#অগ্ৰিম_পর্ব
#তোমার_অস্তিত্ব
#মুসলিমা_ইসলাম
মহুয়ার ঘুম ভাঙ্গতেই দেখলো পাশে ইমন নেই, উঠে বাহিরে এসে দেখলো রোদ উঠে গেছে বুঝায় যাচ্ছে বেশ বেলা করে আজকে ঘুম ভাঙ্গছে রান্না ঘরে যেয়ে দেখলো তার শাশুড়ি তরকারি কুটছে।
‘আম্মা আমাকে দেন আমি কেটে দিচ্ছি।’ এত বেলা হলো আমাকে ডাকেননি কেনো?
কাল পায়ের ব্যাথা নিয়ে ঘুমিয়েছিলে এই জন্য আর ডাকেনি, যাও হাত মুখ ধুয়ে এসো তোমার আপাকেও ডেকে নিয়ে এসে খেয়ে নেও দুজনে। মহুয়া যাচ্ছে না দেখে।
‘কিছু বলবে নাকি?’
‘আসলে আম্মা ও কোথায় দেখছি না তো।’
ইমন সকালে উঠেই দোকানে চলে গেছে এতো দিন সজীব একাই সবটা দেখছে।
আচ্ছা। বলেই মহুয়া চলে গেলো হাত মুখ ধুয়ে মিনুর রুমে যেয়ে দেখলো মিনু বই পড়ছে।
‘আপা খাবেন না? চলুন আম্মা ডাকছে।’ মিনু বই থেকে মুখ ঘুরিয়ে মহুয়ার দিকে তাকালো যতই যায় করুক এই মেয়েটার প্রতি আলাদা মায়া কাজ করে।
‘একটু পর আসছি, তুমি যাও।’ মহুয়া চলে আসছিল তখনি__
‘তোমার পায়ের কি অবস্থা? ব্যাথা কমছে?’
‘জ্বি আপা অনেকটাই কমে গেছে।’ মিনু আর কোনো কথা বললো না।মহুয়া সাহস নিয়ে আবারো বললো।
‘আপা আসেন একসাথে খাবো।’ বলেই না দাড়িয়ে চলে আসলো যদি কথা শুনিয়ে দেই। মিনু বিষয়টা খেয়াল করে মুচকি হাঁসলো যাক একটু ভয় থাকা প্রোয়জন বেশি মাথায় তুললে সমস্যা। ছোটদের যেমন আদর, স্নেহ, ভালোবাসতে হয় তেমনি শাসন করতে হয়। তার ভালোই মনে আছে তার ননদ তার সাথে কেমন ব্যবহার করতো, কুকুরের সাথেও মনে হয় এমন কেউ করেনা। সেসব কথা না ভাবলেও চলবে অতীত ভেবে নিজেকে কষ্ট দেওয়ার কোনো মানেই হয় না। জীবন যেভাবে যাচ্ছে সেইভাবেই যাক।বই রেখে উঠে পড়লো তারও খিদে পেয়েছে।
“আম্মা আজকের রান্না আমি করবো।”
‘তুমি পারবে রান্না করতে?’
‘দাদির কাছ থেকে টুকটাক রান্না শিখছি।’
‘আচ্ছা ঠিক আছে তবে সাবধানে করবা।’ মহুয়াও কথার উওর দিয়ে কাজে মন দিলো কি রান্না করবে ভাবতে ভাবতে চোখে পড়লো, কুমড়ার বড়ি দিয়ে মাছ ঝোল, আর সবজি করবে চিংড়ি মাছ দিয়ে। মিনু পাশে বসে আছে।কাজ করতে চাইলেও করতে দিচ্ছে না মহুয়া সে আজ একহাতে সব কিছু করবে। দুপুরের আগে ইমন আসলো রুমের ভিতর মহুয়াকে না দেখে খুজতে খুজতে রান্না ঘরে এসে দেখলো মহুয়া চুলায় জ্বাল দিচ্ছে ইমন দুষ্টামি করে পিছন থেকে মহুয়ার চুল ধরে টান দিলো।হঠাৎ মহুয়া চুলে টান পড়াতে একটু ভরকে গেলো পাশে ছোট লাঠি ছিলো এবার টানলে না দেখেই মেরে দিবে। ইমন আবারো টানতে যাবে তখনি মহুয়া লাঠি দিয়ে মারলো ইমনের মাথায়।
‘উফফফ, এত জোরে কেউ মারে।’ মহুয়া হাতে লাঠি ধরেই বললো।
‘চুল টানছেন কেনো?’ ভর দুপুরে ভাবছি জেন ভুত কিনা।ইমন হোহো করে হেসে উঠলো মহুয়ার আরো রাগ বেড়ে গেলো।
‘হাসছেন কেনো হাসার মতো কি এমন বললাম আজব।’
‘মহুয়া তুমি ওনা এখানে জেন ভুত কেমনে আসবে?’ আর তারাইবা তোমার চুল কেনো টানবে? বলেই আবারো হেঁসে উঠলো।মহুয়া এবার আস্তে করে আবারো মাথায় বাড়ি দিলো।
‘চুপ হাঁসবেন না, এবার হাঁসলে আমি আম্মাকে ডাক দিবো।’
‘আম্মা কে ডেকে কি করবেন?’
‘বলে দিবো আপনি আমার চুল টানছেন।’
‘তাতে আমার কিছুই হবেনা।’ আপনি আপনার কাজে মন দিন মেডাম আমি গেলাম। ইমন যাবে তখন __
‘সকালে খাইছিলেন? আমাকে একটু বলে গেলেন না।’
‘তুমিতো ঘুমাচ্ছিলে তাই ডাকেনি, আর হ্যাঁ খেয়েছিলাম।’
‘মা, আপা সবাই কোথায়।’
আপা রুমে আম্মা পাশের বাসায় দাদির ওখানে গেছে কি যেনো কাজে। ইমন যেনো এই সুযোগ খুজছিলো মহুয়ার কাছে যেয়েই গালে চু*মু দিলো। মহুয়া অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।
“এমন করে তাকালে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারবো না তো মেডাম।”
‘অসভ্য একটা।’ বলেই নিজের কাজে মন দিলো সবজিটা বাকি ছিলো এটা করলেই হয়ে যাবে।দুপুরে খেয়ে একটু শুয়ে ছিলো ইমন তখনি মহুয়া রুমে এসে__
‘একটা কথা বলবো যদি রাগ না করেন।’
‘বলো রাগ করবো কেনো?’
‘না আসলে…’
‘বলো সমস্যা নেই আমাকে ভয় পাচ্ছ কেনো।’
“আসলে আমি ওদিকের কি খবর সেটা জানতে চাচ্ছিলাম।” ইমন জানতো মহুয়া এটাই বলবে।
‘ওদিকে ভালো ফোন দিয়েছিলাম ছোট কাকার কাছে এখন আরিয়ান সুস্থ আছে, উনারা খুব দ্রুত ঢাকা চলে যাবে।’
আচ্ছা। মহুয়া আর কোনো কথাই বললো না, কি বা বলবে এমন হবে জানলে সে কখনোই ওদের সামনে যেতো না। আরিয়ানের জন্য একটু কষ্ট মনের কোথায় থেকেই গেলো মানুষ কতটা ভালোবাসলে এমন পাগলামি করে? আর যতই হোক তার চাচাত ভাই। সব যেনো ঠিক হয়ে যায় সেই দোয়া করলো।ইমন মহুয়াকে টান দিয়ে নিজর কাছে টেনে নিলো।
“কি হয়েছে পাখিটার মন খারাপ?”
“তেমন কিছুনা।”
“তুমি চাইলে তোমাকে নিয়ে যাবো, যাবে?”
‘কোথায়?’
‘উনাদের কাছে।’
“প্রোয়জন নেই আপনি তো কথা বলছেন।” একটু চুপ থেকে মহুয়া আবারো বললো।
‘আপনার খারাপ লাগছে না তো?’
‘কিসের জন্য’
‘এই যে আমি শুনলাম।’
“আরে পাগলী না খারাপ লাগার কি আছে।” একটা মানুষ অসুস্থ তার খোঁজ নিতেই পারো আর আমিত সবটা জানি, তোমার তো কোনো দোষ নেই।আর এটাও জানি আমি ছাড়া দ্বিতীয় কেউ তোমার জীবনে নেই।এসব বিষয় নিয়ে আর ভাববে না আমি আছি তোমার পাশে। মহুয়া ইমনের দিকে তাকিয়ে আছে এই মানুষ টা কতটা তাকে বুঝে, যত্নে রাখে, আগলিয়ে রাখে,সাপোর্ট করে। দিনশেষে মেয়েরা এর থেকে আর কি বা চাই? শুকরিয়া আদায় করলো আল্লাহর কাছে এমন স্বামি পাওয়ার জন্য।
______
হাসপাতাল থেকে আরিয়ানকে বাসায় আনা হয়েছে মালিহা আর একটা দিনও এখানে কাটাতে চাচ্ছে না। যেখানে নিজের ছেলেকে এমন অবস্থায় দেখা লাগছে সেখানে তার কাছে সব কিছু অসয্য লাগছে
আকরামও চাচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব ঢাকায় চলে যেতে।
‘আজকে কি টিকিট পাওয়া যাবে?’
না ভাই, কাল সকাল সকাল কাটতে হবে। ইকরাম বললো আকরাম ও মালিহা সহ সবাইকে বলে রাখলো কাল সকাল সকাল যেনো সবাই রেডি হয়ে থাকে কালকেই তারা ঢাকার পথে রউনা হবে।
তানিয়া, মালিহা, আকরাম আর ইকরাম বসে আছে উঠানে, আলোচনা করছে তাদের মাকে নিয়ে।
‘মহুয়ার তো বিয়ে হয়ে গেছে সে শশুর বাড়ি মা এখন একা তুমি কি করতে চাচ্ছ ভাই?’ বললো ইকরাম।
‘মাকে নিয়ে যেতে চাচ্ছিলাম, এখানে একা কিভাবে থাকবে।’ মালিহা একটু বিরক্তবোধ করলো
‘তোমার মা কি যাবে আমাদের সাথে?’ মালিহা
‘কেনো যাবেনা ভাবি?’ তানিয়া
‘উনি তো শহরে থাকেননি কিভাবে থাকবে ওখানে।’
‘সেটা আমি বুঝে নিবো আমার মাকে আমাদের সাথে রাখবো।’ আকরাম
“বাবা ঠিক বলেছে মা। দাদি এখানে একা কিভাবে থাকবে, বয়স বাড়ছে আমাদের সাথে থাকলে তো সমস্যা দেখছি না।” (আরিয়ান)
‘তুই উঠতে গেলি কেনো? কিছু লাগলে বলতি আমি নিয়ে যেতাম।’ (মালিহা)
আমার কিছু লাগবে না মা, শুয়ে থাকতে ভাল্লাগছে না। আলোচনা শেষে ঠিক হলো সুফিয়াকে সাথে করে নিয়ে যাওয়া হবে। ইকরামের বাসাও পাশাপাশি সমস্যা হবেনা দুই ভাই মিলে তার মাকে দেখবে। তানিয়া কিছু না বললেও মালিহার মুখে বিরক্তির ছাপ।রাতের খাবার খেয়ে সবাই ঘুমাতে গেলো, সকাল সকাল যেতে হবে এই জন্য সব কিছু গুছিয়ে রেখে দিলো।আরিয়ান তখন বাহিরে বেরিয়ে সিগারেট ধরালো একটান দিয়ে ধোঁয়া উড়িয়ে দিলো আকাশের দিকে।তার কাছে এখন মনে হচ্ছে মহুয়াও তার জীবনে এক ধোঁয়াশা যাকে ছুঁয়ে দেওয়া যাবেনা, ধরতে গেলেও হারিয়ে যাবে।
“একতরফা ভালোবাসা খুব কষ্টের না পাওয়া যায়, না প্রকাশ করা যায়।”
_______________________________
৫ বছর পর_
মহুয়া সকাল থেকে দৌড়ে বেড়াচ্ছে তার মেয়ে মৌ এর আজকে জম্মদিন।একবছরে পা রাখছে মৌ তাদের ধৈর্যের ফল। অনেক চেষ্টা করেও তাদের বাচ্চা হচ্ছিলো না এই নিয়ে ইমনের কোনো মাথাব্যাথা না থাকলেও মহুয়ার খারাপ লাগতো সব মেয়েই চাই মা হতে কিন্তু সে পারছে না। পাঁচ বছরে অনেক কিছুই পাল্টে গেছে ইমনদের সেই আগের বাড়ি নেই দোতলা ঘর উঠিয়েছে। মিনুকে আবারো বিয়ে দিছে সজীবের চাচতো ভাই ফাহিমের সাথে তাদের তিন বছরের একটা ছেলে আছে নাম ফারহান হোসেন মুন্না। তার শাশুড়ির বয়স বাড়ছে অসুস্থ শুয়ে থাকে সব সময় মহুয়ার কষ্ট হবে বলে একজন হেল্পার ও রাখছে ইমন। আগের দোকান ভেঙে এখন বড় করে দোকান উঠিয়েছে ইমন বাবার ব্যবসায় এখন তার সফলতার ফসল। মেয়ের জম্মদিনে সবাইকে দাওয়াত করেছে ইমন বাদ যায়নি আরিয়ান এবং তার পরিবারও। আরিয়ান ঢাকা যেয়ে দুদিন পর আবারো বিদেশে পারি জমালো। আকরাম মানা করতে যেয়েও পারিনি ছেলের কষ্ট একটু হলেও বুঝতে পারছিলো।
‘তুমি এখনো রেডি হওনি?’
কিভাবে হবো তোমার মেয়ে আমার কোনো কথায় শুনে না দেখো কখন থেকে চেষ্টা করছি জামা পড়াতে পারছি না। মহুয়ার রাগ দেখে ইমন মেয়ের কাছে গেলো কলে উঠিয়ে নিয়ে চুমু দিয়ে বললো।
‘এমন করে না মা, আসো জামা পড়িয়ে দিচ্ছে বাবা।’ মৌ চুপচাপ তার বাবার কাছে বসে জামা পড়ে নিলো। পুরো নাম ইসরাত জাহান মৌ। ইমন মহুয়ার নাম মিলে রাখছে দুইজনে।
‘দেখছো আমার মেয়ে আমার কথা শুনে।কি সুন্দর জামা পড়িয়ে দিলাম।’
‘তোমার মেয়ে তোমার মতো হয়েছে।’
‘আমি আবার কি করলাম। যায় হোক বাবার ঘাড়ে না দিলে হয়না।’
‘আপনি চুপ করুন তো ওদিকে কি অবস্থা দেখুন যেয়ে।’
“সব কিছু ঠিক আছে মেডাম।” তোমার দাদিরা আসতেছে বললো গাড়িতে।
‘কে কে আসছে?’
সেটা তো জানিয়া। তুমি রেডি হয়ে নিচে নেমে আসো।
__
গাড়ির ভিতরে বসে আছে মালিহা, আকরাম, ইকরাম আর আরিয়ান। সুফিয়া গত হয়েছেন বছর খানিক আগে ঢাকাতেই। আরিয়ান দুমাস আগে দেশে আসছে সে এখনো বিয়ে করেনি বলতে গেলে সে করতে চাচ্ছে ও না। মালিহা এতো বলেও ছেলেকে রাজি করাতে পারছে না। তানিয়ার শরীর অসুস্থ এই জন্য আসতে পারিনি। তাবাস্সুমের বিয়ে হয়ে গেছে। নাঈম পড়াশোনা করছে। আরিয়ান না চাইলেও আসতে হলো ইমন বার বার তাকে যেতে বলেছে। ঘন্টা খানেক পরে ইমনদের বাসার সামনে এসে তাদের গাড়ি থামলো। ইমন দাড়িয়ে ছিলো তাদের আসার অপেক্ষায়।
“আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন ভাই।”
“ওলাইকুমুস্সালাম সালাম, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।” ইমন সবার সাথে কুশল বিনিময় করে ভিতরে নিয়ে গেলো। বড় কেক আনা হয়েছে আত্মীয় বলতে নিজেদের আত্মীয় স্বজন। আর কিছু খাবার রান্না করা হয়েছে আলাদা এতিম বাচ্চাদের দেওয়ার জন্য। সবাইকে বসিয়ে রেখে ইমন মহুয়াকে ডাকতে উপরে চলে আসলো।
“কি হলো তোমার হলো নাকি?” মহুয়া তখন ঠোঁটে লিপস্টিক দিচ্ছিলো যতই হোক মেয়ের জম্মদিন একটু না সাজলে হবে।ইমন মহুয়ার দিকে তাকিয়ে আছে, গোলাপি রংয়ের জামদানি শাড়িতে মহুয়ার রুপ যেনো দিগুন বাড়িয়ে দিলো।তার যে একটা বাচ্চা আছে দেখলে কেউ বিশ্বাস করবে না।
“এতো সাজার কি আছে? ”
“কোথায় সাজলাম, একটু লিপস্টিক আর কাজল দিয়েছি।”
“এটাও অনেক হয়ে গেছে।”
“মুছে ফেলবো?”
না সমস্যা নাই নিচে চলো সবাই এসে গেছে। মহুয়া রেডি হয়ে নিচে নেমে আসলো তাদের মেয়ে মৌ তার ফুফুর কোলে বসে আছে। মহুয়া তার চাচা চাচি সবার সাথে কথা বলে মেয়েকে কলে নিলো। মালিহার আর আগের মতো নেই তার শাশুড়ির মৃত্যুর পর সে পুরুপুরি পাল্টে গেছে। আরিয়ান না চাইলেও একটু মহুয়ারর দিকে তাকালো।এই মেয়ের রুপ দেখে সে বার বার মুগ্ধ হয় কি আছে মহুয়ার মাঝে? যেটা অন্য কারোর ভিতরে খুজে পাওয়া যায়না? ইমন সবাইকে তাড়া দিয়ে কেক কাটতে লাগলো মেয়ের হাত ধরে এক এক করে সবাইকে খাওয়াতে লাগলো। আরিয়ানকেও খাওয়ায় দিলো।
‘তোমাকে ধন্যবাদ ভাই, তুমি আমার জীবনটাকে আরো সুন্দর করে দিয়েছো।’ ইমনের এমন কোথায় আরিয়ান একটু নড়ে উঠলো।
‘আমি কিভাবে?’
“সেদিন যদি তুমি ফিরে না যেয়ে মহুয়ার পিছনে পড়ে থাকতে, আমার থেকে আলাদা করার যুদ্ধে নামতে তাহলে আজ কি আমার এই দিনটা আসতো?” আরিয়ান জবাব দিতে পারলো না শুধু মুচকি হাঁসলো আসলে তার কাছে উওর নেই। সেটা তো তার নয়, তাহলে কিসের জন্য যুদ্ধ করবে? ভালো থাকুক সবাই দোয়া করলো মন থেকে।
“আমার ভালোবাসা কখনোই শেষ হবেনা, তোমাকে মনের গহীনে আটকে রাখছি, যেটা শুধু আমার আমি ছাড়া কেউ কখনোই দেখবে না।”
-সমাপ্তি-
