Friday, June 5, 2026







নয়নাভিরাম পর্ব-০৫

#নয়নাভিরাম (পর্ব-৫)

♡আরশিয়া জান্নাত

“আমাদের এই সুন্দর জীবনটা কেঁদে কাটানোর জন্য বা রাগ করে দুঃখে থাকার জন্য খুব ছোট। আপনার অভিমান অভিযোগ যতো দীর্ঘ হবে প্রশান্তির সময় ততোই সংকীর্ণ হবে। কি দরকার মন খারাপ করে এই সুন্দর সময়গুলো অযথাই নষ্ট করার? তাঁর চেয়ে বরং হাসিমুখে প্রতিটি দুঃখ উড়িয়ে দিন, তাঁকে পুষে রেখে মনটাকে ভারাক্রান্ত করবেন না।”

“কে আপনি? আপনাকে তো চিনলাম না? নাকি ভুল নাম্বারে ফোন করে এসব বলছেন?”

“নাহ মিস্টার আরশান আহমেদ। আমি আপনাকেই ফোন করেছি। আমাকে আপনি চিনবেন না বলতে পারেন আমি আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী! ”

“হাহ! শুভাকাঙ্ক্ষী,, ”

“জ্বি! একটা অনুরোধ করি রাখবেন?”

“শুনি আগে? ”

“অনেক রাত অবধি ভবঘুরের মতো রাস্তায় হাঁটবেন না। ঢাকা শহরে এটা খুব রিস্কি। তাছাড়া বাসায় নিশ্চয়ই আপনার পরিবার চিন্তিত থাকে! আমি বিশ্বাস করি এই পৃথিবীতে পরিবারের চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ আর কেউ হতে পারেনা। তাই অন্য কারো জন্য অন্তত মা-বাবাকে কষ্ট দেবেন না প্লিজ? জীবনটা ফের গুছিয়ে নিন। প্রফুল্ল থাকুন আর ভরসা রাখুন যা হয় ভালোর জন্য হয়। ”

তারপর ফোন কেটে গেল,,

আরশান দীর্ঘক্ষণ সেই অচেনা প্রাইভেট নাম্বারটার দিকে চেয়ে প্রতিটি কথা মনে মনে রিপিট করলো। কে এই মেয়ে যে এতো কিছু বলল? সে কি চেনা কেউ নাকি গুপ্তচর?
সেই থেকে সে মেয়েটিকে অনেক খুঁজেছে, চেনাজানা সকলের গলা মন দিয়ে শুনেছে। অনেক পুরনো ফ্রেন্ড, ক্লাসমেটদের কনট্যাক্ট করেছে। কিন্তু না কারো সাথেই মিললো না। অথচ তাঁর মনে হচ্ছিল এ কন্ঠস্বর অচেনা নয়। ভার্সিটির কেউ হবে এই কথা তাঁর মাথায় আসেনি, কারণ এখানে তাঁর পার্সোনাল নাম্বার দেওয়া হয়নি কাউকে। সেদিন যখন শপিং মলে মিমির সঙ্গে তাঁর দেখা হলো মিমির গলা শুনে তাঁর সন্দেহ হয়। কিন্তু মিমির মতো কেউ এতো গুছিয়ে কিছু বলতে পারে এ তাঁর বিশ্বাস হতে চাইলো না। তাছাড়া মেয়েটার সাথে শুরু থেকেই তাঁর ইঁদুর বিড়াল টাইপ সম্পর্ক, যতোবার দেখা হয়েছে ততোবারই ছোটখাটো এক্সিডেন্ট হয়েছে; হয় পড়ে গেছে নাহয় ব্যথা পেয়েছে। এই মেয়ে আর যাই হোক তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষী হতে পারে না,আর এসব ব্যক্তিগত কথা জানার ও কথা না,,,,
কিন্তু কথায় বলে কেউ কখনোই নিশ্চয়তা দিয়ে কিছু বলতে পারেনা,ভাগ্যের পরিহাস খুবই রহস্যজনক।
গতকাল সন্ধ্যায় ফয়েজ স্যার ফিরেছেন শুনে তাঁর বাসায় গিয়েছিল আরশান। স্যারের সঙ্গে বসে কথা বলার সময় স্যারের ফোনে কল আসে। তখন স্যারের স্ত্রী কল রিসিভ করে হাসিমুখে বললো,নাও তোমার প্রিয় ছাত্রী ফোন করেছে।
স্যারের ফোনের সাউন্ডে সমস্যা থাকার কারণে তিনি লাউডস্পিকারে রেখে কথা বলেন। গলা শুনেই আরশান চমকে উঠে। স্যারের খোঁজখবর নিয়ে কল রাখতেই তিনি প্রফুল্ল গলায় বললো,বুঝলে আরশান মিমি মেয়েটা আমার খুব প্রিয় স্টুডেন্ট। সবসময় ফোন করে খোঁজ খবর নেয়,এই যে মাদ্রাজ গেলাম তোমার আন্টির কাছে ফোন করে রোজ খবর নিয়েছে। মেয়েটা খুব দুষ্ট প্রকৃতির,কিন্তু মনটা একদম কাঁচের মতো স্বচ্ছ।
আরশান নিজেকে স্বাভাবিক করে বললো, আপনার ডিপার্টমেন্টের রুমাইসা তেহজীব মিমির কথা বলছেন?
–হ্যাঁ হ্যাঁ। বাহ এ ক’দিনে সবার নাম ও মুখস্থ করে ফেলেছ দেখছি!
–না আসলে ও বেশি দুষ্টুমি করে তো তাই আর কি,,
স্যারের স্ত্রী বললো, ওকে এই দুষ্টুমির জন্যই বেশি ভালো লাগে। শুরুতে যদিও বিরক্ত লাগতো।

বহুদিনের পাজেল সলভ হওয়ায় আরশান যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলো।
“রুমাইসা মেয়েটা শুধু দুষ্ট-ই না গোয়েন্দা ও বটে! ”

___________

আঙ্কেল আন্টিকে নিয়ে দরজায় নক করতেই আপু দরজা খুলে দিলো। আমাদের একসঙ্গে দেখে আপু যেন ভুত দেখেছে এমনভাবে চমকে গেল।
— কিরে আপু এভাবেই চোখ বের করে দাঁড়িয়ে থাকবি নাকি ভেতরে ঢুকতে দিবি।
আপু হকচকিয়ে বললো, আস্সালামু আলাইকুম আসুন ভেতরে আসুন।
তারপর আপু দৌড়ে উপরে চলে গেল।আমি আঙ্কেল আন্টিকে বসিয়ে আম্মুকে আর দাদীজানকে ডেকে আনলাম,আব্বু আর দাদাজান ও এসে যোগ দিল।
আম্মু ফিসফিসিয়ে বললো,যা তো মিমি তাশফীকে বল পরিপাটি হয়ে আসতে।
আমি আপুর কাছে যেতেই আপু আমায় জড়িয়ে ধরে বললো,মিমি মিমি তুই বেস্ট। তোকে আমি কত্তগুলি বকা দিছি আর তুই কিনা,,,
–আমি কি ? আমি কিছুই করিনাই।আর তুই এতো খুশি হচ্ছোস কেন, যেন তোর বফের মা বাবা আসছে বিয়ের প্রপোজাল নিয়ে?
আপু আমার দিকে চেয়ে বললো, ঢং করতেছোস নাকি সত্যি? আঙ্কেল আন্টি কেন আসছে তাহলে?
— উনাদের তুই চিনিস নাকি? উনারা তো আমার নামে বিচার দিতে আসছে, তাঁদের গাড়ির কাঁচ ভেঙে ফেলছি যে,,,
— সত্যি? তুই উনাদের গাড়ির কাঁচ ভেঙে ফেলছোস আল্লাহ! দুনিয়ায় আর কারো গাড়ি চোখে পড়ে নাই উফ উফ।
–আমি কি জেনেশুনে করি নাকি? যাই হোক এই জামা পাল্টা তো ফকিন্নির মতো লাগতেছে তোকে। আন্টিতো মনে করছে তুই আমাদের কাজের মেয়ে।
আপু মুখ কালো করে বললো, সত্য এটা মনে করছে? ধুরর
–এতো ঢং করিস না সুন্দর একটা ড্রেস পড়ে নীচে আয়।
–ক্যান আমি যামু ক্যান?
–ওমা কেউ আসলে পরিচয় করায় আম্মু জানোস না যেন? এখন কি বলবে এই কাজের বেটির মতো মেয়েটা আমার বড় মেয়ে?
আপু সন্দিহান চোখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে ড্রেস পাল্টে হালকা সাজুগুজু করলো।
(আমার বোনটা যে পরীর চেয়ে সুন্দর সে খবর কি কেউ জানে??)
দুই পক্ষের কথাবার্তা শেষে সাকিব ভাইয়া আপুর হাতে আংটি পড়িয়ে দিলো। পনেরোদিন পর তাঁদের বিয়ে ঠিক হলো। আমি সেই খুশিতে বসা থেকে উঠতে গিয়ে সাইড টেবিলে রাখা সিরামিকের শোপিস ভাঙতে গিয়ে বাঁচিয়ে ফেললাম।সবাই আমার এহেন কান্ডে হাসতে লাগলো।
আল্লাহ বাঁচাইছে হাহ!

রাতের আকাশটা বেশ পরিষ্কার আজকে, পুরো আকাশ তাঁরায় ঝলমল করছে। আমি মাদুর পেতে কানে ইয়ারফোন গুঁজে ছাদে শুয়ে আছি। নীচে আপু আর আম্মু কান্নাকাটি করছে, আমার বুঝে আসেনা বিয়ে ঠিক হলে এতো কান্নাকাটির কি আছে। এতোদিন আপু বিয়েতে রাজী হতো না বলে রাগারাগি করতো, আর এখন রাজী হয়েছে তাও কষ্ট পাচ্ছে। মানুষের মন যে কি চায় মানুষ নিজেও জানেনা। তাঁরার দিকে চেয়ে আঁকিবুকি করতে করতে হঠাৎ স্টার ফল হলো, তাৎক্ষণিক উইশ করে বসলাম, আল্লাহ সবার জীবনের দুঃখগুলো ভ্যানিশ করে দাও!
স্টার ফলে উইশ করলে সত্যি হয় কি না জানিনা।তবুও উইশ করতে ভাল্লাগে। আল্লাহর কাছে চাইলে তিনি কখনোই বিরক্ত হন না,বরং না চাইলে রাগ করেন। আল্লাহ কত্ত ভালো তাই না?

বেশ কিছুদিন পর,,,,
আরশান ফোন হাতে নিয়ে ভাবছে মিমিকে কল দেবে কি দেবেনা। একবার ভাবছে কল দিয়ে কথা বললে বোধহয় মনটা ভালো হতো, পরক্ষণেই মনে হচ্ছে কি না কি ভাবে! মন ভাঙার পর মানুষ সাধারণত এমন কারো সঙ্গে কথা বলতে পছন্দ করে যে তাঁর অনুভূতিগুলো মন দিয়ে শুনবে, তাঁর কষ্ট বুঝবে। মিমিকে সে এখন অবধি কিছু বলেনি, না তাঁর সঙ্গে সেরকম কোনো বন্ডিং আছে। তাও কেন জানি তাঁর মনে হচ্ছে মিমির সঙ্গে কথা বললেই শান্তি লাগবে। সেদিন যে মেয়েটা অচেনা হিসেবে এতো সুন্দর করে কথা বললো, ব্যথার মলমের মতো মনের যন্ত্রণা দূর করলো তাঁর সঙ্গে কথা বলে মন ভালো করার লোভ তো হবেই!
এখানে কেউ লোভী বললেও আরশানের একটুও গাঁয়ে লাগবেনা। কিন্তু কোথাও যেন একটু বাঁধছে আচ্ছা মেয়েটা কি আবার ভুলক্রমেও কল করতে পারেনা? এই যে এতোদিন হয়ে গেল এক্স টিচার হিসেবেও তো খবর নিতে পারে নাকি?
ফোনের রিংটোন বেজে উঠতেই চমকে উঠলো আরশান কাঁপা হাতে কল রিসিভ করতেই,
“আস্সালামু আলাইকুম স্যার। ভালো আছেন?”

“ওয়ালাইকুম আস্সালাম। ভালো আছি আপনি?”

“আমি সবসময় বিন্দাস থাকি। ফোন করায় ডিস্টার্ব হয়েছেন? অবশ্য ডিস্টার্ব হলেও কি? আমি কারো মুডের উপর ডিপেন্ড করে চলতে পারিনা। কথা বলতে ইচ্ছে করেছে তাই কল করেছি,,”

“এটা তো ব্যাড ম্যানার্স মিস রুমাইসা! যাই হোক আমি ডিস্টার্ব ফিল করছিনা। আপনি বলুন কি খবর আপনার হঠাৎ কি মনে করে ফোন করলেন?”

“সত্যি টা বলি। শুনে হাসবেন না কিন্তু?”

“জ্বি বলুন হাসবোনা”

“আপনি হাসতে জানলে তো হাসবেন। একটা মানুষ এতো কম কিভাবে হাসে আমি বুঝি না। যাক কথা হচ্ছে একটু আগে আমার হিচকি উঠেছিল। এখন বইলেন না কিছু চুরি করে খেতে গিয়ে উঠেছে। আমি আবার গুঁড়ো দুধ ছাড়া কিছুই চুরি করে খাই না। আজকে গুঁড়োদুধ শেষ তাই এটা হবার সম্ভাবনা নেই। এই অকারণ হিচকি উঠে মূলত কেউ আমাকে স্মরণ করলে। তো আমি আমার ল’ অনুযায়ী হিচকি উঠলেই পরিচিত সকলের নাম নেই। যে স্মরণ করছে তাঁর নাম নিতেই হিচকি বন্ধ হয়ে যায়,,,”

“এমন হয় নাকি! এটা কোনো লজিক হলো ?”

“আমি কিন্তু বহুবার প্রমাণ পেয়েছি।”

“আজকে ভুল প্রমাণিত হয়েছে আপনার ল’ ,আমি মোটেও আপনাকে স্মরণ করছিলাম না।”

” সিরিয়াসলি? নাকি মিথ্যা বলছেন? ইগোতে লাগবে স্বীকার করলে? ”

“এখানে ইগোতে লাগার কি আছে মিস রুমাইসা?”

” মানুষের তো কত কি ভাবনা থাকে। যেমন আমরা বাঙালিরা প্রাণখুলে হাসতেও ভয় পাই পাছে লোকে যদি সস্তা টাইপ মানুষ ভাবে! সেখানে এমন স্বীকারোক্তি তো মহাপাপ পর্যায়ে চলে যাবে,,,”

“আপনি কি সবসময় এমন বেশি কথা বলেন? ”

“জ্বি আমি সবসময় বেশি কথা বলি। মানুষের মধ্যে দুটো বৈশিষ্ট্যর একটি থাকে। কারো বেশি মুখ চলে আর কারো হাত চলে। আমার দুটোই বেশি চলে, আমি যেমন বেশি কথা বলি তেমনই বেশি টইটই করে জিনিসপত্র নষ্ট করি। আম্মু বলে আমার কোনোকিছুতেই কন্ট্রোল নেই,”

“বাহ! ভালো তো। তা এই পর্যন্ত কি কি ভেঙেছেন শুনি?”

“বলবো না জনাব! এমনিতেই আপনি আমাকে পছন্দ করেন না তার উপর লিস্ট শুনলে ফোন রিসিভ করতেও ভয় পাবেন।”

” এর সঙ্গে ফোন রিসিভের সম্পর্ক কি?”

“যদি ভেবে বসেন আমার কথায় আপনার ফোন গরম হয়ে ব্লাস্ট হবে? হিহিহিহি ”

আরশান এবার না হেসে পারলো না। শব্দ করেই হাসতে লাগলো। এতো হাসি সে আগে হেসেছে কি না মনে পড়ে না। তাঁর হাসির শব্দ শুনে আফরোজা আহমেদ ছেলের রুমের দরজায় এসে দাঁড়ালেন।

“আপনি অনেক মজার মানুষ মিস রুমাইসা। আপনার সঙ্গে কথা বললে কারোই মন খারাপ থাকবে না। হার্টের পেশেন্ট এর উচিত আপনার সঙ্গে থাকা। ”

“এতোগুলো প্রশংসা একসঙ্গে করবেন না। এটা আমার হজম হয় না। আপনার মন খারাপ ছিল তাই না?

আরশান কিছুক্ষণ থেমে বললো,কি করে বুঝলেন?

“প্রশংসা বাক্যে মানুষের মনের অবস্থাটা শোভা পায়। মন খারাপ ছিল বলেই এটা মেনশন করেছেন,,”

আরশান মিমির কথায় অবাক না হয়ে পারলো না। মেয়েটা সত্যিই ম্যাজিক জানে!

চলবে,,,,,

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ