Friday, June 5, 2026







নিমাইদা পর্ব : ৬

নিমাইদা পর্ব : ৬ গল্পবিলাসী – নিশি সীমান্ত এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ঋতুর দিকে। চুলগুলোতে হাত দিয়ে আলতো স্পর্শ করে দিচ্ছে। চোখ বন্ধ করে স্পর্শ উপভোগ ঋতু। -‘ঋতু?’ -‘ হুম।’ -‘ ঘুম পেয়েছে?’ -‘ নাহ। মাথা ব্যাথা করছে। ‘ ঋতুকে শুইয়ে দিয়ে -‘ ঘুমানোর চেষ্টা করো দেখো সব ঠিক হয়ে গেছে।’ ঋতুর কপালে চুমু খেয়ে জড়িয়ে ধরে ঋতুকে। অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই ঘুমিয়ে পরে ঋতু।খুব সাবধানে ঋতুকে ছেড়ে মোবাইলটা হাতে বেলকনিতে যায়।ইচ্ছে করছে মায়াকে মেরে মেরে ঋতুর কষ্টটা ওকে উপভোগ করাই। কিন্তু সম্ভব নয়। সীমান্ত অবাক হচ্ছে এই এতোটুকু একটা মেয়ে যে কিনা সংসার জিনিসটা সম্পর্কে এখনো ভালোভাবে বুঝতে শেখেনি সেও তার সোনার সংসার আগলে রেখেছে। চোখে ভাসছে ঋতুকে আপন করে পাওয়ার মূহুর্তটা।কতোটা পাওয়া ছিলো তার।লজ্জাবতী বউ তার। যেদিন ঋতুকে প্রথম দেখি সেদিন থেকেই ওকে ফলো করি।ওর বাসা কোথায়? কোথায় কি করছে সব। কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন দুপুরবেলা -‘শোনো ছেলে বড় হয়েছে। অফিসেও জয়েন করেছে। আমি আর একা কতোদিক সামলাবো বলো? তারচেয়ে ভালো সীমান্তকে একটা বিয়ে করিয়ে দাও। সঙী হবে আমার। ‘
-‘হুম। আমিও তাই ভাবছি। কিন্তু এখনকার মেয়েরা যে আপডেট ভাবছি কেমন মেয়ে না এসে কপালে জুটে আমাদের।’ -‘ আরে এতো টেনশন করার কি আছে? আমাদের হামিদ ভাইয়ের মেয়ে আছেনা? মায়া? দেখতে তো মাশাল্লাহ। আর আচার আচরণ ও কি অমায়িক। আমাদের সীমান্তের সাথেও মানাবে বেশ।’ আয়শা রেহমানের কথা শুনে, -‘ আত্নীয়তার ভিতরে আত্নীয়তাটা খুব একটা ভালো নয় বুঝলে? পুরোনো সম্পর্ক ছুটে যায়।’ -‘আরে সেটাতো আমাদের উপর নির্ভরশীল।আমরা ঠিক তো সব ঠিক।’ -‘ তারপরও। সীমান্তের নিজের ওতো একটা মতামত আছে।ওর পছন্দ কিনা সেটাওতো জানতে হবে। ওর পছন্দের কেউ আছে কিনা সেটাওতো জানতে হবে। শুধু তারাতাড়ি করলে তো হবেনা।’ -‘ আমার ছেলেরটা আমি জানিনা? কই আমাকেতো কখনো বলেনি সীমান্ত।’ -‘ সব কথাই যে বলবে সেটাতো কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নাই। সীমান্তের ব্যক্তিগত বলতে কিছু থাকতে পারে।’ -‘ আচ্ছা আমি আজকে জিজ্ঞাসা করবো। সীমান্ত ঘুম থেকে উঠলেই আমি জিজ্ঞাসা করবো।’ বাবা মায়ের পুরোকথাই সোফায় শুয়ে শুনছিলো সীমান্ত। বিয়ে নামক পবিত্র সম্পর্কটা নিয়ে ভাবতে চাইলেই ঋতুর লজ্জামাখা মুখটা ভেসে উঠলো। ঘুমিয়ে থাকলেও মায়ের কথার শব্দ শুনে ঘুমটা ভেঙে গিয়েছিলো। আর তখনি শুনতে পেলো তাদের কথা বার্তা। তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেয়ে নিলো। নিজ থেকে টপিকটা উঠায়নি সীমান্ত। রুমে বসে লেপটপে অফিসের ইমেইল চেক করছিলাম। -‘ কিরে কি করছিস? এই ছুটির দিনেও অফিসের কাজ নিয়ে পরে আছিস? ‘ -‘না। মা ঐ ইমেইল গুলো চেক করছিলাম। বসোনা।’ মা বসতে বসতে -‘এখন কি বের হবি?’ -‘ না। এখন আর বের হবোনা। কেনো কিছু লাগবে? ‘ -‘নাহ লাগবেনা। একটু কথা ছিলো।’ -‘ ও কিছু বলবে? বলো।’ -‘ মায়াকে তোর কেমন লাগে?’ -‘ ভালো। হঠাৎ?’ -‘ না বলছিলাম যে আর কতো এভাবে একা থাকবি বিয়ে করার সময়তো চলছে।’ -‘ মা আমি মায়াকে শুধুমাত্র বোন হিসেবেই দেখেছি এর উপর কিছু ভাবা আমার পক্ষে সম্ভব না। আর আত্নীয়তার মধ্যে তো না ই।’ -‘ তো অন্যকোথাও দেখি। নাকি তোর কোনো পছন্দের কেউ আছে?’ -‘ হ্যা। আছে। আমি শুধু পছন্দ না ওকেই বিয়ে করবো।’ ছেলের কথা শুনে অবাক হয়ে -কই কখনো বললি না তো।’
-‘ একসপ্তাহ হলো ওকে আমি দেখেছি। ওর সম্পর্কে জানাও শেষ। ওর বাবা আর চাচারা মিলে একটা ব্যবসা করছেন। সবাই একই বিল্ডিংয়ে থাকেন। বেশ তো তাহলে আমরা যাই গিয়ে দেখে আসি। না। কোনো দেখে আসা নাই। দেখতে গিয়েই বিয়ে হবে। ওরা যেভাবে চাইবে সব সেভাবে। ওকে আমার চাই ই চাই। কারন ঋতুকে আমি কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চাইনা। মোহাম্মদপুর বাসা। আট নং গলি। এগারো নাম্বার বাসার তিনতলার ডি ইউনিটে থাকে। ও একা। ওর কোনো ভাইবোন নাই।’ ছেলের বলা সব কথা যখন রফিক রেহমানকে বললেন সব শুনে তিনি বলে উঠলেন -‘ দেখলে বলেছিলাম না তোমাকে। আগে জিজ্ঞাসা করো। তাহলে আমরা যাই গিয়ে বিয়েটা সম্পন্ন করে দিয়ে আসি কি বলো। শুভ কাজে দেরি করতে নাই।’ -‘ তুমিও কি ছেলের কথায় তাল মিলাচ্ছো? ‘ -‘আরে মিলাবো না? আমরা আজ আছি কাল নেই। ছেলের সংসার তো ছেলের পছন্দেই সাজাবে। ‘ বাবার কথানুযায়ী পরেরদিন ঋতুদের বাড়ির উদ্দ্যেশে বেড়িয়ে পরলাম। ঋতুদের বাসায় যখন পৌঁছালাম ঋতু তখন ভার্সিটিতে। তখনো ফিরেনি। কিছুক্ষন অপেক্ষার পরই ঋতু এলো। ততোক্ষনে বাবা আর মা ঋতুর বাবা মা আর চাচাদের সাথে কথা বলে নিয়েছেন। ওনাদের ও এক কথা। মেয়ের পছন্দ হলে তারপরই কথা হবে। ক্লাস শেষ করে মাত্রই বাসায় এলো ঋতু।ড্রইংরুমে সিঙ্গেল সোফায় সীমান্তকে বসে থাকা দেখে চমকে উঠলো। সীমান্ত তাকাতেই পর্দার আড়ালে চলে গেলো। মাকে ডেকে এনে -‘ আরে মা এরা এখানে কেনো?’ -‘ তুই কি চিনিস ওনাদের?’ -‘ ঐ ভদ্রলোককে নির্মলদা ভেবে নিয়েছিলাম।’ -‘ আচ্ছা তুই রুমে যা আমি আসছি।’ ঋতু পা বাড়িয়ে মায়ের কথানুযায়ী রুমে চলে এলো।কিছুক্ষন পরেই মেয়ের পছন্দের কফি হাতে নিয়ে রুমে এলেন ফাতেমা। কফি হাতে নিয়ে, -‘ মা বললে নাতো ওনারা কি বাবার কাছে এসেছেন?’ -‘ হ্যা। তোকে দেখতে এসেছে।’ কফিটা মাত্রই মুখে দিচ্ছিলো ঋতু।মায়ের কথা শুনে নাকেমুখে উঠে গেলো। -‘ কি বলছো এসব? ‘ -‘হ্যা ঠিকই বলছি। ওনাদের ছেলের নাকি তোকে পছন্দ হয়েছে। তাই বাসায় এসেছে। ফ্যামিলি স্ট্যাটাস ও ভালো। আর ছেলেটাও ভালোই। বাবার ব্যবস্থ দেখাশোনা করছে। তোর কি কাউকে পছন্দ আছে?’ লজ্জা পেয়ে -কি যে বলোনা মা।’ -‘ আচ্ছা তাহলে এই শাড়িটা পরে রেডি হয়ে নে। আমি তোর ছোট চাচ্চিকে পাঠাচ্ছি।’ -‘ আচ্ছা পাঠাও।’ ছোট চাচী এসে সুন্দর ভাবেদ শাড়িটা পরিয়ে দিলেন। জীবনের প্রথম কারো সামনে নিজেকে এভাবে তুলে ধরা। ভয়ে বুক দুরুদুরু করছিলো। হাত পা কাঁপছে। রফিক রেহমান কিছু প্রশ্ন করলেন ঋতুও যথার্থ উত্তর দিয়েছে। রফিক রেহমানের পছন্দ হলেও আয়শা রেহমানের পছন্দ হয়নি তার মুখ দেখেই আন্দাজ করেছিলো সীমান্ত। কারন ঋতু দেখতে শ্যামলা বর্ণের ছিলো। তার ইচ্ছে ছিলো সুন্দর একটা টুকটুকে বউ এনে তার ছেলের সাথে বিয়ে দিবেন। কিন্তু সীমান্ত কি পছন্দ করেছে এটা? কি দেখে এতো পছন্দ হলো তার আল্লাহই ভালো জানে। কোথায় মায়া আর কোথায় এই মেয়ে। মায়ার শরীরে টোকা দিলেও তো রক্তজমে আকার দেখা যাবে কিন্ত এই মেয়ে? ছেলেকে আড়ালে ডেকে নিতে যাওয়ার আগেই সীমান্ত তাকে ডেকে পাঠালো। -‘তুই কি এই মেয়েকেই পছন্দ করেছিলি? নাকি ভূল কাউকে?’ -‘ নাহ মা আমি ওকেই পছন্দ করেছি। আমার ওকেই ভালোলাগে।ওকে দেখলে মনের মধ্যে একধরনের শান্তি বয়ে যায়। আমি ঋতুকেই বিয়ে করবো। তোমরা আক্দ এর ব্যবস্থা করো।’ ছেলের এতো আগ্রহ দেখে আর কিছু বললেন না আয়শা। ঋতুর বড় চাচ্চি ওদেরকে আলাদা ভাবে কথা বলতে পাশের রুমে পাঠালেন। ঋতুতো লজ্জায় মাথা তুলতেই পারছিলো না। একেতো ওনাকে নিমাইদা ভেবে কতোকিছু বলেছিলো আর আজ? -‘ ষড়ঋতু! প্রতিটা ঋতুতে এসে যেমন কোনো না কোনো পরিবেশকে দোলা দিয়ে যায়। যেমন গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ, বর্ষার অঝোর পানি। শরৎের কাশফুল তেমনকি তোমার মনেও কেউ দোলা দিয়েছে? নাকি এখনো সেই বসন্তের অপেক্ষায়? ‘ঋতু নিচের দিকেই তাকিয়ে ছিলো শুধু। সীমান্তের কেনো জানি মনে হচ্ছিলো ঋতুর সেই প্রথম দিনের মতোই লজ্জায় গাল দুটো ফুলে আছে। মেয়েটা কিছুতেই মাথা তুলে তাকাচ্ছেনা। আচ্ছা এই মানুষটাকে দেখলে এতো লজ্জা কেনো হয় তার? কই অন্যদের সময়তো হয়না? মনেমনে ভেবে চলছে ঋতু। ঋতুর কোনো জবাব না পেয়ে দুহাতে কাধঁ চেপে ধরে সীমান্ত। সীমান্তের স্পর্শে কেঁপে উঠে ঋতু। চোখ বন্ধ করে আছে ঋতু। ঋতু তাকাও আমার দিকে। কাপাঁ কাপাঁ চোখে যখন তাকালো কেউকি আছে? মাথা নাড়িয়ে শুধু না জানিয়ে ছুটে বেরিয়ে গেলো। সীমান্ত হেসে ফেলে। সবার মতামতে সন্ধ্যায় তাদের আক্দ হয়ে গেলো। নতুন আত্নীয়তা। আনন্দও বেশ। সবাই মিলে খাওয়া দাওয়া করে যাওয়ার আগে সীমান্ত ঋতুর রুমে গিয়ে ঋতুর জন্য অপেক্ষা করছিলো। চলবে


( প্রিয় পাঠক আপনাদের যদি আমার গল্প পরে ভালোলেগে থাকে তাহলে আরো নতুন নতুন গল্প পড়ার জন্য আমার facebook id follow করে রাখতে পারেন, কারণ আমার facebook id তে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গল্প, কবিতা Publish করা হয়।)
Facebook Id link ???
https://www.facebook.com/nishe.ratri.9809

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ