Friday, June 5, 2026







প্রিয় তুমি পর্ব-১২

#প্রিয়_তুমি
#লেখনীতে-ইশরাত জাহান ফারিয়া
#পর্ব-১২

সেদিনের পর কয়েক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। কয়েকদিন পর সেহেরের রেজাল্ট পাবলিশড হলো। দেখা গেলো রেজাল্ট মোটামুটি ভালো কিন্তু সেহের খুশি হতে পারলোনা। ও যেটা আশা করেছিল তার থেকে বেশ কিছু নাম্বার কম। যেটা ওর কাম্য নয়। শেফা, রিমি ওরাও ভালোই করেছে। এই খুশিতে ওরা সেহেরের আপসেট হওয়ার বিষয়টা মানতে পারলোনা। শেফা সেহেরের মুড ঠিক করার জন্য জোর করে একটা কফিশপে নিয়ে গেলো ওকে। কোল্ড কফি, বার্গার অর্ডার করলো শেফা। হাতমুখ ধুতে ওয়াশরুমে গেলো৷ ফোন আর পার্স পড়ে রইলো টেবিলের উপর। হঠাৎ শেফার ফোন বাজলো। ওরা কেউ অতোটা পাত্তা দিল না। কিন্তু বারবার ফোন আসতে থাকার সেহের বলল, ‘কীরে রিমি? কোথায় গেল শেফা? ফোন আসছে মনে হচ্ছে!’

রিমি বলল, ‘শেফা তো ওয়াশরুমে।’

‘বারবার কল আসছে। দরকারী নাকি?’

‘কী জানি।’

‘ধর ফোন।’

‘আমি?’

‘তুই ছাড়া যেহেতু এখানে কেউ নেই তাই তুই ধরবি।’

‘আরেকজনের ফোন ধরব?’

‘দরকারি হতে পারে!’

রিমি বিষন্ন স্বরে বলল, ‘আচ্ছা ধরছি।’

রিমি ফোনটা হতে নিয়ে দেখলো আননোন নাম্বার থেকে ফোন এসেছে। রিসিভ করে সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, ‘কে বলছেন?’

ওপাশ থেকে বয়স্ক মহিলার গলা শোনা গেলো। সালামের উত্তর দিয়ে বলল, ‘তুমি শেফা মা? আমি জিসানের আম্মু। চিনতে পারছো?’

রিমি কথাটা শুনেই ফোনের স্পিকার চেপে ধরে সেহেরকে নিচু স্বরে বলল, ‘জিসান ভাইয়ের আম্মা। কী কমু?’

‘তোর যা ইচ্ছে!’

‘বইলা দিই আপনার হবু বৌমা টয়লেটে গিয়েছে?’

সেহের কটমট করে বলল, ‘ফাজলামো করবিনা। সুন্দর করে কথা বল। হয়তো জরুরি কোনো কথা।’

রিমি মুখটা কালো করে ফোনটা কানে ধরলো। জিসানের মাকে বলল, ‘আসলে আন্টি আমি শেফার ফ্রেন্ড রিমি বলছি। শেফা একটু ওয়াশরুমে গিয়েছে।’

ওপাশ থেকে জিসানের মা বলল, ‘ওহ আচ্ছা।’

‘কেমন আছেন আন্টি?’

‘আলহামদুলিল্লাহ ভালো। তুমিতো শেফার বান্ধবী তাইনা?’

‘জি।’

‘তবে তোমাকেই জিজ্ঞেস করি, তুমিতো শেফাকে কাছ থেকে দেখেছ? তাইনা?’

রিমি বিব্রতবোধ করছে। ফোনটা সেহেরের কাছে জোর করে দিয়ে দিল। নিচু গলায় বলল, ‘প্লিজ দোস্ত। তুই কথা বলে ম্যানেজ কর। আমি কী বলতে কী বলে ফেলব আল্লাহই জানে। নার্ভাস লাগছে।’

সেহের বিরক্ত হলো। ফোনটা নিয়ে সালাম দিয়ে কথা শুরু করলো এবং শেফার বিষয়ে প্রায় সবকিছুই শেয়ার করলো। ওর পছন্দ-অপছন্দ, ক্যারেক্টার কেমন তাও জেনে নিলো জিসানের আম্মা। আর পূরবের হবু বউ সেহের, জানতে পেরে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানালেন। ছোটবেলা থেকেই পূরবকে চেনেন তিনি। আধুনিকতার ছোঁয়া থাকলেও ছেলেটা ভালো। টাকাপয়সা হতদরিদ্রদের দান করে, তাও খুব নিভৃতে। জিসানকে কতবার সাহায্য করেছে। বন্যা দুর্গত মানুষদের বাঁচাতে গিয়ে কয়েকবছর আগে তো নিজেই মরতে বসেছিল পূরব। পাঁচদিন আই-সি-ইউতেও রাখা হয়েছে। অবশেষে সুস্থ হয়েছে। এরকম অনেক কথা তিনি সেহেরকে বললেন। অথচ সেহের এ বিষয়ে কিছুই জানতোনা। কথা বলার মাঝপথেই শেফা ফিরে এলো। দেখলো ওর ফোনে সেহের কারো সাথে কথা বলছে। রিমি ওর কানে কানে ফিসফিস করে সব কথা উগলে দিল। শেফা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। জিসানের আম্মার সাথে কথা বলতে ও জীবনেও পারতোনা। যাক সেহের সামলে নিয়েছে। কিন্তু ওর বিশ্বাসে পানি ঢেলে দিয়ে সেহের ওকে ফোন ধরিয়ে দিল। জিসানের আম্মা শেফার সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা বললেন। কীভাবে ওদের পরিচয়, কখন বিয়ে করতে চায় সবকিছু। শেফা লজ্জ্বামিশ্রিত কন্ঠে ওনার ওপর সবকিছু ছেড়ে দিল। জিসানের মা পুত্রবধূকে ঘরে নিতে দেরি করতে চান না। তাই তিনি আশ্বাস দিলেন খুব দ্রুতই শেফার বাসায় বিয়ের প্রস্তাব পাঠানো হবে। শুনে লজ্জায় লাল হয়ে গেল শেফা।

কথা বলা শেষ করে ফোন রাখলো শেফা। তারপর সেহেরকে থ্যাংকস জানালো। ওর চোখেমুখে খুশি উপচে পড়ছে। সেহের,রিমি ওকে নিয়ে বেশ মজাও করলো খানিকক্ষণ। ওয়েটার কফি, বার্গার দিয়ে গেছে সেই কখন! রিমি খাওয়া শুরু করলো। অর্ডারকৃত কফি পান করে, বিল মিটিয়ে মার্কেটে গেলো। প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কিনলো শেফা, রিমি ওর বোনের জন্য একটা জামা নিলো। সেহের একটা ঘড়ি কিনলো। ওর হাতঘড়িটা মাস তিনেক আগে পানিতে পড়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সারাদিন ঘুরাঘুরি শেষে ওরা যার যার বাসায় ফিরে গেলো, সেহের টিউশনে চলে এলো। পাঁচটা টিউশনের তিনটে কামাই দিয়ে দুটো পড়িয়ে বাসায় চলে এলো। গোসল সেরে, খাওয়াদাওয়া করে ঘুম দিলো। এর মধ্যে সুমা আর শিলা ফ্রেন্ডের বাসা থেকে ফিরে এলো। বাসায় ফিরে দেখে সেহেরের প্রচন্ড জ্বর। গা পুড়ে যাচ্ছে। অসুস্থ হয়ে কয়েকবার বমিও করলো। সুমা ওকে ঔষধ খাইয়ে দিল, শিলা মাথায় পানি দিতে লাগলো। সুমা সেহেরের জ্বর দেখে কী করবে বুঝে উঠতে পারলোনা।

রাত সাড়ে তিনটা। শিলা ক্লান্ত হয়ে সেহেরের পিছনে গুটিশুটি মেরে শুয়ে পড়লো। সুমার চোখ ঢুলছে, মাথাটা ভীষণ ভারে নুইয়ে পড়তে চাইছে। সেহেরের কপালে হাত দিয়ে চেক করে দেখলো জ্বর খানিকটা কমেছে। সেহেরের ফোনটা ড্রয়ারে ছিলো। ভ্রাইবেট করছিলো। সুমা হাতে নিয়ে দেখলো পূরব অসংখ্য ম্যাসেজ করে রেখেছে, ফোন করেছে। কিন্তু সেহের রিসিভ করেনি। করবে কীভাবে তখন তো জ্বরে অজ্ঞানের মতো পড়ে ছিল। সেহেরের শরীর ভালোনা সেটাতো ওকে জানানো দরকার। আফটার অল পূরব ওদেরকে বলে রেখেছে সেহেরের অসুবিধা হলে সেটা যেন ওকে জানায়। কিন্তু এতো রাতে পূরবকে ফোন করা ঠিক হবে কিনা? যা হয় হোক, সামান্য ঘুম ভাঙলে কোনো ক্ষতি হবেনা ভেবে ডায়াল করলো পূরবের নাম্বারে।

পূরবের চোখটা সবেমাত্র লেগেছে। প্রজেক্টের কাজ দেখতে দেখতে কখন যে রাত সাড়ে তিনটা বেজে গেলো খেয়ালই হয়নি। সেহেরকে অনেকবার ফোন, ম্যাসেজ করেও খোঁজ পাওয়া যায়নি। মেয়েটার সাথে আজ সারাদিন একবারের জন্যও কথা হয়নি ভেবেই মন খারাপ লাগছিলো। কিন্তু এত রাতে ফোন কলের শব্দে ওর বিরক্তি চরম আকার ধারণ করল। অফিস থেকে ফোন আসার সম্ভাবনা নেই, সেহের তো আরো করবেনা এত রাতে। তাহলে কে? খুব জরুরি না হলে তো কেউ ফোন করেনা৷ এই ভেবে নাম্বার না দেখেই কল রিসিভ করলো পূরব। কে ফোন করেছে জিজ্ঞেস করতেই সুমার কন্ঠ শোনা গেলো।

‘হ্যালো ভাইয়া? আ আমি সুমা বলছি। সেহেরের রুমমেট।’

পূরব তীক্ষ্ণ কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো, ‘এত রাতে? সেহেরের কিছু হয়েছে? ঠিক আছে ও?’

‘না ভাইয়া। ওর তো সন্ধ্যা থেকে জ্বর। অনেক জ্বর। জ্বরের ঘোরে একপ্রকার বেহুঁশের মতো পড়ে আছে।’

ওদিকে কথাটা শুনেই পূরবের গলা শুকিয়ে এলো। ভীষণ টেনশন শুরু হলো। পূরব গম্ভীর কন্ঠে বলল, ‘আমাকে আগে জানালে না কেন?’

‘আসলে আপনার কথাটা মাথায় ছিল না।’

পূরব বিছানা থেকে নামতে নামতে বলল, ‘ওয়েট, আমি আসছি৷ ডাক্তারের কাছে নিতে হবে।’

কথাটা শুনে সুমা অনুরোধের স্বরে বলল, ‘আপনার আসতে হবেনা ভাইয়া। আর এখন জ্বর কিছুটা কমেছে। আমি ঔষধ খাইয়ে দিয়েছি। ঘুমাচ্ছে এখন। আপনি আসলে প্রবলেম হবে।’

পূরব ভ্রু কুঁচকে বলল, ‘কীসের প্রবলেম?’

‘এত রাতে মেয়েদের বাসায় আসবেন লোকে জানলে কত কথা রটাবে ভেবেছেন? কেউ তো আর সত্যটা জানতে আসবেনা, উলটো আমাদেরই সমস্যা হবে। খারাপ ভাববে। আর আপনি চিন্তা করবেন না। আমরা আছি তো।’

পূরব ভেবে দেখলো কথাটা আসলেই ঠিক। হতাশ হয়ে বলল, ‘আচ্ছা৷ বাট কাল সকালে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে ওকে। আমি কথা বলে রাখবো। আর ওর এতো পরিশ্রম করার মানে হয়? ঠিকমতো খায়না, নিজের প্রতি নূন্যতম খেয়াল রাখেনা অসুস্থ তো হবেই। বেয়াদব মেয়ে একটা।’

সুমা হেসে ফেললো। পূরব ফোন রেখে দিলো আরও কিছু উপদেশ দিয়ে। সেহেরের দুইগালে থাপ্পড় দেওয়ার ইচ্ছে হচ্ছে। পরদিন সকালে জ্বর কমলে সুমা ওকে জোর করে একপ্রকার হুমকি দিয়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলো। হসপিটালে গিয়ে দেখলো সেখানে পূরবও ওদের জন্য অপেক্ষা করছে। সুমার প্রতি রাগী দৃষ্টি নিক্ষেপ করলো সেহের। পূরবকে জানানোর কী দরকার ছিল? যত্তসব! এখন ওর উপর খবরদারি শুরু করবে এই লোক। সেহের চুপচাপ হয়ে রইলো। পূরব ডাক্তারের চেম্বারে ওকে নিয়েই গেলো। কথাবার্তায় বোঝা গেলো ডাক্তার পূরবের পূর্ব পরিচিত। তিনি সেহেরকে পরিশ্রম কম করতে উপদেশ দিলেন। কিছু ঔষধপত্র লিস্ট করে দিলেন। ওখান থেকে বেরিয়ে পূরব সেহেরের সাথে রাগারাগি করলো খুব। আজ থেকে টিউশন বন্ধ। সেহের কেঁদে কেঁদে বলল, ‘আমি নিজের খেয়াল রাখবো। কিন্তু টিউশন বন্ধ করবোনা।’

‘ত্যাড়ামি যাবেনা এই মেয়ের। যত্তসব পাগলের পাল্লায় পড়েছি।’

সেহের চোখ রাঙিয়ে বলল, ‘তাহলে পাগলের জন্য এত দরদ দেখাবেন না। যাচ্ছি আমি।’

পূরব পেছন থেকে ওর হাতটা টেনে ধরে বলল, ‘বিয়েটা এই সপ্তাহেই করছি। তারপর দেখবে কীভাবে ত্যাড়ামি ছুটাই তোমার। বেয়াদব কোথাকার।’

‘আমি আপনাকে বিয়ে করব না।’

‘তোমার মতামত জানতে চাইনি।’

সেহের মুখ ভেঙিয়ে বলল, ‘চোর চোরই থাকে। কখনো ভালো হয়না।’

পূরব রেগে ওর হাত চেপে ধরে বলল, ‘কী বললে? এত সাহস? এখন তো শাস্তি দিতেই হবে..’

বলেই আচমকা সেহেরের গালে চুমু খেলো। সেহের কাঠ হয়ে গেল। আশেপাশের লোকজন দেখেছে কিনা আল্লাহ মাবুদ জানে। পূরবের বুকে কিল-ঘুষি দিতে লাগলো। পূরব বাঁকা হেসে বলল, ‘আসো আরেকটা দিই। চলো!’

‘শয়তান কোথাকার, দূরে যান বলছি৷ নির্লজ্জ লোক।’

পূরব ওর দিকে এগোতে লাগলো। হঠাৎ সুমা চলে আসায় পূরব ভদ্র ছেলের মতো দাঁড়িয়ে পড়লো। ওদেরকে বাসার সামনে নামিয়ে দিয়ে সেহেরকে চোখ টিপে ওর কানে কানে বলল, ‘রেডি থেকো বউ। বিয়েটা এই সপ্তাহেই হচ্ছে।আমাকে চোর বলার সাধ সুদে-আসলে মিটিয়ে দেব।’

ভুলভ্রান্তি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি। সাজানো গোছানো একদম ভালো হয়নি!
চলবে..ইনশাআল্লাহ!

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ