Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"লাভ স্টোরি Session২গল্প:-লাভ_স্টোরি_Session_2 পর্ব,,,(৭)

গল্প:-লাভ_স্টোরি_Session_2 পর্ব,,,(৭)

গল্প:-লাভ_স্টোরি_Session_2 পর্ব,,,(৭)
লেখা_AL_Mohammad_Sourav

!!
কি ব্যাপার তুমি এখানে কি করছো তোমাকে ওরা এখানে আটকিয়ে রাখছে কেনো, কি হলো কথা বলছোনা কেনো, আমি তোমাকে কিছু জিজ্ঞেসা করছি তো?এবার কিন্ত্র রাগ হচ্ছে আমার। তখনি,,, একজন কনেস্টবল এসে আমাকে বলছে,,

কনেস্টবল: স্যার আপনাকে ডাকে।
আমি: হ্যা আসছি, আপনি যান কনেস্টবল চলে গেছে,, কি হলো তসিবা তুমি কিছু বলবে নাকি চুপ করে থাকবে?
তসিবা: আমি কিছু জানিনা কেনো ওনারা ধরে আনছে। আমি আপনার টিফিন নিয়ে যাচ্ছিলাম,, তখনি একটা ছেলে এসে আমাকে বলছে ওর মোবাইলটা অফ হয়ে গেছে।

আমি: হ্যা তারপর তুমি কি করছো?
তসিবা: বলছি তো। ছেলেটার নাকি খুব জরুরি একটা কল করতে হবে। ছেলেটার মা হাসপাতালে ভর্তি আছে,, কিন্তু ছেলেটার মোবাইলটা অন করতে পারছেনা। তারপর আমাকে বলছে একটা কল করবে। আমি মোবাইলটা দিয়েছি,, কিন্তু ছেলেটার নাম্বার মনে নেই।

তখনি ছেলেটা আমার সিমটা খুলে ওর সিমটা লাগিয়ে কথা বলে। যখন ছেলেটার কথা বলা শেষ হয় তখন ছেলেটা আর আমাকে মোবাইল ফেরত দেইনা। আমি মোবাইল চাইলাম,, তখনি ছেলেটা একটা পুলিশকে ডেকে কি জেনো বলছে। তারপর আমাকে থানায় নিয়ে আসছে। আর ছেলেটাকে ছেরে দিছে,, আমি কত করে বলছি মোবাইলটা আমার কিন্তু পুলিশ আমার কোনো কথা শোনেনি। তারপর আপনার নাম বললাম,, জানেন প্রথমে ওনারা বিশ্বাষ করেনি আপনি আমার স্বামী। অনেক রিকুয়েস্ট করার পর একটা কল করছে।

আমি: তোমার কি কোনো দিন বুদ্দি বলতে কিছু হবেনা?
তসিবা: আমার কি দোষ, ছেলেটার মা হাসপাতালে ভর্তি বলছে।
আমি: তোমার কোনো দোষ নেই,, সব দোষ আমার।
তসিবা: এই জন্য আপনাকে কল করতে চাইছিলাম না। কিন্তু কি করবো,, আব্বুর নাম্বারটা মনে নেই। বাসার নাম্বারে কল করা দরকার ছিল।
আমি: হ্যা ঠিক বলছো। তুমি বাসার নাম্বারে কল করো আমি গেলাম।

তসিবা: আরে কি করছেন? এবারের মত ক্ষমা করে দেন। আর কোনদিন এমন ভুল করবোনা।
আমি: তাহলে কানে ধরে উঠবশ করো দশটা।
তসিবা: এখানে লকাবের ভীতরে? সবাই দেখবে তো,, আর কি মনে করবে?

আমি: ঠিক আছে থাকো তুমি আমি গেলাম।
তসিবা: ঠিক আছে,, উঠবশ করছি। এক দুই,,,,,,,,এই দশ হয়ছে? এবার তো আমাকে বেড় করে নিয়ে যান।
আমি: ঠিক আছে,, দেখছি কি করা যায়। আমি অসির রুমে গেলাম,, তারপর অসির সাথে কথা বলে আমি আমার পরিচয় দিলাম। আর তসিবা যে আমার স্ত্রী এই কথা বললাম। একটু পর আমার জাবিনে তসিবাকে ছেরে দিলো। আর একটা কাগজে সাইন নিলো আমার আর তসিবার। অসিকে ধন্যবাদ দিয়ে,, তসিবাকে নিয়ে থানা থেকে বের হলাম।

তসিবা: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আমি: শুনো আর যদি এমন কোনো কাজ করো তাহলে তোমার খবর আছে বলে দিলাম। আজ যদি ঐ ছেলেটা তোমাকে কিছু করতো। থানা থেকে যদি তোমাকে চালান করে দিতো তাহলে কি করতে তুমি।
তসিবা: তাহলে তো ভালোই হতো। আপনি প্রিয়াকে বিয়ে করে সূখের সংসার করতেন। আর আমার কিছু হলে তো আপনার কিছু যায় আসেনা?
আমি: হ্যা,, তুমি ঠিকই বলছো। আমার কিছু যায় আসেনা, এবার চলো বাসায় যাই।

তসিবা: বাসার কাওকে এই ব্যপারটা জানিয়েন না আপনার কাছে আমার অনুরুদ।
আমি: ঠিক আছে বলবোনা। চলো এখন,, তসিবাকে সাথে নিয়ে বাসায় আসলাম, সবাই তসিবাকে জিজ্ঞেসা করছে তসিবা কোথায় ছিলো। আমি বলছি তসিবা আমার সাথে ছিলো,, বলে তসিবার হাত ধরে টেনে রুমে নিয়ে গেলাম। বাসার সবাই আমার কান্ড দেখে হা হয়ে তাকিয়ে আছে।

তসিবা: কি হলো এমন করে নিয়ে আসলেন কেনো?
আমি: তুমি বুঝতে পারোনি কেনো নিয়ে আসছি?
তসিবা: পারছি,, কিন্তু এভাবে আনলেন কেনো?
আমি: দরকার ছিলো তাই, এবার একটু চুপ করে থাকবে প্লিজ, আমার মাথা ব্যাথা করছে, বলে আমি ফ্রেশহতে চলে গেলাম। একটু পর বের হয়ে দেখি, তসিবা ওর নিজের ব্যাগে তসিবার সব কাপর ঢুকিয়ে নিচ্ছে। কি করছো তুমি?
তসিবা: আমরা আজ বাড়ীতে যাবো।
আমি: তুমি আবার শুরু করলে বাড়ীতে যাওয়ার ভূতটা মাথায় আসলো কি করে?

তসিবা: চার মাস হয়ে গেলো আমি বাড়ীতে যাইনা। তাই আব্বুকে বলছি আব্বু সাথে সাথে রাজি হয়ে গেলো। আর বলছে এখুনি যেতে।
আমি: তুমি একা যাও আমি যাবোনা। আমার অনেক কাজ আছে। তখনি,,,
আব্বু: তোর যে কাজ আছে আমি দেখে নেবো। আর তোর দুলাভাই তো আছে। যা কয়দিন গিয়ে শ্বশুড় বাড়ী থেকে গুড়ে আয়।
আমি: ঠিক আছে যাবো তবে কাল সকালে।
আব্বু: ঠিক আছে, তসিবা তাহলে কাল সকালে যাও তোমরা, তারপর আব্বু চলে গেছে।

তসিবা: আচ্ছা ঠিক আছে, তাহলে আমি ব্যাগ গুলো গুচিয়ে রাখি।
আমি: তোমার যা মন চাই তা করো, বলে আমি খাঠের উপড় শুয়ে পড়লাম। সকালে তসিবার ডাকে ঘুম ভাঙছে, কি হয়ছে তোমার সকাল সকাল ডাকছো কেনো।
তসিবা: আজ আমাদের বাড়ীতে যেতে হবে। আপনার মনে নেই নাকি উঠেন বলছি,,?
আমি: ঠিক আছে উঠছি, একটু পর ওঠে ফ্রেসহয়ে নিলাম, তারপর সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে কুমিল্লা তসিবার বাড়ীর উদ্দেশ্য রওনা দিলাম।

তসিবা: আপনাকে একবার বাড়ীতে নিয়ে নেই তারপর মজা দেখাবো মিস্টার।
আমি: এই তুমি বির বির করে কি বলছো? যা বলবে স্পস্ট করে বলবে।
তসিবা: না কিছু বলনি। বলছি অনেকদিন পড়ে বাড়ীতে যাচ্ছি তো তাই খুশিতে এমন করছি।
আমি: তোমার মতলব কি বলবে?
তসিবা: কি মতলব করবো বলেন তবে আগে যায় আমরা তারপর যা হবার তাই হবে।

আমি: মানে কি হবে?
তসিবা: কিছুনা,, বাইয়ে মোর করে গারিটা থামিয়ে দেন। সামনে আমাদের বাড়ী।
আমি: যাক বাবা সেষ পর্যন্ত আসলাম, গাড়ী থেকে নেমে তসিবার বাড়ীতে গেলাম আমার হাতে অনেক গুলো ব্যাগ, আর তসিবা খালি হাতে দৌরে চলে গেলো।
আমি ব্যাগ নিয়ে দাড়িয়ে আছি, কিছুক্ষন পর একটা ছোট মেয়ে এসে আমাকে সাথে করে নিয়ে গেছে। আমি তসিবার আব্বু আম্মুর সাথে কথা বলে যখন তসিবার রুমে গেলাম তখনি দেখি একজনের ছবি দিয়ে পুরা রুমটা সাজানো আমি থমকে গেলাম। একটা লোকের ছবি দিয়ে সারাটা রুম এভাবে সাজিয়ে রাখছে তসিবা, আমার তো মনে হচ্ছে তসিবার মাথায় কোনো গন্ডগুল আছে। তবে রুমটা অনেক সুন্দর করে গুচানো আছে, একটু চোখ গুলোকে বড় বড় করে রুমটা দেখলাম। বাহা সত্যি দারুন একটা রুম, তবে ছবির ছেলেটা কে জানতে হবে। তখনি,,, তসিবার আগমন।

তসিবা: কি হলো এখনে দাড়িয়ে আছেন কেনো? কাপড় চেন্জ করেন। আম্মু আপনাকে খেতে ডাকছে আর আমার সাথে আসুন।
আমি: এই ছেলেটা কে? ওর ছবি তোমার সারা রুমে সাজিয়ে রাখছো কেনো?
তসিবা: আপনি ওনাকে চিনেন না? হি হি হি,, আবার আপনি বলেন আমি বোকা, আরে বোকা তো আপনি।
আমি: ভালো হবেনা কিন্তু আমি কি করে জানবো এই ছেলেটা কে?
তসিবা: আরে এই তো আমার জান আমার প্রান আমার এক মাত্র প্রিয়ো হিরো।
আমি: মানে নাম কি ওর?
তসিবা: রাজ্জাক স্যার,, আপনি রাজ্জাক সারকে চিনেন না।
আমি: হ্যা চিনি তারপর তোমাকে জিজ্ঞেসা করছি। যাও আমি আসছি,,( সত্যি বলতে আমি চিনতে পারিনি,, কারন ছবিটা একদম যবুক কালের ১৯– ২০ বছরের হবে তাই। আর তসিবাকে বলিনি যদি বলি তাহলে আমাকে পেয়ে বসবে।)
তসিবা: বুঝতে পারছি আপনি কেমন চিনতে পারছেন, আসেন তারা তারি করে।

আমি: শোনো,,
তসিবা: কিছু বলবেন?
আমি: বাথরুমটা একটু দেখিয়ে দাও।
তসিবা: আসেন আমার সাথে।
আমি: চলো,, তসিবা আমাকে বাথরুমে নিয়ে গেলো। আমি ভীতরে ঢুকে ফ্রেশহয়ে বেড় হয়ে দেখি তসিবা দাড়িয়ে আছে। কি হলো তুমি এখনো এখানে দাড়িয়ে আছো কেনো?
তসিবা: যদি আপনার কিছু লাগে তাই, এবার চলেন,,
আমি: হ্যা,, চলো, আমরা দুজনে খাবার টেবিলে গেলাম। অনেক রকমের রান্না করছে তসিবার আম্মু, সব আমার পছন্দের খাবার,, আমি খেতে বসেছি তসিবা খাবার বেরে দিতেছে। তসিবা তুমি বসো আজ আমরা দুজনে একসাথে খাবো।

তসিবা: সত্যি বলছেন?
আমি: হ্যা,, বসো। তসিবা অনেক খুশি হয়েছে,, এই প্রথম তসিবা আমার সাথে এক টেবিলে খেতে বসেছে। তাই অনেক আনন্দ করে খেয়েছে তসিবা,, খানা শেষ করে আমি রুমে গেলাম, খাঠের উপর বসে প্রিয়ার সাথে মেসেজে কথা বলতছে,, তবে প্রিয়াকে বলিনি আমি তসিবার সাথে ওদের বাড়ীতে এসেছি। এমন সময় তসিবা রুমে আসছে,
তসিবা: কি করছেন আপনি কার সাথে মেসেজ করছেন নিশ্চয় পাকনা চুলের মেয়েটির সাথে।
আমি: করছি তাতে তোমার কি, এখন বলো তুমি ঘুমাবো কোথায়?

তসিবা: কোথায় আবার খাঠের উপড়।
আমি: তাহলে আমি থাকবো কোথায়?
তসিবা: খাঠের উপড় আমার সাথে থাকবেন?
আমি: তোমার সাথে থাকবোনা,, আমি নিছে ঘুমাবো।
তসিবা: ঘুমাতে পারেন,, আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে রাতে যদি ইদুর আসড়া আপনার শরীরের উপড় দিয়ে দৌড়া দৌড়ি করে তাহলে আমার কোনো দোষ নাই।

আমি: ইদুর আসড়া এসব আছে, তাহলে আমি খাঠের উপড় ঘুমাবো।
তসিবা: ঠিক আছে,, আমি মসারি টানিয়ে দিতেছি আপনি শুয়ে পড়েন।
আমি: তুমি শুয়েবে না?
তসিবা: হ্যা,, তবে আমি একটু আমার বান্ধবীর বাসায় যাবো।
আমি: কোথায় তোমার বান্ধবীর বাসা এখান থেকে কত দুর হবে?

তসিবা: দশ মিনিট সময় লাগবে।
আমি: এখন যেতে হবেনা সকালে যাবে।
তসিবা: ঠিক আছে যাবোনা তবে সকালে যদি আপনি আমার সাথে যান, তাহলে আমি এখন যাবোনা এবার আপনি রাজি আছেন।
আমি: ঠিক আছে যাবো।
তসিবা: তাহলে প্রমিস করেন।
আমি: তোমার মতলব কি বল তো, তার জন্য প্রিমস করাচ্ছো কেনো?
তসিবা: সকালে উঠে যদি বলেন আপনি যাবেন না। তার জন্য প্রমিস করিয়ে রাখছি।

আমি: বলছি তো যাবো এখানে প্রিমেসের কি অাছে?
তসিবা: ঠিক আছে যাবেন বুজলাম। কিন্তু আপনি প্রমিস করলে সমস্যা কি?
আমি: ঠিক আছে প্রমিস।
তসিবা: প্রমিস করছেন কিন্তু আপনি আমার সাথে যাবেন।
আমি: তুমি কানে কম শুনো নাকি, কি বলছি শুনতে পাওনি? এখন ঘুমাও আমার ক্লান্ত লাগছে। আমি খাঠের উপড় ওঠে বসলাম আর তসিবা এসেছে, এই শুনো এইটা একটা বডার তুমে এদেকি আসবেনা, আমিও ঐদিকে যাবোনা।

তসিবা: খাঠটা কি ছোট তার উপড় বডার দিলে আমি পড়ে যাবো নিছে।
আমি: কথা কম বলে শুয়ে পড়ো, আমি শুয়ে পড়লাম একটা চাদর গায়ের উপড় দিয়ে। তসিবা পাশে শুয়ে পড়ছে তবে গায়ের উপর কিছু দেয়নি, তসিবা তুমি শরীরের উপড় কিছু দিলেনা যে পড়ে তোমার ঠান্ডা লাগবে তো?
তসিবা: আর চাদর নেই রুমে,, আর এখন যদি চাদর আনতে যাই তাহলে আম্মু সন্দেহ করবে, আপনি ঘুমান আমার চাদর লাগবেনা।
আমি: ঠিক আছে, আমি ঘুমিয়ে পড়লাম কখন ঠিক মনে নেই, হঠাত কারো ধাক্কা ঘুম বাঙলো,, চোখ মেলে তো আমি পুরাই অবাক। তসিবা আমার বুকের উপর ওর পা তুলে আছে। আমি তসিবাকে ডাকছি কিন্তু শুনছেনা,, আমি ওর পা গুলো নামিয়ে আবার ঘুমানোর চেষ্ট করলাম তখনি এক লাথি। বাছ আমি খাঠের উপড় থেকে সোজা নিছে পড়ে গেলাম। ওমারে আমি শেষ তসিবা আমার কোনো শব্দ মনে হয় শুনছেনা ও ঘুমিয়ে আছে, আমি নিছে শুয়ে পড়লাম একটা পাটি বিছিয়ে। আর কখন ঘুমিয়ে গেলাম ঠিক মনে নেই, সকালে ঘুম থেকে ওঠে দেখি তসিবা খাঠের উপর ওর সাইটে ঘুমিয়ে আছে। তসিবাকে আজ অনেকটা সুন্দর লাগছে মুখের উপড় চুল গুলো পড়ে আছে। আমি চুল গুলো সরিয়ে দিলাম চেহারাটা মলিন হয়ে আছে বাচ্ছাদের মত। হাত দিয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে ওর দুইটা গালে কিন্ত ধরলামনা।

কারন তসিবার ঘুমুন্ত চেহারাটা দেখতে অনেক ভালো লাগছে। তখনি মহারানি চোখ মেলে তাকিয়েছে আর বলছে,,।
তসিবা: আপনি কি দেখছেন এমন করে, আর কতক্ষন ধরে দেখছেন আমাকে?
আমি: কিছুনা,, তুমি রাতে আমাকে লাথি দিলে খাঠের উপড় থেকে ফেলে দিলে কেনো?
তসিবা: কখন আমি আপনাকে লাথি দিয়ে ফেলে দিলাম?
আমি: মিথ্যা কথা বলবেনা বলে দিলাম। আমি জানি তুমি ইচ্ছে করে লাথি দিয়েছো?
তসিবা: সত্যি বলছি আমি আপনাকে লাথি দেয়নি।
তবে আমার শুয়টা একটু খারাপ। আমি ঘুমের মাঝে এদিক সেদিক গুড়া গুড়ি করি।
আমি: কই আমি তো এর আগে কখনো এমন করতে দেখিনি।
তসিবা: কি করে দেখবেন, এর আগে কি আমি আর আপনি এক খাঠের উপর এক সাথে শুয়েছি নাকি। যে আপনি দেখবেন আমি ঘুমালে এমন করি।

আমি: তুমি যা খুশি তা করো তাতে আমার কি? বলে রুম থেকে বেড়িয়ে আসলাম ফ্রেশহতে। একটু পর ফ্রেশহয়ে রুমে গিয়ে দেখি তসিবা মোবাইলে কথা বলছে আর বকা বকি করছে। আমি কাছে গিয়ে দেখি আমার মোবাইলটা তসিবার হাতে। কাকে বকছে তসিবা প্রিয়াকে নয় তো, তারা তারি করে মোবাইলটা তসিবার কাছ থেকে নিয়ে দেখি প্রিয়ার নাম্বার। আমি হ্যালো বলতে কলটা কেটে দিলো,, তারপর আমি অনেক বার ট্রাই করছি করছি কিন্তু মোবাইলটা বন্ধ বলছে। তসিবা শুনো যদি প্রিয়ার সাথে আমার সম্পর্কটা নষ্ট হয়,, তাহলে তোমার খবর আছে বলে দিলাম। বলে আমি রুমথেকে বেড়িয়ে আসতেছি তখনি,,,,

তসিবা: আর যদি আপনি পাকনা চুলের মেয়েটার সাথে কথা বলেন,, তাহলে আপনার খবর করে ছের দেবো বলে দিলাম এই কথা বলে তসিবা রুমথেকে বেড়িয়ে চলে গেলো। To be continue,,,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ