফেলেছে। আহারে! মায়া লাগল আদনানের। সে তার প্যান্টের পকেট থেকে একটা রুমাল বের করে আলোর দিকে বাড়িয়ে দেয়। তারপর নরম গলায় বলল, ‘এটা ধরুন। মুখ মুছে নেন। খারাপ দেখাচ্ছে।’

অপরিচিত লোকটাকে দেখে আলো সংকোচ করল। যেন বিড়ম্বনায় পড়ে গেল। আলোর কণ্ঠ শীতল। সে বলল, ‘লাগবে না। থ্যাংক ইউ।’

আদনান ভ্রু কুঞ্চিত করে বলল,
‘নিবেন না কেন? আমার রুমালের কী দোষ?’

একথায় ভারী অবাক হয় আলো। ‘আপনার রুমাল কোনো দোষ করে নি। আমি আপনার থেকে রুমাল নেবো না। অপরিচিত লোকের থেকে আমি কিছু নিইনা।’ আলো মৃদু আওয়াজে বলল। আদনান গা ছাড়া ভাবে বলল, ‘তাহলে আসুন পরিচিত হই; তারপর তো নিবেন?’

বিস্মিত আলো চোখ গোলগোল করে তাকিয়ে রইল। মুখে কোনো আওয়াজ নেই তার। মনে মনে ভাবলো, লোকটা কী গায়ে পড়া। ও যত তাকে এড়িয়ে যেতে চাইলে লোকটা তত কথা বলে বলে মাথা খাচ্ছে। আলো ঘাড় ঘুরিয়ে এদিক ওদিক তাকিয়ে রিকশা খুজতে লাগল। আদনান ওর চোখের অভিব্যক্তি বুঝে গেল। আদনান বলল, এখানে রিকশা পাবেন না। রিকশার জন্য আরও সামনে যেতে হবে। এই পাড়ায় রিকশা সহজে আসে না।’

আলো অস্বস্তিতে পড়ে গেল। নিজেকে গুটিয়ে নিতে চাইল সে। লজ্জায় জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়ায়। কি বিপদে পড়ল সে। এমন এক পাড়ায় ও এসেছে যার নাম শুনলেই লোকে ছিঃ ছিঃ করে। ইসস! কী লজ্জা। হুট করে মাথায় এলো মাস্টার মশাইয়ের কথা। তিনি যদি জানতে পারেন, সে টাকা দিতে পারছেন না বলে, ও এমন এক নিকৃষ্ট জায়গায় এসেছে—তাহলে কতটা কষ্ট পাবেন উনি? আহারে! বেচারা কাঁচের মতো ভেঙে গুড়িয়ে যাবেন। ভেঙে পড়বেন। হয়তো ওকে ঘৃণা করতে শুরু করবেন। আলো মাথা নাড়ল। এই মুখ ও কীভাবে দেখাবে ওর মাস্টারমশাইকে? সহসা দুই হাতে মুখ লুকিয়ে বসে পড়ল আলো। হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল সে। এই দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে গেল আদনান। সে যথার্থ চেষ্টা করে আলোর কান্না থামানোর।

আলো ও আদনান একটা টং দোকানে মুখোমুখি বসে আছে। আদনান দুই কাপ চায়ের অর্ডার দেয়। ওরা দুজনে চুপচাপ বসে ছিল। আলোর ভেতরে অস্থিরতা কাজ করছে। আদনানের বিপরীতে বসে থাকা আলো পায়ের তলার মাটির দিকে তাকিয়ে আছে। আলোকে জিজ্ঞেস করল আদনান। ‘কিছু মনে না করলে আপনার নাম জানতে পারি?’

আদনানের কথায় মাটির উপর থেকে চোখ সরিয়ে তার দিকে দৃষ্টি স্থির করে আলো। আলো ইতস্তত বোধ করছে। বারেবারে এক হাতের নখ দিয়ে অন্য হাতের নখ ঘষা দিচ্ছে সে। আদনান ঠোঁট কামড়ে আলোকে দেখছিল। আলো একটা শীতল নিঃশ্বাস ফেলে। বলল, ‘আলো।’

আদনানের কণ্ঠে অদ্ভুত শীতলতা। ‘বাহ। বেশ সুন্দর নাম। আমার নাম আদনান ভুঁইয়া। এই এলাকায় বাসা। আপনাকে এই এলাকায় আগে দেখিনি। আজ প্রথম পতিতালয়ের সামনে দেখলাম। তা এখানে এসেছেন কেন?’ আলোকে জিজ্ঞেস করল আদনান। আলোর গলা শুকিয়ে গেল এতে। বুকের ভেতর হৃদপিণ্ডটা টিপটিপ করছে তখন। ধক ধক আওয়াজ হচ্ছে যেন। ভয় হচ্ছে। মানুষটা যদি তাকে খারাপ ভাবে? আলোর সম্মান হারানোর ভয় অনেক। মেয়ে মানুষের সম্মান একবার হারালে দ্বিতীয় বার কুড়ানো যায় না। সে সারাজীবন সবার চোখে কলঙ্কী হয়েই থেকে যায়। দোষ না করেও হয় দোষী। আলো ঢোক গিলল। আলো মাথা নিচু করে বলল, ‘আমার রুমমেট আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে।’
আলোর চোখের কোল গড়িয়ে পড়ল দুই ফোঁটা অশ্রুজল। কেঁদে উঠল সে। দেখে ব্যস্ত হয়ে পড়ল আদনান। বলল, ‘কাঁদবেন না প্লিজ। আমি সেইভাবে বলতে চাইনি। আমি বলতে চাচ্ছি, আমি এই প্রথম কোনো মেয়েকে দেখলাম যে পতিতালয়ের সামনে থেকে চলে এসেছে। আপনি এখানে এসেছেন কেন আর ওখান থেকে চলে এলেনই বা কেন?’ আদনানের কণ্ঠে বিস্ময় আলোকে আরও লজ্জায় ফেলে দেয়। আলো মাথা তুলে তাকায়। সে বলল, ‘আমি গ্রামের মেয়ে। শহরে এসেছি ছয় মাস হয়। দু মাস ধরে কলেজ ফি ও টিউশন ফি দিতে পারছি না। ঝামেলায় পড়েছি। আর সে কথা গতকাল রুমমেট কে জানিয়েছিলাম। ও বলেছিল, পার্টটাইম জবের ব্যবস্থা করে দেবে। ঢাকা শহরে না-কি টাকা কামানো খুব সহজ। ওর কথা বিশ্বাস করে আজ আমি এইখানে। আমি জানতাম না ও আমাকে এখানে নিয়ে আসবে। যদি আগে জানতাম কখনো আসতাম না। ও একবারও বলেনি এই জায়গার নাম। আমার মাস্টার মশাই যদি এই ঘটনা জানতে পারেন তাহলে খুব কষ্ট পাবেন। মাস্টার মশাই আমাকে ঘৃণা করলে আমি সহ্য করতে পারবো না। তখনই মরে যাবো।’

আদনান হাত নেড়ে নেড়ে বলল, ‘হয়েছে আর কাঁদতে হবে না। আমি কান্না পছন্দ করি না। তবে বলতে বাধ্য হচ্ছি, আপনি সত্যি অন্য রকম মানুষ। আপনাকে দেখে আমারই গর্ব হচ্ছে। আজ যদি আপনার বাবা-মা এখানে থাকতেন তারাও গর্ববোধ করতেন। কারণ কী জানেন? কারণ, আপনি এমন একজন মানুষ, যে টাকার লোভে পড়ে নিজেকে বিক্রি করেন নি।’ আলোর চেহারা লজ্জায় লাল হয়ে উঠল। আদনান আবারও বলল, ‘এক মিনিট। আমি একটা জিনিস বুঝলাম না, আপনি আপনার বাবা-মাকে নিয়ে চিন্তিত না হয়ে—কোন এক মাস্টার মশাইকে নিয়ে চিন্তিত হচ্ছেন কেন?
‘আমার বাবা-মা বেঁচে নেই। আমি ছোটো থেকে মাস্টার মশাইয়ের কাছে বড় হয়েছি।’
আদনান ভ্রু উঁচু করে। বলল, ‘আপনার মাস্টারমশাই আপনাকে ভালো শিক্ষা দিয়েছেন। সত্যি প্রশংসনীয়।’ প্রসঙ্গ পালটাতে আদনান বলল, ‘একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন?’
‘কী?’ আলো জিজ্ঞেস করল।
আদনান নড়েচড়ে বসল। বলল, ‘আপনার এবং আমার নামের প্রথম অক্ষর কিন্তু ‘আ’ কি দারুণ ব্যাপার। তাই না?’
আলো মাথা নাড়ল।
‘হু।’
আদনান আবারও রুমাল এগিয়ে দেয় আলোর দিকে। তারপর বলল, ‘আমাদের তো পরিচয় হয়ে গেছে। এখন রুমাল নিতে আপত্তি নেই তো?’ আলো হেসে রুমালটা নেয়। আদনান একটু থেমে আবার বলল, ‘পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর রুমাল দিয়ে মুখ মুছে, আমার সাথে এক কাপ চায়ের মজা নিন। বেশি কিছু না শুধু এক কাপ চা খাবেন। সুন্দরী মেয়ে মানুষ পাশে বসে চা খেলে—চায়ের স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে যায়।’ বলেই অমায়িক ভাবে হাসল আদনান। চোখেমুখে ছড়িয়ে পড়ল উজ্জ্বল হাসির রেখা। আদনানের সঙ্গে অল্প পরিচয়েই ভাব হয়ে গেল আলোর। আদনান নিজে থেকে এগিয়ে এসেছে আলোকে সাহায্য করতে। সে তাকে হোস্টেল পর্যন্ত এগিয়ে দেয়। দুজনের নাম্বার আদান-প্রদান হয়। প্রায় মাঝ রাত পর্যন্ত কথা হতে লাগল দুজনার। নিজেদের অজান্তেই মনের আদান-প্রদান হয়ে গেল ওদের।

চলবে……..

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ