Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"বঁধুয়াবঁধুয়া পর্ব-০২ এবং শেষ পর্ব

বঁধুয়া পর্ব-০২ এবং শেষ পর্ব

#বঁধুয়া
২(শেষ পর্ব)…

বিপিনের বউটার যে বৃষ্টির দিনে জ্বর এলো সেই জ্বর গুনে গুনে থাকল সাতদিন। গা পুড়ে যেতো সেই সাতদিন মেয়েটার। আবোলতাবোল বকতো জ্বরের ঘোরে। গোঙ্গানি ক্রমশ বাড়তো। ছটফট করতো গলা কা টা পশুর মতন। নোয়া ছিলো না বলে কেউ একটু যত্ন করে বলেনি বউটাকে হাসপাতাল নেওয়ার কথা। বিপিন তো স্বামী ছিলো। অথচ সে-ও একটিবার বউটার পাশে এসে বসেনি। হাত ধরেনি, জিজ্ঞেস করেনি কতটুকু কষ্ট হচ্ছে তার।
শাশুড়িটার কথার বিষে ভালো মানুষও মরে যাওয়ায় উপক্রম হবে, সে আর কীই-বা যত্ন করবে? জ্বরও অবশেষে অবহেলা, অযত্ন পেয়ে একা একাই সেরে উঠল। এবং জ্বরের সাথে সাথে যেন সেরে গেলো বিপিনের বউয়ের কথা না বলার অসুখটা।

জ্বরের পর বিপিনের বাড়িতে একটি দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটল। এতদিন বাড়িতে শোনা যেতো কেবল বিপিন এবং ওর মায়ের গলা। কিন্তু সেই প্রচলিত রীতি বদলে গেলো যেন হুট করেই। মানুষ ধীরে ধীরে শুনতে পেলো বিপনের বউটার কথা। কণ্ঠ উঁচুতে উঠতে আরম্ভ করল তার। কেউ কেউ বলাবলি করল জ্বরে কি মেয়েটার মাথা খারাপ হয়ে গেলো? কেউ বলল হয়তো ভূত-প্রেত পেয়েছে। নয়তো বুলি না ফোটা মেয়ের কণ্ঠ এত চনমনে কেন?

জ্বর সারার পরেরদিনেরই কথা। বিপিন যথারীতি ঘুম থেকে উঠে কল ঘরে গেলো। জলের বালতিটায় হাত দিয়ে দেখলো ভোরের জল বেজায় ঠান্ডা, কনকনে। ঘুমন্ত চোখজোড়া থেকে তার ঘুম উবে গেলো নিমিষেই। বউটা এখনো তার জল গরম করেনি?
সে বার কয়েক শূন্য উঠোনের দিকেও তাকাল। উঠোন ঐ অবুঝ বউটার চোখ দুটোর মতনই শূন্য, খাঁ-খাঁ করছে। আপনা-আপনি ভ্রু কুঁচকে নিজেকে সামলে বিপিন নিজের বউকে ডাকে,
“জমিদারের বেটি কই? কই মরছেরে? আমার স্নানের জল এখনো কলপাড়ে আসে নাই ক্যান? ঐ জমিদারের বাচ্চা।”

বিপিনের হম্বিতম্বি শুনলে অন্যান্য সময় ও ছুটে আসে পাখির মতন। একপাশে গুটিশুঁটি হয়ে দাঁড়িয়ে যত রাজ্যের গাল গিলে অপরাধীর মতন। পৃথিবীর সমস্ত দোষের ভার তুলে নেয় মাথায় চাঁপাগাছটার মতন দাঁড়িয়ে। আজ তা হলো না মোটেও। বউ এলো রয়েসয়ে। ধীরে-স্থিরে। যেন সত্যিকারের জমিদারের বেটির ঘুম ভেঙেছে। বিচারকার্য বসাতে আসছে বুক ফুলিয়ে।

বউয়ের এমন গা-ছাড়া হাবভাবে বিপিনের রাগ না উঠে পারে? ছুটে গিয়ে মা গী বেটি বলে যেই না চুল চেপে ধরল, বউটা হাতের পেছন থেকে চাপা গাছের মোটা একটা শুকনো ডাল বের করে সপাটে বারি বসিয়ে দিলো স্বামীর পিঠে। তাও যেমন তেমন আঘাত নয়, দানবীয় আঘাত। একটা না দুই তিনটে বারি পর পর। বিপিন ‘ও মাগো, ও মাগো’ বলে ছুটে গিয়ে দাঁড়ালো উঠোনে। তার বিশ্বাসই হচ্ছে না তার বউ এমন করেছে! তার লক্ষ্মীমন্ত বউ! হাজার কথা ও মারেও যে রা করতো না সে?

বিপিন অবিশ্বাস্য চোখে তাকাতেই বউটা লাজুক লাজুক মুখে, যেন কিছুই হয়নি এমন ভাব করে সরল স্বরে বলল, “মা গী তোর প্রেমিকা ঝুমুর। যে তোর বউ আছে জেনেও তোর সাথে শোয়।”
পাখির মতন কণ্ঠ। বিপিন অবাক হয়ে শুনল বউয়ের কথা। বহু বছর বউটার কথা তার কানে বাজেনি। সে তো ভুলতেই বসেছিলো বউ তার কথা বলতে জানে! এত বছর পর যা-ও কথা বলল এমন তেমন কথা নয়। এমন বিশ্রী কথা!
বিপিনের মা তখন ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন হন্তদন্ত হয়ে। ‘কী হয়েছে বাপ আমার, কী হয়েছে’ বুলি আওড়াতে আওড়াতে ছেলের বুকে পিঠে হাত বুলাতে লাগলেন। বিপিন কোন লাজে বউয়ের মারের কথা মায়ের কাছে বলবে? পুরুষত্বে আঘাত পাবে না? তাই সে লুকিয়ে গেলো সেই দৃশ্যের গল্প। অজুহাতে বলল, কলপাড়ে একটি জোঁক দেখেছিল।

বিপিনের বউ যেমন আলগোছে এসেছিলো তেমন আলগোছেই ঘরে চলে গেলো। নাটকীয় ভঙ্গিতে আটকে দিলো দোর। তার বড্ড ঘুম এখনো বাকি। সারাজীবনের ঘুম। সংসার জীবনের ঘুম। যে ঘুম এত বছর ঘুমাতে পারেনি।
বিপিনের মা ছেলেকে চোখের ইশারায় জিজ্ঞেস করলেও উত্তরে মৌন রইল বিপিন।

আরেকদিন সন্ধ্যাকালেরই কথা। সন্ধ্যাবাতির সময়ে বিপিনের শাশুড়ি দেখল তার ছেলের বউ ঘরে নেই। জ্বর সারার পর টইটই করছে বেশি। আজকাল গ্রাম ঘুরতে বেরিয়ে যাচ্ছে। রান্নাবান্নায় মন নেই। বিপিনের জন্য ভোরে উঠে জল গরম করে না, উঠোন ঝাঁট দেয়না। বিপিন মুখে কুলুপ এঁটেছে। কিচ্ছুটি বলছে না বউকে। তিনি বলতে গেলেও থামিয়ে দিচ্ছে সে।
উঠোনে তখনই ঝামুরঝুমুর শব্দ তুলে উপস্থিত হলো বউটা। হাঁটু সমান চুলগুলো পুরো খোলা। সন্ধ্যাকালে এমন অলক্ষ্মীর মতন চুল খুলে রাখে কে? এ কেমন কালসাজ বউটার?
খ্যাপে উঠেন শাশুড়ি, খ্যাঁকানি দিয়ে উঠেন,
“চুল বাঁধো, বাঁধো। এই ভর সন্ধ্যায় কেমন রূপ দেখাচ্ছো? বাঁধ অলক্ষ্মী চুলটা। বাঁধ। আমার সংসারে বালা আনবি?”

বিপিনের বউ চুল বাঁধে না। গিয়ে বসে চাঁপাগাছটার নিচে। গুনগুন করে গান গায়। সেই সন্ধ্যায় এমন দৃশ্য গা কাঁপিয়ে তুলে বৃদ্ধার। তবুও তিনি স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করে বলেন,
“সন্ধ্যা না দিয়ে ওখানে গিয়ে বসলি কেন? সংসারের প্রতি কি টান নাই? বাঁজা মেয়ে কোথাকার!”

শাশুড়ির উর্ধ্বাকাশে উঠা কণ্ঠকে ছাপিয়ে হাসে বউ। আরও দ্বিগুণ কণ্ঠ উঁচিয়ে বলে,
“তোর ছেলের মতন কুত্তার বাচ্চা জন্ম দেওয়ার চেয়ে বাঁজা থাকা ভালো। একটা অমানুষ জন্ম দিয়েছিস। তোর নিজের মতন অমানুষ।”

শাশুড়ির হাত-পা কেঁপে উঠে। শীগ্রই বাড়ি ছেড়ে হৈহল্লা করে বেরিয়ে যান তিনি। প্রতিবেশীদের এক করেন। বিপিনের বউটার কী হলে, কী হলো, তেনারা ধরেছেন বোধহয়… এসব বলে বলে পাড়া মাথায় তুলেন।
প্রতিবেশীরাও বাহির থেকে উঁকিঝুঁকি দিয়ে দেখে। বউটা খোলা চুলে চাঁপাগাছটার নিচে বসে হাসছে। কিশোরীর মতন খিলখিলিয়ে।

সেই ঘটনার পর থেকেই গ্রাম থেকে গ্রাম ছড়িয়ে গেলো বিপিনের বউয়ের কথা। বউটাকে চাঁপাগাছের তেনারা পেয়েছে। এত লক্ষ্মী বউটা!
ছোটো, শিশু, বাচ্চা, কিশোর সবাই ওকে যেখানেই দেখতো সেখান থেকেই ছুটে চলে যেতো ভয়ে। সেসব দেখে ও যখন হাসতো তখন সবাই আরও নিশ্চিত হতো বউটার ভেতরে খারাপ কিছু ঢুকেছে বলে।

মাঠে ও যখন বিপিনের জন্য খাবার নিয়ে যেতো এই ঘটনার পর তখন বিপিনের সহকর্মীরা মুখ তুলে তাকাতো অব্দি না। মনির তো চোয়ালের সাথে থুতনি লাগিয়ে ফেলতো।
নোয়া এলো পিসিমার বাড়ি থেকে। গ্রাম থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়া ঘটনা তার কানেও গেলো। তার মা আজকাল বউকে গালিগালাজ করেন না, ভাইটা হাত তুলে না নিজের স্ত্রীর গায়ে। অকথ্য ভাষাও আর বলে না। নিজের মনমতন চলে সেই মেয়ে। যেটার স্বপ্ন নোয়াই দেখিয়ে ছিলো তাকে।

একদিন গ্রামে আকস্মিক একটা ঘটনা ঘটল। মনিরের মৃত্যু। তালবাগানের পুকুরটায় পেট ফুলে ভেসে উঠে মুনিরের লাশ একটি বৃষ্টির দিনে। গ্রাম জুড়ে কলরব, হৈচৈ পড়ে। মনিরের লাশ দেখতে দলে দলে ছুটে যায় গ্রামের সমস্ত লোক। সাঁতারে দক্ষ মনিরের ডুবে মরাটা যেন কলরব তুলে গ্রামে। সেই বৃষ্টিতে বিপিনের বউটা বসে থাকে চাঁপাগাছের নিচে। কত কথা বলে। কত হাসে। হাত বুলায় গাছটায়। তার যেন আনন্দ ধরে না। ‘মা, মা’ করে গাছটাকে কী যেন বলে। বলতে বলতে কাঁদেও। শুয়ে পড়ে সেই মায়ের কোলে।

জানালা দিয়ে তাকিয়ে সেই দৃশ্য দেখে নোয়া। তার কাছে সবটা পরিষ্কার হয়ে যায়। চাঁপাফুলের ঘ্রাণে চারপাশটা ভরে যায়। এমনই ঘ্রাণ ছিলো সেদিন যেদিন বউটা বাড়িতে আসে। নোয়া ছিলো ছোটো। সে ছুটে এসে জিজ্ঞেস করেছিলো, “তোমার নাম কী বউ?”
বউটা নাম বলার আগে ওর মা বউটার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলো ‘বিপিনের বউ’ বলে। এরপর আর কখনো নামটা জানা হয়নি তার। বউটাও আর কখনো, কাউকে নাম বলেনি। যে-ই জিজ্ঞেস করেছিলো পরিচয় তাকেই জানিয়ে ছিলো, সে বিপিনের বউ।

বিয়ের পর প্রথম বিসর্জন দিয়েছিলো বউটা নিজের নাম। এরপর বছরের পর বছর ধরে বউটা বিসর্জনই দিয়ে গিয়েছে। কখনো নাম, কখনো কান্না, কখনো সুখ। কত না পাওয়া, অপূর্ণতা নিয়েও সবাইকে সবটা দিয়ে গিয়েছিল। অথচ কেউ একটিবার জানতে চায়নি বউটার কী চাই? কেউ জানতে চায়নি, ওর কি কোনো ডাকনাম ছিলো? নিশ্চয় চাঁপাফুলের মতনই মিষ্টি নাম ছিলো ওর! কেবল বধূ হওয়ায় কতকিছু ত্যাগ করতে হয়েছিলো ওকে। সংসার জুড়ে কত না পাওয়া, কত হাহাকার মিশে ছিলো। তবুও এই সংসার ওকে আপন করে নেয়নি। দুঃখ দিয়েছে। প্রতারণা দিয়েছে প্রেমের বদলে।

নোয়ার মনে হলো হাসতে থাকা বিপিনের বউটা পাগল নয়, ভূতেও ধরেনি। ও কেবল নিজের পরিচয় খুঁজছে এত বছর পর। নিজেকে ভালোবাসছে…

[সমাপ্ত]
লেখক: মম সাহা

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ