Friday, June 5, 2026







মেঘবদল পর্ব-০৯

#মেঘবদল
লেখক-এ রহমান
পর্ব ৯

কোলাহল পূর্ণ পরিবেশের এক পাশে বসে বেশ মনোযোগ দিয়ে ফোনে কিছু একটা একটা দেখছে ইভান। জারিফ হাতে একটা জুসের গ্লাস নিয়ে সেদিকে এগিয়ে এসে ইভানের পাশে বসে পড়ল। তারপরেও ইভানের মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটল না। বিষয়টা দৃষ্টিতে ঠেকতেই জারিফের কৌতূহল বেড়ে গেলো। মনে তীব্র কৌতূহল জাগল ইভান কি দেখছে সেটা জানার। কিন্তু সেটা কোনভাবেই ঠিক হবে না সেটা ভেবেই কৌতূহলটা দমিয়ে রাখল। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে জারিফ আর ইভানের মাঝে বেশ বন্ধুসুলভ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। জারিফের কাজে ইভান অনেক সাহায্য করেছে। আর তার ফাঁকেই তাদের মাঝে বেশ আলাপ হয়েছে। পরিচিতি পর্বে উভয়েই জানতে পেরেছে তারা সম বয়সী। তাই বন্ধুত্বটা খুব তাড়াতাড়ি জমে উঠেছে। জারিফ মৃদু সরে জিজ্ঞেস করলো
–এতো মনোযোগ দিয়ে কি দেখছ?

ইভান চোখ তুলে তাকাল। ফোনের স্ক্রিনটা অফ করে বলল
–তেমন কিছু না।

জারিফ এবার হেসে দুষ্টুমি করে বলল
–গার্ল ফ্রেন্ডের ছবি দেখছিলে বুঝি?

ইভান হেসে ফেললো। বলল
–আমার সেরকম কেউ নেই। তবে…।

কথাটা শেষ করলো না। জারিফ আবারো জিজ্ঞেস করলো
–তবে কি?

ইভান উত্তরে শুধু মলিন হাসল। কোন কথা বলল না। জারিফ তার আচরনে অবাক হলেও প্রকাশ করলো না সেটা। এর মাঝেই নাহিদ এসে দুজনের মাঝে বসে পড়ল। তার হাতেও জুসের গ্লাস। সেটাতে চুমুক দিতেই ইভান দুষ্টুমি করে বলল
–শুনলাম চাচী নাকি তোমাকে একটা মেয়ে পছন্দ করে দিয়েছে। আর সেই মেয়ের সাথে কথা বলেও তাকে পছন্দ করতে পেরেছ কিনা সেটা তুমি নিজেই বুঝতে পারছ না।

বলেই হেসে ফেললো সে। নাহিদ তীক্ষ্ণ চোখে তাকাল তার দিকে। কঠিন গলায় বলল
–আমার পছন্দ হলেই কি শুধু হবে? মেয়ের পছন্দ হতে হবে না?

ইভান একটু ভেবে বলল
–তার মানে তোমার পছন্দ হয়েছে। এখন মেয়ের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছ?

নাহিদ শান্ত চোখে তাকাল। বলল
–এতো কথা তোকে কে বলেছে? ঈশা?

ইভান হতাশ সরে বলল
–ঈশার সাথে তো আমার কথাই হয় গুনে গুনে। সেখানে এতো কথা বলা কি সম্ভব? আর যেটুকু কথা হয় পুরোটাই শুধু ঝগড়া। ভালোভাবে কখনও কথা হয়েছে কিনা সেটা ঠিক আমি বলতে পারছি না। কোনদিন দুজন দুজনকে ভালো করে জিজ্ঞেসও করিনি যে আমরা ভালো আছি কিনা।

ইভানের শেষের কথাটা বেশ অসহায় শোনালো। পরিস্থিতি গম্ভীর হয়ে গেলো কিছু সময়ের জন্য। বিষয়টা খেয়াল করতেই ইভান পরিস্থিতি সামলাতে বলে উঠলো
–তাহলে তোমার মেয়ে পছন্দ হয়েছে তাই না নাহিদ ভাইয়া?

নাহিদ হতাশ শ্বাস ছাড়ল। অসহায় কণ্ঠে বলল
–কিছু সময়ের জন্য একটা মানুষকে দেখে পছন্দ হয়তো করা সম্ভব। কিন্তু মানুষটা আমার জন্য কতটুকু ঠিক সেটা বোঝা অসম্ভব।

ইভান কথার রেশ টেনে ধরল। কণ্ঠে তীব্র অসন্তোষ এনে বলল
–মানুষটা তোমার জন্য কতটুকু ঠিক নাকি ভুল সেটা বিচার করে কি বিয়ে করা উচিৎ? আমার কাছে মনে হয় দুজন মানুষ একসাথে থাকার জন্য ভালবাসা থাকা জরুরী। আমি যাকে ভালবাসি তাকেই বিয়ে করবো।

টেবিলে খাবার সাজাচ্ছিল ঈশা। ইভানের কথাটা কানে আসতেই সেদিকে ফিরে তাকাল। অস্থির হয়ে উঠলো মন। বেড়ে গেলো হৃদয়ের স্পন্দন। হাত থেমে গেলো। মনোযোগ স্থির করলো সেদিকে পরের কথাটা শোনার জন্য। ঠিক সেই সময় জারিফ আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞেস করলো
–তার মানে তোমারও ভালবাসার মানুষ আছে। জানতে পারি কে সে?

ইভান চোখ নামিয়ে হাসল। অসহায়ের মতো বলল
–জানবে শুধু সময়ের অপেক্ষা।

জারিফ হাসল শুধু। নাহিদ জারিফের দিকে তাকিয়ে কৌতূহলী কণ্ঠে বলল
–ভালবাসার সংজ্ঞাটা আসলে তোমার কাছে কেমন?

জারিফ ভাবনায় ডুবে গেলো। সে কখনও এভাবে ভাবেনি। তবে তার বিবাহিত জীবনের কথা মাথায় আসতেই মনে হল ফারিয়ার সাথে সংসার করতে তার আপত্তির কারন ফারিয়ার প্রতি তার কোন অনুভূতি কাজ করে না। যদি করত তাহলে হয়তো কোন আপত্তি থাকতো না। উদাসীন কণ্ঠে বলল
–আমার মনে হয় ভালবাসার জন্য অনুভূতিটা খুব বেশী প্রয়োজন।

নাহিদ মৃদু হেসে বলল
–আমার কাছে বন্ধুত্বটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারন প্রতিটা সম্পর্কের শুরু বন্ধুত্ব থেকেই হয়।

জারিফ ইভান কে জিজ্ঞেস করলো
–তোমার কাছে ভালবাসা কেমন?

ইভান ঈশার দিকে তাকাল। সে একটা চেয়ারে বসে খাবার নিয়ে নাড়াচাড়া করছে। ইভান সেদিকে তাকিয়েই বলল
–আমার কাছে ভালবাসা মানে যাকে দেখেই জীবনে সঙ্গীর প্রয়োজনীয়তা অনুভুত হয়। যার হৃদয়ের প্রতিটা স্পন্দন আমাকে জানিয়ে দেয় আমার জিবন্ত সত্ত্বার কথা। যার মাঝেই আমার অস্তিত্ব।

থেমে গেলো ইভান। নিচের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসে আবার বলল
–আমার মনে হয় আমি যাকে ভালবাসি সৃষ্টি কর্তা আমার মনে শুধু তার জন্যই ভালবাসা সৃষ্টি করেছে। আমার সবটা জুড়ে শুধু সেই আছে। আর তাকে ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ। যখন থেকেই আমি বুঝতে শিখেছি ভালবাসা, তখন থেকে শুধু তাকেই ভালবাসি। আর বিয়ে করলে তাকেই করবো।

ইলুর ডাকে তাদের কথোপকথনে বাধা পড়ল। সবাইকে খেতে ডাকছে টেবিলে। সবাই টেবিলে বসল খেতে। বড়রা ঘরে গল্প করছে। ঈশা সবাইকে খাবার দিচ্ছে। ফারিয়া তাকে সাহায্য করছে কাজে। টুকটাক কিছু কথোপকথনের মাঝেই খাবারের পর্ব শেষ করে ফেললো। খাবার শেষে সবাই যে যার মতো চলে গেলো। ফারিয়া আর জারিফ তাদের নতুন বাড়িতে এলো। সবই ঠিক ছিল কিন্তু বিপত্তি বাধল রাতে শোয়ার সময়। ফারিয়া তীব্র আপত্তির সুরে বলল
–এতদিন বাসায় সবার সামনে এক ঘরে বাধ্য হয়ে থেকেছি। কিন্তু এখন তো নাটক করার কোন প্রয়োজন নেই। তাই আমি আলাদা ঘরে থাকতে চাই।

জারিফ শান্ত দৃষ্টিতে ফারিয়ার দিকে তাকাল। কোন দ্বিতীয় বাক্য ছাড়াই মেনে নিলো। বালিশ কাথা নিয়ে বলল
–তুমি এই ঘরেই থাকো। আমি যাচ্ছি।

বলেই বের হয়ে চলে গেলো অন্য ঘরে। ফারিয়া সস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলল
–আজ কতদিন পর নিজের মতো থাকতে পারবো। উফ! কি শান্তি।

বলেই শুয়ে পড়ল বিছানায়। ঘরের দরজাটাও লাগিয়ে দিলো না। যেটা যেমন ছিল সেটা তেমনই আছে। মাঝরাতে জারিফের ঘুম ভেঙ্গে গেলো। পানি খাওয়ার জন্য উঠে দেখল ঘরে পানি নিতে ভুলে গেছে। তাই বাইরে ডাইনিং এ বের হল। কিন্তু বের হয়েই ফারিয়ার ঘরের দিকে দৃষ্টি গেলো। লাইট জ্বালানো দেখে দরজার দিকে এগিয়ে গেলো। ফারিয়াকে এলোমেলো ভাবে শুয়ে থাকতে দেখে বিরক্তিকর শ্বাস ছাড়ল সে। ফারিয়ার এসব আচরনের কারনেই সে তার উপরে খুব বিরক্ত হয়। মেয়েটার ছেলে মানুষী এখনও কাটেনি। ভেতরে ঢুকল জারিফ। ফারিয়ার কাছে গিয়ে ঠিক করে শুয়ে দিয়ে কাথা গায়ে দিয়ে দিলো। লাইট অফ করে ঘরের দরজা বন্ধ করে নিজের ঘরে চলে এলো। নিজেও শুয়ে ঘুমিয়ে গেলো।

———
প্রায় সপ্তাহ খানেক পেরিয়ে গেছে। সবাই নিজেদের জীবনে ব্যস্ত। কিন্তু মেঘবদলের দ্বিতীয় তলা আজ বেশ সরব। ঈশাদের বাড়িতে মেহমানের সমাগম। সবাই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। রান্না বান্না নানান আয়োজনে পরিপূর্ণ। ঈশা লাল সবুজের মিশ্রনে একটা সুতি শাড়ি পরেছে। ফারিয়া ঈশাকে সাজগোজে সাহায্য করছে। হালকা সাজিয়ে দিয়ে ফারিয়া উতফুল্য কণ্ঠে বলল
–বাহ! বেশ দেখাচ্ছে তোমাকে।

ঈশা মলিন হাসল। উত্তর দেয়ার আগেই তার মা একটা খাবার ভর্তি ট্রে নিয়ে ঘরে ঢুকল। হাসি মুখে বলল
–এটা নিয়ে বাইরে যা। আর মাথায় কাপড়টা ভালো করে দিস।

ঈশা কোন কথা না বলেই মাথায় কাপড় টেনে ট্রেটা নিয়ে বেরিয়ে গেলো পাত্রপক্ষের উদ্দেশ্যে। ঈশাকে দেখতে এসেছে তার বাবার পরিচিত এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলের জন্য। সবাই বেশ খুশী। কারন তারা ঈশার ছবি দেখেই পছন্দ করেছে। এখন শুধু সামনা সামনি দেখে আংটি পরিয়ে রাখবে। ঈশা খাবার নিয়ে টেবিলে রেখে সবার সামনে দাড়িয়ে নম্রভাবে সালাম দিলো। সবাই খুশী হল ঈশার আচরনে। ছেলের মা বেশ কিছুক্ষণ কথা বলে ঈশার বাবার উদ্দেশ্যে বলল
–আমরা আজই মেয়েকে আংটি পরিয়ে রাখতে চাই।

ঈশার বাবা মেয়ের দিকে একবার তাকাল। কিছুক্ষণ পর বলল
–আমি আমার মেয়ের সাথে একটু কথা বলতে চাই। তারপর সিদ্ধান্ত জানাবো।

ঈশা তখনও মাথা নিচু করেই দাড়িয়ে আছে। ঠিক সেই মুহূর্তে কোথা থেকে ক্ষিপ্র গতিতে ইভান বাসায় এলো। চোখ তার রাগে লাল হয়ে আছে। মুখেও রাগের আভা। জোরে জোরে শ্বাস ফেলছে সে। ঈশার দিকে তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে আছে। তীব্র রাগে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ঈশার হাত ধরে সবার সামনেই টেনে নিয়ে গেলো ঘরে। এদিকে সবাই যে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে সেটা ইভানের মাথাতেই নেই। এমন কি বাড়িতে মেহমান এসেছে সেটাও সে খেয়াল করেনি। ঘরের দরজা বন্ধ করে দিতেই ঈশা চেচিয়ে বলল
–এভাবে সবার সামনে টেনে আনলে কেন?

ইভান তীক্ষ্ণ চোখেই তাকিয়ে আছে। চোখ দিয়ে আগুন ঝরছে তার। ঈশা আবারো বলল
–বাইরে সবাই কি ভাবল। তুমি কি…।

ঈশা কথা শেষ করতে পারল না। তার আগেই ইভান তাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরল। দাতে দাত চেপে বলল
–তনুকে কি বলেছিস তুই? আমি তনুকে বিয়ে করবো সেটা তোকে কে বলল?

ঈশা শান্ত চোখে তাকাল। কয়েক মুহূর্ত ইভানের চোখের দিকে তাকিয়ে থেকে আর পারল না। চোখ বেয়ে পানি ঝরে পড়ল তার। কেঁদে ফেললো। কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলল
–আমি এতদিন ভুল বুঝেছিলাম। ভেবেছিলাম তোমাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক আছে। তাই তনু আপুকে বলেছিলাম তোমরা যেন তাড়াতাড়ি বিয়ে করে ফেলো। কিন্তু…।

আর বলতে পারল না ঈশা। কেঁদে ফেললো। ইভান ছেড়ে দিয়ে সরে দাঁড়াল। গম্ভীর কণ্ঠে বলল
–কিন্তু তনু যখন বলল যে সে শাওনকে বিয়ে করছে। কারন তারা দুজন দুজনকে ভালবাসে তখন তোর মনে হল তুই ভুল করে ফেলেছিস। তাই তো?

ঈশা কোন কথা বলল না। ইভান চেচিয়ে বলল
–তুই নিজেকে কি ভাবিস? আমার সব কিছু কি তুই ঠিক করে দিবি? তুই তো আমাকে বিয়ে করতে চাস না। তাহলে আমি কাকে বিয়ে করবো না করবো না সেটা নিয়ে তোর এতো মাথা ব্যথা কেন?

ঈশা কোন উত্তর দিতে পারল না। তার গলায় কথা দলা পেকে যাচ্ছে। কান্না আটকে রাখতে পারছে না। বসে পড়ল নিচে। কাঁদতে কাঁদতে বলল
–কারন বাবা আমারও বিয়ে ঠিক করেছে। আর আমি চাই তুমিও বিয়ে করো।

ইভানের মাথায় কথাটা ঢুকতেই শান্ত হয়ে গেলো। অবিশ্বাস্য কণ্ঠে বলল
–তোর বিয়ে?

ঈশা মাথা নাড়ল। ইভান চোখ বন্ধ করে ফেললো। এতক্ষনে তার মনে হল বাইরে বেশ কয়েকজন অপরিচিত মানুষ বসে থাকতে দেখেছে সে। চোখ খুলে ঈশার দিকে তাকাল। তার সাজ সজ্জা দেখে ইভান ঠোট বাকিয়ে হাসল। আহত কণ্ঠে বলল
–আমি সত্যিই বুঝতে পারিনি ঈশা যে বাইরে তোর হবু শশুর বাড়ির লোকজন বসে আছে। বুঝতে পারলে হয়তো এমন কিছু করতাম না। আমার খুব খারাপ লাগছে। জানিনা কে কি ভাবল। তবে তুই ভাবিস না। আমি সব ঠিক করে দিবো। বাইরে গিয়ে আমি বিষয়টা সামলে নিচ্ছি। তুই ফ্রেশ হয়ে বাইরে আয়। তোকে কেউ কোন প্রশ্ন করবে না। আমি কথা দিলাম।

চলবে……।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ