Friday, June 5, 2026







প্রণয় প্রহেলিকা পর্ব-০২

#প্রণয়_প্রহেলিকা
#২য়_পর্ব

তন্দ্রা কাটতেই ধাতস্থ হলো, সে ভারী কিছুর উপর শুয়ে আছে। চোখ না খুলেই হাতড়ালো কিছু সময়। কিন্তু বুঝতে পারলো না এটা কি বিছানা নাকি মেঝে। তখন ই শীতল কন্ঠ কানে এলো,
“স্পর্শ করা শেষ হলে হাতটা সরা”

শীতল কন্ঠ কর্ণপাত হতেই ঘুম পেছনের জানালা দিয়ে পালালো। শিরদাঁড়া বেয়ে হীম বয়ে গেলো। তড়াক করে চোখ খুললো ধারা। চোখ খুলতেই দেখলো যাকে সে মেঝে ভাবছিলো সেটা ছিলো অনলের বলিষ্ঠ বুক। সে এতোসময় অনলের বুকের উপর ঘুমাচ্ছিলো। মাথা তুলতেই অনলের গভীর কালো নয়নে আটক হলো তার নয়নজোড়া৷ শান্ত অথচ সুগাঢ় দৃষ্টি হৃদয়ের অন্তস্থলে এক অসহ্য অনুভূতি ডানা মিললো৷ কিশোরী হৃদয়ে শিহরণ জাগালো। এই প্রথম কোনো পুরুষের এতোটা সন্নীকটে এসেছে সে। এ যেনো এক না বলা অনুভূতি। কোমল গালজোড়ায় রক্ত জমলো, ধীরে রক্তিম হয়ে উঠলো। অনলের সুগভীর নয়নে তাকিয়ে থাকার সাহস হলো না। তড়িৎ গতিতে সরে পড়লো সে। বিছানায় অপর কোনায় গুটিসুটি মেরে বসলো। দৃষ্টি মেঝেতে নিয়ে গেলো। অনল ও উঠে বসলো। তার মনোস্থিতি ঠাহর করা দুষ্কর। শ্যাম মুখশ্রীটা নির্বিকার বরাবরই। ধারার মনে হয়, মানুষের মুখশ্রী তার মনের দর্পন। এই বাক্যটি খাটে না কেবল অনলের ক্ষেত্রে, কারণ তার মুখশ্রী দেখে মনের ছিটাফোঁটাও বোঝা যায় না। ডান্ত চাহনী, নির্লিপ্ত ভঙ্গিমা। অবিচল, অনড় অনল। ধারা আড়চোখে একবার চাইলো তার বরটির দিকে। অন্যদিকে তাকিয়ে রয়েছে, বেশ ঘন ঘন শ্বাস নিচ্ছে। হয়তো এতোটাসময় ধারাকে বুকে নিয়ে রেখেছে বিধায় কষ্ট হয়েছে। কিন্তু একটা ব্যাপার ধারার কিশোরী মনে প্রশ্ন সৃষ্টি করলো, অনল ভাই এর কানজোড়া কেনো রক্তিম দেখাচ্ছে! তার কি কানে ব্যাথা! নাকি আজ বিয়ের দিন ও বড়মা তার কান মুলেছে! প্রশ্নটা মুখ ফসকে বের হতে যেয়েও হলো না। কারণ প্রিন্স উইলিয়ামকে এখন চটানো যাবে না! এর থেকেও কঠিন প্রশ্ন তাকে করতে হবে। সে প্রশ্ন হলো বৃহৎ প্রশ্ন দশ মার্কের। এই এক দু মার্কের প্রশ্ন করার মানেই নেই। অনল মুখ গোল করে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। ঈষৎ বিব্রত স্বরে বললো,
“তুই এখানে ঘুমা, আমি বাহিরে যাচ্ছি। ওরা কেউ নেই বাহিরে। এখন বাহিরে গেলে সমস্যা হবে না। সব কয়টা হয়েছে মীর জাফর। আমাকে পাহারা দেওয়ার জন্য দাদাজানের কাছে ঘু’ষ খেয়েছে। ভালো লাগে না। যার বিয়ে তার হুশ নেই, পাড়াপড়শির ঘুম নেই।”

অনল উঠে দাঁড়ালো। সাদা পাঞ্জাবীর হাতাটি কনুই অবধি ঘোটালো। এলোমেলো অবিন্যস্ত চুলগুলো বা হাত দিয়ে টেনে পেছনে নিলো। বিছানার পাশের টেবিলে অবিহেলিত ভাবে রাখা মানিব্যাগ এবং সিগারেটের প্যাকেটটা পকেটে পুরে বাহিরের দিকে পা বাড়াতেই ধারা থমথমে স্বরে বলে উঠলো,
“কেনো বিয়েতে রাজী হলে তুমি অনল ভাই? তুমি না বলেছে এই বিয়ে তুমি করবে না। তাহলে কেনো রাজী হলে?”
“ধারা সারাদিন খুব ক্লান্তি গেছে। আমরা এসব নিয়ে কালকে কথা বলবো। তুই রেস্ট নে”

বেশ শান্ত এবং ধীর কন্ঠে কথাটা বললো অনল। সে মোটেই এখন এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছে না। দাদাজানের ইমোশনাল ব্লা’ক’মে’ই’ল এর কাছে পরাজিত হবার পর অনাকাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যত নিয়ে তার ভাবতে ইচ্ছে হয় নি। সে সত্যি জানে না অদূর ভবিষ্যতে তার এবং ধারার পরিণয়ে প্রণয়ের ছাপ থাকবে কি না। নাকি কেবল প্রহেলিকা হয়েই থেকে যাবে এই বিয়েটুকু। ধারার কিশোরী মনটি যে এখনো অবুঝ। অনলের উত্তরটি ধারাকে শান্ত করার বদলে আরোও অস্থির করে তুললো। ভেতরের জমায়িত অভিমানগুলো ক্রোধের রুপ নিলো। চুপ করে সহ্য করা সম্ভব হলো না। বিদ্রোহ করে উঠলো কিশোরী ধারা। অভিমানী স্বরে বললো,
“কাল কেনো! আমার আজ ই বিহিত চাই। নানাভাই এর সামনে তো খুব বলছিলে আমার মতো স্টু’পি’ড মেয়ের জন্য জীবন জ্বলাঞ্জলি দিতে পারবে না। সেই সিদ্ধান্তের কি হলো! নাকি বিয়ের পর মত বদলে নিয়েছো? এক দিনেই মন বদলে গেলো নাকি। আমি এই বিয়ে মানি না, পারবো না আমি এই অযাচিত সম্পর্ক বয়ে নিতে। অনল ভাই আমার ও ইচ্ছে আছে, পছন্দ আছে। নানাভাই বৃদ্ধ মানুষ সে না হয় বুঝে নি। কিন্তু তুমি! তুমি কি করে পারলে? আমার জীবনটাকে নিয়ে জু’য়াখে’লা খেলতে একবারও বিবেকে বাধলো না। তুমি নাকি অতিশিক্ষিত মানুষ! তোমার মতো বিচক্ষণ মানুষ আর হয় না! কি হলো সে সবের? কেনো এমনটা করলে তুমি! নাকি আমার সাথে শোধ তুলতে করলে এমনটা! তোমাকে বিরক্ত করার শোধ! আমি উত্তর চাই অনল ভাই! উত্তর দেও। এখন দিবে, আজ ই দিবে”

অনল এতোসময় হাতমুষ্টিবদ্ধ করে শুনছিলো। চোয়াল শক্ত হয়ে এলো তার। সারাদিনের ধকলে শরীর এবং মন উভয় ই ক্লান্ত। তার মাঝে এই তীক্ষ্ণ প্রশ্নগুলো যেনো শান্ত মস্তিষ্কে আগুন ধরিয়ে দিলো। শান্ত অনল অগ্নিমূর্তি ধারণ করলো। পেছনে ঘুরেই ঝুকে দাঁড়ালো ধারার দিকে। ধারার চোখে চোখ রাখলো। অনলের এমন কাজে খানিকটা ভড়কালো ধারা। ঈষৎ কেঁপে উঠলো সে। অনলের জ্বলন্ত চোখজোড়ার তাকাতেই গলাটা শুকিয়ে গেলো ধারার। কিন্তু সেদিকে অনলের ভ্রুক্ষেপ হলো না। তীক্ষ্ণ স্বরে বললো,
“তোর কি মনে হয়, আমি তোকে ভালোবাসি? আমার বুকের মধ্যখানে তোর জন্য অনুভূতিরা জোয়ার আনে? আমার বদ্ধ মস্তিষ্কে তোর নামের সুপ্ত আবেগ আছে! যা প্রতিনিয়ত আমি লালন করি পরম যত্নে! আত্মজেদি, দাম্ভিক মানুষের মাঝে যে র’ক্ত’মাং’সের হৃদযন্ত্রটা তা তোর জন্য স্পন্দিত হয় প্রতিক্ষণ। স্পন্দনগুলো বেসামাল হয়ে যায় তোর জন্য! তোর তাই মনে হয়?”

ধারা বিমূঢ় দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে অনলের দৃষ্টির দিকে। শান্ত দিঘীর মতো চোখজোড়া জ্বলছে, ছাই ছাপা আগুনের মাঝে জ্বলন্ত সেই কয়লাটির মতো জ্বলছে। ধারা উত্তর দিলো না। তবে এক তীক্ষ্ণ হাহাকার করে উঠলো ভেতরটা। অনল সোজা হয়ে দাঁড়ালো। ক্রোধ সংবরন করলো বড় বড় শ্বাস ছেড়ে। তারপর শীতল কন্ঠে বললো,
“তোর যেমন হাতপা বাঁধা, আমারো। দাদাজানের শরীর খারাপ। সে অসুস্থতাকে ঢাল বানিয়েছে। আর সত্যি বলতে তোকে সে মাত্রাতিরিক্ত ভালোবাসে। আমি চাই না, তোর জন্য অযথা চিন্তা করতে করতে সে অসুস্থ হোক। আমি চাই না, বেলাশেষে একজন ব্যর্থ নাতীর ট্যাগ মাথায় নিতে। তার কিছু হলে নিজের কাছে অপরাধী হয়ে যাবো। আর বাকি রইলো এই বিয়ে। আমি আমার সর্বস্ব দিবো, যেনো তোর কোনো অসুবিধা না হয়। আমার পক্ষ থেকে কখনোই কোনো অসুবিধা হবে না। তুই আমার স্পেস এ প্রবেশ করবি না। আমিও তোর স্পেসে যাবো না। এতোকাল যেমন ছিলাম সেভাবেই থাকবো। এই সম্পর্কটার শেষ বাক্য বলার অধিকার শুধু তোর। কথা দিলাম”

ধারাকে কোনো উত্তর দেবার সুযোগটি দিলো না অনল। হনহন করে বেড়িয়ে গেলো সে। নীরব আঁধারে বসে রইলো ধারা। ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে উঠলো পরিবেশ। নিবিড় নিস্তব্ধতা বিরাজ করলো ঘরটিতে। ধারা উঠে দাঁড়ালো জানালার কাছে। আকাশ দেখা যাচ্ছে। আজ চাঁদটাও গা ঢাকা দিয়েছে বিক্ষিপ্ত কালো মেঘের আড়ালে। এক হাহাকার বিদ্ধমান। হাহাকারটি কি তার হৃদয়ে নাকি প্রকৃতিতে জানা নেই। তবে চোখ গুলো শান্ত রইলো না। বিষাদসিন্ধু উপচে উঠলো। অনলের কথাগুলো অবিবেচকের মতো ন্যায়। তবুও কেনো যেনো অশান্ত হয়ে উঠলো নিবৃত্ত চিত্ত। মানুষটি সত্যি প্রহেলিকা, যাকে বোঝাই দায় হয়ে উঠেছে তার সাথে সারাটিজীবন কি করে পার করবে ধারা, জানা নেই। কিছুই জানা নেই_______

পরদিন ধারার ফোলা চোখমুখের জন্য হাজারো প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলো সুভাসিনী বেগমের কাছে। কিন্তু কোনো উত্তর দিতে পারলো না। চুপ করে খাবার টেবিলে বসলো সে। সেখানে অনলের মুখোমুখি হলো। তারও মুখশ্রীতে বিষন্নতার ছাপ পেলো, নির্ঘুম রক্তিম চোখ জোড়া নামিয়ে রাখলো সে। অপরদিকে জামাল সাহেবকে দেখা গেলো অতিপ্রসন্ন। কে বলবে তার চার দিন আগে হার্ট এট্যাক হয়েছিলো। তিনি দিব্যি রুটিতে ভাজি পুরে খাচ্ছেন৷ অবশ্য চিন্তা না থাকলে সবাই ই সুস্থ থাকে। এই দুশ্চিন্তাই সকল রোগের উৎস। নাস্তার টেবিলে সকলে বসলে অনল থমথমে গলায় বলে উঠে,
“আমাদের আজ ঢাকা যেতে হবে। তোমরা জানো আমার নতুন চাকরি। আগামীকাল জয়েন না হলে বিপদ হবে। এই বিয়ের অজুহাতে অহেতুক এক সপ্তাহ পিছিয়েছি। উপরন্তু ধারার ও ক্লাস আছে। এভাবে অফ দিলে ফেল মারবে নিশ্চিত। তাই বিয়ের যেহেতু সব অনুষ্ঠান শেষ তাই আমাদের ঢাকা যাওয়া উচিত”
“বৌভাত ছাড়া বিয়ে হয়? আফিয়ার পরশু বৌভাত। আর তোদেরটাও তাও বাকি”

সুভাসিনী বেগমের কথা শেষ না হতেই অনল বাধ সাধলো। হিনহিনে স্বরে বলে উঠলো,
“আর কতো? ফাজলামির লিমিট থাকা উচিত। দাদাজানের অসুস্থতার কথা ভেবে বিয়ে করেছি বলে তোমরা আমাদের নিয়ে সার্কাস শুরু করবে সেটা তো মানতে পারবো না। প্লিজ এবার রেহাই চাই। এবার ক্ষান্ত হও। প্লিজ। হাত জোর করছি”

অনল কথাটা বলেই হনহন করে ভেতরে চলে যায়। নাস্তার টেবিলে এক অস্থির নীরবতা নেমে আসে। জামাল সাহেব অপরাধী নজরে তাকিয়ে থাকেন নাতোর যাবার পানে। জিদ দেখিয়ে কি ভুল করে ফেললেন! প্রশ্ন উঁকি দিতেই জেদী অন্তরাত্না প্রতিবাদ করলো। যা করেছেন নাতী-নাতনীর খুশির জন্য করেছেন, ওরা এখন না বুঝলেও একদিন ঠিক বুঝবে। অপরদিকে ধারা চিন্তিত হয়ে উঠলো। চিন্তার কারণ ভার্সিটি, বিয়ে খেতে এসে নিজের বিয়ে হয়ে যাবার মতো নাটকীয় ঘটনাটি প্রকাশ পেলে বন্ধুমহলে নিউজ হয়ে যাবে সে। বিশেষ শিরোনাম হবার ভয়টা তাকে প্রচন্ডভাবে নাড়িয়ে দিলো। আরোও একটি ভয় ও মাথাচড়া দিয়ে উঠলো। সাথে সাথে প্রচন্ড তিতকুটে একটা যন্ত্রণা অনুভূত হলো। যন্ত্রণাটির নাম জানা নেই ধারার_______

ভার্সিটির কৃষ্ণচূড়া গাছটা নুয়ে পড়েছে। স্বর্ণালী সকাল, লাল কৃষ্ণচূড়া, নীল অম্বর, মৃদু বাতাস— এ যেনো কবির লেখা কোনো কবিতার পটভূমি। এতো সৌন্দর্যের মাঝেও এক মনরাখাপ বিরাজমান। বিষন্নতা যেনো সৌন্দর্যকে আরোও ভয়ানক সুন্দর করে তোলে। কিন্তু ধারা উপেক্ষা করলো এই সৌন্দর্য্য। ব্যাগটা শক্ত করে ধরে এলোমেলো পায়ে সে হাটছে ক্লাসের দিকে। ঘুমহীন আরোও একটি রাত কাটলো, তাও আবার অনলের ঘরে। যে ঘরটিকে বা’ঘে’র ডেরা মতো মনে হতো সেই ঘরে ঘুম না আসাটাই স্বাভাবিক৷ আরোও একবার নানাভাই এর জন্য ধারাকে অনলের ঘরেই যেতে হলো। একই বিছানায় থেকেও যেনো তাদের মাঝে ছিলো ক্রোশের মতো দূরত্ব। ঘুমহীন রাতটি শেষ হলেই যেনো বাঁচে সে। পূব আকাশে রক্তিম সূর্যটি নিজের অস্তিত্বের জানান দিতেই উঠে পড়লো ধারা। তারপর নিজ ঘরে প্রস্থান করলো। ঘুমন্ত অনল টের পেলো কি না কে জানে। তারপর নয়টা বাজতেই চলে এলো ভার্সিটিতে। নানাভাই এর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে চায় না সে। ক্লাসে আসতেই মাহির দেখা মিললো। ধারার ভালো বান্ধবী বিধায় দুজনের মাঝে বেশ সখ্যতাও আছে। মাহি হুট করে প্রশ্ন ছুড়লো,
“কি রে বিয়ের কি অবস্থা?”

প্রশ্নটি শুনেই বেশ চমকে উঠলো ধারা। ওরা কি জেনে গেছে! মাহি তখন বললো,
“আরে আফিয়া আপুর বিয়ে”

ধারা যেনো হাফ ছাড়লো। ছোট একটা “হু” বলেই বসলো বেঞ্চে। ধারার বিষন্নতা ভাবালো খুব মাহিকে। কিন্তু সে ঘাটালো না। উল্টো বললো,
“আজ আমাদের নতুন স্যার আসবে। আবদুল্লাহ স্যার তো কানাডা চলে গেলেন। উনার হাফ কোর্স নতুন লেকচারার পূরণ করবে। মেয়েরা বলছিলো না কি বেশ সুদর্শন। তুই দেখেছিস?”

মাহির কথাগুলো যেনো বাস্পের মতো উড়ে যাচ্ছে। ধারার সেদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সে নিজের বিবাহবিভ্রাটের সত্যতা নিয়েই চিন্তিত৷ এর মাঝেই দশটা বাজলো। আজকের দিনের মতো ক্লাস শুরু হলো। নতুন স্যারের আগমন ঘটলো। নতুন স্যার প্রসন্ন চিত্তে বললেন,
“গুড মর্নিং”

কিন্তু গুড মর্নিংটি ধারার চিন্তার জোয়ারে আঘাত হানলো। বাস্তবে ফিরতেই দারুণ বিস্ময় তাকে ঘিরে ধরলো। যথারীতি তার মাথায় বজ্রপাত হলো। বিস্ফোরিত চোখে তাকিয়ে থাকলো সামনের মানুষটির দিকে। অস্পষ্ট স্বরে মুখ থেকে অজান্তেই বের হলো,
“অনল ভাই”…….

চলবে

মুশফিকা রহমান মৈথি

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ