Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"ঝরে যাওয়া বেলীফুলঝরে_যাওয়া_বেলীফুল সূচনা_পর্ব

ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল সূচনা_পর্ব

ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল
সূচনা_পর্ব
লেখিকা : আফরোজা আক্তার

ব্যাথাযুক্ত ক্লান্ত শরীরটা ফ্লোরে পড়ে আছে বেলীর । আজকেও মার খেয়েছে সে ইরফানের হাতে । তবে আজকের মা’রের পরিমাণটা বেশিই ছিলো । আজ বেলীর অপরাধ ছিলো সে রুবির বেড-টি দিতে দেরি করে ফেলেছে । রুবি বেলীর সতীন । বেলীর স্বামী ইফরানের দ্বিতীয় পক্ষ সে । বড়লোক ঘরের মেয়ে রুবি । ভালোবেসে বিয়ে করেছে ইরফানকে । এটা জানা সত্ত্বেও যে ইরফান বিবাহিত । রুবি এমন একজন নারী যে কিনা কোন পয়েন্ট বাদ রাখে না যেই পয়েন্ট অনুযায়ী ইরফান বেলীকে মারতে পারে । প্রতি পদে পদে নানা রকম মিথ্যা কথা বলে বলে বেলীকে মা’র খাওয়ায় রুবি । বেলী সবটাই মুখ বুজে মেনে নেয় । বেলীর প্রতিবাদ করার মত সেই শক্তি আর সাহস নেই । রুমের ফ্লোরে শুয়ে থেকে ব্যাথায় ছটফট করতে থাকা বেলীকে দেখার মত কেউই নেই এই বাড়িতে । তবে কাজের মেয়ে মিনু এক একবার এসে ধরে উঠায় যখন ইরফান বেলীকে এইভাবে মেরে রেখে যায় । আজকেও ব্যাতিক্রম কিছু ঘটেনি । ইরফান রুবিকে নিয়ে চলে যাওয়ার পর মিনু দৌড়ে গিয়ে এসে রুমে ঢোকে । গায়ের ওড়নাটা সাইডে পড়ে আছে । হলুদ সুতির জামার উপরে রক্তের হালকা ছোপ ছোপ দাগ হয়ে গেছে । পুরো শরীর ধরে কুচকে শুয়ে থাকা বেলীকে দেখে মিনুর চোখেও পানি চলে আসে । এদিক সেদিক তাকিয়ে মিনু বেলীকে তুলে খাটে নিয়ে বসায় । বেলীর ফর্সা গাল গুলোতে ইরফানের হাতের ৫ আঙুলের ছাপ পড়ে আছে । নাক মুখ দিয়ে লালা চলে আসছে । পুরো মুখটা ফুলে আছে তার । কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ কখনো এভাবে বউ পেটায় না তার উপর হয় যদি উচ্চ শিক্ষিত । মিনু বেলীর চোখ মুখ মুছে দেয় ।

– ভাবী , জামাটা খুলেন ।
– উহু
– রক্ত গুলি মুইছা দেই , দিয়া সেভলন লাগাইয়া দিমু ।
– লাগবে না মিনু , চলো রান্না ঘরে যাই । ওনারা এসে খাবেন তো ।
– আপনার কি মাতায় সমিস্যা , এই শরীর নিয়া রান্না ঘরে যাইবেন আর তারা আজকে বাহিরে খাইবো এত অস্থির হইয়েন না ।
– ওহ ,
– আপনে জামা খুলেন , আমি গরম পানি নিয়া আসি ।

মিনু গরম পানি আনতে গেলে বেলী ঢুকরে কেঁদে দেয় । কি বেলী কি হয়ে গেলো ? বাবা ভালোবেসে বেলীফুল ডাকতো , আর আজ সেই বাবার আদরের মেয়েটা স্বামীর ঘরে এসে সতীন নিয়ে সংসার করে । আর প্রতিদিন নির্মমতা সহ্য করে । বেলীর মুখ দিয়ে তখন একটা কথাই বেরিয়ে আসে ,
” বাবা আমাকেও নিয়ে যাইতা তোমার সাথে ”
এরই মাঝে মিনু গরম পানি নিয়ে চলে আসে । দেখে বেলী সেইভাবেই বসে আছে । মিনু কাছে গিয়ে বসে ।

– ভাবী ও ভাবী ,
– হুউউ ,
– কি ভাবেন , দেহি জামাটা খুলেন ।

মিনুর কথায় জামাটা খুলে বেলী । বুকের উপরে জামাটা দিয়ে ঢেকে রাখে সে । মিনু পিছনে গিয়ে ব্রা এর হুক খুলে দেয় । হুক খুলতে গিয়ে আৎকে উঠে সে । এইভাবে বুঝি কেউ কাউকে মারে । আজকে মারছে বেল্ট দিয়ে । মিনু ক্ষতস্থানে হাত দিতেই বেলী নড়ে ওঠে । মিনু বুঝে যায় যে , তার ভাবীর ব্যাথা করছে । গরম পানি দিয়ে হালকা চেপে চেপে পুরো ক্ষতস্থান থেকে রক্ত সরিয়ে দেয় আর তারপর ওয়েন্টমেন্ট লাগিয়ে দেয় সে ।

– মিনু ফ্যানটা চালাও , পুরো পিঠ টা জ্বলে আমার ।
– ফাটা জায়গা তো তাই জ্বলে ভাবী আপনে জামা পইরেন না ।
– হু ,
– ভাবী একটু শুইয়া থাকেন । আইজকার রান্না আমি কইরা নিমু ।
– নাহ মিনু , জানতে পারলে আবার মারবে আমাকে ।
– আহারে ভাবী ,
– কি করবো বলো , মারধর যা-ই করে খেতে তো দেয় , এইটাই অনেক ।
– কোন দিন দেখমু মইরা রইছেন ।
– আচ্ছা বাদ দাও এইদিকে আসো , আমার ব্রায়ের হুকটা লাগাও হাতে অনেক ব্যাথা পিছন অবদি যায় না ।
– আইচ্ছা ।

অনেক কষ্টে জামা পরে রান্না ঘরে যায় বেলী । দিনে না খাক , তার বর আর তার বরের বউ রাতে এসে তো খাবে । সেই ভেবেই রান্না করা । পুটি মাছের ঝোল , কাকড়োল ভাজি আর ভাত করেছে তার আর মিনুর জন্যে । ইরফান আর রুবির জন্যে বাসমতি চালের ভাত আর চিকেন করে রেখেছে ।
রান্না শেষ করে উঠতে উঠতে আজান পড়ে যায় । মিনুকে বলে সে রুমে যায় । গোসল করে নামাজ পড়ে নিবে বেলী । বেলী ইসলাম সাইড টা বেশি মানে । যত যাই হোক না কেন নামাজ , কোরআন শরীফ পড়বে সে । রুমে এসে গোসল করে নামাজের জায়নামাজে দাঁড়ায় বেলী ওইদিকে মিনু সব গুছিয়ে নিয়ে ঘর টাও মুছে ফেলে ।
১২ রাকাত নামাজ শেষ করে জায়নামাজে বসে দোয়া দুরূদ পাঠ করে বেলী । তারই মাঝে মনে পড়ে যায় এক বছর আগের কথা গুলো । কত সুন্দর একটা পরিবার ছিল বেলীর । বাবা মা আর সে । অভাবে থাকলেও দিন চলতো বেশ ।
কামরাঙ্গীরচর এলাকায় সুখে শান্তিতে বড্ড ভালোই ছিল মেয়েটা । বেলীর বাবা জব্বার মিয়া ছিলেন কাঠমিস্ত্রী , আর বেলীর মা রাবেয়া বেগম রান্নার কাজ করতেন , রান্নার কাজ বলতে ব্যাচেলর্স মেয়ে ছেলেদের মেস গুলোতে রান্না করে দিতেন । বেলী ছিল জব্বার আর রাবেয়ার একমাত্র সন্তান । টানাটানির সংসারে বেলীকে ইন্টার অবদি পড়াতে পেরেছিলেন তারা তার মাঝে আবার ইন্টার পরীক্ষাটাও দিতে পারি নি টাকার অভাবে । তারপর আর পড়াশোনা করে নি বেলী । সারাদিন পর জব্বার ঘরে ফিরে মেয়ের হাসি মাখা মুখ টা দেখলেই খুশি হয়ে যেতেন । নাম রেখেছিল ভালোবেসে বেলী , আর আদর করে ডাকতেন বেলীফুল বলে । বাড়ির উঠানে এসেই ডাক দিতেন বেলীফুল বলে , আর বাবার কথার আওয়াজ পেয়ে বেলীও দৌড়ে চলে আসতো বাবার কাছে । বাপ-মেয়ের আহ্লাদিপণা দেখে মা রাবেয়া বেগমও খুশি হতেন ।
একদিন দুপুরের খাবার দিতে বেলী তার বাবা দোকানে যায় আর সেখানেই রহমান আলী বেলীকে দেখে । রহমান আলী অনেক ভালো মানুষ ছিলেন । সেই এলাকায় তার বহুল পরিচিতি । বেলীকে দেখে মনে ধরেছিল তার । এমন ছয়-ছোট্ট মেয়েই তার ছেলের সাথে যায় । তাই তিনি জব্বারকে ডেকে নিয়ে সব বিস্তারিত কথা বলে পাকা করে নেন । সেদিন রাবেয়া মানে বেলীর মাও অনেক খুশি হয়েছিলেন । গরীবের মেয়ে যদি তার মা-হারা ছেলের জীবনে আসে তাহলে তার ছেলের ভালোই হবে এটা ভেবেই ভদ্রলোক বিয়ে ঠিক করেন । কিন্তু প্রকৃতির বর্বরতার কাছে হার মানতে হয় কিছু কিছু স্বপ্নকে । বিয়ে ঠিক হওয়ার পর একদিন বিকেলে কাজ থেকে আসার সময় ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন জব্বার । সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে । শোকার্ত বেলী আর রাবেয়া বেগম পাথর হয়ে যায় ।
অন্যদিকে , রহমান আলীর এক কথা । কথায় তার নড়চড় হবে না । বিয়ে এই মেয়ের সাথেই দিবেন তিনি তার ছেলের । জব্বারের মৃত্যুর পর রহমান আলী বেলীর মাকে ভরসা দেন । আর ছেলেকে খবর দিয়ে গ্রামে আনান । ছেলে যখন শুনে তার বিয়ে একটা অজপাড়া গায়ের মেয়ের সাথে তখন ছেলে সরাসরি না করে দেয় । কিন্তু রহমান আলীও কম জেদি না । তিনিও জোর করেই যাচ্ছেন ।

– দেখুন বাবা , আপনার কথা রাখতে গিয়ে আমি এমন একটা মেয়েকে বিয় করতে পারি না ।
– বেলী অনেক ভালো মেয়ে ।
– সে ভালো নাকি খারাপ আমি জনতেও চাই না । আর তাছাড়া আমি গ্রেজুয়েট ছেলে ভালো চাকরিও করছি আমারও পছন্দ থাকতে পারে ?
– তোমার পছন্দ যে আমার পছন্দ হবে তেমন টাও কথা না ।
– তাহলে আপনার পছন্দ কি করে আমার পছন্দ হবে বাবা , বুঝার চেষ্টা করেন আমি পারবো না বিয়ে করতে ।
– দেখো ওর বাবা মারা যাওয়ার আগে আমি কথা দিয়ে রাখছি এখন ওর বাবা নেই , আমি কথার বরখেলাপ করতে পারবো না ।
– বাবা বিয়ে যদি হয়েও যায় ওই মেয়ে শান্তি পাবে না কিন্তু ।
– পড়াশোনা শিখে ভালো চাকরি করে কি এতই লায়েক হয়ে গেছো নাকি । মা মরা ছেলেকে মানুষ করতে কি আমার কষ্ট হয়নি ।
– দেখুন বাবা আমি আর তর্ক চাই না ।
– বিয়ে এই মেয়েকেই করতে হবে , এটা মনে রাখো ।

রহমান আলী এক রকম জোর করেই ছেলের সাথে বেলীর বিয়ের সব আয়োজন করেন । আর ছেলেও ক্ষোভে ক্ষুব্ধ হয়ে বিয়ের পিড়িতে বসেছিল । শুক্রবার জুমার নামাজ এর পর বিয়ের কার্যক্রম শুরু হয় । বিয়েতে সব খরচ রহমান আলী নিজে করেন । বাশের বেড়ার এক পাশে একটা ব্যানার টাঙানো হয় যাতে লিখা ছিল ” আজ বেলী ও ইরফানের শুভ বিবাহ ” । বেলীর বাবা মারা যাওয়ার দুই মাসের মাথাতেই ইরফানের সাথে বেলীর বিয়ে হয় । বিয়ের পর রাতে যখন বেলীকে ইরফানের রুমে রাখা হয়েছিলো ,,,,,,। আজও মনে পড়লে দুচোখ ভিজে যায় বেলীর ।
এরই মাঝে দরজায় টোকা পড়ে । ধ্যান ভেঙে দরজার দিকে তাকায় বেলী । মিনু দাঁড়িয়ে আছে দরজার কাছে ।

– কিছু বলবা মিনু ?
– ২ টা ৩০ বাজে , নামাজ এহনও হয় নাই আপনের ?
– হ্যাঁ হইছে ।
– তাইলে আসেন ভাত বাড়ছি আমি ।
– আসতেছি ।

মিনু মেয়েটা যথেষ্ট ভালো আর ভদ্র । রুবিকে সে একদম দেখতে পারে না । কারণ ইরফানের অবর্তমানে রুবি বেলীর সাথে যা যা করে সব কিছু স্বাক্ষী এই মিনু । মিনু কয়েকবার বলতেও চেয়েছিল কিন্তু বেলীর নিষেধে সে আর মুখ খুলে নি ।
নামাজের মোনাজাত শেষ করে জায়নামাজ ছেড়ে উঠে দাঁড়ায় বেলী । পুরো শরীরটা ব্যাথা হয়ে আছে তার । কয়টা ভাত খেয়ে নিয়ে নাপা টেবলেট খেয়ে নিবে ।
আস্তে আস্তে হেটে ডাইনিং রুমে যায় বেলী । আজকে বাসায় কেউ না থাকায় টেবিলে বসেই ভাত খায় বেলী আর মিনু । ইদানীং ভাত খেতে গেলে গলার মাঝখানটায় ভাত আটকে থাকে বেলীর । ইরফান মারার সময় প্রায়ই গলায় চাপ দেয় না হয় গায়ের ওড়না দিয়ে ফাঁস দেয় । গলার ব্যাথায় ঠিক মত খাবারও গিলতে পারে না বেলী ।
ভাত খেতে বসে গলার অসহ্য যন্ত্রনায় চোখের পানি ছেড়ে দেয় বেলী । বেলীর কান্না দেখে মিনুরও খানা বন্ধ হয়ে যায় ।

– আর কাইন্দেন না তো ভাবী । কতদিন কইলাম যান গা যান গা , হুনেন নাই আমার কথা । আবার আমারেও কিছু কইতে দেন না ভাইয়েরে । তাইলে হুদ্দাই কান্দেন কিত্তে । কাইন্দেন না ,

মিনুর কথায় অশ্রুসজল চোখে তাকায় বেলী ।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ