Saturday, June 6, 2026







বিরহ ভালোবাসা পর্ব-১৩

#বিরহ_ভালোবাসা
#Tahmina_Akhter

১৩.

মাথার ওপর সাদা সিলিং ফ্যানটা বিরতিহীনভাবে ঘুরছে। তবু্ও, যেন শরীরের গরমভাব কমছে না উল্টো হাসফাস লাগছে। পরনের শাড়িটা এলোমেলো হয়ে আছে। শাড়ির আঁচল সেই কখন খসে পড়ে আছে খাটের কিনারায়। দুচোখ জ্বালা করছে। না পারছি শান্তি করে চোখ বন্ধ করতে আর না পারছি চোখ খুলে রাখতে। চোখ বন্ধ করলেও নীল এবং পিংক ব্রাশ করা পাঞ্জাবি পরণের শাদাদ ভাইকে দেখতে পারছি। চোখ খুলে রাখলেও একই দৃশ্য দেখছি আমি। আগের থেকে শুকিয়ে গেছেন অনেকটা। তবু্ও, তার সৌন্দর্যের মাঝে যেন কোনো কমতি নেই!

মরুভূমির শুকনো প্রান্তরে হুট করে যেন এক পশলা বৃষ্টির ছিটেফোঁটা আমার চৌচির হৃদয়টাকে একটুখানি প্রশান্তি দিয়ে গেছে। তৃষ্ণার্ত মনটা আজ তৃপ্তি পেলো তাকে এক পলক দেখায়।

কিন্তু, চোরের মতো পালিয়ে এসেছি আমি। পালাবোই বা না কেন? সবার দৃষ্টি থেকে আমি আমার ভেতরটাকে আড়াল রাখতে পারব। কিন্তু, নিজের থেকে কি করে আড়াল করব আমি? শাদাদ ভাইকে দেখে হৃদয়ের মাঝে চেপে রাখা অনুভূতি গুলো ফের মাথা চারা দিয়ে উঠতে চাইছে। পৃথিবীর সকল বাধা’কে উপড়ে ফেলে নিজেকে সমর্পন করে দিতে চাইছে শাদাদ ভাইয়ের চরণে।

কিন্তু, আমি তো চাই না। যদি চাইতাম তবে দীর্ঘ সময়কাল ধরে তার কাছ থেকে নিজেকে কেনই বা আড়ালে রাখলাম? কেন নিজেকে পরিবারের কাছ থেকে দূরে রাখলাম? সব বৃথা হয়ে যাবে।

লতা যখন নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে ব্যস্ত। ঠিক সেসময় দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে শাদাদ ভাই। লতা দরজার খোলার শব্দ পেয়ে দরজার দিকে তাকায় কে এসেছে তা দেখার জন্য? কিন্তু, অনাকাঙ্ক্ষিত মানুষটাকে দেখে চুপসে যায়। লতার মনে একটাই আফসোস কেন আল্লাহ তায়ালা মানুষকে ভ্যানিস করে দেয়ার জাদু শেখালেন না! যদি শেখাতো তবে আজ শাদাদ ভাইয়ের সামনে পরার আগেই জাদু দিয়ে নিজেকে ভ্যানিস করে অন্য রাজ্যে চলে যেতো। কিন্তু, আফসোস সেই জাদুর চাবিকাঠি লতার কাছে নেই!

শাদাদ ভাই ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিলেন। লতা ভয় পেয়ে শাদাদ ভাইকে বললো,

— দরজা খুলেন বলছি। বাড়ির সবাই দরজা বন্ধ দেখলে কি ভাববে?

— একদম চুপ..প।

শাদাদ ভাইয়ের ধমক শুনে লতা ভয়ে আঁতকে উঠল। মনে হচ্ছে হৃদয়টা এখুনি হাড় ভেঙ্গে বেরিয়ে আসবে।

— নাটক করিস আমার সঙ্গে? তোর নাটক দেখার জন্য আমি পথের দিকে তাকিয়ে থাকি?

শাদাদ ভাই এগিয়ে এসে লতাকে বিছানার সঙ্গে চেপে ধরে বললেন। লতা নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়েও করে না। শাদাদ ভাইকে এতখানি কাছে দেখে লতা যেন হিপনোটাইজ হয়ে গেছে। শাদাদ ভাই কি বলছেন তার কিছুই লতার কানে ঢুকছে না।

— কাউকে কিছু না বলেই বাড়িতে চলে এলি কেন?মধু, আমি কি বলছি শুনছিস কিছু? আজ যদি আমি উত্তর না পাই গড সেইক। আমি কি করব আমি নিজেও জানি না।

কথাগুলো বলে লতার কাছ থেকে সরে এসে লতার শখের শো-পিছটা টেবিলের ওপর থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিলো জানালা দিয়ে। লতার রাগ উঠে গেলো এবার। কারণ, শো-পিছটা লতার খুব পছন্দের একজন টিচারের দেয়া। লতা শোয়া থেকে উঠে দাঁড়ায়। আঁচলটা খুব ভালো করে গায়ে জড়িয়ে শাদাদ ভাইয়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। শাদাদ ভাই লতাকে কিছু বলার জন্য মুখ খুলতে গিয়ে থমকে যায়। শক্ত কিছু বললে, নরম মনের লতা সহ্য করতে পারবে তো? এই যে এলেমেলো চুল আর শাড়িতে এই লতাকেই তো কল্পনায় ভাবে শাদাদ। বিয়ের পর যখন দুষ্টমিষ্ট আদর চলবে। সারারাত লতাকে বুকে নিয়ে ঘুমাবে। আর খুব সকালে যখন শাদাদের ঘুম ভাঙবে লতার ডাকে। তখন ঘুম জুড়ানো চোখে এলোমেলো চুল আর শাড়িতে দেখে শাদাদের ঘুম হারিয়ে যাবে। এমনটাই সবসময় ভাবে শাদাদ আর মনের কল্পনায় ডুবে থাকে অবসরে। সেই মূহুর্তটা যেন হুট করে হাতছানি দিয়ে ডাকছে শাদাদকে।

কিন্তু, লতার তিক্ত বাক্য শুনে শাদাদ বেশিক্ষণ নিজেকে মোহাচ্ছন্নতায় ঘিরে থাকতে পারল না।

— আমি যে বড়ো হয়েছি আপনার চোখে পরে না, শাদাদ ভাই? হুটহাট দরজায় নক না করে ঘরে ঢুকে পরছেন। এসে বিছানায় চেপে ধরে উল্টাপাল্টা কথা জিজ্ঞেস করছেন? এগুলো কি কোনো কাজিন তার তার কাজিনদের সঙ্গে করে? এত মানুষের ভীরে আমি কমফোর্ট ফিল করছিলাম না তাই চলে এসেছি। এত ওভার রিয়েক্ট করার কি আছে?

শেষের কথাটায় ভীষন কষ্ট পেয়েছে শাদাদ ভাই। মনে আঘাত লেগেছে। মধু ওর জিজ্ঞেস করাটাকে ওভার রিয়েক্ট ভাবছে? মধু আরও খারাপ কিছু ভাবে হয়তো ওকে নিয়ে। নয়তো, ওর কাছ থেকে দূরে সরে থাকছে কেন মধু?

শাদাদ ভাই আর কিছুই বলার মুখ রইলো না। লতাকে পাশ কাটিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। এদিকে লতা শাদাদ ভাইয়ের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে। মানে শাদাদ ভাই কিছু না বলেই চলে যাচ্ছে! আবার কি হলো?

লতা হাফ ছেড়ে বাঁচল। এগিয়ে এসে দরজার সম্মুখে দাঁড়ায় দরজা লক করার জন্য। দরজা বন্ধ করে দিবে তার আগমুহূর্তে শাদাদ ভাই দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে লতাকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে। আকস্মিক ঘটনায় লতার কেমন রিয়াকশন দেয়া উচিত তা হয়তো লতা ভুলেই গেছে। শাদাদ ভাই লতাকে নিজের মাঝে জড়িয়ে রেখে পাগলের ন্যায় বলছে,

— মধু তুই যদি আমাকে না বুঝিস তবে কে বুঝবে বল? বিশ্বাস কর আমি পাগল হয়ে যাব তোর অবহেলা পেলে। আমি পৃথিবী থেকে হাসতে হাসতে বিদায় নিতে রাজি আছি। কিন্তু তোর কাছ থেকে অবহেলা পেতে রাজি না। আমি সহ্য করতে পারি না রে ।

শাদাদ ভাইকে এক ঝটকায় নিজের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিলো লতা। শাদাদ ভাই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে লতার দিকে। শাদাদ ভাই আবারও এগিয়ে আসতে চাইলে লতা হাতের ইশারা শাদাদ ভাইকে বারণ করে কাছে আসার জন্য। শাদাদ ভাই সেখানে দাঁড়িয়ে থাকে।

লতা দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে স্বাভাবিক করার বৃথা চেষ্টা চালাচ্ছে। মনে মনে সে কি ঝড়! শাদাদ ভাইয়ের প্রশ্বস্ত এই বুকে নিজেকে নিয়ে কল্পনায় ছবি আঁকত লতা। ওই বুকটায় একটিবার নিজের মাথা রাখতে চেয়েছিল। আজ সেই মনো বাসনা পূর্ণ হয়েছে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে। কিন্তু, সে আদরটুকু নিজ হাতে সরিয়ে দিয়েছে লতা। কারণ, লাগাম টেনে ধরার সময় এখন। হাল ছেড়ে দেয়ার নয়৷ শাদাদ ভাই মানুষটা কেমন লতা তা খুব ভালো করেই জানে। কিন্তু, হুট করে কেন সে এমন আচরণ করছে লতার বোধগম্য হচ্ছে না!

— দেখুন শাদাদ ভাই আপনি আমার গুরুজনের মতো। আপনাকে অসম্মান করার আমার কোনো ইচ্ছে নেই। তাই বলছি আপনার এইসব পাগলামি বন্ধ করুন। নিজের ঘরে ফিরে যান। বাড়ির সবাই যখন ফিরে আসবে তখন আমাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখলে তারা বিষয়টা খুব ভালোভাবে নিবে বলে মনে হয় না।

লতার এত নীতিময় কথাগুলো শাদাদের সহ্য হচ্ছে না। শাদাদ নিজের চুলগুলো টানছে পাগলের মতো। লতা সবটাই দেখছে। মায়া হচ্ছে ভীষন। কিন্তু, কিছুই করার নেই। একটা সময় শাদাদ ভাই শান্ত হয়। লতার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। লতার মুখটা দুই আজলায় ভরে গভীর চোখে তাকায় ওই ঘাতক চোখজোড়ায় । যেখানে তাকালে শুধুই খুন হয়,শাদাদের হৃদয়ের ভালোবাসাময় খুন।

— তুই কি জানিস আমার কল্পনায় পৃথিবীর নিষিদ্ধময় আদরে আমি কাকে নিয়ে ভাবি?

লতা জানে শাদাদ ভাইয়ের উত্তরটা কি হবে? শাদাদ ভাইয়ের চোখের গভীর দৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য লতা চোখ বন্ধ করে বলে,

— আমি ওসব জানতে চাই না শাদাদ ভাই। আপনি দয়া করে আমার ঘর থেকে চলে যান।

— আমার কথা আজ তোকে শুনতেই হবে। কারণ, আজ আমার বলতে ইচ্ছে করছে। পৃথিবীতে নাকি কোনো কিছু চাওয়ার থাকলে চেয়ে নিতে হয়। নয়তো পাওয়া যায় না রে। দুধের শিশু যদি না কাঁদে তবে জন্মদায়িনী মা নিজের বাচ্চার মুখে দুধ দেয় না। আর আমি তো একজন প্রেমের কাঙাল। প্রেম ভিক্ষা চাইতে হবে নয়তো প্রেম ভিক্ষা পাব না ।

শাদাদ ভাই কথাগুলো বলতে বলতে নিষিদ্ধ একটি কাজ করে বসলেন। লতা শাদাদ ভাইয়ের তপ্ত ঠোঁটের স্পর্শ পেয়ে চোখ বড়ো করে তাকায়। ছাড়া পাওয়ার জন্য ছটফট করতে থাকে। শাদাদ ভাইয়ের প্রশ্বস্ত বুকে কিল ঘুসি মারে। কিন্তু, শাদাদ ভাই লতাকে নিজের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেয় না।

একটা সময় শাদাদ ভাই লতাকে ছেড়ে দেয়। দীর্ঘশ্বাস ফেলে লতার কপালে দীর্ঘ চুমু খেয়ে লতার কানের কাছে মুখ বাড়িয়ে বললো,

—-নিশ্চয়ই তোকে বলতে হবে না আমার কি চাই? তুই শুধু আমার মধু। তোকে পাওয়ার জন্য যদি আমাকে পৃথিবী জয় করতে হয় তবে তাই করব। তবুও আমার তোকেই চাই।

লতার কানে আরও একটি স্বশব্দে চুমু খেয়ে শাদাদ ভাই বের হয়ে যায় এই ঘর থেকে। শাদাদ ভাই চোখের আড়াল হতেই লতা হাঁটু গেড়ে মাটিতে বসে শাড়ির আঁচল মুখে চেপে ধরে কেঁদে ওঠে।

শাদাদ ভাইয়ের স্পর্শ, ভালোবাসা, প্রেমময়ী বাক্য সবটাই তো নিজের জন্য শুনতে চাইত লতা। কিন্তু, আজ শাদাদ ভাইয়ের কথা, অনুভূতির, ভালোবাসার কোনো দাম যে দিতে পারবে না লতা। চড়া মূল্য দিয়ে দাম পরিশোধ করতে পারবে না সে। মায়ের কাছে যে ওয়াদা বদ্ধ সে।

লতা আজ খুব করে কাঁদছে। চোখের জল আজ দুভাবে বিভক্ত। একদল আজ খুশির কান্না করছে। শাদাদ ভাইয়ের ভালোবাসা তার জন্য বলে। আর অন্য দল কাঁদছে শাদাদ ভাইয়ের ভালোবাসাকে পায়ে ঠেলে সরিয়ে দিতে হবে বলে।

দু’জন দু’জনকে চায়। কিন্তু পরিবারের বাঁধা আজ দুটো ভালোবাসার মানুষের আলাদা হয়ে যাওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে কি হবে কে জানে? তবে বিরহ এবং ভালোবাসার মাঝে কার জিত হবে সময় সঠিক জবাব দেবে।

#চলবে….

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ