Friday, June 5, 2026







টক_মিষ্টি_ঝাল পর্ব_৫

টক_মিষ্টি_ঝাল পর্ব_৫

ধীরে ধীরে আবির আমার কাছে আসতে লাগলো। আমি আবির ভাইকে বললাম,
–: ভাই , আপনি আমার কাছে আসবেন না। যেতে দিন আমাকে।
–: কিছুক্ষণ গল্প করি। এতো অস্থির হচ্ছো কেন?
–: ভাই, অনেক‌ কাজ আমার। চাচীকে ডাকতে আসছি আমি। যেতে দিন আমাকে।
–: এখন তো যেতে দিব না আমি। তুমি আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করছিলে, মনে আছে। তার প্রতিশোধতো আমাকে নিতে হবে।
–: প্লিজ, আমাকে যেতে দিন।
–: আমার সাথে সময় কাটানোর জন্য কতো মেয়ে ব্যাকুল ।আর তুমি আমাকে ইগনোর করছো। আমাকে রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলছো। এতোটা সাহস আর কারো হয়নি, এভাবে কথা বলার। দেখো, এখন কি করি তোমার।
–: ভাই , আমি কিন্তু চিৎকার করবো। তাতে আপনার আরো খারাপ হবে।
–: বাড়িতে যা শব্দ। তুমি, চিৎকার করলে কেউ শুনবে না। আমি তোমার সাথে তো খারাপ কিছু করবোই। পরে কেউ জানলে , তোমার উপরই দোষ চাপিয়ে দেব।
আনিলা বলছিল, আদনান এখনও তোমাকে মেনে নেয়নি। আমি বলবো, সেই বিরহে তুমিই আমাকে ডেকে এনেছ এই রুমে।

আমি মনে মনে আল্লাহকে ডাকছি। আল্লাহ, এ বিপদ থেকে আমাকে রক্ষা করো। ওর হিংস্র চেহারা, লোলুপ দৃষ্টি দেখে আমার খুব ভয় লাগছে। এখন কি করা উচিত বুঝতে পারছি না। এমনিতেই মেয়েদের নিয়ে নেতিবাচক ধারনা আদনানের। আবির ভাই যদি সত্যিই খারাপ কিছু করে ফেলে, আদনান হয়তো আমাকে বিশ্বাস করবে না।

আবির এসে আমার হাত ধরল। ভয়ে আমি কেঁপে উঠলাম।
আর হয়তো আদনানের কাছে নিজেকে ভালো প্রমাণ করতে পারব না। ওকে আর নিজের করে কখনো হয়তো পাবো না।

দরজা ধাক্কানোর শব্দে, আবির আমার হাত ছেড়ে দিয়ে বললো,
” আজ হয়তো আমার থেকে রক্ষা পেলে। পরের বার হয়তো সেই সুযোগ পাবে না।”

দরজা খুলে দেখি‌ আদনান দাড়িয়ে আছে। আমাকে আবিরের সাথে একসাথে দেখে , আদনান চমকে উঠলো।
ইস! “যেখানে বাঘের ভয়, সেখান সন্ধ্যা হয়।”
আল্লাহ আমাকে আবির ভাইয়ের হাত থেকে রক্ষা করলেও, আরেক বিপদ এসে উপস্থিত।

আদনান আবির ভাইয়ের সাথে দেখে খুব রেগে গেল। আমাকে জিজ্ঞাসা করলো,
” তুনি না চাচীকে ডাকতে এসেছ। তো দরজা বন্ধ করে এখানে আবিরের সাথে কি করছো?”
আমি কিছু বলতে যাবো, তখনি আবির ভাই বলে উঠলো,
” আহা! আদনান, এতো রেগে যাচ্ছ কেন? ভাবি তো আমার সাথে ছিল। অামি তো আর দূরের কেউ নেই। আপন‌ মানুষের সাথে একসাথে সময় কাটাতেই পারে।
আর তাছাড়া বিয়ে হয়েছে কতোদিন তোমার। এখনও বউকে একান্তে সময় দিচ্ছ না। সেই বিরহ দূর করার জন্য , আমার সাথে কিছুক্ষন সময় কাটাচ্ছে।

আদনান রেগে গিয়ে আবির ভাইকে বললো,
” তুমি চুপ করো। জুঁই তোমার কাছে আমি জানতে চেয়েছি, আবিরের কাছে নয়।”
আমি আদনানকে এতোক্ষণ ঘটে যাওয়া সবটা বললাম। মনে হল, আদনান পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারে নি।

আবির ভাই আবার বললো,
” আদনান, মেয়েটার মনে অনেক কষ্ট । তা দূর করতে আমার কাছে আসছে। আমি না থাকলে‌ হয়তো অন্য কারো কাছে যেত। তুমি যদি ওর কষ্ট দূর করতে না পারো, মেনে নিতে না পারো, তাহলে বিয়ে করছো কেন?
আদনান বললো,
” আমি তোমাকে কৈফিয়ত দিতে বাধ্য নই। আমি জুঁইয়ের সাথে কি করব না করব সেটা আমার ব্যাপার। তুমি কিছু না বললেও চলবে।”
আবির ভাই হাসছে আর বলছে,
” না, ব্যাপারটা এখন সবাই যেনে গেছে। এখন সবাই কথা শোনাবে তোমাকে”

আদনান আমার দিকে‌ তাকিয়ে বললো,
” তোমাদের নাটক ‌দেখতে এখানে আসিনি। বাড়িতে অনেক কাজ , সেখানে চলো।
আমি কিছু‌ বলার আগেই‌ ও চলে গেলো।

কাজে মন বসছে না। এক কাজ করতে গিয়ে অন্য কাজ করে ফেলছি। বার বার আদনানের রাগী চেহারার কথা মনে পড়ছে। ও কি আমাকে ভুল বুঝলো। ও তো আমাকে মেনে না নিলেও, অনেকটা ভালবাসতো। এখন তো আমাকে ঘৃণা করবে। কখনো মেনে নিবে না।
সবকিছুর মূলে ওই আবির। ওকে আমি‌ ভাইয়ের মতো ভাবছি। আর ও আমার এতো বড় ক্ষতি করলো। ওকে আমি ছাড়বো না। ও হয়তো জানে না, আমি এতো সহজে হার মানতে শিখিনি।

কাজ‌ গুলিয়ে ফেলছি। কারো সাথে ঠিকভাবে কথা বলছি না। শ্বাশুড়ি মা ভাবলো, আমার শরীর খারাপ করছে। তাই রুমে পাঠিয়ে দিলো।

আনিসা আপুর শ্বাশুরি অসুস্থ। তাই ভাইয়া এসে আপুকে নিয়ে গেছে। আদনানও আজ বাসায় ফিরেনি। কল দিচ্ছি ফোন বন্ধ। আদনান আমাকে ভুল বুঝল। ও তো জানে ওর ভাই, চাচী কিরকম।

আনিলা সকালে বলছিল, ওরা যে কোনো সমস্যা করতে পারে। আমাকে সতর্ক থাকতে।
আমার অনেকটা সতর্ক থাকা উচিত ছিল। এখন কি করে আদনানকে বুঝাবো, আবির ভাই যা বলছে , সবটা মিথ্যা।

আমার অস্থির লাগছে। আদনান বাসায় ফিরল না। কি করা উচিত বুঝতে পারছি না।
আনিলা আসছে খাবার খেতে যাওয়ার জন্য।
আনিলাকে আমি সবটা বললাম। তারপর অভিমান করে বললাম,
–: তোকে আমি সবটা শেয়ার করি। তুই তো জানিস, আবির ভাই কেমন লোক। তাও কেন তুই ওই বদমায়েশ লোককে‌ এসব বলতে গেলি।
আনিলা আমার হাত ধরে বললো,
–: বিশ্বাস কর জুঁই। আমি‌ এসব কিছুই বলিনি। সেদিন যখন তুই বললি, ” এমনিতেই আদনান আমাকে পুরোপুরি মেনে নিতে পারেনি, এখন চাচী আসছে। উনি আবার কি সমস্যা করে আল্লাহ জানে।”

তখন আবির ভাই শুনছিল। উনিই আমাকে এসে জিজ্ঞাসা করছিল। আমি কিছুই বলিনি।
আমি আনিলাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলাম। ” এমনটা কেন হল , আনিলা। আদনান আমাকে ভুল বুঝল। ও কি এ কয়দিনে একটুও বুঝতে পারেনি আমাকে। ও আজ বাসায়ও ফিরেনি। কেন আমাকে কষ্ট দিচ্ছে।”
আনিলা আমাকে বললো,
” এই মেয়ে, এতো সহজে ভেঙ্গে পড়ছিস কেন। তুই তো এত সহজে হার মানিস না। আর তুই তো ভুল কিছু করিস নি। আল্লাহ তোকে নিরাশ করবে না। আমার রুমে চল। একা থাকলে শধু কান্নাকাটি করবি। ভাইয়া আসলে তুই রুমে চলে আসিস। ”

রাত থেকে যতোবার কলিংবেল বাজছে, ততোবারই আমি দৌড়ে গেছি। এই বুঝি আদনান বাসায় ফিরলো। কিন্তু ফিরেনি।

আজ আনিলার বিয়ে। সবাই সাজছে। শরীর দূর্বল। কাল রাত থেকে কিছু খাইনি। সাজগোজ করতে মন চাচ্ছে না।

আনিলা সকাল থেকে কাঁদছে। অথচ আমি যখন বিয়ের সময় কান্না করছিলাম, আনিলা বলছিলো,
“কয়েকদিন পর তো আবার চলে আসবি। এতো কান্নার কি হয়েছে। আর কান্না করলে সাজ নষ্ট হয়ে পেত্নীর মতো লাগবে। তখন ভাইয়া তোকে পেত্নী ভেবে ভয় পাবে।”

আর আজ আনিলা সকাল থেকে কাঁদতেছে। কোনোভাবেই কান্না থামানো যাচ্ছে না। আনিলাকে বিদায় দেওয়ার সময়, আদনান আসলো। আনিসা আপুও আসছে। আদনান আনিলাকে ধরে খুব কান্না করলো। একদম ঠিক বাচ্চাদের মতো। ওর কান্না দেখে আমার খুব খারাপ লাগছে। শ্বাশুড়ি মা, আনিসা আপু ও কান্না করছে খুব।
আমার তো চোখ ফুলে গেছে। আনিলা যাওয়ার মুহূর্তে আমাকে ধরে কান্না করলো অনেকটা। মেয়েটা আমাকে অনেক ভালবাসে। এই বিদায় মুহূর্তেও কালকের কথা ভুলেনি। আদনানকে বললো,
” ভাইয়া আজ বাসায় থাকবা। কোথাও যাবা না। জুঁইয়ের কোনো দোষ নেই। ওকে ভুল বুঝো না। বলো ভাইয়া, আমার কথা রাখবা।”
আদনান বললো,
” তুই চিন্তা করিস না। ও বাড়িতে ভালো ভাবে থাকিস। “তারপর মারুফ ভাইকে বললো, আনিলার খেয়াল রাখতে। ওর যেন কোনো কষ্ট না হয়।”

আদনান আনিলার কথা রাখছে। বাসায় আছে।
শ্বাশুড়ি মা, আনিসা আপু অনেকটা অসুস্থ হয়ে গেছে। বাড়ির সব কাজ আমারই সামলাতে‌ হচ্ছে। সবাইকে খাইয়ে, সবটা গুছাতে গুছাতে অনেক রাত হয়ে গেছে। কাল রাত থেকে কিছু খাইনি। সকাল থেকে এ পর্যন্ত একটু বিশ্রাম নেওয়ার ও সময় পাইনি। বিয়ে হলেই‌ মেয়েরা হঠাৎ করে অনেকটা বড় হয়ে যায়। আমিতো বিয়ের আগে একটু পিয়াজও কাটতাম না। যদি হাতে দাগ পরে যায়। আর এখন জামাইর মন ভালো রাখা, এ বাড়ির সবার মন রক্ষা করে চলা, বাড়ির কাজ সামলানো, সবটাই করতে হচ্ছে। তারপরও দিন শেষে অনেকটা ভালো লাগা কাজ করতো। কারণ এ বাড়ির সবাই আমাকে খুব ভালবাসে।
কিন্তু আজ আর ভালো লাগছে না। যার জন্য এ বাড়িতা আসা, সেই‌ তো আমাকে ভুল বুঝছে।

রুমে ডুকে দেখি, আদনান এখনো জেগে আছে। আমি ওর কাছে যেতেই , ও আমার গলা চেপে ধরে বললো,
” এই মেয়ে, তোমাকে তো আমি সবসময় হাসি-খুশিঁ রাখার চেষ্টা করছি।
শারীরিক মিলনই কি সব। মাত্র এ কয়দিন। তাই সইতে পারলা না। চলে গেলা আবিরের কাছে। আমার নামে বিচার দিলা। আসলে তোমারা মেয়ে মানুষ অনেক খারাপ। বিশ্বাসঘাতকতা করো তোমরা। আমি ভাবছি তুমি অন্য সবার চেয়ে আলাদা হবা। না, আমার ধারনা ভুল।”

খুব কষ্ট হচ্ছে আমার। ও আমাকে ভুল বুঝলো।
আমি কি ওর ভুল ভাঙ্গাতে পারবো? আগের আদনানকে কি আর ফিরে পাব?

চলবে..

saifa adnan

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ