Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"কিশোরী কন্যার প্রেমেকিশোরী কন্যার প্রেমে পর্ব-০৮

কিশোরী কন্যার প্রেমে পর্ব-০৮

#কিশোরী_কন্যার_প্রেমে
#সুমাইয়া_সিদ্দিকা_আদ্রিতা
#পর্ব_৮
.
অভ্র অফিসের ওয়েটিং রুমে বসে ছিল। আজ তার ইন্টারভিউ আছে এখানে। এমন সময় তার ফোনে কল এলো। রিয়ার নম্বর দেখে প্রথমে রিসিভ করতে না চাইলেও পর পর চারবার কল আসায় রিসিভ করতে বাধ্য হলো। কল রিসিভ করে কানের সামনে ফোন ধরার আগেই ওপাশ থেকে চিৎকার করে উঠল রিয়া। কপালে ভাজ পরল অভ্রর।
-“কী হয়েছে? অসভ্যের মতো চিৎকার করছো কেন?”
-“চিৎকার করব না তো কি তোমায় মাথায় তুলে নাচব! অভ্র তোমার সাহস কী করে হলো আমার ভাইয়ের গায়ে হাত তোলার?”
-“মাথা খারাপ হয়ে গেছে তোমার! উল্টো পাল্টা কিছু খেয়েছো? না খেলে আবোল তাবোল বকছো কেন?”
-“আমি আবোল তাবোল বকছি! তুমি আমার ভাইকে পেটাও নি? তাও আবার এতটাই জঘন্য ভাবে পিটিয়েছ যে ভাইয়াকে হসপিটালে ভর্তি করতে হয়েছে। সারা শরীরে মারের দাগ। একটা হাত আর একটা পা ভেঙে গেছে। ডাক্তার বলেছে মাস দুই-তিনেক লাগবে সুস্থ হতে। তুমি এটা কীভাবে করতে পারলে অভ্র?”
-“যে তোমার ভাইকে মেরেছে তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আজকেই আমি মসজিদে একশো টাকা দান করব। আমার খুব আফসোস ছিল তোমার ভাইকে দু’চার ঘা লাগাতে পারিনি বলে। তবে এখন তোমার কথা শুনে আমার সব আফসোস কর্পূরের মতো উবে গেছে।”
-“মানে সত্যি সত্যি তুমি কিছু কর নি?”
-“না। আমার ইচ্ছে ছিল তোমার ভাইকে পেটাবো। আমি তো মনে মনে প্ল্যানও বানাচ্ছিলাম। কিন্তু তার আগেই কেউ শুভ কাজ সেরে ফেলেছে।”
-“অভ্র!”
-“শুকরিয়া আদায় কর। যে তোমার ভাইকে মেরেছে সে শুধু তোমার ভাইয়ের হাত-পা ভেঙেছে। আমি হলে ওর কলিজাটাই বের করে ফেলতাম। মেরে লাশ পাঠিয়ে দিতাম তোমাদের বাড়িতে। কিন্তু আপাতত তা আর সম্ভব না। একটা আফসোস গেল ঠিকই কিন্তু আরেকটা আফসোস নতুন করে জন্মাল।”
রিয়া অভ্রর কথা শুনে তার উপর চেঁচামেচি করতে লাগল। অভ্র ফোনের লাইনটা কেটে দিয়ে রিয়ার নম্বরটা ব্লক করে দিল। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে চোখ বন্ধ করে বসতেই ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পরল তার। ফোন সাইলেন্ট করে ভেতরের দিকে অগ্রসর হলো।
___
অর্ঘমার যদিও সামনের মাস থেকে স্কুল বাসে যাতায়াত করার কথা ছিল। কিন্তু সে স্কুল বাসে যেতে চাচ্ছিল না বলে অভ্র আর নীরদকেই অর্ঘমাকে দিয়ে আসা ও নিয়ে আসার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। যেদিন অভ্র ফ্রি থাকে সেদিন অভ্র যায়। আবার যেদিন অভ্র বিজি থাকে সেদিন নীরদ যায়।

গতকাল অর্ঘমার ক্লাস টেস্টের রেজাল্ট দিয়েছে। সে ভালো রেজাল্ট করেছে। নীরদ গত একসপ্তাহ পড়াতে আসেনি। তার পরীক্ষা চলছে ভার্সিটিতে। ফোনে অবশ্য নীরদ তাকে প্রতিদিন পড়া দিয়ে দিত। অর্ঘমাও সেই পড়া বাধ্য মেয়ের মতো কমপ্লিট করে রাখত। আজ নীরদের পরীক্ষা শেষ হয়েছে। নীরদ বলেছিল আজ আসবে পড়াতে। তাই অর্ঘমা খুশি মনে বইখাতা নিয়ে বসে আছে নীরদের অপেক্ষায়।
___
কলিংবেল চেপে দাঁড়িয়ে রইল নীরদ। কিছুক্ষণ পর অর্ঘমার মা এসে দরজা খুলে দিলেন। হাসিমুখে তাকে সালাম দিল নীরদ। তিনিও পাল্টা হেসে সালামের জবাব দিলেন। নীরদকে ভেতরে যেতে বলে তিনি রান্নাঘরে চলে গেলেন।

অর্ঘমার রুমে ঢুকেই দাঁড়িয়ে পরল নীরদ। পড়ার টেবিলের উপর মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছে অর্ঘমা। নীরদ ঘড়িতে সময় দেখে নিল। এই সময়টা অর্ঘমা ঘুমিয়েই কাটায় বেশিরভাগ। নীরদ আসলে অর্ঘমার মা অর্ঘমাকে জাগিয়ে দেন। আজ অর্ঘমা জেগে ছিল বলে তার মা আর রুমে আসেনি। কিন্তু তিনি তো আর বুঝতে পারেননি যে তার মেয়ে নীরদের অপেক্ষায় বসে থাকতে থাকতে ঘুমিয়ে গেছে।

নীরদ এগিয়ে এসে অর্ঘমার নাম ধরে ডাকল। সাড়াশব্দ পাওয়া গেল না অর্ঘমার। নীরদ একবার দরজার দিকে তাকিয়ে জিহ্ব দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে নিল। কাঁপা কাঁপা হাতে অর্ঘমার মাথায় হাত রেখে তাকে ডাকতে লাগল। কিছুক্ষণ পর পিটপিট করে চোখ মেলে তাকাল অর্ঘমা। নীরদকে চোখের সামনে দেখে ধড়ফড়িয়ে উঠে বসল। কখন যে তার চোখ লেগে এসেছিল বুঝতেই পারেনি। নীরদ তাকে ফ্রেস হয়ে আসতে বলে চেয়ার টেনে বসল।

ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে এসে অর্ঘমা দেখল নীরদ তার টেস্ট খাতাগুলো দেখছে। বারান্দায় গিয়ে মুখ মুছে রুমে এসে চেয়ার টেনে টেবিলে বসতেই নীরদ বলল,
-“বাহ! সবগুলো সাবজেক্টেই তো বেশ ভালো নাম্বার পেয়েছো।”
-“মোটামুটি ভালো।”
-“এটা মোটামুটি না। অনেক ভালো নাম্বার। তুমি যদি এভাবেই পড়াশোনা কর তাহলে আরও ভালো নাম্বার পাবে পরবর্তী পরীক্ষায়।”
-“দেখা যাক।”
-“এত ভালো মার্কসের জন্য তোমার একটা ট্রিট পাওনা রইল আমার কাছে। বলো কী চাও?”
অর্ঘমা দুষ্টুমির স্বরে বলল,
-“যা চাই তাই পাবো?”
নীরদ কিছুটা বিব্রত হলো। অর্ঘমার দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারল সে মজা করছে। তাই সে নিজেও অর্ঘমার দুষ্টুমিতে সায় দিয়ে বলল,
-“হ্যাঁ, বলেই দেখো।”
-“আপনাকে চাই।”
কথাটা বিরবির করে বলল অর্ঘমা। নীরদ শুনতে না পেয়ে জিজ্ঞেস করল,
-“কিছু বললে?”
-“নাহ! কিছু বলিনি।”
-“তো বলো, কী চাও?”
-“আগামীকাল আপনি আমাকে ঘুরতে নিয়ে যাবেন। ভাইয়াকে বলেছিলাম নিয়ে যেতে। কিন্তু ভাইয়ার নাকি সময় নেই।”
-“হ্যাঁ, ভাইয়ার সাথে কথা হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহ ভাইয়া খুব ব্যস্ত থাকবে। অনেকগুলো অফিসে তার ইন্টারভিউ রয়েছে।”
-“অতএব আপনি নিয়ে যাবেন আমাকে। যদি ফ্রি থাকেন তাহলে।”
-“ফ্রি আছি আমি। ভাইয়াকে জিজ্ঞেস করে তারপর জানাবো। যদি ভাইয়া রাজি হন তোমায় আমার সাথে ছাড়তে তাহলে।”
-“আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি ভাইয়া রাজি হবে।”
-“দেখা যাক।”
-“ওকে।”
-“এখন বইখাতা বের কর।”
অর্ঘমা বইখাতা বের করে পড়তে বসল। নীরদ তাকে পড়া বুঝিয়ে দিচ্ছে। অর্ঘমা মন দিয়ে তা দেখছে। নীরদ তাকে একটা অংক করতে দিয়ে বসে রইল। অর্ঘমা মনোযোগ দিয়ে অংক করছে। নীরদ গালে হাত দিয়ে অর্ঘমার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। এই বাচ্চা মেয়েটার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতেও তার কেন জানি খুব ভালো লাগে।
___
ক্লাসে ঢুকেই অর্ঘমা ভ্রু কুঁচকে ফেলল। নিধিকে সারা ক্লাসরুমের কোথাও দেখতে পেল না। ব্যাগ রেখে অর্ঘমা ক্লাসের একজনকে উদ্দেশ্য করে নিধির কথা জিজ্ঞেস করতেই সে জানালো নিধি এসেছে। কিন্তু ক্লাসে ব্যাগ রেখেই বেরিয়ে গেছে। অর্ঘমা অবাক হলেও কিছু বলল না। নিধির ব্যাগ খুঁজে বের করে তার পাশে নিজের ব্যাগ রেখে বের হলো নিধিকে খুঁজতে। কিন্তু সিঁড়ির কাছে আসতেই ক্লাসের ঘন্টা বেজে উঠল। নিধিকে আর খুঁজতে যাওয়া হলো না অর্ঘমার। সে ক্লাস ক্যাপ্টেন। তাকে তো ক্লাসে আগেই থাকতে হবে। তাই তাড়াতাড়ি ক্লাসে ঢুকে গেল। টিচার ক্লাসে ঢুকার কিছুক্ষণ পর নিধিকে দেখা গেল। ক্লাসরুমের বাইরে দাঁড়িয়ে টিচারের পারমিশন নিয়ে ভেতরে ঢুকল সে। অর্ঘমার কাছে নিধিকে ঠিক লাগল না।

টিফিন টাইমে নিধিকে ধরে বসল অর্ঘমা। পর পর চারটা ক্লাসে একটুও কথা বলার সুযোগ পায়নি তারা। অর্ঘমা বারবার ঘড়ি দেখছিল শুধু নিধির সাথে কথা বলার জন্য। মাঠের এক কোণায় গিয়ে বসল দুই বান্ধবী। অর্ঘমার হাতে খাবারের ব্যাগ। আজও নীরদ তাকে দিয়ে যাওয়ার সময় অনেক কিছু কিনে দিয়ে গেছে। ব্যাগটা একপাশে নামিয়ে রেখে অর্ঘমা নিধির দিকে ঘুরে বসে ওর হাত ধরে বলল,
-“এবার বলতো কী হয়েছে?”
-“কই কী হয়েছে?”
-“মিথ্যে বলবি না একদম। তোর চোখমুখের বিষণ্ণ ভাবই বলে দিচ্ছে কিছু একটা হয়েছে। তোর সৎ মা আবার কিছু বলেছে তোকে?”
অর্ঘমার চোখ গেল নিধির গলার দিকে। গলার পাশ থেকে জামাটা একটু সরিয়ে দেখতেই আঁতকে উঠল সে। কালশিটে দাগ বসে আছে। অর্ঘমা তড়িঘড়ি করে নিধির জামার হাতা উঠিয়ে দেখল, হাতে পোড়া দাগ। কপালের ফোলা ভাবটা সে আগেই বুঝতে পেরেছিল। তাই সরাসরি সৎ মায়ের কথা জিজ্ঞেস করেছিল। কিন্তু এখন সবটাই তার কাছে পরিষ্কার। নিধির দিকে শীতল দৃষ্টিতে তাকাতেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল নিধি। অর্ঘমা কিছু বলার মতো ভাষা খুঁজে পেল না। নিঃশব্দে জড়িয়ে ধরলো বান্ধবীকে।
___
নিধি নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। নিধি ক্লাস সিক্সে থাকাকালীন তার মা কঠিন জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। মারা যেত না যদি সঠিক চিকিৎসা দেওয়া হত তাকে। কিন্তু নিধির বাবা লোকটা বরাবরই নিধি এবং তার মায়ের প্রতি উদাসীন ছিলেন। নিধির মা অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ী ছিলেন। নিধির বাবা বরাবরের মতোই বলতেন এসব নাকি নিধির মায়ের কাজ না করার ধান্দা। টানা দুটো মাস বিনা চিকিৎসায় ঘরে পড়ে থেকে স্বামীর গালমন্দ শুনেছেন নিধির মা।

নিধি টুকটাক কাজ করতে পারত। পড়াশোনা করার কারণে তার মা তাকে খুব একটা কাজ করতে দিত না। তাই তেমন ভাবে কিছুই পারত না নিধি। কিন্তু মা অসুস্থ হওয়ায় অপরিপক্ক হাতে টুকটুক করে প্রায় সব কাজই করতে লাগল। আস্তে আস্তে মোটামুটি সবই শিখে গেল সে। নিধির মায়ের খারাপ লাগলেও তিনি কিছু করতে পারতেন না।

নিধির মায়ের বেঁচে থাকার আশা সেদিনই শেষ হয়ে গিয়েছিল যেদিন তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে আসে। জোর গলায় নিধিকে ডেকে সৎ মায়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল নিধির বাবা। ঘরের ভেতর থেকে সবটা শুনে ভেঙে পরলেন নিধির মা। দিন দিন তার শরীর আরও খারাপ হতে লাগল। এদিকে নিধির সৎ মা এসে থেকেই নিধিকে সকল প্রকার ফরমায়েশ দিতে শুরু করলেন। বাড়ির সমস্ত কাজ নিধিকে দিয়ে করাতে লাগলেন। পান থেকে চুন খসলেই নিধির কপালে সেদিন সৎ মায়ের মার জুটত। ইচ্ছে মতো মনের খায়েশ মিটিয়ে পেটাত তাকে। মাঝে মাঝে সারাদিন না খেয়ে থাকতে হত তাকে। যেদিন খাবার পেত সেদিন খাবারের দিকে তাকিয়ে নিধির আর খেতে ইচ্ছে হত না। পাতিলের নিচে থাকা পোড়া ভাত অথবা আগের দিনের পঁচে যাওয়া বাসি ভাত তার কপালে জুটত। এসব দেখে নিধির মা কিছু করতে পারতেন না। রাতের বেলা নিধির হাত ধরে শুধু কাঁদতেন।

হঠাৎ একদিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে নিধি দেখতে পেল তার মায়ের শরীরটা কেমন যেন ফ্যাকাসে হয়ে আছে। মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে গেলে কপালে ছোঁয়া লাগতেই কেঁপে উঠল নিধি। এতদিন তো তাও সহনীয় জ্বর ছিল। তবে আজ জ্বরের মাত্রা ভয়ংকর। বালতি ভরে পানি এনে মায়ের মাথা ধুইয়ে দিল। ঘন্টাখানেক জলপট্টি দিল। তবুও জ্বর কমল না। সেদিন বিকেলেই নিধির মায়ের প্রচন্ড জ্বরের কারণে শ্বাসকষ্ট উঠল। তারপর একসময় স্থির হয়ে গেল তার শরীর। সৎ মাকে কথাটা জানালেও তিনি আসলেন না। শেষে প্রতিবেশী কয়েকজনকে ডেকে নিয়ে এলো নিধি। তারা এসে নিধির মাকে দেখে জানালেন তিনি মারা গিয়েছেন। নিধির পৃথিবীটা সেখানেই থমকে গিয়েছিল সেদিন।

অর্ঘমার সাথে নিধির পরিচয় ক্লাস ওয়ান থেকে। নিধিকে অনেকদিন ক্লাসে আসতে না দেখে নিধিদের বাড়ি চলে গিয়েছিল অর্ঘমা। যদিও নিধির বাড়িতে তার তেমন একটা আসা হয় না। সেদিন নিধির বাড়িতে গিয়ে জানতে পারল নিধির মায়ের মৃত্যুর ঘটনা। নিধিকেও আর স্কুলে যেতে দিচ্ছে না নিধির সৎ মা। এসব জেনে অর্ঘমার প্রচন্ড খারাপ লাগার পাশাপাশি প্রচন্ড রাগও হলো। নিধির ব্যাপারটা নিয়ে অর্ঘমা তাদের স্কুলের প্রিন্সিপাল ম্যাডামের সাথে কথা বললে তিনি নিজে নিধিদের বাড়িতে আসেন। নিধির সৎ মাকে পুলিশের হুমকি ধামকি দিয়ে বাধ্য করেন নিধিকে আবারও স্কুলে পাঠাতে। আর নিধি ভালো ছাত্রী হওয়ায় প্রিন্সিপাল ম্যাডাম নিধিকে সম্পূর্ণ ফ্রি-তে পড়ার সুযোগ করে দেন স্কুলে। নিধির বইখাতা থেকে শুরু করে যাবতীয় সকল জিনিসপত্র প্রিন্সিপাল ম্যাডাম কিনে দেন। মাঝে মাঝে অর্ঘমাও দেয়।

চলবে…

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ