Friday, June 5, 2026







বৃষ্টি শেষে রোদ পর্ব-০৯

#বৃষ্টি_শেষে_রোদ (পর্ব ৯)
#মেহেদী_হাসান_রিয়াদ

তেজস্ব সূর্যটা রক্তিম হয়ে অস্তমিত হওয়ার পথে। থমথমে পরিবেশে তাপ খুব একটা নেই। তবুও অনেকটা পথ সাইকেল চালিয়ে বিন্দু বিন্দু ঘামে ভিজে উঠছে শরির। রিদ পকেট থেকে টিসুর প্যাকেট টা বের করে টিসু গুলো হাতে নিয়ে প্যাকেট টা ছুড়ে ফেলে দিল এক পাশে। চুপচাপ আরশির কপালে ও গালে জমা ঘাম গুলো মুছে দিতে শুরু করলো। মুছতে মুছতে কিছুটা হেসে বলে,
“ভাগ্যিস আসার সময় মুখে আটা-ময়দা মেখে আসিস নি। নয়তো মুখ একদম প্লাস্টার হয়ে যেতো।”
“সেগুলো কে মেকআপ বলে। নট আটা-ময়দা।”
“ঐ একই কথা। এই তোরা মেয়েদের কারণে কয়দিন পর মানুষ অনাহারে ম’রবে।”
“কেন, আমরা মেয়েরা আবার কি করলাম?”
“তোদের কারণেই দেশে আটা ময়দার দাম তরতর করে বাড়ছে। আগে মানুষ ভাত না পেলে রুটি খেতো। তোদের কারণে এখন সেটাও পারবে না। কারণ দিন দিন চালের চেয়েও আটা-ময়দার দাম বেশি হয়ে যাচ্ছে।”

একটা শ্বাস ছাড়লো আরশি। রিদকে থামিয়ে বলে,
“হয়েছে, আপনাকে আর রাষ্ট্রিয় চিন্তাবিদ হতে হবে না। সন্ধা হয়ে যাচ্ছে বাসায় চলুন।”
বলেই উঠে দাড়লো আরশি। রিদ হাত থেকে টিসু গুলো ফেলে আরশির ওড়নার এক পাশ দিয়ে নিজের মুখ, গলা ভালো করে মুছে নিল। আরশি নিজের মাঝে বিড়বিড় করে বলে, ‘মেয়েদের অপমান করার স্বাদ আজ মিটাবো আমি।’

সাইকেল নিয়ে দুজন কিছুটা দুর যেতেই আরশি সাইকেল থামিয়ে বলে,
“আইসক্রিম এনে দিবেন, গরম লাগছে খুব।”
রিদ আরশিকে দাড়াতে বলে চুপচাপ কিছু দুর গিয়ে একটা আইসক্রিম নিয়ে এলো। আরশি ওটা হাতে নিয়ে বলে,
“আপনার জন্য আনেন নি?”
“না আমার ইচ্ছে করছে না।”
“তাহলে আমার জন্য আরো একটা নিয়ে আসুন, একটায় হবে না আমার।”

যেখানে আবদার টা আরশির, সেখানে ‘না’ বলার সাধ্য নেই রিদের। চুপচাপ গিয়ে আরেকটা আইসক্রিম এনে বলে,
“গলে যাওয়ার আগে শেষ কর। তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরতে হবে। বাবা-মা সবাই হয়তো অনেক আগেই বাসায় চলে এসেছে।”

আরশি দুই হাতে দুইটা নিয়ে বলে,
“সাইকেল টা ধরেন।”
রিদ সাইকেল ধরতেই হাটা শুরু করে আরশি। রিদ মাঝখানে দাড়িয়ে দুই হাতে দুইটা সাইকেল ধরে বলে,
“এক জায়গায় বসে শেষ কর।”
আরশি হাটতে হাটতে বলে,
“বসার সময় নেই। সন্ধা হয়ে যাচ্ছে।”

দুই হাতে দুইটা সাইকেল ধরে হাটছে রিদ। যদিও একটু অসুবিধা হচ্ছে। তবুও ম্যানেজ করে নিচ্ছে কোনো ভাবে। পাশেই দুই হাতে দুইটা আইসক্রিম নিয়ে হেলেদুলে হাটছে আরশি।
পাঁচ মিনিট গেলো আরশির এখনো আইসক্রিম শেষ হলো না। দশ মিনিট, পনেরো মিনিট পরও শেষ হলো না আইসক্রিম। ক্রিম গুলো গলে অলরেডি আরশির হাতে মাখামাখি হতে শুরু করেছে।
রিদ দু’হাতে দুইটা সাইকেল নিয়ে হাটতে হাটতে বিরক্তিকর ভাবে বলে,
“খাচ্ছিস নাকি নাটক করছিস? দু’টো আইসক্রিম খেতে এতোক্ষণ লাগে? এদিকে দু’টো সাইকেল সামলাতে সামলাতে হাতে ব্যাথা শুরু হয়ে গেছে আমার।”
আরশি একটু ন্যাকা স্বরে বলে,
“এই তো শেষ আর একটু কষ্ট করেন প্লিজ।”

বিশ মিনিট গেলো। তবুও শেষ হলো না আইসক্রিম। দুটো সাইকেল মাঝে মাঝে এদিক সেদিক চলে যেতে চাইলে তা সামলাতে সামলাতে রিদ হাতের ব্যাথায় বিরক্ত হয়ে আরশিকে ধমক দিলেও তা কানে নেয় না আরশি। থামতে বললেও থামছে না। দেড়ি হয়ে যাচ্ছে বলে আরো দ্রুত পায়ে হাটছে সে।

রিদের হাতের ব্যাথা ও তীব্র বিরক্তমাখা মুখটা দেখেই যেন দারুণ আনন্দ পাচ্ছে আরশি। মুচকি হেসে নিজের মাঝে বিড়বিড় করে বলে, ‘আমরা মেয়েরা হাতে মা’রি না, বুদ্ধিতে মা’রি। একটু আগেতো ঠিকই আটা-ময়দার বাহানায় মেয়েদের অপমান করছিলে বাবু। আমরা ছাড় দিলেও ছেড়ে দিই না। এখন বুঝো মজা।’

নিজের মাঝে বিড়বিড় করে কথা গুলো বলছে আর মিটিমিটি হাসছে আরশি। আরশির মিটিমিটি হাসি চোখে পরতেই রিদ এবার ভালোই বুঝতে পারে, আরশি ইচ্ছে করেই তাকে কষ্ট দিচ্ছে। এবার দাড়িয়ে গিয়ে রাগী গলায় বলে,
“পিচ্চির বাচ্চা,,, তোকে যদি আর কখনো বাইরে নিয়ে আসছি তো আমার নাম পাল্টে রাখিস।”

””””””””””””””””””””””””””’

পরদিন সকালে বাসায় চলে যায় ফুপিরা। সাথে চলে যায় আরশিও। সন্ধার আগে মা রুমকিকে ডেকে বলে ছাদ থেকে কাপর গুলো নিয়ে আসতে। ল্যাপটপ নিয়ে বসে ছিল রিদ। হটাৎ মায়ের মুখে কাপরের কথা শুনে ক্ষনিকটা চমকালো সে। আরশি কি তার শাড়ি গুলো নিয়েছিল? চেক করতেই দেখে ব্যাগ দু’টো আগের জায়গাতেই আছে। মেয়েটা দেখি সত্যিই মাথা মোটা। কোনো কিছুই ঠিকঠাক মতো করে না। তবে অবশ্য মেয়েটাকে মনে মনে ধন্যবাদ জানালেও মন্দ হয় না। এমনিতেও দু’তিন দিন পাশে পাশে থেকে এখন চলে যাওয়ার কারণে সকাল থেকেই তার কথা মনে হচ্ছিল খুব করে। যাকে সহজ ভাষায় বলতে গেলে, মিস করা। এখন এই শাড়ির বাহানায় তার কাছে যাওয়ার একটা সুজুগ তৈরি হয়ে গেলো। কারণ এমনি এমনি গেলে নিজের আত্মসম্মানে লাগে। সে বুঝে যাবে তাকে দেখতেই তার বাসায় চলে গেলাম। আমি ছেলে মানুষ, আমার একটা এক্সট্রা ভাব আছে না?

সন্ধায় কলিং বেল চাপলে ফুপি এসে দরজা খুলে দিল। রিদকে দেখে হাসি মুখে ঘরে নিয়ে গেলো তাকে। দেখে আরশি নুডলস রান্না করছে। রিদকে দেখেই আরশি স্বাভাবিক গলায় বলে,
“এসেছেন?”
রিদ ক্ষনিকটা অবাক হয়ে বলে,
“এমন ভাবে বললি, যেন আগে থেকেই জানতে আমি আসবো! আর শাড়ি গুলো রেখে এসেছিস কেন?”

আরশি নুডলস নাড়তে নাড়তে বলে,
“ইচ্ছে করেই রেখে এসেছি।”
“কেন!”
“রেখে আসলে আপনি নিয়ে আসবেন জানতাম, তাই।”
“পিচ্চি মেয়ে দিন দিন খুব ফাজিল হয়ে যাচ্ছিস।”
“দেখতে হবে বউ টা কার।”
আরশির এমন কথায় ক্ষনিকটা ভ্যাবাচেকা খাওয়ার মতো কৌতুহলী দৃষ্টিতে চেয়ে রিদ বলে,
“কার?”
“আমার জামাইর।”
“জামাই কে?”
“যার সাথে বিয়ে হবে সে।”
এবার নিশ্চুপ হয়ে কয়েক সেকেন্ড আরশির দিকে চেয়ে রইল রিদ। রিদকে নিশ্চুপ দেখে আড়চোখে রিদের দিকে তাকাতেই রিদ তার এক কান চেপে ধরে বলে,
“নাস্তা শেষে তাড়াতাড়ি পড়ার টেবিলা আয়। পাকনামো বের করছি তোর।”

পুরোটা সময় পড়া নিয়ে খুব বকা শুনতে হলো আরশিকে। বেচারি গাল ফুলিয়ে বসে আছে বইয়ের দিকে চেয়ে। রিদও পাশে বসে একটা বই পড়ছে। বই টা সাথে করেই নিয়ে এসেছিল হয়তো। প্রিপারেশন নিচ্ছে। সে প্রচুর পড়ুয়া। তাদের বাড়িতে গেলেও বেশির ভাগ সময় পড়তে দেখা যায় তাকে। সে ক্ষেত্রে আরশি হলো ঠিক তার উল্টো। মাঝে মাঝে মনে হয়, মেয়ে মানুষ এত পড়ে লাভ কি? ভাবতেই রিদ আড়চোখে তাকালো তার দিকে। পূনরায় বইয়ের দিকে মন দিল সে। এই মুহূর্তে রিদকে চরম বিরক্তিকর মনে হচ্ছে তার। ইচ্ছে করছে মাথাটা চেপে ধরে বইয়ের মাঝেই চেপ্টা করে ফেলতে। এই এক জায়গাতেই শুধু মানুষটাকে বিরক্তিকর মনে হয় তার।

খাওয়া শেষে বেলকনিতে বসে ফোন টিপছে রিদ। রাত তখন সাড়ে এগারো টা। আরশি তার পাশে এসে বসলে রিদ ফোনের দিকে চেয়ে বলে,
“ঘুমাস নি?”
“না পরে ঘুমাবো।”
রিদ এবার ফোন রেখে বলে,
“রাত এগারোটা থেকে দুইটা, এই সময়ের ঘুম কত গুরুত্বপূর্ণ জানিস? এই সময় টা না ঘুমালে বাকি একুশ ঘন্টা ঘুমালেও এই ঘুম পূর্ণ হবে না। যা ঘুমিয়ে পর।”
“আমাকে এত জ্ঞান দিয়ে নিজে তো ঠিকই জেগে থাকবেন।”
“আমি বড়ো আর তুই বাচ্চা মেয়ে।”

‘হুহ আইছে বড়ো মানুষ।’ কথাটা বিড়বিড় করে বলে রিদের দিকে তাকায় আরশি। রিদ ভ্রু কুচকে বলে,
“কিছু বললি?”
“বলছি, একটা ইচ্ছে আছে, ওটা পূরণ হলে তারপর ঘুমাতে যাবো।”
“কি সেটা?”
“জানেন আমার বান্ধবির বয়ফ্রেন্ড নাকি তাকে গান শুনিয়েছে।”
কথাটা চাপা মনে হলেও রিদ পাত্তা না দেওয়ার মতো করে বলে,
“তো আমি কি করবো?”
“আপনি তো গান গাইতে পারেন।”
“তো?”
“এখন আমাকে একটা গান শোনাতে হবে।”
“আমি কি তোর বয়ফ্রেন্ড?”
“আমি কি সেটা বলেছি? আমার তো আপনি ছাড়া তেমন কেউ নাই। তাই ভাবলাম ইচ্ছে হয়েছে যখন আপনার থেকেই গান শুনবো।”
“গান গাওয়ার মুড নেই এখন।”
“প্লিজ একটু।”

রিদ এবার একটু রাগী দৃষ্টিতে চেয়ে বলে,
“ঘুমোতো যেতে বলেছি তোকে।”
ক্ষনিকটা মন খারাপ হলো আরশির। চলে যেতে চাইলে রিদ কি বুঝে তার হাত ধরে শান্ত গলায় বলে,
“ওকে ফাইন। বস এখানে।”
চুপচাপ রিদের পাশে বসলো আরশি। এখানে গিটার নেই, তাই এমনিই গাওয়ার প্রস্তুতি নিল রিদ। আরশির দিকে চেয়ে বলে,
“বাংলা নাকি ইংলিশ?”
আরশি কিছুটা ভেবে বলে,
“উম,,,,, বাংলা।”

রিদ কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করে গলা পরিষ্কার করার ভঙ্গিতে একটু গলা ঝাকি দিয়ে গাওয়া শুরু করলো,,,

“কতটা হাত বাড়িয়ে দিলে তোমার মন ধরা যায়?
কতটা পথ পাড়ি দিলে তোমার প্রেম ছোঁয়া যায়?(×২)
পাব কি পাবো না জানি না,,,,, তোমাকে তো বুঝি না,,,,
পাব কি পাবো না জানি না,,,,, তোমাকে তো বুঝি না,,,,,,,,,,,,,,

তবু তোমার প্রেমে আমি পড়োছি,,,,,,,,
বেচে থেকেও যেন মরেছি,,,,,,,,
তোমার নামে বাজি ধরেছি,,, ধরেছি,,,,,,,,,,,”

গালে এক হাত দিয়ে মাথা কাত করার ভঙ্গিতে খুব মনোযোগ দিয়ে রিদের দিকে চেয়ে আছে আরশি। এতটুকু গাইতেই খুব নমনীয় গলায় বলে,
“সত্যি?”
রিদ গান থামিয়ে বলে,
“কি?”
“গানের মাঝে যেটা বলেছেন সেটা কি সত্যি?”

রিদ মুহুর্তেই কিংকর্তব্যবিমুড় হয়ে চেহারায় রাগী ভাব নিয়ে বলে,
“পিচ্চি বলে কি! এটা যাস্ট একটা গান। যেটা তোর আর শুনতে হবে না। এবার কানের নিচে একটা খাওয়ার আগে যা চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়?”

এবার খুব রাগ হলো আরশির। অভিমানী দৃষ্টিতে চেয়ে উঠে হাটা শুরু করলো রুমের দিকে। যেন ইচ্ছে করছে গ’লা টি’পে ধরতে। কত রোমান্টিক একটা মুহুর্ত তৈরি করে আবার সেটাতে হুট করে পানি ঢেলে দিল এই লোক। অসহ্য,,,,,,,,,,,,,

To be continue……………….

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ