Friday, June 5, 2026







স্বপ্নীল ২৬

স্বপ্নীল
২৬
মোবাইল ভিডিও টা দেখে ধপাস করে খাটে বসে যায় প্রাচ্য।হাত থেকে মোবাইল পড়ে যায় খাটের উপরে।কত বড় ভুল করেছে সে!শুধরাবে কি করে।ভুলের সীমালঙ্ঘন করে ফেলেছে সে আজকে তৃণকে থাপ্পড় মেরে।তৃণ কি তাকে কোনো ক্ষমা করবে!প্রাচ্য রোদের দিকে তাকায় করুন চোখে! তা দেখে রোদ বলল,
-“যখন থেকে এখানে এসেছি আমি তখন থেকে তৃণ ব্যাপারে বলতে চেয়েছিলাম।তুই বলছি আমি সাফাই গাইতে আসছি তৃণ হয়ে।আমি এই ভিডিওটা দেখাতে এসেছিলাম যাতে তোর ভুল ভাঙ্গে!আর তুই কি করলি!”
রোদ প্রাচ্য’র পাশে এসে খাটে বসে প্রাচ্য’র কাঁধে হাত রেখে বলল,
-” তুই নিজে ও জানিস তোকে তৃণ কতটা ভালোবাসে! কিন্তু তৃণ সেটা প্রকাশ করেনি।তুই তৃণকে দেখে যতটা স্ট্রং মনে করিস!তার চেয়ে বেশি কষ্ট তার মনে জমে আছে!ওর কষ্ট কাউকে বুঝতে দেয় না।দেখলি না এখানে আসার পর থেকে সেই আগের তৃণ খুজে পেয়েছিস।কিন্তু আমি জানি তৃণ মনে কি কষ্ট নিয়ে সবার সাথে হাসি তামাশা করছে।তার কষ্ট কাউকে বুঝতে দেয় না,নিজের ভিতরে সে কষ্ট লালিত করে।”
প্রাচ্য দুচোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে!রোদ প্রাচ্য’র চোখে পানি মুচে বলল,
-“আমি জানি ভুল বোঝাটা স্বাভাবিক তোর!তোর জায়গা আমি থাকলে সেইম কাজ করতাম। কোনো মেয়েই পারবে না তার ভালোবাসা মানুষকে অন্যের কারো বুকের উপরে।এতে তোর কোনো দোষ নেই!কিন্তু তোর দোষ এটাই তুই সত্যিটা যাচাই করিসনি!”
প্রাচ্য কান্না করতে করতে বলল,
-“আমি ভাবতেই পারিনি টিনাকে আমি থাপ্পড় মেরেছি বলেই সে এত খারাপ একটা কাজ করলো! ছিঃ মানুষের এত নিচু মন মানুসিকতা!ওর বিবেকে বাধঁলো না নিজের নামে এত বড় বদনাম করতে!”
-” তৃণ পিছন ঘুর ঘুর করত!কিন্তু তৃণ তাকে পাত্তাই দেয়নি তাকে বলে দিয়েছে তৃণ তোকে ভালোবাসে! কিন্তু টিনা মানতে নারাজ ছিল। সেদিন তুই ওকে থাপ্পড় মেরেছি বলে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এরকম কাজ করছে!”
-“আমার এখন ইচ্ছা করছে টিনা শাঁকচুন্নি টা কে মাথা ন্যাঁড়া করে দিতে।”
-“সেটা তোকে করতে হবে না!স্বপ্ন আর ধূসর তার ব্যবস্থা করে নিয়েছে!তখন ভিডিও করিছি তোর ভূল ভাঙ্গান জন্য।”
-” তৃণ কি জানে এসব!”
-” না! ”
-“দোস্ত এখন কি হবে!আমি যে তৃণ গায়ে হাত তুলেছি! ক্ষমা করবে তো আমায়!”
-“ভালোবাসে তোকে তৃণ! ক্ষমা না করে যাবে কোথায়? যা জামা কাপড় চেঞ্জ করে আয়! ঠান্ডা লেগে যাবে। ”
প্রাচ্য খুব খুশি! যে বার বার আল্লাহ্‌ কাছে প্রার্থনা করেছে! এটা যেন ভুল প্রামানিত হয়। আজ সেটাই হয়েছে।কিন্তু এখন খুব আফসোস হচ্ছে যেদিন রোদ এটা বলতে এসেছে সেদিন শুনলে আজ এই অঘটন ঘটতো না।হাতে দিকে তাকিয়ে বলল, এই হাত দিয়ে আমি তোকে আঘাত করেছি!একবার ওও আমার হৃদয় কাঁপলো না।তুই আমার অন্যায়ের যা শাস্তি দিবি তাই মাথা পেতে নেব।

রোদ প্রাচ্য রুম থেকে বের হতে কেউ একজন হেচকা টান দিয়ে তার হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছে।প্রথমে বুঝতে না পারলে পরে বুঝে! তাকে আর কেউ এভাবে টেনে নিয়ে যাচ্ছে না!স্বয়ং সমুদ্ররাজা এই কাজ।এই কাজে তার মেজাজ চটে যায়।এমনিতে তৃণ আর প্রাচ্য ব্যাপার নিয়ে মেন্টালে ডিস্টার্ব আছে। এখন আবার তৃণ কি করবে আল্লাহই জানে।কেন যে প্রাচ্য আর এই কাজ করতে গেলো? সমুদ্র তাকে একটা রুমে এনে ধাক্কা মারে! ধাক্কা খেয়ে হুস ফিরে। রোদ রাগি চোখ বলল,
-“এরকম অসভ্যতামীর মানে কি?
সমুদ্র ভ্রু কুঁচকে তাকায়।রোদ আবার বলল
-“আবাল মার্কা সব কাজ কর্ম!যত্তসব! ”
এটা বলে চলে যেতে নিলেই সমুদ্র তার হাত ধরে আঁটকিয়ে তার সামনে এনে বলল,
-“তোর দেখি মুখে বুলি ফুটেছে!ভুলে যাচ্ছিস তুই কার সামনে দাঁড়িয়ে এরকম কথা বলছিস।”
রোদের খুব রাগ হচ্ছে।ইচ্ছা করছে সমুদ্র ব্যাটার মাথা পাটিয়ে দিতে।কোন দেশের মহারাজা সে তার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারবে না।
-“ভাবনার জগৎ থেকে বের হলে ভালো হয় মেডাম!
সমুদ্র বলল।রোদ ভ্রু কুচকে তাকায়। মনে মনে বলল, এইব্যাটা শান্তিতে কল্পনা করতে দিবে না।রোদ,,,রে রোদ এই তুই কারে ভালোবাসলি।তোর কপালে অনেক দুঃখ আছে একে ভালোবাসার জন্য।সমুদ্র বলল,
-“যা প্রশ্ন করবো তার উত্তর দিবি।উলটা পালটা কথা বললে থাপ্পড় একটা ফ্লোরে পড়বে না। ”
রোদের মাথা কিছু ঢুকছে না।কি প্রশ্ন করবে তাকে।সমুদ্র বললো,
-“প্রাচ্য আর তৃণ মধ্যে কোনো প্রেম বা ভালোবাসা বাসি এধরনের সম্পর্ক আছে নি।”
।ভয়ে হাত পা তরতর করে কাঁপছে।কপালের বিন্দু বিন্দু ঘাম জমছে। সে খুব ভালো করে জানে এই প্রশ্ন উত্তর তাকে দিতে হবে। সমুদ্র এই প্রশ্ন করবে রোদ ভাবতে পারনি।এখন কি উত্তর দিবে সে হ্যাঁ, নাকি না।সবার সাথে কথা না বলা ছাড়া হ্যাঁ বলা উচিত হবে না।রোদ ভয় পাবি না! সাহস যোগা! সমুদ্রকে অন্য কিছু দিয়ে বুঝ দিতে হবে।এখন কিছু জানানো যাবে না এই ঘ্যাড়ত্যাড় কে! গলা ঝেরে যে ভ্রু কুচকে বলল,
-“মানে?
-” মানে কি বলছি সেটা আমার চেয়ে তুই ভালো জানিস।একটু আগে বাহিরে থেকে প্রাচ্যকে বাসা ঢুকতে দেখলাম! তার পিছনে তুই ছিলি।কিছুক্ষণ পর দেখি মন খারাপ করে তৃণ ঢুকছে।তোরা তিনজন ছিলি! তার মানে তুই জানিস। বল কি আছে তাদের মধ্যে? ”
-” আজব! কি আজব কথা বার্তা!আমরা বন্ধু তিনজন কি এসঙ্গে থাকতে পারি না? ”
-” কথা ঘোরানো চেষ্টা করবি না।আর আমি জানি তোরা তিনজন বন্ধু! এত প্যাঁচাল না করে সত্যি টা বল! ”
সমুদ্র হাত ঝামটা মেরে ফেলে দিয়ে মেজাজ গরম করে বলল,
-” বাল! কি সত্যি বলবো!
এটা বলে চলে যেতে নিলেই। রোদের হাত ধরে হেচকা টান দিয়ে খাটের উপরে ফেলে দেয় সমুদ্র। রোদ ব্যথায় কুঁকড়োতে থাকে। মাগো,,,,, এই হাতিটা আমার কোমরে হাড়গোড় সব ভেঙে ফেলল।এটা বলে খাটের উপরে বসতে নিলেই সমুদ্রে এসে খাটের সাথে দুইহাত চেপে ধরে দাঁত কিড়মিড়িয়ে বলল,

-” ফাঁপর নিস আমারর সাথে! মেরে ফেলল তোকে আমি!এবার বল ওদের মধ্যে কি চলছে। ”
রোদ কথা বলছে না। কি ভাবে কথা বলবে ৮৫ কেজি ওয়ালা আটা বস্তা যদি তার উপরে পড়ে তাহলে কি জায়গায় থাকার কথা!দম যেন আটঁকে আসছে।সমুদ্র ভার নিতে পাচ্ছে না সে।খুব আস্তে করে অনুনয় সুরে বলল,
-“সমুদ্র ভাইয়া আমার উপরে থেকে একটু সরবেন প্লিজ!”
সমুদ্র ভ্রু কুচকে তাকায়।রোদ আবার বলল,
-“আমি আপনার ভার নিতে পাচ্ছি না ”
এবার সমুদ্র পুরো ভার ছেড়ে দিয়েছে।রোদের মেজাজ খারাপ পর্যায়। সে কেন এই ঘ্যাঁড়ত্যাড়া কে বলতে গেলো? সে খুব ভালো করে জানে এটাকে যেটা বলে তার উল্টা কাজ করে বসে।ঘ্যাঁড়ত্যাঁড়া নাম্বার ওয়ান।হুম!
-“আমার ভার নিতি পারিস না।তোর স্বামীর ভার নিবি কি করে?
রোদ সমুদ্র কথা না বুঝে উত্তর দেয়,
-” আমার স্বামী ভার নিতে যাবো কেন? ”
-“জানিস না কেন নিতে হয়।নাকি আমি প্যাক্টিকেলে দেখি দেব।”
রোদ ভাবতে পাচ্ছে না সমুদ্র তাকে এসব বলছে।নিশ্বাস যেন তার আটকে আসছে।এখুনি সে মরে যাবে। ফ্যাঁস ফ্যাঁস করে বলল,
-“সরেন প্লিজ! ”
-“যদি না সরিয়ে যাই। ”
ভ্রু কুচকে বলল সমুদ্র। রোদ নিজের পা গুলো দিয়ে সমুদ্রকে ধাক্কাতে নিলেই সমুদ্র তার পা দিয়ে রোদের পা গুলো আবদ্ধ করে নেয়। সমুদ্র হাতের তর্জনী আঙ্গুল দিয়ে রোদের কপালে ঘষতে থাকে।সমুদ্রের স্পর্শ রোদের শরীরের শিহরণ জাগিয়ে দিচ্ছে!মাতাল করা একটা স্পর্শ।এই প্রথম সমুদ্র তার এত কাছে এসেছে।কপাল থেকে সমুদ্রের তর্জনী আঙুল নাকে এসে থামে তাতে রোদের হৃদপিন্ড ধুপধুপানি করা শুরু করে দেয়।সেকেন্ড মধ্যে উঠানামা করছে।খুব জোরে যেন শব্দ পাচ্ছে।সমুদ্র কি সেই শব্দ শুনতে পাচ্ছে না? তখনই সমুদ্রের আঙুল রোদের ঠোঁটে পড়ে।তার ঠোঁট দুটো কেঁপে উঠে। অসম্ভব রকম কাঁপছে তার ঠোঁট।যেন তীব্র শীতে খালি গায়ে আছে তাই ঠোঁট দুটো কাঁপনি দিয়ে কাঁপছে।এরকম ভাবে রোদের ঠোঁট দুটোকে কাপঁতে দেখে সমুদ্রের মাথা দূষ্টু বুদ্ধি চাপে।তাই তর্জনী আঙুল দিয়ে ঠোঁটে উপরে স্লাইড করতে হবে। রোদ আর থাকতে পারছে না! এই শিহরণ যে তাকে মেরেই ফেলবে।তাই একহাত অটোমেটিক ভাবে সমুদ্রের পিঠে উঠে যায় খামছি দিয়ে পিঠের টি-শার্ট ধরে। আরেক হাত দিয়ে বিছানার চাদর চেপে ধরে।সমুদ্র এবার নিজের মুখটা এগিয়ে নেয় রোদের ঠোঁটে দিকে।সমুদ্রের নিঃশ্বাস যেন উপছে পড়ছে তার মুখে।মনে ভিতরে সব কিছু উতাল পাতাল করে দিচ্ছে।রোদ আবেশে তার চোখ বন্ধ করে ফেলেছে। এটা দেখে সমুদ্রে বুঝতে বাকি রইল না তার ডাকে হয়তো রোদ সাড়া দিবে।তাই চোখ বন্ধ করে সম্মিত দিচ্ছে।
অনেক্ষণ পর রোদ চোখ খুলে। সে যেটা ভেবেছে সমুদ্র সেটা করেনি।তাই লজ্জা সমুদ্রের চোখে দিকে তাকাতে পাচ্ছে না! লজ্জা যে মরে যাচ্ছে।সমুদ্র নিজের পিঠ থেকে রোদের হাত সরিয়ে ফেলে। এটা দেখে লজ্জা অপমানে রোদের মরে যেতে ইচ্ছা করছে।এত কাছে এসে সমুদ্রে ফিরে দিলো!আর সমুদ্র কি ভাববে!তাকে সম্মিত দিয়েছি আমি!এটা নিয়ে এখন জানি কি ঠাট্টা করে, মরে যেতে ইচ্ছা করছে।ইচ্ছা করছে বিছানা ভেঙে তারপর ফ্লোর ভেঙে মাটির ভিতরে ঢুকে যেতে!এত বড় অপমান!
রোদকে কথা বলছে না দেখে সমুদ্র বলল,
-” তুই কি করে ভাবলি আমি তোর এই পচা ঠোঁটে কিস করে আমার ঠোঁটের টেস্ট নষ্ট করব। ”
রোদের বলতে ইচ্ছা করছে তাহলে কেন এসেছেন এত কাছে।কেন শিহরণ জাগিয়ে দিলেন আমার শরীরে?কেন মাতাল করে দিচ্ছেন। কিন্তু আফসোস সে বলতে পারেনি।এখন তার অপমানে কান্না করতে ইচ্ছা করছে! কিন্তু সে এই সয়তানে সামনে কান্না করে আর কোনো ভাবে অপমানিত হতে চায় না।সমুদ্র বলল,
-” আমি তোকে প্যাক্টিকেল দেখাছিলাম কি করে তোর স্বামী তার শরীর ভর ছেড়ে তোকে আদর করবে।আগে থেকে সহনশীল হওয়া ভালো।তাহলে তোর স্বামী বেচারীকে আর কষ্ট করতে হবে না।”
রোদ ঠোঁট কাঁড়মিয়ে কান্না আটকানোর চেষ্টা করছে।কিছুতে এই জানোয়ার সামনে কাঁদবে না।এর মনে মায়া দরদ বলতে কিছু নেই।রোদ দুইহাত দিকে সমুদ্রের বুকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।সমুদ্র বিছানায় চিৎ হয়ে পড়ে যায়!রোদ যেতে নিলেই সমুদ্র তার হাত ধরে ফেলে হেঁচকা টান মেরে বুকের উপরে ফেলে।টান খেয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে রোদ।রোদের নাক আঘাত খায় সমুদ্রের বুকে। হাত দিয়ে নাক ঘষতে ঘষতে কটমট করে তাকায় সমুদ্রের দিকে।সমুদ্র তার এই চাহনি তোয়াক্কা না করে বলল,
-“কথা আমার শেষ হয়নি।”
এটা বলে রোদের কোমরে চেপে ধরে সঙ্গে সঙ্গে রোদ সমুদের বুকের টি-শার্ট খামচে ধরে।করুণ চোখে তাকায় সমুদ্রের দিকে।
-“এভাবে তাকিয়ে আছি কেন?
-“আমার অস্বস্তি লাগছে ছাড়েন!”
– ” আমি আবার তোকে কখন ধরলাম!”
সমুদ্রের কথা রোদ খুব অবাক হয়।এখন সমুদ্র’র হাত তার কোমরে। আর এখন বলছে সে ধরেনি কি মিথ্যুক ভাবা।রোদ নিজের হাত দিয়ে সমুদ্র হাত কোমর থাকে ছাড়াতে থাকে।কিন্তু পাচ্ছে না সে!সমুদ্র আরো শক্ত করে চেপে ধরেছে।খামছি দিয়ে ধরেছে!ডেপে যাচ্ছে মাংসর ভিতরে।রক্ত বের হচ্ছে ব্যথায় চোখে দিয়ে পানি চলে আসে।তা দেখে সমুদ্র বলল,
– “সামনে ব্যথা সহ্য করতে পাচ্ছি না!যখন তোর স্বামী ফিজিক্যাল রিলেশন করবে তখন কি করে সহ্য করবি!তাই আমি বলছি কি! এখন থেকে একটু আকটু ব্যথা সহ্য করে নেয়।তাহলে পরে তোর স্বামীর কাজে ব্যাঘাত ঘটবে না।আর জানিস তো ছেলেরা ওইসব কাজে ব্যাঘাত ঘটা সহ্য করতে পারে না।মজা পায় না ব্যাঘাত করলে! ”

রাগে ঘেন্না চোখে পানি পড়তে থাকে সমুদ্রের কথা রোদের।এত নিচু মনে মানুষ সমুদ্র।কি সব বলছে।মুখে একটু বাঁধছে না তার।এসব কিছু তোয়াক্কা সমুদ্র না করে তাই আবার বলল,
-“এবার কাজে কথা বলি।সত্যি তো প্রাচ্য আর তৃণ মধ্যে কোনো সম্পর্ক নাই বন্ধুত্ব ছাড়া!
রোদ কোনো কথা না বলে মাথা ন্যাঁড়িয়ে না জানায়।সমুদ্র তাকে খাটের ফেলে উঠে দাঁড়ায়। সে বলল,
-” আমি জানি তুই সত্যি কথা বলছিস না। কোনো ব্যাপার না এটা জানতে বেশি সময় লাগবে না আমার। ”
এটা বলে বেড়িয়ে যায়।আর রোদ ক্ষত জায়গা হাত দিয়ে কান্না করতে থাকে।আর মনে মনে সমুদ্রকে অভিশাপ দেয়। তার যেন একটা শাঁকচুন্নি বঊ কপালে জুটো।যাতে সমুদ্র জীবন তেজপাতা করে দিতে পারে!সেতো আর পারেনি।

# চলবে
#কাউছার স্বর্ণা

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ