Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"ভালোবাসিবো খুব যতনেভালোবাসিবো খুব যতনে পর্ব-২৮+২৯

ভালোবাসিবো খুব যতনে পর্ব-২৮+২৯

#ভালোবাসিবো_খুব_যতনে
#Ayrah_Rahman
#part_28
__________________

রাত তখন এক টা কি দুটো , চোখে ঘুম নেই , মাথা ভর্তি টেনশন , মেয়েটাকে যে এত বড় একটা দায়িত্ব দিলাম , ওকি করতে পারবে? ভীষণ রিস্কের কাজ তো , ওকে দায়িত্ব দিয়ে ভুল করলাম না তো ? এতক্ষণে তো কাজটা করে ফেলার কথা , এখনো ফোন করছে না কেন? আমিও তো ফোন দিতে পারছি না , যদি বিপদ হয়? ইসস কেন যে ওকে দিতে গেলাম তার চেয়ে বরং আমি ই করতাম …

বিছানায় সুয়ে এপাশ ওপাশ করছি আর চিন্তা হচ্ছে , হঠাৎ বালিশের তলায় থেকে ফোন টা বায়োব্রেট মুডে বেজে উঠলো ,

আমি তড়িঘড়ি করে উঠে ফোন টা রিসিভ করে বেলকনিতে চলে গেলাম ,

” হ্যালো ইলু কই তুই? ”

ও মেইবি কিছু চিবুতে চিবুতে বলল ,

” কেন বাসায়! ”

” তুই বাসায় মানে কি ? যা কাজ দিয়েছিলাম পুরোটা করতে পেরেছিস তো ? ”

” হ্যারে বাবা করেছি , ইনফেক্ট ফাইট টাও রেডি বাট তোকে দেবো কি না ভাবছি ! ”

আমার ভ্রু আপনাআপনি কুঁচকে গেলো , বলে কি এই মেয়ে! তিলে তিলে যেই প্রমান গুলো জোগার করলাম , তা তো ফাইলের মধ্যে ই আছে , এটা হাত থেকে চলে যাওয়া মানে বিশাল লস…

” মাথা ঠিক আছে তোর? কি আবল তাবল বকছিস,? ”
ও কিছু একটা চিবুতে চিবুতে বলল ,

” ট্রিট দে , নাহলে পাবি না ফাইল ”

” এই তুই এমন ছেঁচড়া কেন সব কিছু তেই ট্রিট ট্রিট করিস , তোরে আংকেল আন্টি কিছু খাওয়ায় না? ”

” খাওয়াই তো বাট তোর টাকায় যেন আলাদা স্বাদ পাই , সেইইইই স্বাদ ”

বলেই খিলখিল করে হেসে উঠলো , প্রান খোলা সেই হাসি , অগাধ সরল মেয়েটা , আমি মুচকি হাসলাম ,

” ঠিক আছে আসিস কালকে, ট্রিট দিয়ে দিবো নে ”

” ওক্কে বান্তুপী , lavuuu so much ”

” lovuu? What is lavuu?

” আরে লাভ ইউ কে সংক্ষিপ্ত করে লাবুও বলে এটাও জানে অক্ষিশিত! ”

” অক্ষিশিত? মানে আমি অশিক্ষিত? ”

” এটা আমি কখন বললাম! বেশি কথা বলিস তুই বেদ্দপ মহিলা , ফোন রাখ ”

” এই কি বললি তুই ? আমি বেদ্দপ ? হ্যালো হ্যালো….. ”

ফোন কান থেকে নামিয়ে দেখি ও ফোন টা কেটে দিয়েছে ,

ফোন টা দোলনার উপর রেখে ঝুঁকে রেলিঙের উপর বসে দেয়ালে হেলান দিলাম , একটু উনিশ বিশ হলেই দোতলা থেকে ঠাস করে পড়বো এটা নিশ্চিত না মরলেও হাত পা আর আস্ত থাকবে না আর ভাগ্য খারাপ থাকলে সোজা উপরের টিকিট পেয়ে যাবো , আমি একটু নিচ দিয়ে ঝুঁকে দেখার চেষ্টা করলাম আসলে নিচে আছে টা কি ?

হঠাৎ দরজার দিক থেকে কেউ আমার নাম নিয়ে চিৎকার করতেই আমার অন্তরাত্তা যেন কেঁপে উঠলো ,

এই মাঝ রাতে হঠাৎ এমন চিৎকারে কে না ভয় পাবে , তাল সামলাতে না পেরে পা টা পিছলে বাইরে পরে যেতেই আমি বাইরের দিকে ঝুকে গেলাম , ইনফেক্ট পরে যাবো আমি হঠাৎ এক জোড়া হাত এসে আটকে দিলো আমার বাহু , আমি চোখ বন্ধ করে দোয়া পড়তেছি , হঠাৎ হেঁচকা টানে আমাকে বেলকনির ভেতরে নীচে ফেলে দিলো , পড়তে পড়তে বেঁচেছি আমি তখনও চোখ মুখ কুঁচকে দোয়া পড়ছি,

হঠাৎ মনে হলো গাল টা আমার জ্বলে উঠলো , কোন শক্ত হাতের দাবাং মার্কা থাপ্পড়ে , আমি খানিকটা পাশে ঝুকে গেলাম ,

থাপ্পড়ের রেস কাটিয়ে উঠে গালে হাত দিয়ে সোজা হয়ে দাড়ালাম , এখন আমার কি কষ্ট পাওয়া উচিত নাকি অবাক হওয়া উচিত সেটা বুঝতে পারছি না তাই চেষ্টা করছি দুই এক্সপ্রেশন ই প্রদর্শন করার ,

আমি কাঁদো কাঁদো মুখ করে অবাক দৃষ্টিতে গালে হাত দিয়ে তাকিয়ে আছি আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ টার দিকে ,

ভীষণ অস্বাভাবিক ভাবে শ্বাস প্রস্বাস আনা নেওয়া করছেন , উনার বুকের ধুকপুকানি আমি কয়েক ইঞ্চি দুর থেকে ও স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি,
আচ্ছা উনি কি কোন কারণে ভয় পেয়েছেন?

” মিফতাহুল পূর্ণা! সুইসাইড এটেম্প করার এত শখ? আমাকেই বলতে পারতে আমি নিজেই তোমাকে বাজারের সেরা বি*ষ কিংবা মোটা দড়ি এনে দিতাম ! এই মাঝ রাতে এসব নাটকের মানে কি? ”

দাঁতে দাঁত চেপে কথা টা বললেন , আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি উনার দিকে , এই রাত দুপুরে কি হাবিজাবি কথা বলছেন আমি কেন অযথা সুইসাইড করতে যাবো!

কাঁদো কাঁদো গলায় বললাম ,

” আপনি আমাকে মারলেন কেন? আর কি হাবিজাবি কথা বলছেন আমি কেন সুইসাইড খাইতে যাবো? ”

” তাহলে এই এতো রাতে তুমি বেলকনিতে রেলিঙের উপর ঝুলে করছিলে কি? ভুতের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলে? ”

আমি আমতাআমতা করে বললাম,

” আড্ডা দিবো কেন? ঘুম পাচ্ছিলো না তাই তারা গুনতে এসেছি ! ”

” তোমাকে এখন ওই গালে আরেকটা থাপ্পড় দিতে ইচ্ছে করছে আমার, ইডিয়ট ”

আমি রেগে গাল থেকে হাত সরিয়ে বললাম ,

” আমার গাল টা কি রিলিফের মাল পেয়েছেন? নাকি সরকার কতৃক প্রতত্ত সরকারি সম্পদ ? যে যখন ইচ্ছে ঠুস ঠাস থাপ্পড় মারবেন! , এই সরেন তো সরেন , আমি ঘুমাবো ”

বলেই গটগট পায়ে রুমে এসে বিছানায় সুয়ে পড়লাম ,

কিছু ক্ষন পর উনি এসে আমার পাশে বসে বললেন,

” বেশি ব্যথা করছে গাল? ”

আমি ঘুরে অপর পাশ ফিরে শুলাম , এহহ নিজে মেরে এখন আদিক্ষেতা দেখাচ্ছে , বলব না কথা !

আমাকে পাশ ফিরে শুতে দেখে উনি আমার দিকে গিয়ে বললেন ,

” আচ্ছা বাবা সরি, আমি আসলে হঠাৎ ওভাবে তোমাকে দেখে মাথা ঠিক ছিলো না তাই রেগে গিয়েছিলাম ”

আমি আবার অপর পাশ ফিরে শুলাম , বাছাধন যত কিছু ই করো আমি তোমার সাথে কথা বলব না ”

” এই পূর্ণ শোননা! ”

আহা কি সুন্দর ডাক , তবুও গলছি না, হুহ!

” আচ্ছা ঠিক আছে, কি করতে হবে বলো আমি করব তাও এমন বিহেভ করো না প্লিজ ”

আমি পিটপিট করে চোখ খুললাম , মৃদু সবুজ রঙের লাইটের আলোতে উনার চেহারা টা দেখে কেন জানি ভীষণ মায়া হলো তাই উঠে বসলাম ,

” আমি যা বলব তাই করবেন তো? ”

” হুম ঠিক আছে ”

আমি কোলের উপরে বালিশ নিয়ে নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে বসে বললাম ,

” কানে ধরেন ”

আমার কথা শুনে উনি দু পা পিছিয়ে গেলেন ,

” হুয়াট! আমি কানে ধরবো? ”

” হুম বেশি না মাত্র পঞ্চাশ বার কানে ধরে ওঠবস করতে হবে ”

” আমি তাহরিম তালুকদার ধরবো কানে? নো নেভার , কাভি নেহি ”

” ওকে , গুড নাইট ” বলে যেই না শুতে যাবো উনি কিছু একটা ভেবে বললেন ঠিক আছে করছি কিন্তু এত গুলো না ,

” আচ্ছা যান ৩০ বার করেন ”

” ত্রিশ বার! ”

” এটলিস্ট বিশ বার তো করেন, নূন্যতম ডিসকাউন্ট এর চেয়ে কম পারবো না সরি ”

উনি আমতাআমতা করে বললেন ,

” ওকে , করছি ”

বলেই কানে হাত দিয়ে উঠ বস করতে লাগলো আর আমি গালে হাত দিয়ে বসে বসে সেই বিখ্যাত দৃশ্য উপভোগ করছি , বেটা বোঝ এবার এই পূর্ণা কে থাপ্পড় মারার ফল! তুই জামাই৷ জামাইয়ের মতো থাক , মারতে কেন যাবি ! জামাই বলে কি সাত খু*ন মাফ নাকি , ইটের বদলে ইট নাই বা দিতে পারি পাটকেল তো দেওয়ায় যায়!

হুয়াট অ্যা দৃশ্য ভাই রে ভাই , মন্ত্রী তাহরিম তালুকদার নাকি বউয়ের কথায় কানে ধরে ওঠবস করছে ভাবা যায়! উনার ভক্ত গন দেখলে তো চোখ খুলে বেরিয়ে আসবে, মনে মনে কথা টা ভেবেই মুখ টিপে হাসলাম ,

উনি আমার দিলে অসহায় দৃষ্টি নিক্ষেপ করে ওঠবস করছে , বেচারা কে দেখে ভীষণ মায়া হলো তাই ১০ বারের মতো হতেই বললাম ,

” ঠিক আছে ঠিক আছে আর করতে হবে না , মাফ করে দিলাম , পরবর্তী তে যেন এমন না করেন , অনেক রাত হয়েছে ঘুমিয়ে পড়েন ”

বলেই শুয়ে পড়লাম ,
উনি ও আমার পাশে চুপচাপ শুয়ে পড়লেন , কোন কথায় বললেন না ,

আমি উনার দিকে ফিরে মাথার নিচে হাত দিয়ে শুলাম ,

” এই শুনছেন? ”

“…………….”

” আপনি কি রেগে আছেন? ”

“…………… ”

” কথা বলছেন না কেন? ”

উনি সোজা হয়ে চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে কোন নড়চড় নেই ,

আমি আধশোয়া হয়ে উনার ওপর ঝুকে নাকের কাছে আঙুল দিয়ে বোঝার চেষ্টা করছি আসলে কানে ধরার কষ্টে হার্ট অ্যাটাক করে মরে টরে যাননি তো ?

হঠাৎ উনি আমার হাত ধরে নিজের দিকে টান দেওয়ায় আমার মাথা সোজা গিয়ে ঠেকলো উনার বুকে , আমি চমকে উঠলাম

উঠতে নিবো উনি এক হাত দিয়ে চেপে ধরে চোখ বন্ধ করে আছেন ,

” কি হলো এটা, ছাড়ুন আমাকে ”

” যেভাবে আছো চুপচাপ সেভাবে ই থাকো উঠার চেষ্টা করবে আর নড়চড় করবে , সোজা বেলকনিতে নিয়ে গিয়ে ঢিল মেরে ফেলে দিবো একদম উপরের টিকিট পেয়ে যাবে , সোও চুপ করে থাকো আর আমাকে ঘুমুতে দাও ”

বলেই দুহাতে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরলো আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই ঘটনা ঘটে গেলো , আমি বেক্কেল এর মতো শুধু তাকিয়েই রইলাম..

চলবে..

#ভালোবাসিবো_খুব_যতনে
#Ayrah_Rahman
#part_29 ( বউজান)

__________________________

” শুভ সকাল বউজান ”

সকালের সূর্যের আলো টা চোখে পড়তেই ঘুম টা হালকা হয়ে গেলো , চোখ বন্ধ থাকতে ই মনে হচ্ছে কানের কাছে ধক ধক আওয়াজ টা বেশ তীব্র গতিতে চলছে , কিসের আওয়াজ সেটা ঠাওর করতে পারছি না , খানিকটা নড়েচড়ে উঠলাম , পিটপিট করে চোখ খুলে বোঝার চেষ্টা করছি আমার অবস্থান ,

হঠাৎ কারো ঘুমো ঘুমো কন্ঠে সকালের শুভেচ্ছা কার্নোগোচর হওয়ায় মাথা উঁচু করে তাকালাম তার দিকে , সকালের প্রথম মিষ্টি আলো উনার চোখে মুখে পড়ছে, মুখে লেগে আছে অসম্ভব মিষ্টি হাসি, সদ্য ঘুম থেকে উঠার জন্য ফর্সা মুখ আর চোখ খানিকটা ফুলে আছে , খোঁচা খোঁচা দাড়ি তে ভীষণ মায়াবী লাগছে তার মুখ , এক কথায় সুপুরুষ যাকে বলে , উনাকে একটা উপাধি দিতে ভীষণ ইচ্ছে করছে , তা হলো ভয়ংকর সুন্দর , আমার গায়ের রং যেমন শ্যাম বর্ণ উনার ঠিক দুধে আলতা, এত দিন শুনে এসেছি দুধে আলতা গায়ের রং কমপ্লিমেন্ট টা শুধু মাত্র মেয়েদের জন্য কিন্তু আজ কেন জানি এই কমপ্লিমেন্ট টা উনার জন্যই যুতসই মনে হচ্ছে ,

” এভাবে তাকিয়ে থাকে না বউ , এতে আমার শ্বাসকষ্ট টা যেন দ্বিগুণ হারে বেড়ে যায় , শ্বাস নিতে ভীষণ কষ্ট হয় তো , এই যে এখানে ভীষণ কষ্ট হয় ! ”

নিজের বুকের বা পাশে হাত দিয়ে কথা টা বলে উঠলেন উনি , আমি চমকে উঠে চোখ ফিরিয়ে নিলাম , ছি ছি কি ভাবছিলাম এসব আমি !

চোরা চোখে আমার উনার দিকে তাকাতেই দেখি উনি আমার দিকে ঠোঁট কামড়ে তাকিয়ে আছে , আমি চোখ ফিরিয়ে নিলাম , যা দেখে উনি স্ব শব্দে হেসে উঠলো ,

আমি উঠতে নিলে খেয়াল হলো উনি আমাকে ঝাপটে ধরে আছে যা ফলে কিছু টা উঠে আবার উনার বুকের উপরেই পড়লাম

উনার বুকের উপর থেকে মাথা উঠিয়ে ভ্রু কুচকে উনার দিকে তাকালাম ,

” কি হচ্ছে! ছাড়ছেন না কেন ? আমি উঠবো! ”

উনি আরো শক্ত ভাবে আমাকে জরিয়ে ধরে চোখ বন্ধ করে বললেন,

” উঠো! মানা করেছি আমি? ”

আমি নাকের পাটা ফুলিয়ে বললাম,

” এভাবে জোকের মতো ধরে রাখলে উঠবো কিভাবে ? আপনি হাত সরান ”

” আমি তো আমার হাত সরাবো না পারলে উঠে দেখাও ”

” এটা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না , দেখুনন মন্ত্রী সাহেব … ”

উনি পিটপিট করে চোখ খুলে বললেন,

” দেখাও , আমি কি না করেছি নাকি? আমার হক আছে ! কি বলো তুমি? ”

বলেই ঠোঁট কামড়ে হেসে দু চোখ কুঁচকে বন্ধ করে ফেললেন ,

আমি ব্যপার টা ঠাওর করতে পেরে উনার নাক কুচকে বললাম,

” ছিইই… অসভ্য ! ”

উনি আমাকে ঝাপটে ধরে পাশ ফিরে চোখ বন্ধ করে শুলেন ,

” চুপচাপ শুয়ে থাকো যতক্ষণ না আমি উঠবো তুমিও শুয়ে থাকো আমার সাথে ”

” দেখুন এটা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না , আমার ঘুম শেষ আমি এখনই উঠবো ”

উনি ফট করে চোখ মেলে তাকালেন,

” তুমি উঠবে,? , ”

” হুম, ছাড়ুন ”

” ওকে তোমাকে যেতে দেবো বাট একটা শর্তে ”

আমি ভ্রু কুচকে বললাম ,

” শর্ত? কি শর্ত ? ”

” নাউ ইউ মিস মি ! ”

আমি চোখ বড়ো বড়ো করে বললাম ,

” কি বললেন? কিসস? নো, নেভার , কাভি নেহি ! ”

আমার কথা শুনে উনি ঠোঁট বেঁকিয়ে হেসে মাথা উচিয়ে আমার দিকে খানিকটা ঝুঁকে এলো , আমি তৎক্ষনাৎ ভয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম ,

গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ির ছোয়া পেয়ে খানিকটা কেপে উঠলাম , বেশ লম্বা একটা কিস করে উনি আবার আগের মতো চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়লেন , আমি চোখ বড়ো বড়ো করে উনার দিকে তাকিয়ে রইলাম , এখন যা হলো ঠিক আমার মাথার ৩ হাত উপর দিয়ে গেলো , হঠাৎ মনে হলো , উনি কি আমাকে কিস করলেন! ভেতর থেকে উত্তর এলো , হেএএ ওই কারেক্টার লেস মন্ত্রী তোকে কিস করলো! আমি হা করে তাকিয়ে আছি , গালে হাত দিয়ে , রেস টা যেন এখানো কাটছে না ..

” কি হলো এটা ? ”

উনি চোখ বন্ধ করে ই উত্তর দিলো ,

” কিসস হলো ”

আমি কাঁদো কাঁদো গলায় বললাম ,

” কেন হলো? ”

উনি চোখ খুলে আমার দিকে ভ্রু বাকিয়ে তাকিয়ে বললেন ,

” শুকরিয়া আদায় করো , তোমার ওই কোমল গোলাপি ঠোঁট গুলো যে এখনো জীবিত আছে , আমার জায়গায় অন্য কেউ হলে স্ট্রবেরি মনে করে খেয়ে ফেলতো ”

এতো টা সিরিয়াস ভাবে কথা টা বললেন উনি আমি প্রথমে খানিকটা ঘাবড়ে গেলেও পরবর্তী তে ব্যপার টা বুঝতে পেরে রেগে বললাম ,

” আপনি কি জানেন! আপনি যে লিমিট লেস অসভ্য লোক ”

উনি খানিকটা ভাব নিয়ে বললেন ,

” ইয়েস আই নোওও ”

আমি রেগে বললাম ,

” আপনি কি ছাড়বেন? ”

” না ”

” শেষ বারের মতো বলছি ছাড়বেন ? ”

উনি নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে বললেন,

” কাভি নেহি ”

” এখন যা হবে তার জন্য আমি দায়ি নই ” বলেই উনার উন্মুক্ত বুকের বা পাশে ঝুকে কামড়ে ধরলাম , যত ঝাঁজ আছে সব একসাথে ঢালতে লাগলাম ,

উনি প্রথমে আমার কাজে খানিকটা হকচকিয়ে গেলে ও পরবর্তী তে মুচকি হেসে আলতো হাতে জরিয়ে ধরলো ,

প্রায় মিনিট ৫ পর আমি মুখ তুলে উনার দিকে তাকালাম ,

কোন নড়চড় না দেখে অনেক টাই বিরক্ত আমি , পুনরায় কামড়ের স্থানে চোখ যেতেই আমার চোখ আপনাআপনি ই বড় হয়ে গেলো ,

হায় আল্লাহ, এটা আমি করছি ,? কামড়ের জায়গায় রক্ত জমাট হয়ে রক্ত বেরিয়ে গেছে প্রায় প্রত্যেকটা দাঁত গর্ত হয়ে রক্ত বেরিয়ে পড়েছে,

রেগে দিয়েছিলাম ঠিকই কিন্তু এতো টা আহত হবে ভাবতে পারি নি , ফর্সা লোম হীন বক্ষে কামড়ের দাগ টা জ্বলজ্বল করছে , আমি আলতো হাতে ছুয়ে দিলাম , উনি চোখ খুলে আমার দিকে তাকিয়ে ভ্রু বাকিয়ে বললেন ,

” এতো অল্প তেই ঝাঁজ শেষ ? রাগ না কমলে আরেক পাশ খালি আছে ওটাতে ও দিতে পারো , আই ডোন্ট মাইন্ড ”

আমি মুখ উচিয়ে বললাম ,

” ব্যথা লাগে নি? ”

” উহুম একটু ও না , ভেতরের ব্যথা থেকে বাইরের ব্যথা নিতান্তই ঠুকনো ব্যপার , তবে জানো তো , তোমার দেওয়া বাইরের ব্যথা কিছু টা হলেও ভেতরের ব্যথা কমিয়ে দিতে পেরেছে , তাই তুমি একটা ধন্যবাদ প্রাপ্য বাট একটা কথা কি জানো! আমি বেশ অবাক হয়েছি ”

” কি ? ”

” আমি তো যাস্ট কিস চেয়েছিলাম তুমি তো লাভ বাইট দিয়ে দিলে , ইউ আর সোওও এডভান্স বউজান ”

আমি বিরক্তিকর দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললাম ,

” দুনিয়াতে কত পাগল দেখেছি , আপনার মতো এমন পাগল বিশ্বাস করেন আমি আমার বাপের জন্মে দেখি নি , গত আধা ঘণ্টা যাবত এমন পাগলামির মানে কি? ”
” ঠিক আছে ঠিক আছে , ছাড়বো , আগে একটা প্রমিস করতে হবে ”

আমি চোখ ছোট ছোট করে বললাম,

” কি প্রমিস? ”

” আগে বলো রাখবা! ”

” আগে আপনি বলেন কি প্রমিস ”

” না হলে ছাড়ব না , আজকে সারাদিন এভাবে ই থাকতে হবে , বুইঝো কিন্তু আমার কোন সমস্যা নেই ”

” ঠিক আছে ঠিক আছে রাখব বলেন ”

উনি হাতের বাধন আলগা করতে করতে বললেন ,

” এখন থেকে আমি যা বলব তাই করতে হবে না হলে শাস্তি হিসেবে ইউনিক কিছু ই থাকবে ”

আমি দীর্ঘ শ্বাস ফেলে উঠে বসতেই উনি লাফ দিয়ে উঠে দৌড়ে ওয়াসরুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে ফেলল ,

আমি চোখ বড়ো করে চিৎকার দিয়ে বললাম ,

” এটা কিন্তু ঠিক না , বের হোন আপনি , আমাকে দেরি করিয়ে এখন নিজে আগে ঢুকছেন , এটা দুর্নীতি ”

তাহরিম ওয়াসরুমের দরজা লাগিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বুকের ক্ষত টা পর্যবেক্ষন করছে , কামড়ের চারপাশে বেশ অনেক খানি জায়গা ফুলে গেছে , চিনচিন ব্যথাও করছে ,

তা দেখে তাহরিম মুচকি হেসে হাত দিয়ে আলতো হাসে জায়গা টা স্পর্শ করলো ,

পানি লাগার সাথে সাথে ই জায়গাটা জ্বলে উঠলো , তা অনুভব করে তাহরিম ঠোট কামড়ে হেসে উঠলো, লোকে দেখলে নির্ঘাত পাগল বলবে তাকে ,

আমি বিরক্ত হয়ে বিছানা গুছাতে লাগলাম , পুরা জঙ্গল বানিয়ে রাখছে ,

বিছানা গুছিয়ে কাপড় রেডি করে বিছানায় বসে আছি উনি বের হলে তারপর ঢুকবো কিন্তু উনার তো বের হবার নাম গন্ধ ও নেই ,

” এই আপনার হয় নি? বের হোন না কেন? ছেলে মানুষের এত দেরি লাগে নাকি? ”

হঠাৎ উনি ওয়াসরুমের দরজা একটু ফাঁক করে আমার দিকে তাকিয়ে বলল ,

” এই বউজান! ”

আমি ভ্রু কুচকে তাকালাম ,

” আবার কি? ”

“কাবার্ড থেকে একটু তোয়াল টা দাও না! ”

আমি অন্য দিকে ঘুরে বললাম ,

” পারব না , নিজে নিয়ে গেলেন না কেন? আমি এখন দিতে পারব না , নিজের টা নিজের এসে নিয়ে যান ”

” জান পাখি দাও না , তোমার ওয়ান এন্ড অনলি হ্যান্ডসাম জামাই ভেজা শরীরে দাঁড়িয়ে আছে, ঠান্ডা লাগবে তো , দিয়ে দাও ”

আমি ঘাড় ঘুরিয়ে ভ্রু বাঁকিয়ে তাকালাম উনার দিকে,
এক পলক উনার দিকে তাকিয়ে আশেপাশে কিছু খোঁজার চেষ্টা করে বললাম ,

” হ্যান্ডসাম কাকে বলছেন? এক মিনিট..
আপনি নিজেকে হ্যান্ডসাম বলছেন না তো? হুয়াট অ্যা জোক ব্রো ”

বলেই উঠে কাবার্ড থেকে উনার তোয়ালেটা হাতে নিলাম ,,

” সব কিছু ই বুঝলাম বাট ব্রো আই মিন ভাই কাকে বললে তুমি? আমি কি তোমার ভাই হই ? ”

আমি তোয়ালে দিতে দিতে বললাম ,

” এই ভাই সেই ভাই না ভাই.. এতো কথা না বলে তাড়াতাড়ি বের হোন , বলেই আমি চলে এলাম ,

উনি পিছনে থেকে বলে উঠলো ,

” কাবার্ডে দেখো আমার এ্যাস কালার পাঞ্জাবি টা বের করে রাখো ”

বলেই দরজা বন্ধ করে দিলো ,

আমি দীর্ঘ শ্বাস ফেলে পাঞ্জাবি বের করে বিছানায় রাখলাম ,

প্রায় ৩ মিনিটের মাথায় উনি শুধু একটা পাজামা পড়ে ওয়াসরুম থেকে বের হলেন , আমি এক পলক উনার দিকে তাকিয়ে ওয়াসরুমে ঢুকে গেলাম ,

গোসল শেষে শাড়ি কোন রকম পেচিয়ে রুমের মাঝে উকি দিলাম , যাক কেউ নেই ,

দরজা টা ভালো ভাবে লাগিয়ে যেই পিছনে ফিরতে যাবো দেখি উনি কথা বলতে বলতে বেলকনি থেকে রুমের মধ্যে ঢুকলো , ভাগ্য ভালো ছিলো যে শাড়ি টা পেচিয়ে নিয়ে ছিলাম , ভেবেছিলাম রুমে এসে শাড়ি টা পড়ব নয়তো ওয়াসরুমে ভিজে যাবে,

উনি ভ্রু কুচকে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,

” লুঙ্গির মতো পেচিয়ে কি শাড়ি পড়া যায় নাকি ? এত কিছু পারো আর এটা পারো না , ইডিয়ট ! ”

বলেই ফোন টা বিছানায় রেখে আমার সামনে এসে দাড়ালো , আঁচলে ধরতেই আমি এক কদম পিছনে গিয়ে বললাম,

” না না আপনার হেল্প লাগবে না আমি পারব , আপনি বরং বেরিয়ে যান ”

” আর ইউ সিউর তুমি পারবে? ”

” হুম ”

উনি গিয়ে বিছানার উপর পায়ের উপর পা তুলে বসে বলল,

” ঠিক আছে পড়ো ”

আমি চোখ বড়ো বড়ো করে বললাম ,

” আপনি বের হোন, বসতে বলি নি , আমি এখন শাড়ি পড়ব ”

” তো পড়ো, আমি কি ধরে রাখছি নাকি?

” বের না হলে পড়ব কিভাবে ? ”

আমার কথা শুনে উনি নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে বললেন,

” তোমার কাছে দুটো অপশন , এক আমি তোমাকে শাড়ি পড়িয়ে দেবো , দুই তুমি এখন আমার সামনে শাড়ি পড়বে , ইচ্ছে তোমার , যেকোনো একটা বাছাই করতে পারো ”

আমি কাদো কাদো দৃষ্টিতে উনার দিকে তাকালাম , এই কোন মুসিবত , কি করব এখন !

কিছু ক্ষন ভাবার পর ও কোন উপায় না পেয়ে মিনমিনে কন্ঠে বললাম,

” ঠিক আছে আপনি ই পড়াই দেন , শাড়ি পড়ার সময় এমন ডেবডেব করে তাকিয়ে থাকলে শান্তি লাগবে না তার চেয়ে বরং আপনি ই কাজ করুন ”

উনি মুখে বিশ্ব জয়ের হাসি নিয়ে এগিয়ে এলেন ,

যদিও আমার ব্লাউজ ফতুয়া টাইপ, একদম পেট পর্যন্ত ঢাকা তবুও জীবনের প্রথম কোন পুরুষ মানুষের ছোঁয়া , অস্বস্তি তো লাগবেই, লাগাটাই স্বাভাবিক ,

উনি হয়তো আমার অস্বস্তির কারণ টা বুঝতে পেরেছেন তাই কোন রকম ফাইজলামি ছাড়াই সুন্দর করে শাড়ি পড়িয়ে দিলেন এবং খুব তাড়াতাড়ি , আমি ততটা সময় চোখ খিচে বন্ধ করে রেখেছিলাম , তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো , আমার মনে হয় নি পুরো টা সময়ে উনার হাত আমার শরীর স্পর্শ করেছে ,

কুচি ধরে বললেন ,

” নাও এটা ধরো ”

আমি কুঁচি ধরতেই উনি ঝুকে শাড়ির কুচি গুলো ঠিক করে দিতে লাগলেন ,

কুচি ঠিক করে বললেন ,

” নাও এবার গুঁজো ”

সব শেষ করে আমাকে নিয়ে আয়নার সামনে দাড়া করালো ,

” দেখো তো তোমার জামাই কেমন শাড়ি পড়ালো? ”

আমি এক পলক আয়নায় চোখ বুলিয়ে উনার দিকে তাকালাম ,

” বাহ্ বেশ সুন্দর করে শাড়ি পড়ান তো! কবে শিখলেন ? আই থিংক গার্ল ফ্রেন্ড ছিলো মনে হয় ! ”

উনি ড্রসিং টেবিল থেকে চিরুনি নিয়ে আয়নার দিকে তাকিয়ে ভ্র নাচিয়া হেসে বললেন ,

” হুমম ছিলো তো, এখনো আছে , সময় হলে ঠিক দেখা করাবো তোমার সাথে , আমার গার্ল ফ্রেন্ড সেই সুন্দরী , তোমার থেকে ও ”

বলেই আমার চুল গুলো সুন্দর করে আচরিয়ে মাঝ বরাবর সিঁথি করে দিলো

” নাও পারফেক্ট ভেজা চুল তাই আর বাধলাম না , ”

উনি আমার দিকে তাকিয়ে মোবাইল হাতে নিয়ে রুম থেকে বের হয়ে গেলো৷,

আমার মাথায় এখনো একটা কথায় বেজে চলেছে ,

” উনার গার্লফ্রেন্ড আছে! ”

চলবে..

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ