Friday, June 5, 2026







রাঙাবউ পর্ব -০৫

#রাঙাবউ
অলিন্দ্রিয়া রুহি
পর্ব-০৫

শেষমেশ সজলই সাহায্যটা করেছিল। বাদল বাসায় যাওয়ার কিছু সময় পর সে পুনরায় এসে মিঠিকে খালপাড় থেকে নিয়ে আসে। এরপর তুলে দেয় বাসে। বাকীটা পথ মিঠি একাই এসেছিল। মামা-মামীর বাড়িতে কোনোভাবেই যেতে পারবে না। ওখানে যেতেও চায় না। মামা-মামীকে বাড়তি আর কোনো ঝামেলায় ফেলার ইচ্ছে নেই তার,সেই জন্যে খুব ছোট বেলার বান্ধবী প্রভার কাছেই এসেছে মিঠি। মিঠির বিশ্বাস, প্রভার মা তাকে ফেলবে না। আর সে-ও তার ঘাড়ে চেপে বসবে না। খুব দ্রুতই একটা কাজের ব্যবস্থা করে ফেলবে।

সব শুনে পলি সত্যি সত্যি মিঠিকে ফেলতে পারেনি। তাকে আশ্রয় দিয়েছে সত্যি, তবে তা অনেকটাই প্রভার চাপাচাপিতে পড়ে। পরবর্তীতে কী হবে তা নিয়ে যদিও পলির মনে অনেক সংশয়, কিন্তু তাই বলে একটা মেয়েকে রাতের আঁধারে ফেলে দেওয়ার মতো এত ছোট মন-ও তার নয়। কিছু না খেয়েই বিছানায় গা এলিয়ে দেয় মিঠি। শুতেই ঘুমের রাজ্যে তলিয়ে গেল। সারাদিন কম ধকল যায়নি তার উপর দিয়ে! শত বিপদের পড়েও একটা স্বস্তি, নিজেকে অন্তত রক্ষা করতে পেরেছে! সজলের প্রতি তার যে রাগ, অভিমান ছিল- তা অনেকাংশেই কমে গিয়েছে। সজল যদি সাহায্য না করত, তবে মিঠির বেঁচে ফিরাটা খুব কঠিন হয়ে যেত। অজ্ঞান না হয়েও শ্বাস আঁটকে ধরে মৃতের অভিনয় করাটা সজল প্রথমেই বুঝে গিয়েছিল, কিন্তু কাউকে বুঝতে দেয়নি। ভাগ্য এরকম ভাবেও বদলে যেতে পারে,তা বোধকরি মিঠিকে না দেখলে বোঝার উপায় ছিল না!

দিন গড়াতে লাগল পূর্বের নিয়মেই। প্রভাদের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার বেশ কিছুদিন পরের কথা-
একটা কিন্ডারগার্টেন স্কুলে মিঠি শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োজিত হয়েছে। এই চাকরির পেছনে পলির হাত রয়েছে। সেই বুঝিয়ে বলে, মিনতি করে মিঠিকে চাকরিটি করবার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। পাশাপাশি প্রভার জন্য আসা টিউশনিটিও মিঠি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে। এছাড়াও সে আরও টিউশনি খুঁজছে। মাস শেষে একটা নির্দিষ্ট টাকা পলির হাতে তুলে দিতে পারলে শান্তি পাবে সে। প্রভারাই খুব কষ্টে দিন কাটায়, সেখানে নিজেকে বোঝা বানানোর বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই তার।

রবিবার, ভ্যাপসা গরমে মুখরিত চারিপাশ, গাছের একটি পাতাও নড়ছে না। কেমন থম ধরে রয়েছে পরিবেশ। ঝড় অথবা বৃষ্টি আসতে পারে। স্কুল থেকে ফিরে ফ্যান চালিয়ে বিছানার উপর আরাম করে বসল মিঠি। মাথা থেকে ওড়না খুলে নিয়ে পিঠময় চুল ছেড়ে দিলো। ঘামে চুলের ভেতরের অনেক জায়গায়ও ভিজে গিয়েছে। হাত দিয়ে চুল ঝেড়ে ভেতরে পর্যাপ্ত পরিমাণে বাতাস প্রবেশের পথ করে দিতে লাগল সে। ঘরে পলি নেই, প্রভা আছে। পলি সকালে রান্না করে যায়, রাতে আসে। প্রভা যখন ভার্সিটিতে যায়, দরজায় তালা দিয়ে যায়। এখন একটা চাবি মিঠির কাছেও রয়েছে। একটা স্টিলের মগে লেবুর শরবত নিয়ে এলো প্রভা। মিঠিকে বলল,

-এটা খা..

মিঠি এক নিঃশ্বাসে পুরো গ্লাস শেষ করল।

-ধন্যবাদ রে।

-মা বাইরে থেকে এলে আমি মায়ের জন্যেও বানাই।

মিঠিকে হঠাৎই অন্যমনস্ক দেখালো। স্কুল কেমন চলছে তা জিজ্ঞেস করলে মিঠি ছোট উত্তরেই কথা সাড়লো। প্রভা উদ্বেগ নিয়ে প্রশ্ন করে,

-কী হইছে মিঠি? কী ভাবছিস? সব ঠিক আছে তো?

মিঠি সম্বিৎ ফিরে পেয়ে তাকাল, করুণ কণ্ঠে বলল,

-মামা-মামীর কথা খুব মনে পড়ে রে। উনারা আমার জন্য যথেষ্ট করেছে। কতদিন উনাদের দেখি না! জানিস,উনারা কখনো বুঝতে দেয় নাই যে আমি তাদের সন্তান না। সবসময় আমাকে ভালোবাসা দিছে। সজল যে খারাপ ছেলে সেটা তারা বুঝতে পেরেই আমাকে ভালো মানুষের সাথে বিয়ে দিছিলো। অথচ আমি করলাম? নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারলাম। ওই মানুষটাও আমাকে ঘৃণা করে বোধহয় এখন৷ উনার সম্মানের কথা আমি চিন্তা না করেই চলে এলাম! নিজের প্রতি খুবই রাগ লাগে যখন এসব ভাবি..!

একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মিঠি। প্রভা বলল,

-তুই একবার উনার সাথে দেখা কর। দেখা করে মাফ চা অন্তত! উনার সাথে যা করেছিস,আসলেই খারাপ করেছিস। আর এইজন্যেই বোধহয় এরকম একটা ঘটনা ঘটলো তোর সাথে। যাইহোক, এখন একবার দেখা কর। ক্ষমা চা। ক্ষমা করলেও করতে পারেন।

-করবে না,উনি কোনোদিনই আমাকে ক্ষমা করবে না।

-কেন করবে না? তুই না বলিস,উনি খুব ভালো মানুষ? তাহলে কেন ক্ষমা করবে না? তুই আগে কথা বলেই দেখ না। মানুষের ভাগ্য কখন কোনদিকে মোড় নেয়,তা কেউ কী বলতে পারে আগে থেকেই?

মিঠি চুপ করে কিছু সময় ভাবল। ভেবে বলল,

-কিন্তু উনার সাথে কীভাবে যোগাযোগ করব আমি? উনার ফোন নাম্বার নাই আমার কাছে। চেনার মধ্যে উনার বাসাটা চিনে চিনে যেতে পারব। কিন্তু ওখানে এই মুহূর্তে আমি যেতে চাই না। উনার পরিবারের সামনে আমি কোন মুখ নিয়ে দাঁড়াব? আর কীইবা জবাব দেব? উনার সাথে আলাদাভাবে কথা বলার মতো কোনো উপায় নেই।

পুনরায় দীর্ঘশ্বাস ফেলে মিঠি। প্রভা হুট করে বলে উঠল,

-তুই না আমাকে কিছুদিন আগে বলছিলি,উনার ব্যবসা আছে। উনার দোকানের কথা তুই জানিস। সেই দোকান কোথায়? সেখানে চলে যা সরাসরি, তাহলে আলাদাভাবে দেখা হয়ে যাবে।

প্রভার কথা মিঠির মনে ধরল। বিয়ের পরই মুনীফ নিজে থেকে নিজের ব্যবসা,নিজের দোকানের কথা বলেছিল মিঠিকে। প্রতিদিন দুপুরের সময়টায় সে দোকানে থাকে, তখন ভীড় কম থাকে বলে সে বিভিন্ন হিসেব টিসেব করে গিয়ে,এসব কিছুই বলেছিল সে। তাহলে তা-ই করা যাক। আর দোকানটাও খুব দূরে নয়। দুই এলাকা পড়েই…চাইলেই খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু মিঠির ভয় হচ্ছে খুব। এতবড় একটা কান্ড ঘটানোর পর মুনীফের সামনে কোন মুখ নিয়ে দাঁড়াবে সে! তা কিছুতেই মাথায় আসছে না। মুনীফ যদি তার সাথে কোনোপ্রকার বাজে ব্যবহার করে বসে, তবে যে তার ‘ভালো মানুষ’ ট্যাগ উঠে যাবে মিঠির চোখ থেকে। তারচেয়ে না যাওয়াই ভালো। কিন্তু! ক্ষমা না চাওয়াটাও কী ঠিক হবে? রুহের হায় বলে একটি কথা আছে। মুনীফের দীর্ঘশ্বাস যদি মিঠির কপালে পড়ে, তবে কী আর কোনোদিন সুখী হতে পারবে মিঠি? সাতপাঁচ ভাবনায় মিঠির নিঃশ্বাস বেড়ে গেল। একবার ভাবছে সে যাবে,আরেকবার ভাবছে যাবে না। যাওয়ার প্রশ্নই আসে না.. তার অত সাহস নেই। তার চেয়ে বরং প্রভাকে পাঠানো যাক…?
আচমকা এই কথাটি মাথায় আসতেই মিঠির সব দুশ্চিন্তা নেমে গেল। সে ইনিয়েবিনিয়ে কথাটি প্রভাকে বলতেই প্রভা তিন লাফে দূরে সরে বলল,

-আমি পারব না বাবা, পরে তোর রাগ আমার উপরে ঝাড়বে।

-প্লিজ দোস্ত, আমার জন্য এইটুকু কর। এটাই শেষ উপকার নিচ্ছি তোর থেকে। আর কখনো কিছু চাবো না। তুই শুধু তাকে গিয়ে বলবি, আমি তার সঙ্গে দেখা করতে চাই। সে যদি ইচ্ছুক হয় তবে কখন কোথায় দেখা করব, তা জেনে চলে আসবি। ব্যস এইটুকুই… প্লিজ,প্লিজ,প্লিজ!

প্রভা রাজী হলো না। শেষ পর্যন্ত প্রভাকে রাজী করানোর জন্য তার পায়ের উপর পড়ে গেল মিঠি। উপায়ন্তর না পেয়ে প্রভা ফোঁস করে একটা নিঃশ্বাস ছেড়ে বলল, আচ্ছা যাব!

____

‘মা ভ্যারাইটিজ স্টোর’ দোকানের নাম। সবুজ নেইম প্লেটে বড় অক্ষরে লেখা। দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে একের পর এক ফাঁকা ঢোক গিলছে প্রভা। তার পা জমে গেছে। দোকানের ভেতর কাউকেই দেখা যাচ্ছে না। তবে কী আসেনি মুনীফ ভাইয়া? অবশ্য তাকে দেখেওনি প্রভা। মুনীফ ভাই দেখতে কেমন হবে, কে জানে! কিন্তু তার চেহারায় একটা সরলতা, পবিত্রতা থাকবে নিশ্চয়ই। ভালো মানুষদের চেহারায় তো তাই থাকে! নিজের দোনোমোনো চিন্তাটাকে সামলে প্রভা একটু আগালো। দোকানের মুখোমুখি যেতেই দেখল, সাদা পাঞ্জাবি পরে কেউ একজন বসে রয়েছেন। প্রভাকে দেখামাত্রই সে উঠে দাঁড়াল। পুরুষালি ভরাট স্বরে বলল,

-কী চাও আপু?

প্রভা বলল,

-আপনাকে।

মুনীফের দুই ভ্রু কুঁচকে এলো। প্রশ্নবিদ্ধ চোখে আগন্তুক মেয়েটির দিকে তাকাতেই প্রভা নিজেকে সামলে পুনরায় বলল,

-ইয়ে মানে,আমি মুনীফ ভাইয়াকে খুঁজছিলাম। উনার সাথে আমার একটু কথা আছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

-আমিই মুনীফ।

ফের নিজের পুরুষালি কণ্ঠটি নাড়ায় মুনীফ। প্রভাকে ইতস্তত করতে দেখে সে বলল,

-যা বলার নির্ভয়ে বলো আপু। ভয়ের কিছু নেই এখানে।

স্বস্তি মিলে প্রভার। মিঠিটা ঠিকই বলেছে,লোকটি ভালো। এরকম একজনকে ছেড়ে ওই বখাটের কাছে কোন দুঃখে যে গিয়েছিল মিঠি, কে জানে!

প্রভা বলল,

-ভাইয়া, আপনি মিঠিকে চিনেন?

-কোন মিঠি?

তাৎক্ষণিক ভাবে ধরতে না পেরে কথার উত্তরে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় মুনীফ। প্রভা এবার বিস্তারিত বলতেই,মুনীফের শান্ত স্বভাবটা বদলে গেল চোখের পলকে। চোয়াল শক্ত করে সে বলল,

-তুমি তার কে হও?

প্রভা একটু কেঁপে ওঠে। কথাটায় কেমন যেন,ধমকের আভাস!

-আমি ওর বান্ধবী ভাইয়া।

-তো আমার কাছে কেন এসেছো? আমি জানি না সে কই। বিয়ের পরদিনই সে পালিয়ে গেছে। পরদিন বললে ভুল হবে, ভোর রাত্রেই সে পালিয়েছে।

-আমি জানি সে কই আছে ভাইয়া। সে আমাদের বাসায় আছে।

-তোমাদের বাসায় মানে? সে পালিয়ে তোমাদের বাড়িতে গেছে?

মুনীফকে অবাক মনে হলো এই পর্যায়ে। প্রভা বলল,

-না, তা না…

-তাহলে কী? দেখো,ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে না বলে, যা বলতে এসেছো সরাসরি বলো। আমার আরও কাস্টমার আসবে।

একটা নিঃশ্বাস ফেলে মিঠির ব্যাপারে সবকিছু বিস্তারিত ভাবে খুলে বলল প্রভা। সব শুনে মুনীফের চোখেমুখে একটা হতবিহ্বল ভাব ফুঁটে উঠল। মেয়েটার সাথে এরকম কিছু ঘটতে পারে- তা সে কল্পনাও করেনি!শেষে প্রভা বলল,

-ও আপনার সাথে দেখা করতে চাইছে ভাইয়া। ওর সাহস হচ্ছিল না, তাই আমাকে আগে পাঠাইছে। আপনি যদি বলেন,তাহলে আমি গিয়ে ওকে বলব আসতে?

-কোনো দরকার নেই। তাকে বলে দিও, আমি তার সাথে দেখা করতে চাই না। সে বিয়ের আগে আমাকে সব খুলে বলত যদি,তাও একটা কথা ছিল। কিন্তু যা করেছে.. দুঃখীত আমি এসব মেনে নিতে আগ্রহী নই। তাই তার সাথে কোনোপ্রকার সম্পর্কও আমার রাখার ইচ্ছা নাই। উপরন্তু সে এসে ভালো করছে। এবার তালাকটা করতে সুবিধা হবে।

প্রভা বিস্ময় নিয়ে বলল,

-এসব আপনি কী বলছেন ভাইয়া! ও ভুল করছে মানলাম, তাই বলে…

-দেখো,তুমি এখনো অনেক ছোট। যেদিন বড় হবে সেদিন বুঝতে পারবে আমার এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণটি। অবশ্য না বুঝলেও আমার আসে যায় না। তুমি তাকে এই কথাটা বলে দিও কেমন? এবার আসতে পারো।

ব্যথিত মন নিয়ে প্রভা চলে এলো। আসার পথের পুরোটা রাস্তা সে ভাবল, মিঠিকে এই খবর দিলে আবারও কোনো পাগলামি করে বসবে না তো?

(চলবে)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ