Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"অতঃপর তুমি পর্ব-১১

অতঃপর তুমি পর্ব-১১

#অতঃপর তুমি
#পর্ব-১১
Writer: ইশরাত জাহান সুপ্তি

‘এমন জড়সড় হয়ে আছো কেনো?কিছু বলবে?’
‘না।’
অভ্র মাথা নিচু করতেই আমি আবার বললাম,
‘বলবো।’
‘কি?’
আমি কাঁচুমাচু হয়ে উত্তর দিলাম,’বাথরুমে যাবো।’
‘এই মোমবাতি নিয়ে যাও।’
‘আপনিও চলুন না।’
‘কি?আমি তোমার সাথে বাথরুমে যাবো?’
‘না আপনি শুধু বাইরে দাঁড়িয়ে থাকবেন তাহলেই হবে।’
অভ্র মৃদু হেঁসে বললো,’চলো।’
সিঁড়ির মুখে আসতেই আমি একটু হোঁচট খেলাম।অভ্র দু সিঁড়ি উপর থেকে পেছনে ঘুরে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললো,
‘হাত ধরো।’
আমি কিছুক্ষণ থেমে থেকে হাত বাড়িয়ে দিলাম।তিনি হাত ধরে আমাকে নিয়ে সিঁড়ি বেঁয়ে উঠতে লাগলেন।রুমে এসে বাথরুমের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন,’মোমবাতিটা নিয়ে যাও।’
‘আপনার তো তাহলে অন্ধকারে থাকা লাগবে।’
তিনি একটা দুষ্ট হাসি দিয়ে ক্ষ্যাপানোর সুরে বললেন,
‘অসুবিধা নেই।আমি যথেষ্ট বড় আছি।অন্ধকারে কোনো ভূত এসে আমাকে ধরে নিয়ে যাবে না।হ্যাঁ তবে ছোটো ছোটো বাচ্চাদের একা বাথরুমে গেলে সাবধানে থাকা উচিত।বলা তো যায় না যদি এসে পড়লো।’
আমি তার দিকে তাকিয়ে চোখ রাঙানি দিয়ে তার হাত থেকে মোমবাতি নিলাম।বাথরুমের দরজা লাগানোর আগে আরেকবার বললাম,
‘আপনি কিন্তু এখান থেকে যাবেন না।’

অভ্র হেঁসে ফেলে বললো,
‘আচ্ছা বাবা!যাবো না।’

বাথরুম থেকে বেড়িয়ে আসার পর মোমবাতিটা বেডসাইড টেবিলের উপর রেখে অভ্র আমার ফোন বের করে তার সিম ঢুকিয়ে এই এলাকার ইলেকট্রিক পাওয়ার হাউজে ফোন দিলো।সেখান থেকে জানতে পারলো মেইন সুইচের ফিউজ পুড়ে গেছে।ঠিক হতে অনেক রাত হবে।
আমি অভ্র’র দিকে এগিয়ে যেতে লাগলাম কি বলেছে তা শোনার জন্য কিন্তু কিছু একটায় পা বেজে পড়ে যেতে লাগলাম।পড়ে না যাওয়ার জন্য অভ্রকে সহায় হিসেবে ধরতে গিয়ে বুকের শার্ট খামছে ধরায় তাঁকে নিয়েই একসাথে বিছানায় পড়ে গেলাম।অভ্রও ব্যালেন্স সামলাতে না পেরে আমার উপরে পড়ে গেলো।ঘটনাটি অতি দ্রুত ঘটায় আমরা দুজনই কিছুক্ষণের জন্য শকড হয়ে রইলাম।হুঁশ ফিরে আসার পর অভ্র আমার উপর থেকে সরার জন্য উঠতে যেতেই আমার চুলে টান খেলাম।আমার চুল তার শার্টের বোতামে আটকে গেছে খুব ভালোভাবেই।অভ্র আমাকে ধরে উঠিয়ে বসিয়ে খুব সন্তর্পণে চুলগুলো ছাড়িয়ে দিলো।ছাড়িয়ে দেওয়ার সময়টুকুতে দুজনেই খুব বিব্রত বোধ করছিলাম।
মোমবাতি আলোতে সবকিছু স্পষ্ট ছিলো না তাই চুল ছাড়াতে সময় লাগলো।দুজনেই হাঁপিয়ে উঠলাম,রুমের মধ্যে ভাপসা গরম লাগছে তাই মোমবাতি নিয়ে দুজনে বারান্দা চলে আসলাম।রাতের তারা ভরা আকাশের নিচে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে হেলান দিয়ে দুজনে নিচে বসে পড়লাম।সামনে মোমবাতি।

আকাশের চাঁদের দিকে তাকিয়ে অভ্র বলল,
‘আজকে আকাশে অনেক তারা উঠেছে, দেখেছো অরু?’
‘হুম।’
কিছুক্ষণ একধ্যানে আকাশের দিকে তাকিয়ে অভ্র বলে উঠলো,’আচ্ছা অরু,তুমি কখনো শুটিং স্টার দেখেছো?’
‘না তো।’
‘জানো আমি যখন ছোটো ছিলাম নার্সারিতে পড়তাম তখন আমাদের স্কুলের এক মিস ‘টুইঙ্কেল টুইঙ্কেল লিটিল স্টার’ রেইমটা খুব সুন্দর করে পড়াতো।একদিন এই রেইমটা পড়ানোর সময় মিস বলেছিলো মাঝে মাঝে অসংখ্যা তারার মধ্যে থেকে একটি দুটি তারা খসে পরে।এদেরকে বলা হয় শুটিং স্টার।এই শুটিং স্টার কেউ যদি দেখে এবং সেই সময় কোনো উইশ করে তবে তা অবশ্যই পূরণ হয়।মিসের কথাটা আমার এতোটাই ভালো লেগেছিলো যে আমি শুধু আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতাম শুটিং স্টার দেখার জন্য।কিন্তু কখনোই আর তার দেখা পাই না।তবুও দেখে এসেছি সেই ছোটো থেকে।মনে মনে ঠিকও করে রেখেছিলাম কি উইশ করবো।একেক সময় সেই উইশটা আবার পাল্টেছে।ছোটোবেলায় চাইতাম আমি যেনো একটা অনেক বড় রিমোট কন্ট্রোল গাড়ি পাই।তারপর একটু বড় হওয়ার পর চেয়েছি আমি যেনো সবসময় এক্সামে ফার্স্ট হতে পারি।এরপর চেয়েছি টম ক্রজের সাথে দেখা করতে তারপর যখন পুরো বড় হয়ে যাই তখন ঠিক করেছিলাম যে চাইবো আমি যেনো আমার জীবনে সত্যিকারের ভালোবাসার মানুষ পাই।আর অবাক করা কান্ড কি জানো?আমি এই উইশটা মনস্থির করার কিছুদিন পরই সেই কাঙ্খিত শুটিং স্টারের দেখা পাই।এবং খুব উত্তেজিত হয়ে এই উইশটাই করি।অথচ দেখো আমার সাথে কি হলো!’

অভ্র মুখে মৃদু হাসি নিয়ে কথাগুলো বলছিলো।এরপর মাথা নিচু করে একটা ছোট্ট করে দীর্ঘশ্বাস ফেললো।আমি বললাম,
‘আমি ছোটোবেলায় কি ভাবতাম জানেন?’
অভ্র মাথা উঁচু করে ভ্রু কুঁচকে বললো,
‘কি?’
‘আমি ছোটোবেলায় ভাবতাম এই চাঁদ,সূর্য এগুলো মনে হয়ে আমার পেছনে পেছনে চলে।আমি যেদিকে যাই সেদিকেই যায়।একবার তো আমাদের এলাকার একটি মেয়ে নাম মিনা ও’র সাথে এই নিয়ে তুমুল ঝগড়া বেঁধে যায়।আমি বলি চাঁদ আমার পেছনে চলে আর মিনা বলে চাঁদ ও’র পেছনে চলে।দুজনের মধ্যে লেগে যায় তুমুল মারামারি।কেউ ছাড়িয়ে রাখতে পারে না।ঝগড়ার মাঝে মাঝে আমরা কি বলছিলাম জানেন!মিনা বলছিলো চাঁদ ও’র আবার আমি প্রবল বেগে মাথা নাড়িয়ে বলছিলাম চাঁদ আমার।এই নিয়ে আমরা দুজন দুজনের হাতে কামড়ও লাগিয়ে দেই।তারপর মা যেই কানমলা দিয়েছিলো না!ঘরে নিয়ে রুমে বন্দি করে দরজা আঁটকে রেখেছিলো।আর আমি জানালার কাছে গিয়ে কাঁদছিলাম আর বলছিলাম,’চাঁদ শুধু আমার।আমি চাঁদ কাউকে দেবো না।এরপর রুমের মধ্যে থেকে আমার দাদী হঠাৎ বলে উঠে,
‘হোঁ চাঁদ তো তোমগো জামাই লাগে এরলেইগা অহন তোমরা চাঁদ লইয়া কামড়াকামড়ি করো।শ্বশুরবাড়ি যাওনের সম লইয়া যাইস লগে কইরা।গাধা ছেমড়ি!’

অভ্র জোড়ে জোড়ে হাসতে লাগলো।
‘অরু,সিরিয়াসলি!চাঁদ নিয়ে কাড়া কাড়ি?তুমি তো দেখি ছোটো থেকেই অদ্ভুত।তোমার দাদীর কথাটা কিন্তু দারুন ছিলো।গাধা ছেমড়ি!’

আমি চোখ ছোটো ছোটো করে বললাম,
‘আমি জানতাম আমি এই গল্পটা বললেই আপনি আমাকে ক্ষ্যাপানো শুরু করে দিবেন।’

অভ্র হাসতে হাসতে বললো,’তাহলে বললে কেনো?’

‘কারণ আপনাকে হাসতে দেখতে ভালো লাগে।’

অভ্র হাসি থামিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো।
সেদিন রাতে আমরা অনেক গল্প করলাম।অনেক হাসি মজা,খুনসুটে ঝগড়া অনেক কিছুই চলতে লাগলো।সেদিন প্রথমবারের মতো আমরা দুজন দুজনের সাথে এতোটা কথা বলেছি।এতো এতো গল্প করেছি।তারপর কখন যে চোখটা লেগে এলো বুঝতে পারি নি।
সকালে ঘুম ভাঙতেই খেয়াল করলাম আমি অভ্র’র কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছি।ঝট করে মাথা তুলে অভ্র’র দিকে তাকিয়ে দেখলাম অভ্র জেগে আছে।
‘আপনি কখন জাগলেন।’
উনি হাত দিয়ে চোখ কঁচলে বললেন,’আরো একঘন্টা আগে।’
‘তাহলে এখনো এখানে বসে আছেন যে,আমাকে জাগালেন না কেনো?’
‘তুমি ঘুমাচ্ছিলে তাই ডিস্টার্ব করিনি।’

অভ্র ভেতরে চলে গেলো।অভ্র’র রুমের বারান্দাটা বেশ লম্বা আর চওড়া।বারান্দার দড়িতে একটি সবুজ কাপড় ঝুলে রয়েছে।এই কাপড়টার জন্যই আমাদের চোখে সকালের সূর্যের আলো এসে পড়েনি।আমি উঠে দাঁড়িয়ে অবাক চোখে কাপড়টা হাতে নিলাম।এটা তো আমার কোনো কাপড় নয়।তাছাড়াও কাল রাতে এটা এখানে ছিলো বলেও তো মনে পড়ছে না।বেশি মাথা ঘামালাম না।ভাবলাম হয়তো ছিলো আমি খেয়াল করিনি।

ফ্রেশ হয়ে নিচে চলে আসলাম।অভ্র’র বাবা মা চলে এসেছে এমনকি চম্পাও।এতোটা বেলা করে উঠলাম বলে খারাপ লাগছে।রান্নাঘরে গিয়ে দেখলাম চম্পা সবজি কাটছে আর অভ্র’র মা চা বানাচ্ছে।সকাল বেলা চা না খেলে আমার ঝিমুনি কাটে না।অভ্র’র মা চা বানাচ্ছে এখন আমি তো তাকে মুখের উপর বলতে পারি না আমাকেও এককাপ দিন।তাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চম্পার সবজি কাটা দেখতে লাগলাম।কিন্তু একটুপর আমাকে চরম চমকে দিয়ে অভ্র’র মা আমার দিকে চায়ের কাপ বাড়িয়ে দিলেন তবে মুখে কিছু বললেন না।আমিও চুপ করে চায়ের কাপ নিয়ে রান্নাঘর থেকে বেড়িয়ে গেলাম।রান্নাঘর থেকে বেরোতেই শুনতে পেলাম অভ্র’র মা চম্পাকে জিজ্ঞাসা করছেন,
‘চম্পা।’
‘জ্বে খালাম্মা।’
‘ঐ মেয়েটা কেমন রে?’
‘কোন মাইয়া?’
‘ঐ যে ঐ মেয়েটা।’
‘ও….অরু আফামনির কথা কন?হে তো অনেক ভালো।কি সুন্দর ঠান্ডা কইরা কথা কয়।হাসি খুশি থাকে।অরু আফামনির মতন মাইয়া হয় না খালাম্মা।আমি তো কই হের বড় বোন পালাইয়া যাওনে আমগো অভরো ভাইজানের ভাগ্য খুলছে।ঐ কটকটা মাইয়ার জায়গায় এহন কতো ভালা একটা মাইয়া পাইছে।’

‘হয়েছে এখন কাজ কর।’
‘আমি তো কাজই করতাছিলাম।আপনিই তো আমারে জিগাইলেন।’
‘তুই কথা বড্ড বেশি বলিস।’

অভ্র’র মা হঠাৎ আমার কথা চম্পার থেকে কেনো জিজ্ঞাসা করছিলেন রুমে বসে বসে এই কথাই ভাবছিলাম।আজ শুক্রবার।আমার ভার্সিটি বন্ধ।কিন্তু অভ্র’র অফিস তো আর বন্ধ না তাই তিনি অফিসে চলে গেলেন।তবে শুক্রবার তিনি আর বাবা অফিস থেকে তারাতারিই ফিরে আসেন।

একটুপর চম্পা এসে আমাকে জানালো অভ্র’র মা আমাকে তার রুমে ডাকছেন।আমার গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেলো।একই বাড়িতে থাকলেও আমাদের দুজনের কথা না বলার মতই।দু তিনবারের বেশি কথা কখনো হয়নি।ভদ্র মহিলাকে আমি যথেষ্ট ভয় পাই।সবসময় কেমন গম্ভীর হয়ে থাকেন।কথাও বলেন কড়া কড়া।হঠাৎ আমায় ডেকে কেনো পাঠালেন বুঝতে পারলাম না।একটু ঢোক গিলে কাচুমাচু হয়ে তার রুমের দরজা ঠেলে দাঁড়ালাম।তিনি একদৃষ্টিতে সামনের দিকে মুখ করে তাকিয়ে আছেন।এখন তার মনোযোগ নেওয়ার জন্য অ্যান্টি না মা ডাকবো এ নিয়ে আমি খুব কনফিউশনে পড়ে গেলাম।উনি যেহেতু আমাকে ছেলের বউ হিসেবে বেশি একটা পছন্দ করেন না তাই অ্যান্টি বলে ডাকাটাই ঠিক মনে করলাম।আস্তে আস্তে ডেকে বলে উঠলাম,
‘অ্যান্টি আসবো?’
‘হ্যা আসো।দরজাটা ভিরিয়ে দিয়ো।’
আমি তার বেডের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেই তিনি বললেন,
‘অ্যান্টি কি?শ্বাশুড়িকে যে মা বলে ডাকতে হয় জানো না!মা বলে ডাকবে বুঝেছো?’

আমি ঘাড় নাড়িয়ে বোঝালাম বুঝেছি্।

‘তোমার আজকে ভার্সিটি নেই?’
‘আজ তো শুক্রবার।’
‘ও…।’

আমি মাথা ঈষৎ নিচু করে তার করা প্রশ্নের জবাব দিয়ে যাচ্ছি।তিনি আজ আমার সাথে এতো কথা কেনো বলছেন বুঝতে পারছি না।
‘রান্না করতে পারো?’
‘একটু আধটু পারি।’
‘একটু আধটু পারলে হবে না।সবকিছু পারা শিখতে হবে,বুঝেছো?’
আমি আবারো মাথা ঝাঁকিয়ে বোঝালাম বুঝেছি।
‘এখন যাও,একটুপর চম্পাকে দিয়ে ডেকে পাঠাবো তখন এসো।’

আমি রুমে বসে বসে অভ্র’র মার এই হঠাৎ পরিবর্তনের কথাই ভাবছিলাম।তখন চম্পা একটি ঝাড়ু হাতে রুম পরিস্কার করতে এসে জানালো অভ্র’র মা আমাকে পুনরায় ডাকছেন।আমি যাওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালাম।তখন দেখলাম চম্পা বারান্দায় ঝুলানো সেই সবুজ কাপড়টি নিয়ে আসছে।আমি বললাম,
‘চম্পা,এটা নিয়ে কোথায় যাও?এটা কার?’
‘খালাম্মা নিতে কইছে আফামনি।এইডা খালাম্মার।’

চম্পা কাপড়টা হাতে নিয়ে রুম থেকে বের হয়ে গেলো আর আমি ঠায় দাঁড়িয়ে সকাল থেকে হওয়া ঘটনা আর দুইয়ের সাথে দুই মিলিয়ে যা বুঝতে পারলাম তা হলো,
অভ্র’র মা খুব সকালে বাড়ি ফিরে এই রুমে এসেছিলো অভ্র’র খোঁজে।তারপর বারান্দায় আমাদের ঘুমন্ত অবস্থায় দেখে সূর্যের আলোর থেকে আমাদের ঘুমকে বাঁচাতে তার হাতের কাপড়টি চোখের সামনে মেলে দিয়ে গেছেন।সমস্ত কিছু বুঝতে পেরে আমি লজ্জায় ধপ করে সোফায় বসে পড়লাম।
অভ্র’র মা আমাদের ঘুমন্ত অবস্থায় দেখেছেন মানে,আমার মাথা অভ্র’র কাঁধে রাখা অবস্থায়?
এখন আবার তার সামনে যেতে হবে।ইশ কি লজ্জা!

চলবে,

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ