Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"কে বাঁশি বাজায় রেকে বাঁশি বাজায় রে পর্ব-১৪ এবং শেষ পর্ব

কে বাঁশি বাজায় রে পর্ব-১৪ এবং শেষ পর্ব

#কে_বাঁশি_বাজায়_রে
#পর্ব_১৪ ( অন্তিম পর্ব)
#নুর_নবী_হাসান_অধির

শ্যামল দুইজন মেয়েকে বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে৷ শ্যামল এমন কাজ করতে পারে কখনও ভাবতে পারে নি৷ আয়েশা বেগম পরিস্থিতি থেকে নিজেকে আড়াল করতে লন্ঠনের আলো নিভিয়ে দিলেন৷ ধীর গতিতে নদীর তীরে পৌঁছে যান৷ তারপর শ্যামলকে অনুসরণ করে পিছন পিছন যান৷ নিজেকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সাথে রাখতে রামদা নিতে ভুলেননি৷ জ্যােংসার আলোয় যদিও সবকিছু দেখা যায়৷ বড় গাছের ছায়ার নিয়ে দাঁড়ালে দূর থেকে কিছু দেখা যায়না৷

শ্যামল মেয়ে দুইজনকে তাঁদের বাড়ির পিছনের দিকে নিয়ে আসল৷ এদিকে যে রাস্তা আছে আগে জানত না৷ সবাই বাড়ির সামনের রাস্তায় জানে৷ ঝুপঝাপে ভরপুর এই জায়গায়। যে কেউ দেখে মনে করবে পরিত্যক্ত ভবন৷

বিদ্যুতের ব্যবস্থা না থাকায় চারদিকে লন্ঠন জ্বালিয়ে রেখেছে৷ তার একটু পরই জেনারেটরের মাধ্যমে ইলেক্ট্রিসিটির ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ আয়েশা বেগম চারদিকে তাকিয়ে দেখতে পান জায়গাটিতপ (১০-১২) জন লোক আছে৷ অপারেশন থিয়েটারের মতো ব্যবস্থা আছে৷ অঙ্গ জীবিত বা সুরক্ষা রাখার জন্য বিভিন্ন ক্যামিকেলের ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ শ্যামল সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল,

“আজ কোন কাজ করতে ভালো লাগছে না৷ তোদের চাহিদা মেটানোর জন্য মেয়ে দু’জনকে নিয়ে আসছি৷ আর বেঁধে রাখা শালাদের হাই পাওয়ারের ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে রাখ৷ কাল সবার অর্গান বের করে শহরে নিয়ে যাব৷”

শ্যামল আর কথা বাড়াল না। সেখান থেকে বেরিয়ে আসে৷ আয়েশা বেগম নিজেকে আড়াল করতে ঝুপের নিচে লুকিয়ে পড়েন৷ তারপর একে একে বেরিয়ে আসে আইয়ুব আলী, আরিফ সাথে কয়েকজন প্রহরী। আয়েশা বেগমের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যায়৷ এদেরকে বাঁচানোর জন্য একটা দিনের সময় আছে৷ কিন্তু আজ ছাড়া বাঁচানো যাবে না৷ রাতের শেষ প্রহর চলছে৷ দুই ঘন্টা পরই আজান দিবে৷ তারমানে হাতে দুই ঘন্টা সময় আছে৷ আয়েশা বেগম আর ভাবতে পারছেন না৷ মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন৷ তখনই মনে পড়ে যায় ইউসুফ, জুয়েল, শামীমের কথা৷ তারা গ্রামেই আছে ভিন্ন পরিচয়ে৷ শুধুমাত্র আয়েশা বেগম তাদের চিনে এবং রেগুলার তাদের কিছু না কিছু ট্র্যানিং দিয়ে যাচ্ছিল৷ আজ তাদের পরীক্ষা দেওয়ার পালা৷ আয়েশা বেগম দৌড়ে তাদের তিনজনের বাড়িতে যান৷ গভীর রাতে তাদের ঢেকে তুললেন৷ ইউসুফ চোখ ঢলতে ঢলতে বলল,

“কি হয়েছে ম্যাডাম! এতো রাতে আমাদের ডাক পড়ল যে৷”

আয়েশা বেগম উত্তেজিত কন্ঠে বলল,

“এখন এসব বলার সময় নয়৷ আমাদের কিছু মানুষকে বাঁচাতে হবে৷ আজ আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিতে হবে৷ যাওয়ার পথে তোমাদের সব বলা হবে৷”

তিন জোড়া চোখ রাতের জ্যােংসার আলোয় আয়েশা বেগমের প্রতিফলিত ছায়াকে অনুসরণ করে যাচ্ছে৷ পথিমধ্যে আয়েশা বেগম তাদের সব ঘটনা খুলে বলেন৷ সকলে চকিত হয়ে যায়৷ কখনও ভাবতে পারেনি এসব কাজ শ্যামল করতে পারে৷ শ্যামলকে প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজে পড়ানো হয়েছে৷ শ্যামলের নির্দেশনায় এসব কাজ হয়৷ কেউ কখন বুঝতে পারেনি এমন হবে৷

চুপি চুপি চারটি প্রাণ পরিত্যক্ত বাড়িতে প্রবেশ করে৷ জেনারেল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু লুন্ঠন জ্বলছে৷ প্রথমে আয়েশা বেগম তারপর তিন জোড়া চোখ অনুসরণ করে এগিয়ে যাচ্ছে৷ সাবধানে প্রতিটি পা ফেলা হচ্ছে৷ প্রথমে অপারেশন থিয়েটার রুমে তারা প্রবেশ করে৷ ক্যামিকেল দিয়ে প্রতিটি অর্গানকে জীবিত রেখেছে৷ আয়েশা বেগম ফিসফিস করে বলল,

“তোমরা কোনদিন কাউকে খুন করেছো।”

খুনের কথা শুনে সকলের ঠোঁট শুকিয়ে যায়৷ ভয়ে চুপসে যায় সবাই৷ কঠিন গলায় বলল,

“আজ যদি তোমার মা, বাবাকে এভাবে হত্যা করা হতো তুমি তাদের ছেড়ে দিতে৷ তোমরা কি কাপুরুষের মতো বসে থাকতে? এগুলো মনে কর তোমার মা বাবার লাশ৷”

তবুও চোখে মুখে ভয়ের ছাপ স্পষ্ট। আয়েশা বেগম সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলল,

“দেখ কিভাবে খুন করতে হয়?”

আয়েশা বেগম ঘুমন্ত আইয়ুব আলীর একজন লোকের মুখ বেঁধে ফেলে৷ রামদা দিয়ে এক টানে গলা কেটে ফেলে। রক্তের ফোয়ারা বয়ে যাচ্ছে৷ আয়েশা বেগম অগ্নি চোখে তাকিয়ে বলল,

“সবাই হাত পা বেঁধে ফেলে এভাবে গলা কেটে ফেল৷”

ইউসুফ, জুয়েল দু’জনে একে একে সবাইকে মেরে ফেলল৷ কিন্তু শামীম কিছুতেই পারছে না৷ সে একজনের হাত পা বেঁধে রেখেছে৷ নিজেকে বাঁচানোর জন্য ছটফট করছে৷ সমস্ত ঘরে রক্তের বন্যা৷ আয়েশা বেগম শামীমের হাত ধরে লোকটার গলা কেটে ফেলে৷ রক্ত ছিটকে শামীমের গায়ে যেতেই শামীম চিৎকার করে উঠে৷ আয়েশা বেগম সাথে সাথে শামীমের মুখ চেপে ধরে বলল,

“কোন আওয়াজ নয়৷ হাতে সময় নেই৷ আযান পড়ে যাচ্ছে৷ এখন শুভ সময়৷ সবাইকে বাঁচাতে হবে৷ কাঁধে করে সবাইকে নদীর পাড়ে নিতে হবে৷”

সবার পকেট হাতিয়ে কয়েদখানার চাবি খুঁজে পেয়েছে৷ মেয়ে দু’টোকে ধর্ষণ করে উলঙ্গ অবস্থা রেখেছে৷ তাদের দিকে কাপড় এগিয়ে দিয়ে বলল,

“তাড়াতাড়ি পড়ে এখান থেকে বের হও৷ কোন কথা নয়৷”

ছয় জন ছেলেকে ঘুমের মেডিসিন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে৷ ইউসুফ, জুয়েল,শামীম কাঁধে করে তাদের নদীর ধারে নিয়ে আসে৷ আয়েশা বেগম সবাইকে নিয়ে দ্রুত গতিতে নিজের বাড়ির ঘাটে চলে যায়৷ ইশারায় সবাইকে নদীতে ফেলতে বলেন৷ নদীতে ফেলার পর সবার জ্ঞান ফিরে আসে৷
________

চারদিকে আযানের ধ্বনি শোনা যাচ্ছে৷ ছেলেরা আয়েশা বেগমের লাহাড়ি ঘরে আছে৷ মেয়ে দু’জন আয়েশা বেগমের সাথে আছে৷ আয়েশা বেগম তাদের দু’জনকে বুঝিয়ে বলে,
“এসব কথা যেন কোন কান পক্ষিও টেওর না পায়। কথাটা মাথায় ঢুকিয়ে নাও৷”

তারা মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানাল৷ চিন্তামুক্ত হতে পারলেন না৷ কঠিন গলায় বলল,

“কেউ জানতে পারলে তোমাদের কোন ক্ষতি করব না৷ তোমাদের মা বাবাকে খুন করে ফেলব৷ মা বাবার ভালো চাইলে সব ভুলে যায়৷ আর মলম গায়ে মাখিয়ে নাও৷”

কথায় কাজ দিয়েছে৷ চোখে মুখে ভয়ের ছাপ স্পষ্ট। যুদ্ধে জয় লাভ করার মূল হাতিয়ার হলো ভয় এবং তার দুর্বলতা। মেয়েদের সবথেকে দূর্বলতা হলো তাদের মা বাবা৷ তাদের জন্য সবই করতে পারে৷
___________

পরী বনানী থানায় তার বাবাকে দেখতে এসেছেন৷ আশালতা পলকের উপর টাকা চুরির অভিযোগ নিয়ে এসেছে৷ একটু পর পলক হোসাইনকে কোর্টে চালান করা হবে৷ পরীকে দেখেই মাথা নিচু করে ফেলল৷ তাচ্ছিল্যের সাথে পরী বলল,

“কাউকে কষ্ট দিয়ে কেউ সুখী হতে পারে না৷ যার জন্য সবকিছু ছেড়ে দিলেন আজ সেই আপনাকে চোরের অপবাদ দিল৷ জানেন আজ নিজেকে সব থেকে সুখী মানুষ মনে হচ্ছে৷ মা এই বিষয়টা জানলে অনেক খুশী হবে৷”

পলক হোসাইন চোখ তুলে তাকানোর সাহস পাচ্ছেন না৷ চোখ থেকে অঝোরে অশ্রুকণা ঝরে যাচ্ছে৷ পরী বুকে পাথর চেপে বলল,

“আপনার জন্য এ শাস্তি পাপ্য ছিল৷ আমার মাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য আমি আপনাকে শাস্তি দিতাম৷ কিন্তু বাবা হওয়ার জন্য পারিনি৷”

পরী দাঁড়াতে পারল না৷ দ্রুত গতিতে বেরিয়ে আসল৷ সমাপ্তি পিছন থেকে ঢেকেও আটকাতে পারল না৷ দৌড়ে ছোট মায়ের বাড়িতে উপস্থিত হলো৷ হাতজোড় করে বলল,

“ছোট মা বাবাকে ছাড়িয়ে আনেন৷ বাবার হয়ে আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। উনি তো আপনারও স্বামী হয়৷ আরিয়ানের বাবা হয়৷”

আশালতা রাগ নিয়ে বলল,

“তোর বাবা ২০ লক্ষ টাকার হিসাব দিতে পারেনি৷ আমার টাকা চুরি করে তোদের ভালো করবে৷ আমি থাকতে কোনদিন হতে দিব না৷”

পরীকে কিছু বলতে না দিল না৷ গার্ড দিয়ে পরীকে বের করে দিল৷ পরী যেতে যেতে বলল,

“তোর শাস্তি আমি দিব৷ আমার হাতের থাপ্পড় খাওয়ার জন্য বেঁচে আছিস এখন৷ খুন করে ফেলব কোন প্রমাণ রাখব না৷”
______________

পরিত্যক্ত ভবনে ঢুকেই তিনজনের মাথায় হাত। ফ্লোরে রক্তের ছাপ পড়ে আছে৷ রক্ত জমে তরল জেলির মতো হয়ে গেছে৷ শ্যামল চিৎকার করে বলল,

“এই কাজটা কে করেছে আমি তাকে কিছুতেই ছাড়ব না৷”

শ্যামল কিছু বলতে পারল না৷ তার আগেই মাটিতে লুটে পড়ল৷ দূর থেকে বিষাক্ত তীর তাক করা হয়েছিল। সেই বিষাক্ত তীর শ্যামলের গায়ে লাগে৷ সাথে সাথে আইয়ুব আলী, আরিফ মাটিতে লুটে পড়ে৷ এই বিষের প্রভাব বেশিক্ষণ থাকবে না৷ সর্বোচ্চ দুই ঘন্টা থাকবে৷ কবিরাজের কাছ থেকে এই বিষ নেওয়া হয়েছে৷ তিনি বিশেষ লতাপাতা দিয়ে তৈরি করেছেন৷ সবাইকে সেখানে বেঁধে ফেলা হলো৷ মুখে স্কচটেপ। জ্ঞান ফিরলে আয়েশা বেগমকে দেখে চমকে উঠে। ছুটার জন্য ছটফট করছে৷ আয়েশা বেগম বলেন,

“কোন লাভ হবে না৷ তোদের একটা কথা বলি৷ আসিফকে কে খুন করেছে, জানিস? তোদের প্রাণপ্রিয় আসিফকে আমি খুন করেছি৷ আমার পারুলকে আমার কাছ থেকে কেঁড়ে নিছিল৷ আমি আসিফকে কেঁড়ে নিছি৷ এখন তোদের প্রাণ কেঁড়ে নিব৷”

ইউসুফ হিংসাত্মক কন্ঠে বলল,

“এদের উপর আমি আগে গরম তেল ঢালব৷ আমার উপর গরম তেল ঢালছিল৷ আজ বুঝাব কেমন লাগে৷”

ইউসুফ কারো কথা না শুনেই আরিফের গায়ে গরম তেল ছুঁড়ে দেয়৷ বাদ পড়েনি শ্যামল, আইয়ুব আলী। ঝলছে যায় তাদের সমস্ত দেহ৷ আয়েশা বেগম শামীম ও জুয়েলকে উদ্দেশ্য করে বলল,

“তোমাদের কোন রাগ থাকলে মিটাতে পার৷ আর শামীম তোমার বোনকে ধর্ষণ করে হত্যা করেছিল আরিফ৷”

শামীম হাতে ছুরি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে৷ চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে৷ মুখ বাঁধা থাকায় প্রকাশ করতে পারছে না৷ মুক্তি পাওয়ার জন্য ছটফট করছে৷ শামীম আরিফের যৌনাঙ্গে লাথি দিয়ে বলল,

“আরও করবি মা, বোনদের সম্মান হরণ৷ তোদের মতো অত্যাচারীদের বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই৷”

শামীম পাগলের মতো আঘাত করতে থাকে আরিফকে৷ ঘটনাস্থলে আরিফ সেখানেই মারা যায়৷ শামীম চিৎকার করে বলল,

“আজ আমি যুদ্ধে জয়লাভ করেছি৷”

ইউসুফ জুয়েল একই ভাবে আইয়ুব আলী ও শ্যামলকে হত্যা করে৷
______________

আয়েশা বেগম পুলিশের কাছে সব স্বীকার করে৷ সকল দায় ভার নিজের কাঁধে নেন৷ এখানে ইউসুফ, জুয়েল, শামীমকে জড়াননি৷ শক্তি কোন সাক্ষ্য প্রমাণ পাইনা পুলিশ৷ আয়েশা বেগম নিজেই দোষ স্বীকার করার ফলে সাত বছরের জেল হয়৷

২০০১ সালের ১৪ জানুয়ারি আয়েশা বেগম জেল থেকে মুক্তি পান৷ ফিরে আসেন নিজের প্রাণপ্রিয় ভূমি আনন্দপুরে৷ কাঁধে তুলে নেন স্কুলের দায়িত্ব। এখন অনেক পরিবর্তন হয়েছে৷ গ্রামে রাস্তাঘাটের অনেক উন্নতি হয়েছে৷ কিন্তু পলক হোসাইনকে দেখে বলেন,

“তোমার কোন জায়গায় নেই আমার বাড়িতে৷ তুমি আশালতার কাছে ফিরে যাও৷ বাকী জীবন আমি এই গ্রামের মাটিতেই কাটিয়ে দিব৷ তোমার কোনদিন জায়গা হবে না৷ ভালোবাসার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে আমায় খুন করলে এতো কষ্ট হতো না৷”

পরীকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলেন,

“কখনও অন্যায়ের কাছে মাথানত করবি না৷”

সমাপ্ত……..

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ