Friday, June 5, 2026







ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল পর্ব_২১

ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল
পর্ব_২১
লেখিকা : আফরোজা আক্তার

বুকের মধ্যে নিমিষেই এক তুফান শুরু হয়ে যায় বেলীর । আসলেই কি সুখের মিলন হতে দেয়া যায় ? অসলেই কি একটু সুখের মিলন হলে খুব বেশি ক্ষতি হবে ? তবুও কেন যেন কোথাও একটা বাঁধা কাজ করে বেলীর মাঝে । আবার নাও করতে পারে না , যতই হোক স্বামী তো তার । বিয়ের পর বাবা মায়ের পর স্ত্রীর উপর তার স্বামীর অধিকার থাকে বেশি । কিন্তু বেলীর ভেতরটা হু হু করে কেঁদে ওঠে তখন যখন ইরফানের করা সমস্ত খারাপ আচরণ গুলো মনে পড়ে যায় । যখন মারধরের দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভেসে ওঠে । বেলী তখন নিজেকে ঠিক রাখতে পারে না ।
আজও ব্যাতিক্রম কিছু ঘটে নি তার সাথে । সুখের মিলনের সাথে দেখা হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে সেইসব বিষাদের দিন গুলো মনে পড়ে যায় বেলীর । ইরফানের হাতের স্পর্শ পাওয়ার সাথে সাথে অন্তরখানা পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে তার । নিজের ভেতরে উথালপাতাল শুরু হয়ে গেছে বেলীর । কেন যেনো মানতে পারে না সেও । এতটা কষ্ট কি তার পাওনা ছিল ? নিজের কাছে এইসব জিনিস গুলো লজ্জাজনক লাগে বেলীর কাছে ।
বেলী আর সহ্য করতে পারেনি । পিছন ফিরেই ঝাপটে ধরে ইরফানকে । বেলীর এইভাবে ঝাপটে ধরা দেখে একটু হতভম্ব হয়ে যায় ইরফান । বেলী শব্দ করেই কেঁদে দেয় ইরফানের বুকে । দুইহাতে নিজের মুখ ঢেকে ইরফানের বুকে হাতে আবদ্ধ সেই মুখটি লুকিয়ে রেখে কেঁদে ওঠে বেলী । এক সময় ইরফান বেলীর পিঠটা নিজের হাত দিয়ে আগলে ধরতে যাবে তখনই বেলী ধুপ করে কাঁদতে কাঁদতে নিচে বসে পড়ে । একে তো শরীর খারাপ তার উপর এইভাবে কান্না করাটা তার শরীরের পক্ষে খারাপ হতে পারে । মুহুর্তের মাঝে ইরফান চমকে যায় , বেলীর কান্না আরেকটু জোর শব্দে পরিণত হয় । ফ্লোরে বসে মুখ চেপে কাঁদতে থাকে মেয়েটা । ইরফান হাটু গেড়ে নিচে বসে পড়ে বেলীর কাছে । হাতটা দিয়ে বেলীর মাথায় রাখে ।

– কি হলো ? এইভাবে কাঁদছো কেন ?
-…………….
– এই বেলী এইভাবে কাঁদছো কেন ?
-………………

কাঁদতে কাঁদতে হিচকি উঠে গেছে মেয়েটার । ইরফান বেলীর কান্না থামানোর জন্যে গ্লাসে এনে পানি দেয় তাকে খাওয়ার জন্যে । কিন্তু বেলী খায়নি । তারপর কেন জানি নিজ থেকেই ইরফানের হাতটা টেনে নিজের কাছে বসায় সে । কাঁদতে কাঁদতে বলতে শুরু করে দেয় বেলী ।

– আপনি আমায় অনেক মারছেন । আপনি জানেন আমি কত ব্যাথা পাইতাম তখন ? আমার অনেক ব্যাথা লাগতো আমি তবুও কিছু বলতাম না আপনাকে । আরে ভালো না বাসতেন তাই বলে এইভাবে মারবেন ? আপনার এক একটা লাথি এক একটা ঘুষি অনেক ব্যাথা দিত আমার এই শরীরটাকে । আপনি জানতেন না আমি কত রাত ব্যাথার যন্ত্রণায় ঘুমাইতে পারি নাই । সেইবার শলার ঝাড়ু দিয়ে পর্যন্ত মারছেন । এমন ভাবে মারছেন যে শলা পর্যন্ত ঢুকে গেছে শরীরে । এইভাবে বুঝি কেউ কাউকে মারে , হ্যাঁ ।
এই দেখেন৷, এইদিকে দেখেন , আমার এই শরীরটা যখন স্বামীর ছোয়া পেতো তখন এই শরীরটা স্বামীর মাইর পাইছে । এই ইরফান সাহেব , আমাকে এত মারছেন কেন ? আমাকে বললেই হইতো আমি চলে যেতাম । বা ভাতের সাথে বিষ দিয়ে দিতেন খেয়ে মরে যেতাম । তবুও না মারতেন । এইদিকে দেখেন , এই যে দেখেন আমার পিঠটায় কত দাগ এখনও আছে । সেইবার বেল্ট দিয়ে মারছেন । আচ্ছা একটুও মায়া হয় নাই , তাই না ? বেলীকে যে এইভাবে মারি ওর শরীরটা কি এত মাইর নিতে পারে ? একবার জানতে চান নাই , তাই না ? ওইদিন চা দিতে একটু
দেরি হয়ে গেছিলো বলে এইভাবে মারছিলেন । আপনি আমায় মেরে কেন ফেলান নাই ? হ্যাঁ , কেন মেরে ফেলান নাই আমাকে আপনি ? শুনেন না , এইদিকে তাকান আমার দিকে , আমি কিন্তু অনেক ব্যাথা পাইতাম যখন মারতেন , কিন্তু শব্দ করতাম না । বলেন করতাম কিনা , বলেন না , আমি কি মারার সময় কোন শব্দ করতাম ?

বেলী নিজের মাঝে তখন ছিল না , সে অনেকটা উন্মাদ হয়ে গেছে মনে হচ্ছিলো । চোখের পানি নাকের পানি এমনকি লালা চলে আসছে মুখ দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে । হয় অনেক সময় এমন । মানুষ যখন অতি শোকে পাথর থাকে তারপর সেই পাথর গলে গেলে তখন যেই পতিক্রিয়া হয় এখম সেই প্রতিক্রিয়াটা হচ্ছে বেলীর । ইরফানের ভেতরের কলিজাটা ছিড়ে যাচ্ছে বেলীর এমন পাগলামি দেখে । সে একদম নিশ্চুপ হয়ে ফ্লোরে বেলীর সামনে বসে আছে । বেলী হাত ধরে জোড়াজুড়ি করছিল উত্তর জানার জন্যে । তখন বাধ্য হয়েই ইরফান জবাব দেয় ৷

– উহু কোন শব্দ করতে না ।

তখন বেলী আবারও কেঁদে দেয় । এইবার ইরফানের দুই হাত ধরে নিজের কাছে আনে বেলী । তারপর আবার বলা শুরু করে সে ,

– যখন দেখতেন আমি শব্দ করতাম না তখনও কি মায়া হতো না আমার উপরে । খালি মেরেই গেছেন মেরেই গেছেন । আমি কি ব্যাথা পাই না বলেন ? আমিও ব্যাথা পাই ।
– হু , আমি তো অমানুষ , আমি বুঝতেই পারি নাই এটা যে একটা ফুল । যেই ফুলটা একদম নিষ্পাপ , সেই ফুলটাকেই এত অবহেলা করে বসলাম ।
– আমি কি করছিলাম হ্যাঁ , কি করছিলাম , আপনি আমায় একটুও দেখতে পারেন নাই , বলেন । আমি কি বলছিলাম যে আমাকে বিয়ে করেন , তখন তো আমার বাবা আর আপনার বাবা বললেন আমি কি করতাম । বাপ আমার মরে গেল , তখনও আপনার বাবা বিয়ের কথা বলে গেছে আমার মাকে । আমার কি অপরাধ ছিল । আমি একদিন নামাজ পড়তেছিলাম সাড়া দিতে পারি নাই বলে জুতা নিয়ে আসছেন আমাকে মারার জন্যে । আমার তখন কি অন্যায় ছিল , বলেন তো ?
– অন্যায় তোমার না , অন্যায় ছিল আমার । আমিই খারাপ মানুষ , আমিই কষ্ট দিলাম তোমাকে ।
– আমার বাপ মা আমায় মারে নাই , আমি তাদের কাছে ফুল ছিলাম তাদের শখের বেলীফুল , আর সেই ফুলটারেই আপনি ছিড়ে ফেললেন এইভাবে ? এর থেকে ভালো ছিল আমায় বিষ দিয়ে মেরে দিতে । আমি টু-শব্দটাও করতাম না ।

ইরফানের আর সহ্য হয়নি । এক টানে বেলীকে নিজের বুকে এনে ফালায় সে । তারপর বসা অবস্থাতেই শক্ত করে ধরে রাখে বেলীকে । ইরফান আজ কাঁদছে , ছেলেরা কম কষ্টে কাঁদে না । তাদের তেমন কষ্ট হলেই তারা কাঁদে । ইরফান আজ নিরবে কাঁদছে । বেলীকে নিজের কলিজায় ঢুকিয়ে রাখতে ইচ্ছা করছে তার । এইটুকুন একটা মেয়ে সে অথচ এই বয়সে সে কি কি সহ্য করে গেছে , তবুও মুখ খুলে নি । বেলী তখন ইরফানের বুকে থেকেই বলতে শুরু করে ,

– বুঝবেন বুঝবেন একদিন ঠিক বুঝবেন , আমি যেদিন থাকবো না সেদিন খুব করে বুঝবেন । আমি তখন আকাশের তারা হয়ে যাবো , আমি আর আমার বাবা তখন উপর থেকে দেখবো আপনি কিভাবে কান্না করেন । হারিয়ে যাবো আমি আপনার জীবন থেকে , তখন বুঝবেন , হ্যাঁ , দেইখেন তখন বুঝবেন ।

বেলীর কথা শুনে ইরফান বেলীকে আরও শক্ত করে ধরে রাখে আর বলে ,

– চুপ , একদম চুপ । তোকে হারাতে দিলে তো হারাবি ।
– বেলীফুল ঝরে যাবে ।
– কখনো না ,
– হ্যাঁ , দেইখেন আপনি বেলীফুল ঝরে যাবে । সেইদিন বেলীফুলের কবরের পাশে বসে শুধু চেয়ে দেখবেন আপনি আর বেলীফুল তখন মিশে থাকবে মাটির সাথে ।

বেলীর কথা শুনে ইরফান আবারও ধমক দিয়ে থামায় বেলীকে ।

– থামবি তুই , না হয় আবার মারবো কিন্তু ,
– মারেন , আরও মারেন ।
– হ্যাঁ মারবোই তো এইবার সত্যি সত্যি মারবো ।
– মারেন ,
– এখন কিন্তু মার খাবি বলে দিলাম ,
– হ্যাঁ মারেন , মেরেই ফেলেন আমাকে ।

ইরফান এইবার বেলীকে ছেড়ে দেয় । নিজের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেয় বেলীকে । তারপর উঠে দাঁড়ায় সেইস্থান থেকে । বেলী তখনও বসা অবস্থাতেই আছে । ইরফান বেলীকে সেইভাবেই কোলে তুলে নেয় । কোলে তুলে বিছানায় শুইয়ে দেয় বেলীকে । অঅন্ধকার রুমে ড্রীম লাইটের আলোয় যতটুকু দেখা যায় তাই-ই অনেক । পাশে থাকা টাওয়ালটা দিয়ে বেলীর চোখের পানি নাকের পানি সব মুছে মুখটা পরিষ্কার করে দেয় ইরফান
। তখন বেলী চুপ করে থাকে আর ইরফানের দিকে চেয়ে থাকে । ইরফান বেলীর মাথায় হাত রাখে ,

– ঘুমাও , আর একটা কথা না । কাল সব শুনবো আমি ।
-………………
– আর হ্যাঁ আমি আসলেই খারাপ মানুষ , কি করার আল্লাহ পাক তোমার ভাগ্যে এই খারাপ মানুষটাকে রাখছে । তাই কিছুই করার নাই । কাঁদবা না একদম , চুপচাপ ঘুমাবা ।

বেলী একদম চুপ করে শুয়ে আছে । চোখে তার ঘুমের নেশা । চোখ গুলো টিপ টিপ করছে আর বুজে আসছে । ইরফানের বেলীর মাথায় হাত বুলানোটা কাজে এসেছে । ইরফানের ডান হাতটা ধরে আছে বেলী । তারপর একটা সময় বেলী আস্তে করে ঘুমের রাজ্যে চলে যায় ।
বেলীর ঘুমন্ত চেহারার দিকে এক ধ্যানে তাকিয়ে আছে ইরফান । বেলীর আজকের কথাগুলো ইরফানের ভেতরটাকে নাড়িয়ে দিয়েছে । বেলী ঘুমানোর পর ইরফান বেলীকে রেখে নিজের রুমে যায় ।

ইরফান কখনো বাসায় স্মোক করে না । তবে আজ সে বারান্দায় দাঁড়িয়ে স্মোক করছে । ঘড়িতে প্রায় ২ টা বাজে । রাত গুলো হয়তো এমনভাবেই কাটবে তার । এমন নির্ঘুম আর নিস্ত নিস্তব্ধ । বেলীর কথাগুলো বার বার কানে বাজতে থাকে ইরফানের , বেলীর কষ্ট গুলো বার বার বেলীকে মনে করিয়ে দেয় তার প্রতি ইরফানের করা পৈশাচিকতা গুলো । যা সে ভুলতে ভুলতেও ভুলে নি । হয়তো ভুলতেও পারবে না ।

একদিকে রুবি অন্যদিকে বেলী । রুবিকে সে ছাড়তে পারবে না যদি না রুবি চায় আর বেলী চাইলেও বেলীকে সে ছাড়তে পারবে না । এক সাথে দুই নৌকায় পা দিয়ে চলা যায় না । তেমনি দুই বউ নিয়ে চলা যায় না । হয়তো চলা যায় তবে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় । সেইজন্যেই হয়তো বলে সবাই ,

” ভাবিয়া করিও কাজ , করিয়া ভাবিও না ”

হাতে থাকা সিগারেটটায় শেষ টান দিয়ে আগুন নিভিয়ে নিচে ফেলে দেয় ইরফান । বেলীর সাথে করা সমস্ত অন্যায়ের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে তাকে । অনেক সময় লস হয়ে গেছে । আর সময় নষ্ট করা যাবে না । পর মুহুর্তে বেলীর বলা কথাটা মনে পড়ে যায় ইরফানের ,

” দেইখেন আপনি বেলীফুল ঝরে যাবে । সেইদিন বেলীফুলের কবরের পাশে বসে শুধু চেয়ে দেখবেন আপনি আর বেলীফুল তখন মিশে থাকবে মাটির সাথে ”

বেলীর কথাটা অন্তরে দাগ কেটে গেছে । সে বেলীকে এইভাবে ঝরে যেতে দেবে না । আগলে রাখবে নিজের বুকের সাথে অতি যতনে ।

– বেলী আমি তোকে চলে যেতে দিবো না । মন পিঞ্জরে যতন করে আটকে রাখবো তোকে । তুই দেখে নিস এই ইরফান তোকে সেই সব খুশি দিবে যা তোর প্রাপ্য । আমার মনের মধ্যে রাখা পুরো জমিনেই তোর রাজত্য চলবে । দেখে নিস তুই ।

বিছানায় শুয়ে এইসব ভাবতে কখন যেনো ঘুম চলে আসে তার চোখে । মনের ভুলে বেলীর রুমেও যেতে ভুলে গেছে সে । নিজের রুমেই ঘুমিয়ে যায় সে নতুন এক ভোরের আশায় সেই সাথে নতুন করে সব ঠিক করার আশায় । যা আদৌ সম্ভব কিনা জানা নেই কারো ।

.
.

চলবে……………………..

[ ভেবেছিলাম দিবো না , পোস্টও দিয়ে দিছিলাম , কিন্তু পরে কেন জানি লিখতে ইচ্ছা হলো । অনেকে নক করে বললেন আপু অপেক্ষায় ছিলাম , তাদের জন্যে আর বাকি সবার জন্যে আবার লিখতে বসলাম মাগরিবের পরেই ]

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ