Friday, June 5, 2026







শুধু তুই Part-09

#শুধু তুই#
#Part_09
Writer_ Raidah Islam Nova

ফারিশ এখনো পেছন দিকে ঘুরে আছে।আমি মনে মনে ভাবলাম এই সুযোগ।তার কাছের থেকে পালিয়ে যাওয়ার।আমি পালানোর জন্য পেছন ঘুরলে হেচকা টানে আবার দেয়ালের সাথে হাত চেপে ধরলো।

ফারিশঃ কোথায় যাচ্ছো?
আমিঃ মি. নাহান আমার জন্য ওয়েট করছে?

নাহানের নাম শুনতেই ফারিশের মাথায় আগুন জ্বলে
উঠলো। আমাকে জোরে একটা ধমক দিলো।তার ধমকে আমি কেঁপে উঠলাম।

ফারিশঃ সারাক্ষণ নাহান নাহান করো কেন? আমার সামনে আরেকবার নাহানের নাম নিলে কষিয়ে একটা চর মারবো।মনে রাখবি আমার #শুধু তুই# অন্য কারো না।আমি অন্য কারো হতে দিবো না।
আমিঃ আমি বলতে চাইছিলাম নাহান আমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমার সেখানে যাওয়া উচিত।
( ভয়ে কাঁপা কাঁপা গলায়)

ঠা-সসসসসস—-করে একটা চড় পরলো আমার গালে।আমি একহাত দিয়ে গাল ধরে রেখেছি।ফুপিয়ে কেঁদে উঠলাম।

ফারিশঃ ওর নাম নিতে মানা করছি। তারপরও নিচ্ছো।কতবার বোঝাবো ওর নাম আমি তোমার মুখে শুনতে পছন্দ করছি না।ওর আশেপাশে তোমাকে দেখলে আমার সহ্য হয় না।তুমি কি এতোটাই অবুঝ।

আমিঃ ই ই ই?? আমি বাড়ি যাবো আপনার সাথে থাকবো না।আমায় বাড়ি দিয়ে আসুন।
( ন্যাকা কান্না করে)

ফ্লোরে বসে হাত- পা ছুড়ে জোরে জোরে মরা কান্না শুরু করলাম।আমায় চড় মেরেছো চান্দু তোমাকে যদি সবার কাছে গণ ধোলাই না খাওয়াই আমার নাম ও আইভি ইসলাম নয়।

ফারিশঃ এই আইভি তুমি এভাবে কাঁদছো কেন? কেউ এসে পরলে সমস্যা হয়ে যাবে।প্লিজ চুপ করো।
(ব্যস্ত হয়ে)

আমিঃ ?? এভাবে কাউকে মারে।আমার মারির দাঁত গুলো সব লড়ে গেছে।আস্তে দিলে কি হতো?আমি এখন জোরে জোরে চিৎকার করে কাঁদবো।
(কি ভেবেছো আমাকে, ছেরে দিবো তোমায়? কিছুতেই না।ঘুঘু দেখেছো ফাদঁ দেখোনি।এবার বুঝবে আইভি কি চিজ?ধলাচান মিয়া,তুমি আমায় থাপ্পড় মেরেছো এর সাজা তো আমি তোমাকে দিবোই দিবো।)(মনে মনে শয়তানি হাসি দিয়ে )

মনে মনে এসব ভেবে আরো জোরে জোরে হাত- পা ছুড়ে কাঁদতে লাগলাম।ফারিশ আমার সামনে এসে আমার গালে আলতো করে হাত রেখে শান্ত কন্ঠে বললো।

ফারিশঃ প্লিজ লক্ষ্মীটি চুপ করো।কেউ তোমাকে কাঁদতে দেখলে ঝামেলায় পরে যাবো।এটা পাবলিক প্লেস।তুমি আমার টুনটুনি পাখি।আমার জান পাখি টুনটুনি।আমি তোমাকে এই নামেই ডাকবো।
প্লিজ এমন করো না।

আমিঃ ঐ মিয়া কে টুনটুনি?আমি কারো টুনটুনি পাখি নই।থাপ্পড় মারার সময় মনে ছিলো না।এখন এসেছে টুনটুনি বলে ভালবাসা দেখাতে। ই ই ই ই আমি বাসায় যাবো।?থাকবো না এখানে।

জোরে জোরে হাত- পা ছুড়তে লাগলাম।বাচ্চাদের মতো জেদ করা শুরু করলাম।ফারিশ আমার মুখ চেপে ধরে ধমকে উঠলো।

ফারিশঃ চুপ একদম চুপ।কোনো কথা নয়।আরেকবার কাঁদলে দুই গালে আরো দুইটা পরবে।
আমিঃ ই ই ই আমি বাসায় যাবো। আপনি আমাকে মারছেন। আমি আপনার সাথে থাকবো না।
ফারিশঃ আরেকটা কথা বললে তুলে কাজী অফিস নিয়ে যাবো।
আমিঃ এ্যাঁ?। আপনি কাজী অফিসে গিয়ে কী করবেন?
ফারিশঃ তোমাকে বিয়ে করবো।
আমিঃ বাংলা মুভির ডায়লগ দেন কে?
?? আপনারা মাথার তার কয়ট ছিড়েঁ গেছে??
ফারিশঃ এখনো ছিঁড়ে নি। তোমার সাথে থাকলে ছিঁড়ে যাবে।বাসায় চলো।
আমিঃ আমি একা যেতে পারবো।
ফারিশঃ চুপ।চলো আমার সাথে।
আমিঃ আমি আপনার সাথে যাবো না।

ফারিশ সামনে এগিয়ে এসে আমাকে কোলে তুলে নিলো।আমি চোখ দুটো রসগোল্লার মতো করে তার দিকে তাকিয়ে আছি।এক হাত দিয়ে তার শার্টের কলার খামচে ধরেছি।কেন জেনো আমার মনে হচ্ছে সারা পৃথিবী ঘুরছে।পূর্ব দিকের দরজা দিয়ে আমাকে কোলে তুলে বের হয়ে গেল।রাস্তার দিকটায় তেমন কোনো মানুয নেই।আমি ন্যাকা কান্না বন্ধ করে হা করে তার মুখের দিকে তাকিয়ে আছি।

উনি আমাকে কোলে নিয়ে আপন মনে হাটছেন আর আমি সুক্ষ্ম চোখে তার মুখটাকে পর্যবেক্ষণ করছি।চেহারাটা অতিরিক্ত ফর্সা।চোখ দুটো বিড়ালের মতো।কিন্তু চেহারার সাথে বেশ মানিয়েছে চোখ দুটো। কানের কিছুটা সামনে একটা কালো তিল।ইস,সিল্কি চুলগুলো বেশি সুন্দর। ইচ্ছে করছে হাত দিয়ে এলোমেলো করে দেই।আমার মনে হচ্ছে আমি তালগাছে চড়েছি।আমাকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে ফারিশ গলা ঝারলো।

ফারিশঃ টুনটুনি পাখি, আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছো কেন?মনে হচ্ছে জীবনে ছেলে দেখোনি।হয়েছে আমাকে আর চোখ দিয়ে গিলে খেতে হবে না।

আমিঃ বয়েই গেছে আপনার দিকে তাকিয়ে থাকতে।আর কি বলছিলেন? জীবনে আমি ছেলে দেখেনি।ছেলেতো অনেক দেখেছি কিন্তু এত বড় তালগাছ ও দামড়া খাসি আগে দেখিনি।( ভাব নিয়ে)

ফারিশঃ কি বললে তুমি টুনটুনি ? দাঁড়াও তোমাকে কোলের থেকে ফেলে দিবো।
আমিঃ এই এই একদম না।আমার কোমড় ভেংগে যাবে।কোমড় ভেংগে গেলে আমি মরে যাবো।আর মরে গেলে আমার স্বামী বিয়ের আগে বিধবা হয়ে যাবে।
ফারিশঃ বিয়ের আগে বিধবা কি করে হয়? ছেলেরা তো স্ত্রী মারা গেলে বিপত্নীক হয় বিধবা নয়।
( ভ্র কুঁচকে)
আমিঃ ঐ ঐ একই হলো।(বাপরে এতো কিছু জানে কি করে? মনে হচ্ছে বাংলা ব্যাকরণের ব্যাপারে ভালোই জ্ঞান আছে।)
(মনে মনে )
ফারিশঃ আমরা এসে পরেছি।

ফারিশ আমাকে কোলের থেকে নামিয়ে দিলো।একটা রিকশা ডেকে নিজে চড়ে বসলো।

ফারিশঃ তোমাকে কি আলাদা করে ইনভেটেশন দিতে হবে রিকশায় ওঠার জন্য।জলদী ওঠো।
আমিঃ আমি আপনার সাথে কোথায় যাবো?
( অবাক হয়ে)
ফারিশঃ তোমাদের বাড়িতে।
আমিঃ আমি বিনা দাওয়াতে কাউকে আমাদের বাসায় নেই না।আপনার কি লাজ -লজ্জা নেই। দাওয়াত ছারা অন্যের বাসায় যেতে চান।( ভাব নিয়ে)
ফারিশঃ তুমি কি উঠবে নাকি অন্য ব্যবস্থা নিবে?
আমিঃ উঠছি, উঠছি।ধমক দেওয়া আর মাথা গরম করা ছারাতো আপনি আর কিছু পারেন না।

আমি চুপচাপ করে রিকশায় উঠে বসলাম।নইলে আবার যদি একটা থাপ্পড় মারে।সারা রাস্তায় কেউ কথা বলি নি।বাসার সামনে এসে আমি নেমে পরলাম।গেইট দিয়ে ভেতরে ঢুকে আমি ফারিশকে জোরে চেচিয়ে বললাম।

আমিঃ ধলাচান মিয়া,লম্বু, তালগাছ।
ফারিশঃ টুনটুনি,কালকে ভার্সিটিতে যেয়ে নেই।আমাকে ধলাচান মিয়া,লম্বু তালগাছ বলার শোধ একটা একটা করে তুলবো।
আমিঃ কচু করবেন।আমায় হাতের নাগালে পেলেতো।( হাতের বুড়ো আংগুল উঁচু করে দেখিয়ে)
ফারিশঃ সেটা তো আগামীকাল দেখা যাবে।

আমি ভেংচি কেটে বাসার ভেতর ঢুকে পরলাম। ফারিশ মুচকি হাসতে হাসতে রিকশাওয়ালাকে রিকশা ঘুরাতে বললো।

এক বন্ধু খুশি মনে মুচকি হাসতে হাসতে বাসায় গেল।আরেকজন দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় গেলো।কি আজব দুনিয়া?

???

নাহানের হঠাৎ খেয়াল হলো অনেকক্ষণ ধরে আইভি ওয়াশরুম গিয়েছে। কিন্তু এখনো আসে নি।কোনো বিপদ হলো না তো।নাহানের অফিসে আগামীকাল একটা জরুরি মিটিং আছে।তার প্রেজেন্টেশন তার পি.এ কে ফোনে বুঝিয়ে দিচ্ছিলো।তাই এতোখন আইভির কথা একটুও মনে নেই।

নাহানঃ আশ্চর্য,মেয়েটার কি কমোন সেন্স বলতে কিছু নেই। এতোক্ষণ ওয়াসরুমে কি করে? আমি কখন থেকে এখানে বসে আছি তার কোনো খেয়ালও নেই।এক মিনিট( একটু ভেবে) আবার কোনো অঘটন ঘটায় নি তো।নিজের প্রতি তো কোনো খেয়াল নেই।

নাহান তারাহুরো করে ওয়াসরুম দিকে ছুটলো।সেখানেতো আইভিকে দেখা যাচ্ছে না।ভেতরে ঢুকবে কি না তা ভেবে ইতস্ততায় পরে গেল।

নাহানঃ ভেতরের দিকটায় কি ঢুকবো? যদি কোনো মেয়ে দেখে ফেলে তাহলে তো নির্ঘাত পাবলিক প্লেসে সবার হাতে গণ ধোলাই খাবো।না গেলে তো বুঝতে ও পারবো না আইভি ভেতরে আছে কি না।যদি অজ্ঞান হয়ে পরে থাকে।

টেনশনে পরলে মানুষের মাথা এমনেই খারাপ হয়ে যায়।সাধারণ বোধ শক্তিটাও হারিয়ে যায়।ঠিক তেমনটাই হয়েছে নাহানের ক্ষেত্রে।নাহান এতকিছু কে নিজের মন থেকে ঝেরে ফেলে ভেতরের দিকে শুধু মাত্র মাথা ঢুকিয়ে উঁকি দিয়েছে।অমনি একটা মেয়ে ওকে দেখে ফেললো।কথায় আছে না যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়।মেয়েটা তো নাহান কে উরাধুরা বকছে।ধমকে বললো–

— এই আপনি মেয়েদের ওয়াসরুমে কি করেন?
উঁকি – ঝুঁকি মারছিলেন কেন?

নাহানঃ আসলে আমি একজনকে খুঁজতে এসেছি।
—- খাটাশ লোক,ফাইজলামি পেয়েছেন।মেয়েদের ওয়াসরুমে আপনি কাউকে খুঁজতে এসেছেন।আপনি বললেন আর আমি বিশ্বাস করবো।মেয়েদের ওয়াশরুমে এসে লুচুগিরি হচ্ছে।লুকিয়ে লুকিয়ে মেয়েদেরকে দেখা হচ্ছিলো।
নাহানঃ আপনি ভুল বুঝচ্ছেন এমন কিছুই না।
মেয়েটি এবার জোরে চেঁচিয়ে বললো—
এসব মন গরা কথা বলে লাভ হবে না।আমি এখনি ম্যানেজারকে ডাকছি।ম্যানেজার, ম্যানেজার—
নাহানঃ দেখুন আপনি যেরকম ছেলে ভাবছেন আমি সেরকম ছেলে নই।আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে।
— আপনি কি রকম ছেলে আমার বোঝা হয়ে গেছে।যে ছেলে মেয়েদের ওয়াসরুমে উঁকি – ঝুঁকি মারে সে কি রকম হতে পারে তা আমার জানা আছে।

মেয়েটার চিৎকারে ইতিমধ্যে অনেক মানুষ জোরো হয়ে গেছে।অনেক কষ্ট করে অনেকখন পরে বেশ খানিকটা নাকানি-চুবানি খাইয়ে মেয়েটা নাহানকে ছার দিলো।নাহানের এখন আইভির ওপর প্রচুর রাগ উঠছে।কারণ মেয়েটা ঝামেলা করে যাওয়ার পর নাহান এক ওয়াটারের মাধ্যমে জানতে পেরেছে আইভি আরো আধ ঘন্টা আগে এখান থেকে বেরিয়ে গেছে।নাহানের রাগে হাতের ও কপালের রোগ ফুলে উঠেছে।সামনে থাকা একটা চেয়ারকে জোরে লাথি মেরে কফি হাউস থেকে বের হয়ে গেল। গাড়ির ড্রাইভিং সিটে বসে গাড়ি চালাচ্ছে আর রাগে বিরবির করছে।

নাহানঃ এতো কেয়ারলেস কি করে হতে পারে মেয়েটা? আমাকে রেখেই চলে গেলো।আমাকে একবার বলার প্রয়োজনটাও মনে করলো না।বাগে পেয়ে নেই ওর তেরটা বাজিয়ে ছারবো।আজ ও থাকলে কি আমাকে এতো অপমানের মুখে পরতে হতো।ডেম ইট।সত্যি কোনো কমন সেন্স নেই মেয়েটার।কাল ওর খবর নিয়ে ছারবো।নইলে আমার নামও নাহান চৌধুরী নয়। ( রেগে)

???

রিনি টিউশনি করে তারাতাড়ি করে বাসায় ফিরছিলো।সন্ধ্যা হয়ে আসছে।এভাবেই দিন কাল ভালো না।নিজের মান- সম্মান নিয়ে ভয় আছে।হঠাৎ কেউ রিনিকে চোখ ধরে অন্যদিকে নিয়ে গেল।রিনি জোরে চিৎকার দিলো।কিন্তু তারপরও মানুষটা চোখ ছারছে না।অনেকটা দূরে এনে ব্যাক্তিটা ওর চোখ ছেরে দিলো।চোখ খুলতেই সামনে থাকা ব্যাক্তিটাকে দেখে ভয় পেয়ে গেল।হাত- পা অলরেডী কাঁপছে।

রিনি কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বললো ——- আআআপপনিনিনি????

( কে হতে পারে সামনে থাকা ব্যাক্তিটা?? আপনারা কি জানেন???? আমি জানি কিন্তু বলবো না☺️।দেখি আপনারা কে সঠিক উত্তর দিতে পারেন।)

(চলবে)

#

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ