Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"শরতের শুভ্র মেঘের ভেলায়শরতের শুভ্র মেঘের ভেলায় পর্ব-৮+৯

শরতের শুভ্র মেঘের ভেলায় পর্ব-৮+৯

#শরতের_শুভ্র_মেঘের_ভেলায়(৮)
Sadia afrin nishi
____________________________

আজানের ধ্বনি কর্ণপাত হতেই আমার ধ্যান ভাঙল।অতীতের স্মৃতি থেকে বেড়িয়ে বাস্তবতার মুখোমুখি হলাম।রোবটম্যান এখনো রুমে ফেরেনি।আমার কেমন জানি রোবটম্যানের চরিত্র অদ্ভুত টাইপ’স লাগে।বিছানা থেকে নেমে আলমারি থেকে একটা শাড়ি চুজ করে নিলাম পড়ার জন্য। আগে আমি সবসময় থ্রি-পিস পরতাম কিন্তু এখন তো আমার বিয়ে হয়ে গেছে থ্রি-পিস পরলে যদি রোবটম্যান রেগে যায় এটা ভেবেই শাড়ি নিলাম।অতটা ভালো শাড়ি পরতে না পারলেও মোটামুটিভাবে শাড়িটা গাঁয়ে জড়িয়ে, ফ্রেশ হয়ে, অজু করে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে এলাম।বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে নিজের এই একাকিত্ব জীবনে আল্লাহর ইবাদাতকেই নিজের সঙ্গী করে নিয়েছি।এখন বুঝতে পারছি জীবনের কতগুলো দিন নষ্ট করেছি।শুরু থেকেই আল্লাহর প্রতি ভরসা করা উচিত ছিল। আল্লাহ কাউকে কখনো হতাশ করেন না।মন থেকে আল্লাহকে ডাকলে তিনি অবশ্যই মানুষের মনের আশা পূর্ণ করেন।আল্লাহর কাছে আমার শুধু এখন একটাই চাওয়া, “আমি যে আমার মৃত বাবার আমাকে নিয়ে দেখা স্বপ্নটা সত্যি করতে পারি”।আমি এখন থেকে প্রাণপণে শুধু সেটাই করার চেষ্টা করবো।

ফজরের নামাজ আদায় শেষে কুরআন তেলওয়াত করলাম প্রায় ঘন্টা খানেক।ঘড়ির কাটায় এখন কেবল ভোর ছয়টা।এতো সকালে একা একা কী করবো ঘরে বসে।ক্ষুধাও লেগেছে খুব।ক্ষুধার জন্য ঘুমও আসছে না। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে রোবটম্যান আমার খোঁজ-খবর নিয়েছে আমাদের বাড়িতে গিয়ে কিন্তু কখনো তার বাড়িতে নিয়ে আসেনি আমাকে।এই প্রথম আমি তার বাড়িতে এলাম।বাড়িটা বেশি একটা বড় না।গোলাপি রঙের আস্তরণে মোড়ানো চারপাশ, জানালায় থাই লাগানো,বেশি জাঁকজমকপূর্ণ না হলেও খুবই গোছানো এবং পরিপাটি বাড়িটি।ওনার বাড়ির ভেতরকার সাজসজ্জা দেখলেই বোঝা যায় লোকটা কতটা খুঁতখুঁতে।সব কিছুই তার পারফেক্ট চাই।গত রাতে সিড়ি বেয়ে ওঠার সময় বুঝতে পারলাম এখানে রোবটম্যান ছাড়া কেউই থাকে না হয়তো।নিচের তলা, ওপর তলা সবকিছুই ফাঁকা। ফাঁকা বললে ভুল হবে আসবাবপত্রে পরিপূর্ণ কিন্তু একদমই জনমানব শূন্য।একটা কাজের লোকেরও পাত্তা নেই বাড়িতে। এই লোকটা এখানে এভাবে একা একা থাকে কী করে। আচ্ছা কোনোভাবে এই রোবটম্যানই কলেজের সেই ছেলেটি নয়তো? ধুর তা কী করে হবে, সেই ছেলেটি আর রোবটম্যানের চেহারায় মিল থাকলেও তাদের চলাফেরায় তো বিস্তর ফারাক।

ঘর থেকে বেড়নো ঠিক হবে কী না বুঝতে পারছি না।ওই লোকটা সেই যে গেল আরও তো ফিরল না। বাসায় আছে নাকি বাহিরে গেছে তাও তো আমার অজানা।প্রত্যেকটি মেয়েরই নিজের বাসর নিয়ে নানারকম স্বপ্ন থাকে।আমার ক্ষেত্রে সেসব কিছুই ভিন্ন। বিয়ের আগে জীবন সংগ্রামের মাঝে এসব নিয়ে ভাবার সুযোগ হয়নি আর বিয়ের পর এখন তো অন্যরকম সংগ্রাম।তাই এই রাত পন্ড হওয়া নিয়ে আমার কোনো প্রকার কোনো অাক্ষেপ নেই।

ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাড়িয়ে চুলে চিরুনি চালাচ্ছিলাম এমন সময় দরজায় খট করে আওয়াজ তোলায় দৃষ্টি নিবদ্ধ করলাম সামনে থাকা আয়নায়।হাতের চিরুনি আপনা হতেই হাত থেকে মেঝেতে পরে গেল।চোখাচোখি হলো চারটি চোখ।রোবটম্যানের চোখ দুটো লাল বর্ণ ধারণ করেছে হয়তো সারারাত ঘুমোয়নি তাই এমন হয়েছে।আমার এই মুহূর্তে কিছু প্রশ্ন তাকে কিছু প্রশ্ন করতে খুব ইচ্ছে করছে কিন্তু মুখ দিয়ে কিছু বের করতে পারছি না। সব কথা গলার কাছে দলা পাকিয়ে যাচ্ছে।রোবটম্যানের দৃষ্টি কেবল আমাতেই সীমাবদ্ধ।আমি একটু নার্ভাস হয়ে তার থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে এদিক ওদিক তাকাতে লাগলাম।ঠিক তখনই ওনার কন্ঠস্বর ভেসে আসল,,

_”কিছু বলতে চাও,এমন করছো কেন?”

_এ্যাহহহ না মানে আসলে

_নার্ভাস হওয়ার কী আছে, আমাকে প্রথম দেখছ নাকি?(বিরক্তির স্বরে)

_নাহ হয়েছে কী

_উহ বললে বলো নয়তো আমি ফ্রেশ হতে গেলাম

_আ আ আপ আপনার নানাম টা (তোতলানো স্বরে)

আমার কথায় উনি কিছুক্ষণ আমার দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে রইলেন।আমার এবার জান যায় যায় অবস্থা।প্রশ্নটা করেও বিপদে পরলাম।

__”সাক্ষর আহমেদ”

এতটুকু বলেই উনি আর এক সেকেন্ডও সময় ব্যয় করলেন না তাড়াতাড়ি আলমারি থেকে কাপড় নিয়ে পা বাড়ালেন ওয়াশরুমের দিকে।যাওয়ার সময় ওনার পায়ের সাথে চিরুনিটা বেজে গেল।উনি চিরুনিটা তুলে আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেল।

এতক্ষণে হয়তো আমার ধরে প্রাণ ফিরে এলো।আমার কানে এখনো বারবার বেজে চলেছে ওনার নামটি। নামটা নিজের মনে খোদাই করে নিলাম।হাতে থাকা চিরুনিটি নিজের মাথায় চালাতে চালাতে আপনমনে আওড়াতে লাগলাম, “সাক্ষর আহমেদ”

_ _ _ _ _

সাক্ষর ওয়াশরুম থেকে বেরনোর আগেই আমি রুমের সাথে লাগোয়া বারান্দায় গিয়ে দাড়ালাম। বুকের মধ্যে কেমন ঢিপঢিপ করছে।শত হোক উনি তো এখন আমার স্বামী তাই একটু আলাদা অনুভূতি তো জন্মাবেই।উনি কাল রাতে কোথায় ছিলেন খুব জানতে ইচ্ছে করছে। সেই সাথে ইচ্ছে করছে কিছু খেয়ে এই বাড়িটা ঘুরে দেখতে।কিন্তু ওনার মনোভাব যদি অন্যরকম হয়। থাক বাবা আগ বাড়িয়ে কিছু বলে বকা শুনতে রাজি নই আমি। তারচেয়ে বরং অপেক্ষা করি ওনার অনুমতির।

চলবে,

#শরতের_শুভ্র_মেঘের_ভেলায়(৯)
Sadia afrin nishi
____________________________

বারান্দায় দাড়িয়ে থাকবে নাকি ঘরে আসবে?

_হুম আসছি

রুমে গিয়ে দেখি উনি একটা এ্যাস কালারের ট্রাউজার আর একটা হালকা খয়েরী কালারের জ্যাকেট পরে আয়নার সামনে দাড়িয়ে চুল মুছছে।এই প্রথম ওনাকে আমি কালো রঙ ব্যতিত অন্যকোনো রঙে দেখলাম।এই খয়েরী রঙটি যেন ওনার গাঁয়ের সঙ্গে একদম মিশে আছে।একটা জিনিস কাঁকতালিয় হলেও সত্যি যে, “আমার আর ওনার গাঁয়ের রঙ একদম সেম “। আমরা দুজনেই উজ্জ্বল শ্যামলা।মাঝে মাঝে মনে হয় উপর ওয়ালা বোধহয় আমাদের ভাই-বোন করে পাঠাতে চেয়েছিলেন কিন্তু ভুল বসতো স্বামী-স্ত্রী করে দিয়েছেন।

“এই মেয়ে এভাবে কী দেখছো? খেয়ে ফেলবে নাকি?”

_আমার এই মুহুর্তে প্রচন্ড ক্ষুধা লেগেছে ঠিকি তাই বলে আপনার মতো আস্ত একটা গরিলা খাওয়ার সাধ্য আমার নেই

_কী বললে তুমি আমি গরিলা?

_নাহ ঠিক গরিলা না গরিলার ছোট খাটো বাচ্চা

_কী বললে তুমি খুব উড়ছো তাই না দাড়াও দেখাচ্ছে তোমায়

ও মা এই পাঁজি লোকটা তো আমায় ধাওয়া করছে। ধরতে পারলে নির্ঘাত খবর করে ফেলবে।ক্ষুধার চোটে কী সব মুখ ফসকে বলে ফেলেছি ওনাকে। এবার হাতের কাছে পেলে একদম কাঁচা চিবিয়ে খেয়ে নেবে আমাকে।তার থেকে বরং আমিও পালাই।আমিও ছুট লাগালাম। সাক্ষর আমাকে পেছন থেকে বারবার থামতে বলছে কিন্তু আমিও হার মানার পাত্রী নই সমানে দৌড়ে চলেছি।

__”এই মেয়ে থামো বলছি পড়ে যাবে তো”

__এ্যাহহ শখ কতো আমি থেমে যাই আর আপনি আমাকে ধরে ফেলুন তাই তো। সেটা হচ্ছে না মহাশয়। পারলে ধরে দেখান

__এই সিরিয়াসলি বলছি কিচ্ছু বলবো না তোমায় প্লিজ থামো পড়ে গেলে অনেক লাগবে তোমার

__তাতে আপনার কী লাগলে আমার লাগবে

__”কী বললে তুমি ওকে আমি চলে যাচ্ছি তবে তুমি এভাবেই দৌড়াতে থাকো”

এটা কী হলো উনি তো রাগ করে চলে যাচ্ছেন।আমি আবার রাগার মতো কী বললাম।এবার আমি উল্টো দিকে দৌড় দিলাম ওনাকে ধরার উদ্দেশ্যে।প্রায় ওনাকে ধরে ফেলব এমন সময় শাড়িতে পাঁ বেজে পরলাম গিয়ে ওনার গাঁয়ের ওপর। দুজনেই বর্তমানে মেঝেতে অবস্থান করছি। উনি নিচে উবুড় হয়ে পরে আছেন আর আমি তার ওপর।নীহুরে নীহু এবার তুই শেষ। নিজে তো পরলি সাথে এই গরিলাটাও নিলি।এবার তোকে কে বাঁচাবে।

__এই মেয়ে আর কতক্ষণ এভাবে আমার ওপরে পরে থাকবে শুনি এবার তো নামো। মনে হচ্ছে আমাকে কোনো ফোমের বেড ভেবে নিয়েছো যার জন্য নামতেই চাইছো না

__হ্যাঁ হ্যাঁ উঠছি উঠছি

তাড়াতাড়ি উঠে পরলাম ওনার গাঁয়ের ওপর থেকে।বেশি কথা বললে হিতে বিপরীত হবে এমনিতেই ক্ষেপে আছে।

__এই মেয়ে তোমাকে বলেছিলাম তো দৌড় বন্ধ করতে তার পরেও দৌড়চ্ছিলে ভালো কথা কিন্তু আমার গাঁয়ে এসে পরলে কোন সাহসে (ধমক দিয়ে)

__আমি কী ইচ্ছে করে পরেছি নাকি।আর আমাকে সবসময় এই মেয়ে এই মেয়ে বলেন কেন? আমার একটা সুন্দর নাম আছে ওটা বলেই ডাকবেন

__সুন্দর না ছাই ওই তো নামের শ্রী “নীহারিকা “। হুহহ তোমার নামটা উচ্চারণ করতে গেলে আমার আগে “হারিকেন” শব্দটি মুখে আসে তাই বলি না বুঝতে পেরেছো

__হারিকেন, কেন হারিকেন মুখে আসার কারণ?

__জানি না তবে চলে আসে

হুট করে কেমন জানি আমার বুকের মধ্যে একটা চিনচিনে ব্যথা করে উঠল,চোখে পানি টলমল।ওনার মুখ থেকে নিজের নামের প্রশংসা শুনতেই বোধহয় আমি বেশি পছন্দ করতাম কিন্তু আফসোস উনি তো রীতিমতো আমার নামটা অবজ্ঞা করলেন।ওনার সাথে এই মুহুর্তে আর একটি কথাও বলতে ইচ্ছে করছে না আমার।মুখ ফুলিয়ে নিয়ে রুমের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলাম ঠিক তখনই উনি আমার হাতটা টেনে ধরলেন।ওনার এই হাত ধরাটা আমার কাছে “জুতা মেরে গরুদান” করার মতো মনে হলো।অভিমানটা আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠল।আমি ওনার থেকে নিজের হাতটা এক ঝটকায় ছাড়িয়ে নিয়ে বললাম,,

__কোন সাহসে আপনি আমার গাঁয়ে হাত দিচ্ছেন। একদম ছোঁবেন না আমাকে।আপনি খুব খারাপ পঁচা একটা লোক।আমি আপনাকে ঘৃণা করি অত্যাধিক পরিমাণে।

আর কিছু বলতে পারলাম না আমি।আমার টলমলে চোখ জোড়া দিয়ে এবার কান্নার বর্ষণ হতে শুরু করল।কেন এতটা কষ্ট হচ্ছে নিজেও বুঝতে পারছি না। খুব সামান্য একটা কথাই তো উনও বলেছিলেন তাতেই এতো রিয়েক্ট কেন করছি আমি?নিজের ব্যবহার নিজেরই ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না আমার।

আমার উপস্থিত কর্মকাণ্ডে উনি কিছুটা ঘাবড়ে গেলেন প্রথমে পরক্ষণেই আবার কী যেন মনে করে আমার দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসতে লাগলেন।উনার হাসিটা যেন আমার মনে “আগুনে ঘিঁ ঢালার মতো “কার্যকর হলো।এই মুহূর্তে ওনাকে আমার খুন করতে মন চাইছে। কোথায় একটু শান্তনা দেবে তা না করে তিনি হাসছেন।আমি এবার আরও জোরে কাঁদতে লাগলাম।উনি এবার মুখ খুললেন। আমার উদ্দেশ্যে বললেন,,

__কাঁদলে তোমাকে বেশ লাগে। একদম “লিটল বার্বি কুইন”। চোখের টানা টানা পিসিগুলো ভিজে গিয়ে মনে হয় একদম শিশিরে ভেজা ঘাস।এতটুকু বলেই উনি তাড়াতাড়ি এই স্থান ত্যাগ করলেন।শুধু যেতে যেতে একবার বললেন,,” খেতে চাইলে আসতে পারো”।

এতক্ষণ খাবার কথা একদমই মাথা থেকে বেড়িয়ে গিয়েছিল।এই অসভ্য লোকটার কথা চিন্তা করে কেঁদে না ভাসিয়ে এখন খেতে যাওয়াটাই অতি উত্তম বলে মনে করছি আমি।তাড়াতাড়ি চোখের পানি মুছে নিয়ে হাঁটা শুরু করলাম।দৌড়াদৌড়িতে এতক্ষণ আমি খেয়ালই করিনি যে আমরা নিচ তলায় চলে এসেছি।আশেপাশে তাকিয়ে দেখতে দেখতে সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছি আমি।ডাইনিংরুমে ঢুকে আমি তো অবাক। এতো এতো খাবার কোথা থেকে এলো।আমি যতটুকু জানি সাক্ষর তো রান্না করতে পারেনা তাহলে কে রান্না করল এই খাবার আর কখনই বা করল।খাবার থেকে তো এখনো ধোঁয়া উড়ছে তারমানে সদ্য রান্না করা খাবার এটা।

চলবে,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ