Friday, June 5, 2026







যে পাখি ঘর বোঝে না পর্ব-০৫

#যে_পাখি_ঘর_বোঝে_না
পর্ব-০৫
লেখনীতে-তানিয়া শেখ

“আপনি কি আজই আমাকে বিয়ে করতে রাজি আছেন মি.শেখ?”

হতবুদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আফরাজ। বলবে তো বলবে কি! এই রাতদুপুরে ডেকে আচমকা বিয়ে করবে কি না জানতে চাওয়া, সেটাও আবার এমন কাওকে যার বিয়ে ভীতি প্রবল। কপাল ঘামতে শুরু করল। তার কিছু বলা উচিত! কিন্তু কী বলবে? অদূরে পার্ক করা গাড়িতে বসা আরশাদ। আফরাজ ওর দিকে তাকাল। ফ্যাকাশে চেহারা। ভুরু কুঁচকে গেল আরশাদের। তবে কি ওর সন্দেহ সঠিক? নেমে এলো গাড়ি ছেড়ে। আফরাজের বিবর্ণ মুখ দৃষ্টি এড়াল না বহ্নিশিখার। ও বলল,

“আপনি তবে রাজি নন?”

আফরাজ এবারও কোনো কথা বলল না। বহ্নিশিখা দাঁতে দাঁত কামড়ে মনে মনে নিজেকে তিরস্কার করল। বোকা সে। এই লোকটার তখনকার কথাতে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে। ভেবেছে বিয়েতে যখন রাজি তখন আজ আর কাল নিয়ে সমস্যা হবে না। রাগের বশে কী বোকামিটাই না করল। ভীষণ লজ্জা করছে এখন ওর। নিচ থেকে ব্যাগটা তুলে নিতে আরশাদ এসে দাঁড়ায় সামনে।

“আপনি কি বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছেন বহ্নি?”

“হু।” বহ্নিশিখা ওদের দিকে আর তাকাল না। ও পাশ কাটতে আফরাজ বলল,

“কিছু কি হয়েছে?”

বহ্নিশিখা জবাব দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করে না। আফরাজের ওপর ভীষণ রেগে আছে। বহ্নিশিখা না হয় বললোই আজ বিয়ে করতে, সে এর জবাবে কিছু তো বলতে পারত। এই যেমন এখন তো অনেক রাত হয়েছে, কাল বরং দু পরিবারের সম্মতিতে বিয়েটা করবে, অথবা অন্যকিছু। কিন্তু সে একেবারে হতবিহ্বল নির্বাক মূর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। যেন অতি ভয়ংকর কথা বলে ফেলেছে বহ্নিশিখা। কান্না ঠেলে আসছে ওর। বাড়িতে কেউ জানে না বহ্নিশিখা বেরিয়ে এসেছে। মা আর ভাই ঘুমিয়ে আছে। সকালে ঘুম থেকে জেগে ওকে পেলে ওরা কি খুব চিন্তা করবে? করুক চিন্তা। বহ্নিশিখা আর কারো বোঝা, কারো কষ্ট হতে চায় না। বাঁচার কোনো পথ না পেলে আজ ও মরবে। ব্যাগটা হাতে তুলে খুব জোরে পা ফেলে সামনে এগোচ্ছে। আবছা আলোতে ফুটপাত ধরে হাঁটে। রাত অনেক হয়েছে। ফুটপাত প্রায় জনমানবশূন্য। পাশ দিয়ে হুশ হুশ করে কয়েকটা গাড়ি চলে গেল। গাড়ির ভেতর থেকে কেমন অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকাল লোকগুলো। ওর এবার ভয় ভয় করছে। এই নির্জন পথে খারাপ কিছু যদি ঘটে? সামনে ওভার ব্রিজ চোখে পড়ল। একটা ভাবনা ওকে পুরোপুরি বশ করে নিলো। একটা অভিমান আর ক্ষোভ আজ যেন শিরায় শিরায় জ্বলে ওঠে। দুচোখে উছলে পড়ে নোনাজল। সব কষ্টের অবসান হোক আজ। কাঁপা কাঁপা পায়ে এগোলো ওভার ব্রিজের সিঁড়ির দিকে।

“ও আমাকে আজই বিয়ে করতে বলে, শাদ!”

গাড়িতে বসে কাঁপা হাতে চুলে আঙুল চালালো আফরাজ।

“তুই কী বলেছিস?” প্রশ্ন করে আরশাদ।

“কিছুই না।”

“ওহ!”

আফরাজ ওর দিকে ঘুরে তাকায়। এই ওহ বলার ধরণ ওর পছন্দ হলো। আরশাদ কিছু ভাবছে। ওর মুখে স্পষ্ট প্রতীয়মান সেটা।

“কী ভাবছিস?”

“ভাবছি এত রাতে ব্যাগ হাতে মেয়েটা গেল কোথায়? বলল বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছে ও, রাজ। একটা মেয়ে এত রাতে ব্যাগ হাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে তোকে কল করে বলেছে আজই বিয়ে করতে পারবি কি না। জবাব না পেয়ে একলা আবার চলে গেল কোথায় যেন। রাত কত হয়েছে দেখেছিস?” সম্মুখে ঝুলানো ছোট্ট কার ওয়াচটা লক্ষ্য করল ও। আফরাজও তাই করে। রাত বাজে তখন পৌনে দুটো। প্রায় মধ্যরাত।

“শিট!” গাড়ি থেকে বেরিয়ে এলো আফরাজ। আরশাদ বলল,

“কই যাস?”

“ওকে খুঁজতে।”

এই গম্ভীর মুহূর্তেও হাসি পেল আরশাদের।

“গাড়িতে বসেও খুঁজতে পারবি। বোধহয় একটু তাড়াতাড়িই পারবি।”

আফরাজ অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে বন্ধুর রসিকতায়। মেয়েটার জন্য এমন বিচলিত হলো যে ধীরেসুস্থে ভাবেনি। এই অধীর, উত্তেজিত মস্তিষ্কের কারণ অবশ্য বিয়ে শব্দটা। এখানে আসার আগে এমন কিছু হবে মনে মনে হয়তো ভেবেছিল কিন্তু সেটাকে নেগেটিভ ভাবনা বলো যথাসাধ্য দূরে ঠেলেছে। বহ্নিশিখা যখন সেই নেগেটিভ ভাবনাটাকেই সত্যি করে দিলো বজ্রাহতের ন্যায় হলো ও৷ এই যে এখনও ভেতরের অস্থিরতা কমেনি। যার কারণেই ভুলভাল করে বসছে। আফরাজ নীরবে গিয়ে বসল সিটে। আরশাদ এবারও ড্রাইভিং সিটে বসা। গাড়ির ইঞ্জিন সবে চালু করবে ওমনি ওর মোবাইল বেজে ওঠে। ওর স্ত্রী রাহার নাম মোবাইলের স্ক্রিনে ভাসছে। আড়চোখে নামটা দেখে চোয়াল একটু শক্ত হলো আফরাজের।

“ওয়াইফি!”

আরশাদের বিগলিত গলার স্বর। বউকে সে অসম্ভব ভালোবাসে। গত কয়েকঘন্টায় প্রায় ত্রিশবার কল করেছিল রাহাকে। ও ধরেনি। আরশাদ মন খারাপ করলেও রাগ হয়নি। জানে রাহা ব্যস্ত মডেল। দম ফেলানোর ফুরসতটুকুও পায় না মাঝেমাঝে। আরশাদ হাসছে। রাহার নামটা যথেষ্ট ওর ঠোঁটের কোণে হাসি ফোটাতে। মোবাইলের ওপাশে রাহা কিছু বলছে। আফরাজ খুব চেষ্টা করছে ওদের ফোনালাপ না শোনার, কিন্তু আরশাদটা এত লাউড যে না চাইতেও শুনতে হচ্ছে।

“মামা মোটামুটি আছে। কালকের মধ্যে হয়তো পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে।” বলছে আরশাদ। তারপর আফরাজের দিকে ফিরে বলল,

“আছে কারণ আছে। এখনই বলা যাবে না। তবে তুমি তোমার হাব্বির ওপর বিশ্বাস রাখতে পারো। বলেছি যখন মামা কালকের মধ্যে সুস্থ হবে তবে হবেই। আমার কথা কখনো বিফল হয় না বুঝলে।”

ওরা নিজেদের ব্যক্তিগত কথাবার্তা মজে গেল। অস্বস্তি হচ্ছে আফরাজের। ও দরজা ঠেলে বেরোবে তখনই আরশাদ বলল,

“ওয়াইফি, আমি একটু পরে কল করছি। আফরাজের একটু তাড়া আছে। হ্যাঁ, এইতো আমার পাশে বসা। কথা বলতে চাও?”

আফরাজ এমন একটা মুখ করল যে আরশাদের আর সাহস হলো না মোবাইল এগিয়ে দেওয়ার। সবসময়ই এমন করে। রাহাকে যেন চোখে সহ্য করতে পারে ও। এমনটা ওর স্ত্রী বিদ্বেষ বলে মনে করে আরশাদ। নিরুপায় হয়ে স্ত্রীকে মিথ্যা বলল,

“ও না এইমাত্র বেরিয়ে গেল। জানোই তো ও কেমন। আচ্ছা রাখছি। ভালো থেকো। উ__”

চুম্বনটা দিতে পারল না, রাহা কল কেটে দিয়েছে। এত তাড়া মেয়েটার! আরশাদ কিছু মনে করে না। ও কেবল একমনে ভালোবেসেছে রাহাকে। ভাগ্যগুনে সে রাহার মতো মেয়েকে প্রেমিকা এবং স্ত্রী হিসেবে পেয়েছে। আর কি চায়? ও বড্ড কাজ পাগলি। কাজে ব্যাঘাত কিছুতেই পছন্দ করে না৷ আর ওর যেটা অপছন্দ সেটা আরশাদ ভুলেও করবে না। যত কষ্টই তাতে হোক।

“এত অধৈর্য কেন তুই?”

“কারণ আমি তুই না বলে। প্লিজ এখন গাড়িটা স্টার্ট দে।”

“দেরি সইছে না, হুমম জান?”

“শাদ!”

“ওকে আ’ম সরি।”

দুহাত কাঁধে কাছে তুলে দাঁত কেলিয়ে হাসল।

“তুই আর তোর এই মেনিংলেস সরি। আমি দুটোকেই অপছন্দ করি।”

“এবং আমি বিশ্বাস করে নিলাম।”

গাড়ি স্টার্ট দিয়ে আরশাদ ঠোঁট বাঁকিয়ে হেসে এক চোখ টিপল। ওরা একটু দেরি করে ফেলেছে। রাস্তায় বহ্নিশিখা নেই। আফরাজকে বেশ বিচলিত দেখাল। মেয়েটার কিছু হলে নিজেকে ও ক্ষমা করতে পারবে না। ওর কারণে কারো ক্ষতি হোক তা ও চায় না।

“ওটা কী?” আরশাদের দৃষ্টি অনুসরণ করে গাড়ির সামনের কাচের বাইরে তাকায়।

“কোনটা?”

“ওই যে ওভারব্রিজের ওপর।” ওভার ব্রিজের ওপরে তাকাল আফরাজ। অস্পষ্ট একটা অবয়ব। গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়ায়। ওর কেন যেন মনে হলো ওটা বহ্নিশিখা। ওভাবে ঝুঁকে দাঁড়িয়ে আছে কেন মেয়েটা?

“ও কি আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে?”

আরশাদ বেরিয়ে এলো আতঙ্কিত মুখে। আফরাজ রাগত মুখে তাকাল ওর দিকে। তারপর আবার ঘুরল ওভার ব্রিজের দিকে। সময় নষ্ট না করে দৌড়ে গেল। সিঁড়িতে পায়ের শব্দ শুনে ভয় পেয়ে যায় বহ্নিশিখা। মরতে এসেও মরল না ও। এভাবে ভীতুর মতো কেন মরবে? বাড়ি ফিরে যাবে। যে করেই হোক একটা কাজ জুটিয়ে তবেই ও বাড়ি থেকে বিদায় হবে। ততদিন না হয় আরেকটু নিন্দে শুনবে। পায়ের শব্দটা ওপরে উঠে আসছে শুনে ব্যাগটা হাতে নিয়ে অন্যদিকে দ্রুত পা বাড়াল। আর ঠিক তখনই শুনল,

“বহ্নিশিখা!”

“আফরাজ?”

চমকে তাকাল বহ্নিশিখা। আফরাজ দৌড়ে ওর সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। এত দ্রুত ছুটে আসাতে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে ওর। ওভারব্রিজের রেলিং এ ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে ধমকে উঠল,

“কী করতে যাচ্ছিলেন? মরতে?”

ও মরতে যাক আর বাঁচতে যাক তাতে আফরাজের কী? কোন অধিকারে এভাবে ধমকাবে? বিয়ে তো করতে চাচ্ছে না তাহলে পিছু নিয়েছে কেন? এই মুহূর্তে তর্ক করতে মন চাচ্ছে না ওর। ঘুরে দাঁড়িয়ে আবার হাঁটা ধরে সামনে।

“কোথায় যাচ্ছেন?”

“সেটা আপনার না জানলেও চলবে?”

“না, চলবে না।” আফরাজ ওর পথ আগলে দাঁড়ায়।

“পথ ছাড়ুন মি.শেখ।”

“আপনি একা কোথাও যেতে পারবেন না। চলুন আমার সাথে।”

বহ্নিশিখার হাত থেকে ব্যাগটা কেড়ে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ায়।

“আসুন।”

“আমার ব্যাগ দিন নয়তো চিৎকার করব আমি।”

বহ্নিশিখা আফরাজের পিছনে এগোতে এগোতে বলল। আফরাজ নিরুত্তর হাঁটছে। রাগে দাঁতে দাঁত কামড়ে বহ্নিশিখা সামান্য উঁচু গলায় বলল,

“আমার ব্যাগ দিন মি.শেখ।”

সিঁড়ি দিয়ে নেচে নেমে যাচ্ছে আফরাজ। বহ্নিশিখা আর এক পা নড়ল না। ওপরে দাঁড়িয়ে চেঁচিয়ে বলল,

“ও ব্যাগ আমার লাগবে না। নিয়ে যান আপনি। ভিক্ষা দিলাম।” বহ্নিশিখা সিদ্ধান্ত নিলো ব্যাগের স্বত্ব ত্যাগ করার। আফরাজের সাথে যাবে না আর ও। কিছুতেই নেই। ব্যাগের মায়া ত্যাগ করে উলটো দিকে ঘুরতে দুটো বাহু ওকে তুলে ফেলল শূন্যে। ভয় পেয়ে গেল ও। দেখল আফরাজ নির্লিপ্ত মুখে চেয়ে আছে ওর দিকে। ও এখন আফরাজের কোলে।

“এ কেমন অসভ্যতা? নামান বলছি।”

“নামাব বলে তো কোলে তুলিনি? চুপচাপ থাকুন নয়তো আরো খারাপ কিছু করবে বসব। আরও খারাপ কিছু মানে আরও খারাপ কিছু। এই মুহূর্তে বিয়ে ছাড়া সব নির্বিঘ্নে করতে পারব আমি।”

বহ্নিশিখা স্তব্ধ বনে গেল। চোখ দুটো আতঙ্কে বিস্ফোরিত হয়ে আছে। মাথায় তখন একটা প্রশ্নই ঘুরছিল, “আরও খারাপ কিছু মানে কী?”

চলবে,,,

দ্রুত লিখেছি, ভুল ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ