Friday, June 5, 2026







শিউলি পাওয়া পর্ব-০৭

#শিউলি_পাওয়া <সপ্তম পর্ব>
#ঈপ্সিতা_মিত্র
<১১>
অষ্টমীর সকাল | মানেই মণ্ডপে অঞ্জলি দেয়ার লাইন , মাইকে এনাউন্সমেন্ট ক রাউন্ড অঞ্জলি হয়েছে , আর ক রাউণ্ড অঞ্জলি এখনো বাকি আছে , সব দাঁড়িয়ে থাকা লোকগুলোর মধ্যে অদ্ভুত একটা তাড়া , কে আগে ফুল পাবে , কে আগে ফুল ছুঁড়ে মায়ের পায়ের কাছে নিজের মনের আর্জিগুলো পৌঁছে দিতে পারবে ! চারিদিকে যেন একটা হুড়োহুড়ি , ধাক্কাধাক্কি | দীপ এইসবই দেখছিলো মণ্ডপের একটা কোণায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে | খুব মন দিয়ে | আসলে এই সব দৃশ্যগুলো ওর কাছে ভীষণ নতুন | বোম্বেতে থাকার সময় কোনো অষ্টমীর সকালেই আর গরজ করে উপোষ করে অঞ্জলি দিতে যায়নি | আর কোনোদিনই বিশেষ একটা উইশ লিস্ট ছিল না ওর মনে | আসলে দীপের কাছে ছোটবেলা থেকেই জীবন মানে হলো এডজাস্টমেন্ট | আর এমন একটা হিসেব, যেখানে চাওয়া পাওয়ার লিস্টগুলো মেলে না বিশেষ | তাই ঠাকুরের পায়ে ফুল ছুঁড়তে যাওয়ার কম্পিটিশনে ও কখনো নামও লেখায়নি নিজের ! তবে আজ এসেছে অনিন্দর মা বাবার জন্য | স্পেশালি অঞ্জলি দেয়ার জন্য ওরা একটা তসরের পাঞ্জাবি গিফ্ট করেছে দীপকে | তাই আজকে ওদের মন রাখতেই এই লাইনে দাঁড়ানো | এইসবই ভাবছিলো মনে মনে, তখনই হঠাৎ একজনের গলার আওয়াজ শুনলো ,
” কি হলো ? কি এতো ভাবছো মন দিয়ে ? তবে একটা কমপ্লিমেন্ট আজ দিতেই হচ্ছে | পাঞ্জাবিতে বেশ মানিয়েছে কিন্তু |” …
কথার মুখে এই কথাটা শুনে দীপের মুখে হাসি .. ” থ্যাংক ইউ .. আই এম অনার্ড … কিন্তু আজকে তোমাকেও একটা কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি | শাড়ি পড়লে বেশ আলাদাই লাগে তোমাকে | লুকিং বিউটিফুল .. “….
যাক , নোটিশ করেছে তাহলে | ভেবেই কথার মনটা খুশি খুশি হয়ে গেলো | এর মধ্যে অঞ্জলি দেয়ার ডাক পড়ে গেছে ওদের | এটাই শেষ ব্যাচ | এবার মিস করলে আবার পরের বছর ডাক আসবে | ভেবেই তাড়াহুড়ো করে কথা আর দীপ ভিড়ের মধ্যে দাঁড়ালো | আজকে ওরা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে অঞ্জলির মন্ত্রোচ্চারণ করলো | সেই চতুর্থীর দিন যখন প্রথম দেখা হয়েছিল তখন তো ওরা ভাবতেই পারেনি যে ওদের মধ্যে ঝগড়া ছাড়াও কখনো নর্মাল কথা হতে পারে ! তবে আজ সব হিসাব পাল্টে গেছে | আসলে এটাই তো জীবনের নিয়ম | মানুষ যেটা ভাবে না কখনো , বেশির ভাগ সময় ঠিক সেই সেই জিনিসগুলোই তার জীবনে ঘটে যায় | এই যেমন এখন দীপ কথাকে একটা অদ্ভুত প্রশ্ন করে ফেললো, একেবারে হিসেবের বাইরের ,
” তুমি আজকে সন্ধ্যেবেলা কি করছো ? কোনো প্ল্যান আছে ?”
” আর কিসের প্ল্যান ! দিদি তো অনিন্দদাকে পেয়ে আমাকে ভুলেই গেছে | তাই নো প্ল্যান |”
” আমারও সেম কেস | ভূমিকে পেয়ে আমার বন্ধু আর আমাকে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না | এনিওয়ে , কি আর করা যাবে ! তো আমরা দুজনে আজকে একসঙ্গে ঠাকুর দেখতে পারি না ? ”
এই প্রস্তাবটা শুনে কথা চোখ বড় বড় করে বললো,
” আমার সাথে ঠাকুর দেখবে ! তুমি ! .. আচ্ছা একজন একদিন আমাকে বলেছিলো যে আমি না কি এতো বকবক করি যে লোকজনের মাথা খারাপ হয়ে যায় | তারপরেও ?”
এই প্রশ্নে দীপ আলতো হেসে বলেছিল,
” এখন অভ্যাস হয়ে গেছে | চার দিন তো হলো |”
” ওহ , আচ্ছা আচ্ছা | বুঝলাম |” ……. কথাটা শেষ করেই কথার মুখে এক চিলতে হাসি | এখন আর দীপের কথায় রাগ হয় না ওর | বরং অদ্ভুত একটা ভালো লাগা ঘিরে ধরে মনটাকে | তাহলে কি কথারও অভ্যাস হয়ে গেছে ! সত্যিই তো , চারটে দিন কেটে গেলো | দেখতে দেখতেই |
সেদিন অষ্টমীর সন্ধ্যেবেলা কথা একটু বেশিক্ষণ সময় নিয়ে দাঁড়িয়েছিল আয়নার সামনে | আশমানি রঙের ওড়নার সাথে ম্যাচিং কানের দুলটাকে ঠিক লাগছে তো ! চোখের কাজলটা বেশি হয়ে যায়নি মনে হয় ! আসলে কাজল ছাড়া ও তো নিজের চোখটাকে ভাবতেই পারে না কখনো | আর চুলটা আজকে খোলাই রাখবে | সবাই বলে ওকে না কি খোলা চুলে বেশি সুন্দরী লাগে | কিন্তু আজ কেন এইসব এতো বেশি করে মনে হচ্ছে ! আজকে কি কথা নিজেকে অন্য একজনের চোখ দিয়ে দেখতে চায় ! তাই এতো ভাবনা চিন্তা এসে ভিড় করছে ! কে জানে , আসলে কিছু প্রশ্নের উত্তর এতো সহজে আর এতো তাড়াতাড়ি পাওয়া যায় না | আবার কিছু অনুভূতির কোনো ব্যাখ্যাও অনেক সময় আমাদের মন হাজার খুঁজেও পায় না | কি করছে , কেন করছে সেইসব কারণ গুলো মাঝে মাঝে নিজেরই অজানা হয়ে থাকে | এই যেমন কথা , একদিন আগেও কি ভাবতে পেরেছিলো যে ওই ঝগড়ুটে ছেলেটার মুখ আজকে ড্রেসিং টেবিলের আয়নার সামনে কাজল লাগাতে লাগাতে হঠাৎ চোখের সামনে ভেসে উঠবে ! একটা ভালো লাগা ছড়িয়ে থাকবে ওর চারিদিকে ওই প্রবাসী বাঙালির জন্য ! ওর কথা ভাবলেই হঠাৎ মুখে একটা হাসি চলে আসবে, একদম বিনা নোটিশে ! না , সত্যি এতো কিছু ভাবেনি কখনো | এইসবই হচ্ছে একদম হিসাবের বাইরে | উপরি পাওনা |
এইসব ভাবনার ভিড়েই সেইদিন ঠিক সাতটার সময় পাড়ার মণ্ডপের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল কথা | দীপ আসলেই একসঙ্গে বেরোবে | অষ্টমীর সন্ধ্যেবেলার পুজো শুরু হয়েছে এখন | মণ্ডপে বেশ ভালোই ভিড় | অনেক অচেনা লোক ওর আশেপাশে | কিন্তু কথার চোখ এদিক ওদিক তাকিয়ে সেই একটা চেনা মুখকেই খুঁজছে ! আর তখনই ভিড় ভেঙে সেই ছেলেটা হঠাৎ ওর সামনে |
আজকে কি এই আশমানি রঙের ওড়নায় কথাকে রোজের থেকে একটু বেশিই সুন্দরী লাগছে ! কথাটা মনের মধ্যে এসেই মিলিয়ে গেলো দীপের | কি হচ্ছে আজকাল কে জানে ! মাঝে মাঝেই এই রকম ওলোট পালট চিন্তা মাথায় আসছে এই মেয়েটাকে দেখে | দু দিন আগেও ঠিক এই রকমটা ছিল না | তখন তো কথার আর এক নাম মাথা ব্যাথা ছিল দীপের কাছে | যার সাথে দশ মিনিট শান্তি স্থাপন করে চলা অসম্ভব | যার সাথে কথা কম আর ঝগড়া বেশি হতে পারে , ব্যাস | কিন্তু এখন তো আর এই রকমটা মনে হয় না | এই যেমন আজকে সকালবেলা অঞ্জলি দেয়ার সময় মনে হলো সন্ধ্যেটা এই মেয়েটার সাথে কাটালে কেমন হয় ! তারপর এখন , ঠাকুর দেখতে দেখতে , একসঙ্গে এই ভিড় রাস্তায় পা মেলাতে মেলাতে , আইসক্রিম , ফুচকা আর ভেলপুরীর মাঝে একটা আলাদা ভালো লাগা ঘিরে ধরে আছে ওর মনটাকে | মনেই হচ্ছে না যে সঙ্গে আছে সে মাত্র চার দিনের চেনা , বরং মনে হচ্ছে যেন অনেকদিন হয়ে গেছে ওদের দেখা হয়ে , অনেক সময় কাটিয়েছে ওরা একসঙ্গে , অনেক রাস্তা হেঁটেছে একে অপরের সাথে পা মিলিয়ে ! আচ্ছা , মানুষের মন কি এতটাই পরিবর্তনশীল ! যে কোনো কারণ ছাড়াই , কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই , হঠাৎ করে এক মুহূর্তেই একজন অচেনা কেউ খুব চেনা হয়ে যায় , খুব নিজের হয়ে যায় | যার সাথে জীবনেও দরকার ছাড়া কথা হবে না বলে একটা সময় মনে হয়েছিল , তাকেই আজকে নিজের পুরো জীবনের পাতাগুলো পড়ে শোনাতে ইচ্ছে করে | যেই কথাগুলো কখনো কাউকে শেয়ার করা হয়নি , সেইসব জমা কথাই হঠাৎ করে বলে ফেলতে ইচ্ছে করে ! এইসবই ভাবছিলো মাঠের ধারে বসে বসে | এটা চুঁচুড়ার সেকেন্ড গ্রাউন্ড | আগে পড়ে আরো দুটো মাঠ আছে | আর তার মাঝখানে দিয়ে চলে গেছে রাস্তা | সেই রাস্তার পাশে সার দিয়ে লাগানো অনেক গাছ | পুজোর জন্য এই পুরো মাঠের ধারটাকেই আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে | ছোট ছোট টুনিগুলো যেন তারার মতন জ্বলছে চারিদিকে | আর একটু দূরেই আবার মহসিন কলেজ | সেখানে বেশ বড়ো করে একটা দূর্গা পুজো হয় | সেই পুজো মণ্ডপের মাইকেই বাজানো হচ্ছে রবীন্দ্রসংগীত , ” খেলাঘর বাঁধতে লেগেছি , আমার মনের ভিতরে ||” , গানটা দীপের খুব প্রিয় ছোট থেকেই | দিদা মাঝে মাঝে গুনগুন করতো, দাদুর আবদারে আবার কখনো কখনো তানপুরা নিয়ে গানটা শোনাতেও বসে পড়তো | আর এই গানের কথাগুলো দীপের মনের কষ্টটাকে যেন বাড়িয়ে দিতো আরও বেশি করে ! ও নিজেও তো ছোট থেকে একটা ‘খেলাঘর’ই খুঁজেছে নিজের জন্য | এমন একটা ঘর , যেখানে দিনের শেষে ফিরে যেতে পারবে | যেই ঘরের দরজা খুলে অপেক্ষা করবে কিছু নিজের লোক | মা , বাবা কে নিয়ে একটা ছোট্ট ফ্যামিলি | যেখানে কেউ আলাদা না , কেউ দূরের না , সবাই একসাথে , একদম নিজের | এই গানের সুরটা শুনে হঠাৎ এই না পাওয়া গুলো এসে ভিড় করেছিল দীপের মনে , তখনই হঠাৎ কথার আওয়াজে ঘোরটা কাটলো ,” কি হলো দীপ ? চুপ করে যে ?” আর ওর অবচেতন মনটা ভেঙে আবার চেতন মনে ফিরে এলো দীপ | তারপর একটু হেসে বললো ,
” কেন ? দশ মিনিট হয়ে গেছে না কি !”
” আবার শুরু হলো ! না , হয়নি দশ মিনিট | তো ? তাহলে কি চুপ করে যেতে হবে |”
” তো কি বলবো ?”
” আচ্ছা, তোমার ব্যাপারে কিছু বলো | কে কে আছে তোমার বাড়িতে ?”
” কেউ না | আমার বাড়িতে আমি একাই থাকি |”
” মানে ? ” … কথা এই রকম একটা উত্তরের জন্য একেবারেই তৈরী ছিল না | আসলে চারদিনে কখনো আলাদা করে দীপের ব্যাপারে কিছু জানাই হয়নি | তাই একটু অবাকই হলো ! হঠাৎ করে এই প্রশ্নটা করে ঠিক করলো তো ! দীপের থমথমে মুখটা দেখে এটাই মনে হচ্ছিলো ওর | তবে কয়েক সেকেন্ডের নিঃস্তব্ধতা ভেঙে দীপ নিজেই বলে উঠলো ,
” আমি তখন পাঁচ বছরের ছিলাম | এই রকমই একটা দূর্গা পুজোর আগে বাবা মার্ ডিভোর্সটা হয়ে যায় | তারপর থেকেই হোস্টেল এ !”
কথা এই রকম একটা উত্তর পাবে , এটা ভাবতেও পারেনি ! তাই কোনো রকমে নিজেকে সামলে বলেছিলো, ” ওহ , আই এম রিয়ালি সরি | আমি এই ব্যাপারে সত্যি কিছু জানতাম না |”
দীপ এটা শুনে একটু জোর করে হাসার চেষ্টা করে বলেছিলো , ” তুমি কেন সরি বলছো ! যাদের বলার তারা তো কখনো বলেনি | কখনো মনেও হয়নি ওদের | মা আর বাবা দুজনেই আবার বিয়ে করে নিয়েছে | বেশ ভালোই আছে এখন ওরা | নতুন লাইফ , নতুন ফ্যামিলির সাথে | ওহ হ্যাঁ, কিন্তু একটা কথা বলতেই হবে , প্রত্যেক মাসে আমার একাউন্টে ভালোই টাকা ট্রান্সফার করে ওরা | ব্যাস, আর কি ! দ্বায়িত্ব শেষ |”
এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলেছিল সেইদিন দীপ | অনেকদিনের জমা কথা, জমাট কষ্ট | একটা দম বন্ধ করা যন্ত্রণা, যেটা চব্বিশটা ঘন্টা ওর মধ্যে থাকে | যার ভাগ কখনো কাউকে দেয়া যায় না ! এইসব ভাবতে ভাবতেই আনমনে কথার চোখের দিকে তাকিয়েছিলো দীপ | আর খেয়াল করেছিল এখন কথার চোখটাও ভিজে | নিজের কষ্টের একটা ভাগ যেন ও কথার চোখে দেখতে পাচ্ছিলো সেইদিন | কখনো ভাবেনি , এই চারদিনের আলাপে কাউকে নিজের যন্ত্রণার ভাগও দেয়া যায় ! তাই নিস্পলক দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়েছিলো | আর তখনই অনুভব করেছিল একটা স্পর্শ | ওর হাতের ওপর কথার হাতের স্পর্শ | না , সেইদিন আর কোনো কথা বলেনি কথা | কোনো স্বান্তনা দেয়ারও চেষ্টা করেনি দীপকে | শুধু খুব শক্ত করে ওর হাতটা ধরেছিলো | যেন বোঝাতে চেয়েছিলো একটা স্পর্শে , যে ‘তুমি একা নও , সঙ্গে আছি , সঙ্গে থাকবো |’

<চলবে>

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ