Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"বইছে আবার চৈতী হাওয়াবইছে আবার চৈতী হাওয়া পর্ব-৫+৬

বইছে আবার চৈতী হাওয়া পর্ব-৫+৬

বইছে আবার চৈতী হাওয়া
তৃতীয় পর্ব
৫.

আজ মীরার মনটা অসম্ভব খারাপ I ল্যাব না থাকায় ক্লাস শেষ করে আজ শুভর সঙ্গে বেরিয়েছিল I দুজনে মিলে একটা রেস্টুরেন্টে বসেছিল I গত এক বছর ধরে ওদের সম্পর্ক হলেও ডিপার্টমেন্টে খুব একটা একসঙ্গে দেখা যায় না দুজনকে I যে যার বন্ধুবান্ধব নিয়েই ক্যান্টিনে ,সেমিনারে যায় I মাঝে মাঝে কথা হয় টেক্সটে I টেক্সটের মাধ্যমে শুভ জানিয়ে দেয় কোথায় যাবে ,কখন ,কোথা থেকে রিকশা নেবে I

টিএসসি, কার্জন হল কিংবা কলাভবনে বসতে চায় না শুভ I সাধারণত কোন রেস্টুরেন্ট কিংবা কফি শপে বসে I এই ব্যাপারটা ও ভালো লাগেনা মীরার I শুভ একগাদা খাবার অর্ডার করে I কখনোই মীরাকে বিল দিতে দেয় না I বেশ কয়েকবার মীরা চেয়েছে কিন্তু শুভ রাজি হয়নি I মীরা একটা টিউশনি করে Iএকটা কোচিং এ সপ্তাহে দু’দিন ক্লাস নেয় I এর বাইরে ও কিছু বাড়তি ইনকাম আছে ওর I মীরা ভালো মেহেদি পড়াতে পারে ,হ্যান্ড মেড গয়না বানায় I হলের মধ্যে টুকটাক বিক্রি হয় I খরচ খুব একটা বেশি পড়ে না বলে ভালই লাভ থাকে I তবুও শুভ কখনো ওকে খরচ করতে দেয় না I মীরার মনটা খচখচ করে I তাই ও প্রায়ই শুভর জন্য উপহার কিনে নিয়ে যায় I এটা অবশ্য এমন কিছু না হলেও করত I শুভর জন্য কিছু কিনতে খুব ভালো লাগে ওর I কবিতার বই , ভালো কলম, ডাইরি এসবকিছুই মীরা কেনে যেদিন টিউশনির টাকা পায় I দামি কিছু কিনতে পারে না I এই টাকা দিয়েই চলতে হয় ওকে I মীরা চেষ্টা করে বাড়ি থেকে টাকা না নিতে I যদিও প্রতিমাসেই বড় চাচা বিকাশ করে দেন I যত্ন করে সেই টাকাটা জমিয়ে রাখে ও I ওর খুব শখ একদিন নিজের একটা হ্যান্ড মেড গয়নার দোকান দেবে I
মীরার শৈশব কৈশোর কেটেছে ময়মনসিংহে I ওদের নিজেদের বাড়ি ওখানে I স্কুল-কলেজ ওখান থেকেই শেষ করেছে Iকলেজ শেষ করার পর , ঢাকায় পড়তে আসার ব্যাপারে মায়ের সম্মতি ছিল না I

মীরার বাবা নেই I ছোট দুই বোন স্কুলে পড়ে I বড় চাচা আর মীরার বাবা পৈতৃক বাড়িতে এক সঙ্গেই থাকতেন I দুজনে মিলে একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেছিলেন I তিনটা কাপড়ের দোকান ওদের I হঠাৎ করেই এক্সিডেন্টে মীরার বাবা মারা যাবার পর সব কেমন এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল I মিরা তখনও স্কুলের গন্ডি পেরোয়নি Iওর মা ,হালিমা বেগম তিন মেয়েকে নিয়ে অকূল পাথারে পড়েছিলেন I সেই সময় বড় চাচা হাল ধরেছেন I তার একমাত্র ছেলে সৌরভেরকে দোকানের দায়িত্ব নিতে বলেছিলেন I সৌরভের তখন মাত্র গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছে ময়মনসিংহ সরকারি কলেজ থেকে I এমনিতেও ওর পড়াশোনায় মন নেই I পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে আড্ডা মেরে বেড়ায় I এই সুযোগে বড় চাচা ওকে দোকানে বসিয়ে দিলেন I উনি ভেবেছিলেন হালিমা হয়তো রাজি হবেন না I ব্যবসা বুঝে নিতে চাইবেন I কিন্তু সেরকম কিছু হল না I বড় চাচা সৎ মানুষ I উনি সব দলিলপত্র হালিমা বেগম কে বুঝিয়ে দিলেন I এটাও বললেন যে ওরা চাইলে আলাদা থাকতে পারে I হালিমা বেগম রাজি হননি I এখানে মাথার উপর বটবৃক্ষ আছে I একা একা তিনি কীভাবে চলবেন তিন মেয়েকে নিয়ে I এছাড়াও তার মনের সুপ্ত ইচ্ছা সৌরভের সঙ্গে মীরার বিয়ে দেবার I এতে বাড়ি এবং সম্পত্তি দুটোই নিজেদের কাছে থাকবে I সৌরভের ও যে মীরর ব্যাপারে আগ্রহ, এটা উনি ভালই বোঝেন I

মিরা অবশ্য এসবের কিছুই জানতো না I এইচএসসিতে ভালো রেজাল্টের পর অনেক চেষ্টা করেও মাকে রাজি করাতে পারেনি ,ঢাকায় পরীক্ষা দেবার ব্যাপারে I অগত্যা বাধ্য হয়েই মীরা বড় চাচার শরণাপন্ন হয়েছিল I বড় চাচা মীরাকে অসম্ভব স্নেহ করেন I আদরের ভাতিজির কথা ফেলতে পারলেন না উনি I নিজেই হালিমা বেগম কে রাজি করালেন I তারপর সৌরভেকে সঙ্গে দিয়ে মীরাকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করলেন I মীরার ছোট খালা রেহানা থাকে ঢাকার শ্যামলীতে I এমনিতেও ঢাকা-ময়মনসিংহ ঘন্টা তিনেকের পথ I ছুটিছাটায় একাই চলে আসতে পারবে I খালার বাসায় থেকেই ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে পর দিন ফিরে গিয়েছিল মীরাI এক মাস পর আবার ফিরে এসেছিল ভর্তির জন্য I ভর্তির কাজকর্ম শেষ হবার পর বিদায় নেবার সময় সৌরভ বলেছিল
– কিরে মীরা , এখানে এসে আবার আমাদের ভুলে যাবিনা তো ?
মিরা অবাক হয়ে বলেছিল
– কি যে বল ভাইয়া I আমি তো ছুটি পেলেই বাড়ি চলে যাব I
– আবার প্রেম-টেম শুরু করে দিস না
মিরা ভীষণ লজ্জা পেয়েছিল এই কথা শুনে I সেদিনও ভাবতে পারেনি যে সত্যিই ওর জীবনে প্রেম আসবে I এবং সেটাও এত দ্রুত I

আজও মনে আছে ওদের প্রথম দেখা হবার দিনটা Iমীরা তখনো হলে সিট পায়নি I শ্যামলীতে উঠেছিল খালার বাসায় I ঢাকার রাস্তাঘাট ভাল চেনে না I প্রথম দিনের ক্লাসের উত্তেজনায় সারা রাত ঘুমাতে পারেনি I সকাল সকাল রওনা দেবার পরও দেরি হয়ে গিয়েছিল I আটটায় ক্লাস I মিরা ডিপার্টমেন্টের ঢুকলো সাড়ে আটটায় I ক্লাস রুম কোথায় ও জানে না I সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গিয়ে স্যান্ডেল ছিড়ে গেল I হঠাৎ করেই কান্না পেয়ে গেল মীরার I কি করবে কিছুই বুঝতে পারছিল না I ঠিক তখনই সামনে থেকে একজন বলল
– ফাস্ট ইয়ার ?
মিরা টলটলে চোখ নিয়ে তাকালো
– জি
– তোমাদের ক্লাস রুম তো অন্যদিকে I তুমি এখানে কি করছ ?
মিরা জবাব দিল না i হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে চোখ মুছলো I ছেলেটা হাসতে হাসতে বলল
– স্যান্ডেল ছিড়ে ফেলেছ ?
আরো হয়তো কিছু বলত , কিন্তু মীরার অবস্থা দেখে আর সাহস করলো না I বরং বলল
– জাহাঙ্গীর আলম স্যারের ক্লাস I দেরি হয়ে গেলে আর ঢুকো না I স্যার ভীষণ রাগ করেন I তারচেয়ে বরং রাস্তার উল্টোদিকে একজন জুতো সারাই করার লোক আছে , তার কাছে গিয়ে স্যান্ডেলটা ঠিক করে নাও I
– উল্টোদিকে কোথায় ?
– আচ্ছা চলো, আমি নিয়ে যাচ্ছি I
-আপনি নিয়ে যাবেন ?
-আমি শুভ I তোমাদের দুই ব্যাচ সিনিয়র I তোমার নাম ?
– মিরানা ইসলাম I

খুব সাধারণভাবে ওদের পরিচয়টা হলেও তখন মিরার প্রথম কৈশোর I চোখ ভরা রঙিন স্বপ্ন I শুভকে ভীষণ ভাল লেগেছিল ওর I তবে ঠিক প্রেমে পড়েনি I এর কিছুদিন পর থেকেই থার্ড ইয়ারের রেশমা আপা প্রায়ই ওদের ক্লাসে আসতেন গল্প করতে I একদিন মীরাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন
– শুভকে তোর কেমন লাগে রে ?
– আমার ?
– হ্যাঁ
– শুভ ভাইয়াকে ? ভালো I কেন আপু ?
-ও তোকে পছন্দ করে I তোর অ্যান্সারটা যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে আমাকে জানিয়ে দিস I
ভীষন নার্ভাস হয়ে গিয়েছিল মীরা সেদিন I ওর এই অবস্থা দেখে রেশমা আপা হাসতে হাসতে বলেছিলেন
– ঠিক আছে এখন কিছু বলতে হবেনা I কাল জানালেই হবে I
যদিও শুভ পর দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করেনি I বিকাল নাগাদ ফোন করেছিলো Iমিরা এড়িয়ে যেতে পারেনি I শুভকে ভালো না লাগার কোন কারণ ছিলনা I শুভ দেখতে সুন্দর I সচ্ছল পরিবারের ছেলে I রেজাল্ট ও সেরকম ভাল I এরপর থেকে প্রতিদিন ফোনে কথা হতো I আস্তে আস্তে সম্পর্কের গভীরতা বাড়লো I কিন্তু ওদের সম্পর্কটা বরাবরই টলটলে দীঘির জলের মতন I সেখানে সমুদ্রের উত্তালতা নেই I নেই কোন উথালপাথাল জোয়ার ভাঙ্গা প্রেম I তবুও মীরা শুভকে ভালোবেসেছে I কখনও কোনও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব রাখেনি নিজের ভেতরে I তবে আজ মনে হল শুভ হয়তো ওকে সেইভাবে ভালোবাসেনি I তা নাহলেও কিভাবে শুধু নিজের কথা ভেবে ফিউচার প্লান করছে Iশুভর আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা দেখে মীরা গম্ভীর হয়ে গিয়েছিল I শুভ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেছিল
– কি হল ? তোমার ভাল লাগেনি ?
– তোমার মত আমারও কিন্তু আগামী পাঁচ বছরের কিছু প্ল্যান আছে I জরুরী না যে তোমার সাথে সেটা মিলবেই I
মীরা ভেবেছিলো একথা শুনে হয়তো শুভ পাল্টা জিজ্ঞেস করবে , তোমার প্ল্যান গুলো কি I কিন্তু শুভ বিশেষ একটা পাত্তা দেয়নি I এতে আরো মন খারাপ হয়েছিল মীরার I

রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে শুভ রিক্সা করে দিল I মীরা ইচ্ছা করেই হলের গেটে না নেমে উল্টোদিকে নামল I ততক্ষণে বিকেলের আলো মিলিয়ে গেছে I গাঢ় অন্ধকারে নেমেছে চারিদিকে I মীরা অনেকক্ষন দাড়িয়ে রইল I ও জানে আজ শুভ আসবেনা I একটু আগেই ওর সঙ্গে দেখা হয়েছে I তবু দাঁড়িয়ে থাকতে ভালো লাগছে I খুব হাহাকার করছে বুকের ভেতরটা I মনে হচ্ছে কেউ একজন আসুক, যার জন্য আজন্ম অপেক্ষা করা যায় I

৬.
– আরে মামু , শয়তানের হজ পালন নাকি ?
আশিককে লাইব্রেরী থেকে বের হতে দেখে রাসেল এগিয়ে এসে প্রশ্নটা করল I আশিক একটু লজ্জা পেল I তারপর বলল
– আরে ধুর I কালকে সকাল আটটার মধ্যে অ্যাসাইনমেন্ট জমা না দিলে, ম্যাডাম আমার খবর করে ফেলবে I
পঞ্চাশোর্ধ নুরুন্নাহার ম্যাডামকে দেখলে অন্তরাত্মা খাঁচাছাড়া হয়ে যায় সবার I মাঝারি উচ্চতা, বব কাট চুল ,মোটা ফ্রেমের চশমা আর শাড়ির সঙ্গে রানিং সু I তার ওপর তাঁর গমগমে কণ্ঠস্বর I ছাত্ররা তো কোন ছার শিক্ষকেরা অবধি সমঝে চলেন তাকে I এইরকম একজনের নাম হয়ে গেল শিশির ভেজা ভোরের ফুল I ম্যাডাম জানতে পারলে আশিকের আর অনার্স পাশ করা লাগবে না I রাসেল মজা করে বলল
– ম্যাডাম তো পইটা গেছে মনে হয় I
আশিক হাসতে হাসতে বলল
– এটাও তো কম ভয়ের কথা না I
দুই বন্ধু কিছুক্ষণ প্রাণ খুলে হাসল I রাসেল বলল
– প্রিন্ট আউট নিছস ?
– এখনো না I কিছু কারেকশন আছে I বাসায় গিয়ে নিব I
– যাবি নাকি একটু চিপায় ?
– আজকে না I মাথা ব্যথা করতেছে I
– চলনা I দুইটা টান মারলে মাথা ব্যথা চইলা যাইব I
– আচ্ছা চল I
শীতের সন্ধ্যা গুলো দ্রুত নামে I আজ আবার একটু মেঘ ও করেছে Iতাই ঝুঁপ করেই অন্ধকার নেমে গেল I সেই সঙ্গে যুক্ত হলো উত্তরে হাওয়া I আজ আশিক উঠে পড়েছে রাত বাড়ার আগেই I গায়ের গেরুয়া চাদরটা আরও একটু ভালো করে জড়িয়ে নিয়ে হাঁটতে লাগলো অন্ধকারে I রাতের ক্যাম্পাস হাঁটতে ভালো লাগে ওর I আশিক অন্যমনস্ক হয়ে হাঁটতে লাগলো I বেশ কিছুদিন ধরে কয়েকটা কবিতার অনুবাদ নিয়ে কাজ করছিল I কিছুতেই পছন্দসই হচ্ছিল না I ক্রসিংটা পার হয়ে এক মুহূর্তের জন্য থমকে দাঁড়ালো I রাস্তার উল্টোদিকে মেয়েটা দাড়িয়ে আছে I আজও মুখ দেখা যাচ্ছেনা I আশিক ঘোর লাগা চোখে তাকিয়ে রইল I আর ঠিক তখনই হঠাৎ করে জট খুলে গেল , আর কবিতার লাইনটা চলে এল মাথায় I

‘ চুম্বনে প্রমান প্রেমের
নাইবা দিলে হে প্রিয়
অধরের কম্পনে তব
সম্মতি টুকু শুধু দিও ‘

আশিক নিজেই আশ্চর্য হয়ে গেল Iমির্জা গালিবের এই কবিতাটা অনেক দিন ধরে অনুবাদ করার চেষ্টা করছিল I কিছুতেই মনমত হচ্ছিল না I আজ হঠাৎ কি হল ? কোথাও লিখে ফেলতে হবে I তা না হলে পরে ভুলে যাবে I আশিক ফোন বের করে মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করে রাখল I চকিতে একবার তাকিয়ে দেখল I মেয়েটা এখনো দাঁড়িয়ে আছে I মনে হলো ,একবার রাস্তা পার হয়ে গিয়ে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত I আশিক ধীর পায়ে রাস্তা ধরে এগোতে লাগলো Iআর ঠিক তখনই লক্ষ্য করলো মেয়েটা ও রাস্তা পার হয়ে উল্টো দিকে আসছে I ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় এসে এক মুহূর্তের জন্য পাশ ফিরে তাকাল আশিক I না , মেয়েটা অন্য দিকে মুখ ফিরিয়ে আছে I আজও মুখটা দেখা হলো না I রাস্তা পার হয়ে একবার মুখ ফিরিয়ে দেখল আশিক I কোথাও খুঁজে পেলা না I এত তাড়াতাড়ি কোথায় হারিয়ে গেল Iআশিক আনমনে হাসল একটু I তারপর আপন মনেই বললো

কোথাও রয়েছ , জানি,- তোমারে তবুও আমি ফেলেছি হারায়ে;
পথ চলি- ঢেউ ভেজে পায়ে ;
তুমি এই রাতের বাতাস,
বাতাসের সিন্ধু- ঢেউ,
তোমার মতন কেউ
নাই আর !
অন্ধকার- নিঃসাড়তার
মাঝখানে
তুমি আনো প্রাণে
সমুদ্রের ভাষা ,
রুধিরে পিপাসা
যেতেছ জাগায়ে ,
ছেঁড়া দেহে – ব্যথিত মনের ঘায়ে
ঝরিতেছ জলের মতন ,-
রাতের বাতাসে তুমি ,- বাতাসের সিন্ধু- ঢেউ,
তোমার মতন কেউ
নাই আর ।

চলবে ………

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ