Friday, June 5, 2026







ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল পর্ব_৩৫

ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল
পর্ব_৩৫
লেখিকা : আফরোজা আক্তার

সকালের দিকে রান্নাঘরে নাস্তা বানাচ্ছিলো বেলী । মিনু খেয়াল করছে বেলী নাকে কাপড় দিয়ে রান্না করছে । বেলীর চোখ মুখের অবস্থা ভালো না । তার কিছুক্ষণ পরেই সে মিনুকে বলে ,

– মিনু ,,,
– জ্বে ভাবী ,
– ডিমটা পোস করো তো ,
– আপনেই করেন ভাবী , আমার ডিম পোস সুন্দর অয় না । পরে ভাইয়ে রাগারাগি করে ।
– আরে করো তো , আমার ভালো লাগছে না ।
– আপনে এমন নাকে কাপড় দিয়া থুইছেন কিত্তে ?
– গন্ধ আসতেছে ,
– ও মা এডি কয় কি হেতি ? কই গন্ধ , কিয়ের গন্ধ । ভাবী কি সব কন আপনে ?
– তুমি ডিম টা পোস করবা কিনা ?

বেলীকে রাগতে দেখে মিনু তাড়াহুড়ো করে ডিম ভেজে টেবিলে দিয়ে আসে । মিনুর কেমন কেমন জানি লাগছে , বেলী এইভাবে আছে কেন ? এরই মাঝে বেলী দুপুরের খাবার রান্নার জন্যে পেঁয়াজ কাটতে থাকে । ওমনি বেলী চেঁচিয়ে ওঠে ।

– মিনু , করো কি ?
– আবার কিয়াচ্ছি ,
– পেঁয়াজ সরাও আমার সামনে থেকে ,
– আল্লাহ গো কি কইতাছেন এইসব আপনে ?
– গন্ধ লাগে সরাও এইগুলা ,

এই কথাটা বলতে দেরি আছে কিন্তু বেলীর বমি করতে দেরি নাই । রান্নাঘরের বেসিন এর মধ্যে গর গর করে বমি করে দেয় সে । মিনু বেলীর বমি করা দেখে তাড়াতাড়ি পানি নিয়ে আসে । বেলী চোখে মুখে পানি দিয়ে মিনুর দেয়া পানি খেয়ে নেয় । মিনুর সন্দেহ আরও গাঢ় হয়ে যায় ।
এরই মাঝে রুম থেকে ইরফানের ডাক পড়ে । পানির গ্লাস রেখে চোখ মুখ মুছে বেলী রুমে যায় । ইরফানের ফরমায়েশ , বেলীকে টাই বেঁধে দিতে হবে । বেলী আর কথা না বাড়িয়ে টাই বেঁধে দেয় ইরফানের । ইরফান বেশ বুঝতে পারছে বেলীর হয়তো শরীর ভালো নেই । তাই নিজেই বেলীকে জড়িয়ে নেয় আর বলে ,

– শরীর কি বেশি খারাপ লাগে ?
– হ্যাঁ , অনেক খারাপ লাগতেছে ।
– আজকে তো অফিসে যেতে হবে , কাল দেখি ডক্টরের কাছে নিয়ে যাবো ।
– আরে ধুর , লাগবে না । এমনিই ঠিক হয়ে যাবে । আপনি আসেন খেয়ে নিন ।
– চলো ।

নাস্তার টেবিলে আরেক কাহিনী । ইরফান নাস্তা করছে আর বেলী নাকে হাত দিয়ে বসে আছে । ইরফান নাক দিয়ে কয়েকবার স্মেল নেয় পরে বেলীকে জিজ্ঞেস করে ,

– তুমি নাকে হাত দিয়ে বসে আছো যে ?
– গন্ধ আসে ,
– কই থেকে গন্ধ আসে । আমি তো এমন কিছুই পাচ্ছি না ।
– আমি পাইতেছি , আপনি খেয়ে নেন । আমি রুমে যাই ,
– কি রুমে যাই , তুমি খাবা না ।
– উহু ইচ্ছা করতেছে না ।
– আরে শুনো ,,,,,,, এই বেলী

ইরফানের কথায় পাত্তা না দিয়ে বেলী রুমে গিয়ে শুয়ে থাকে । রান্নাঘর থেকে মিনু সবটাই খেয়াল করে । ইরফান নাস্তা খেয়ে বেরিয়ে যায় । পুরো টেবিল গুছিয়ে মিনু বেলীর কাছে যায় । রুমে গিয়ে দেখে বেলী তখন মোবাইলে তার মায়ের সাথে কথা বলছে । তাই মিনু রান্নাঘরে এসে বাকি কাজ গুলো সেড়ে নেয় । অন্যদিকে বেলী তার মায়ের সাথে কথা বলায় ব্যস্ত ,

– হ্যাঁ মা বলো ,
– কথা দেখি এমনে কইতাছস ,
– মা শরীরটা ভালো না ,
– কি হইছে ,
– কি জানি মা , বুঝতেছি না তো । মাথা ঘুরাচ্ছে , বমি আসে ।
– তেতুল খা , পেশার লো মনে হয় ।
– হু , আচ্ছা মা রাখি ।
– জামাই কই ?
– অফিসে চলে গেছে ।
– আইচ্ছা রাখ ,

মায়ের সাথে কথা বলে বেলী আবারও শুয়ে থাকে । শান্তি পাচ্ছে না সে শরীরে । কেমন জানি লাগছে তার কাছে ।

কিছুক্ষণ পর আবারও বেলীর মায়ের ফোন আসে । বেলী ফোন রিসিভ করে কানে নেয় ।

– হ্যালো , কি গো মা , আবার ফোন দিলা যে ?
-……………………
– কি দব বলো মা , আরে নাহ এমন কিছুই না মা ।
-…………………
– মা এইসব কিচ্ছুই না । রাখি আল্লাহ হাফেজ , নিজের যত্ন নিও ।

বেলী ভ্রু গুলো কুচকে ফোনটা কেটে দেয় । তার পর পরই মিনুকে ডাক দেয় সে , তার ডাকে মিনু বেচারিও দৌড়ে চলে আসে ,

– জ্বে ভাবী ডাকছিলেন ,
– মিনু , শুনো না একটু ,
– জ্বে ভাবী কন কি কইবেন ।
– সোনা পাখি আজকে একটু নিজে রান্না করো না । আমার খুব খারাপ লাগতেছে । ভিষন মাথা ঘুরাচ্ছে , মনে হয় উঠে দাঁড়ালেই পড়ে যাবো ।
– আইচ্ছা ভাবী আমিই রান্না কইরা ফালামু , আপনে শুইয়া থাকেন ।
– ঠিকাছে রে পাখি । আর শুনো ,
– জ্বে ,
– দরজাটা আটকে দিও , আর রান্নাঘরের দরজাটা ভেতর থেকে আটকে দিয়ে তুমি রান্না করো যাতে গন্ধ এই রুম অবদি না আসে ।

মিনুর কাছে কেমন কেমন জানি লাগছে বেলীর কথাটা । এতদিন পর এই প্রথম বেলী এমন সব কথা বলছে । মিনু চুপ করে বেলীর দিকে তাকিয়ে আছে । বেলী আবারও মিনুকে ডাক দেয় ।

– মিনু , এই মিনু ,,,,,,,
– জ্বে ভাবী ,
– কি বললাম বুঝছো ?
– আইচ্ছা ,
– তাহলে দরজাটা আটকাও ,
– আইচ্ছা ।

বেলীর রুমের দরজা আটকে দিয়ে মাথা চুলকাতে চুলকাতে মিনু রান্নাঘরে যায় । তারপর নিজে নিজেই বলতে থাকে ,

– আমাগো বাইত এক ভাবীরে দেখছিলাম এমন কত্তে । হেতির সব কিছুর ভিত্রেই গন্ধ লাগতো । বমি করতো কতক্ষণ পরে পরে । খাইতো না এমন কি রানতোও না । এহন দেহি বেলী ভাবীরও এই রোগে পাইছে ।

প্লেট বাটি মাজতে মাজতে মিনুর একটা কথা মনে পড়ে যায় ।

– ওরে ওরে , হের মাসখানেক পরেই তো মনায় অইলো । ও আল্লাহ তাইলে কি বেলী ভাবীর বাচ্চা অইবো ?

মিনু প্লেট বাটি বেসিনের উপরে রেখেই দৌড় দেয় বেলীর রুমে । বেলী তখন বিছানায় এক পাশ হয়ে শুয়ে আছে । মিনু গিয়ে বেলীর সামনের দিকে নিচে ফ্লোরে হাটু গেড়ে বসে । তারপর বেলীকে ডাক দেয় সে ।

– ভাবী , ও ভাবী ,,,,,,,

মিনুর ডাকে বেলী চোখের উপর থেকে হাত সরিয়ে মিনুর দিকে তাকায় । বেলী বুঝতে পারে মিনু হয়তো তাকে কিছু বলতে চাচ্ছে । কারণ মিনুর চোখে মুখে কেমন যেনো অনেক আগ্রহ দেখা যাচ্ছিলো তখন । বেলী মিনুর গালে হাত দিয়ে হালকা হেসে বলে ,

– কিছু বলবা মিনু ?
– একখান কতা কইতাম চাই ,
– বলো , আমি শুনতেছি ।

বেলীর কথায় মিনু নড়ে চড়ে বসে । বেলীর হাতটায় নিজের হাত রাখে মিনু । তারপর বলে ,

– কতা ডা হইলো গিয়া আমাগো বাইত এক ভাবী আছিল , হেতিও আপনের মতই করতো ।
– কি করতো ?
– এইযে আপনি এহন যা করতাছেন ?
– আমি কি করলাম আবার ?
– এইযে এইসব কিছু ,
– কি বলছো , কিছুই বুঝতেছি না আমি ।
– মানে হইলো গিয়া ভাবী , আমাগো বাইত যেই ভাবী আছিলো হেতিও আপনার মত গন্ধ গন্ধ করতো , খাইতো না আবার রানতোও না । হের মাস খানেক পরেই মনায় অইছে ।
– কে হইছে , মনা কে ?
– মানে বাচ্চা আরকি আমি আদর কইরা মনা কই ।
– এটা আমায় বলে কি লাভ হলো তোমার , ভাবী গো ভাবী , নিশ্চয়ই আমনেরও বাচ্চা অইবো ।

বেলী মিনুর কথা শুনার পর কতক্ষণ মিনুর দিকে তাকিয়ে থাকে । তারপরে কি যেনো চিন্তা করে । আর তারপর অত্যন্ত শান্ত গলায় মিনুকে বলে ,

– তুমি গিয়ে রান্না করো , এই সব বিষয়ে পরে কথা বলবো । কেমন ?
– ভাইয়েরে কইয়েন ডাক্তারের কাছে নিয়া যাইতে ।
– আচ্ছা বলবো , তুমি গিয়ে রান্না করো ।
– কি রানতাম ,
– যা মন চায় , তবে তোমার ভাইয়ের জন্যে রুই মাছ ভুনা করে রাখিও ।
– আচ্ছা ,
– দরজা লাগিয়ে দিয়ে যাও ,
– আইচ্ছা ভাবী ,

বেলী কিছুক্ষণ শুয়ে শুয়ে মিনুর কথা গুলো অনুধাবন করতে থাকে । কিছুক্ষণ আগেও বেলীর মা ফোনে ঠিক কথাই গুলো-ই বলে ছিলেন । কিন্তু বেলী তখন কথা গুলো আমলে নেয় নি । কি করবে না করবে সে কিছুই ভেবে পাচ্ছে না । চিন্তাটা মাথার মধ্যে চেপে বসে আছে । বেলী উচ্চ শিক্ষিত না বলেও একেবারে মূর্খও নয় । তাই ইউটিউবে সার্চ করে অনেক কিছুই দেখে নেয় । তখন তার খেয়াল হয় , তার এই মাসে মান্থ মিস হয়ে গেছে । এইসব চিন্তায় তার শরীর আরও খারাপ হয়ে যাচ্ছে । কাকে বলবে কার কাছ থেকে পরামর্শ নিবে কিছুই জানে না সে । না নিজে বের হয় বাসা থেকে না পরিচিত কেউ আছে । যা করতে হয় ইরফানই করে দেয় । এখন শুধু অপেক্ষা রাতের । ইরফান আসলে তাকে সবটা খুলে বলবে বেলী ।

রাত প্রায় ৯ টা নাগাদ ইরফান বাসায় আসে । আজ কেন যেনো অনেক খুশি সে । বেলীর জন্যে ফুচকা নিয়ে আসছে আজকে ইরফান । ইরফানকে খুশি দেখে বেলী তার কারণ জানতে চায় ,

– আজ এত খুশি কেন ?
– আমি যাস্ট বিশ্বাস করতে পারছি না বেলী ।
– কি হয়েছে ,
– ৬ মাসের মাথায় আরেকটা প্রমোশন ।
– সত্যিইই ,,,,,,
– সত্যি , আজকেই স্যার কেবিনে ডেকে নিলেন , আর আজকেই সব বললেন ।
– যাক আলহামদুলিল্লাহ , আল্লাহ পাকের কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া ।
– এইসবই তোমার নামাজ আর দোয়ার ফল ।
– আপনারে বলছে , শুনেন আল্লাহ পাকের কাছে চাওয়াও লাগে আবার নিজের প্রচেষ্টাও লাগে । আমি চেয়েছি তা ঠিক আর এতে আপনারও প্রচেষ্টা ছিল তাই আপনার ভাগ্যে তা এসেছে ।

বেলীর কথার যথার্থতা বুঝতে পারে ইরফান । বেলীর দিকে এক নজরে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে মনে মনেই বলতে শুরু করে দেয় সে ,

– এই নারীর আমলেই আল্লাহ পাক আজ আমার ঘরে এবং আমার কর্মজীবনে এত সাফল্য এনে দিয়েছেন । আল্লাহ পাক আমার ভাগের সমস্ত হায়াত তুমি এই নারীর ভাগে দিয়ে দিও ।

অপরদিকে বেলীও মনে মনে বলতে থাকে ,

– আল্লাহ পাক তোমার কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া জানাই । তুমি এইভাবেই আমার সংসার স্বয়ংসম্পূর্ণ রাখো এবং আমার চুল এর অধিক হায়াত তুমি আমার স্বামীকে দান করো ।

তারপর বেলীকে ফুচকা খেতে বলে ইরফান ওয়াসরুমে ঢুকে যায় । কিন্তু এইসব কথার মাঝে বেলী ইরফানকে আসল কথাই বলতে ভুলে যায় । তার যে কিছু কথা বলার ছিল ইরফানকে ।

রাতে খাবার পরে ইরফান শুয়ে আছে । কিছু একটা ভাবছে সে । বেলীর কি হয়েছে ? রাতের খাবার সময়েও একই কাহিনী করেছে বেলী । কোন তরকারি নেয় নি সে । শেষে পানি দিয়ে ভাত মেখে খেয়েছে । বেলী তখম ও-পাশে মুখ ফিরিয়ে শুয়ে আছে । বেলীর মনেও খচ খচ করছে কিভাবে বলবে ইরফানকে । কিন্তু না বলেও উপায় নেই তার । কারণ এখানে ইরফান ছাড়া তার পরিচিত আর কেউই নেই তার । মিনু এইসব কিছুই বুঝে না কারণ সে অবিবাহিতা । তবুও যতটুকু জ্ঞানে এসেছে তাই বলেছিল মেয়েটা দুপুরে ।

বার বার ইরফানকে বলতে চাইছে সে কিন্তু লজ্জার কারণে বলতেও পারছে না কিছু । ওইদিকে ইরফানের মনে বেলীকে নিয়ে হাজারটা চিন্তা হচ্ছে । আজকে সকালে এমন করলো , মিনুর থেকে শুনেছে দুপুর বেলা রান্নাও সে করে নাই আর এখনও খাবার খেতে গিয়ে এমন করলো । তারপর একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে দিয়ে বেলীকে ডাকে ইরফান ।

– বেলী , এই বেলী

বেলী তখনও সজাগ ছিল । ইরফানের ডাকে হু বলে সাড়া দেয় সে ।

– এইদিকে ফিরো তো ।

তখন সে ইরফানের কথায় ইরফানের দিকে ঘুরে যায় ।

– কি হয়েছে তোমার , আমায় বলবা একটু ?
– কই কি হয়েছে ?
– আজকে দুপুরে রান্না করো নাই , খাবারও খাও নাই , এখনও এমন করলা । কি হয়েছে ?

ইরফানের কথায় বেলী সাহস পায় । তখন সে বলা শুরু করে ,

– আমার না কেমন কেমন জানি লাগে , সব কিছু থেকে গন্ধ আসে ।
– কিসের গন্ধ , বাসা তো কত পরিষ্কার ।
– জানি না , তবে আমার একটা কথা আছে ।
– হ্যাঁ বলো ,
– এইদিকে আসেন ,
– আর কত আসবো ,
– আরও কাছে আসেন ,
– কি ব্যাপার , আজকে এত কাছে ডাকছো যে , খুন করার প্ল্যান আছে নাকি ?
– উফফফ , এখানে আসেন ,
– আচ্ছা বলো ,

তারপর ইরফানের কানের কাছে গিয়ে বেলী তার মান্থ মিসের কথা জানিয়ে দেয় । সাথে বেলীর সব অসুবিধার কথাও বলে দেয় এবং দুপুরে মিনুর বলা কথাগুলোও বলে দেয় । এইসব শুনে ইরফান সোজা শোয়া থেকে উঠে বসে যায় । ইরফানকে এইভাবে বসতে দেখে বেলীও বসে যায় ।

– কি হলো ,
– সত্যিই কি মিস হয়ে গেছে ?

বেলী তখন মাথা নিচু করে হ্যাঁ বোধক মাথা নাড়ে । তখন ইরফান মুচকি হেসে বেলীকে জড়িয়ে ধরে আর বলে ,

– কাল সকালেই মেডিকেল নিয়ে যাবো , কেমন ?
– হু ,
– এখন ঘুমিয়ে যাও ।

ইরফান বেলীর কপালে চুমু দিয়ে বেলীকে শুইয়ে দেয় । আর বেলীও শুয়ে যায় ।

অপেক্ষা কাল সকালের । মেডিকেল গিয়ে কি হবে বাকিটা আল্লাহর হাতে ।

.
.

চলবে……………………….

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ