Friday, June 5, 2026







মেঘসন্ধি পর্ব-০৮

#মেঘসন্ধি
#লেখনীতে:সারা মেহেক

আয়ানের নির্বিকার ভঙ্গি দেখে মৌ অস্থির হয়ে আবারো দরজা খোলার চেষ্টা করলো। কিন্তু বাইরে থেকে দরজা বন্ধ থাকায় প্রথমবারে মতো এবারও সে ব্যর্থ হয়। আয়ান মৌ এর দিকে একটু এগিয়ে এসে বললো,
” ব্যর্থ চেষ্টা করে লাভ নেই মৌ। আমার কথাটা শোন।”

মৌ রাগত স্বরে দাঁতে দাঁত চেপে বললো,
” ব্যর্থ চেষ্টা আমি না, আপনি করছেন। হাজার চেঁচালেও আমি আপনাকে মাফ করছি না৷ ”

আয়ান কাতর গলায় বললো,
” আমি কি খুব বড় পাপ করে ফেলেছি?”

” এটা আবার আমার কাছে জিজ্ঞাস করছেন! আপনার বিবেক কি বলছে না আপনি কি করেছেন?”

আয়ান মাথা নিচু করে ফেললো। কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থেকে চট করে মাথা তুলে বললো,
” আমি জানি, আমার দ্বারা অনেক বড় ভুল হয়েছে। কিন্তু তাই বলে কি আমাকে মাফ করা যায় না? এটা আমার প্রথম এবং শেষ ভুল ভেবে মাফ করে দে মৌ। তুই জানিস না, এই ক’টা দিন আমার কেমন কেটেছে। যতটা সময় বাসায় থাকতাম শুধু সুযোগ খুঁজতাম, কখন তোর সাথে কথা বলবো। কখন তোর কাছে মাফ চাইবো। কিন্তু সুযোগ পেলেও তুই আমার সাথে কথা বলিস না। আজকে যখন কথা বলছিস, তখন প্লিজ আমাকে মাফ করে দে মৌ।”

মৌ আয়ানকে ঠেলে দিয়ে কাছের বেঞ্চে এসে বসে পরলো। কিছুক্ষণ আয়ানের দিকে তাকিয়ে থেকে ঠাণ্ডা গলায় বললো,
” একটা মেয়েকে সবার সামনে অপমান করে কোন মুখে মাফ চাইতে আসছেন আপনি? আমার জায়গায় আপনি থাকলে কি কখনও মাফ করতে পারতেন? জবাব হলো, ‘না’। কারণ একজন আত্মসম্মান সম্পন্ন মানুষের কাছে তার আত্মসম্মানটাই সব। সেখানে, আপনি আমার আত্মসম্মানে আঘাত করেছেন। এতো দ্রুত আপনাকে মাফ করে দিবো ভাবলেন কি করে? ”

এই বলে মৌ কিছুক্ষণ থামলো। এর ফাঁকে আয়ান কিছু বলতে চেয়েছিলো। কিন্তু মৌ আরেকদফায় কথা শুরু করায় সে আর কিছু বলতে পারেনি।
মৌ এখন কিছুটা শান্ত। তবে কথা বলতে গিয়ে তার গলা ধরে এসেছিলো। চোখে জমে উঠেছিলো নোনা জলের অশ্রু। সে নোনা জল চোখ গড়িয়ে পরার আগেই সে অতি সন্তর্পণে তা মুছে নিলো। ভেজা গলায় বললো,
” নিজের মনের কথা ভালোবাসার মানুষকে বলার পর এমন অপমানিত খুব কম মানুষই হয়েছে হয়তো। আপনি ঠাণ্ডা মাথায় রিজেকশন দিতে পারতেন। সেটা মুখ বুজে মেনে নিতাম আমি। তবে এমন অপমান করে রিজেকশন দিয়েছেন যে এখন নিজের উপর প্রচণ্ড ঘৃণা হয় আমার। সে সময়টাকে কুফা মনে হয় যে সময়ে আমি আপনার প্রেমে পরেছিলাম। আপনাকে নিজের মনে জায়গা দিয়েছিলাম। কিন্তু জানেন? আপনি সে জায়গা পাওয়ার যোগ্য না। আপনি বরং আমার ঘৃণা পাওয়ার যোগ্য।
আপনার মতো মানুষকে ভালোবেসে জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটা করেছিলাম আমি। তবে এখন আপনাকে ভুলিয়ে সে ভুলটা শুধরে নেওয়ার প্রচেষ্টায় আছি এবং সে প্রচেষ্টায় আমি সফলও হচ্ছি। ”
এই বলে মৌ মাথা নিচু করে নিঃশব্দে চোখের জল ফেলতে লাগলো। আয়ান নামক ব্যক্তির সামনে নিজের চোখের জল সে দেখাতে চাইছে না৷ যদি আবারো এ নিয়ে তাকে অপমান করে বসে!

মৌ এর কথাগুলো আয়ানের হৃদয়ে খুব গভীরভাবে দাগ কাটতে সক্ষম হলো। এই প্রথম মৌ এর লুকিয়ে রাখা চোখের জল দেখে তার বুক কেঁপে উঠলো। সে কিছুক্ষণ মৌ এর তাকিয়ে রয়ে ধীর পায়ে হেঁটে হাঁটু গেঁড়ে মৌ এর সামনে বসে পরলো। মৌ এর থুতনি ধরে মাথা তুলে কাতর গলায় বললো,
” এভাবে বলিস না মৌ। শুনতে কষ্ট হচ্ছে। ”

মৌ আয়ানের হাত ঝামটা মেরে সরিয়ে গরম চোখে তাকিয়ে বললো,
” আপনি তো আমাকে পছন্দ করেন না৷ আপনার জন্য তো আমি আস্ত মুসিবতের গোডাউন। তো, আমার ক্ষমা নিয়ে আপনার এতো মাতামাতি কেনো? আপনি আপনার মতো জীবন কাটান৷ আর আমাকে আমার মতো থাকতে দিন।”

আয়ান মাথা নিচু করে বললো,
” আমি নিজের কাছে নিজে আর কতোদিন ছোট হয়ে থাকবো?”

” যতদিন আমার কষ্ট পুরোপুরি ঘুচবে না ততদিন।”

” এমনটা বলিস না মৌ। আমি কোনোদিনও কারোর কাছে এতোটা অসহায় অনুভব করেনি যতটা তোর কাছে করছি। তোর ক্ষমা পাওয়ার জন্য আমাকে কি করতে হবে বল, আমি সবটাই করবো। ”

” কিছুই করতে হবে না আপনাকে। যা কিছু করেন না কেনো, আমার ক্ষমা কোনোদিনও পাবেন না। কারণ আপনার দেওয়া এ কষ্ট জীবনেও ভুলতে পারবো না আমি৷ তবে, যেদিন আপনার প্রতি আমার ভালোবাসা উপলব্ধি করতে পারবেন সেদিন আমার এ কষ্টটা বুঝবেন। বুঝবেন, আমি কেনো আপনাকে ক্ষমা করতে পারছি না।”

এই বলে মৌ উঠে যেতে চায়। তবে সামনে আয়ান থাকায় এ কাজে ব্যর্থ হয় সে। নিচু গলায় সে আয়ানের উদ্দেশ্যে বললো,
” আমার পথ ছাড়ুন। আমি বাসায় যাবো। সামনে আমার বিয়ে। এজন্য কোনো ধরণের তামাশা ফেস করতে চাইছি না আমি। ”

এতো চেষ্টার পরও মৌ এর মন গলাতে না পেরে নিরুপায় হয়ে আয়ান মৌ এর পথ ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়। মৌ বড় বড় পা ফেলে দরজার কাছে এসে দরজা ধাক্কাতে থাকে। তার দরজা ধাক্কানোর ফলে কয়েক সেকেন্ডের মাঝেই সে মেয়েটি এসে দরজা খুলে দিয়ে পাশ করে দাঁড়িয়ে পড়ে। মৌ সেদিকে খেয়াল না করে দ্রুততার সহিত সে স্থান ত্যাগ করে ভার্সিটির গেটে এসে দাঁড়িয়ে পরে।

.

অবন্তিকা ইসলাম এবং জহির ইসলাম হৃদয়ের ব্যাপারে হৃদয়ের বাবা মায়ের সাথে কথা বলতে চাইছেন। হৃদয়ের মনে এমন সন্দেহ বাতিক সবক্ষেত্রেই নাকি বিয়ের আগে সবটা জানার জন্য মৌ এর ক্ষেত্রেই অমনটা হয়েছে তা নিশ্চিত হতে চাইছেন তারা। আজ বিকেলের দিকে জহির ইসলাম হৃদয়ের বাবা মা’কে একটা রেস্টুরেন্টে ডেকেছেন এ ব্যাপারে কথা বলতে।
মৌ কে হৃদয় এবং তার বাবা মা দেখে গিয়েছেন গত পরশু। সেদিন মৌ এর কথাবার্তা শুনে অবন্তিকা ইসলাম ওমন কথা বললেও তার মন কিছুতেই বিয়েতে সায় দিচ্ছিলো না। এ নিয়ে তিনি তার স্বামী জহির ইসলামের সাথে কথাও বলেছেন। কিন্তু জহির ইসলাম প্রথম দিকে তেমন গুরুত্ব না দিলেও অবন্তিকা ইসলামের কথায় তার মনে একরাশ চিন্তার মেঘ দলা পাকাতে শুরু করে। এজন্যই তিনি এ বিষয়ে হৃদয়ের বাবা মায়ের সাথে কথা বলতে চান৷ গতকাল নানা ব্যস্ততায় কথা বলা হয়ে উঠেনি বলে আজ তারা কথা বলতে চাইছেন।

জহির ইসলাম অবশ্য খানিকটা ভয়েই আছেন। কারণ মৌ এর বিয়ের ব্যাপারে আশেপাশের পরিচিত সবাইকে বলা হয়ে গিয়েছে। আত্মীয়স্বজনকেও বলা হয়ে গিয়েছে। এ মূহুর্তে যদি রেস্টুরেন্টে গিয়ে উঁচুনিচু কোনো ঘটনা ঘটে যায় তাহলে সমাজে তিনি মুখ দেখাবেন কি করে সে দুশ্চিন্তায় সময় কাটাচ্ছেন তিনি৷ হ্যাঁ, মৌ এর সুখী জীবনটাই তার কাছে সবচেয়ে বড়। কিন্তু মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ সমাজে তাকে বাঁচতে তো হবে। ততদিন কি মাথা নিচু করে বাঁচবেন তিনি? এ নিয়ে চিন্তা করতেই হালকা বুকে ব্যাথা অনুভব করেন তিনি। বছর দুয়েক আগে আকস্মিক মাইনর হার্ট অ্যাটাকের কারণে তিনি ভেবেচিন্তে জীবনযাত্রা করেন। এর মধ্যে কোনো ঘটনা ঘটে গেলে কি তিনি আদৌ বেঁচে থাকতে পারবেন? এ নিয়ে অবশ্য জহির ইসলামের চেয়ে অবন্তিকা ইসলামের চিন্তা সবচেয়ে বেশি।

হৃদয়ের ব্যাপারটা নিয়ে তারা মাহতাব, জান্নাত এবং মৌ এর সাথে কোনরূপ আলোচনা করেননি৷ নিজেদের মধ্যেই সব কথাবার্তা বলতে চাইছেন তারা। তাদের মন এ ব্যাপারে অশনিসংকেত দিলেও আল্লাহর কাছে বারংবার তারা দোয়া করে চলছেন।

.

দুপুরের দিকে খাওয়াদাওয়া শেষ করে সবাই মিলে হলুদের আয়োজন নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত হয়ে পরলেন। হঠাৎ কলিংবেলের আওয়াজ শুনতেই জান্নাত কাজ ছেড়ে উঠে দরজা খুলে দিলো। দরজার বাইরে হৃদয় এবং তার বাবা মা’কে দেখে চমকে উঠলো সে৷ আজ এ মূহুর্তে তাদেরকে মোটেও আশা করেনি সে।
জান্নাত দরজার কাছ থেকে সরে এসে হতবাক হয়ে বললো,
” আপনারা এখানে!”

জান্নাতের বিস্ময়ভাবকে পাশ কাটিয়ে হৃদয় এবং তার বাবা মা বড় বড় পা ফেলে ড্রইংরুমে চলে এলেন। হৃদয়ের বাবা হারুন সাহেব ক্রুদ্ধ গলায় চেঁচিয়ে উঠিয়ে বললেন,
” জহির সাহেব, আপনার বউ বাচ্চাদের নিয়ে এখনই ড্রইংরুমে চলে আসুন। ”

হারুন সাহেবের এমন আচরণে বাসায় থাকা সকল আত্মীয়স্বজন হতবাক হয়ে যায়। একে একে তারা সকল ড্রইংরুমে ছোটখাটো একটা ভিড় জমাতে শুরু করেন। হৃদয় এবং হৃদয়ের মা শায়েলা বেগম দাঁতে দাঁত চেপে বেশ কষ্টে রাগ সংবরণ করতে থাকেন। তারা অপেক্ষায় আছে কখন মৌ এর পরিবারের সবাই তাদের সামনে আসবেন আর কখন নিজেদের কথা রাখতে পারবেন তিনি।

হারুন সাহেবের উঁচু গলার আওয়াজ শুনে মৌ, অবন্তিকা ইসলাম এবং জহির ইসলাম তড়িঘড়ি করে ড্রইংরুমে ছুটে এলেন। হারুন সাহেবকে এ মূহুর্তে এখানে দেখে জহির ইসলাম বেশ অবাক হলেন। বিস্মিত গলায় বললেন,
” আপনারা এখানে! বিকেলে তো দেখা হবেই। এভাবে হুট করে আসার মানে কি?”

হারুন সাহেব হাতের মুঠো শক্ত করে দাঁতে দাঁত চেপে বললেন,
” আপনার ছেলে কোথায়? ওকে ডাকুন। সাথে আপনার বন্ধু আর তার পরিবারকেও ডাকুন। ”

জহির ইসলাম কিছুই না বুঝতে পেরে জিজ্ঞাস করলেন,
” ওদের কেনো ডাকবো? আর আপনাদের আসার কারণটা বলবেন দয়া করে?”

” আগে যা করতে বলেছি তাই করুন। পরে সব কথা হবে। আজকে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েই ছাড়বো। আপনি কথা না বাড়িয়ে ওদেরকে ডাকুন। যেখানেই আছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা যেনো এখানে উপস্থিত হয়।”

হারুন সাহেবের কথা শুনে অবন্তিকা ইসলামের বুক অজানা আশংকায় কেঁপে উঠলো। তিনি কাঁপা কাঁপা গলায় জহির ইসলামকে তাগাদা দিয়ে বললেন,
” এই, তুমি তাড়াতাড়ি ফোন করো ওদের। আমার খুব ভয় করছে। উনাদের কথার আগামাথা কিছুই বুঝতে পারছি না আমি।”

স্ত্রী তাগাদা পেয়ে জহির ইসলাম আড়ালে এসে মাহতাব, আয়ান এবং আফসার খান কে কল করে দ্রুত চলে আসতে বললেন। এদিকে মৌ এর চাচা খালাসহ সবার মাঝে কানে কানে ফিসফিস করে কথাবার্তা চলছে। জান্নাত এবং মৌ একে অপরের হাত ধরে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। তাদের বুকের ভেতরে হৃদপিণ্ডটা ভয়ে ঢিপঢিপ আওয়াজ তুলে চলছে।
এমন থমথমে মহলের পরিবেশে নানা ধরণের অশুভ চিন্তায় অবন্তিকা ইসলামের বিপি হাই হয়ে যাচ্ছে। জহির ইসলাম প্রচণ্ড চিন্তায় বুকে মৃদু ব্যাথা অনুভব করছেন। কিন্তু কাউকেই কিছু বলতে পারছেন না৷
হৃদয় এবং তার বাবা মা চুপচাপ সবটা দেখে চলছেন আর নিজেদের ভেতরে রাগে ফুঁসছেন। তারা অপেক্ষায় আছে কখন জহির ইসলাম এবং তার পরিবারকে হাজারটা কটু কথা শোনাতে পারবেন।

প্রায় আধঘণ্টা পর সকলের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আয়ান এবং মাহতাব অফিস থেকে ফিরে এলো। আফসার খান এবং তার পরিবার আরো আগে চলে এসেছিলেন।
হারুন সাহেব আয়ানকে দেখেই তেড়ে উঠে গেলেন। আয়ানের উপর অকপট রাগ দেখিয়ে বললেন,
” নিজের ব্যবহার করা জিনিস আমার ছেলেকে দিতে চলেছিলে কোন সাহসে?”
( বর্ষার অংশ ডিলিট করছি)

®সারা মেহেক

#চলবে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ