Saturday, June 6, 2026







ভালোবাসি তোমায় পর্ব-১১

#ভালোবাসি_তোমায়
#A_mysterious_love_story
#ইরিন_নাজ
#পর্ব_১১

সকাল সকাল ভার্সিটি যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছে হুর। আজকে অনেক ইম্পরট্যান্ট ক্লাস আছে প্লাস আগের দিন সে আর লিয়া দুইজনই ক্লাস মিস দিয়েছে। সেই পড়া অন্যদের খাতা থেকে তুলে নিতে হবে। তাই সময়ের অনেক আগেই যাবে বলে ঠিক করেছে সে।

হুর রেডি হয়ে সোজা ডাইনিং টেবিলে চলে আসলো। এসে দেখলো হৃদ খাবার নিয়ে বসে আছে। হয়তো তার অপেক্ষা করছিলো। কিন্তু হুর হৃদ কে পাত্তা দিলো না। সে নিজের চেয়ার টেনে বসে পড়লো। ব্রেডে জেলি মাখিয়ে নিজের মতো খেতে লাগলো। আর বেচারা হৃদও মুখ টা ছোট করে খাওয়া শুরু করলো। বেচারার মন টা ভীষণ খারাপ। গতকাল আসার পর থেকে তার আপাই তার সাথে একটা কথাও বলে নি। আর সে নিজেও তার আপাই এর সাথে কথা না বলে থাকতে পারে না। রাতে সে একবার গিয়েছিলো হুরের রুমে। কিন্তু ততক্ষনে হুর ঘুমিয়ে পড়েছিল। তাই নিজের রুমে চলে এসেছে। নাহলে সে মাই’র ও খেতে রাজী আছে; তারপরও তার আপাই তার উপর রা’গ করে না থাকুক এটাই সে চায়।

হুরের খাওয়া প্রায় শেষের দিকে। এমন সময় হৃদ হুট করে হুর কে জড়িয়ে ধরলো। বললো,

-“আপাই তুই এতো কেনো রা’গ করিস বল তো! তুই না আমার কিউট, সুইট আপাই! আর আমি না তোর একটা মাত্র গুলুগুলু ভাই! ”

হুর অভিমান মিশ্রিত কণ্ঠে বললো,

-“আমি কারোর আপাই না। আর তুই ও আমার ভাই না। দূরে যা। একদম আমার সাথে কথা বলতে আসবি না। ”

হৃদ হুর কে আরেকটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরে কাঁদোকাঁদো গলায় বললো,

-“সরি তো! আর রা’গ করিস না প্লিজ। তুই জানিস না আমি তোর সাথে কথা না বলে থাকতে পারি না!”

-“কেনো কালকে তো ভালোই পারছিলি। আমাকে তো তখন চিনতিই না। আর এখন আসছিস এইসব বলতে। ছাড় আমাকে। দূরে গিয়ে বস যাহঃ!”

-“নাহ যাবো না। আমাকে মা’র তাও কথা বল। আর জীবনেও তোরে ইগনোর করমু না। সরি সরি সরি…. ”

হৃদ একাধারে হুরের কানের সামনে সরি বলেই যাচ্ছে। হুরের কানের পর্দা মনে হয় ফে’টেই যাবে। সে আর সহ্য না করতে পেরে চিৎকার করে বললো,

-“থাম! একদম নাটক করবি না। তোর এসব নাটক আমার মুখস্ত আছে। যা এবারের মতো মাফ করে দিলাম। কিন্ত এরপর থেকে যদি এমন করিস আর জীবনেও কথা বলবো না বলে দিলাম। ”

হৃদ বিশ্ব জয় করা হাসি দিলো। হুরের গালে একটা চুমু দিয়ে বললো,

-“ওক্কে আর কখনো এমন করবো না। আর যদি করিও তাহলে আবার এভাবে রা’গ ভাঙাবো। ”

হৃদ একটা দাঁত কেলানি দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে গেলো। হুর হেসে ফেললো ভাইয়ের পা’গলামো দেখে।সে খাওয়া শেষ করে মাকে বলে বেরিয়ে পড়লো ভার্সিটির উদ্দেশ্যে। আজকে সে লিয়া কে নিয়ে যাবে না। একাই যাবে। তাই লিয়া কে না নিয়েই ভার্সিটি চলে গেলো হুর।

———————————————————————-

ভার্সিটি থেকে ফিরেছে হুর। প্রায় সন্ধ্যা হয়ে এসেছে হুরদের বাড়ি ফিরতে। অবশ্য এর জন্য লিয়া দায়ী। সে আজকে সারাদিন হুর কে জ্বা’লিয়েছে কারণ হুর তার উপর রে’গে ছিলো। কথা বলছিলো না। অনেক ক’ষ্টে বেচারি তাকে মানিয়েছে মনে করে মিটিমিটি হাসলো হুর। তারপর দুই বান্ধুবী মিলে প্রিয় পার্কে ঘুরতে গিয়েছিলো তাই এতো লেট হয়ে গেলো।

হুর শাওয়ার নিয়ে একটু ঘুমিয়েছিলো। সেই ঘুম ভাঙলো রাত আট টায়। অবশ্য সে তার আম্মু কে বলেই ঘুমিয়েছিল যাতে কেউ তাকে বিরক্ত না করে। ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে নিলো হুর। চুলে তোয়ালে পেঁচানো অবস্হায় ঘুমিয়ে পড়েছিল তাই চুল এখনো ভেজা। তাই চুল ছেড়ে দিয়ে নিচে নামলো হুর। কিন্তু কারোর কোনো সারাশব্দ নেই। হুর বুঝলো তার আম্মু লিয়া দের বাড়িতে গেছে হয়তো আর হৃদ পড়তে বসেছে। সে সোজা কিচেন এ চলে গেলো। এক কাপ কফি করে তা নিয়ে ছাদে চলে আসলো। অসময়ে ঘুমানোর কারণে তার মাথা টা ভার হয়ে আছে। এখন কফি খেলে হয়তো ঠিক হয়ে যাবে।

ছাদের রেলিং ধরে সামনের রাস্তা দেখতে দেখতে কফি খেতে লাগলো হুর। স্নিগ্ধ পরিবেশ। হালকা বাতাস হচ্ছে। আকাশ পরিষ্কার থাকায় ছাদ চাঁদের আলোয় আলোকিত হয়ে আছে। হুট করে কেউ কানে ফুঁ দেয়ায় আঁ’তকে উঠলো হুর। ভ’য়ে হাত থেকে কফির মগ পড়লো তো পড়লো তাও সোজা পায়ে। ধোঁয়া ওঠা গরম কফি নিয়ে ছাদে এসেছিলো হুর। অল্প কিছুটা খাওয়ার পর আরও অর্ধেকের বেশি মগে ছিলো। একেতো এতো উপর থেকে মগ পড়ায় তার উপর গরম কফি পড়ায় পা যেনো জ্ব’লে উঠলো হুরের। ব্য’থায় গুঙিয়ে উঠলো হুর। ভ’য়ের বিষয়টাও মাথা থেকে বেরিয়ে গেলো। চোঁখ জলে ভরে উঠলো। এমন সময় শুনতে পেলো পরিচিত কণ্ঠস্বর। তার সামনে এসে দাঁড়ালো লোকটা। অস্থির হয়ে তার পায়ের সামনে হাঁটু গেড়ে বসে তার পা দেখতে লাগলো। তার পা থে’তলে ইতোমধ্যে নীলচে বর্ণ ধারণ করেছে। ব্য’থায় টনটন করছে। চোঁখ ঝাঁপসা হয়ে আসছে হুর এর। অতিরিক্ত ব্য’থা সে সহ্য করতে পারে না। চোঁখ বন্ধ হওয়ার আগে দেখলো কেউ একজন তাকে পা’গলের মতো ডেকেই চলেছে। তার কণ্ঠস্বর শুনে মনে হচ্ছে সে যতো ক’ষ্ট পেয়েছে তার দ্বিগুন ক’ষ্ট সামনের ব্যক্তি পাচ্ছে। আর চোঁখ খুলে রাখতে পারলো না হুর। ঢোলে পড়লো কারোর বুকে।

————————————————————————-

জ্ঞান ফেরার পর হুর দেখলো সবাই খুব চিন্তিত হয়ে বসে আছে। তার একপাশে তার মা, অপর পাশে বাবাই আর পায়ের কাছে হৃদ বসে আছে। সোফার সাইডে নজর যেতেই দেখলো ফাইয়াজ মাথা নিচু করে বসে আছে। হুরের প্রচন্ড চোঁখ জ্ব’লছে। চোঁখ খুলে রাখতে ক’ষ্ট হচ্ছে তার।

হৃদের হুরের দিকে চোঁখ যেতেই সে বলে উঠলো,

-“আপাই তুই উঠেছিস! জানিস আমি কতো ভ’য় পেয়েছিলাম।”

হৃদ এর কথায় সবাই হুরের দিকে তাকালো। হুরের বাবা হাসান সাহেব হুরের মাথায় হাত বুলিয়ে বললো,

-“এখন কেমন লাগছে আম্মু! ইসস কি ব্যথা পেয়েছে আমার মামুনী টা। এসব কিভাবে হলো মা! আমাকে তো তোর আম্মু ফোন করে বললো দ্রুত আসতে। এসে দেখি তোর আম্মুর কা’ন্নাকা’টি করে অবস্থা খারা’প। ”

হুর দুর্বল কণ্ঠে বললো,

-“ভালো লাগছে বাবাই। আসলে কফির মগ টা আমার পায়ে পড়ে গেছিলো। প্রচন্ড ব্য’থায় অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম হয়তো। ”

হুরের আম্মু রে’গে গিয়ে বললো,

-“এই মেয়েটা কে নিয়ে আমি পারি না। আজকে ফাইয়াজ না থাকলে কি হতো ওর! ওভাবেই ছাদে পড়ে থাকতো। আমি তো বাসায় ও ছিলাম না। ”

হুর ফাইয়াজ এর দিকে তাকিয়ে দেখলো সে একদৃষ্টিতে হুরের দিকে তাকিয়ে আছে। চোঁখ টকটকে লাল হয়ে আছে। দেখে মনে হচ্ছে র’ক্ত বের হবে। হুর ফাইয়াজ এর দিক থেকে দৃষ্টি সরিয়ে তার বাবাই কে জিজ্ঞেস করলো,

-“কয়টা বাজে বাবাই? ”

-“রাত এগারোটা বাজে আম্মু। তোমার প্রায় দুই ঘন্টা কোনো সেন্স ছিলো না। ব্য’থার কারণে তোমার শরীরে জ্বর চলে এসেছিলো। ডক্টর এসে ব্য’থা কমার ইনজে’কশন দিয়ে গেছে তোমাকে। ”

হুরের আম্মু বলে উঠলেন,

-“ফাইয়াজ বাবা তুমি এবার রেস্ট নাও কেমন! আজকে এমনিতেই তোমার অনেক পরিশ্রম হয়েছে সব ঠিকঠাক করতে। তুমি তোমার রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নাও। আমি খাবার পাঠিয়ে দিচ্ছি। ”

ফাইয়াজ মাথা ঝাকিয়ে একবার হুরের দিকে তাকিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।

———————————————————————

নিজের রুমে এসে স্বজরে দেয়ালে একটা ঘু’ষি মার’লো ফাইয়াজ। হাত ফেটে র’ক্ত গড়াতে লাগলো কিন্তু তাতে তার কোনো হেলদোল নেই। নিজের মাথার চুল খা’মচে ধরে বিড়বিড় করে বললো,

-“আমি কিভাবে এতো টা কেয়ারলেস হতে পারলাম! কিভাবে! আমার ভুলের জন্য কতো টা s’uffer করতে হচ্ছে মেয়ে টাকে। ”

নিজেকে স্বাভাবিক করে ফ্রেস হতে চলে গেলো ফাইয়াজ।

———————————————————————-

মিসেস হেনা খাবার নিয়ে ফাইয়াজ এর রুমে এসে দেখলেন ফাইয়াজ ল্যাপটপ এ কাজ করছে। তিনি ফাইয়াজ এর হাতে ব্যা’ন্ডেজ লক্ষ্য করে অ’স্থির হয়ে উঠলেন। ফাইয়াজ এর হাত ধরে বললেন,

-“বাবা কি হয়েছে তোমার হাতে! কিছুক্ষন আগেও তো দেখলাম না। ”

-“আন্টি অস্থির হবেন না। আসলে হাতে একটু ব্যথা পেয়েছি। ”

-“বুঝলাম না কি হচ্ছে আজকে! প্রথমে মেয়েটা এখন তুমি। আচ্ছা বাবা তুমি তো খেতে পারবে না। আসো আমি খাইয়ে দেই। ”

-“নাহ আন্টি সমস্যা নেই আমি চামচ দিয়ে খেতে পারবো। আপনি প্লিজ হুরের কাছে যান। ”

-“ওকে খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে এসেছি বাবা। আর ডাক্তার একটা ঘুমের ওষুধ ও দিয়েছিলো। তাই গভীর ঘুমে আছে। আর ব্যথাও বলে এখন কিছুটা কম আছে। কোনো সমস্যা হবে না। তুমি আসো। তোমাকে খাইয়ে দেই। ইস কতো ব্যথা পেয়েছো!”

মিসেস হেনা ফাইয়াজ কে যত্ন সহকারে খাওয়াতে লাগলেন। ফাইয়াজ এর মনে হচ্ছে সে নিজের মায়ের হাত থেকে খাবার খাচ্ছে। তার চোঁখ জলে ভরে উঠলো। মায়ের হাতে খাওয়ার সৌভাগ্য তার কখনো হয়ে ওঠে নি। মিসেস হেনা ফাইয়াজ এর চোঁখে জল দেখে উত্তে’জিত হয়ে পড়লেন।

-“কি হয়েছে বাবা! তোমার কি ঝাল লাগছে বা অন্য কোনো সমস্যা হচ্ছে আমাকে বলো!”

-“আন্টি আপনি উত্তে’জিত হবেন না। আসলে কখনো মায়ের হাতে খাওয়ার সৌভাগ্য হয় নি তো তাই একটু ইমোশনাল হয়ে পড়েছিলাম। আপনার কাছ থেকে একটা মা মা গন্ধ পাচ্ছি।”

-“আমি তো তোমার মায়েরই মতো। আর কি আপনি আপনি করছো এখন থেকে আমাকে মামুনী বলবে আর তুমি করে বলবে। ”

-“তাহলে মামুনী তোমাকেও কিন্তু আমাকে তুই করে বলতে হবে। ”

-“বলবো অবশ্যই বলবো। এবার জলদি খাওয়া শেষ করে একটু রেস্ট কর। অনেক তো কাজ করলি। ”

ফাইয়াজ আলতো হেসে খেতে লাগলো।

———————————————————————

দুইদিন হয়ে গেছে হুর ভার্সিটি যায় না। তার পায়ের ব্য’থা এখন অনেকটা নেই নেই হয়ে গেছে। এই দুইদিনে ফাইয়াজ এর সাথে তার অনেক ভাব হয়েছে। ফাইয়াজ এই দুইদিনে কতো ভাবে যে সরি বলেছে তার হিসাব নেই। আজকে হুর ভার্সিটি যাবে। রেডি হয়ে বাড়ি থেকে বের হতেই দেখলো ফাইয়াজ আর লিয়া গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। হুর ওদের দেখে মুখ বাঁকা করলো। লিয়ার সামনে এসে বললো,

-“ভার্সিটি যাবি না! চল যাই আর কতো গল্প করবি!”

ফাইয়াজ গাড়ির দরজা খুলতে খুলতে বললো,

-“গাড়িতে ওঠো। ”

হুর অবাক হয়ে বললো,

-“আপনার গাড়িতে কেনো উঠবো!? ”

-“কারণ আজকে আমি তোমাদের ভার্সিটিতে পৌঁছে দিবো। আমার অফিস ঐদিকেই পড়ে। তাহলে একসাথে যেতে সমস্যা কোথায়? সুযোগ পেলে নিয়েও আসবো। লিয়া তোমার কোনো সমস্যা আছে এতে? ”

লিয়া উৎফুল্ল কণ্ঠে বললো,

-“নাহ ভাইয়া কি যে বলেন কোনো সমস্যা নেই। আমি তো আরও খুশি। দোস্ত তুইও রাজী হয়ে যা। আমরা গল্প করতে করতে ভার্সিটি যাবো। প্লিজজ প্লিজজ। ”

হুর কিছুক্ষন চিন্তা করে বললো,

-“আচ্ছা ঠিক আছে। এবার তাহলে যাওয়া যাক। ”

হুর আর লিয়া দুইজনই পিছনে বসতে নিলে ফাইয়াজ বললো,

-“দুইজনই পিছনে বসছো! নট ফেয়ার। আমি কি তোমাদের ড্রাইভার নাকি! একজন সামনে এসে বসো।”

লিয়া বললো,

-“দস্ত তুই একটু কষ্ট করে সামনে বস। তুই তো জানিস আমি সামনে বসতে পারি না।”

হুর আর কি করবে! চুপচাপ সামনে গিয়ে বসে পড়লো। গাড়ি ভার্সিটির সামনে থামতেই নেমে পড়লো লিয়া আর হুর। ফাইয়াজ ও সাথে নামলো। হুর আর লিয়া ফাইয়াজ এর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে সামনে আগাতেই দেখলো সব মেয়ে হা করে পিছনের দিকে তাকিয়ে আছে। লিয়া হুর কে ধাক্কা দিয়ে বললো,

-“দেখসোস সবগুলা কেমনে লু’চ্চার মতো তাকায় আছে ফাইয়াজ ভাইয়ার দিকে!”

হুর বললো,

-“বাদ দে। চল আমরা ক্লাসে যাই। ”

———————————————————————–

ভার্সিটি ছুটির পর বের হতেই লিয়া বায়না ধরলো তাকে ঝালমুড়ি খাওয়াতে হবে। ঝালমুড়িওয়ালার দোকান রাস্তার অপর সাইডে। হুর বললো,

-“আচ্ছা তুই দারা এখানে। আমি নিয়ে আসছি। ”

হুর দুইদিকে তাকিয়ে রাস্তা ক্রস করতে লাগলো। কিন্তু হঠাৎ করে লিয়ার চিৎ’কার শুনে পাশে তাকাতেই দেখলো একটা গাড়ি সর্বোচ্চ গতিতে তার দিকে ধেয়ে আসছে। লিয়া বারবার চি’ল্লিয়ে তাকে সরতে বলছে। কিন্তু হুর নড়তে পারছে না। ভ’য়ে হাত-পা জমে গেছে বলে মনে হচ্ছে তার। শেষ বারের মতো লিয়ার দিকে তাকিয়ে চোঁখ বন্ধ করে নিলো হুর। চোঁখের কার্নিশ বেয়ে গড়িয়ে পড়লো কয়েক ফোঁটা জল। আজকেই হয়তো তার জীবনের শেষ দিন। একে একে বন্ধ চোঁখের পাতায় ভেসে উঠলো নিজের বাবা-মা, ছোট ভাই আর সবশেষে নিজের প্রিয় মানুষটার ছবি।

তাহলে কি এখানেই হুরের জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে?

চলবে?

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ