Friday, June 5, 2026







?ভোর?পর্বঃ ১৮।

?ভোর?পর্বঃ ১৮।
লেখিকাঃ আয়sHa?
|
|
সার্ভেন্টঃঃ Heeeello sir… ((মোবাইলে))
|
ভোরঃঃ হ্যাঁ বলো। এভাবে হাঁপাচ্ছো কেন?
|
সার্ভেন্টঃঃ Sirrr maaaamm…
|
ভোরঃঃ কি হয়েছে আলোর? বলো আমার আলোর কি হয়েছে? ((উত্তেজিত হয়ে))
|
সার্ভেন্টঃঃ Mam পড়ে গিয়েছে স্যার বেড থেকে আপপপ…?
|
সার্ভেন্ট আর বলতে পারলো না। ভোর কল কেটে দিয়ে গাড়ী ঘুরিয়ে বাড়ীর দিকে যাচ্ছে। এলোমেলো ভাবে গাড়ী চালাচ্ছে। সামনে কি আছে? কারা আছে? ভোরের মাথায় কিছু নেই। ভোরের একটাই চিন্তা ওর এখন আলোর কাছে পৌঁছাতে হবে। ভোর ১০মিনিটের ভিতর বাসায় পৌঁছে দৌড়ে উপরে উঠে দেখে আলো ফ্লোরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে আর সার্ভেন্টরা আলোকে তুলতে চেষ্টা করছে। ভোর আলোর এ অবস্থা দেখে ধুপ করে বাকহীন মানুষের মতো বসে পড়লো। সার্ভেন্টদের ডাকাডাকি তে ভোরের হুস ফিরলো। তাড়াতাড়ি করে আলোকে তুলে নিয়ে গাড়ীতে বসিয়ে হসপিটালের সামনে এসে গাড়ী থেকে আলোকে কোলে নিয়ে উচ্চস্বরে বলতে লাগলো….
ভোরঃঃ ডক্টর ডক্টর ডক্টরররর… আমার আলোকে বাঁচান। ডক্টরররর……..
|
ভোরের চিৎকার শুনে ডক্টর বের হয়ে…
ডক্টরঃঃ Oh my god… নার্স… দ্রুত রোগীকে O.T. তে নিয়ে যাও। আমি আসছি। মিস্টার আপনি রুলসগুলো মেইনটেইন করে আসুন।
|
বলেই ডক্টর চলে গেলো আর নার্স এসে আলোকে O.T. তে নিয়ে গেলো… ভোর কাঁপা কাঁপা হাতে সব রুলস মেইনটেইন করে আসে তখন ডক্টরকে দেখে….
|
ভোরঃঃ ডক্টর… আমার আলোর যেন কিছু হয় না ডক্টর। আমার আলোর কিছু হলে আমি বাঁচবো না ডক্টর। বাঁচবো না।
|
ডক্টরঃঃ শান্ত হন মিস্টার??..
|
ভোরঃঃ ভোর চৌধুরী…
|
ডক্টরঃঃ শান্ত হন। আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন কিছু হবে না। সব ঠিক হয়ে যাবে। আমরা আমাদের সাধ্য মতো চেষ্টা। নিজেকে শক্ত করুন মিস্টার ভোর।
|
ডক্টর চলে গেলো…
বাহিরে অপেক্ষা করছে ভোর। অনেক টেনশনে আছে ভোর। কপাল থেকে বিন্দু বিন্দু ঘামের ফোঁটা বের হচ্ছেই। কিছু ভাবতে পারছে না। কি হবে জানে না। শুধু আল্লাহ আল্লাহ করছে। ফ্লোরে হাঁটুর উপর মাথা দিয়ে বসে আছে।
|

এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি মাসে জিতে নিন নগদ টাকা এবং বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

গল্পপোকার এবারের আয়োজন
ধারাবাহিক গল্প প্রতিযোগিতা

◆লেখক ৬ জন পাবে ৫০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা
◆পাঠক ২ জন পাবে ৫০০ টাকা করে ১০০০ টাকা।

আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/?ref=share

কিছুক্ষণ পর আলোর বাবা-মা এলো। আলোর মা ভোরের মাথায় হাত দিলো। ভোর মাথা উঁচু করে তাঁকিয়ে দেখে আলোর মা। ভোর নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলো না। হুঁ হুঁ করে কেঁদে উঠলো। আলোর মায়ের পা জড়িয়ে ধরে বলতে লাগলো….
|
ভোরঃঃ মা.. আমার আলোর কিছু হবে না তো? আমার মনটা যে বড্ড কুঁ ডাকছে। মা বলুন না.. আমার আলো আমাকে আবার বকবে তো? রাগ দেখাবে তো? অভিমান করবে তো? বলুন না মা? বাবা বাবা.. বাবা আপনি বলুন না… মা তো কথা বলছে না। আমার আলো ঠিক হয়ে যাবে তো? জানেন বাবা.. আলো আমার সাথে একটাও কথা বলেনি আজ। খুব রাগ ওর। অনেক অভিমানী ও। এতো অভিমান করলে চলে বলুন? দেখুন না এখন অভিমান করে O.T. তে আছে। কেন জানেন? আমি রাতে একটু বকেছিলাম ওকে.. বকবো না কেন বলুন? ও আইসক্রিম খেতে চেয়েছিলো। বলুন তো বাবা.. এই সময় কেউ আআইসক্রিম খায়? ডক্টর পুরো নিষেধ করে দিয়েছিলো ও যেন কোল্ড কিছু না খায়। ও সবসময় এমন জিদ করে বাবা। এতো জিদ করা কি ঠিক বলুন বাবা?
|
আলোর বাবাঃঃ চুপ করো বাবা চুপ করো। আমি যে আর সহ্য করতে পারছি না। পারছি না। ((আলোর বাবা কেঁদে দিলো))
|
ভোরঃঃ কেন চুপ করবো? ওহ আপনিও কথা বলবেন না আমার সাথে ওকে। আলো কথা বলা অফ করে দিয়েছে গতকাল রাতে… মাও কথা বললো না আর এখন আপনিও কথা বলবেন না? হুমম ঠিক আছে। ((ভোর চুপ হয়ে গেলো))
|
একটুপর জেরিন এলো। আলোর বাবা-মা দুজনই কাঁদছে। ভোর এক নজরে সামনে তাঁকিয়ে আছে নির্বাক ভাবে। জেরিন গিয়ে আলোর মায়ের পাশে বসলো। আলোর মা জেরিনকে জড়িয়ে ধরে নিঃশব্দে চোখের পানির বিসর্জন দিচ্ছে।
|
প্রায় ১ঘন্টা পর ডক্টর তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে…
|
ডক্টরঃঃ মিস্টার ভোর?? এখনি ২ব্যাগ O+ পজেটিভ রক্ত লাগবে।
|
ডক্টরের কথায় ভোর ধ্যান ফিরলো। জেরিন বললো…
|
জেরিনঃঃ Sir এর ব্লাড O+ পজেটিভ ডক্টর।
|
ডক্টরঃঃ ওহ তাহলে কুইক আসুন মিস্টার ভোর। কিন্তু ২ ব্যাগ রক্ত আপনার নিতে পারবো না আমরা।
|
আলোর বাবাঃঃ আমার ব্লাডও O+ পজেটিভ ডক্টর।
|
ডক্টরঃঃ ওহ তাহলে আপনিও আসুন। fast..
|
ভোর আর আলোর বাবা উঠে ডক্টরের সাথে গেলো ব্লাড দিতে।
|
ভোর রক্ত দিয়ে এসে চুপটি করে বসে আছে। কোনো কথা বলছে না। একদম জড় পদার্থ হয়ে গেছে। পাশেই আলোর বাবা আর মা বসে আছে। জেরিন পায়চারী করছে।
|
প্রায় ২ ঘণ্টা পর একজন নার্স এসে….
নার্সঃঃ এখানে ভোর কে??
|
জেরিনঃঃ স্যার আপনাকে ডাকে নার্স..স্যার..স্যার ((ধাক্কা দিয়ে ভোরকে))
|
ভোরঃঃ কে কে? ওহ জেরিন কি বলো? ((জেরিনের দিকে তাঁকিয়ে))
|
জেরিনঃঃ আপনাকে নার্স ডাকছে স্যার।
|
ভোরঃঃ নার্স? ওহ হ্যাঁ বলুন? ((নার্সের দিকে তাঁকিয়ে))
|
নার্সঃঃ আপনি চলুন O.T. তে। আপনাকে patient দেখতে চাচ্ছে।
|
ভোর কিছু না বলে দৌড়ি গেলো O.T. এর ভিতর। আলোকে অক্সিজেন মাস্ক দেওয়া। ভোর আলোর কাছে গিয়ে আলোর মাথায় হাত রাখলো। আলো ভোরের দিকে তাঁকিয়ে একটা কষ্ট.. অশ্রুসিক্ত নয়নে মুচকি হাসি দিয়ে..
|
আলোঃঃ ডড…..ডক্টর… আআমআমার.. বেএএ..বেবি?
|
ডক্টর বেবিকে আলোর হাতে দিলো। আলো বেবিকে নিয়ে বেবির কপালে একটা চুমু খেয়ে ভোরের হাতে দিলো।
|
আলোঃঃ আপনার পোপোপ্রভাতী। আপনার কথাই সসসত্যি হয়েছে। আআআপনার প্রিন্সেস এসেছেএ। আআমার হাতে বেশি সসসময় নেই। আআআপনার হাতটা একটু দিবেন?
|
ভোরের চোখ দিয়ে শুধু পানি পড়ছে। বেবিকে নার্সের কাছে দিয়ে হাত আলোর কাছে এগিয়ে দিলো। আলো ভোরের হাত ধরে…..
|
আলোঃঃ আআআমি আপনাকে খুখুখুব ভালোবাসি। আমার কককপালে একটু ভাভালোবাসার পরশ দিদিদিবেন?
|
ভোর চোখের পানি মুছে আলোর কপালে একটা চুমু খেলে….
|
আলোঃঃ এবার আমি শাশাশান্তিতে মরতে পারব। নিনিনিজের খেয়াল রারাখবেন।
|
ভোর আলোর অক্সিজেন মাস্কটা লাগিয়ে দিলো…
|
ভোরঃঃ তোমার কিচ্ছু হবে না। এসব ফালতু কথা বলবে না। আমি আছি না তোমার কিচ্ছু হবে না। তোমাকে একটু পরই নিয়ে যাবো বাসায়। কিচ্ছু হবে না। তুমি আমি আর আমাদের প্রিন্সেস একসাথে থাকবো। খুব সুখে থাকবো। তুমি একদন ঠিক হয়ে যাবে।
|
আলোঃঃ আমার হাতে বেবেবেশি সময় যে আআআর নেই। আমাকে একটু জজজড়িয়ে ধরবেন?
|
আলো কান্না করতে করতে দু’হাত বাড়িয়ে দিলো। ভোর আলোকে নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে….
|
ভোরঃঃ আমাকে ছেড়ে তুমি কোথাও যাবে না বলে দিলাম। কাল রাতে একটু আইসক্রিম খেতে দেইনি বলে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যেতে চাচ্ছো? তাও সারাজীবনের মতো। তুমি একবারও ভাবলে না তুমি চলে গেলে আমার কি হবে? আমাকে তুমি এই ভালোবাসো? ((দম নিয়ে)) আলো তোমার ভোর যে তোমাকে অনেক ভালোবাসে আলো। তোমার ভোর যে তুমি ছাড়া পঙ্গু। তোমার চোখ দুটি না দেখতে পেলে যে তোমার ভোরের ভালো না কিছু। শোনো তোমার কিচ্ছু হবেনা। এই আমি প্রমিস করলাম আর কখনো আমি তোমাকে একটু বকবো না। তুমি যা বলবে তাই শুনবো। তোমাকে খুব ভালোবাসবো.. খুব।
|
আলোঃঃ ভাভাভালোবাসি… আআমার যাওয়ার পালা চচচলে এসেছে..
|
আলোকে ভোর শুয়ে দিয়ে..
ভোরঃঃ এই মেয়ে কি হয়েছে তোর? বার বার চলে যাবার কথা বলছিস কেন? তোকে আমি কোথাও চলে যেতে দিবো না। কোথাও না।
|
এর মধ্যে আলোর মা-বাবা আর জেরিন ঢুকে O.T. তে…
|
ভোরঃঃ মা-বাবা দেখুন না আলো কিসব বলে যাচ্ছে? ও বলে ও আমাকে ছেড়ে চলে যাবে। ও কি ও চলে গেলে এই ভোর যে মরে যাবে। আলোহীন ভোরের কি কোনো অস্তিত্ব আছে? নাই। আলো তুমি চলে গেলে.. আমাকে উঠতে-বসতে কে বিরক্ত করবে? আমার উপর কে রাগ দেখাবে? কে অভিমান করবে? কে বলবে আপনি আমাকে একটুও ভালোবাসেন না? আমাকে কে বলবো..এই যে কোনো কাজ তো নাই..নিন আমার চুলে চিরুনি করে দিন.. আমাকে কে বলবে প্রতিদিন রাতে.. আমাকে কোলে নিয়ে ছাদে যান? মধ্যরাতে উঠে কে বলবে.. উঠে বসুন তো আমি আপনার কোলে মাথা দিয়ে ঘুমাবো…। আমি কাকে ভালোবাসবো? আমি কার অজান্তে তার কপালে ভালোবাসার পরশ দিয়ে প্রতিদিন ঘুমাবো? আমি কার মাথা বুকে নিয়ে ঘুমাবো? আমি কার চুলের স্মেল নিবো? আমাকে কে কথায় কথায় গন্ডার..জলহস্তী..হাতী এসব বলবে? বলো আলো বলো? আলো বলো..বলো.. বলছো না কেন? এই মেয়ে বলিস না কেন বল.. এই আলো.. আলো.. আলো…
|
ডক্টরঃঃ Mr.Vhor.. she is no more. ((আলোকে চেক করে))
|
ভোরঃঃ ওহ। হুমম চলে গেছে। আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। স্বার্থপর। আলো স্বার্থপর। আলো তুমি শুনছো তুমি একটা স্বার্থপর। আলো তুমি স্বার্থপর। এতদিন আমার ভালোবাসা শুধু ভোগ করেছো। আমাকে এখন ভালোবাসতে হবে সেই ভয়ে চলে গেলা। যাও চলে যাও। আমার কাউকে চাই না। আমার কাউকে চাই না।
|
বলে ভোর উঠে সামনের দিকে হাঁটা দিলো… একটু গিয়েই পিছনে দিকে একপ্রকার দৌড়ে এসে আলোকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে ভোর উচ্চস্বরে কাঁদতে কাঁদতে….
|
ভোরঃঃ আলোওওওওও…
|
|
আলোঃঃ এই আপনার কি হয়েছে? কি হয়েছে? ((আলো ঘুমের ভিতর লাফিয়ে উঠে ভোরকে ধরে))
|
ভোরঃঃ আলো.. আলো.. আলো প্লিজ আমাকে ছেড়ে যেও না। আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না। আমি তোমাকে অনেজ ভালোবাসি।
প্লিজ আমাকে ছেড়ে যেও না।
((আলোর দুইগাল ধরে))
|
আলোঃঃ আপনার কি হয়েছে? ভোর?ভোর? এই ভোর? ((ভোরের বাহু ধরে))
|
ভোরঃঃ তুমি আমাকে ছেড়ে যেও না। যেও না। আমি মরে যাবো তুমিহীনা। একদম শেষ হয়ে যাবো। একদম।
|
বলেই আলোকে জড়িয়ে ধরে…
|
ভোরঃঃ আমি তোমাতে পাগল। এই পাগলটা আলোহীনা শেষ হয়ে যাবে। মরে যাবে পাগলটা। মরে যাবে। একেবারে শেষ হয়ে যাবে। ((কাঁদতে কাঁদতে))
|
আলোর বুকটা ধুক করে উঠলো ভোরের কথা শুনে। আলোর খুব কান্না পাচ্ছে কিন্তু কান্না করছে না। নিজেকে শক্ত করে ভোরকে নিজের থেকে ছাড়িয়ে…
|
আলোঃঃ কি হয়েছে আপনার? এমন করছেন কেন? ভোর..! ভোর.. মিস্টার ভোরওওও ((উচ্চস্বরে))
|
ভোরঃঃ হ্যাঁ.. আলো? আলো তুমি ঠিকাছো? ((আলোর দিকে তাঁকিয়ে))
|
আলোঃঃ আমার কি হবে?
|
ভোরঃঃ তুমি তো পড়ে গিয়ে.. হসপিটালে.. আমাকে ছেড়ে চলে গেলে..
|
আলোঃঃ কি বলছেন? এগুলা? নিন পানি খান। কিসব স্বপ্ন দেখেন কে জানে?
|
ভোরঃঃ (পানি খেয়ে)স্বপ্ন? (আলোর হাত ধরে) ওহ স্বপ্ন ছিলো।
আল্লাহর দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া ওটা স্বপ্ন ছিলো। (মনে মনে)
|
আলোঃঃ হুম স্বপ্ন ছিলো। নিন ঘুমিয়ে পড়ুন এখন।
|
ভোরঃঃ তোমার বুকের উপর মাথা দিবো?
|
আলোঃঃ প্লিজ এভাবে বলবেন আমার বুকটা ফেঁটে যাচ্ছে। (মনে মনে)
|
আলো শুয়ে পড়লো। আলো কিছু বললো না তাই ভোর বেড থেকে নেমে যাচ্ছিলো…
|
আলোঃঃ সমস্যা কি আপনার? ((বিরক্তিকর চেহারা নিয়ে))
|
ভোরঃঃ কেন? ((আলর দিকে তাঁকিয়ে))
|
আলোঃঃ আপনি রাত-বিরাতে চিল্লিয়ে আলো বলে আমার ঘুম ভাঙ্গাবেন আর এখন সারা ঘরে পায়চারী করে বিরক্ত করবেন তা তো হয় না। ঘুমান বলছি। ((একটু উচ্চস্বরে))
|
ভোরঃঃ বালিশে শুলে আমার এখন ঘুম আসবে না। তাই বেলকনিতে যাচ্ছি।
|
আলোঃঃ বালিশে শুলে ঘুম আসবে না কেন? ((ভ্রু কুঁচকে))
|
ভোরঃঃ বুকের ভিতর হাহাকার করবে। আপনি বুঝবেন না। আপনি ঘুমান। ((বিস্বাদ কন্ঠে))
|
আলোঃঃ আমি শুতে বলছি.. এটাই শেষ কথা। (রাগান্বিত চোখে)
|
ভোর ধুম করে শুয়ে পড়লো। একটুপর ভোর নিজেই আলোর বুকের উপর মাথা দিয়ে আলোকে ঝাপটে ধরলো শক্ত করে। আলো কিছু বললো না। চুপচাপ ভোরের হার্টবিট অনুভব করতে লাগলো।
|
প্রায় ১৫ মিনিট পর আলো ফিল করলো ওর বুক ভিজে যাচ্ছে। হাত দিতেই ভোরের চোখে হাত পড়লো আর আলো ফিল করলো ভোরের চোখে পানি.. সাথে সাথে আলো টেবিল ল্যাম্পটা আবার জ্বালালো…
|
আলোঃঃ এই আপনি কাঁদছেন কেন? ((আতংকিত কন্ঠে))
|
ভোরঃঃ এমনি। লাইট অফ করুন। ঘুমাবো। ((চোখের পানি মুছতে মুছতে))
|
আলোঃঃ হুমমম….
|
আলো লাইট অফ করে দিলো। ভোরকে জড়িয়ে ধরলো আর নিজের মনকে অনেক শক্ত করে রাখলো না কাঁদার জন্য। ভোর নিজেকে সামলে নিলো।
এরপর ঘুমানোর চেষ্টা করলো কিন্তু ঘুম আসছে না। শুধু এদিক-ওদিক মাথা করছে। ভোরের নড়াচড়ার জন্য আলোও ঘুমাতে পারছে না। আবার টেবিল লাইটটা অন করে…………..
|
আলোঃঃ উফফফফ… কি শুরু করছেন? ঘুমাতে দিবেন না?
|
ভোরঃঃ ঘুম আসছে না। ((আস্তে করে))
|
আলো ভোরের মাথাটা ধরে রাগী একরা লুক নিয়ে ভোরের ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দেয়। ভোর আলোর ঠোঁটজোড়া পেয়ে নিজের ভিতর সব তৃষ্ণা ছিলো তা আলোর ঠোঁটে মিটাচ্ছে কষ্টের তৃষ্ণা। আলোও বুঝতে পারলো ভোর খুব তৃষ্ণার্ত।
|
৫মিনিট পর ভোর আলোর ঠোঁট ছেড়ে শুয়ে পড়লো জড়িয়ে ধরে আলোকে। আলো ল্যাম্পটা অফ করে দিলো আর ঘুমিয়ে পড়লো ভোরকে আঁকড়ে ধরে।
|
|
|
চলবে…………
((Sorry আমি ৩ বার পর্বটা লিখেছি আর ৩ বারই অটোমেটিক ডিলেট হয়ে গেলো তাই রাগ করে আর লিখিনি গতকাল। আজ লিখলাম। পর্ব এতবার ডিলেট হলে কত কষ্ট লাগে তা শুধু যারা লেখালেখি করে তারাই বুঝবে। ??))
|
((ভুল-ত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন। ধন্যবাদ ?))

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ