Friday, June 5, 2026







LOVE part:15+16

#LOVE❤
part:15+16
Writer:Suvhan Årag(ছদ্মনাম)

-দিশা বলেছিলাম না আবেগ ছুটি দেবে
-কি করবো বল।কদিন আগে দুদিন ছুটি নিয়ে ছি।আজ আবার মা অসুস্থ ।শোন কাল সকালে ই চলে আসবো।ঐ বড়ির মালিক তো আজকে শশুর বাড়ি থেকে ফিরবে ।তুই সাবধানে থাকিস।ঐ বেটা কুনজর দেয় তোর ওপর
-কি করবো।ডিভোর্স ই মেয়ে তাই সইতে হয় কতো শেয়াল কুকুর এর নজর।আচ্ছা চিন্তা করিস না তুই বেরিয়ে যা
-শোন তোর শরীর তো ভালো না।পারলে তাড়াতাড়ি কাজ শেষ করে বাড়ি চলে যাস
-ঠিক আছে তুই যা

দিশা চলে গেল।রিদিতা ব্যাগ থেকে আঙুর ফলের বক্স থেকে আঙুর খাচ্ছে আর কাজ করছে

ঐদিকে সিসি টিভি তে আবেগ সব দেখছে

-এই মেয়ে র হলো টাকি।আগে ধরে বেধে যাকে খাওয়া তে পারতাম না এখন দেখি সারাদিন কিছু না কিছু খাওয়ার তালেই থাকে।দিন দিন তো দেখতেও তেমন হচ্ছে(মনে মনে)

আসলেই মনের মিলন এমনি ।আবেগ রিদিতা কে যতোই ঘৃনা করুক তবুও কোনদিক দিয়ে মনে একটা খুশি থেকেই যায় ।অফিসে প্রতিদিন রিদিতা কে দেখে যেন কি ছু একটু শান্তি পায় ।কিন্তু অতীত মনে পরলেই ভুলে যেতে হয় সব

রিদিতা খেয়ে আবেগের রুমে যাচ্ছে একটা ফাইল নিয়ে ।হঠাত্ মাথা ঘুরে উঠলো।রিদিতা তাড়াতাড়ি পাশের দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়ালো

-নাহ্ ।আর পারছি না।কালই চেকাপ টা করাতে হবে

রিদিতা আসতে আসতে আবেগের কেবিনে এর দিকে যাচ্ছে ।কেবিনে র দরজা নক করবে তার আগেই মাথা ঘুরে ফ্লোরে পরে গেল।আবেগ সিসি টিভি তে সব দেখছিলো ।রিদিতা কে ওভাবে দেখে তাড়াতাড়ি কেবিনের বাইরে এলো।কিছু স্টাফ ও চলে এসেছে।আবেগ রিদিতা র মাথা নিজের কোলে রাখলো

-রিদি চোখ খোল রিদি।কেউ পানি নিয়ে এসো
-স্যার নিন

আবেগ পানি ছিটাচ্চছে কিন্তু কাজ হচ্ছে না

-স্যার আমার মনে হয় রিদিতা ম্যাডাম কে ডাক্তার এর কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত।গতকাল আপনার পার্টি তেও উনি অজ্ঞান হয়ে গেছিলেন
-শিগগিরই আমার গাড়ি বের করো

আবেগ রিদিতা কে পাঁজাকোলা করে নিয়ে গাড়ি র দিকে গেল

হসপিটাল এ

-উনি আপনার কে হন।ওনার হাসবেন্ড কোথায়

আবেগ কি বলবে বুঝতে পারছে না

-কি হলো বলুন
-ডক্টর আমি ওর হাসবেন্ড ।আপনি যা বলার বলুন

হঠাত্ একজন নার্স এলো

-স্যার পেসেন্ট এর জ্ঞান ফিরে ছে
-মি চৌধুরি আমি পরে কথা বলছি।আপনি বসুন

আবেগ বসে চিন্তা করছে

-তাহলে কাল ও কোন নাটক করেনি ।আমি শুধু শুধু ওকে অপমান করলাম ।কিন্তু কি হয়েছে ওর

রিদিতা হসপিটাল এ নিজেকে দেখে অবাক হচ্ছে

-ডক্টর আমি এখানে
-আপনি অজ্ঞান হয়ে গেছিলেন ।আপনার হাসবেন্ড মি,আবেগ এখানে এনেছেন
-আবেগ ।ডক্টর আপনি ওনাকে আমার প্রেগন্যান্সি র কথা বলেছেন না কি?
-কেনো উনি জানেন না
-না তা নয়।আমার শরীর এরকম হচ্ছে কেন এটা বলুন
-দেখুন মিসেস চৌধুরি আমার মনে হয় এখন আপনার এই বাচ্চা টা এবরশন করা উচিত
-কিহহ
-হ্যাঁ ।দেখুন এখন হয়তো আপনার তেমন সমস্যা হবে না।কিন্তু আপনার ডেলিভারির সময় আপনার জীবনের ঝুঁকি থাকতে পারে।আপনার ব্লাডের পরিমাণ প্রয়োজন এর তুলনায় কম।তা ছাড়া কিছু প্রবলেম আছে।আপনার পরে সমস্যা হতে পারে

রিদিতা ভাবতে পারছে না কি করবে

-না ডক্টর ।আমি বেবি এবরশন করাবোনা।আল্লাহ্ যদি চান তো আমার জীবন ও আমার বেবি দুজনের জীবন বাঁচবে তো বাঁচবে নাহলে না।কিন্তু আমি এটা করবেন না
-কিন্তু আপনার হাসবেন্ড এর মতামত আমার জানতে হবে
-ডক্টর প্লিজ আমি আপনার পায়ে পরি আমার হাসবেন্ড কে কিছু বলবেন না।আমি অনেক কষ্ট এ ওকে পেয়েছি।আমি আমার সন্তান হারাতে চাই না।প্লিজ
-ওকে

রিদিতা কে রিলিজ দিলে আবেগ রিদিতার কাছে যায়

-কি হয়েছে ডক্টর
-ওনার প্,,,,,
-একটু লো প্রেসার ।ডক্টর আমি ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করবো।ধন্যবাদ

পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ডক্টর চলে গেল

-কি লুকাছ্ছ তুমি
-কই কিছু না
-মিথ্যা বলছো কেন।কি হয়ে ছে সত্যি বলো
-মিথ্যা নয়।এটাও তো আমার নাটকের একটা পার্ট তাই না মি,আবেগ চৌধুরি

বলেই রিদিতা হাঁটা ধরলো।আবেগ কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারলো না

গাড়ি র কাছে গিয়ে

-গাড়ি তে ওঠো।অফিস যাওয়া লাগবে না।তোমাকে তোমার বাড়িতে নামিয়ে দিয়ে আসি
-ধন্যবাদ ।আমি যেতে পারব।সন্ধ্যা হয়ে গেছে।এমনিতেই আমার পিছনে আপনার আজকে অনেক খাটতে হয় এছে ।আপনি বাড়ি যান।
-একটা কথা বলবে না।রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিন ক্রিয়েট না করে চুপচাপ গাড়ি তে ওঠো

রিদিতা কথা না বাড়িয়ে গাড়ি তে উঠলো।এদিকে প্রচুর বৃষ্টি শুরু হলো।মেঘ ও ডাকছে।আবেগ রিদিতা কে বাড়ি র সামনে নামিয়ে দিল।রিদিতা র ভয় হচ্ছে ।মেঘ ডাকছে।বাঁচ ও পরছে।এ অবস্থায় গাড়ি চালানো ঠিক না।তাই আবেগের কাছে গেল

-স্যার শুনুন
-কি বলবে তাড়াতাড়ি বলো।এই বৃষ্টি তে তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে হবে
-বলছি খুব মেঘ ডাকছে।গাড়ি চালানো ঠিক হবেনা ।আপনি একটু বসে যান।বৃষ্টি কমলে চলে যাবেন।এই বৃষ্টি তে রাস্তা ঘাট ও দেখা যাবে না ।রাত ও অনেক হয়েছে

আবেগ অনেক ভেবে দেখলো আসলেই তাই

-ঠিক আছে

আবেগ গাড়ি টা পার্ক করে রিদিতা র সাথে বাড়িতে ঢুকলো ।রিদিতা দিশা দুজনে একটা রুমে থাকে।আরেকটা রুমে ছোট টেবিলে আর দুটো চেয়ার দিয়ে বসার আর ডাইনিং এর মতো সাজিয়ে ছে।আর রান্না ঘর।একটা বাথরুম ।রিদিতা আবেগকে বসার রুমে বসতে বলে একটা টাওয়েল এনে দিল

-মাথা মুছে নিন।ঠান্ডা লাগতে পারে
-তুমি ও ফ্রেশ হয়ে নাও।ভেজা কাপড় এ থাকলে সমস্যা হবে

রিদিতা চলে গেল রুমে ফ্রেশ হতে।আজ অনেকদিন পর আবার দুজনে এক ছাদের নিচে।এরকম কতো বৃষ্টি তে আবেগ আর রিদিতা ভিজেছে ।রিদিতা নিজের আঁচল দিয়ে আবেগের মাথা মুছে দিয়ে ছে।আর আজ,,,

রিদিতা গিয়ে ঢিলেঢালা একটা গোল জামা পরে মাথাটা সুন্দর করে ওরনা দিয়ে পেচিয়েছে ।রিদিতা নিজের কাবারড খুলে একটা নীল রঙের পাঞ্জাবি বের করলো।এটা আবেগের না।কিন্তু রিদিতা বেবি র জন্য নিজ হাতে সেলাই করে জামা বানাতে গিয়ে কি মনে করে একদিন এই নীল রঙের কাপড় কিনে তাতে কাজ করে আবেগের সাইজ পানজাবি বানিয়েছিল।ভেবেছিল আবেগকে তো কখনোই দিতে পারবে না।কিন্তু আজ এমন সুযোগ পাবে জানা নেই।রিদিতা পানজাবি টা নিয়ে আবেগের কাছে গেল

ওদিকে রাত দশটা বাজে।বৃষ্টি হচ্ছে সেই পরিমাণ এ।আবেগ তো চিন্তা তে আছে বাড়ি ফিরবে কি করে।কিন্তু রিদিতা র কাছে থাকতে আবার ভালো ও লাগছে

-এই পানজাবি টা পরে নিন।আপনার শার্ট ভিজে গেছে ঠান্ডা লাগতে পারে
-বৃষ্টি তো কমছে না।আমাকে যেতে হবে
-এই রকম দুর্যোগ এ না যাওয়াই ভালো।আপনি পারলে রাতে এখানে থেকে যান।অনেক রাতো হয়ে ছে।কাল চলে যাবেন।আপনার ভালোর জন্য বলছিলাম ।বাকি আপনার ইচ্ছে
-তোমার সমস্যা হবে না তো
-না
-আচ্ছা একা থাকো
-না দিশার সাথে থাকি।ও আজ গ্রামে গেছে
-ও
-আপনি শার্ট পাল্টে নিন।ঐ রুমে যান
-হুম

আবেগ পানজাবি টা নিয়ে চলে গেল।রিদিতা রান্না ঘরে গেল।কি রাধবে ভেবে পারছে না

-আচ্ছা ফ্রিজে তো মাংস আছে একটু।ভুনা খিচুড়ি করি।ও তো পছন্দ করতো।আজ একটু খাওয়া নোর সুযোগ হয়েছে।ওটাই করি

আবেগ পানজাবি পরে এসে রিদিতা কে বসার রুমে না পেয়ে রান্না ঘরে গেলো।দেখলো রিদিতা রান্না করছে।ভুনা খিচুড়ি র গন্ধ আসছে

-ভুনা খিচুড়ি করছো

রিদিতা পেছনে ফিরে তাকালো।নীল পানজাবি তে আবেগকে ভালোই দেখাচ্ছে

-হুম
-পানজাবি টা তো আমার মাপের ।তোমার কাছে পানজাবি কেন
-ঐ একটু বুটিকস আর হাতে র কাজ শিখেছিলাম তাই একদিন শখ করে বানিয়ে ছিলাম
-কার জন্য
-আপনি গিয়ে বসুন খাবার হয়ে গেছে

আবেগ কথা না বাড়িয়ে টেবিলে গেল।একটু পর রিদিতা এসে খাবার বেড়ে দিল আবেগের প্লেটে

-তুমি খাবে না
-খাবো পরে
-এখন বসো
-না থাক
-ঠিক আছে তাহলে তুমি খাও আমি খাব না
-কেনো
-আমার সাথে খেতে বসলে তো তোমার অনেক সমস্যা
-সমস্যা আমার না।আপনার ।নষ্ট মেয়ে মানুষ এর সাথে খেতে নেই
-তুমি,,,
-আপনি খাওয়া শুরু করুন।আমি ও বসছি

আজ অনেকদিন পর আবার দুজনে একসাথে খেতে বসলো ।আবেগ অনেক দিন পর রিদিতা র রান্না পেয়ে মন ভরে খাচ্ছে ।রিদিতা আড়চোখে দেখছে

-চালতার আচার দেব
-আছে
-হ্যাঁ
-দেও তাহলে

রিদিতা টেবিল থেকে আচার নিয়ে আবেগকে দিল।আবেগ তাকিয়ে দেখে টেবিলে অনেক রকমের আচার।আর একটা প্রেগন্যান্সি র চার্ট ঝুলানো ।আবেগ খাওয়া শেষ করলো রিদিতা ও

রিদিতা টেবিল পরিষ্কার করে আসলো

-রিদিতা
-কিছু বলবেন
-এই চার্ট টা কার।এই প্রেগন্যান্সি চার্ট

রিদিতা র গলা শুকিয়ে আসছে।আর যাই হোক বাচ্চা র কথা আবেগকে বলা যাবে না।কারণ আবেগকে বললে আবেগ হয়তো চাইলে ও রিদিতা কে বাচ্চা র জন্য অন্তত মাফ করতে পারে।কিন্তু রিদিতা তা চায় না।যেখানে ভুল নেই সেখানে কিসের মাফ।আর যেখানে বিশ্বাস নেই সেখানে না ভালোবাসা না সংসার

-কি হলো বলো
-আসলে,,,,

হঠাত্ রিদিতা র দরজা কেউ জোরে ধাক্কা চ্ছে।রিদিতা র বুঝতে বাকি নেই যে ঐ বাড়ি র মালিক।ঐ লোকটা এর আগেও বদ মতলবে এসেছে।কিন্তু দিশা বেচাকেনা টাইট দিয়ে ছাড়ে

-এতো রাতে কে।দরজা খোল গিয়ে
-না দরজা খোলা যাবে না
-কেনো
-বলতে পারবো না
-আমি দেখছি

বলেই আবেগ দরজা র দিকে গেলো।রিদিতা আটকাচ্ছে ।কিন্তু আবেগ দরজা খুলে একপাশে দাঁড়ালো।সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি র মালিক ঢুকে পরলো

-কি গো সুন্দরী।দরজা খোল না কেন।শুনলাম আজ নাকি তুমি একা।তা করবে নাকি কিছু
-দেখুন মারুফ ভাই।বাড়ি ভাড়া কম বলে আপনার বাড়ি থাকি।তাই বলে আপনি এসব কি শুরু করেছেন।আর ভাবি আপনাকে কতো বিশ্বাস করে আর আপনি
-আরে রাখো ওসব।দেখেছো বাইরে কি বৃষ্টি ।কোন আওয়াজ আজ বাইরে গেলে কেউ শুনবে না।আরে তুমি তো ডিভোর্স ই।তোমার ও তো চাহিদা আছে বলো।কেন রাজি হয়ে যা ও না বলোতো।একবার রাজী হয়ে যাও প্রতিদিন তুমি আমি মজা নেব।আর তোমার ঐ বান্ধবী কে না হয় আমার আরেকটা ঘর ফাঁকা আছে ওখানে থাকতে দেব।চিন্তা করোনা টাকা ও দেবো প্রতি মাসে
-আর একটা নোংরা কথা বলবেন না।বেরোন বলছি
-শালি আজ তো কেউ তোর চিত্কার শুনতেই পাবে না।আজ তো তোকে আমি ভোগ করবোই

বলেই মারুফ যেই রিদিতা র গায়ে হাত দেবে তার আগে তড়িৎ বেগে আবেগ এসে মারুফ কে ঘুষি মারলো।আবেগকে দেখে মারুফ অবাক

-আরে শালি।তুই তো আচ্ছা জিনিস ।ঘরে একটাকে রেখেছিস দেখছি।তাইতো বলি ডিভোর্স ই মেয়ে তোর কিছু লাগে না কেন।আরে ভাই চলেন আজ দুজনে মিলে শালির মজা নেই

আবেগ মারুফ এর কলার ধরে উঠিয়ে মারা শুরু করলো

-জানোয়ার তোর সাহস কি করে হয় ওকে বাজে কথা বলার।ওর গায়ে হাত দিবি।দেখ তো র আমি কি করি

আবেগ মারুফ কে মারতে মারতে দরজা র বাইরে নিয়ে এসেছে।মারুফ এর মুখ দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে ।রিদিতা অবস্থা বেগতিক দেখে আবেগকে আটকাচ্ছে

-আবেগ বন্ধ করো।আবেগ মরে যাবে ও
-যাক মরে।আমার কলিজায় হাত দিয়েছে ওকে তো আমি
-আবেগ বন্ধ করো

রিদিতা আবেগকে টেনে ঘরে এনে দরজা বন্ধ করে দিলো

-বললাম আমি দরজা খুলে ন না
-কতোদিন ধরে জালাচ্ছে এই লোক
-অনেকদিন
-এখনো এই বাসায় ভাড়া থাকো
-কি করবো তাহলে।বাসা ভাড়া নিতে গেলে সবাই ডিটেলস চাই।ডিভোর্স ই জানলে কেউ ভাড়া দেয় না।তাইতো এখানে পরে আছি

আবেগ আর কিছু বলতে পারলো না

-আপনি ঘরে গিয়ে শুয়ে পরুন
-তুমি
-আমি বসার রুমে শোব
-তুমি ওখানে শুয়ে থাক ।আমি এখানে শুচ্ছি
-দরকার নেই।আপনি যান
-চলো তুমি ও আমার সাথে শোবে
-পাগল হয়েছেন আপনি
-কেনো কি ভুল বললাম ।আগে মনে হচ্ছে আমার সাথে ঘুমাও নি
-আগে র সময় আর এখন এক নয়।আগে স্বামী ছিলেন তাই ঘুমিয়ে ছি।এখন আপনি পরপুরুষ
-আমি পরপুরুষ
-হ্যাঁ
-ও তাহলে আশফি র সাথে শুতে গেছিলির কেন
-আর একটা বাজে কথা বলবেন না আপনি
-কি বাজে কথা বলবো না ।আশফি পরপুরুষ না।এখন এসব কথা মাথায় আসছে তোর
-আপনি চুপ করুন

রিদিতা র মুখে পরপুরুষ কথা শুনে আবেগের মাথা বিগড়ে গেছে।শত হলেও নিজের স্ত্রী ভালোবাসার মানুষ।সত্যি টা অপ্রিয় হলেও আবেগ মানতে পারছে না।আবেগ রিদিতা কে টেনে নিয়ে রুমে গিয়ে দরজা লাগলো

-এই রুমে ই আমার সাথে শুবি তুই শুনেছিস
-দরজা খুলুন আমি আপনার সাথে এক রুমে থাকবো না।আপনাকে থাকতে বলাই ভুল হয়ে ছে আমার
-ভুল।ভুল বের করছি তোর।আমাকে পরপুরুষ বলা

বলেই আবেগ রিদিতা কে ধাক্কা দিয়ে খাটে ফেলে ইচ্ছে মতো ঠোঁটে কিস করছে।যেন কতো দিনের পিপাসা রাগ সব মেটাচ্ছে ।রিদিতা আটকানোর চেষ্টা করছে পারছে না ।আবেগ আসতে আসতে আরো গভীর এ যাচ্ছে ।রিদিতা কে এতোদিন পর পেয়ে আবেগ নিজের মধ্যে নেই

বৃষ্টি র গতি বারতেই আছে।একসময় কারেন্ট চলে গেল।ঘরের লাইট নিভে গেল।প্রকৃতি ও যেন শায় দিচ্ছে ওদের।রিদিতা আবেগের সাথে পেরে উঠতে না পেরে ধরা দিলো আবেগের কাছে

অনেকদিন পর রাত আবার সাক্ষী হলো তাদের ভালোবাসার

হোক না আজ তাদের মিলন।ক্ষতি কি

চলবে—–

#LOVE❤

part:16
Writer:Suvhan Årag(ছদ্মনাম)

পরের দিন সকালে

রিদিতা ফ্রেশ হয়ে জানালার কাছে দাঁড়িয়ে আছে।চোখের পানি বাধ মানছে না।আবেগ এখনো ঘুম

-খুব কি দরকার ছিল এই মিলনের।আবেগ তোমার জেদের জন্য আজ আমাদের জীবন টা এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আছে।তুমি কি পারতে না আমার কথা শুনতে।কাল ও তুমি শুধু তোমার জেদকেই প্রাধান্য দিয়ে ছিল।কে ন করলে এমন।প্রতি মূহুর্তে তোমার দেওয়া কষ্ট এ এমনিতেই ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় ।আর কাল তোমার জন্য আমাকে পুরো জীবন্ত লাশের মতো থাকতে হবে।কিছুদিন পর তো বিয়ে করে সুখেই থাকবে নোভাকে নিয়ে ।আমাকে মেরে ফেলার কি খুব দরকার ছিল

জানলার বাইরে প্রকৃতি টাকেই এসব বলছে রিদি।পেছন ফিরে আবেগ কে একবার দেখে নিল।তারপর রেডি হয়ে অফিসে চলে গেল

আবেগকে আর ডাকলো না।আবেগের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার অবস্থায় রিদিতা নেই

সকাল দশটায় ঘুম ভাঙলো আবেগের।চারপাশটা অচেনা লাগছে।মনে পরলো কাল সে রিদিতা র বাড়িতে ছিল।নিজের দিকে তাকাতেই কাল রাতে র ঘটনা মনে পরে গেলো

-এটা আমি কি করলাম ।ছিহহ।আমার নিজেকে কন্ট্রোল রাখা উচিত ছিল।আমি নিজেই রিদিকে নিজের থেকে সরিয়ে ছি আর কাল আমিই ওকে,,,,,নাহ্ কি করে মুখ দেখাবো ওর সামনে

আবেগ দেখলো বেডের পাশে একটা চিরকুট রাখা।তাতে লেখা
—টেবিলে খাবার রেখেছি।দরজাতে তালা ঝোলানো আছে।খাবার খেয়ে তালাটা সামনে লক করে দিয়ে যাবেন।আর কাল রাতে র কষ্ট টা দেওয়া র জন্য আপনাকে কি বলে ধিক্কার জানাবো সেই ভাষা আমার জানা নেই–ইতি রিদিতা

আবেগ চিরকুট টা পরে খুবই অপরাধ বোধ করছে

-ভুল কিছু বলোনি তুমি ।কালকের জন্য আমি ধিক্কার এর ই যোগ্য

আবেগ ফ্রেশ হয়ে টেবিলে গেল।রিদিতা আলু ডিম ভাজা আর গরম ভাত রেখেছে।আবেগ খেয়ে তালা লাগিয়ে অফিসে চলে গেল

অফিসে গিয়ে আবেগ রিসেপশনে গেল

-গুড মর্নিং স্যার
-রিদিতা কি অফিসে এসেছেন
-জি স্যার ম্যাম তো অনেক আগেই এসেছেন আজ
-ওকে

আবেগ রিদিতার কেবিনের দিকে গেল

-জানিনা ওর সামনে কিভাবে দাড়াবো ।ওর কাছে গিয়ে কি বলে ক্ষমা চাইবো

আবেগ রিদিতার কেবিনে ঢুকে দরজা লক করে দিলো।রিদিতা ল্যাপটপ এ কাজ করছিল।কারোর উপস্থিতি পেয়ে সামনে তাকিয়ে আবেগকে দেখে চোখ সরিয়ে নেয়

-রিদিতা আমি,,,,

রিদিতা উঠে কিছু ফাইল নিয়ে কেবিন থেকে বেরোতে যায় ।আবেগ পথ আটকায়

-কোথাও যাবে না।আমার কথা শোন
-আপনার কোন কথা শোনার ইচ্ছে আমার নেই

রিদিতা আবেগের পাশ কেটে চলে গেল।আবেগ হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে

দুপুর গরিয়ে গেল।আবেগ অনেকবার চেষ্টা করেছে রিদিতা র সাথে কথা বলার।কিন্তু রিদিতা এড়িয়ে গেছে।আবেগের মাথা গরম হয়ে গেছে রিদিতা র প্রতি

রিদিতা ক্যান্টিন থেকে লান্চ করে নিজের কেবিনে আসে সাথে সাথে আবেগ ও কেবিনে ঢুকে দরজা লক করে রিদিতা র হাত টেনে দেওয়ালের সাথে লাগায়

-আহহহ ।কি শুরু করেছেন আপনি
-শুরু আমি করেছি না তুই করেছিস।কিসের এতো দেমাক তোর
-মানে কি বলছেন।আমার কিসের দেমাক হবে
-সেটাই তো।কি এমন আছে তোর।না সম্পত্তি না চরিএ ।না আছে নোভা র মতো ভালো চেহারা কিছুই তো নেই কিসের দেমাক দেখাচ্ছিস আমাকে
-ভদ্র ভাবে কথা বলবেন ।এর মধ্যে ঐ নোভা কে কেন টানছেন ।এতো ই যদি ওর রূপ এর ধার থাকে তো তার কাছে যেতে পারেননি।না কি নোভা আপনার চাহিদা ঠিক মতো মেটাতে পারে না তাই আমার ওপর জোর জবরদস্তি করেছেন
-ভেবেছিলাম তোর কাছে ক্ষমা চাইবো।কিন্তু আমার তো মনে হচ্ছে তুই নিজেই কাল নাটক করে আমাকে তোর বাড়ি তে নিয়ে ছিস
-আমি নাটক করেছি
-হ্যাঁ তাই।তোর মতো মেয়ে দের চেনা হয়ে গেছে।যেই দেখেছিস নোভা র সাথে আমার বিয়ে হবে সেই তুই নতুন নাটক শুরু করেছিস যাতে আবার আমার মন গলিয়ে আমার বাড়ি তে এসে আমার টাকা ওড়াতে পারিস
-আবেগগগ
-আশফি তো দুদিন মজা নিয়ে ছেড়ে দিয়ে ছে।তাই এখন আমার পেছনে আবার পড়েছিস।তোর মতলব বুঝি না ভেবেছিস।আমি তো ভেবে ছিলাম কাল সব আমার দোষ ছিল।কিন্তু না এখন ভেবে দেখি সব তোর সাজানো নাটক।তুই বৃষ্টি দেখলি আর নাটক করে তোর বাড়ি তে নিলি ।তুই পারতিস না কাল আমাকে আটকাতে।কিন্তু কই তুই তা করিস নি।কারন তুই তো ওটাই চাইছিলি
-আবেগ আমি তোমাকে আটকিয়েছি বারবার কিন্তু তুমি ই তো,,,,,,,,,,,
-এক দম আবার তোর চোখে র পানি নিয়ে আমার সামনে নাটক করবি না।মা নোভা ঠিকই বলে তুই আসলেই একটা নষ্টা মেয়ে নষ্টা মেয়ে তুই

এই বলে আবেগ দরজা খুলে চলে যায় ।রিদিতা ঠাঁই হয় এ দাড়িয়ে আছে

-ভালোবাসি বলে কাল বিপদে র মুখে তোমাকে ঠেলে দিতে পারিনি।কাল নিজেই আলাদা থাকতে বলেছিলাম তুমি নিজেই তো আমাকে টানলে।আর আজ এভাবে অপবাদ দিলে আমাকে।আল্লাহ্ আর কতো সহ্য করবো আমি।আর কতো।মিথ্যা অপবাদ নিয়ে নিজের সব ছেড়ে সব পিছুটান ছেড়ে নতুন ভাবে বাচবো বলে এসেছি।সেই পিছুটান সেই অপবাদ আবার আমার কাছে চলে এসেছে।আমি কি করবো কি করবো।

রিদিতা কাঁদতে কাঁদতে বসে পরলো।আসলেই রিদিতা র তো ও উচিত ছিল না কাল রাতের জন্য আবেগকে ক্ষমা করা।ও তো ঠিকই ছিল নিজের দিক থেকে।অথচ আবেগ নিজের দোষ ঢেকে মিথ্যা অপবাদ রিদিতা কে দিয়ে দিল।এটা কোন গল্প নয় একটা বাস্তব তা।সমাজে এই ভাবেই তো রিদিতা র মতো মেয়ে রাত শেষ হয়ে যায় দিনে দিনে।সমাজ মেয়ে দের কথা শোনে না ভাবে না কিন্তু যেটা ভুল সেটাকে মেয়ে দের ওপর চাপিয়ে এভাবেই পুরুষের শাসন বজিয়ে রাখছে।আসলেই কি ভুল বললাম ।এটি কি সত্যি ই বাস্তব নয়।

রিদিতা চোখ মুছে উঠে দাঁড়ালো ।তার হার মানলে চলবে না।তার জীবনটাই যে সংগ্রাম হয়ে দাঁড়িয়ে ছে।নিজের সন্তান কে ভালো রাখার জন্য সংগ্রাম তাকে করতেই হবে

সন্ধ্যা বেলা

দিশা রিদিতা র চুল বেধে দিচ্ছে

-এই রিদি এসব কি শুনছি
-কি হয়েছে
-আরে বাড়ি র মালিক নাকি কাল রাতে বৃষ্টি র ভেতর কোথায় এক্সিডেন্ট করেছে।এখন নাকি হসপিটাল এ
-হায় রে দুনিয়া।সব খানেই কাহিনী এক।এরা কি সুন্দর মিথ্যা বলে বেচে যায় রে।কই আমি তুই আমরা তো পারিনা
-কি হয়েছে বলতো

রিদিতা কাল রাত থেকে শুরু করে অফিসে র সব ঘটনা দিশাকে বললো

-ছিহহ।আবেগ ভাই এতো জঘন্য কি করে হতে পারে
-জানিনা
-তুই আর অফিসে যাবি না
– আর কটা দিন।তারপর মাসটা শেষ হলে রিজাইন দিয়ে আন্টি র কাছে চলে যাব।আমি নিজেই হাঁপিয়ে উঠেছি রে।ভেবেছিলাম আর কটা দিন একটু কাজ করবো ।কিন্তু আবেগ এর জন্য আর সেটি হবে না
-তোর আর কাজ করা লাগবে না।আমি গ্রামের একটা স্কুল এর ম্যাম এর সাথে কথা বলেছি ।উনি বলেছেন একটা টিচার লাগবে।আমি ওনাকে বলে দেবো সামনের মাসে জয়েন করবো ।তোকে নিয়ে চলে যাব।আর রাখবো না এখানে।এরা মানুষ না রে
-আমার জন্য তোর আন্টি র কতো কষ্ট করতে হচ্ছে তাই না
-একদম মাইর খাবি।কিসের কষ্ট ।আমি যদি লবণ ভাত খাই তো তুইও তাই খাবি।একদম এসব বাজে কথা মুখে আনবি না।আর পুচকু টা একবার আসুক তারপর তুই ও গ্রামের কোন স্কুল এ চাকরি জোগাড় করে নিবি।আমরা চারজন এ ভালো থাকবো
-তা যা বলেছিস

এদিকে আবেগ শুয়ে ভাবছে

-আজ রিদিতা কে বেশিই বলে ফেললাম ।কিন্তু আসলেই তো কাল ওর ও দোষ ছিল।ও চাইলে আমাকে আটকাতে পারতো।কিন্তু,,,,,

এমন সময় নোভা ফোন দিল।আবেগ বিরক্তি নিয়ে ফোন রিসিভ করলো

-হ্যাঁ লো আবেগ
-কি হয়েছে
-উহ এভাবে কথা বলো কেন তুমি ।আচ্ছা কাল কোথায় ছিলে তুমি ।আমি তোমার মাকে ফোন দিলাম তিনি বললেন তুমি ফেরোনি
-কাল আমার বন্ধু র বাড়িতে ছিলাম ।অনেক দিন পর দেখা তাই ও ছারেনি (মিথ্যা বললো)
-ও।আচ্ছা শোন পৌরশু আমার ফ্রেন্ড রা একটা পার্টি দিচ্ছে যাস্ট আমার জন্য ।কদিন পর তো আমার বিয়ে হবে তাই ওরা এই প্রথম সিলেট এসেছে এই জন্য পার্টি হবে।তুমি কিন্তু আসবে
-আমি কোন পার্টি তে যেতে পারব না
-তোমার কোন কথা শুনবো না আবেগ।আগে র দিন ঐ মেয়ে টার জন্য এনগেজমেন্ট এ মজা করতে পারিনি।তুমি আসবে এটাই শেষ কথা।না হলে আন্টিকে বলবো আমি।বাই

নোভা ফোন কেটে দিল

-পার্ট ই তে তোমাকে আসতেই হবে আবেগ না হলে কিভাবে তোমাকে কাছে পাব বলো।আমি তো আর ঐ রাতের অপেক্ষা করতে পারছি না।শুধু তুমি আর আমি

চলবে——–

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ