Friday, June 5, 2026







প্রেম পড়শী পর্ব-২০

#প্রেম_পড়শী
#পর্ব_২০
#লেখনীতে_নবনীতা_শেখ
[প্রাপ্তবয়স্ক ও মুক্তমনাদের জন্য উন্মুক্ত]

“ভালোবাসাকে এখন আমার মন্দবাসা ডাকতে ইচ্ছে হয়। শালার ভালোই থাকতে দিলো না!”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
১১ মার্চ, ২০১২

“আমি ওকে কোনো শাস্তি দেবো না, আর এটাই হবে ওর জন্য সবচেয়ে বড়ো শাস্তি। দুনিয়াতে বেঁচে থাকতেই অনুতপ্ত হওয়ার চেয়ে বড়ো শাস্তি নেই। আফসোস শুধু একটাই! ওর অনুতপ্ততা আমার অন্তর ছুঁতে পারবে না। আমি এখন মনে প্রাণে বিশ্বাস করি—একজন পুরুষ কখনই এক নারীতে আসক্ত হয় না, হতে পারে না।
আর হ্যাঁ! কষ্টের আগুন ভেতরটা স্পর্শ করে ফেললে, যন্ত্রণারা আর গা-ছোঁয়া হয় না। আমি ভীষণ দুঃখিত। তোমার জন্য আর আমার বুক কাঁপে না।”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
১ এপ্রিল, ২০১২

“মেজবাহ আজ এক্সাম শেষে সরাসরি এ বাড়িতে চলে এলো। আমাকে দেখে মুখভাব চরম গম্ভীর করে নিল। তারপর বলে উঠল,
-‘মামনি, তোমার মেয়ে আমাকে পাত্তা দেয় না। আমার রাগ ওঠে।’

ওর সিরিয়াস মুখে বলা কথাটিতে আমি না হেসে পারিনি। কেমন গাল ফোলাচ্ছিল! আমি হাসি চেপে নিয়ে বলি,
-‘তো তুমি কি চাইছ—আমি তোমার হয়ে আমার মেয়েকে পটিয়ে দিই?’

মেজবাহ চোখ পিটপিট করে তাকিয়ে বলে উঠল,
-‘নট অ্যা ব্যাড আইডিয়া!’

আমি এবার সশব্দে হেসে উঠি। মেজবাহ রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে বলল,
-‘হাসবে না, মামনি!’
-‘আচ্ছা, হাসব না। এরপর বলো।’
-‘এরপর, তোমার মেয়ে আমার দিকে তাকিয়েও দেখে না।’
-‘তারপর?’
-‘তাই আমি নিজেই ওর সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকি।’

-‘এরপর?’
-‘তোমার মেয়ে বন্ধুবান্ধবদের সাথে ঘোরাঘুরি করে খুব। প্রাইভেট শেষে বন্ধুদের নিয়ে আমতলায় বসে থাকে ২০-২৫ মিনিট!’
-‘তারপর?’
-‘তারপর আমি ওর বন্ধুদের নিজের ওয়েতে সাবধান করে দিই। এজন্য দেখছ না—এখন কেমন মোহ জলদি জলদি ফিরছে?’

-‘এরপর?’
-‘তোমার মেয়ে আমার পছন্দ-অপছন্দের নূন্যতমও জানে না।’
-‘তারপর?’
-‘আমি লিস্ট করে দিয়ে এসেছি কাল, মুখস্থ করার জন্য। এক্সাম শেষে পড়া ধরব।’

-‘এরপর?’
-‘তোমার মেয়ে এত গম্ভীর!’
-‘তারপর?’
-‘রোজ সকাল-বিকাল নার্গিস আন্টির গান শোনার জন্য সাজেস্ট করে এসেছি।’

আমার তারপর-এরপর এর খেলা শেষ করতে হলো তখনই। সোফায় বসে পড়লাম। হাসলাম প্রচণ্ড! কতদিন পর যে এভাবে হাসলাম! মেজবাহ এবার আর আমার হাসি থামাতে বলল না। সে নিজেও হেসে ফেলল। অবশেষে আমার হাসি যখন থামল, ছেলেটা নরম গলায় বলল,
-‘তোমার হাসি কেউ কেড়ে নিতে না পারুক। সেই কলুষিত অন্তরের মানুষগুলো কি জানে—হাসলে আমার মামনিকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুন্দর নারী লাগে?’

ছেলেটার দিকে তাকিয়ে থাকি আমি। মেজবাহ! তুমি এরকমই থেকো। মানুষ তো পালটায়, প্রকৃতির নিয়ম! তুমি বরঞ্চ পালটে যেয়ো না। একটু-আধটু অনিয়ম করো। বিশ্বাস করো, প্রসঙ্গ যখন প্রকৃতির বিরুদ্ধে, তখন সব ধরনের অনিয়মই জায়েজ।”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
২৭ এপ্রিল, ২০১২

“মাহফুজ নিজের ভুলটা বুঝতে শুরু করেছে। সর্বক্ষণ বিষণ্ণ হয়ে থাকে। ঠিকঠাক খায় না, কোনো কাজে মন নেই। আমাকে বুঝতে দিতে চায় না, তবুও আমি বুঝি। একটা কথা কি, কারো ঘুম কেড়ে নিয়ে কখনও শান্তিতে ঘুমোনো যায় না।
মাহফুজ, এই অনুতাপটা যদি অন্যায়টা করার আগে আসত! তবে তুমি আমায় হারাতে না। আফসোস! তোমার জন্য আর আমার মন কেমন করে না।”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
২৯ ডিসেম্বর, ২০১২

“মাহফুজ আর যা-ই করুক, মেয়েটাকে কখনও অবহেলা করেনি। আমি বুঝি, সবদিক থেকে ডিপ্রেসড হয়ে মাহফুজ মোহতে প্রশান্তি খুঁজে পায়। দিনশেষে ওর ভালো থাকার কারণটা হচ্ছে মোহ।
মাহফুজ ইদানিং আন্দাজ করে বসে কিছু একটা। সেদিন আমাকে ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করল,
-‘শেফা, সব ঠিক আছে?’

আমি চোখে হেসে বললাম,
-‘বেঠিক থাকার মতো কিছু করেছ?’

ও যেন আরও খানিকটা ঘাবড়ে গেল। আমার মজা লাগল। আমি আর ওর দিকে তাকালাম না আর। মুখ ফেরানোটা ও খেয়াল করলেও, আমার মন ফিরিয়ে নেওয়াটা বোধহয় ওর নজরে আসেনি। এলে কী হতো? উম.. ও বিচলিত হতো? নাকি ভেঙে পড়ত?
আমি বলতে পারছি না, এখন আর প্রেডিকশন দিতে পারি না। একসময় নিজের ওপর খুব অহং ছিল। গ্যারান্টি দিয়েছিলাম, মাহফুজ আমার। হাসি পাচ্ছে এখন।”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

“পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ বোকামি হচ্ছে কাউকে নিজের চেয়েও বেশি ভালোবাসা। আমি অস্বীকার করে যাব আমৃত্যু, বলে যাব—আমি নিজেকে অত্যাধিক ভালোবাসি। অথচ এটি খুব সুন্দর একটি মিথ্যে।”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
১৩ জুলাই, ২০১৩

“আমি ভাগ্যে বিশ্বাসী ছিলাম, তারও বেশি বিশ্বাসী ছিলাম স্বীয় কর্মে। অথচ যা পেলাম, তা যেন আমার দুনিয়া এলোমেলো করে দিলো। কী আশ্চর্য! এটা তো হওয়ার কথা ছিল না।”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
১৯ নভেম্বর, ২০১৩

“মেয়েটা এলো, গম্ভীরমুখে আমার পাশে বসে বলল,
-‘আম্মু, আমি স্কুল চেঞ্জ করতে চাই।’

আমি অবাক হয়ে বললাম,
-‘সামনে তোমার জেএসসি, রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেছে। এখন কীভাবে?’

অথচ ও ওর কথায় অবিচল,
-‘এক্সাম এই স্কুল থেকেই দেবো, পড়ার ব্যবস্থা অন্য স্কুলে করো।’

আমি নিজেও স্থির হয়ে বললাম,
-‘সমস্যাটা খুলে বলো।’

ও আমার দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ থেমে পুনরায় বলল,
-‘আম্মু, আমাদের ক্লাসের রিফাত আমাকে কারণে-অকারণে খুব জ্বালাচ্ছে, টিজ করছে। এখানে থাকলে হয়তো মেরে-টেরে দিতে পারি।’

আমি একদৃষ্টে তাকিয়ে রইলাম। আমি দেখছি বলে মোহকে শান্ত করলাম। বিকেল হতেই যখন মেজবাহ মোহকে পড়াতে এলো। আমি ওকে নিজের রুমে ডাকলাম। ছেলে-মেয়ে দুটোই বড়ো হয়ে গেছে। মেজবাহ যখন আমার রুমে এলো। আমি খুব সূক্ষ্মভাবে ওকে অবলোকন করলাম। চেহারা লম্বাটে, উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ। হাইট প্রায় ৬ ফুট ছুঁইছুঁই, বংশগতভাবেই ওরা লম্বা। বয়স ২১, আর সদা হাস্যোজ্জ্বল মুখটা।
আমাকে দেখে মিষ্টি হেসে সালাম দিয়ে বলল,
-‘মামনি, কেমন আছ?’

আমি সালামের জবাব দিয়ে বললাম,
-‘আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি। কিন্তু তোমার বিষয়টা মোটেও ঠিক লাগছে না।’
-‘কোন বিষয়ে?’

মেজবাহর প্রশ্নে আমি হাঁপ ছাড়লাম। ও তো ধরতেই পারছে না, ও এক্সাক্টলি কী করেছে। আমি ধরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে বললাম,
-‘মোহকে ওর স্কুলের কোন ছেলে যেন ডিস্টার্ব করছে। এতকাল মোহর জানার আগেই তুমি সেসব দেখেছ। আজ কেন দেখছ না?’

এতে হয়তো মেজবাহ মলিনমুখে কোনো বাহানা ধরবে। অথচ আমার ভাবনাকে ভুল বানিয়ে ও হাসল। সেই চমৎকার হাসিটা! আমাকে এক্সপ্লেইন করার উদ্দেশ্যে বলে উঠল,
-‘আমি মোহকে ভীষণ স্ট্রং একজন মেয়ে হিসেবে দেখতে চাই। আমি ওকে আত্মনির্ভরশীল বানাতে চাই। আমি চাই ও নিজেকে বুঝুক, ও নিজেকে দেখুক। পৃথিবীর সবকিছুর আগে নিজের ভালোটা ধরতে শিখুক। এতকাল বাচ্চা ছিল, অবুঝ ছিল। তাই আমি দেখেছি। এখন ও আর বাচ্চাটি নেই। ঠিক-ভুল বুঝতে শিখেছে। মামনি, একজন মেয়েকে কখনই কারো ওপর নির্ভরশীল বানানো উচিত নয়। ইন ফিউচার, ধরো আমি-তুমি বা আঙ্কেল—কেউ ওর জন্য রইলাম না। ওর সিচুয়েশনটা তখন ভাবতে পারছ?’

ভীষণ অবাক হয়ে এই ছেলেটাকে দেখলাম আমি। এতটা পূর্ণমনস্ক পুরুষ খুব কমই দেখা হয়েছে আমার। বিস্মিত ভাব না কাটিয়েই শুধালাম,
-‘কী করতে চাইছ?’

মেজবাহ মুচকি হেসে বলল,
-‘মোহকে আমার শক্তি বানাব।’

তখন থেকে লক্ষ্য করতে লাগলাম আমার আম্মুজানের পরিবর্তন, একই সাথে স্বয়ং মেজবাহর। দুজন পালটাচ্ছে। মেয়েটা হয়ে উঠছে অত্যন্ত শান্ত অথচ গম্ভীর, দায়িত্বশীল। অন্যদিকে ছেলেটা হচ্ছে কর্মবিমুখ, ভবঘুরে!”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
২৭ মার্চ, ২০১৫

“একটা নারীর সৌভাগ্য এসে আটকে থাকে দুটো পাওনাতে। এক. স্বামীর কাছে অমূল্য, অদ্বিতীয়া হওয়া; দুই. সন্তানকে আদর্শবান হতে দেখা। আমি একদিক থেকে হেরেছি, অন্যদিক থেকে জিতেছি। আমার মেয়ে আমার গর্ব। নিজেকে যেভাবে ধরে রাখতে পারিনি, মোহকে সেরূপ গড়েছি আমি।”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
২ নভেম্বর, ২০১৫

“আজ মাহফুজ আমাকে জিজ্ঞেস করল,
-‘শেফা, আমি ইন্ডিয়া যাচ্ছি কিছুদিনের জন্য। কিছু লাগবে? তোমার জন্য কী আনব?’

খুব বলতে ইচ্ছে করল,
-‘ফেরার পথে আমার একান্ত তুমিটাকে আমার জন্য নিয়ে এসো।’

অথচ আমি তা বলতে পারলাম না। মানুষের একজনমে কত আফসোস থাকে!”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
১১ জানুয়ারি, ২০১৬

“আমি নিজের ভাগ্য মেনে নিয়েছি। এখন মাহফুজের পরিণতির অপেক্ষায় আছি। মাঝে মাঝে মনে হয়, মেয়েটা যদি জেনে যায়? মেয়ে বড়ো হচ্ছে, সব বুঝতে শিখছে। আমি যেমন-তেমন ছিলাম। মেয়েটা হয়েছে ওভার পজেসিভ। বাবার ভাগ তো মানতে পারবে না।
মোহর প্রতি মাহফুজের ভালোবাসা, যত্ন, আহ্লাদ ছিল আমার চেয়েও বেশি। আচ্ছা, মেয়ের চোখে ঘৃণা সহ্য করতে পারবে তো?
আমার মেয়ে! ভালোবাসতে জানে যত্ন করে, ঘৃণাটাও করতে জানে যত্ন সহকারে। মাহফুজ! তোমার জন্য আমার অনুভূতিহীন হৃদয়ে মায়ার সঞ্চার হচ্ছে। কোনো খুনিকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে দেখলে যেমন লাগে না? ওমন! তুমিও তো খুনি। আমার হৃদ-হত্যার অভিযোগে আসামি। তোমার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড না, কেবল কারাদণ্ড। তাই আমি চুপটি আছি।”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
১৬ আগস্ট, ২০১৬

“মেয়েটা আজ তার বাবার কাছে বলে বসল,
-‘আব্বু, তোমার সময় হবে?’

মাহফুজ মুচকি হেসে বলল,
-‘তোমার জন্য আমি আমার সবচেয়ে ব্যস্ততম মুহূর্তেও ফ্রি আছি। বলো তুমি।’

মেয়েটা সানন্দে বলে ওঠে,
-‘তুরশিপুরে যেই নতুন পার্কটা হয়েছে, ওখানে যেতে চাই।’

মাহফুজ বিনাবাক্যব্যয়ে রাজি হলো। বিকেলেই তিনজনে মিলে পার্কটিতে গেলাম। ঘন্টাখানেক যেতে না যেতেই মাহফুজ ফিরে আসার তাগিদ দিলো। লক্ষ্য করলাম একই স্থানে মাহফুজের আরও একটি গন্তব্যকে। অগোচরে হাসলাম। আর কত লুকিয়ে চলবে?”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
২৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

“অন্যসব নারীর মতো আমার হয়তো উচিত ছিল ঘটনাটা ঘটার আগেই লাগাম টেনে নেওয়া, আটকানো। কিন্তু, কার লাগাম টানব? মাহফুজের? যেই পুরুষ নিজেকে শুদ্ধ রাখতে পারে না, সেই পুরুষকে কতটা বেঁধে রাখা যায়?
অথচ সে ভুলেই গেছে, যা আমার তা আমারই; তাতে বিন্দুমাত্র অন্যের ছোঁয়া পেলে আমার আগ্রহ উঠে যায়। মাহফুজকে আমি ভালোবেসেছি। ভালোবাসা ফুরোয় না, মরে যায়। আমার আগ্রহের সাথে ভালোবাসাটাও পুরোপুরি উঠে গিয়েছে। যে অন্যমুখো একবার হয়েই গিয়েছে, তাকে এমুখো করার ইচ্ছেটা আমার নেই। শুধু একটাই চাওয়া থাকে সর্বদা, কোনো মেয়েই যেন কাউকে সর্বস্ব দিয়ে ভালো না বাসে। অপাত্রে পড়ে গেলে, ভালোবাসা মন্দবাসা হয়ে যায়।”

স্বর্ণশেফা হাওলাদার
৭ জানুয়ারি, ২০১৭

চলবে..

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ