Friday, June 5, 2026







ভালোবাসার পরিনতি পর্ব-৩+৪

৩+৪
#ভালোবাসার_পরিনতি
#লেখা_ইভানা
#পার্ট_৩

আমি বুঝতে পেরেছি আমার ভালোবাসার মানুষটি আর আমার নেই সে অন্য জনের হয়ে গেছে।কেনো আমাকে ঠকালো? আমি তো ভালোবাসার কমতি রাখি নি। সব সময় ওকে খুশি করার জন্য যা করতে হয় তাই করেছি তাহলে কেনো এমন করলো?একটা বারও কি আমাদের সন্তানের কথা ভাবলো না?
মনের মধ্যে হাজারো প্রশ্ন কথা ঘুরপাক খাচ্ছে, কোনো কিছুর হিসেব মেলাতে পারছি না। কেঁদে কেঁদে সারারাত পাড় করলাম।
সকালে রান্নাঘরে বসে রুটি বানাচ্ছি তখন কলিং বেলের আওয়াজ শুনে দরজা খুলে দেখি অনেক সুন্দরী একটা মেয়ে।
“রোহান কোথায়?”
“ও ঘুমাচ্ছে কিন্তু আপনি কে? ”
“আমি ওর হবু বৌ”
আমাদের কথা শুনে রোহন এসে বললো,
“নিশিতা তুমি আজকে আমার বাসায় আসবে তা জানিয়ে আসবে তো”?
” ভাবলাম তোমাকে সারপ্রাইজ দেই তাই না জানিয়ে চলে এসেছি ”
“আচ্ছা ভিতরে এসে ”
“হুম, এই মেয়েটি কে?”
“ও আমাদের বাসার কাজের লোক, বাবা মা কিছু দিন পরে আসবে তাই পরিচিত মেয়েটিকে আগে পাঠিয়ে দিয়েছে ”
“মেয়েটি বেশ সুন্দরী কিন্তু ”
“তোমার থেকে বেশি সুন্দরী না”
“হাহাহাহা”
“ইভা তুই গিয়ে আমাদের জন্য নাস্তা নিয়ে আয়”

নিজের কানকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে, আমি কি ঠিক শুনেছি যে আমার স্বামী আমাকে কাজের লোক বানিয়ে দিলো। এতোটা কিভাবে পরিবর্তন হলো? শুধু মাত্র মেয়েটা সুন্দরী বলে ও সুন্দরের পূজারী হয়ে গেলো? ভালোবাসার পরিনতি কি এমন কষ্টের হয়? আমি ঠায় দাঁড়িয়ে আছি হেঁটে রান্না ঘরে যাবো তার শক্তিটুকু পাচ্ছি না।
রোহান এসে বললো,
“তোকে সেই কখন থেকে ডেকেছি কথা কি কানে যায়?”
“না মানে আর কি, বলো কি লাগবে?”
“নিশিতার সামনে আমাকে তুমি করে বলবি না আপনি বলবি, তুই আমার বৌ ছিলি এখন আর না। তুই ডিভোর্স পেপারে সিগনেচার করে বিদায় হ্ ”
“কালকেই চলে যাবো আর তুমি নিশ্চিত থাকো নিশিতা আমাদের সম্পর্কে কিছু জানতে পারবে না”
“হ্যাঁ বিদায় হলে ভালো, এখন যা নাস্তা রেডি কর”
“হুম”

নাস্তা রেডি করে টেবিলে রেখে রোহানের রুমের দরজায় টোকা দিলাম। নিশিতা বিরক্তি নিয়ে বললো,
“প্রাইভেট টাইমে কাউকে ডিসটার্ব করতে হয় না তা জানো না?”
“নাস্তা রেডি করেছি তাই আপনাদের ডেকেছি”
“হ্যাঁ যাও আসছি কিন্তু আর নেক্সট টাইম আমাদের রুমে নক দিবে না, প্রয়োজন হলে আমি তোমাকে ডেকে নিবো”
“আচ্ছা ”

দৌড়ে নিজের রুমে এসো কান্না করতে লাগলাম। মেয়েরা আর যাই হোক নিজের স্বামীর সঙ্গে অন্য কোনো মেয়েকে সহ্য করতে পারে না। রোহানের এতো টা নিচে নামতে একটুও রুচিতে বাঁধলো না, ঘরে বৌ বাচ্চা থাকতে অন্য মেয়েকে নিয়ে রুমে সময় কাটায়। রাফিসা ঘুম থেকে উঠে আমাকে কাঁদতে দেখে বললো,
-আম্মু তুমি কাঁদছো কেনো? কি হয়েছে?
-কিছু হয় নি
-ও আম্মু বলো না কি হয়েছে? তুমি তো বলেছিলে আমরা সুখের দেশে যাবো তাহলে এখন কেনো কাঁদছো?
-সুখের দেশে গেলে আর কাঁদতে পারবো না তাই এখন একটু কেঁদে নিচ্ছি

রোহান আমাকে ডাকছে,
-ইভা এই ইভা, খাবার টেবিলে আয়
-আসছি
-খাবার টেবিলে রেখে দিয়ে চলে গিয়েছিস কেনো?খাবার বেড়ে দিবে কে?
-আপনারা এখানে ছিলেন না তো তাই আর কি
-কথা কম বলে প্লেটে খাবার দে।
-হুম।
রাফিসা এসে বললো,
-আব্বু আমাকে একটু খাইয়ে দেও।

রোহান রাফিসাকে ধাক্কা মেরে ফ্লোরে ফেলে দিয়ে বললো,

-তোকে কতো দিন বলেছি তোর মেয়ে আমাকে যেনো আব্বু না বলে।
– আহ্ রোহান ও বাচ্চা মানুষ না বুঝে বলে ফেলেছে (নিশিতা)
-বাচ্চা বলে তো অন্যায় মেনে নেওয়া যায় না

আমি রাফিসাকে কোলে নিয়ে বললাম,

-স্যার ও ভুল করে বলে ফেলেছে, ক্ষমা করবেন
-আম্মু আমি ভুল কিছু বলি নি তো (রাফিসার)

আমি রাফিসার গালে একটা থাপ্পড় দিয়ে বললাম,

-তোর বাবা মরে গিয়েছে, উনি তোর বাবা না আর কোনোদিন কাউকে বাবা বলবি না
-উফফফ্ রোহান তোমার বাসায় তো একটুও শান্তি নেই, ওদের কাজে রাখতে হবে না (নিশিতা)
-আচ্ছা তুমি না চাইলে ওদের রাখবো না
-কিন্তু মেয়েটার রান্না খুব ভালো করে
-এমন ভালো রান্না অনেকে করতে জানে, তুমি চিন্তা করো না নতুন কাজের লোক রাখবো।
-হুম

রোহান, নিশিতা খেয়েদেয়ে বাইরে চলে গেলো। সারাদিন মা,মেয়ে মিলে অনেক কেঁদেছি। চোখের পানি একটা বেইমানের জন্য কেনো পরে? কেনো আমি ওর মতো ভালো থাকতে পারি না? উফফ ওর কথা ভাবতে ভাবতে মাথা ব্যাথা হয়ে গেছে।

রাতে রোহান ড্রিংক করে বাসায় ফিরে এসে আমাকে খুব মারলো তার কারন কেনো রাফিসা ওকে বাবা বলেছে? নিশিতার নাকি একটু সন্দেহ হয়েছে যে আমাদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি না? এতো মার খাওয়ার পরও আমি সকালে উঠে রোহানের জন্য ওর সব পছন্দের রান্না করেছি।

[গল্পটা কেমন হচ্ছে তা গঠন মূলক কমেন্ট করে জানাবেন। আপনাদের কমেন্টে লেখার আগ্রহ পাই ]

চলবে,,,,#ভালোবাসার_পরিনতি
#লেখা_ইভানা
#পার্ট_৪

আজ রোহানের জন্মদিনে ওর বেস্ট গিফট হবে ডিভোর্স। দুটো দিন সময় চাওয়ার কারন ছিলো ওর জন্মদিনে শেষ বারের মতো নিজে ওর পছন্দ মতো সব রান্না করে খাওয়াবো আর কোনোদিন তো সুযোগ পাবো না । বরাবর ও যা চেয়েছে তাই দিয়েছি ওর সুখে আমি সুখ পেয়েছি কিন্তু ও আমাকে নিয়ে কোনোদিন সুখী হতে পারবে না । প্রিয় মানুষটি যে আমার নেই।রোহান দ্বিতীয় সন্তান কেনো চাইছে না তা এখন আমার কাছে স্পষ্ট। আমি যদি এখন ডিভোর্স না দিয়ে দেই তাহলে যেকোনো মূল্যে আমার সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখতে দিবে না, মা হয়ে সন্তানকে মেরে ফেলতে পারবো না। যাই হোক আমার ভালোবাসার মানুষ তো আমার সন্তানদের বাবা তো তাই রোহানের পছন্দের একটা শাড়ি পরলাম। ও রুমের দরজা লক করে ঘুমায় যাতে আমি বা রাফিসা কেউ ডিসটার্ব করে না পারি কিন্তু আজকে দরজা লক করে নি রাতে ড্রিংক করে এসেছিলো তাই আমি রুমে ঢুকে ডাক দিলাম,
-রোহান এই রোহান উঠো
-সাতসকালে তোর হয়েছে কি? চিল্লাছিস কেনো?
-Many Many Happy Returns Of The day Happy BirthDay To U Rohan
কথাটা শুনে রোহান আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে রইল তারপর বললো,
-এভাবে রংচং লাগিয়ে সেজে দাড়িয়ে আছিস কেনো? তোকে কে বলেছে আমার জন্মদিনে উইস করতে? তোর মুখ দেখলে এমনি দিন খারাপ যায় আজকে না জানি কি হবে?
– আমাদের এতো দিনের ভালোবাসা আর সন্তানদের জন্য কি আমরা একসাথে থাকতে পারি না? তুমি চাইলে সব হবে।
-না না না পারি না তোকে চাই না,আমি ডিভোর্স চাই।

কিছু না বলে রোহানের রুম থেকে বেরিয়ে গেলাম।আমার রুমে এসে নিজেকে আয়নায় ভালো করে দেখতে লাগলাম, যে আমি দেখতে খুব খারাপ তাই স্বামীর মন পাই নি।এর মধ্যে রাফিসা ঘুম থেকে উঠে আমাকে বলে,
“আম্মু তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে, প্রতিদিন তুমি এমন সুন্দর শাড়ি পরবে।
” হ্যাঁ মা পড়বো, তুমি এখন যাও ব্রাশ করে এসো তারপর একটা জায়গায় নিয়ে যাবো”
“আচ্ছা ”

রাফিসাকে রেডি করে নিজে রেডি হয়ে রোহানের রুমের কাছে গিয়ে বললাম,
“টেবিলে খাবার বেড়ে রেখেছি খেতে এসো ”
“যা আসছি”

রোহান ডাইনিং টেবিলে এসে বললো,
“তুই যতোই আমার মন পাওয়ার জন্য এসব নেকামি করিস কোনো লাভ হবে না, আমি নিশিতাকে বিয়ে করবো। তুই আজকে ডিভোর্স পেপারে সিগনেচার করে বিদায় হ্”

রোহানের সামনে ডিভোর্স পেপার এনে সিগনেচার করে দিলাম৷ সিগনেচার করার সময় ভেবেছিলাম রোহান বলবে সিগনেচার করো না, আমাকে ক্ষমা করে দেও আবার নতুন করে সব শুরু করবো। কিন্তু না আমি বার বার ভুল করি।
“সিগনেচার করে দিয়েছি এবার খুশি তো?”
“হুম ”
“এখন তোমাকে কিছু কথা বলি,মনে আছে আমি ফুল কিনতে গিয়েছিলাম সেদিন আমাকে নষ্টা মেয়ে বলেছো কিন্তু সেটা আমি তোমার জন্য হয়েছি। তোমাকে আজকের দিনে ফুলেরতোড়া দিবো তাই সেদিন ওই ছেলেটাকে বলেছিলাম আজকে যেনো বাসায় ফুলেরতোড়া দিয়ে যায়।
আবার ডেলিভারি ম্যান বাসায় পার্সেল দিয়ে গিয়েছিলো সেটা আমি তোমার জন্য কয়েকটা জিনিস অনলাইনে ওর্ডার দিয়েছিলাম কিন্তু তুমি আমাকে বললে আমার প্রেমিক দিয়েছে একটা বার যদি পার্সেলটা খুলে দেখতে তাহলে আমাকে খারাপ কথা বলতে রুচিতে বাজতো। আর দুটো দিন সময় চাওয়ার কারন ছিলো আজ তোমার জন্মদিনে তোমার বেস্ট গিফট দিবো দেখো তোমার বেস্ট গিফট দিয়ে দিয়েছি ”
“ইভা তুমি আমার জন্য এতোকিছু করেছো আর আমি তোমার সাথে কি না খারাপ ব্যবহার করেছি হাহাহাহা তুই কি ভাবলি আমি এখন তোকে মেনে নিবো? তা কখনো ভাবিস না। ”
রোহানের কথা শুনে চোখের পানি পড়তে লাগলো। প্রিয় মানুষের খারাপ রুপ সহ্য করা যায় না।
“আমাকে ভোলানোর জন্য এসব নাটক করার কোনো দরকার নেই, এখন তোরা মা মেয়ে আমার বাসা থেকে চলে যা”
“হুম চলে যাবো, এখন তুমি খেয়ে নেও ”
“তোদের যতো যা কিছু আছে সব নিয়ে যাস ”
“আচ্ছা ”

আমার আর রাফিসার সব কিছু প্যাক করে নিলাম। আড়াল থেকে দেখলাম রোহান তৃপ্তি সহকারে আমার রান্না করা খাবার খাচ্ছে। ঘুম থেকে উঠে মেয়েটা কিছু খায় নি তাই আমাকে বললো,
-আম্মু আমার ক্ষিদে পেয়েছে
-বাইয়ে গিয়ে খেয়ে নিবে এখন চলো।
-আচ্ছা

রোহানের খাওয়া শেষ তখন আমি গিয়ে বললাম,
-আমরা চলে যাচ্ছি, তুমি নিজের খেয়াল রেখো
-হুম যা
রাফিসা রোহানের হাত ধরে বললো,
-আব্বু তোমাকে আমি খুব জ্বালিয়েছি এখন থেকে আর কেউ তোমাকে জ্বালাবে না কিন্তু আব্বু তোমাকে ছেড়ে থাকতে আমার খুব কষ্ট হবে। তুমি আমাদের সাথে থাকো
-তোদের মা, মেয়ের নাটক আর সহ্য হচ্ছে না
-ও বাচ্চা মানুষ ওর কথায় রাগ করো না আমরা চলে যাচ্ছি।

পাঁচ বছরের সংসার শেষ করে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলাম। ছোটো মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়ি যাওয়া ছাড়া আর কোনো জায়গা নেই তাই বাবার বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। রাফিসাকে পথে খাওয়ানোর জন্য কেক,কলা পানি কিনে নিয়েছি। মেয়েটা বাসে উঠলে ঘুমিয়ে পড়ে কিন্তু আমার যে ঘুম আসে না। পুরোনো স্মৃতি বার বার মনে পড়ে যায়। রোহানের সাথে বিয়ের পর থেকে আমি বাবার বাড়িতে দু তিনদিনের বেশি থাকতে পারতাম না। একবার ও আমাকে বাসস্টপে পৌঁছে দিতে কান্না শুরু করলো আমাকে ছাড়া থাকতে পারবে না তাই ও আমার সাথে বাবা বাড়ি এলো। একটু চোখের আড়াল হলে ইভা ইভা বলে চিল্লাপাল্লা শুরু করতো আর আজ সারাজীবনের জন্য ওকে ছেড়ে চলে এলাম তাও কষ্ট পেলো না ভালোবাসার পরিনতি কি শুধু একতরফা কষ্ট পায়, অন্য জন সুখে থাকে এটা কেমন নিয়তি?
ওর হাজারো স্মৃতি ভাবতে ভাবতে বাবার বাসায় পৌঁছে গেলাম । কলিং বেল বাজাতে মা দরজা খুললো, মাকে দেখে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারি নি। মাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলাম।
-কি হয়েছে মা তোর? তুই কাঁদছিস কেনো?
বাবা এসে রাফিসাকে কোলে নিয়ে বললো,
-নানু ভাই তোমার আম্মু এতো কাঁদছে কেনো?
-আমরা বাবাকে ছেড়ে চলে এসেছি
মা আমাকে ভিতরে নিয়ে গিয়ে সোফায় বসালো। আমি শুধু কেঁদে যাচ্ছি কিছু বলার মতো অবস্থায় নেই। মা এক গ্লাস পানি খাইয়ে বললো,
-একটু শান্ত হ্ মা তারপর খুলে বল তোর কি হয়েছে?
নিজেকে একটু শান্ত করে রাফিসাকে বললাম,
-তুমি একটু নানুর রুমে গিয়ে শুয়ে থাকো নয়তো ক্লান্ত হয়ে পরবে
রাফিসা বাধ্য মেয়ের মতো চলে গেলো তারপর মা বাবাকে সবকিছু বললাম৷ বাবা মা দুজনেই খুব কষ্ট পেয়েছে আমি তাদের আদরের একমাত্র মেয়ে আমার সব কথা শুনেছে কোনো দিন আমার অমতে কিছু করে নি এবং আমিও তাদের সব কথা শুনে -মেনে চলেছি আর আমি আজ সুখী হতে পারি নি। আমার দু ভাই আছে তারাও বিয়ে করে সুখী আছে। আমার বাবা মায়ের সাথে থাকে। একজন শশুড় বাড়িতে গিয়েছে আর অন্য জন আমার ফুপির বাসায় গিয়েছে আমি এসেছি শুনে ওরা কালকে চলে আসবে কিন্তু আমি ভাবতেছি কি করে দুটো সন্তান নিয়ে থাকবো? কি করে খরচ চালাবো? সারাদিন রাত বাবা মা আমাকে অনেক বুঝিয়েছে তারা আমার পাশে আছে। পরের দিন ভাইয়া ভাবিরা বাসায় আসলো।

[ভুলত্রুটি হলে দুঃখিত]]

চলবে,,,,

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ