Friday, June 5, 2026







প্রজাপতির রং পর্ব-২০

#প্রজাপতির_রং🦋
#Part_20
#Writer_NOVA

পূর্ব দিগন্তে রক্তিম আভা দেখা যাচ্ছে। কিছু সময় পর সূর্য তার রশ্মি ভুবনে ছড়িয়ে দিবে।অন্ধকার তখন লেজ গুটিয়ে পালাবে।চাইলেও সে তার অস্বস্তি গেড়ে বসে থাকতে পারবে না।সূর্যের আলোক রশ্মির কাছে তাকে হার মেনে নিতে হবে। সবকিছুর কত সুন্দর একটা নিজস্ব নিয়ম আছে। চাইলেও কেউ তার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম করতে পারবে না।

বারান্দায় নাভানকে কোলে নিয়ে পূর্ব দিগন্তে তাকিয়ে আছি। ডিমের কুসুমের মতো সূর্যটাকে ইচ্ছে করছে চিমটি দিয়ে ফাটিয়ে ফেলতে।নিজের এই অদ্ভুত ইচ্ছের কথা ভেবে নিজেই একদফা হাসলাম।নাভান গলা জড়িয়ে কাঁধে মাথা দিয়ে রেখেছে। চুপচাপ আছে। যেকোনো সময় আবার ঘুমিয়ে যেতে পারে। চোখ দুটোও আজকাল বৈঈমান হয়ে গেছে। পানি পরতে চায় না। এর মধ্যে এক সপ্তাহ কেটে গেছে। তাজের সাথে আমার আর কোন কথা হয়নি।হবে কি করে? ও নাকি ব্যবসায়ের কাজে ইংল্যান্ডে গেছে। আমি ভেবেছিলাম চাকরিটা আর করবো না। তাই পরেরদিন চাকরী ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম।কিন্তু জয়েনিং লেটারের শেষ একটা লাইন দেখে ভীষণ রাগ উঠে গিয়েছিল। সেখানে স্পষ্ট লেখা ছিলো আমি জয়েন করার পর তিন মাসের মধ্যে চাকরীটা ছাড়তে পারবো না। আমি প্রথমে এই লেখাটা খেয়াল করিনি। নিজের চুল নিজেরী ছিঁড়তে ইচ্ছে করছিলো তখন।মোবাইলের রিংটোনে হুশ ফিরলো। নাভানও ততক্ষণে মাথা তুলে ফেলেছে। আজ আমার কোন শো নেই। নাভানকে কোলে নিয়ে মোবাইলটা নিয়ে আবার বারান্দায় ফিরে এলাম।মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি স্ক্রিনে আমার ছোট বোন ইভার নাম।কপাল কুঁচকে গেলো।বাসার কারো কোন ক্ষতি হয়নি তো আবার।দুরুদুরু বুকে কলটা রিসিভ করলাম।

ইভাঃ হ্যালো বোইনে।কেমন আছো?

আমিঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।তোরা সবাই কেমন আছিস? বাসার সবকিছু ঠিক আছে তো?এত সকালে কল করলি যে।

ইভাঃ আলহামদুলিল্লাহ সবাই ঠিক আছে। এমনি তোমার সাথে কথা বলতে মন চাইলো তাই কল করলাম।

আমিঃ আমার সাথে কারো আবার কথা বলতেও মন চায়।(তাচ্ছিল্যের সুরে)

ইভাঃ এভাবে বলতাছো কেন?

আমিঃ তাহলে কিভাবে বলবো?

ইভাঃ নাভান কই? ওর কাছে একটু দেও না আমি কথা বলি। ও কেমন আছে?অনেক বড় হয়ে গেছে তাই না।

আমিঃ আমার কোলেই আছে।(নাভানের দিকে তাকিয়ে) নাভান, মণির সাথে কথা বলবে?তোমার মণি তোমার সাথে কথা বলছে বলবে।

নাভানঃ না।

আমিঃ একটু কথা বলো।

নাভানঃ না কতা(কথা) বলুম না।

ইভাঃ ওর কাছে দেও না।

আমিঃ ও কথা বলবে না। ঘুম হয় নাই তাই মনমর্জি করছে।মন ভালো থাকলে বলতো।

ইভাঃ ওহ্।

আমিঃ মন খারাপ করিস না।বিকালে আমি কল দিয়ে ওর সাথে কথা বলিয়ে দিবোনি।আব্বু-আম্মু কেমন আছে রে?

ইভাঃ তোমার জন্য আম্মু অনেক কান্না করে বোইনে।তুমি একবার নাভানকে নিয়ে আইসো প্লিজ। ওরে অনেক দেখতে ইচ্ছে করছে। আমি ভিডিও কল দেই।

আমিঃ কারেন্ট নেই। যার কারণে ওয়াইফাই নেই। আমি এক্সট্রা এমবি ভরি না।তাই সরি রে বোন।

ইভাঃ এর মধ্যে একবার আসো না। তুমি আসলে আম্মু-আব্বুর মনও ভালো হয়ে যাবে।নাভানরে দেখলে সবকিছু ভুলে যাবে।প্রায় তোমার আর নাভানের খবর তায়াং ভাইয়ার থেকে নেয়।আমার তো সেমিস্টার চলছে।নিশ্বাস নেওয়ার সময় পাই না।যার কারণে মোবাইল ধরা হয় না।কিন্তু তোমারে অনেক মিস করি বোইনে।তুমি আসো না প্লিজ!!!

আমিঃ তুই তো আসতে মানা করলি।আসবো কি করে?(দুষ্টমীর সুরে)

ইভাঃ তুমি মজা করতাছো😤।কবে আসবা বলো জলদী।আমাদের তো ভুলেই গেছো।তাই এখন আর খোঁজ খবর নেও না।তুমি অনেক বদলে গেছো বোইনে।আমার কথাও মনে করো না। আব্বু না হয় রাগ করে বলছে যে তোমার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। তাই বলে কি তুমি তা ধরে বসে থাকবা।আব্বু-আম্মু তো কতকিছুই বলে।তা মনে কইরা কি তাদের ওপর রাগ করে থাকাটা কি ঠিক?

আমিঃ তুই অনেক বড় হয়ে গেছিস ইভা।বড় বোনকে ঠিক, ভুল শিখাচ্ছিস।পরীক্ষা শেষ হলে সময় করে একদিন আমার কাছে আসে কয়েকদিন বেড়িয়ে যাস।তোর জন্য আমার বাসার দরজা সবসময় খোলা।

ইভাঃ কথা পাল্টে ফেললা।

আমিঃ আমার কারো ওপর রাগ নেই রে পুচকি।আমি শুধু নিজের ওপর রাগ করি।আম্মু,আব্বু কি করে?

ইভাঃ আব্বু এখনো ফজরের নামাজ পরে বাসায় আসে নাই।আম্মু নামাজ পরে একটু শুইছে।

হঠাৎ করে দুজনের মধ্যে একটা পিনপিনে নীরবতা বয়ে গেলো।আমি একটা দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে আকাশের দিকে তাকালাম।সব অন্ধকার পারি দিয়ে আলোকিত হচ্ছে পৃথিবী।আচ্ছা, আমার জীবনের অন্ধকার যদি এভাবেই নিঃশেষ হয়ে যেতো তাহলে কি খুব বেশি অপরাধ হয়ে যেতো।অপরপাশ থেকে ইভার ফোঁপানোর আওয়াজ আসছে।নিশ্চয়ই পাগলীটা কাঁদছে। একটু বেশি ভালোবাসে আমায়।

আমিঃ তুই কেন আমার এতো ভালোবাসিস বলতো? আমি তো এগুলোর যোগ্য নই।

অপরপাশ থেকে ইভার কোন আওয়াজ আসলো না।ও এখনো নাক টেনে কাঁদছে। ওর কান্নার শব্দ আমার হৃৎপিণ্ডটাকে ক্ষত-বিক্ষত করে দিলেও আমি ঠায় দাঁড়িয়ে আছি। মনের প্রভাব নাকি মুখ দেখলে বোঝা যায়। কিন্তু কেউ এখন আমার মুখ দেখলে কিছুতেই মনের অবস্থা ঠাওর করতে পারবে না। নাভান হয়তো ঘুমিয়ে পরেছে। কারণ ওর হাতের বাঁধন আলগা হয়ে গেছে। ইভার সাথে আরো কিছু টুকটাক কথা বলে রেখে দিলাম।নাভানকে রুমে এসে শুইয়ে দিলাম। কি নিষ্পাপ মুখটা।এর দিকে তাকিয়ে সারাজীবন পাড় করতে পারবো আমি।আর কাউকে প্রয়োজন নেই আমার।কপালে আলতো করে ঠোঁট ছুঁয়ে, মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম।বেড থেকে উঠে রওনা দিলাম কিচেনের দিকে। সকালের রান্না চড়াতে হবে তো।

🦋🦋🦋

ব্যস্ত শহরের ব্যস্ত মানুষগুলো ছুটে যাচ্ছে তাদের কাজের পানে।কারো দিকে নজর দেওয়ার সময় কারো নেই। যে যার যার মতো নিজস্ব গতিতে ছুটছে।এই ব্যস্ত শহরে দেখা মিলে হাজার রকমের মানুষের। কারো সাথে হয়তোবা ঘুরো ফিরে দেখা হয়।কারো সাথে দেখা হয় না।তারপরেও ছুটে চলার গতিতে কত রকম মানুষের দেখা যে মিলে তা গুণে শেষ করা যাবে না।চারিদিকে কত ঝামেলা,কোলহল,বিরক্তিকর সবকিছু।কখনও কখনও এই কোলহলে বিরক্ত হয়ে যায় মানুষ। তারপরেও কেউ থেমে থাকে না।

দোতলা বিশিষ্ট এক ডুপ্লেক্স বাড়িতে একাই থাকে রোশান।তার পুরো পরিবার গ্রামে থাকে।বাসায় কয়েকজন সার্ভেন্ট ছাড়া কারো দেখা নেই। রোশানের সাথে বেশিরভাগ সময় ওর সেক্রেটারি তমালকে দেখা যায়।কতগুলো ফাইল ছড়িয়ে ছিটিয়ে তার মাঝখানে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করছে রোশান।দুপুর একটার দিকে আবার মন্ত্রীদের সাথে মিটিং আছে।ওর গ্রামের উন্নয়নের জন্য কতগুলো রাস্তা, ব্রীজের অনুমোদন লাগবে।সেগুলোই সুন্দর করে প্রেজেন্টেশন করছে।পাশে থাকা গরম কফির মগ থেকে ধোঁয়া উঠে বাতাসে মিলে যাচ্ছে। সেদিকে রোশানের খেয়াল নেই। সে এক ধ্যানে নিজের কাজে ব্যস্ত।বাইরের রাস্তায় দূর থেকে সবজিওয়ালা একঘেয়ে সুরে ডাক শোনা যাচ্ছে, “ঐ সবজি,ঐ সবজি”বলে। রিকশার টুংটাং শব্দও কানে এসে বারি খাচ্ছে। ওর বাসাটা মেইন রোডের থেকে কিছুটা দূরে হওয়ায় প্রতিদিন এসব শোনা যায়। রোশান যদিও বাইরে বেশি সময় থাকে।তবুও যেদিন বাসায় থাকে সেদিন পুরো বিরক্ত হয়ে যায়। এতো কোলাহল তার ভালো লাগে না।

তমালঃ বস, ডেকেছিলেন?

রোশান ল্যাপটপ থেকে চোখ না সরিয়েই উত্তর দিলো।

রোশানঃ হুম।

তমালঃ কোন দরকার?

রোশানঃ দরকার ছাড়া কি তোমাকে ডাকতে পারি না?

তমালঃ না বস,তেমন কথা নয়।

রোশানঃ কফি ঠান্ডা হয়ে গেছে। নতুন করে বানিয়ে নিয়ে এসো।

তমাল চোখ,মুখ কুঁচকে ফেললো। ও স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে কফির মগ থেকে এখনো ধোঁয়া উঠছে।আর তার বস বলছে কফি ঠান্ডা হয়ে গেছে। এগুলো কি মানা যায়। তমাল কিছু সময় হাসফাস করে মৃদুস্বরে বললো।

তমালঃ বস, কফি তো এখনো ঠান্ডা হয়নি।দেখুন ধোঁয়া উঠছে।

রোশান ল্যাপটপ থেকে চোখ উঠিয়ে তমালের দিকে দৃষ্টি দিলো।রোশানের চাহনীটা শান্ত হলেও তমাল তাতে ভয় পেয়ে গেল।ছেলেটার রাগের বিষয়ে তার ভালো আইডিয়া আছে।

রোশানঃ আমি তোমাকে কিছু বলেছি।

তমালঃ জ্বি বস।

তমাল মুখ কালো করে কফির মগ নিয়ে বেরিয়ে গেলো। তমাল বের হতেই রোশান মিটমিট করে হাসতে লাগলো।মাঝে মাঝে কারণ ছাড়াই কারো সাথে রাগ দেখিয়ে ভয় পাওয়াতে ওর ভীষণ ভালো লাগে। তমাল কফির মগ দিয়ে বেশি সময় রইলো না। রোশানের মতিগতি বোঝা দুষ্কর। কখন আবার বলে বসে এটাও ঠান্ডা হয়ে গেছে নিয়ে আসতে আসতে।তাই কফির মগ রেখে দ্রুত কেটে পরলো।সেই বিষয়টা বুঝতে পেরে রোশান আরেক দফা হাসলো।তবে একটা ফোন কল এসে ওর হাসিটাকে স্থায়ী হতে দিলো না।এক হাতে ল্যাপটপে টাইপ করতে করতে আরেকহাতে কল ধরলো সে।চোখ দুটো ল্যাপটপের স্কিনে থাকায় কে কল করেছে তা আর দেখতে পেলো না।

রোশানঃ আসসালামু আলাইকুম। কে বলছেন?

—- অলাইকুমুস সালাম।কি খবর এমপি সাহেব?

রোশানঃ কে বলছেন?

—- এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন? প্রতিবার কি আমায় সবকিছু মনে করিয়ে দিতে হবে?

রোশানঃ সরি, আমি চিনতে পারছি না।

—- আমি আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী। আমাকে না চিনলেও চলবে আপনার।আপনিও তো আমার সাথে স্বার্থপরের মতো ব্যবহার করলেন।

রোশানের লোকটাকে চিনতে একটু দেরী হলেও সে অবশেষে চিনতে পারলো।এটাই তো সে লোক যে রোশানকে বলেছিলো তায়াং কে মেরে ফেলতে।এতদিন কাজের চাপে সে এই বিষয়গুলো মাথা থেকে পুরো দমে ঝেড়ে ফেলেছিলো।কিন্তু এখন কি করবে?

রোশানঃ চিনতে পেরেছি।কি বলবেন বলুন?

—— আপনাকে একটা কাজ দিয়েছিলাম।কিন্তু আপনি তা করেন নি।এর জন্য আপনার কি জরিমানা করতে পারি বলুন তো?

রোশানঃ আমি কাজটা করতে পারবো না। যে আমার কোন ক্ষতি করেনি তার কোন ক্ষতি আমি করবো না। আপনি আমার যতবড় উপকার কিংবা সর্বনাশই করুন।এর বিনিময়ে আপনি যত টাকা জরিমানা চান তা নিতে পারেন।

রোশানের কথা শুনে অপরপাশের মানুষটা হো হো করে হেসে উঠলো। এমন একটা পরিস্থিতি যেনো রোশান কত মজার এক জোকস বলেছে।তার হাসির কারণে রোশান কিঞ্চিত চটে গেল রোশান। তবে তা প্রকাশ করলো না।

রোশানঃ আশ্চর্য, হাসছেন কেন!!! আপনাকে জরিমানা কত দিতে হবে বলুন।আমি পাঠিয়ে দিবো।

—- টাকা দিয়ে আমায় কিনতে চাইছেন।আমাকে কেনার মতো টাকা আপনার নেই এমপি সাহেব। বরং আমি আপনার মতো হাজারটা রোশান দেওয়ানকে কিনে আবার বিক্রি করে দিতে পারবো।

রোশানঃ তাহলে আপনি কি চান?

—- জরিমানা হিসেবে আপনার পাখি ও পাখির বাচ্চাকেই না হয় দিয়ে দিন আমাকে।আমি এদের খাঁচায় বন্দী করে রাখবো।

রোশানের পিলে চমকে উঠলো। কি বলে লোকটা? জরিমানা হিসেবে নোভা আর নাভানকে কেন চাইছে? সে যে তার দূর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে। সেটা বুঝতে পেরে কি রোশান চুপ করে থাকবে।নাকি প্রতিবাদ করবে?তাও বুঝতে পারছে না।

রোশানঃ ওদের দিকে নজর দিবেন না।আপনার টাকা লাগলে বলুন আমি পাঠিয়ে দিচ্ছি।

—- ওদের থেকে নজর আমার বহু আগের থেকে এমপি সাহেব। কথায় কথায় টাকার পাওয়ার দেখাবেন না আমায়।আপনি তো তায়াং-এর কোন ক্ষতি করবেন না।তাহলে আমার আর কি করার। আপনার পাখি আর পাখির বাচ্চাকেই শেষ করে দেই বরং।এরা দুজন শেষ হলেই সব ভেজাল শেষ। তৈরি হয়ে থেকেন তাদের লাশ হাতে পাওয়ার জন্য। আমি যেভাবে গুটি সাজিয়েছি তাতে সবাইকে ধরা দিতেই হবে।আর আমি আড়ালে বসে ছক্কা মারবো।আল্লাহ হাফেজ এমপি সাহেব। আপনাকে খবরগুলো জানানোর ছিলো তাই কল করেছিলাম।আর কোন দরকার নেই আমার।আপনি যদি তায়াং কে মেরে ফেলতেন তাহলে ওদের কোন সমস্যাই হতো না। কিন্তু আপনি তো তা করবেন না।তাই বাকি ব্যবস্থা আমিই করি। কি বলেন এমপি সাহেব?

রোশানঃ আপনি এমনটা………….. হ্যালো, হ্যালো। কলটা কেটে দিলো।

কল ব্যাক করেও লাভ হলো না। ততক্ষণে সিম বন্ধ করে ফেলেছে। বারবার অপরপাশ থেকে সুরেলা কন্ঠেট মহিলাটা বলে যাচ্ছে “এই মুহুর্তে সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। একটু পর আবার ডায়েল করুন।” রোশান রাগে নিজের চুল মুঠ করে ধরে মোবাইলটাকে ফ্লোরে আছাড় মেরে কয়েক টুকরো করে ফেললো।তারপরেও রাগ কমেনি তার।এখন যদি ঐ লোকটাকে হাতের সামনে পেতো তাহলে খুন করে জেলে যেতেও ওর কোন সমস্যা নেই। ওর পাখির দিকে নজর দিয়েছে।এত সহজে কি সে ছেড়ে দিবে?মোটেও না।চোখ তুলে মার্বেল খেলবে সে।তবে এর জন্য তো ঐ লোকটাকে খুঁজে বের করতে হবে তার।
কিন্তু কিভাবে????

#চলবে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ