Saturday, June 6, 2026







প্রেমাতাল পর্ব-১৩

#প্রেমাতাল
#পর্ব-১৩
#Fatema_Aktar_mim

চৈত্র মাসের কাটফাটা গরমে অতিষ্ঠ ধরনী।গুমোট নিস্তব্ধ প্রকৃতিতে এক ফোটা বাতাসের হাহাকার নেমে এসেছে।তার ওপর ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে অত্র এলাকায়।রুদ্রদের এলাকায় বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া খুব একটা লোডশেডিং হয় না।

তবে রুদ্রদের এলাকায় গত রাত থেকে বিদ্যুৎ নেই।জেনেরেটরেও কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে।যার কারণে রুদ্রের বর্তমান অবস্থা সিদ্ধ আলুর মতো।ঘেমে-ঘুমে শরীর একদম প্যাচপেচে হয়ে গেছে।গরমে সারারাত ঘুমাতে পারিনি।ফজরের আগ দিয়ে ছাদে এসে চৌকিতে উম্মুক্ত শরীরে কাত হয়ে শুয়ে আছে।শুয়ে আছে বললে ভুল হবে,হালকা বাতাসে গভীর ঘুমে তলিয়ে গেছে।

–রুদ্র ভাইয়া?
–রুদ্র ভাইয়া?
–অ রুদ্র ভাইয়া! শুনছো আমাকে?রুদ্র….

সকাল সকাল কারো গলা ফাটা আওয়াজ কর্ণ কুহরে পৌছাতেই রুদ্র বিরক্ত হলো।বিরক্তকে কপাল কুচকে এসেছে।ফাটা বাঁশের মতো আওয়াজ যেন থামছেই না।মুহুর্তেই ডাকের গতী তীব্র আকার ধারণ করলো।যা সদ্য ঘুমন্ত মস্তিষ্কে সুচের মতো ফুটছে। কানের পর্দা যেন এখন ফেটেই যাবে।রুদ্র মেজাজ হারিয়ে ফেলল।তাকে মার্জিয়া রসিকতা করে ডাকছে ভেবে রাগে গজগজ করতে করতে হাতের কাছে থাকা শার্টটা ছুরে মারে কাঙ্ক্ষিত ব্যাক্তির উপর।

–সমস্যা কি তোর বাল?সকাল সকাল এভাবে ষাড়ের মতো চেচাচ্ছিস কেন?কে মরছে তোর।

কথাগুলো বলেই রুদ্র চৌকি থেকে উঠে দাঁড়ায়।শার্টটা মেয়েটার মাথার উপর পড়েছে।যার কারণে মুখটাও ঢাকা পড়ে আছে।রুদ্র তীক্ষ্ণ চোখে সেদিকে তাকিয়ে আছে,,

–কি রে মার্জু আপু,তুই এতো বেটে হয়ে গেলি কিভাবে?

কোনো উত্তর না পেয়ে রুদ্র হনহন করে মেয়েটার সামনা-সামনি দাঁড়ায়।তারপর ছো মেরে মেয়েটার মুখ থেকে নিজের শার্টটা তুলে নেয়।মুহুর্তেই যেন একশো চল্লিশ ডিগ্রি ভোল্টের শক খেল।চিৎকার করে বলে উঠলো,

–তুই….?

জুই ধমক খেয়ে কাঁদো কাঁদো গলায় বলে উঠে,

–হ্যা আমি রুদ্র ভাইয়া।তুমি আমায় বেটে বলতে পারলে?

রুদ্র বিরক্ত হয়ে বলল,

–তে এখানে কেন এসেছিস?

জুই কিছু বললো না।কান্না থামিয়ে হা হয়ে রুদ্রের প্রশস্ত বুকে তাকিয়ে থাকে।উম্মুক্ত গায়ে রুদ্রের ফরসা শরীর চিকচিক করছে।বুকের মাঝখানে দুই একটা লোমও রয়েছে।জুই এই মুহুর্তে সেদিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।ওয়াউ” রুদ্র ভাইয়া কি দারুন দেখতে”!কি সুন্দর মাশাস বডি বানিয়েছে।ভাবনা থেকে বেড়িয়ে চট করে বলেই ফেললো জুই,

–জিম করো নাকি গো রুদ্র ভাইয়া?এতো সুন্দর বডি কিভাবে বানালে।আমিও বানাতে চাই।

রুদ্র কোমড়ে হাত দিয়ে তীক্ষ্ণ চোখে জুইয়ের দিকে তাকিয়ে ছিল।জুইয়ের মুখে বেসরম কথা শুনে রুদ্র নিজের দিকে তাকালো।তারপর খারাপ নজর থেকে বাঁচার জন্য শার্টটা পড়ে নিলো।ফের ধমক দিয়ে শুধালো,

— শাট আপ। ইস্টুপিট মেয়ে অন্যদিকে তাকা,বেসরমের মতো কি দেখছিস এতো।চোখ কিন্তু তুলে নেবো।

ধমক শুনে জুই চমকে উঠল।মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলো।জুইকে এভাবে সং হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে রুদ্রের মেজাজ আবার চটে গেল।রাগে তিরতির করে বলে উঠলো,

–সামনে থেকে সর, নিচে যাবো।

–পরে।আগে আমার কথা শোনো।

রুদ্র উপর নিচ মাথা ঝুকিয়ে বলল,

–দেখ আমাকে রাগাস না বইন।একদন ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেব।চুপচাপ সরে দাড়া।

জুই ছাদের দরজার সামনে বুক টান করে দুই হাত মেলে বলে উঠে,

–আগে বলো আমার সাথে শপিংএ যাবে?নাহলে পথ ছেরে দেব না।

–কে তুই হ্যাঁ? তোর সাথে আমি শপিং করতে কেন যাব।হু আর ইউ?

–অমা ভুলে গেছো নাকি রুদ্র ভাইয়া,আমি তোমার হবু বউ!তুমি আমার হবু স্বামী।আর শুক্রবারে আমাদের সাদি।

রুদ্র আর মেজাজ কন্ট্রোল করতে পারলো না।জুইকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়ে হনহন করে নিচে নেমে গেলো।জুই কাঁদো কাঁদো হয়ে সেদিকে তাকিয়ে রইলো।

~আজ সোমবার। জুই আর রুদ্রের বিয়ে ঠিক হয়েছে।আগামী শুক্রবারে আনুষ্ঠানিক ভাবে তাদের বিয়ে সম্পুর্ণ হবে।জুই সম্পর্কে শুভর চাচাতো বোন হয়।সেই সুবাদে তারা একে অপরকে খুব ভালো করেই চিনে।জুই এবার ইন্টার পরিক্ষা দিয়েছে তবে রেজাল্ট এখনো আউট হয়নি।সে একটু সহজ সরল মেয়ে,বুঝে কম কাঁদে বেশি।বিশেষ করে রুদ্র ধমক দিলেই কেঁদে ফেলে।বান্ধবীদের কথা শুনে একদিন রুদ্রকে সে প্রেম পত্র দিয়েছিলো।সেদিন রুদ্রের হাতের একটা শক্ত থাপ্পড়ও সে খেয়েছে।তারপর থেকে ভুলেও আর রুদ্রের আশেপাশে আসে নাই।আজ রুদ্রের বাবা ডেকেছে বলে সে এসেছে।

________________

রায়হান তালুকদার রুদ্রের বাবা খুব গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ।তিনি সচরাচর বেশি কথা বলা পছন্দ করে না।আবার বাইরের মানুষের সাথে তার আলাপও জমে না।কিন্তু পরিবারের ব্যাপারে সে খুব রসিক প্রকৃতির।
তার দুটো রূপ আছে। প্রথমত, সে পরিবারের প্রতি খুব স্নেহশীল আর দায়িত্ববান।পরিবারের সবার জন্য তিনি সবকিছু করতে প্রস্তুত। কিন্তু দ্বিতীয়ত, তিনি ব্যবসায় খুব কঠোর আর গম্ভীর।যার কারণে তার প্রতিষ্ঠানের অর্ধেক লোক তাকে ভয় পায়।যে বুড়ো রেগে গিয়ে কখন কি আবল-তাবল বলে ফেলে তার আগেই সবাই মনোযোগ সহকারে সব কাজ করে।

এই মুহুর্তে রায়হান তালুকদার রুদ্রের সামনা-সামনি দাঁড়িয়ে আছে। দুইজনের চোখেই কঠোরতা আর তীক্ষ্ণতা ফুটে উঠেছে। যেন এই মুহুর্তে বাপ ছেলের স্নায়ুযুদ্ধ সংঘটিত হতে চলছে।রুদ্র কাধের উপর কোর্ট চেপে রাগে চোয়াল শক্ত করে বলল,

–আব্বাজান কাজ কিন্তু ঠিক করছেন না আপনি। এর ফল কিন্তু খুব খারাপ হবে।আপনার কি আদোও মনে হয় এই রুদ্র তালুকদার তানহা ছাড়া কাউকে বিয়ে করবে?

রায়হান তালুকদার কর্কশ কন্ঠে বলে উঠে,

–বাপজান আপনাকে জুইকেই বিয়ে করতে হবে।তানহার যোগ্য আপনি না।তাছাড়া তানহা আপনাকে দু পয়শারও পাত্তা দেয়না।আপনার জন্য জুই মামনী পারফেক্ট। একদম বেস্ট কাপল হবে আপনাদের।

–মাথা খারাপ হয়েছে তোমাদের আব্বাজান।এইসব পাগলামি মাথা থেকে বের করো।আমি বিয়ে করবো না।শুধু শুধু কাউকে কথা দিয়ে অশান্তি করো না।আর আমি কোন দিক দিয়ে তানহার যোগ্য না?বলবে প্লিজ?আমিও শুনি।

রায়হান তালুকদার কেঁশে উঠলেন।তারপর গম্ভীর গলায় বলল,

–তোর মতো অসভ্য ছেলেকে কোন মেয়ে বিয়ে করবে?দেখতেও সুন্দর না,খবিশের মতো লাগে।তারপর নেশাও করিস শুনলাম।তাহলে তুই তো যোগ্যই না তানহার।তানহা কতো শিক্ষিত, মার্জিত,বুদ্ধিমতী মেয়ে সে কেন তোকে বিয়ে করবে?তাছাড়া সে একজন দায়িত্ববান মা।সে কখনো একটা দায়িত্বহীন ছেলেকে বিয়ে করবে না।

রুদ্র ক্ষিপ্ত গলায় বলল,

–আমি শিক্ষিত,মার্জিত,তানহাও শিক্ষিত মার্জিত।তানহা স্টুডেন্ট,আমিও স্টুডেন্ট। তানহার বাপের বিজনেস আছে আর আমার বাপেরও বিজনেস আছে।তানহা তার দাদুর সাথে বিজনেস সামলায়,আমিও আমার বাবার সাথে বিজনেস সামলায়। তানহা সুন্দরী আর আমিও যতেষ্ট হ্যান্ডস্যাম আছি।তাহলে কোন দিক দিয়ে অযোগ্য হলাম।
আর রইলো নেশার কথা?জীবনে দেখছো আমায় মদ পানি ছুয়ে দেখতে?শুধু একটু সিগারেট খাই।এটাকেই তুমি নেশা বলছ?

–নেশা তো নেশাই ছোট কিংবা বড়ো।

–তাহলে তুমি পান খাও কেন?সেটাও তো নেশা।

রায়হান তালুকদার রুদ্রের কথার সাথে আর না পেরে তেতে উঠলো।

–আমি এতো কথা বলতে চাই না।তোর বিয়ে ঠিক করেছি মানে তোকে বিয়ে করতেই হবে।আমি তাদের কথা দিয়েছি।আর কোনো ভাবেই আমি আমার মান সন্মান হারাতে পারবো না।তাই যেটা বলি চুপচাপ কর।নাহলে খুব খারাপ হয়ে যাবে।

–কি করবা তুমি?

রুদ্রের ক্ষিপ্ত চোখ দেখে রায়হান তালুকদার দামে গেল না।গম্ভীর গলায় বলল,

–এটা কমন বিষয়।আমার সব প্রপার্টি মার্জিয়ার নামে লিখে দেব।তারপর বসে বসে তানহার বাড়ির দারোয়ানের কাজ নিস।

–দরকার হলে তাই করবো। তবুও অই হনেতা পাগলীকে বিয়ে করবো না।

বলেই রুদ্র গটগট পায়ে সেখান থেকে বেড়িয়ে পরলো।রায়হান তালুকদার তীক্ষ্ণ গলা ফাটিয়ে বলল,

–কই গো মার্জুর মা এক কাফ কড়া চা দিয়ে যাও তো।মাথাটা প্রচন্ড ব্যথা করছে।

____________________

রায়হান তালুকদারের সাথে তর্ক করে রুদ্র আজ আর অফিসে যায়নি।রাগে সারাদিন টই টই করে ঘুরেছে।তার হতচ্ছাড়া বন্ধুদেরও খুজে পাচ্ছেনা সে।এই জীবনে যতগুলো বাঁশ খেয়েছে সে,তার সবগুলোই বন্ধুদের থেকে পাওয়া।আজও তার ব্যাতিক্রম না।হতচ্ছাড়ারা যতবার তানহাকে পটানোর জন্য প্ল্যান দিয়েছে,ঠিক ততোবারই কট খেয়ে গেছে।এইজে আজ রিফাতের বুদ্ধি শুনে ভার্সিটির মাঠে বসে থেকে সে তানহাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলেছিলো জুই তার ক্রাশ।রিফাতের ধারণা মেয়েরা জেলাসি বেশি।তাই তাদের জেলাস ফিল করানোর জন্য অন্য মেয়ের নামে প্রশংসা করতে হবে।রুদ্রও সেটা করলো।কিন্তু উল্টো হয়ে গেল,তানহা তো জেলাস হলোই না উল্টো ঘটকালি করে জুইয়ের চৌদ্দ গুষ্টি খুজে বের করে বিয়ের প্রস্তাব রেখেছে। বাহ!কিহ চমৎকার প্ল্যান! একদম রুদ্রের বারোটা বাজিয়ে ছেরেছে।শুভর বাচ্চাকে একবার হাতের নাগালে পাই,শালা বেয়াদ্দব ছেলে থাকতে এতোকিছু কিভাবে হয় হ্যাঁ। সে আটকাতে পারলো না।

রুদ্র এখন তানহার ডাইনিং টেবিলে আনমলের সাথে বসে আসে।দুজনের হাতেই চামচ।রুদ্র চামচ দিয়ে টেবিলে শব্দ করে চিৎকার করে উঠে,

–তানহা তারাতাড়ি হালুয়া নিয়ে আসেন।সারাদিন কিছু খায়নি,খুব খিদে লাগছে।ইদুর দৌড়াচ্ছে পেটের মধ্যে।

আনমল ফিসফিস করে বলে উঠে,

–পাপা,এতো চেচিয়েও না,আম্মু হালুয়া তো এখানেই লেখে গেছে।

রুদ্র কপাল কুচকে বলে উঠে,

–কথায় পাপা হালুয়া?আমি তো দেখছি না?

আনমল তার ছোট হাতে হালুয়ার বাটির নাগাল পায়না।বিরক্ত হয়ে বলে উঠে,

–পাপা এততু ধলো তো আমায়।অইতে অখানে ঢাকা হালুয়া।

রুদ্র আনমলকে নিজের কোলে বসিয়ে নেয়।তারপর আনমল হালুয়ার বাটির ঢাকনা সরিয়ে দেয়।মুহুর্তে সুগন্ধে চারপাশ মো মো করে উঠে।রুদ্র আর দেরি না করে এক চামচ হালুয়া খেতেই যাবে, তখন কি যেন মনে হয়ে খেল না।

–তুমি খেয়েছো পাপা?

আনমল ফিসফিস করে বলে উঠে,

–তোমাল জন্য অপেক্ষা কলছিলাম।একসাথে খাবো জন্য খায়নি।

রুদ্র আর কিছু বলল না, মুচকি হেসে আনমলের গালে একটা চুমু খায়।তারপর নিজ হাতে আনমলকে খাইয়ে দেয়।তারপর সে খায়।দুজন মিলে হাজার হাজার গল্প করছে আর মনের শুখে হালুয়া খাচ্ছে।এর মধ্যে বর্ণা এসে রুদ্রকে ভাত আর চিংড়ি মাছের তরকারি দিয়ে যায়।রুদ্র অবাক হলো না।কারণ সে জানে তানহা তাদের দুর থেকে দেখছে।এবং সেই খাবারটা পাঠিয়েছে।হয়তো সে জানে আমি সারাদিন না খেয়ে আছি।বলেই চুপচাপ রুদ্র খাবার গুলো খেয়ে নিলো।

তারপর সেখানে তানহা এসে গম্ভীর স্বরে বলে উঠে,

–হয়েছে খাওয়া? তাহলে এখন উঠো।

রুদ্র কপাল কুচকে বললো,

–কেন?

–উঠতে বলছি তাই উঠো।

বলেই তানহা আনমলকে কোলে তুলে নিয়ে উপরে যেতে থাকে।যাওয়ার সময় বলে যায়,

–রুদ্র পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করো,আমি আনমলকে ফ্রেশ করে নিয়ে আসি।একটু দোকানে যেতে হবে আমায়।তুমি সাথে গেলে খুশি হবো।

~তানহা রুদ্রকে নিয়ে মার্কেটে যাবে শুনে সে খুশিতে আত্মহারা।গাড়ির সামনে দারিয়ে রুদ্র নিজেকে বারবার ফোনের গ্লাসে দেখে চুল ঠিক করছে।আর গুন গুন করে গান গাইছে।এর মধ্যে তানহা আনমলকে নিয়ে চলে এলো।রুদ্র গাড়িতে হেলান দিয়ে ছিলো, তানহাকে দেখে উঠে দারালো।তারপর গাড়ির দরজা খুলে দিলো।তানহা ড্রাইভিং সিটে বসে পড়ে,আর আনমলকে তার পাশের সিটে বসিয়ে দেয়।রুদ্র যেন বোকা বনে গেল,

–আমি কথায় বসবো?

— আসলে রুদ্র আনমল কোলে থাকতে চাইছে না।তুমি ব্যাক সিটে গিয়ে বসো।

–আমার কোলে থাকবে অ সমস্যা নেই।

–বললাম তো থাকবে না।ব্যাক সিটে বসলে চলো, নাহলে আমি একাই যাবো!

রুদ্র আর কথা বাড়ালো না।রাগে গাড়ির ডোর জোরে ধাক্কা মেরে বন্ধ করল।তারপর চুপচাপ গিয়ে ব্যাক সিটে বসে পড়লো।বিরবির করে সিট ব্যালট লাগাতে লাগাতে পাশে তাকাতেই ভুত দেখার মতো চমকে উঠল সে,,

–তুই?

জুই বত্রিশটা দাঁত বের করে হেসে বলল,।

–আমায় কেমন লাগছে রুদ্র ভাইয়া।দেখো তোমার পছন্দের মেরুন কালার থ্রিপিস পড়েছি।সুন্দর লাগছে না আমায়?

রুদ্র চোখ গরম করে তানহার দিকে তাকায়।তারপর গাড়ির ডোর খুলতে চাইলে আর খুলে না।

–কি করছো ভাইয়া চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দিবে নাকি।পরে গিয়ে হাত পা ভেঙে যাবে তো?তখন মানুষ বলবে আমি খোরা জামাই বিয়ে করেছি।তখন আমার কষ্ট হবে না বলো।

–শাট আপ। তানহা গাড়ি থামান আপনি।এখুনি গাড়ির থামান……..

#চলবে……..

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ